Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

সারাদেশে ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ৫৫৯

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৩৫৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক; গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে প্রাণ গেছে ২২৬ জনের। এ ছাড়া নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৫৯ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২ হাজার ৭৬৪ জন।

আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ হিসাব করা হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হননি এমন রোগীরা হিসাবের বাইরে আছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকার হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ৩২০ জন। আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৩৯ জন। বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৫৫২ জন। আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি আছেন ১ হাজার ২১২ জন।

এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫২ হাজার ১৬১ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪৯ হাজার ১৭১ জন।


আরও খবর



মাগুরার মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলায় ভোট গ্রহণ চলছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১৩২জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে  মাগুরার মহম্মদপুর এবং শালিখা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে । সকাল ৮ টা থেকে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে সেই সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। ভোটকে নির্বিঘ্ন করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।  
 
মহম্মদপুর উপজেলায় ৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে আব্দুল মান্নান আনারস এবং কবিরুজ্জামান কবিরের শালিক পাখি মার্কার মধ্যে মূল  প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার আশা করছেন ভোটাররা। 
অন্যদিকে শালিখায় ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে শ্যামল কুমার দে এবং রেজাউল ইসলামের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দিতা হওয়ার সম্ভাবনার কথাও বলছেন ভোটাররা । 

মহম্মদপুর উপজেলার আটটি ইউনিয়নের ৬৪ টি ভোট কেন্দ্রে  এক লাখ ৮১ হাজার ৩৬২ জন ভোটার এবং শালিখা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৫৪ টি ভোট কেন্দ্রে ১ লাখ ৪৪ হাজার ২৫৫ জন ভোটারের জন্য ভোট প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

আরও খবর



যাত্রাবাড়িতে প্রতিবেশীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ স্কুল শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১৫২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানী যাত্রাবাড়ি থানাধীন মাতুয়াইল দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা মাহমুদা হক।তার পার্শবর্তী বাসিন্দা আশরাফ আলী এর  অত্যচারে অতিষ্ট হয়েছে বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ঐ নারী গত ২০২১ সাল থেকে ডিএসসিসির ৬৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বরাবর অভিযোগ করেও এখনো কোন সুরাহা পাননি।

মাতুয়াইল দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা মাজহারুল হক ভূঁইয়ার মেয়ে মাহমুদা হক মেবিন  বলেন, আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে গ্রীন বার্ড এডভান্স হাই স্কুল নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে ২০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। ২০২১ সালে এই জমিটি আমরা স্থানীয় গোলাপ খা এর মেয়েদের ওয়ারিশ সম্পত্তি খরিদ করি। গোলাপখার বড় সন্তান আশরাফ আলী ও তার স্ত্রী সাহেরা খাতুন পুত্র শফিক প্রতিনিয়ত আমাদের উপর অত্যাচার নির্যাতন জুলুম চালাচ্ছে। স্কুলের প্রধান প্রবেশ গেটে ময়লা আবর্জনা এনে জমা করে রাখে যাতে বাচ্চারা স্কুলে আসতে না পারে, শুধু তাই নয় কখনো কখনো মানুষের মল-মূত্র এনেও পলিথিনে করে জমা করে রাখে, স্কুলে আসার সময় বাচ্চাদের নানা ভাবে গালিগালাজ করে,তাদের এই অত্যাচারের তীব্রতা এতই বেশি যা সহ্য করার মতো নয়।এ বিষয়গুলো নিয়ে যাত্রাবাড়ী থানা ও স্থানীয় কাউন্সিলর বরাবর অভিযোগ করি। কিন্তু এখনো এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

ভুক্তভোগী মাহমুদা আরো জানান, আশরাফ আলী এই স্কুলের ভবনের প্রবেশের প্রধান সড়কের জমি অবৈধ ভাবে দখলে রাখতে চান । রাস্তার জন্য জমি ব্যবহার করতে ১০ লক্ষ টাকা তাকে চাঁদা দিতে হবে ।অন্যথ্যায় স্কুলটি বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেন প্রতিবেশী আশরাফ আলী।

স্থানীয়দের সাথে কথা বললে জানা যায়, আশরাফ আলী এলাকার একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি তার বিষয়ে মুখ খোলার সাহস কারো নেই। তার বিরুদ্ধে কেহ কথা বললে তাকে নানাভাবে নাজেহাল করা হয়।

স্কুলে প্রবেশের প্রধান সড়কে ময়লা আবর্জনা মলমূত্র ফেলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন দুর্বিষহ করে তোলা হচ্ছে।এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী মাহমুদা হক মেবিন।


আরও খবর



বাজারে আসা শুরু করলো নওগাঁর সুমিষ্ট-সুস্বাদু আম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১৪০জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা; নওগাঁ প্রতিনিধি:অবশেষে নওগাঁসহ দেশের বাজারে আসা শুরু করলো নওগাঁর সুমিষ্ট ও সুস্বাদু আম। প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময়সূচী অনুযায়ী নওগাঁর বাগান থেকে বুধবার (২২মে) স্থানীয় জাতের/গুটি আম নামানোর মধ্যে দিয়ে এই আম পাড়া শুরু হলো। তবে নওগাঁর ঐতিহ্য আম্রপালি অন্যান্য জাতের সুস্বাদু ও সুমিষ্ট আম পেতে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে ভোক্তাদের।

চলতি বছর জেলা থেকে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার আম বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়। এছাড়াও এবছর নওগাঁ থেকে ১হাজার মেট্টিক টন আম বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী ২৮মে থেকে গোপালভোগ, ২জুন ক্ষীরসাপাত/হিমসাগর, ৭ জুন নাক ফজলি, ১০জুন ল্যাংড়া ও হাঁড়িভাঙা, ২০ জুন ফজলি, ২২জুন আম্রপালি এবং ১০জুলাই থেকে আশ্বিনা, বারি আম-৪, গৌড়মতি ও কাটিমন আম সংগ্রহ করা যাবে। জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে চলতি বছর জেলার ৩৩হাজার ৩০০হেক্টর জমির বাগানে আম চাষ হয়েছে। এসব বাগানে ব্যানানা ম্যাংগো, মিয়াজাকি, কাটিমন, গৌড়মতি, বারি আমসহ দেশি-বিদেশি প্রায় ১৬ জাতের আম চাষ করেছেন চাষিরা। নওগাঁ থেকে এ বছর অন্তত ৪লাখ ৩১হাজার ৫০০টন আম উৎপাদনের আশা করছে নওগাঁর কৃষি বিভাগ।

জেলা কৃষি সসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আজ থেকে স্থানীয় জাতের/গুটি আম পাড়া তারিখ নির্ধারণ নির্ধারণ করে দেওয়া ছিলো। সেই সময় অনুযায়ী চাষিরা গুটি আম নামাবেন। এছাড়াও উন্নত জাতের যেসব আম আছে সেগুলো বাজারে আসতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। পরিপক্ব ও ক্ষতিকারক কেমিক্যাল উপাদানমুক্ত আম নিশ্চিত করতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে যদি কোনো বাগানে আম পেকে যায় চাষীরা উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে সেগুলো নামাতে পারবেন। ভোক্তাদের কাছে নওগাঁর পরিপক্ক ও বিষমুক্ত আম পৌছে দিতে জেলা কৃষি বিভাগ বদ্ধ পরিকর।

আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জানিয়েছেন ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে এবং মধ্যমেয়াদে তা বেড়ে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌঁছাবে বলে।

বৃহস্পতিবার (০৬ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাজেট উপস্থাপন বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এমনটি জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ, যা বিশ্বের সব দেশের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের অর্থনীতি বর্তমানে কিছুটা চাপের সম্মুখীন হলেও প্রাজ্ঞ ও সঠিক নীতিকৌশল বাস্তবায়নের ফলে জিডিপি প্রবৃদ্ধির গতিধারা অব্যাহত রয়েছে।

মাহমুদ আলী বলেন, কোভিড-১৯ অতিমারির পূর্বের বছরে অর্থাৎ ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেকর্ড ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল। রাশিয়া-ইউক্রেন সংকট এবং অন্যান্য বৈশ্বিক অস্থিরতার ফলে সৃষ্ট সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ২০২১-২২ অর্থবছরে ৭ দশমিক ১০ শতাংশ, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ (সাময়িক) প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়েছে; যা আমাদের অর্থনীতির অন্তর্নিহিত শক্তির পরিচায়ক।

তিনি বলেন, জিডিপি প্রবৃদ্ধির এ গতি আগামীতে ধরে রাখার লক্ষ্যে কৃষি ও শিল্প খাতের উৎপাদন উৎসাহিত করতে যৌক্তিক সকল সহায়তা চলমান থাকবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পসমূহের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং রপ্তানি ও প্রবাস আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ কাঙ্কিত মাত্রায় জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আশা করছি আমাদের এ সকল প্রাজ্ঞ নীতিকৌশলের সুফল হিসেবে আগামী অর্থবছরে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অজিত হবে এবং মধ্য মেয়াদে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌছাবে।


আরও খবর



রাজধানীর ১৮টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১৬৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীর দুই সিটির ১৮টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. শেখ দাউদ আদনান।

মঙ্গলবার (২৮ মে) সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত মৌসুম পূর্ব এডিস সার্ভে-২০২৪ এর ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে জরিপের তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

কর্মশালায় জরিপের ফলাফল ঘোষণায় শেখ দাউদ আদনান বলেন, রাজধানীর দুই সিটির ১৮টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। ঢাকার দুই সিটির ৯৯টি ওয়ার্ডের ৩ হাজার ১৪৯টি বাসায় জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, শতকরা ১৫ শতাংশ বাড়িতে এডিসের লার্ভা ও পিউপার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। মিরপুর, বনানী, নিকেতন, হাতিরঝিল, মোহাম্মদপুর, খিলক্ষেত, মালিবাগসহ গতবারের ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোই সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। এডিসের ঘনত্ব সর্বোচ্চ ৪২ দশমিক ৩৩ শতাংশ পাওয়া গেছে বহুতল ভবনে। এরপরই স্বতন্ত্র বাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনে লার্ভার হার ২১ দশমিক ৬ শতাংশ। এছাড়াও ঢাকা দক্ষিণের ১৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং ঢাকা দক্ষিণের ১৪ দশমিক ৩০ শতাংশ পরিত্যক্ত পাত্রে মশার লার্ভা পাওয়া গেছে।

ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১২, ১৩, ২০, ৩৬, ৩১, ৩২, ১৭ ও ৩৩ নম্বর এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৩, ০৪, ৫২,৫৪, ১৬, ৩০, ০৫, ১৫, ১৭ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ড। ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত মৌসুম পূর্ব জরিপে উভয় সিটি করপোরেশনেই এডিসের লার্ভার উপস্থিতি বেড়েছে। তাই লক্ষণ প্রকাশপেলেই সময় নষ্ট না করে হাসপাতালে আসার আহ্বান জানান তিনি।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, সারা দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে। এই রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। রোগীর লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে রোগটি যেন না হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় পৌনে ৩ হাজার মানুষ। এই সময়ে রোগটিতে মৃত্যু হয়েছে ৩৪ জনের। যেখানে গত বছরের ২৭ মে পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছিল ১৭০৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। এই পরিসংখ্যানই বলছে এবারের ডেঙ্গু কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেকেই মনে করেন ঢাকায় ভালো চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব। তাই জেলা বা উপজেলা হাসপাতাল থেকে তারা ঢাকার উদ্দেশে রওনা করেন। দীর্ঘ যাত্রা পথে শরীরে জটিলতা সৃষ্টি হয় এবং পথেই মৃত্যু বরণ করেন।

মহাপরিচালক বলেন, ডেঙ্গুতে যেন মৃত্যু না হয় সে জন্য আমরা দেশের সব হাসপাতাল প্রস্তুত রাখতে নির্দেশ দিয়েছি। প্রয়োজনীয় স্যালাইন ও আনুষঙ্গিকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাণহানি এড়াতে বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকদের সমন্বিত চিকিৎসার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর, রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার কর্মসূচি ব্যবস্থাপক ডা. এম এম আক্তুরুজ্জামান প্রমুখ।


আরও খবর