Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

রূপগঞ্জ থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের ছয় সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:সোমবার ১১ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ২৫২জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃনারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের আঞ্চলিক প্রধান সমন্বয়কারী ও প্রশিক্ষণ শাখার প্রধান আব্দুর রাজ্জাক ওরফে ইসহাক ওরফে সাইবাসহ (৪১) ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-১।

রোববার (১০ ডিসেম্বর) রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। 

গ্রেপ্তার বাকি জঙ্গি সদস্যরা হলেন মো. শরিফুল ইসলাম ওরফে মুরাদ (৩১), আশিকুর রহমান ওরফে উসাইমান (২৭), মুহাম্মদ জাকারিয়া ওরফে আবরার (২৪), মো. আল আমিন ওরফে রবিন ওরফে সামুরা (২৪), মো. আবু জর ওরফে মারুফ (১৮)। এসময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ জিহাদি ও উগ্রবাদী বই এবং অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।  

খন্দকার আল মঈন জানান, গত বছর ঢাকার আদালত চত্বর থেকে দুর্ধর্ষ দুই জঙ্গি সদস্যকে ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি জানতেন আনসার আল ইসলামের প্রধান সমন্বয়কারী ইসহাক। জঙ্গি ছিনতাইয়ের আগেই তাদের সঙ্গে কারাগারেই ইসহাকের যোগাযোগ ছিল। কাশেমপুর কারাগারে আনসার আল ইসলামের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত সাক্ষাৎ ও স্বজনদের দেখা করিয়ে দেওয়ার কাজ করতেন ইসহাক। নিষিদ্ধ এই দলটির শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সংগঠনটির অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে পরিচিত পান তিনি। ইসহাকের নির্দেশে অবৈধভাবে সীমান্ত পথে পার্শ্ববর্তী দেশে যায় চার জঙ্গি সদস্য। তাদের প্রশিক্ষণের জন্য সেখানে পাঠানো হয়েছিল। তবে এ বছরের মাঝামাঝি সময়ে সেখানে গ্রেপ্তার হন তারা।

তিনি বলেন, আনসার আল ইসলামের আমির আবু ইমরানের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল ইসহাকের। তার নির্দেশেই নতুন সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিতেন ইসহাক। দাখিল পর্যন্ত পড়াশুনা করা গ্রেপ্তার আব্দুর রাজ্জাক ওরফে ইসহাক ওরফে সাইবা ২০১৫ সালে সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের মাধ্যমে উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে আনসার আল ইসলামে যোগ দেন। বিভিন্ন পেশার আড়ালে সংগঠনের দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



মেহেরপুরে সাংবাদিকের উপর হামলার অন্যতম আসামী পাপ্পু জেল হাজতে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

মেহেরপুর প্রতিনিধি :মেহেরপুরের আমঝুপিতে চ্যানেল ২৪ এর স্টাফ রিপোর্টার রাশেদুজ্জামান এবং দৈনিরক জবাবদিহি পত্রিকার সাংবাদিক সিরাজুদ্দোজা পাভেলের উপর বর্বরোচিত হামলার অন্যতম আসামি পাপ্পুকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারী) ভোরে তাকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে আটক করা হয়। সে আমঝুপি গ্রামের মৃত প্যাডির ছেলে। মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযানে সে আটক হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কনী মিয়া, এসআই আশরাফসহ পুলিশের একটি দল।

এদিন দুপুরে পাপ্পুকে নেওয়া হয় মেহেরপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে। আদালত তার রিমান্ড ও জামিন শুনানীর দিন ধার্য করেন আগামী ২২ ফেব্রুয়ারী। পরে তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয় আদালত।    

গেল ১২ ফেব্রুয়ারী আমঝুপিতে চ্যানেল ২৪ স্টাফ রিপোর্টার রাশেদুজ্জামান ও দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার সাংবাদিক সিরাজুদ্দোজা পাভেলের উপর হামলার ঘটনার মামলার এজাহার নামীয় ৪নং আসামি এই পাপ্পু। তিন দফা হামলার সময় এক দফা হামলা হয় পাপ্পুর নেতৃত্বে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই হামলার রহস্য এবং হামলাকারী অন্যান্যদের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে বলে মনে করেন ঘটনার কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী।


আরও খবর



জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঞ্জনা ভৌমিক মারা গেছেন

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭২জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিনিধি:বার্ধক্যজনিত রোগের সঙ্গে লড়াই করে চলে গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী অঞ্জনা ভৌমিক। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। আজ শনিবার দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে সকাল ১০.৩০টা নাগাদ তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

দীর্ঘ দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুখে ভুগছিলেন অঞ্জনা। অনেক সময় বাড়িতেই তার চিকিৎসা হতো। তার দুই মেয়ে নীলাঞ্জনা এবং চন্দনা মায়ের খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। স্বাভাবিকভাবে, খুব ভেঙে পড়েছেন যিশুর স্ত্রী।

অভিনেত্রীর জন্ম ১৯৪৪ সালে। কোচবিহারের মেয়ে, নাম ছিল আরতি ভৌমিক। ২০ বছর বয়সে বাংলা সিনেমায় অভিষেক হয় ‘অনুষ্টুপ চন্দ’ ছবির মাধ্যমে। তবে প্রথম ছবি মুক্তির আগেই তিনি নাম বদলে হন অঞ্জনা। উত্তম কুমারের সঙ্গে তার জুটি প্রশংসিত সর্বত্র। নিজের ক্যারিয়ারের অধিকাংশ ছবিই করেছেন মাহনায়কের সঙ্গে। বহু দর্শক বিশ্বাস করতেন, উত্তম কুমারের সঙ্গে তার যে জমাট রসায়ন, তা অন্য কোনও নায়কের সঙ্গে জুটি বাঁধলে সেভাবে পর্দায় ধরা দেয় না।

অবশ্য সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও ‘মহাশ্বেতা’ ছবিতে তার অভিনয় নজর কাড়ে দর্শক ও সমালোচকদের। তারপর নেভি অফিসার অনিল শর্মাকে বিয়ে করেছিলেন অঞ্জনা। বিয়ের পর থেকেই অভিনয় জগতের সঙ্গে বাড়তে থাকে দূরত্ব। তিনি বরাবরই বিশ্বাস করতেন, দর্শকদের অপেক্ষা করানোর মধ্যেই অভিনেতার সাফল্য। যদিও আশির দশকের পর সেভাবে আর কোনো দিনই পর্দায় দেখা যায়নি তাকে।

ষাট থেকে আশির দশকের বাংলা সিনেমায় ছিল তার উজ্জ্বল উপস্থিতি। এখনও বহু দর্শক মনে রেখেছেন তাকে। ‘চৌরঙ্গী’, ‘থানা থেকে আসছি’, ‘নায়িকা সংবাদ’র মতো ছবিতে তার অভিনয় এখনও মনে রেখেছেন দর্শক। তার এবং উত্তম কুমারের পর্দার রসায়ন দর্শকের ছিল খুব প্রিয়। অঞ্জনা বহু বছর ধরেই ছিলেন অন্তরালে। দুই মেয়ে নীলাঞ্জনা ও চন্দনা দুজনেই একসময় অভিনয় করতেন।

নীলাঞ্জনা এখন টেলিপাড়ার সফল প্রযোজক। তার স্বামী অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত চুটিয়ে অভিনয় করছেন। কয়েক বছর আগে ‘উমা’ সিনেমার মাধ্যমে টলিউডে অভিষেক হয় যিশু-নীলাঞ্জনার বড় মেয়ে অর্থাৎ অঞ্জনার নাতনি সারার।


আরও খবর



স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ না হলে অ্যাকশনে যাবে

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৩৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন জানিয়েছেন অবৈধ ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ না করলে, তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেওয়া হবে।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অবৈধ এবং লাইসেন্স ছাড়া যে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে, আমি এ ব্যাপারে কথা বলেছি। হঠাৎ করে বন্ধ করলে তো হবে না। আমাকে তো পরীক্ষা করতে হবে। আমার কাছে তালিকা এসেছে, আমরা সেই তালিকা ধরে কাজ করব। কোনো হাসপাতাল অবৈধ কিংবা ইলিগ্যালভাবে কাজ করবে, সেটা অন্তত আমি হতে দেব না। এ ব্যাপারে আমার কঠোর নির্দেশ।

তিনি আরও বলেন, আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি, যারা এ ধরনের ক্লিনিক চালাচ্ছেন তারা তাদের কার্যক্রম বন্ধ করুন। না হলে আমরা কিন্তু তার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেব এবং তাদেরকে একটা সময় দেব। হঠাৎ করে আমরা একটা ক্লিনিক বন্ধ করতে পারি না। একটা নিয়ম আছে, প্রসিডিউর আছে। আমি সেভাবে এগোব।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে সামন্ত লাল সেন বলেন, রাতারাতি কোনো কিছু পরিবর্তন করা সম্ভব না। মানুষের আস্থা নেই বললেই মানুষ চলে যাচ্ছে। আমাদের দেশের মানুষ ভারত যাচ্ছে, ব্যাংকক যাচ্ছে। রংপুর থেকে মানুষ ঢাকায় আসছে, তার মানে আস্থাহীনতার অভাব। আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।

ফিরিয়ে আনতে হলে গ্রাস রুট লেভেলে কাজ করা, যেটি আমি শুরু করেছি মাত্র। আমাকে আরও সুযোগ দিতে হবে। আমি চেষ্টা করছি। আমি পারব না শতভাগ, তবে আমি চেষ্টা করব, বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


আরও খবর



বাগেরহাটে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৭৪ শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথমদিনে ২৭৪ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে এস এস সি-তে ৭৫ জন, দাখিল থেকে ১৫৪ জন এবং ভকেশনাল থেকে ১৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষায় এসএসসিতে ১৩ হাজার ৬৩৫, দাখিল ৪ হাজার ১১১ এবং কারিগরি ১ হাজার ৪৬৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেছেন। প্রথমদিনে কোন কেন্দ্রে কোন প্রকার অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটেনি।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ আব্দুল জব্বার বলেন, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জেলায় ১৯ হাজার ৪৫৬ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহন করার কথা ছিল।  এদের মধ্যে প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৭৪ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।


আরও খবর

বিনামূল্যে বই পেল ২৬৬ কলেজ শিক্ষার্থী

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আসিফ মাহতাবকে চাকরিচ্যুতির কারণ জানাল ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | ১৫৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ মাহতাব সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের ‘শরীফ থেকে শরীফা’ হওয়ার পাতা ছিঁড়ে চাকরিচ্যুত হন। গত ২০ জানুয়ারি তাকে কি কারণে চাকরিচ্যুত করা হয় এতদিন পর্যন্ত এর কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মাহতাবের চাকরিচ্যুতর বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছে।

জনসংযোগ কর্মকর্তা ফাতিয়াস ফাহমিদ সাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, সব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সব মত ও আদর্শের জন্য সহনশীলতা ও সম্মানের ভিত্তিতে গঠনমূলক আলোচনা, বিতর্ক এবং পারস্পরিক মতবিনিময়ে বিশ্বাস করে। ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য আচরণ, যা ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সমর্থন করে না। সাম্প্রতিক সময়ে ব্র্যাকের শিক্ষক আসিফ মাহতাব উৎসের সপ্তম শ্রেণির জাতীয় পাঠ্যবইয়ের পৃষ্ঠা ছেড়া এবং পাবলিক ফোরামে অন্যদেরকে একই কাজ করতে বলার ঘটনাটিকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি একটি ধ্বংসাত্মক কাজ বলে মনে করে। এ ধরনের অশিক্ষকসুলভ আচরণকে তারা কোনোভাবেই সমর্থন করে না। একারণে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ২০২৪ সালের স্প্রিং সেমিস্টারের জন্য আসিফ মাহতাবকে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে নতুন চুক্তি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে, ইউনিভার্সিটি মাহতাবকে এই সেমিস্টারের প্রস্তুতিমূলক কাজে তার সময় ও প্রচেষ্টার জন্য পারিশ্রমিক প্রদান করবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সব ক্ষেত্রে দেশের সংবিধান ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং দেশের প্রচলিত বিধিবিধান মেনে চলার বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সমকামিতার প্রচার ও প্রসারের সঙ্গে যুক্ত, সামাজিক মাধ্যমে কিছু মহলের এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি প্রত্যেকটি মানুষের সমান অধিকার এবং সম্ভাবনা বিকাশের পথে সমান সুযোগ সৃষ্টিতে বিশ্বাস করে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে ‘বর্তমান কারিকুলামে নতুন পাঠ্যপুস্তক: বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে ‘ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ক গল্প’ পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদ জানান শিক্ষক আসিফ মাহতাব। তার দাবি, সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে ‘ট্রান্সজেন্ডারের গল্প’ ঢুকিয়ে শিক্ষার্থীদের মগজধোলাই করা হচ্ছে। এ সময় তিনি সবার সামনে ওই পাঠ্যবই থেকে ‘শরীফ থেকে শরীফা’ গল্পের পাতা ছিঁড়ে ফেলেন। এরপর ব্রাক ইউনিভার্সিটি তাকে সব শিক্ষাকার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয় এবং তার ব্যবহৃত ই-মেইল ডিজেবল করে দেয়। এ নিয়ে দেশজুড়ে তুমুল আলোচনা সমালোচনার মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এই গল্পটি বিশ্লেষণ করার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করে দেয়। কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।


আরও খবর