Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১২৬জন দেখেছেন
Image

শরীফ আহমেদঃ 

২ টি পৃথক অভিযানে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং, সদর দক্ষিণ,কোতোয়ালি এবং দাউদকান্দি থানা থেকে ৯৬ কেজি গাঁজা ১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬জন মাদক ব্যবসায়ী  গ্রেফতার। দুইটা ট্রাক একটি পিকআপ জব্দ।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১,সিপিসি-২ কুমিল্লার একটি আভিযানিক দল ২৩ জুন এবং ২৪জুন ২০২২ ইং তারিখে বুড়িচং থানা , সদর দক্ষিণ, কোতোয়ালি এবং দাউদকান্দি থানা এলাকায় আভিযান পরিচালনা করে উক্ত অভিযানে ৯৬কেজি গাঁজ ১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ছয়জন মাদক  ব্যাবসায়ীকে  হাতে নাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ।


 গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যাবসায়িরা হলো ১। মোঃ হৃদয় আলী (২২)  ২। মোঃ রফিকুল ইসলাম ( ৩৫),৩। মোঃ ইব্রাহিম খলিল @বাবু(২৫),৪। রবিউল ইসলাম (৩৫),৫। মোঃ বেলাল হোসেন (৩৪) এবং ৬। মোঃ আক্তার হোসেন। উক্ত অভিযানে একটি পিকআপ ও দুইটি ট্রাক  জব্দ করা হয়,এ বিষয়ে পৃথক থানায় মামলা হয়েছে।


আরও খবর



‘কারাগারে প্রবেশের নির্দেশনায় দুদকের ক্ষমতা খর্ব হয়নি’

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

যেকোনো সময় কারাগারে প্রবেশের আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তাদের আদালতের অনুমতি নিতে হবে, এমন নির্দেশনায় সংস্থাটির ক্ষমতা খর্ব করা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

রোববার (২৪ জুলাই) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দুদক সচিব বলেন, সরকারি একটি বিভাগের নিজস্ব বিধিবিধান রয়েছে। যে ক্ষমতা বা এখতিয়ার দেওয়া আছে তা অনুযায়ী দুদক কাজ করবে। আপনারা বলেছেন, অনেক জেল সুপারের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলমান আছে। এখন যে চিঠির কথা আপনারা বললেন, আমি যতটুকু বুঝতে পারি সেটি হলো, এর দ্বারা দুদকের ক্ষমতা খর্ব করা হয়নি। কারণ ওই কেপিআই (গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা) যদি কোনো বিষয় থাকে, সেই ক্ষেত্রে তাদের ইঙ্গিত না দিয়ে ওইখানে যাওয়ার বিধানটা আমার মনে হয় যৌক্তিক হবে কি না, বিষয়টা আবার দেখতে হবে। বিষয়টা আমাদের সঙ্গে আইনগত ও আমাদের দুদক আইনের সাংঘর্ষিক হয় কি না সেটা দেখতে হবে। না দেখে হঠাৎ করে কোনো মন্তব্য করা ঠিক না।

মাহবুব হোসেন বলেন, দুদকের নামে চাঁদাবাজি, ঘুস দাবিসহ নানা অনিয়ম করছে প্রতারক চক্র। তাদের ধরতে সারাদেশে গোয়েন্দা জাল বিছানো হয়েছে। এমন কোনো তথ্য পেলে দুদককে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

আগে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে যেকোনো সময় কারা অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারতো দুদকের বিভিন্ন টিম। তবে এখন থেকে অভিযানে যেতে হলে সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতের লিখিত অনুমতি নিতে হবে।

গত ১২ জুলাই কারা মহাপরিদর্শক (আইজি, প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম আনিসুল হক সই করা চিঠি দেশের কারা অধিদপ্তরসহ সব জেলা প্রশাসক ও কারা কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে বলে জানা যায়। এ চিঠির বিষয়- ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের টিম কারাভ্যন্তরে প্রবেশ প্রসঙ্গে’।

এতে বলা হয়েছে, কারাগার একটি স্পর্শকাতর ও সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠান, যা কারাবিধি ও সরকার কর্তৃক জারি করা অন্যান্য বিধিবিধান দ্বারা পরিচালিত হয়। কারাবিধি মোতাবেক যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত কোনো ব্যক্তির কারাগারে প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই। কারাগারগুলোতে অনেক সময় কোনোরূপ পূর্বানুমোদন/সমন্বয় ছাড়া তদন্তের উদ্দেশ্যে দুদকের বিভিন্ন টিম আগমন এবং প্রবেশ করে।

এ বিষয়ে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে দুদক সচিবের টেলিফোনিক আলোচনা হয়। সামগ্রিক বিষয় পর্যালোচনা করে কারাগারের স্পর্শকাতরতার বিষয়টিকে বিবেচনায় নিয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর ফলে এখন থেকে দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট বা অন্য যে কোনো টিম কারাগারে কোনো তদন্তের জন্য গেলে কতগুলো প্রমাণপত্র আবশ্যিকভাবে প্রদর্শন করতে হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রমাণপত্রের মধ্যে রয়েছে- দুদক টিম যে জেলার কারাগারে যাবে, সেই জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের লিখিত অনুমতিপত্র; সংশ্লিষ্ট কারাগারের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের কপি; আগত টিমকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া সংক্রান্ত যথাযথ কর্তৃপক্ষের আদেশ এবং আগমনকারী কর্মকর্তার পরিচয়পত্র।

কারাগারে মোবাইল ফোন ব্যবহারসহ বন্দিদের অবৈধ সুবিধা দেওয়া, বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য স্বজনদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়, অসুস্থ না হয়েও অনেক বন্দির হাসপাতালে ভর্তি থাকা, কারা ক্যান্টিনে খাবারের দাম বেশি রাখা, বন্দিদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ আসে দুদকে। এ ধরনের অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক বিভিন্ন কারাগারে তাৎক্ষণিক অনেক অভিযান চালিয়েছে। অনেক সময় অনিয়মের সত্যতাও মিলেছে। বিভিন্ন কারা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান, মামলা চলমান আছে।


আরও খবর



একদিনে ৭৫ লাখ মানুষ পাবেন করোনার টিকা

প্রকাশিত:Monday ১৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

জনগণ করোনার বুস্টার ডোজ নিতে এগিয়ে আসছে না। এখন পর্যন্ত ২০ শতাংশ মানুষকেও বুস্টার ডোজের আওতায় আনা যায়নি। এরই মাঝে বুস্টার ডোজ দেওয়ার লক্ষ্যে একদিনে প্রায় ৭৫ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

সোমবার (১৮ জুলাই) মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে বুস্টার ডোজ দিবসের ক্যাম্পেইন। সুষ্ঠুভাবে টিকা প্রদানের লক্ষ্যে সারাদেশে ১৬ হাজার ১৮১টি টিকাকেন্দ্রের (৬২৩টি স্থায়ী ও ১৫ হাজার ৫৫৮টি অস্থায়ী) ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ক্যাম্পেইনে একযোগে ৩৩ হাজার ২৪৬ জন টিকাদানকর্মী ও ৪৯ হাজার ৮৬৯ জন স্বেচ্ছাসেবী কাজ করবেন। ক্যাম্পেইনে দ্বিতীয় ডোজ প্রাপ্তির চার মাস অতিবাহিত হয়েছে এরূপ ১৮ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠী বুস্টার (তৃতীয়) ডোজ ও প্রথম ডোজ প্রাপ্তির নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও যারা দ্বিতীয় ডোজ নেননি এরূপ ১৮ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠী দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, কোভিড-১৯ মহামারি নিয়ন্ত্রণকল্পে বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যেই দেশের মোট জনসংখ্যার ৭৬ দশমিক ৫ শতাংশকে প্রথম ডোজ, ৭০ দশমিক ৩ শতাংশকে দ্বিতীয় এবং ১৭ দশমিক ৯ শতাংশকে বুস্টার (তৃতীয়) ডোজ প্রদান করেছে যা সারাবিশ্বে সমাদৃত হয়েছে।

তিনি বলেন, ভ্যাকসিনের বৈশ্বিক অপ্রতুলতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ সরকার দেশের আপামর জনসাধারণকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদানে বদ্ধপরিকর। আপনাদের সবার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, বর্তমানে দেশে পাঁচ প্রকারের (অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, সিনোফার্ম, সিনোভ্যাক এবং জনসন ও জনসন) মোট ২ দশমিক ৭৮ কোটি ডোজ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন রয়েছে।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির, পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম, টিকা কর্মসূচির পরিচালক ডা. শামসুল হক প্রমুখ।


আরও খবর



আইসিডিডিআরবিতে ১৬ ঘণ্টায় ২৫৪ ডায়রিয়ার রোগী

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

রাজধানীতে দিন দিন বাড়ছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৬ ঘণ্টায় আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রে (আইসিডিডিআরবি) ভর্তি হয়েছেন ২৫৪ জন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই প্রাপ্তবয়স্ক।

আইসিডিডিআরবির তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টার হিসাবে শুক্রবার (৫ আগস্ট) দুপুর ৪টা পর্যন্ত ১৬ ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে ২৫৪ জন ভর্তি হয়েছেন। আজ রাতের মধ্যে এ সংখ্যা সাড়ে তিনশো ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে, আক্রান্তের সংখ্যা জুলাইয়ের তুলনায় বেশি।

এ বছরের মার্চ ও এপ্রিলের দিকে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ঊর্ধ্বমুখী। এসময় আইসিডিডিআরবিতে প্রতিদিন হাজারেরও বেশি রোগী ভর্তি হতো। সেই তুলনায় জুন-জুলাইয়ে কিছুটা কমলে বর্তমানে ফের বাড়ছে। আগস্টের শুরু থেকে ফের বাড়ছে ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা। তবে, বর্তমানে আক্রান্তের বেশিরভাগই প্রাপ্তবয়স্ক।

jagonews24

আইসিডিডিআরবি বলছে, আগস্টের শুরু থেকে প্রতিনিয়ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ মাসের প্রথম দুদিন রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৪০ ও ৩৪২ জন। তৃতীয়দিন তা বেড়ে ৩৯৩ জনে দাঁড়ায়। এরপর দিন ৪ আগস্ট ৩৯৪ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।

আইসিডিডিআরবি হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল ফেলো ডা. সিফাত আহমেদ চৌধুরী জাগো নিউজকে জানান, আগস্টে সাধারণত বয়স্ক রোগীর সংখ্যা বাড়ে। এখন যারা ভর্তি হচ্ছেন তাদের অনেকের পানি শূন্যতা রয়েছে। দশ বছরের নিচের রোগীর সংখ্যা খুবই কম।

তিনি জানান, এ মুহূর্তে শিশু আক্রান্তের সংখ্যা কম। তবে, নভেম্বরের দিকে ফের বাড়তে পারে। অক্টোবর থেকে নভেম্বরের দিকে শিশুরা ডায়রিয়ায় বেশি আক্রান্ত হয়। আমরা সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি।


আরও খবর



ভিডিও কলের ফাঁদে ফেলে বিশিষ্টজনদের থেকে টাকা আদায় করতেন সাগর

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

আজহার উদ্দিন সাগর (১৯)। লেখাপড়া করেছেন নবম শ্রেণি পর্যন্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সুন্দরী তরুণীদের ছবি ব্যবহার করে আইডি খুলে সমাজের বিশিষ্টজন ও উচ্চ শ্রেণির লোকদের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতেন তিনি। ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করার পর শুরু হতো সুসম্পর্ক গড়ে তোলা। একপর্যায়ে মেসেঞ্জারে পর্ন বিষয়ক বিভিন্ন কথাবার্তা ও ছবি পাঠিয়ে অকৃষ্ট করতেন। এরপর তাদের সঙ্গে মেসেঞ্জারে ভিডিও চ্যাটের মাধ্যমে স্ক্রিন রেকর্ডার ব্যবহার করে সেগুলো রেকর্ড করে পরবর্তীসময়ে হুমকি দিয়ে টাকা আদায় করতেন।

সম্প্রতি রাজধানীর বাড্ডা থানায় করা এক মামলা তদন্ত করতে গিয়ে প্রতারক সাগরকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ। এ সময় প্রতারণায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও সিম জব্দ করা হয়।

শনিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন গোয়েন্দা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. মহিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গ্রেফতার আজহার উদ্দিন সাগর ফেনী জেলার একজন বাসিন্দা। তিনি নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করলেও প্রযুক্তি ব্যবহারে অত্যন্ত পারদর্শী। তিনি বিভিন্ন সুন্দরী মেয়েদের ছবি ও নাম ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি তৈরি করতেন। এসব আইডি ব্যবহার করে সাগর মধ্যবয়স্ক সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তিদের টার্গেট করে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতেন। পরবর্তীসময়ে ভিকটিমরা তার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করলে গ্রেফতার আজহার নারী পরিচয়ে ভিকটিমদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। সুসম্পর্কের একপর্যায়ে সাগর তার টার্গেট করা লোকজনের সঙ্গে স্পর্শকাতর ও অন্তরঙ্গ আলাপচারিতায় লিপ্ত হন। একপর্যায়ে ভিকটিমকে ভিডিও কলে আমন্ত্রণ জানায় সাগর। ভিকটিম সরল বিশ্বাসে মেসেঞ্জারে ভিডিও কল রিসিভ করলে স্ক্রিন শেয়ারের মাধ্যমে মোবাইলে আগে থেকে ধারণ করা একটি ভিডিও ক্লিপ চালিয়ে দেয় এবং স্ক্রিন রেকর্ডের মাধ্যমে ভিডিও চ্যাট রেকর্ড করে মোবাইলে সংরক্ষণ করেন।

মহিদুল ইসলাম বলেন, রেকর্ড করা ভিডিও ভিকটিমের আত্মীয়-স্বজন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে সম্মানহানি করার হুমকি দিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেন। গ্রেফতারের সময় সগরের কাছে জব্দ করা মোবাইলে বিভিন্ন ব্যক্তিদের সঙ্গে অন্তরঙ্গ ভিডিও কলের রেকর্ড পাওয়া যায়। এছাড়াও একাধিক মেয়েদের পর্ন ছবি ও ভিডিও তার মোবাইলে পাওয়া যায়। অসংখ্য সুন্দরীদের ছবি ব্যবহার করে ভুয়া নামে ৩০-৪০টি ফেসবুক আইডি উদ্ধারসহ লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এডিসি মহিদুল আরও বলেন, এমন প্রতারণার মাধ্যমে টাকা খোয়ানো একজন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ফেনী থেকে সাগরকে গ্রেফতার করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরিচিত কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব করার ক্ষেত্রে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিয়ে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, বন্ধুত্বের অনুরোধ গ্রহণ করার আগে পরিচিত কি না তা নিশ্চিত হতে হবে। অপরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথোপকথন ও তথ্য শেয়ারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকাতে হবে। একান্ত ব্যক্তিগত কোনো কিছু ফেসবুকে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।


আরও খবর



‘আমিষের চাহিদা মেটাতে’ নদী-কৃষিজমি দখল করে মাছচাষ!

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
Image

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ইছামতি নদীতে বাঁধ দিয়ে ও কৃষকের জমি দখল করে মাছচাষের অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। উপজেলার দাশকান্দি বয়ড়া এলাকায় নদীর এক কিলোমিটারে বাঁধ দিয়ে এই মাছচাষ করছেন অভিযুক্তরা।

এছাড়া নদীর পাশের অন্তত ১০০ একর কৃষি জমিতে জোরপূর্বক মাছচাষ করা হচ্ছে। এর ফলে কৃষক আমন ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সাল থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও জনপ্রতিধিরা সমন্বিতভাবে এই মাছচাষ শুরু করেন। এর ফলে নদী কিংবা মুক্ত জলাশয়েও মাছ ধরার সুযোগ পাচ্ছেন না জেলেরা। ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা।

‘আমিষের চাহিদা মেটাতে’ নদী-কৃষিজমি দখল করে মাছচাষ!

সরেজিমনে দেখা গেছে, দাসকান্দি বয়ড়া গ্রামে ইছামতি নদীর এক কিলোমিটার এলাকায় তিনটি বাঁধ দিয়ে পানিপ্রবাহ আটকে দেওয়া হয়েছে। অবৈধ বাঁধের কারণে নদীর পানি নষ্ট হয়ে গেছে। নদী থেকে বিভিন্ন খাল ও বিলে পানি বের হওয়ার রাস্তাও আটকে দেওয়া হয়েছে নেট দিয়ে। যাতে করে মাছ বের হতে না পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা শেখ সাদেক, শেখ ফরিদ, মো. রাজ্জাক, মিলন খান ও মিজানুর রহমানসহ বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রভাবশালীরা ইছামতি নদী সারা বছরই তাদের দখলে রেখে মাছচাষ করেন। আশপাশের লোকজনকে নদীতে নামতে দেওয়া হয় না। এমনকি পাশের কৃষি জমিতে সেচের পানি নিতেও বাধা দেওয়া হয়।

‘আমিষের চাহিদা মেটাতে’ নদী-কৃষিজমি দখল করে মাছচাষ!

এছাড়া বর্ষার পানি ঢোকার পরপরই নদীর পাশের অন্তত ১০০ একর জমি দখলে নেন তারা। সেখানেও মাছচাষ করেন। বোরোর পর কৃষকরা আমন ধান চাষ করলেও মাছে তাদের সেই ধান নষ্ট করে ফেলে। কৃষকরা তাদের নিজেদের জমিতেও নামতে পারেন না। নদী কিংবা বাড়ির আশপাশের ক্ষেত থেকেও মাছ ধরতে পারেন না জেলে পরিবারগুলো। অবৈধভাবে নদী ও অন্যের কৃষি জমি দখল করে মাছচাষ করলেও কেউ দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানিসহ নানা হুমকি ধামকি দেওয়া হয়।

দিশারি বহুমুখি সমবায় সমিতি লিমিটেড নামে এই মাছচাষ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

‘আমিষের চাহিদা মেটাতে’ নদী-কৃষিজমি দখল করে মাছচাষ!

সমিতির সাধারণ সম্পাদক কলেজ শিক্ষক আহমেদ হোসেন পিন্টু জানান, হরিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক দেওয়ান সায়েদুর রহমানের নেতৃত্বে এই সমিতি আত্মপ্রকাশ করে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান আব্দুর রউব বর্তমানে সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান চুন্নু, তুষার চেয়ারম্যান, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবুল বাশার সবুজ, বয়রা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগসহ সহসভাপতি শাজাহান, মাসুম আনছারী, ইয়াছিন হোসেন, কালীপদ মেম্বারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও জমির মালিকদের সমন্বয়ে এই মাছচাষের প্রকল্প চলছে।

তিনি আরও বলেন, মাছচাষের মাধ্যমে আমিষের চাহিদা পুরণের লক্ষ্যেই তাদের এই প্রকল্প।

‘আমিষের চাহিদা মেটাতে’ নদী-কৃষিজমি দখল করে মাছচাষ!

কিন্তু নদী ও অন্যের জমি দখল করে মাছচাষ করা বৈধ কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলাকার সবার সহযোগিতা নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে মাছচাষ করা হচ্ছে। প্রকল্পের লাভের টাকা সমহারে বণ্টন করা হয়।

নদী ও কৃষকের জমি দখল করে মাছচাষ করার বিষয়ে ভুক্তভোগীরা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ জানান, নদী ও উন্মুক্ত জলাশয়ে বাঁধ দিয়ে মাছচাষ করার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে বাঁধ অপসারণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর