Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

শাকিব ছেলের জন্মদিনে যা উপহার দিলেন

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ২৭০জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিবেদক ;সময়টা ভালো যাচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খানের। এর মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার ছিল শাকিব-বুবলীর একমাত্র সন্তান শেহজাদ খান বীরের জন্মদিন। তিন পেরিয়ে চার বছরে পা রাখল বীর। এদিন বাবা-মা দু’জনেই ছেলেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। আর শত বিতর্ক-সমালোচনার মাঝেও বীরের জন্মদিন পালন করতে ভুল করেননি তারা।

জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে পারিবারিক আয়োজনে একমাত্র সন্তানে জন্মদিন উদযাপন করেন শাকিব-বুবলী। এদিন রাতে শাকিবের গুলশান ২ নম্বরের বাসায় ঘরোয়া আয়োজনে জন্মদিনের কেক কাঁটা হয়। সেখানে বীরকে নিয়ে হাজির হন বুবলী। এছাড়াও শাকিবের বাবা, মা, ভগ্নীপতি, বোনের ছেলে-মেয়েসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সবাই মিলে মেতে ওঠেন ছোট্ট বীরের চতুর্থ জন্মদিন উদযাপনে।

সেসব ছবি ফেসবুকে দিয়ে নায়িকা লিখেছেন, ‘পরিবারের মূল্যবান কিছু মুহূর্ত।’ আর জন্মদিনে ছেলে বীরকে একটি লাল গাড়ি উপহারও দিয়েছেন শাকিব খান। তবে গাড়িটি চলবে না রাস্তায়, এটি বাচ্চাদের।

উল্লেখ্য, গত বছর ২৭ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে প্রথমে বেবি বাম্পের ছবি পোস্ট করেন বুবলী। এরপর ৩ অক্টোবর বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন এই অভিনেত্রী।

সে সময় এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বুবলী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমার জীবনের স্মরণীয় দুটো তারিখ ২০.০৭.২০১৮ এবং ২১.০৩.২০২০। এর মধ্যে ২০ জুলাই ২০১৮ সালটি হচ্ছে শাকিব-বুবলীর বিয়ের তারিখ, আর ২১ মার্চ ২০২০ সাল হচ্ছে ছেলে শেহজাদ খান বীরের জন্ম।’


আরও খবর



ফুলবাড়ীতে গ্রাহকদের নিয়ে নেসকোর গণশুনানী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫২জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে নর্দান ইলেক্টিক পাওয়ার সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো) পিএলসির উদ্যোগে গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নে গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, বিদ্যুৎ গ্রাহক, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে নেসকোর উপজেলা আবাসিক প্রকৌশলীর কার্যালয়ে গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে গণশুনানীতে গ্রাহকদের কাছে সেবার মান ও বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ ও অভিযোগ শোনেন কোম্পানীটির দিনাজপুর সার্কেলের পরিচালন ও সংরক্ষণ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. ফরিদুল

হাসান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মো. আল কামাহ্ধসঢ়; তমাল, দিনাজপুর বিবিবি-২ নেসকোর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী স্পন্দন বসাক, নেসকোর উপজেলা আবাসিক প্রকৌশলী মো. রুবেল ইসলাম হাওলাদার, পৌর কাউন্সিল সাহানুর রহমান, ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক প্লাবন শুভ প্রমুখ। এতে উন্মুক্ত আলোচনায় ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক প্লাবন শুভ ভুতুরে বিলের বিষয়ে প্রশ্ন করলে কোম্পানীটির দিনাজপুর সার্কেলের পরিচালন ও

সংরক্ষণ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. ফরিদুল হাসান বলেন, এটি একটি চক্রান্ত। আমাদের থেকে কোনো সুবিধা না পেয়ে কে বা কাহারা এ ধরণের মিথ্যা প্রচার চালিয়ে গ্রাহককে বিভ্রান্ত করছে। আমরা ওই কুচক্রীমহের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। ইতোমধ্যে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। তবে বিদ্যুৎ বিল একটিও যাচাই না করে করা হয়না। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি। এ সময় সাধারণগ্রাহকসহ, বিভিন্ন দফতেরর কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধিসহ একাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



কুড়িগ্রাম রৌমারী অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসবে নিরব কেন প্রশাসন

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬২জন দেখেছেন

Image

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:রৌমারী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ, সোনাভরি, হলহলি, জিঞ্জিরাম নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। বর্ষা মৌসুম ছাড়া সারা বছর প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন করা হলেও রহস্যজনক কারনে প্রশাসন নিচ্ছে না কোন ব্যবস্থা।

অবৈধ বালু উত্তোলনের কারনে হুমকিতে পড়তে হয় নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষের। এসব বালু ট্রাক্টর (কাকড়া) দিয়ে পরিবহন করায় নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি ও গ্রামীন রাস্তাঘাট। নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত রয়েছে শক্তিশালি একটি চক্র। এ কারনে স্থানীয়রা প্রকাশ্যে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না।

নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ বলেন, এ অবৈধ বালু উত্তোলনে বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙ্গনের হুমকির মুখে পড়ে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা এই অবৈধ বালূ উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত। ব্রহ্মপুত্র নদ, সোনাভরি, হলহলি, জিঞ্জিরাম নদী থেকে প্রতিদিন ভেকু ও ড্রেজারে উত্তোলিত বালূ ১শত থেকে দেড়শত ট্রাক্টর (কাকড়া) গাড়ি বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে।

অবৈধ ও অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনে ব্রম্মপুত্র নদসহ অন্যান্য নদী গুলো ভাঙ্গনের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। ফলে বর্ষায় উক্ত এলাকা বন্যা ও নদীভাঙ্গন দেখা দেয়। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনকে একাধিকবার অবহিত করা হলেও অজ্ঞাত কারনে নেওয়া হচ্ছে না কোন আইনি ব্যবস্থা।ট্রাক্টর (কাকড়া) আজিজ, হারুন, চালক শাহিন, ফকির চাঁনসহ অনেকেই বলেন, রৌমারীতে প্রায় ৮০/ ৯০ টি ট্রাক্টর (কাকড়া) গাড়ি চলছে। এসব গাড়ি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বালুসহ মালামাল নেয়া হয়।

বন্দবেড় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদের জানান, বিভিন্ন উন্নয়নের ক্ষেত্রে বালুর প্রয়োজন। কিন্তু এমন নয় অবৈধভাবে বালূ উত্তোলন করে ক্ষতি করা হয়। এ বালু উত্তোলনের কারনে বর্ষার সময় নদী ভাঙ্গনের হুমকির মুখে পড়ে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ।

নদী থেকে অবৈধভাবে বালূ উত্তোলনের বিষয়ে ভেকু মালিক ও চালক রহম আলী, জাইদুল ইসলাম, শাহাজাহানসহ অনেকেই জানান, আমাদের ট্রাক্টর সমিতির সভাপতি সম্পাদকের মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসনের সাথে কথা বলে বালূ উত্তোলন করা হচ্ছে।

বন্দবেড় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদের সরকারকে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, এলাকা উন্নয়নের স্বার্থে বালুর প্রয়োজন। তবে নদী থেকে বালু উত্তোলন করলে নদীতীরবর্তী মানুষের ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা পাবে না। হারিয়ে যাবে সহায় সম্বল। বালু উত্তোলন না করাটাই ভালো।উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ হাসান খান জানান, নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালূ উত্তোলনের বিষয়ে জানতে পেরেছি। এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরিফের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, অবৈধভাবে বালূ উত্তোলন বিষয়ে জানতে পেরেছি। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি দেখার জন্য বলা হয়েছে।


আরও খবর



আজ সন্ধ্যা থেকে ঢাকার ১৩ রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আজ মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুধবার বেলা ৩টা পর্যন্ত ২১ ঘণ্টা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষে বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি)। এ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও এর আশপাশে প্রবেশে অন্তত ১৩টি সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে।

রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে এ সময় বিকল্প সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করবে বলেও জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে- শাহবাগ, টিএসসি, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, শহীদুল্লাহ হল, জিমনেসিয়াম মাঠ গেট, রোমানা, জগন্নাথ হল, ভাস্কর্য, নীলক্ষেত, পলাশী, বকশিবাজার ও চানখাঁরপুল ক্রসিং দিয়ে যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

তবে বিকল্প পথ হিসেবে কাঁটাবন ক্রসিং, নীলক্ষেত ক্রসিং, পলাশী, বকশিবাজার ক্রসিং হয়ে চানখাঁরপুল ক্রসিংয়ে যাওয়া যাবে।

আবার শাহবাগ, কাঁটাবন, বাটা সিগন্যাল, সায়েন্স ল্যাব ক্রসিং হয়ে মিরপুর রোডে যান চলাচল করবে। শাহবাগ, মৎস্য ভবন, কদমফোয়ারা, হাইকোর্ট, আবদুল গণি রোড হয়ে জিরো পয়েন্ট ক্রসিং; হাইকোর্ট, বঙ্গবাজার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, গোলাপশাহ মাজার ক্রসিং হয়ে ফুলবাড়িয়া ক্রসিং এবং শাহবাগ, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর, সোনারগাঁও ক্রসিং হয়ে ফার্মগেট, বকশিবাজার, চানখাঁরপুল, নিমতলী ক্রসিং হয়ে মেয়র হানিফ উড়ালসড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করবে।

বকশিবাজার-জগন্নাথ হল ক্রসিং সড়ক, চানখাঁরপুল-রোমানা চত্বর ক্রসিং সড়ক, টিএসসি-শিববাড়ী ক্রসিং সড়ক, উপাচার্য ভবন-ভাস্কর্য ক্রসিং সড়ক দিয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ করা যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

এদিকে পলাশী ক্রসিং থেকে শহীদ মিনার হয়ে দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট ক্রসিং, টিএসসি ক্রসিং, শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং দিয়ে হেঁটে চলাচল করা যাবে।

অন্যদিকে শহীদ মিনারে আসা ভিআইপিরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়াম মাঠে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোকাররম ভবন মাঠে আর সর্বসাধারণ নীলক্ষেত ক্রসিং-পলাশী ক্রসিংয়ে গাড়ি রাখতে পারবেন।


আরও খবর



সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট প্রমাণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকার সাংবাদিকবান্ধব: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাপ রিপোর্টার: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন ও পরিচালনা প্রমাণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার সাংবাদিকবান্ধব। 

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের ২৯তম সভায় প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। সভায় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস-চেয়ারম্যান মো. হুমাযুন কবীর খোন্দকার, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সচিব সুভাষ চন্দ্র (বাদল), তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য অফিসার ও ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য মো. শাহেনুর মিয়া, অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব ও ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য মো. কাউসার আহাম্মদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য ওমর ফারুক, দৈনিক সংবাদ-এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য কাশেম হুমায়ুন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য সোহেল হায়দার চৌধুরী সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারিভাবে সাংবাদিকদের জন্য অনেক কিছু করার বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টা আছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের কল্যাণে ২৫ কোটি টাকা দিয়েছেন। তিনি আরও ১০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা বলেছেন। তারপরও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কিছু কিছু জায়গা থেকে কখনও কখনও অপপ্রচার করা হয়, প্রশ্ন তোলা হয় যে, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সাংবাদিকতার জায়গা সংকুচিত করছে না প্রসারিত করছে। অথচ সাংবাদিকদের কল্যাণের জন্য সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠনের এতো বড় উদ্যোগ প্রমাণ করে তিনি সাংবাদিকবান্ধব প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার যে সাংবাদিকবান্ধব সরকার কল্যাণ ট্রাস্ট গঠনের মাধ্যমে এটি প্রমাণ হয়। এ বিষয়গুলো আরও সামনে নিয়ে আসা দরকার জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে। 

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিক কণ্যাণ ট্রাস্টের কাজে পেশাদারিত্ব ও স্বচ্ছতা আছে। সাংবাদিকদের কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে সহযোগিতা দেওয়ার জন্য সাংবাদিক বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও পেশাদারিত্বে সাথে যেনো হয় সে বিষয়টি  লক্ষ রাখা প্রয়োজন। বাছাইয়ের প্রতিটি স্তরে যেনো সাংবাদিকদের প্রতিনিধি থাকে সেটা নিশ্চিত করা হচ্ছে। কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ড থেকে আমরা পক্ষপাতহীন ও পেশাদারি সিদ্ধান্ত দিতে চাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে উদ্দেশ্যে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছেন তার বাস্তবায়ন আমরা চাই। সত্যিকার অর্থে যেনো সাংবাদিকদের কল্যাণ কাজেই ট্রাস্টের অর্থ ব্যয় হয় সেটিই আমাদের চাওয়া। 

সভায় সাংবাদিকদের কল্যাণ অনুদান বরাদ্দের বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন সংক্রান্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং কমিটিকে এক মাসের মধ্যে খসড়া নীতিমালা প্রণয়নের সময় দেওয়া হয়। এছাড়া দুস্থ, অস্বচ্ছল, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ও মৃত সাংবাদিকদের মেধাবী সন্তানদের জরুরি শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে আলোচনা হয়। 

আরও খবর



রিপিয়ারিং কাজে ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতি

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:ইচ্ছে মত অনিয়ম দূর্নীতি করছেন, প্রতিটি রিপিয়ারিং রাস্তার কাজে অনিয়মে ভরপুর, আবার সিন্ডিকেটে অগ্রিম লাভ দিয়ে কিনে করা হচ্ছে রিপিয়ারিং কাজ। অবস্থাটা এমন এলজিইডি ও কতিপয় ঠিকাদারেরা মিলেমিশে লুটপাট শুরু করেছেন। রাজশাহীর তানোরে প্রায় ৯৭০ মিটার রাস্তার রিপিয়ারিং কাজে যত্রতত্র ভাবে বেড তৈরি করে  কার্পেটিং করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার তালন্দ ইউনিয়ন (ইউপির)  মোহর ঘোড়াডুবি মোড় থেকে দরগা মোড় পর্যন্ত রাস্তার কার্পেটিং করা হচ্ছে। রিপিয়ারিং রাস্তা টি কিনে করছেন স্থানীয় যুবদল নেতা ঠিকাদার নজরুল ও আতিকুর রহমান লিটন এবং পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ঠিকাদার ইয়াসিন। তারা দরপত্রে কাজ না পেলেও অগ্রিম কয়েক পারসেন্ট লাভ দিয়ে কিনে করছেন কাজ। স্থানীয় ঠিকাদার হওয়ার কারনে ইচ্ছে মত অনিয়ম দূর্নীতি ও নিম্মমানের সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করলেও রহস্য জনক কারনে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ একেবারেই নিরব ভূমিকা পালন করছেন। এতে করে রাস্তার টিকসই নিয়ে সন্দিহান গ্রামের লোকজন।
স্থানীয়রা জানান, রাস্তাটিতে ডাবলু বিএম করা হয়েছে পুরাতন খোয়া ও ভিজে মাটি দিয়ে। প্রাইম কোড করার পর প্রচুর ভাবে বালু মারা হয়েছে। যাতে কেউ বুঝতে না পারে। প্রাইম কোড করার সময় তেমন ভাবে রোলার মারা হয়নি, দেয়া হয়নি পানি। এজন্য পুরো রাস্তায় উঁচু নিচু হয়ে আছে।

মোহরগ্রামের বাসিন্দা মিলন, মাসুদ, মুকলেস, সাজাসহ অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এভাবে রাস্তার কাজ হয় এই প্রথম দেখলাম। বেডের বেশির ভাগ জায়গায়  খোয়াগুলো উঠে যাচ্ছে। ঠিকাদার সবার পরিচিত স্থানীয় ও তানোর সদরে বাড়ি। মুলত এজন্যই তাদেরকে  কেউ কিছুই বলতে পারেনা। অফিসের লোকজনদের দেখা পাওয়া যায় না। এত অনিয়ম দূর্নীতি করছে যা দিবালোকের মত পরিস্কার। কিন্তু সবাই নিরব। আমরা কৃষক, কাজের কি বুঝি, তারপরও যতটুকু বুঝি সে তুলনায় কাজের মান এত পরিমানে খারাপ বলা যাবে না। সরকার উন্নয়নের জন্য অধিক বরাদ্দ দিচ্ছেন, আর সেই বরাদ্দ লুটেপুটে খাচ্ছেন। কয়েক দিন পর আলু উত্তোলন শুরু হবে। আলু বহনকারী যানবাহন চলাচল করলেই রাস্তার বারোটা বেজে যাবে। আর বর্ষা মৌসুমে ঢল মারা পানি হলে পিচ থাকবে না। কারন পিচ ও বিটুমিন একেবারেই নাই বললেই চলে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মোহর ঘোড়াডুবি মোড় থেকে দরগা মোড়ের আগ পর্যন্ত বেড তৈরি করা আছে। বাকি কয়েক মিটার রাস্তার কার্পেটিং ভালো থাকার কারনে নাম মাত্র পরিস্কার করে তার উপরেই কার্পেটিং করার কারনে পিচ দেয়া হচ্ছে। যাতা মাতা ভাবে পরিস্কার করে যে পিচ দেয়া হচ্ছে শুধু পোড়া মবেলের গন্ধ বের হচ্ছে। ঘোড়া ডুবি মোড় থেকে বালাইনাশকের দোকানের সামনে ইউড্রেন করা হয়েছে। তার চারদিকে বাঁশ দিয়ে ঘিরা আছে এবং ইউড্রেনের দু'ধারে যত সামান্য খোয়া ফেলা আছে।

কয়েকজন দোকানীরা জানান, অনেক রাস্তার কাজ দেখেছি। কিন্তু এরকম রাস্তার কাজ আর দেখিনি। কার্পেটিং করার পর মুরগীর পায়ে উঠে যাবে পিচ খোয়া। জানা গেছে,  রাস্তার কাজের সামগ্রীর দাম অধিক বাড়তি। দিনের দিন পাথর ও বিটুমিনের দাম প্রচুর ভাবে বাড়ছে । দরপত্রে যিনি কাজ পান তার পক্ষে একশো ভাগ না সত্তর ভাগ সঠিক কাজ করা কষ্টকর ব্যাপার। তাহলে যারা কিনে কাজ করছেন কি পরিমানে দূর্নীতি করছে বুঝে নিতে হবে। বিশেষ করে কাজের দায়িত্বে থাকা কর্তা বাবুদের ম্যানেজ ছাড়া কিনে কাজ করা অসম্ভব। আর বিএনপি নেতা ঠিকাদার ইয়াসিন, যুবদল নেতা ঠিকাদার নজরুল ও লিটন এলজিইডিকে ম্যানেজ করে প্রতিনিয়তই কিনে এভাবেই  কাজ করে থাকেন। এটা কর্তৃপক্ষ ও তাদের মহা সিন্ডিকেট। তাছাড়া এসময় কিনে কাজ করা অসম্ভব। চল্লিশ  ভাগও সঠিক ভাবে কাজ করতে পারবেনা। এসব অসাধু কর্মকর্তাদের জন্যই সরকারের উন্নয়ন মুলুক কাজ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে, সেই সাথে স্থানীয় এমপিরও বদনামের সৃষ্টি হয়। 

ঠিকাদার নজরুল ও লিটনের কাছে কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কোন রকমের কথা বলবেনা বলে সাব জানিয়ে দেন। কাজের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী প্রকৌশলী শাহিন জানান, ৯৭০ মিটার রাস্তার রিপিয়ারিং কাজ হচ্ছে। দরপত্রে যে ঠিকাদার কাজ পেয়েছেন তার কাছ থেকে কত লাভ দিয়ে কিনে করছেন এবং কাজের বরাদ্দ কত জানতে চাইলে তিনি জানান পরে কথা বলছি বলে দায় সারেন তিনি।উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমানের ০১৭৪৯৪৫৭৯১৭ মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।নির্বাহী প্রকৌশলী নাসির উদ্দীনের ০১৭০৮১২৩২৩২ মোবাইল নম্বরে ফোন দেয়া হলে তিনিও রিসিভ করেন নি। 

আরও খবর

জয়পুরহাটে হুমকি পাওয়া সেই বিচারক প্রত্যাহার

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪