Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

সাধারণ মানুষের পুষ্টি নিশ্চিত করবে ‘নিউট্রি প্লাস’

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
Image

মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বিবেচনা ও পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিতে ‘নিউট্রি প্লাস’ ব্র্যান্ডের আওতায় দুটি নতুন পণ্য নিয়ে এলো আমেরিকান প্রতিষ্ঠান কেয়ার নিউট্রিশন লিমিটেড।

শুক্রবার (১৭ জুন) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘নিউট্রি প্লাস’ ব্র্যান্ডের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে নাস্তায় সহায়ক নুছেলা ফরটিফাইড ব্রেড স্প্রেড, এনার্জি ফরটিফাইড টেস্টি স্যালাইন ও নুছেলা ফরটিফাইড প্রিমিয়াম চকলেট নামে পণ্য তিনটির পরিচয় করিয়ে দেন কেয়ার নিউট্রিশনের কর্মকর্তারা।

প্রতিষ্ঠানটির সিওও হিন্দোল রয় বলেন, বাংলাদেশের প্রথম নিউট্রিশন প্রতিষ্ঠান হিসেবে সব মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণে ছয়টি থেকে ২৩টি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট যুক্ত স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য পণ্য উৎপাদনে জোর দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফ্রন্ট্রিয়ার নিউট্রিশনের সহযোগী এ প্রতিষ্ঠানটি।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক এডি বেয়ারনট বলেন, সবার সাধ্যের মধ্যে পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিতে ভেজাল মুক্ত খাদ্য প্রস্তুত করছে কেয়ার নিউট্রিশন লিমিটেড। দৈনন্দিন খাদ্য চাহিদা পূরণে ‘নিউট্রি প্লাস’ ব্র্যান্ডের পণ্যগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রতিষ্ঠানটির সিএফও তানভির আলী, অ্যাকাউন্টস ও ফিন্যান্স বিভাগের ম্যানেজার মনোয়ারুল ইসলাম, ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের ম্যানেজার মো. নাজমুল হাসানসহ ফ্যাক্টরি ও প্রধান কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা।


আরও খবর



বৌভাত অনুষ্ঠানে ব্যস্ত সবাই, পানিতে ডুবে প্রাণ গেলো শিশুর

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

ফেনীর সোনাগাজীতে পানিতে ডুবে মিমি আক্তার (৪) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় স্বজনরা সবাই শিশুটির মামার বৌভাতের অনুষ্ঠানে ব্যস্ত ছিলেন।

রোববার (৩১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের আহম্মদপুর গ্রামের দলিল ভূঞার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার (১ আগস্ট) সকালে জানাজা শেষে শিশুর মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

পুলিশ ও শিশুর পরিবার জানায়, চর দরবেশ ইউনিয়নের চর সাহভিকারী গ্রামের লেদু মাঝি বাড়ির জাফর উল্যাহর স্ত্রী জেসমিন আক্তার তার কন্যাসন্তান নিয়ে তার বাবার বাড়িতে যান। শনিবার (৩০ জুলাই) ছিল জাফরের শ্যালকের বিয়ে ও রোববার ছিল বৌভাতের অনুষ্ঠান। বৌভাতের অনুষ্ঠান শেষে কনের স্বজনরা যার যার মতো চলে যান।

অনুষ্ঠান শেষে বাড়ির সবাই ছিলেন আনন্দে মাতোয়ারা। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাড়ির পুকুরে ডুবে শিশু মিমের মৃত্যু হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো সন্ধান না পেয়ে স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায়ে পুকুরের পানিতে শিশুটির ভাসমান মরদেহ দেখতে পান তারা। সোমবার সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরদেহ দাফন করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ খালেদ হোসেন দাইয়্যান বলেন, এ ঘটনায় সোনাগাজী মডেল থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।


আরও খবর



প্রথমবারের মতো এআইপি সম্মাননা পেলেন ১৩ জন

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রথমবারের মতো ১৩ ব্যক্তিকে ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এগ্রিকালচারালি ইম্পর্ট্যান্ট পারসন-এআইপি)’ সম্মাননা-২০২০ প্রদান করা হয়েছে। এআইপিরা সিআইপির মতো বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।

বুধবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসিবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার।

এআইপি নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি বছর মোট ৫টি বিভাগে সর্বোচ্চ ৪৫ জনকে এআইপি সম্মাননা প্রদান করা হবে। এআইপি কার্ডের মেয়াদ এক বছর।

এআইপি সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন- কৃষি উদ্ভাবন বিভাগে বাউধান-৩ এর জাত উদ্ভাবনের জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান, দুটি বীজ আলুসহ মোট ১০টি সবজির জাত উদ্ভাবন ও বাজারজাতকরণে এ আর মালিক সিডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউস সোপান মালিক, মেহগনি ফলের বীজ থেকে তেল তৈরির জন্য ফিউচার অর্গানিক ফার্মের সৈয়দ আব্দুল মতিন, আলীম পাওয়ার ট্রিলার উদ্ভাবনের জন্য আলীম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের আলীমুছ ছাদাত চৌধুরী।

কৃষি উৎপাদন বা বাণিজ্যিক খামার স্থাপন ও কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প বিভাগে এআইপি সম্মাননা প্রাপ্ত ৬ জন হলেন- নাটোর সদরের দৃষ্টান্ত অ্যাগ্রো ফার্ম অ্যান্ড নার্সারির মো. সেলিম রেজা, ঠাকুরগাঁওয়ের চামেশ্বরীর মো. মেহেদী আহসান উল্লাহ চৌধুরী, ঝালকাঠি সদরের এশা ইন্টিগ্রেটেড অ্যাগ্রিকালচার ফার্মের মো. মাহফুজুর রহমান, পিরোজপুর জেলার নাজিরপুরের জাগো কেঁচো সার উৎপাদন খামারের মালিক মো. বদরুল হায়দার বেপারী, পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার নুর জাহান গার্ডেনের মো. শাহবাজ হোসেন খান এবং কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বিছমিল্লাহ মৎস বীজ উৎপাদন কেন্দ্র ও খামারের মো. সামছুদ্দিন (কালু)।

jagonews24

কৃষি সংগঠন বিভাগে নওগাঁর শাহ্ কৃষি তথ্য পাঠাগার ও জাদুঘরের জাহাঙ্গীর আলম এআইপি মনোনীত হয়েছেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কারে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত বিভাগে নির্বাচিত দুজন হলেন- পাবনার ঈশ্বরদীর মোছা. নুরুন্নাহার বেগম এবং মো. শাহজাহান আলী বাদশা।

বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি-সিআইপি’র ন্যায় কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন ১৩ ব্যক্তিকে এআইপি (এগ্রিকালচারাল ইমপর্টেন্ট পারসন) সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, কৃষিখাতসহ দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে কৃষিবিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা, উৎপাদনকারী, বাণিজ্যিক কৃষি খামার স্থাপনকারী, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী ও কৃষি সংগঠকদের প্রতি বছর এআইপি সম্মাননা দেওয়া হবে।

৫টি বিভাগের মধ্যে ‘ক’ বিভাগে কৃষি উদ্ভাবন ‘জাত ও প্রযুক্তি’ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ জন পাবেন এ সম্মাননা। ‘খ’ বিভাগে কৃষি উৎপাদন এবং বাণিজ্যিক খামার স্থাপন ও কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প ক্ষেত্রে সম্মাননা পাবেন সর্বোচ্চ ১৫ জন। একটি প্রশাসনিক বিভাগ থেকেও সম্মাননা পাবেন সর্বোচ্চ ২ জন। ‘গ’ বিভাগে রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ ১০ জন এ সম্মাননা লাভ করবেন। ‘ঘ’ বিভাগে স্বীকৃত বা সরকার কর্তৃক রেজিস্ট্রিকৃত কৃষি সংগঠনের সর্বোচ্চ ৫ জন এবং ‘ঙ’ বিভাগে বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কারে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত সর্বোচ্চ ৫ জন এআইপি সম্মাননায় ভূষিত হবেন।

কৃষি মন্ত্রণালয় ৪টি কমিটির মাধ্যমে এআইপি নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে- ইউএনওর সভাপতিত্বে উপজেলা কমিটি, চেয়ারম্যান, স্থানীয় সরকার পরিষদ (৩টি পার্বত্য জেলার জন্য) এবং জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে জেলা কমিটি, যুগ্ম সচিব (সম্প্রসারণ, প্রশাসন, পিপিবি) ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের আহ্বায়ক হিসেবে প্রাথমিক বাছাই কমিটি। এছাড়া সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাপতিত্বে চূড়ান্ত বাছাই কমিটি।

জানা গেছে, সিআইপির সুযোগ-সুবিধার মতোই এআইপিরা পাবেন বিশেষ কিছু সুযোগ-সুবিধা। এগুলো হলো- এআইপি কার্ডের সঙ্গে মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রশংসাপত্র। একজন এআইপিকে দেওয়া প্রদত্ত সুবিধাদির মেয়াদ থাকবে সম্মাননা প্রদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছর। এআইপিরা সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য পাবেন বিশেষ পাস। বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান ও সিটি কিংবা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন কর্তৃক আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পাবেন। বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে ভ্রমণকালীন সরকার পরিচালিত গণপরিবহনে পাবেন আসন সংরক্ষণ অগ্রাধিকার।

একজন এআইপির ব্যবসা বা দাপ্তরিক কাজে বিদেশে ভ্রমণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসাপ্রাপ্তির নিমিত্তে বিশেষ সুবিধা পাবেন। একজন এআইপি তার স্ত্রী, পুত্র, কন্যা, মাতা, পিতা ও নিজের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার পাবেন। এছাড়া বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহার সুবিধা পাবেন এআইপিরা।


আরও খবর



আব্দুল্লাহ জুবায়েরের দুটি কবিতা

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

কাব্যকথা

প্রথম দেখায় হৃদয় ক্যানভাসে অঙ্কিত তোমার ছবি,
নিস্তব্ধ পলকহীন দৃষ্টি দেখে পদ্মর মতো ঠোঁটের হাসি।
প্রকৃতির বুকে বসন্তের হাওয়া, আগের চেয়ে বেশিই ছুঁয়েছে;
উষ্ণতায় ভরে গেল আমার শরীর,
সামুদ্রিক চিলের মতোই ভয়ানক হয়ে উঠলাম প্রেম-নেশায়।
কোকিলেরা আমার প্রেমের আগমনী গানই গাইছে ফাল্গুনী প্রভাতে,
কৃষ্ণচূড়ার উজ্জ্বল রং রাঙিয়ে দিচ্ছে ভাবনার আবাস।
আমার আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশা আর ইচ্ছের শহরে ধ্বনিত হলো ‘কথা’
এ কথা সে কথা নয়, এ যে কাব্যের কথা,
আমি কাব্যপ্রেমিক আর তুমি প্রেমিকা কথা।

****

নীল নয়না

পড়ন্ত বিকেলে যখন তুমি আমায় নতুন দিগন্ত দেখাচ্ছিলে;
আমি তখন বিস্মিত চিত্তে তোমার নব সমাদর বোঝার চেষ্টা করি।
স্বমহিমায় আপন সত্তাকে বিশ্বাস করাতে বড্ড কষ্ট হচ্ছিল।

ভাবের জগতে প্রমোদ তরীতে তোমায় নিয়ে আবার
কী করে ভাসবো আটলান্টিকের মতো মহাসমুদ্রে?
অতি ক্ষুদ্র জীবনের এত রং এত ডং,
নাট্যমঞ্চে তোমার ছদ্মবেশী হয়ে ওঠা, সত্যি ভাবিয়ে তোলে।

আমাকে ভাবিয়ে তোলে সুবিশাল নক্ষত্রের দল
আমাকে ভাবিয়ে তোলে, পরিবারের সুখ কিনে আনতে
সীমাহীন সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার লুকোচুরি খেলা।

তুমি মস্ত বড় অভিনয়শিল্পী, তুমি নীল নয়না ছলনাময়ী
তোমার হরিণী চোখ, টিকোলো নাক, কালো কেশ বড্ড সর্বনাশী।

হৃদয় গহ্বরে ফের কম্পনের সূচনা, তবে তা অতীতের মতো নয়
ভাঙা কাচের দেওয়ালের মতো স্মৃতিগুলো আছড়ে পড়ছে বুকের বা’পাশে,
সেই ধ্বনি দিচ্ছে অসহ্য যন্ত্রণা, দূরেই ঠেলে দিচ্ছে তোমার কাছ থেকে।

তুমি আবেদনময়ী, হাজারো যুবকের মাঝে সঞ্চার হয় অজস্র স্বপ্ন
তুমি ক্লিওপেট্রা, নিজের রূপে রাজাকেও করতে পারো দিশেহারা।

রূপের অহমিকায় কিনেছ ক্ষণস্থায়ী সুখ, হারিয়েছো প্রণয়ের নিলয়।


আরও খবর



কোরিয়ার উদ্দেশ্যে তাইওয়ান ছাড়লেন পেলোসি

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

চীনের হুমকি উপেক্ষা করে তাইওয়ান সফর শেষ করলেন মার্কিন হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। এবার তার গন্তব্য দক্ষিণ কোরিয়া। এরপর সেখান থেকে যাবেন জাপানে। এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে এর আগে পেলোসি সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় যান। বুধবার (৩ আগস্ট) সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বিস্তারিত আসছে...


আরও খবর



প্রতি সাড়ে তিন মিনিটে ভারতে সড়ক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৩জন দেখেছেন
Image

প্রতি সাড়ে তিন মিনিটে ভারতে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নাগরিকের মৃত্যু হয়, এমন তথ্য দিচেছ দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান। একবছরে দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় দেড় লাখ মানুষ। তবে সেটি আরও বেশি হতে পারে অন্যান্য সংস্থার হিসাবমতে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য বলছে, ভারতে বছরে তিন লাখ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে যা দ্বীপ রাষ্ট্র বার্বাডোসের জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। তবে ভারতের বিশাল জনসংখ্যা বলে এতো বেশি দুর্ঘটনা, ব্যাপারটি এমন নয়।

চীনেরও জনসংখ্যা ভারতের মতোই কিন্তু দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, সেখানে ৫৮ হাজার হতাহতের ঘটনা ঘটে প্রতিবছর। ডব্লিউএইচও-র সূত্র ধরে বিশ্ব ব্যাংক বলছে, প্রকৃতপক্ষে, ভারতে বিশ্বের নিবন্ধিত যানবাহনের মাত্র ১০ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনায় ২২ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী। এটিকে নিত্যদিনের গণহত্যা বলা যায়, যেটি জনসম্মুখে ঘটে।

এটা কোনো গোপন বিষয় নয় যে ভারতের রাস্তাগুলো চরম বিপর্যস্ত। চালকরা লেনের চিহ্ন উপেক্ষা করেন। ট্রাফিক লাইট নাম মাত্র কাজ করে। এমনকি পথচারীরাও দ্রুত রাস্তা পারাপার হন।

শুধু প্রাইভেট কার নয়, ওভারলোড করা লরি, অটোরিকশা, স্কুটার, এমনকি মোটরসাইকেল চলে একই সড়কে। ফলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির তৈরি হয়। অনেক শহরের রাস্তায় বিক্রেতারা রাস্তার অর্ধেক জায়গা দখল করে দোকান-পাট বসান। হাইওয়েতে রাস্তার ভুল দিকে গাড়ি চালানো অস্বাভাবিক কিছু নয়। এতেই ঘটে বিপত্তি।

সড়কে বিশৃঙ্খলা একটি কাঠামোগত সমস্যাকে চিহ্নিত করে। গরীব দেশগুলোতে যানবাহনের সংখ্যা কম, যা খারাপ রাস্তায় ধীরে ধীরে চলে। ফলে জনসংখ্যার তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম মৃত্যু হয় সেখানে, যদিও নিরাপত্তার মান কম হতে পারে।

দুর্ঘটনা কমাতে ধনী দেশগুলো নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনিক সক্ষমতা ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারে এবং কঠোর নিয়মের ব্যবস্থা করতে পারে। দ্রুত বর্ধনশীল দেশগুলোর প্রচুর যানবাহন ও কিছু ভাল রাস্তাঘাটও রয়েছে, কিন্তু নিরাপত্তার জন্য খুব বেশি অর্থ বিনিয়োগে মনোযোগ দেয় না। সেসব দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

নিরাপদ বিনিয়োগের সংকটের ক্ষেত্রে তিনটি প্রধান দিক রয়েছে। প্রথমটি হলো, রাস্তা ও গাড়ির মৌলিক অবকাঠামো। অনেক যানবাহন পুরোনো এবং সিটবেল্ট, অনেক কম এয়ারব্যাগের মতো প্রয়োজনীয় জিনিস রয়েছে। অনেক রাস্তার সঠিক চিহ্ন বা ক্র্যাশ ব্যারিয়ার নেই। পথচারীদের ট্র্যাফিক থেকে দূরে রাখার জন্য ফুটপাতগুলোও খুব কম ব্যবহার হয় এবং দখল হয়ে যায়।

আমেরিকার একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউটের মাধব পাই বলেছেন, ‘মৌলিক সমস্যা’ হলো যে অনেক দরিদ্র দেশে রাস্তার নকশা ধনী বিশ্বের আদলে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে গাড়ি এবং লরিগুলোই সড়ক দখলে রাখে। কিন্তু ভারতে মোটরসাইকেল ও স্কুটারের ব্যবহার ৭০ শতাংশ। এসব যানবাহন একটি গাড়ির তুলনায় ৩০ গুণ বেশি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ধ্বংস হতে পারে। তবুও ভারতীয় রাস্তাগুলো দুই চাকার গাড়ির জন্য আলাদা লেন নির্ধারণ করে না।

দ্বিতীয় ব্যর্থতা হলো শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ। ২০১৭ সালে পরিচালিত একটি সমীক্ষায় জানা যায়, প্রতি দশজন ভারতীয় চালকের মধ্যে ছয়জন তাদের লাইসেন্স পাওয়ার জন্য পরীক্ষা দেননি। অভিযোগ আছে, এর ফলে এখনো লাখ লাখ চালক ঘুষের মাধ্যমে কাগজপত্র পান। ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা প্রায়শই একটি হেঁয়ালিপনা সেখানে। আরও ভয়ানক বিষয় হলো ৩৭ শতাংশ ট্রাক চালক স্বীকার করে যে লাইসেন্স পাওয়ার আগে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছিল না।

তৃতীয় বড় ঘাটতি হলো স্বাস্থ্যসেবা। একটি দুর্ঘটনা ঘটলে, ধনী দেশের তুলনায় আহতদের মারা যাওয়ার শঙ্কা অনেক বেশি গরীব দেশগুলোতে। সরকারি অনুমান বলছে যে নিহতদের অর্ধেককে বাঁচানো যেত যদি তারা সময় মতো চিকিৎসা সহায়তা পেত। কিন্তু শহরের বাইরে জরুরি সেবার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এ ছাড়া হাসপাতালে ট্রমা রোগীদের জন্য শয্যার সংকট রয়েছে।

জনসংখ্যার সঙ্গে চিকিৎসকের অনুপাতে প্রতি এক হাজার জনে চিকিৎসক একজনেরও কম। যা প্রতিবেশী শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান, এমনকি ধনী জার্মানি অথবা জাপানের চেয়েও কম ভারতের। দরিদ্র কর্মজীবী পুরুষরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। তাদের আহত হওয়ার শঙ্কা বেশি এবং তাদের স্বাস্থ্যবীমাও থাকে না।

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা অবহেলার কারণে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ব্যয় বিলও দরিদ্র পরিবারকে অসহায় অবস্থায় ঠেলে দেয়। ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাংক সড়ক দুর্ঘটনার বার্ষিক ব্যয় হিসাব করে ১৭২ বিলিয়ন ডলার যা সে সময় জিডিপির ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল।

ভারতের সরকার সমস্যার ভয়াবহতা সম্পর্কে অন্ধ নয়। ২০২০ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা অর্ধেক করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটি। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে জরিমানা গুণতে হবে এবং জেলে যেতে হবে। মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো, কম বয়সী কেউ গাড়ি চালালে বা সঠিক নম্বর প্লেট ছাড়াই গাড়ি চালালে অপরাধ বলে গণ্য হবে। হেলমেট ছাড়া স্কুটার বা মোটরসাইকেল চালালে তাদের লাইসেন্স স্থগিত করা হবে।

একটি ভালো সামেরিটান আইন যা নিশ্চিত করে যে পথচারীদের পুলিশ হয়রানি করবে না বা দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের সাহায্য করলে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে বলা হবে না। দুর্ভাগ্যবশত, এখনো এটির কোনো ফলাফল নেই। সহায়তা প্রদানকারীদের জন্য নতুন সুরক্ষা প্রবর্তনের দুই বছর পর, একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, এই ধরনের প্রায় ৬০ শতাংশ লোক এখনো পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হয়।

রাস্তাঘাট, স্বাস্থ্যসেবা এবং চালকদের শিক্ষার উন্নতি করতে এক প্রজন্ম লাগবে বলা চলে। কিন্তু এমন অনেক দ্রুত সমাধান রয়েছে যা অবিলম্বে মৃত্যু কমানো শুরু করতে পারে।

এক দশক আগে তামিলনাড়ু, ভারতের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত একটি প্রদেশ সড়ক দুর্ঘটনার একটি ডাটাবেস তৈরি করেছিল। রাজ্য সরকার কর্তৃপক্ষকে সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থানগুলোর কাছাকাছি জরুরি সেবা কেন্দ্র স্থাপন করার অনুমতি দেয়। এই ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য তারা। কেননা মহামারি শুরু হওয়ার আগে পাঁচ বছরে প্রদেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বার্ষিক মৃত্যুর এক চতুর্থাংশ কমেছে।

সুশীল-সমাজের বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগও কাজে লাগে। চাচাতো ভাই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর পীযূষ তেওয়ারি নামে এক ব্যক্তি সেভলাইফ ফাউন্ডেশন শুরু করেছিলেন। সংগঠনটি দিল্লির রাস্তার সবচেয়ে বিপজ্জনক অংশ চিহ্নিত করে এবং কেনো দুর্ঘটনা ঘটছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফাউন্ডেশন দ্বারা নিযুক্ত তদন্তকারীরা ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে এবং সিসিটিভি ফুটেজ পেতে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করে।

চালকদের শিক্ষা, অবকাঠামো ও স্বাস্থ্য পরিচর্যায় উন্নতির জন্য সময় লাগতে পারে। কিন্তু সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোর দিকে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করলে অনেক জীবন বাঁচতে পারে।

সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট


আরও খবর