Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

র‌্যাবের ৪২৮ টহল টিম অবরোধে কাজ করছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ২০৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিএনপির ডাকা অবরোধকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীতে র‍্যাব ফোর্সেসের ১৪০টি টিমসহ সারাদেশে ৪২৮টি টহল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাবের সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান খান।

তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীতে র‍্যাবের ১৪০টি টহল দলসহ সারা দেশে ৪২৮টি টহল দল মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে নিরাপত্তা দিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লার গণপরিবহন ও পণ্যবাহী পরিবহন টহলের মাধ্যমে এস্কর্ট দিয়ে নিরাপদে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দিচ্ছে র‍্যাব।

যেকোনো ধরনের নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে র‍্যাবের গোয়েন্দারা ছদ্মবেশে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে বলেও জানান ইমরান খান।


আরও খবর



মিয়ামিকে ৬ গোলে উড়িয়ে দিলো আল নাসর

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১৩২জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:আধিপত্য ধরে রেখে ইন্টার মায়ামিকে বিধ্বস্ত করেছে আল নাসর। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ক্লাব প্রীতি ম্যাচে সৌদি আরবের কিংডম অ্যারেনায় রোনালদোর আল নাসরের বিপক্ষে ৬-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে মেসিরা।

ইনজুরির কারণে আল নাসরের স্কোয়াডে ছিলেন না পর্তুগালের তারকা খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে দলকে উৎসাহ দিতে ঠিকই উপস্থিত হয়েছিলেন গ্যালারিতে। অন্যদিকে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে মাঠের লড়াইয়ে না পেয়ে প্রথমার্ধে মাঠে নামেননি লিওনেল মেসি। আর সেটাই ভুগিয়েছে মায়ামিকে। আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী যখন মাঠে নামেন ততক্ষণে মায়ামি ম্যাচ থেকে একেবারে ছিটকে যায়।

এদিকে একের পর এক গোল হজম করে যাচ্ছে মেসির দল ইন্টার মিয়ামি। অবশেষে ম্যাচের ৮৩ মিনিটে মনে হয় নিজেকে দেখানোর জন্যই মাঠে নামলেন মেসি। ততক্ষণে ইন্টার মিয়ামির জালে ৬ বার বল জমা করেছে রোনালদোহীন আল নাসর।

ফুটবলপ্রেমীরা ভেবেছিলেন, সৌদির মাঠে কঠিন লড়াইয়ে নামবেন আল নাসর ও মিয়ামি। কিন্তু ম্যাচ হলো পুরোপুরি একপেশে। মিয়ামিকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল নাসর। শেষ দিকে মেসির কয়েকবারের চেষ্টাও রুখে দিয়েছে রোনালদোর দল।

বৃহস্পতিবার রাতে সৌদি আরবের রিয়াদের কিংডম অ্যারেনায় আল নাসরের হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন অ্যান্ডারসন টেলিস্কা। শেষ গোলটি তিনি ৭৩ মিনিটে করেছেন। বাকি গোল দুটি করেছেন ম্যাচের ১০ ও ৫১তম মিনিটে।

ম্যাচের একেবারে শুরুরদিকে ৩ মিনিটে গোল করে দলকে প্রথম লিড এনে দিয়েছেন ওটাবিও। এরপর ১২ মিনিটে আয়মেরিক লাপোর্তের গোলে ব্যবধান ৩-০ করে আল নাসর। এছাড়া আরেকটি গোল মোহাম্মদ মারান।


আরও খবর

আইপিএল শুরুর তারিখ প্রকাশ হলো

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৯৭জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃট্রাফিক পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনারের সার্বিক নির্দেশনায় ও উর্ধতন কর্মকর্তাগনের তত্ত্বাবধানে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। রবিবার ৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টা থেকে ডেমরা ষ্টাফ কোয়াটার এলাকায় এবং দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাতুইয়াল ইউলুপের সামনে এসব অভিযান পরিচালিত হয়।ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সকল জোনের মধ্যে এ অভিযান ধারাবাহিক ভাবে চলবে বলে জানা গেছে। এসব অবৈধ ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ভাবে অভিযান পরিচালিত হওয়াতে বদলে যাচ্ছে সড়কের পরিবেশ। ট্রাফিক পুলিশের এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযানে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাসহ সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটাই কমে আসবে।

জানা যায় যে, ওয়ারী বিভাগ এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ও কাগজপত্র ত্রুটি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করার চেষ্টা করে।এ কারণে সড়ক মহাসড়কে যানজট তৈরি সহ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই এসব অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ও ত্রুটি পুর্ণ যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যে ডিসি ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ একজন পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) এর নেতৃত্বে একটি টিম গঠন করেছে।তারাই বিশেষ এই অভিযান পরিচালিত করছেন । এই অভিযানিক টিম প্রতিদিন  ৫০ টির অধিক গাড়ির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে ।

এ বিষয়ে অভিযান ডিউটিতে নিয়োজিত ওয়ারী বিভাগের ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) বিপ্লব ভৌমিক সংবাদ কর্মীদের বলেন,এ ধরনের অভিযান পরিচালনার ফলে অবৈধ যানবাহনের চলাচল অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে, এবং এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে রাজধানী মার্কেটের ব্যবসায়ী কোনাপাড়ার বাসিন্দা শরিফ উল্লাহ বাবলু বলেন, সড়কের শৃঙ্খলা রক্ষা ও দুর্ঘটনায় ক্ষয় ক্ষতি কমাতে ট্রাফিক পুলিশের এ ধরনের পদক্ষেপ সত্যি প্রশংসনীয়।



আরও খবর

আজ রংপুরের স্থপতি আফিফার সাথে ফারাজের বিয়ে

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ডোমার মটুকপুর সপ্তষী বিদ্যাপীঠে নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৫০জন দেখেছেন

Image

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর ডোমারে মটুকপুর সপ্তষী বিদ্যাপীঠে ৬ষ্ঠ শ্রেনীর নবাগত ছাত্র/ছাত্রীদের নবীন বরণ এবং ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষক আলহাজ¦ ওয়াহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক চৌধুরী। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

নাজমুল আলম (বিপিএএ)। উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুল ইসলাম শুভ’র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে ডিমলা জনতা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবুল হাসেম, উপজেলা আ’লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আসমা সিদ্দিকা বেবী, সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান রুবেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শিল্পী আক্তার বানু, বিদ্যালয়ের সভাপতি মুসলিমা সুলতানা প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা শেষে ৬ষ্ঠ শ্রেনীর নবাগত ছাত্র/ছাত্রীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন এবং এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনাসহ শিক্ষা উপকরণ উপহার দেয়া হয়। শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের পরামর্শ প্রদান করেন অতিথিগণ।


আরও খবর



হিলিতে ইরি বোরো ধানের চারা রোপণে পুরাদমে শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৫৬জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:খাদ্য শস্যর ভান্ডার হিসেবে পরিচিত উত্তরের জেলা দিনাজপুর।এই জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা হাকিমপুর হিলিতে চলতি মৌসুমে ইরি বোরো ধানের চারা রোপণ পুরাদমে শুরু করেছের কৃষকেরা। ফলে ব্যস্ত সময় পার করছেন এখানকার কৃষকেরা। বর্তমান সময়ে

বিদ্যুৎ, সার, কীটনাশক, ডিজেলসহ সবকিছুই দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার ইরি বোরো চাষে অতিরিক্ত খরচের দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কৃষকদের কপালে। মাঘের হিমেল বাতাস,কনকনে ঠান্ডা বাতাস আর ঘনকুয়াশাকে উপক্ষো করে জমি তৈরি ও বোরো ধানের চারা রোপণের কাজ করেছেন পুরুষ শ্রমিকদের পাশাপাশি ব্যস্ত সময় পার করছে আদিবাসী নারী শ্রমিকরাও। আবহাওয়া ভালো থাকলে বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পেলে অতিরিক্ত খরচ পুষিয়ে নিতে পারবে বলে আশা করছেন কৃষকেরা। হাকিমপুর উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে,চলতি মৌসুমে ইরি বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ৫’শত ৭৪ হেক্টর জমিতে। শুরু থেকে কৃষি অফিস থেকে সরকারি প্রণোদনাসহ সবধরনের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর।

আজ বৃহস্পতিবার (০১ ফেব্রুয়ারী) হাকিমপুর উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, ইরি বোরো ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। জমিতে বাড়তি সার হিসেবে বিঘা প্রতি ৬-৭ ভ্যান গোবর সার ছিটিয়ে দিচ্ছে। এরপর গভীর নলকূপ থেকে পানি দিয়ে জমি ভিজিয়ে নিয়ে পাওয়ার টিলার দিয়ে কেউবা মেসি (ট্রাক্টর) দিয়ে চাষ করছেন। এতে বিঘা প্রতি ২০ কেজি ডেপ, ১২ কেজি পটাস, ৫ কেজি জিপসার মিশিয়ে দ্বিতীয় বার চাষ করে চারা রোপণের জমি তৈরি করে জমিতে চারা রোপণ করছেন। ইতোমধ্যে এ উপজেলায় ১৫-২০ শতাংশ জমিতে চারা রোপণ শেষ হয়েছে।

উপজেলার সাদুরিয়া গ্রামের গভীর নলকূপ এর মালিক মফিজুল ইসলাম জানান,প্রতি বছর আমার এই গভীর নলকূপ দিয়ে মাঠে প্রায় ২০০-২৫০ বিঘা জমিতে পানি সেচ দিয়ে থাকি। এবারে ও ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ এর সংযোগ পেয়েছি এবং জমিতে পানি সেচ দিতে শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত আমার গভীর নলকূপ এর আওতায় প্রায় ৬০-৭০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ করেছে কৃষকেরা। প্রতি ১০০ শতক (এক একর) জমির জন্য নেওয়া হচ্ছে ৩৬০০ (তিন হাজার ছয় শত টাকা। গত বছর নেওয়া হয়েছে তিন হাজার দুই শত টাকা। বিদুৎ এর খরচ বেশি তাছাড়া সবকিছুর দাম বেশি কি আর করা। উপজেলার জাংগই গ্রামের কৃষক জাহিদুল ইসলাম বলেন,আমি ১০ বিঘা জমিতে বোরো চাষ করে থাকি। কয়েক দিনের মধ্যে আমার সম্পূর্ণ জমিতে চারা রোপণ শেষ হবে। তবে গত বছরের তুলনায় এবার খরচের হিসাব বেশি গুনতে হচ্ছে। পানি সেচের খরচ, জমি চাষ করা,সার, কীটনাশক ও শ্রমিকসহ সবকিছুর দাম বেশি। তাই দুশ্চিন্তার মধ্যে আছি।

উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রণোদনা হিসেবে উফশী জাতের ধানের বীজ ও সার পেয়ে খুব উপকার হয়েছে। তবে এবার আবহাওয়া ভালো থাকলে গতবারের মতো এবার ও ইরিবোরো ধানের ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি। গত বছর ফসলের দাম ভালো পেয়েছি। আশা করছি এবারও ভালো দাম পাবো তাহলে খরচ পুষিয়ে নিতে পারবো বলে আশা করছি।উপজেলার চকচকা গ্রামের কৃষক জাকারিয়া বলেন, হারা ছোট-খাটো কৃষক মানুষ, হামার (আমার) বেশি আবাদি জমি নাই, মিচ্চে এ্যানা ৫-৬ বিঘা জমি চাষ করি।মানুষোক (মানুষ) নিয়ে কাম করে নেই না, নিজেই সব করি। বছরে ইরি আর আমন ধান লাগাই তাতে আল্লাহ দিলে ভালোই আবাদ হয়, ভালোই চলে।

উপজেলার জালালপুর বর্গাচাষি আলিম বলেন, আমরা গরীব মানুষ নিজের আবাদি জমি নাই বললেই চলে। অন্যের জমি চানা (বর্গা) নেই ইরি আবাদের জন্য, এক বিঘা জমি (৩৩ শতক) দশ হাজার টাকা দিয়ে নিতে হয়েছে। বাজারে ইউরিয়া সার আগে ৮৫০-৯০০, পটাশ ৮০০, ডেপ ১০০০ টাকা ছিলো। বর্তমানে ইউরিয়া ১৩৫০, পটাশ ১১৫০, ডেপ ১০৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। জমি সেচের বাড়তি খরচ, সারের দাম, শ্রমিকদের মজুরি বেশি,সবকিছু মিলে কি হবে আল্লাহ ভালো জানে! তবে আশা করছি আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং ধানের দাম ভালো পেলে খরচ পুষিয়ে নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ! উপজেলার খাট্রাউচনা মাঠের জমি রোপন করা শ্রমিক শাহাদৎ হোসেন বলেন,আমরা কয়েকজন মিলে একটা দল তৈরি করেছি। দীর্ঘদিন থেকে ইরিবোরো ও আমন ধানের চারা রোপণ করে থাকি। এবার ইরি বোরো ধানের চারা রোপণ প্রতি বিঘা (৩৩ শতক) ১৩০০ টাকা করে নিচ্ছি। প্রতিদিন ৭ থকে ৮ বিঘা জমিতে ইরি বোরো ধানের চারা রোপণ করতেছি।

উপজেলার আরেক নারী শ্রমিক স্বপনা কুজুর বলেন, আমরা প্রতিদিন হাজিরা হিসেবে ইরি বোরো রোপণ করতেছি। প্রতিদিন হাজিরা হিসেবে ৫০০ টাকা পাই। হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ইরি বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৫’শ ৭৪ হেক্টর জমি।ইতোমধ্যে চারা রোপণ শুরু হয়েছে। আশা করছি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে ইরি বোরো চাষ হবে। ইতিমধ্যে উপজেলায় ১৫-২০ শতাংশ জমিতে ইরি বোরো ধানের চারা রোপণ করা শেষ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক উপজেলার প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ইরি বোরো হাইব্রিড ধানের বীজ (২০০০) জন মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। আর উফশি জাতের প্রণোদনা হিসেবে (২০০০) জনের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করেছি। ইরি বোরো চাষে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সবধরনের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ও মাঠ কর্মীরা। আবহাওয়া অনূকুলে থাকলে আশা করছি এবারও কাঙ্খিত ফসল ঘরে তুলতে পারবেন কৃষকেরা। এবারও ধানের দাম ভালো পেলে অতিরিক্ত খরচ পুষিয়ে নিতে পারবে বলেও আশা করছেন এই কৃষি কর্মকর্তা ।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫২জন দেখেছেন

Image

২১শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস আজ একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসও। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলা মায়ের বীর সন্তানেরা মাতৃভাষার সম্মান রক্ষার্থে বুকের রক্তে রঞ্জিত করেছিলেন ঢাকার রাজপথ। পৃথিবীর ইতিহাসে সৃষ্টি হয়েছিল মাতৃভাষার জন্য আত্মদানের অভূতপূর্ব নজির।

সারাদেশের আজ প্রভাতফেরি নামবে পথে পথে। ফুলে ফুলে ভরে উঠবে দেশের সব শহীদ মিনারের বেদী।

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ছাত্র ও যুব সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ সে সময়ের শাসক গোষ্ঠীর চোখ-রাঙানি ও প্রশাসনের ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে আসে।

মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের দুর্বার গতি পাকিস্তানি শাসকদের শঙ্কিত করে তোলায়; সেদিন ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। এতে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিক গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। তাদের রক্তের বিনিময়ে বাংলা এ দেশের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পায়। যার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) মহান একুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়, যে কারণে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও দিবসটি পালিত হচ্ছে।

ঢাকাসহ সারাদেশের শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে একুশের মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে জাতি। রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে একুশের কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এছাড়া কালো ব্যাজ ধারণ করে প্রভাতফেরি সহকারে আজিমপুর কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা জানানো হবে।

এই দিবসটি বাঙালি জাতির জন্য হচ্ছে চরম শোক ও বেদনার। মায়ের ভাষা বাংলার অধিকার আদায়ের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এ দিন। যে কোনো জাতির জন্য সবচেয়ে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার হচ্ছে মৃত্যুর উত্তরাধিকার- মরতে জানা ও মরতে পারার উত্তরাধিকার। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদরা জাতিকে সে মহৎ ও দুর্লভ উত্তরাধিকার দিয়ে গেছেন।

সরকারি ছুটি একুশে ফেব্রুয়ারি। এদিন দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভবনে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সঠিক নিয়মে, সঠিক রং ও মাপে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে জাতীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনসমূহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।


আরও খবর