Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

র‌্যাব-১১,অভিযানে গাঁজা ও ফেনসিডিল’সহ ৩ জন গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৩২৫জন দেখেছেন

Image

প্রেস রিলিজ:১। বাংলাদেশ আমার অহংকার এই স্লোগান নিয়ে র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র, মাদক উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর হত্যা এবং বিভিন্ন আলোচিত অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতারের মাধ্যমে র‌্যাব ইতোমধ্যেই জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

২। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১১, সিপিএসসি ও সদর কোম্পানী, আদমজীনগর, নারায়ণগঞ্জ’এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ ভোরে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানাধীন রূপসী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন গাজী অটো টায়ার ফ্যাক্টরীর বিপরীত পার্শ্বে কাচঁপুর-সিলেটগামী মহাসড়কের উপর চেকপোষ্ট স্থাপন করে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৫১ (একান্ন) কেজি গাঁজা ও ৩৮৮ (তিনশত আটাশি) বোতল ফেনসিডিল এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত কাভার্ডভ্যান’সহ ০৩ জন

মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো ১। মোঃ শাহ আলম @ মুন্না (২৬), পিতা- মোঃ কবির, সাং- বউবাজার, থানা- বাকুলিয়া, জেলা-

চট্টগ্রাম, ২। মোঃ সাহাবুদ্দিন (২৪), পিতা- মৃত ধনু মিয়া, সাং- বৃষ্টিপুর, কুরুন্ডী, থানা- মুরাদনগর, জেলা- কুমিল্লা, ৩। মোঃ রুবেল (২৭), পিতা- মৃত মতিন মিয়া, সাং- রসুলপুর, বন্যাগ্রাম, থানা- দেবিদ্বার, জেলা- কুমিল্লা।

৩। প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামী ১।মোঃ শাহ আলম @ মুন্না (২৬) ২। মোঃ সাহাবুদ্দিন (২৪) এবং ৩। মোঃ রুবেল (২৭) পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কাভার্ডভ্যানের ড্রাইভার ও হেলপারের ছদ্মবেশ ধারন করে গাঁজা এবং ফেনসিডিল’সহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, সিলেট’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ৮০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আজ বৃহস্পতিবার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ নাসিমের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম এই সদস্য ২০২০ সালের ১৩ জুন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে প্রয়াতের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা, গরিবদের মাঝে খাবার বিতরণ।

মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে সিরাজগঞ্জ-২ আসনের এমপি তানভীর শাকিল জয় বলেন, আজ সকালে পরিবার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ঢাকার বনানীতে মোহাম্মদ নাসিমের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। তার জন্মস্থান সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে থানা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ নাসিম ১৯৪৮ সালের ২ এপ্রিল সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা শহীদ এম মনসুর আলী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন।

মোহাম্মদ নাসিম ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে এমপি নির্বাচিত হন। তিনি বিভিন্ন সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, স্বরাষ্ট্র, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। তিনি ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র ছিলেন।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে সেই সোনার খনিতে ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৩৮জন দেখেছেন

Image
মাহাবুব আলম,রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল বাচোর ইউনিয়নের কাতিহার বাজারের উত্তর পাশে রুহুল আমিন মালিকানাধীন ‘সোনার খনি’ খ্যাত আরবিবি (জইই) ইটভাটা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।

রবিবার (২৬ মে) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রকিবুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন । এর আগে গত শনিবার (২৫ মে) ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

জানা গেছে,গত এক মাস ধরে ওই ইটভাটায় কাঁচা ইট তৈরির জন্য এলাকার বিভিন্ন পুকুর থেকে মাটি কেটে এনে ৩টি মাটির স্তুপ করা হয়। ওই মাটির স্তূপগুলোতে বিভিন্ন ধরনের সোনার মোহর, স্বর্ণের দুল, আংটিসহ বিভিন্ন সোনার তৈরি জিনিস পাওয়া যায়। এতে করে প্রতিদিন হাজার হাজার নারী, পুরুষ স্বর্ণ পাওয়ার আশায় রাত দিন মাটি খনন করতে থাকে। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা ও টেলিভিশনে নিউজ প্রকাশিত হয়।

এরই প্রেক্ষিতে শনিবার ১৪৪ ধারা জারি করে স্থানীয় প্রশাসন। আদেশে বলা হয়েছে, ওই ইট ভাটার মাটির স্তপ খুঁড়ে সোনা পাওয়া যাচ্ছে মর্মে স্থানীয় লোকজনসহ আশেপাশের অসংখ্য লোকজন বেশ কিছুদিন যাবৎ খুন্তি, কোদাল, বাশিলা ইত্যাদি দিয়ে মাটি খুঁড়া-খুঁড়ি শুরু করে প্রতিদিন ওই স্থানের তিনটি মাটির স্তূপে সোনার সন্ধান করছে। এতে আগ্রাসী লোকজন স্বর্ণ পাওয়ার আশায় ঝগড়া বিবাদ, কলহ ও দ্বন্দ্বে লিপ্ত হচ্ছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ মাটি খুঁড়ে স্বর্ণের সন্ধান করতে থাকলে যে কোনো সময় ঘটনাস্থলে মারামারি, খুন, জখমসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। এমতাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আরবিবি (জইই) ইটভাটা এলাকা ও এর আশেপাশে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

গভীর রাতে মাটি খুঁড়ছেন হাজার হাজার মানুষ চিঠিতে ঠাকুরগাঁও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ সুপার, থানার ওসি, বাচোর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব (পুরাতন) ও রাণীশংকৈল প্রেসক্লাব বরাবরে সদয় অবগতির জন্য অনুলিপি পাঠানো হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রকিবুল হাসান জানান, ১৪৪ ধারা জারির পর শনিবার দিনগত রাত ৪টা থেকে সকাল পর্যন্ত ঘটনাস্থলে গিয়ে সকল জনগণকে ওই স্থান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন সেখানে জনমানবশূন্য। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ছাড়াও ইটভাটা কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ওইসব মাটি অপসারণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




শরীয়তপুরে কিশোরীকে অপহরণের পর গনধর্ষণ

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ৫০৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃশরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলা পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা এলাকায় ১৬ বছরের কিশোরীকে অপহরণের পর গনধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।এই ঘটনায় ৬ জনকে অভিযুক্ত করে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে ।

অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার হাজী জৈনুদ্দিন মাদবর কান্দির ওমর ফারুক মাদবর(২১),রতন মাদবর (৩০), আলমগীর বেপারী  ও অজ্ঞাত আরো তিনজন।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মে বিকেলে শিবচর উপজেলার ক্রোকচর গ্রামে নানা বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি হাজী জৈনুদ্দিন মাদবর কান্দির উদ্দেশ্যে আসার পথে মৌলভীকান্দি এলাকায়  অভিযুক্ত ওমর ফারুক মাদবর,রতন মাদবর , আলমগীর বেপারী ও অজ্ঞাত আরো তিনজন ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করে নাও ডোবা গোল চত্ত্বরের দিকে নিয়ে যায়। এ সময় ওই কিশোরী পানি পান করতে চাইলে অভিযুক্তরা চেতনা নাশক ঔষধ মেশানো পানি পান করিয়ে তাকে দুর্বল করে ফেলে। মাইক্রো বাসের ভেতরেই অভিযুক্তরা জোরপূর্বক ভুক্তভোগী কিশোরীকে ধর্ষণ করে।   পালাক্রমে ধর্ষণের পর অভিযুক্তরা ওড়না দিয়ে হাত বেঁধে কিশোরী কে জমাদার স্ট্যান্ড থেকে জাজিরা যাওয়ার রাস্তায় মাইনুদ্দিন কান্দি নামক স্থানে অবস্থিত পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ২০০ গজ উত্তর পাশে রাস্তার উপর ফাঁকা স্থানে ফেলে চলে যায়। পরবর্তীতে পথচারীরা বিষয়টি পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়। পরে পুলিশ অচেতন অবস্থায় রাত ৮.১৫ মিনিটের সময় উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী একটি ক্লিনিকে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর জ্ঞান ফিরলে কিশোরীর বাবা মাকে খবর দেওয়া হয়। পরে ভুক্তভোগী কিশোরী তার মায়ের কাছে গণধর্ষণের বিষয়টি বর্ণনা করেন। তার মা লতিফা বেগম পুলিশকে এই বিষয়টি জানান।


আরও খবর



তানোরে কৃষি প্রণোদনায় অনিয়ম, হয়না আউশ চাষ, পেল কারা?

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর প্রতিনিধি:রাজশাহীর তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। বিগত ২০২৩ সালের ২০ মার্চ সোমবার কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর কাছে কৃষকেরা মৌখিক অভিযোগ করেন। এদিকে ২০২৪ সালের কৃষি প্রণোদনার তালিকা প্রণয়নে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের অভিযোগের তীর কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদের দিকে। তবে কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ কৃষকদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কারন উপজেলায় আউশ চাষ হয়না তাহলে কাদের দেয়া হল প্রণোদনা এমন প্রশ্ন প্রকৃত প্রান্তিক কৃষকদের। 

জানা গেছে, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে খরিপ-১ মৌসুমে উপশী আউশ আবাদ  বৃদ্ধির লক্ষে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় উপজেলার ৭ হাজার ৬৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের  মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনার সার-বীজ বিতরণ করা হয়েছে।এদিকে প্রণোদনা বঞ্চিত কৃষকদের অভিযোগ তালিকা প্রণয়নে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে। একই পরিবারের একাধিক সদস্য এমনকি জমি নাই বা কখানোই আউশের আবাদ করে না। এমন কৃষকদের প্রণোদনা দেয়া হলেও অনেক প্রকৃত আউশ চাষি প্রণোদনা সুবিধা বঞ্চিত হয়েছে। অথচ কৃষি বিভাগ থেকে তালিকা প্রণোয়নে কৃষকদের যাচাই-বাছাই করার কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, গত ১১মে শনিবার কৃষি প্রণোদনা বিতরণ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়। এদিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদের সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব রাখেন সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। 

এদিন উপজেলার  ৭ হাজার ৬৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি পটাশ ও ৫ কেজি করে উচ্চ ফলনশীল ধানবীজ দেয়া হয়েছে। কিন্ত্ত তালিকা প্রণয়নে অনিয়মের কারনে অবস্থা সম্পন্ন এবং (ভুয়া) কৃষক প্রণোদনা পেলেও প্রকৃত কৃষকেরা বঞ্চিত হয়েছে। আবার একই পরিবারের একাধিক সদস্য প্রণোদনার কৃষি উপকরণ পেয়েছে। কতিপয় কৃষি কর্মকর্তার মদদে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে প্রকৃত কৃষককে বঞ্চিত করে (ভুয়া) কৃষকের তালিকা করেছেন বলে কৃষকদের মাঝে আলোচনা রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন অধিকাংশ (ভুয়া) কৃষক প্রণোদনার উপকরণ পেয়ে বাজারের এক সার ব্যবসায়ীর দোকানে বিক্রি করে দিয়েছেন। এতে সরকারের মহতী উদ্যোগ অঙ্কুরেই বিনষ্ট হতে চলেছে। কৃষকদের অভিযোগ কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদের দায়িত্ব  অবহেলার কারণে সরকারের দেয়া সহায়তা থেকে প্রকৃত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি এখানে দায়িত্ব নেবার পর থেকে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ডালপালা মেলেছে। এদিকে কৃষি কর্মকর্তার কাছে প্রণোদনার কৃষকের তালিকা চাইলে তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে তালিকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। তবে এসব কৃষকের নামের তালিকা যাচাই-বাছাই করলেই তালিকা প্রণয়নে অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যাবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাঠপর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ইতিপুর্বে উপজেলায় গ্রীষ্মকালীন পেয়াঁজ চাষের জন্য ২০২১-২২ এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে দুই ধাপে মোট ১৫০ জন কৃষককে ৭ লাখ ৮৭ হাজার ৩৫০ টাকা প্রণোদনা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে কৃষক প্রতি নগদ ২ হাজার ৮০০ টাকা করে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং কৃষক প্রতি উপকরণ ২ হাজার ৪৪৯ টাকা করে মোট ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৫০ টাকা। কিন্ত্ত সেখানেও কৃষি কর্মকর্তা নানা অনিয়ম করেছেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে।এসব নিয়ে গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল।

উপকারভোগী একাধিক কৃষকের অভিযোগ, প্রণোদনার তালিকায় কৃষক নয় এমন ব্যক্তিসহ স্বজনপ্রীতি, এবং অল্প কিছু কৃষককে নামেমাত্র প্রণোদনা দেয়া হয়েছিল। তারা বলেন, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের প্রণোদনার প্রকল্পে যেখানে কৃষক প্রতি বরাদ্দ ছিল ৫ হাজার ২৪৯ টাকা। বরাদ্দের টাকা কৃষকদের বিকাশের মাধ্যমে পাঠানো হয়। কিন্তু প্রতিটি কৃষককে বিকাশে ২৮০০ টাকা করে পাঠানোর কথা থাকলেও তালিকার অনেক কৃষক সে টাকা পায়নি। আর তালিকায় নেই প্রকৃত কৃষক। কৃষকরা বলছেন, বরাদ্দের বাকী ২৪৪৯ টাকার মধ্যে বালাইনাশক বাবদ ২১০০ টাকা, নায়লন সুতলি বাবদ ১৫০ টাকা, অন্যান্য খরচ বাবদ ১৪৪ টাকার ভাউচার প্রদান করা হয়। প্রকৃতপক্ষে কৃষককে দেওয়া হয়, ৫০০ টাকার পলিথিন, ৮০ টাকার বালাইনাশক (৫০ গ্রাম অটোষ্টিন), ৪৫ টাকার সুতলি। প্রতিটি কৃষক পায় ৬২৫ টাকার মালামাল। বাঁকী টাকা আত্মসাৎ করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা টাকার পরিমাণ ২ লাখ ৭৩ হাজার ৫০০ টাকা বলেও কৃষকের মাঝে আলোচনা রয়েছে। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কীটনাশক ব্যবসায়ী বলেন, 

কৃষি প্রযুক্তি মেলা আয়োজনের জন্য সরকারিভাবে দুলাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু তার পরেও প্রতিটি কীটনাশক ব্যবসায়ীর কাছে থেকে আনুঃপাতিকহারে চাঁদা আদায় করা হয়েছিল। অথচ তারা দায়সারা আয়োজন করে অতিথিদের নাস্তাও ছিল নিম্নমাণের যা অত্যন্ত দুঃখজনক।  এমনকি উপজেলার দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল না।
 এছাড়াও 

অফিস সময় মেনে অফিস না করা, স্টেশনে না থাকা, সরকারি গাড়ী ব্যবহার করে রাজশাহী থেকে যাতায়াত, অফিসে এসি ব্যবহার ও বিভিন্ন ফসলের প্রদর্শনীতে নানা অনিয়ম নিয়মে পরিণত হয়েছে বলেও জনশ্রুতি রয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার সিদ্দিক বলেন, আমি জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, অথচ কৃষি প্রযুক্তি মেলায় আমাকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছিল না, এটা শুধু আমাকে নয়, যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন তাদের সকলকে অবজ্ঞার সামিল ছিলো। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম। তিনি বলেন, কেউ সুবিধা না পেলেই নানা অভিযোগ করেন।

আরও খবর



কালিয়াকৈরে বিদ্যুৎ অফিসের গাফিলতি বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে নারীসহ দুটি কুকুরের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিদ্যুৎ অফিসের গাফিলতিতে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে এক নারী পোশাক শ্রমিকসহ দুটি কুকুরের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার উলুসারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই তারে আগে থেকে স্পার্কিং হলে স্থানীয় পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে জানালেও কোনো কর্ণপাত করেনি।

মূলত তাদের গাফিলতিতে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।নিহত হলেন, নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা থানার বিকালিকা এলাকার ইছামদ্দীনের মেয়ে আল্পনা আক্তার (২৫)। তিনি উপজেলার উলুসাড়া এলাকার এখলাসের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় পোষাক কারখানায় কাজ করতেন।

এলাকাবাসী, পল্লীবিদ্যুৎ অফিস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,আল্পনা কারখানার নাইট ডিউটি শেষে উপজেলার উলুসারা এলাকায় তার ভাড়া বাসায় যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে মঙ্গলবার ভোরে বিদ্যুতের খুঁটির সাথে থাকা গ্রাউন্ডিং তারের স্পর্শে এলে বিদ্যুৎ পৃষ্টে আল্পনা নামে ওই নারী শ্রমিকের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত নারী শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করে। পরে আবেদনের প্রেক্ষিতে নিহতের লাশ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এদিকে ওই নারী শ্রমিক আল্পনার লাশের পাশে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে আরো দুটি কুকুরের মৃতদেহ পড়ে ছিল। এ কারণে স্থানীয়দের ধারণা, ওই কুকুর দুটোও বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মারা গেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, যে তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে আল্পনা মারা যান, সে তারে আগে থেকেই স্পার্কিং হতো। বিষয়টি ঢাকা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির -১ এর চন্দ্রা জোনাল অফিসে জানানো হলেও তারা কোনো কর্ণপাত করেনি। মূলত বিদ্যুৎ অফিসের গাফিলতিতে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

কালিয়াকৈর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাজিদ আহম্মেদ জানান, খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে আবেদনের প্রেক্ষিতে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়।

এব্যাপারে ঢাকা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির -১ এর চন্দ্রা জোনাল অফিসের ডিপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী জসীম উদ্দীন বলেন, শুনেছি বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে একজন মানুষ মারা গেছেন। ঘূর্ণিঝড় রেমালের তা-বে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।তবে এ বিষয়ে পূর্বে কেউ আমাদের অবহিত করেননি।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪