Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

সব সময় উদ্যোক্তাদের পাশে থাকবে ‘ঐক্য’

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

কয়েকদিন পরই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সংগঠন ই-ক্যাবের ২০২২-২০২৪ সালের ৪র্থ দ্বি-বার্ষিক কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন। একটি সুসংগঠিত ই-ক্যাব গড়ার পাশাপাশি সময়ের চাহিদা মেনে ই-কমার্সের উন্নয়নের ব্রত নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ‘ঐক্য’ প্যানেল।

নির্বাচনকে সামনে রেখে ঐক্যের টিম লিডার, শিক্ষা ও ই-কমার্স খাতের পরিচিত মুখ প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। গত ১৩ জুন সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল শেরাটনে এক অনুষ্ঠানে নিজেদের ভাবনা ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।

বক্তারা বলেন, ই-কমার্স খাতের বিভিন্ন বিভাগে বিগত বছরসমূহে সরকার যেমন বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নতুন সম্ভাবনা হিসেবে জেগে ওঠার সুযোগ করে দিয়েছে; তেমনই তরুণ উদ্যোক্তারা এগিয়ে এসে এসব সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রেখেছেন। প্রতিনিধিত্বকারী বাণিজ্য সংগঠন হিসেবে ই-ক্যাবও রেখেছে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। টিম ঐক্য সব পক্ষকে নিয়ে একসাথে কাজ করার মানসিকতা ও পরিবেশ তৈরি করতে চায়।

ঐক্য প্যানেলের টিম লিডার প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আগামী ২ বছরের জন্য আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে ই-কমার্সের বাজার সম্প্রসারণ। পাশাপাশি উদ্যোক্তা, বিনিয়োগ, তথ্য ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্তি সহজ করা। এমনকি ই-কমার্স বান্ধব আইন, বাজেট ও নীতি প্রণয়নে জোরালো ভূমিকা পালন করা।’

ঐক্য প্যানেলের সদস্যরা ঘোষণা করেন, নির্বাচনের আগে ও পরে সব সময় উদ্যোক্তারা তাদের পাশে পাবেন। উদ্ভুত সমস্যা সমাধানে সরাসরি সদস্যদের মতামত নিয়ে সমাধান করা হবে। নির্বাচনের আগেও তারা ই-ক্যাবের পাশে ছিলেন, নির্বাচিত না হলেও সব সময় ই-ক্যাবের পাশে থাকবেন।

এ সময় প্যানেল সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম (অংশীদার-ক্রাফটসম্যান সলুশন), মো. তাজুল ইসলাম (আই এক্সপ্রেস লিমিটেড), আরিফ মোহাম্মদ আব্দুস শাকুর চৌধুরী (স্কুপ ইনফোটেক লিমিটেড), মো. সেলিম শেখ (নূরতাজ ডটকম বিডি), সামদানি তাব্রীজ (র্যাপিডো ডেলিভারিস), ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদা হায়দার রিমা (মেনসেন মিডিয়া), মো. আরিফুল ইসলাম ডিপেন (পরান বাজার) এবং ছোফায়েত মাহমুদ লিখন (কোরিয়ান মার্ট বিডি)।

আগামী ১৮ জুন অনুষ্ঠিত হবে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) নির্বাচন। নির্বাচনে ভোটার আছেন ৭৯৫ জন।


আরও খবর



অনন্ত-বর্ষার সিনেমা সফল হলে পরাজয়টা কার?

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

চলচ্চিত্রের কোনো সংগঠন পিকনিক করবে, অনন্ত জলিলকে ডাকো। কোনো সংগঠনের ইফতার বা কোনো আয়োজন, অনন্ত জলিলকে ডাকো। ডাক পেয়েছেন কিন্তু অনন্ত সাড়া দেননি তেমন ঘটনা শোনা যায়নি কখনো। সাধ্যেরে সবটুকু দিয়ে চলচ্চিত্র ও এখানকার মানুষদের পাশে সবসময়ই ছিলেন তিনি। নানা সাক্ষাৎকার ও আয়োজনে বহুবার বলেছেন, ‘আমি চাই মিলেমিশে সবাই একটা পরিবারের মতো হয়ে থাকবো।’

সেই পরিবার থেকে অপমানিত হলেন অনন্ত। ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১০৭টি হলে মুক্তি পেয়েছে অনন্ত’র সিনেমা ‘দিন: দ্য ডে’। প্রায় ১০০ কোটি বাজেটের ছবিটি বেশ ভালোই সাড়া ফেলেছে সাড়া দেশে। ঈদের পর অনন্ত যমুনা ব্লকবাস্টারে একটি বিশেষ শোয়ের আয়োজন করেছিলেন। যেখানে তিনি ৭৪ জন শিল্পীকে আমন্ত্রণ করেছেন বলে জানান। কিন্তু দেখা গেল নায়িকা কেয়াসহ হাতে গোনা ৪-৫ ছাড়া আর কেউই আসেননি।

যে শিল্পী সমিতির নেতৃত্ব গেল রোজা ঈদে কার্ড ছাপিয়ে সিনেমার প্রচার করেছিল সেই তারাও অনন্তর ‘দিন: দ্য ডে’ দেখতে এলেন না। কোনো প্রচারণায় থাকা তো দূর! কিন্তু কেন? সেই প্রশ্নের উত্তর অনন্তও জানেন না। তবে তিনি যে তার আমন্ত্রণ রক্ষা না করায় তার চলচ্চিত্র পরিবারের উপর কষ্ট পেয়েছেন সেটা বেশ স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছেন।

এদিকে এই আমন্ত্রণকে কেন্দ্র করেও দেখা গেল কিছু নাটকীয় ব্যাপার স্যাপার। দেশের একটি গণমাধ্যমে কিংবদন্তি অভিনেত্রী ববিতা দাবি করেছেন, অনন্ত নাকি মিথ্যাচার করছেন। ববিতাকে দাওয়াত না দিয়েই তাকে দাওয়াত দেয়া হয়েছে বলে দাবি করছেন। ববিতা জানান, ‘আমরা তিনবোনের কেউই ছবি দেখার আমন্ত্রণ পাইনি। আমন্ত্রণ না করে মিথ্যা বলা ঠিক নয়’।

তবে ববিতার বোন আরেক অভিনেত্রী চম্পা গণমাধ্যমে বলেছেন যে তিনি ছবি দেখার দাওয়াত পেয়েছেন। ব্যক্তিগত ব্যস্ততায় যেতে না পারায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। দুই বোনের দুই রকম বক্তব্য মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

ববিতা নিভৃতচারী মানুষ। চলচ্চিত্র থেকে নিজেকে বলা চলে দূরে সরিয়ে রেখেছেন। কোনো আয়োজনেই তার দেখা মেলে না। প্রিয় কারো মৃত্যু ছাড়া অন্য তেমন কোনো ইস্যুতেই তিনি মুখ খুলেন না। হঠাৎ করে অনন্ত’র সিনেমার আমন্ত্রণ পাওয়া না পাওয়া নিয়ে তার ক্ষোভ মাখা বক্তব্যের কারণ অনেকেই খুঁজে পাচ্ছেন না।

এদিকে আরেক বর্ষিয়ান অভিনেত্রী অঞ্জনা বেজায় চটেছেন অনন্ত-বর্ষা জুটির উপর। তারা ১০০ কোটি টাকা বাজেটে যৌথ প্রযোজনায় নিজেদের সিনেমাটির প্রচার করতে গিয়ে দাবি করছেন এটি আন্তর্জাতিক মানের। আন্তর্জাতিক আমেজের। সেই নিয়ে প্রতিবাদী হয়েছেন অঞ্জনা। তিনি দাবি করেছেন, ৩০ বছর আগেই তিনি আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা করেছেন। অনন্ত তবে কেন সারাক্ষণ ‘আন্তর্জাতিক সিনেমা’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন। ফেসবুকে নিজের অভিনীত বেশকিছু সিনেমার পোস্টার যুক্ত করে একটি পোস্ট দিয়েছেন অঞ্জনা। শুরুতেই বিরক্তি প্রকাশ করে সেখানে লিখেছেন, ‘মিস্টার অনন্ত জলিল, আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা, আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা…! আপনার এই কথা শুনতে শুনতে আমরা বিরক্ত হয়ে গেছি। বিশেষ করে আমি অনেক বিরক্ত হয়েছি। আমার অভিনীত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের পোষ্টারগুলো দিলাম দেখে নিন।’

অঞ্জনার সেই আন্তর্জাতিক সিনেমার তালিকায় চোখ বুলিয়ে দেখা গেল সেখানে বেশ কিছু ছবির নাম। নানা দেশের সিনেমাগুলো যার যার সময়ে বেশ ব্যবসা সফল বলেও তথ্য মিললো। কিন্তু এই ছবিগুলো গেল ৩০ বছরে কখনোই আলোচনায় আসেনি। নতুন প্রজন্ম এই সিনেমাগুলোর সঙ্গে একেবারেই পরিচিত নয়। কারণ এগুলো নিয়ে এখানে চর্চা হয় না। সম্ভবত দেশের সেরা ১০০ সিনেমার তালিকার করলে সেখানে একটিও স্থান পাবে না। আন্তর্জাতিক সিনেমাগুলোতে বাংলাদেশের প্রাপ্তি কেবল অঞ্জনার যুক্ত হওয়াটাই। সেগুলো নিয়ে তিনি গর্ব করতেই পারেন। বেশি বেশি করে ছবিগুলো প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে এ প্রজন্মের কাছে তুলেও ধরতে পারেন। কিন্তু অনন্ত যখন নিজে লগ্নি করে অন্য একটি দেশের সঙ্গে যৌথভাবে দেশের একাধিক শিল্পীদের নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সিনেমা তৈরি করলেন তখন তার প্রচারে অঞ্জনার বিরক্তি বা ক্ষোভের কারণটা ঠিক বোধগম্য হলো না।

অঞ্জনা এবং অনন্ত; আন্তর্জাতিক সিনেমার প্রেক্ষাপটে দুজনের ভূমিকা ও সাফল্য একেবারেই আলাদা। তারচেয়েও বড় কথা, অনন্তর সিনেমাটি সবেমাত্র মুক্তি পেয়েছে। তিনি তার ছবির প্রচারে যে বিষয়টি আকর্ষণীয় সেটিকেই সবার সামনে তুলে ধরবেন এটাই স্বাভাবিক। সবাই করে। তাতে অন্য শিল্পী বা গোষ্টির ক্ষোভ প্রকাশের যুক্তি থাকতে পারে না। একজন সিনিয়র শিল্পী হিসেবে অনন্তকে আন্তর্জাতিক মানের সিনেমার জ্ঞান দিতে গিয়ে নিজেকে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াটি হাস্যকর হয়ে উঠেছে তাই। অনেকেই দাবি করছেন, অঞ্জনা হয়তো আলোচনার জন্যই অনন্তর বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। বলার অপেক্ষা রাখে না, আলোচনা কাড়তে সক্ষম হয়েছেন তিনি। ফেসবুকে যেমন অনন্ত বিরোধী সিন্ডিকেট স্ট্যাটাসটি লুফে নিয়েছে তেমনি অনেক গণমাধ্যমও এগুলো প্রচার করেছে। সেইসব খবরের লিংক আবার অঞ্জনা তার ফেসবুকে শেয়ারও করেছেন। উদ্দেশ্য কি তবে শুধুই আলোচনায় আসা?

অনন্ত একজন পাকা ব্যবসায়ী। একাধিকবার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি তিনি পেয়েছেন। তিনি খুব ভালো করেই জানেন এদেশের সিনেমার বাজারে ১ কোটি টাকা লগ্নি করাও ঝুঁকির। সেই তিনি ১০০ কোটি টাকার সিনেমা নিয়ে হাজির হয়েছেন। অনেকেই বলছেন, মিথ্যাচার করছেন অনন্ত। তার ছবিটি মোটেও ১০০ কোটি টাকার নয়। হতে পারে। প্রচারণার স্বার্থে অনন্ত-বর্ষা মিথ্যাচার করতে পারেন। কিন্তু আমরা কি নিজেদের মন্তব্যের পক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে পারছি? যতক্ষণ প্রমাণ না আসে যে এটা ১০০ কোটি বাজেটের নয় ততক্ষণ ছবির কর্তৃপক্ষ হিসেবে অনন্ত-বর্ষার দাবিই সঠিক প্রমাণিত।

ছবির লোকেশন, শিল্পী, দৃশ্যায়ণ দেখলে বোঝা যায় অনন্ত-বর্ষারা মিথ্যে বলছেন না। তবুও ধরে নেয়া যাক এটি ১০ কোটি টাকা বাজেটের সিনেমা। বাংলাদেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি এর আগে এত টাকার লগ্নির ঝুঁকি নিয়েছে? নেয়নি। সেদিক থেকে এই ছবিটির জন্য সবার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন ছিল। কারণ আমরা সিনেমা নিয়ে খুব খারাপ সময় পার করছি। সেই দুঃসময় কাটাতে সবাই সকাল সন্ধ্যা এক হয়ে সিনেমার উন্নতির কথা বলছি। প্রযোজক নেই বলে নানা উপায় খুঁজছি প্রযোজক বাড়ানোর। কিন্তু দেখা যায় কোনো আশা জাগানিয়া সিনেমা মুক্তি পেলে আমরাই সেই সিনেমার জন্য হুমকি হয়ে উঠি! প্রযোজক লগ্নি হারিয়ে এ মুখো আর হন না। নতুন যারা লগ্নির কথা ভাবেন তারাও আর সাহস করেন না।

সিনেমা মুক্তির পর চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট প্রায় সবাই কীভাবে কীভাবে যেন নানাভাগে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছি! নিজের বলয় বা পছন্দের মানুষদের বাইরের ছবি হলে সেটা নিয়ে প্রকাশ্যে-গোপনে নানারকম মত ও কার্যক্রমে সিনেমার অপপ্রচার চলে। সাধারণ মানুষ তাদের ভালো মন্দ অনুভূতি প্রকাশ করবে, করুক। সেগুলো নেতিবাচক মোড়কে প্রচার কেন হচ্ছে? ইন্ডাস্ট্রির মানুষেরাই বা কেন কোনো সিনেমার নেতিবাচক প্রচার করবে? ঘরের মানুষ হয়ে ঘরের ক্ষতি করার প্রবণতা তো ভয়ংকর।

অনন্ত-বর্ষার ‘দিন: দ্য ডে’ নিয়ে বলিউডের অনেক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। অনন্ত-বর্ষারা সেগুলোকে প্রচার করছেন। তারা দাবি করছেন, বলিউড থেকে অনেকে ফোন কলে তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অনেকে অনুসন্ধানী হয়ে তথ্য পেয়েছেন এগুলো পেইড নিউজ ও প্রচারণা। হতেই পারে। বলিউডভিত্তিক গণমাধ্যমগুলো বরাবরই পেইড নিউজ। বিশেষ করে সিনেমার প্রচার বিষয়ক সংবাদগুলোর বেলায়। সে কথা নতুন কিছু নয়। সেদিকে নজর না দিয়ে নিজের সিনেমার প্রচার অনন্তরা বিদেশি গণমাধ্যম থেকে করাতে পেরেছেন সেটাই আলোচ্য হওয়া উচিত ছিল। এর আগেও দেশের বেশ ক’জন নির্মাতার নিউজ বলিউড থেকে প্রকাশ হয়েছে। সেগুলো পেইড কি পেইড না তা তো কেউ খতিয়ে দেখতে চাইনি বা যাইনি। তবে ‘দিন: দ্য ডে’র বেলায় হঠাৎ সবাই এত সক্রিয় কেন?

দেশের নতুন প্রজন্মের জনপ্রিয় পরিচালক আশফাক নিপুণও আলোচনায় সামিল হয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘বর্ষাকে বলিউড থেকে কেন কল দেবে?’ উনার কাছে প্রশ্ন, বর্ষাকে কল দিতে কি বারণ আছে? বলিউডে অনন্ত-বর্ষার পরিচিত কেউ থাকতে পারে না? নাকি থাকা উচিত নয়! আশফাক নিপুণ একজন নির্মাতা, বেশ গুণি এবং প্রশংসিত নির্মাতা। তার কাছ থেকে স্রোতে গা ভাসানো এসব মন্তব্য আশা করা যায় না।

তবে একথাও স্পষ্ট করে বলা যায়, সিনেমার প্রচার করতে গিয়ে অনন্ত-বর্ষা অনেক বিতর্কেরই জন্ম দিয়েছে। কে কি বললো, কে কিভাবে মূল্যায়ণ করলো সেসব বিবেচনায় নিয়ে তর্কে-বিতর্কে জড়িয়ে নেতিবাচক প্রচারণায় এখন আর সাধারণ মানুষ বশ হয় না। দেশের নানা সংকটে অনন্ত এগিয়ে আসেন, তার এসব দান-অনুদানের প্রতি সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা আছে। তিনি একজন এন্টারটেইনার। সেদিক থেকেও মানুষ তার প্রতি আগ্রহী। সিনেমার স্বাভাবিক প্রচারণাই যথেষ্ট ছিল ‘দিন: দ্য ডে’র জন্য। অন্য সিনেমা, অন্য নির্মাতা-শিল্পীদের আক্রমণ করা অনন্ত জলিলের মতো ইন্ডাস্ট্রির একজন সিনিয়র সিটিজেনের কাছে কেউ আশা করে না।

তিনি এখন পর্যন্ত যে কয়টি সিনেমা করেছেন সবগুলোই বহুল আলোচিত এবং ব্যবসা সফল। ট্রল, সমালোচনা যতোই হোক মানুষ তাদের সিনেমা দেখেছে, অতীত সে কথাই বলে। তাদের সিনেমা মুক্তি পেলে সেটি দেশে একটি ইস্যু হিসেবে দাঁড়িয়ে যায়। এবারেও দাঁড়িয়েছে। তাদের সিনেমার আলোচনার প্রভাবে অন্য সিনেমাগুলোও আলোচনায় থাকে। ‘দিন: দ্য ডে’র বেলাতেও সেটা হয়েছে। দর্শক ছবি দেখছে। অনেকে তাদের মুগ্ধতার কথাও জানাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, পর্দা ও বাস্তব জীবনের জুটি হিসেবে অনন্ত-বর্ষার প্রশংসা হচ্ছে, তাদের সম্পর্কের দায়বদ্ধতা প্রশংসিত হচ্ছে। ইতিবাচক এই বিষয়গুলোই হোক অনন্ত-বর্ষার
সিনেমার প্রচারের হাতিয়ার। তাদের সাফল্যে যারা পরাজয়ের কষ্ট পান, তাদের পরাজিত হতে দেয়ার সুযোগ নষ্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। যদিও স্পষ্ট নয়, তারা কারা। তারা আসলে ছায়ার মতো। আছে বোঝা যায়। কিন্তু খুঁজলে দেখা যায় না।

সিনেমা ব্যবসার মন্দার এই চরম সংকটময় মুহূর্তে গেল রোজা ঈদ থেকে হলে আসতে শুরু করেছেন দর্শক, এটা আশা জাগানিয়া ব্যাপার। কোরবানি ঈদে সিনেমা নিয়ে দর্শকের আগ্রহটা আরও বেড়েছে। অনন্য মামুনের পরিচালনায় রোশান-পূজা জুটির ‘সাইকে’ জোনাকি মতো কোথাও জ্বলছে, কোথাও নিভু নিভু। আর এই ঈদে মুক্তি পাওয়া রায়হান রাফি পরিচালিত ইয়াশ রোহান, বিদ্যা সিনহা মিম ও শরীফুল রাজের ‘পরাণ’ বাজিমাত করেছে সিনেপ্লেক্সগুলোতে। ঈদের সিনেমার বাজারে ছবিটি পূর্ণিমার চাঁদ হয়ে ধরা দিয়েছে। ‘দিন: দ্য ডে’ যেন জোছনা। চাঁদ দেখতে গেলে জোছনা তো এড়ানো যায় না। তাই না?


আরও খবর



মদন-কেন্দুয়া সড়ক সংস্কারে ধীরগতি, দুর্ভোগ চরমে

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

নির্ধারিত সময়ে নেত্রকোনার মদন-কেন্দুয়া সড়কের সংস্কার কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সময়সীমার তিন মাস পার হলেও ধীরগতির কাজে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যানবাহন চালক, যাত্রী পথচারীদের।

মদন উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৫ কিলোমিটার মদন-কেন্দুয়া সড়কের মধ্যে মদনের অংশ প্রায় ৯ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল অবস্থায় রয়েছে। ৯ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর এম এ ওয়াহেদ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হয়। সাড়ে ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২২ সালের ৭ এপ্রিল কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমার তিন মাস পার হলেও কাজ করতে পারেনি ঠিকাদার।

বুধবার (২০ জুলাই) সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে, মদন থেকে কেন্দুয়া উপজেলায় যাতায়াতের একমাত্র পথ এ সড়কটি। মদন থেকে কেন্দুয়া, তাড়াইল, কিলোরগঞ্জ, ভৈরব, সিলেট ও চট্টগ্রামের সঙ্গে দূরপাল্লা যান চলাচল করে ওই সড়ক দিয়ে।

কিন্তু মদন পৌরসদর থেকে খাঞ্জার খাল পর্যন্ত এখনো ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত রয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। বিকল্প কোন রাস্তা না থাকায় দুর্ভোগের মধ্য দিয়েইে প্রতিদিন যাতায়াত করছে লোকজন।

এ সড়কের যাতায়াতকারী খাইররুল ইসলাম, ফরিদ চৌধুরী ও গাড়িচালক সাইফুল ইসলামসহ আরও অনেক বলেন, সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অযোগ্য হলেও সংস্কার হচ্ছে না। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রয়োজনের তাগিদে লোকজন এ পথে যাতায়াত করছে। রাস্তাটির দ্রুত সংস্কারের দাবি তাদের।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক এম এ ওয়াহেদ বলেন, রাস্তার প্রাক্কলনে ভুল ও দুপাশে গাছ কেটে সরানো হয়নি। ফলে সড়কের দুপাশে মাটি কাটতে না পারায় কাজ করতে বিলম্ব হচ্ছে। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

মদন উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া পিয়াল জাগো নিউজকে বলেন, বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও ঠিকাদার কাজ করতে বিলম্ব করছে। বন্যায় তলিয়ে যাওয়া সড়কে এখন কাজ শুরু হয়েছে।

নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম শেখ জাগো নিউজকে বলেন, মদন-কেন্দুয়া সড়কের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে।

প্রাক্কলনে ভুল থাকার বিষয়টি জানতে চাইলে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন তিনি।


আরও খবর



এতিমখানা থেকে পালিয়ে পুলিশকে মিথ্যা বলেছিল দুই শিশু

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার দুই নম্বর পুলিশ ফাঁড়িতে আশ্রয় নেওয়া দুই শিশু রাসেল (৮) ও রবিউল (৭) পুলিশের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিল। তারা প্রথমে নিজেদের দুই ভাই পরিচয় দিলেও পরে জানা যায় সেটি মিথ্যা। তারা ফরিদপুর শহরের বায়তুল আমান সরকারি শিশু পরিবার বালক এতিমখানা থেকে পালিয়ে ওই পুলিশ ফাঁড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল।

রোববার (৭ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার দুই নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুনীল কর্মকার জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।

এর আগে শনিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফরিদপুর রেলস্টেশনের পাশে একটি গাছের নিচে কাঁদতে দেখে সিয়াম ও শুভ নামে দুই তরুণ তাদের পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যান। তখন তারা, নিজেদের দুই ভাই দাবি করে পরিবারের কাছে ফিরতে চায় বলে পুলিশকে জানায়। এরপরই পুলিশ তাদের পরিবারের সন্ধান পেতে তৎপরতা শুরু করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যা স্থানীয় সিয়াম ও শুভ নামে দুই তরুণ এলাকার অন্য কয়েক তরুণের সহায়তায় শিশু দুটিকে ফাঁড়িতে নিয়ে আসেন। তখন শিশু দুটি জানায়, তারা দুই ভাই। তাদের মা বেঁচে নেই। বাবা রাগ করায় তারা বাড়ি ছেড়ে চলে এসেছে। তারা এখন বাড়ি ফিরে যেতে চায়। প্রথমে শিশু দুটি বাবার নাম জসিম শেখ বলে। তাদের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান এলাকায় বলে জানায়। তবে তারা একেক সময় বাড়ির ঠিকানা একেক জায়গার কথা বলে। তারা কখনো বলে তাদের বাড়ি ঢাকায়, আবার কখনো বলে গাজীপুরের কালীগঞ্জে।

এদিকে, প্রকৃত ঘটনা হলো- ওই দুই শিশুর মধ্যে রাসেল গত বৃহস্পতিবার কোতোয়ালি থানা পুলিশের মাধ্যমে এতিমখানায় আসে। তার মা-বাবার নাম জানা যায়নি। আর রবিউলের বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার পানিগাতী গ্রামে। তার বাবা মৃত আ. রহমান। রবিউলের মা রুপালী বেগম ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে প্রায় বছরখানেক আগে তাকে এতিমখানায় রেখে যান। এর পর থেকে সে সেখানেই ছিল। শনিবার কোনো একসময় তারা দুজন এতিমখানা থেকে পালিয়ে যায়।

ফরিদপুর বায়তুল আমান সরকারি শিশু পরিবার বালক এতিমখানার অফিস সহকারী মো. মিরাজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, বায়তুল আমান সরকারি শিশু পরিবার বালক এতিমখানায় মোট আসন সংখ্যা ১৭৫টি। বর্তমানে সেখানে ১৬৫ এতিম বালক রয়েছে। মূলত এ প্রতিষ্ঠানটি উন্মুক্ত। শিশুরা অন্যত্র লেখাপড়া ও খেলাধুলা করে। এখানে শুধু থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। রাসেল ও রবিউল নামে শিশু দুটি এখান থেকে কাউকে কিছু না বলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীকালে আমরা জানতে পারি তারা থানায় আশ্রয় নিয়েছে। এখন আমরা আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করছি।

এ বিষয়ে ফরিদপুর বায়তুল আমান সরকারি শিশু পরিবারের সহকারী তত্ত্বাবধায়ক মো. আমির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, রবিউল নামে শিশুটি প্রায় এক বছর ধরে আমাদের প্রতিষ্ঠানে আছে। সে শান্ত প্রকৃতির। এর আগে তার কোনো খারাপ কিছু পাইনি বা কোনো খারাপ ঘটনা ঘটায়নি। গত বৃহস্পতিবার রাসেল নামে নতুন ছেলেটি আসার পর তাদের দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। তারপরই এ ঘটনা ঘটে। কিন্তু কেন বা কী কারণে তারা এমনটি করেছে তার কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। শিশু দুটিও এ বিষয়ে কোনো কথা বলছে না।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে আমরা একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলাম। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।

জানতে চাইলে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার দুই নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুনীল কর্মকার জাগো নিউজকে বলেন, প্রথমে তাদের কথা শুনে আশ্রয় দিয়ে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে জানতে পারি তারা আপন ভাই না। তারা প্রথমে যা বলেছে সবই মিথ্যা। তারা এতিমখানা থেকে পালিয়ে এসে মিথ্যা নাটক সাজিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের পরিবারের সন্ধান চাওয়ার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে রোববার দুপুরে এ ঘটনার সত্যতা বেরিয়ে আসে। ফরিদপুর বায়তুল আমান সরকারি শিশু পরিবার বালক এতিমখানা থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারি।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃত ঘটনা জানার পর শিশু দুটির কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কোনো উত্তর দেয়নি। চুপচাপ রয়েছে। এই বয়সে তাদের মিথ্যাচার ও নাটক দেখে আশ্চর্য হয়েছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের এতিমখানায় হস্তান্তর করা হবে।


আরও খবর



রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৮১জন দেখেছেন
Image

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃমোঃআবু কাওছার মিঠু 


নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার চার শতাধিক বীর মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল ৭ জুলাই রবিবার মুড়াপাড়া বাজারস্থ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আয়োজিত বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ নুসরাত জাহান।


সভায় বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক, রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান ভুঁইয়া, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ আব্দুল হাই, মুড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ তোফায়েল আহমেদ আলমাছ, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দা ফেরদোসী আলন নীলা, শাহরিয়ার পান্না সোহেল, ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আমান উল্লাহ মিয়া, আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ সাইফুল ইসলাম, আজমত আলী, তাবিবুল কাদির তমাল, মশিউর রহমান তারেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মিনারা বেগম প্রমুখ।


পরে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়। 


আরও খবর



আমদানির চাল যথাযথ বাজারজাত তদারকিতে ৮ ডিসিকে চিঠি

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

চালের দামের ঊর্ধ্বগতি রোধে বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি করা চাল যথাযথভাবে বাজারজাত করার বিষয়টি তদারকি করতে সংশ্লিষ্ট আট জেলা প্রশাসককে (ডিসি) চিঠি দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি যশোর, দিনাজপুর, সাতক্ষীরা, কুমিল্লা, লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও কুড়িগ্রামের ডিসির কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করাসহ বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য এ পর্যন্ত মোট ৩৮০টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে সুনির্দিষ্ট শর্তে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে বেসরকারিভাবে আমদানিকারকরা বরাদ্দ পাওয়া চাল ভারত থেকে বেনাপোল, ভোমরা, হিলি, বুড়িমারি, সোনাহাট, চিলাহাটি, বাংলাবান্দা, বিবিরবাজার ও বিরল স্থলবন্দরের মাধ্যমে আমদানি শুরু করেছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, এ অবস্থায় বেসরকারিভাব আমদানি করা চাল যাতে যথাযথভাবে বাজারজাত হয়, সে বিষয়টি মনিটরিং করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।


আরও খবর