Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

রোজায় খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৮৪১জন দেখেছেন

Image

রোজায় স্বাভাবিকভাবেই খাদ্যাভ্যাসে আসে বড় পরিবর্তন। সাধারণত আমরা দিনে তিনবেলা খাবার খেয়ে থাকি। কিন্তু রোজার সময়ে খাবারের এই পরিচিত নিয়ম পাল্টে যায়। ভোররাতে সেহরি খেয়ে রোজা শুরু হয়, শেষ হয় মাগরিবের আজান শুনে ইফতার করার মাধ্যমে। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে রোজা পালন করেন মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা। বছরের অন্যান্য সময়ের থেকে আলাদা খাদ্যাভ্যাস বলেই এসময় খাবারের প্রতি একটু বেশি যত্নশীল হতে হবে। এমন সব খাবার খেতে হবে, যেগুলো শরীরের জন্য বেশি উপকারী। সেহরি, ইফতার ও রাতের খাবারে খেতে হবে স্বাস্থ্যকর সব খাবার।

রমজানে কোন কোন খাবার খাবেন আর কী কী খাবেন না, সে বিষয়ে আজকের পরামর্শ।

অতিরিক্ত লবণ: অতিরিক্ত লবণ বা কাচা লবণ খাবেন না। কারণ লবণ পানির তৃষ্ণা বাড়িয়ে দেয়। রোজায় বেশিরভাগ মানুষের ক্ষুধার চেয়ে পানির তৃষ্ণায় বেশি কষ্ট পেতে দেখা গেছে।

ফ্রাইড ফুডস: ভাজা পোড়া একদমই না। ভাজা পোড়া খাবার এ তেলের অধিক্য থাকে এবং অনেকক্ষণ খালি পেটে থাকার পরে ভাজাপোড়া পেটে গ্যাসের  সমস্যা করে। তাছাড়া ওজন আধিক্যের ব্যপার তো আছেই।

সাদা বা রিফাইন্ড খাদ্যদ্রব্য: ভাত, সাদা আটা, চিনি এবং চিনি জাতীয় খাবার। এই খাবারগুলো তে প্রচুর পরিমাণে সুগার থাকলেও পুষ্টির পরিমাণ খুব কম। এই খাবারগুলো সঙ্গে সঙ্গে এনার্জি দিলেও বেশিক্ষণ থাকে না।

চা বা কফি: চা বা কফি খাবার অভ্যাস যাদের আছে, তারা চেষ্টা করবেন শুধুমাত্র ইফতারের পর পরই পান করতে। কারণ চা/কফি ডায়ারিউটিক, অর্থাৎ ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ তৈরি করে ফলে দেহে পানি শূন্যতা দেখা দিতে পারে।

সবশেষে সেহরি বা ইফতার এ একদমই বেশি বেশি খাওয়া যাবে না। পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার গ্রহণ করুন এবং রমজানে সুস্থ থাকুন।

কী কী খাবেন

* প্রচুর পানি। ইফতার থেকে সেহেরির মাঝের সময় তাতে কমপক্ষে ৩ লিটার পানি গ্রহণ করুন। মানে ৮-১০ গ্লাস পানি প্রতিদিন।

* জটিল শর্করা গ্রহণ করুন সেহেরিতে। কারণ তা অনেক্ষণ সময় লাগে হজম হতে। ফলে সারাদিন ক্ষুধা অনুভব হতে দেয় না। জটিল শর্করার মধ্যে আছে বিভিন্ন শাক-সবজি, সিম, বাদামি চাল, গমের আটা, বীজ জাতীয় খাবার ইত্যাদি।

* ইফতারের শুরুটা খেজুর দিয়ে করতে পারেন। খেজুর এ আছে প্রাকৃতিক চিনি যা আপনাকে তৎক্ষণাৎ শক্তি দিবে। তা ছাড়াও এতে রয়েছে পর্যাপ্ত ভিটামিন এবং মিনারেলস।

* ডাবের পানি রাখতে পারেন ইফতার এ। ডাবের পানি শরীরের ইলেক্ট্রলাইট ব্যলেন্স ঠিক রাখে এবং শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করে।

* ইফতারে একটি সুষম খাবার প্লেট সাজানোর চেষ্টা করুন যে প্লেটে থাকবে রমজানের মিষ্টি (খেঁজুর), ফল, ১টি ভারী খাবার, সালাদ, স্যুপ ইত্যাদি। ফল ও সবজিতে আছে জটিল শর্করা যা পেট ভরপুর রাখবে। কিন্তু ক্যলোরি কম এবং কোষ্ঠ কাঠিন্য থেকেও রক্ষা করবে।

* সেহেরিতে আমরা অনেকেই ক্ষুধা লাগবে ভেবে অতিরিক্ত ভাত খেয়ে ফেলি। আসলে এই অতিরিক্ত খাবার আমাদের কোনো কাজেই আসে না বরং ওজন বাড়ায়। তাই সেহেরিতে শাকসবজি বেশি খান কারণ ফাইবার অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেটে থাকে এবং ক্ষুধা অনুভব কম হয়।

* যারা ওজন কমাতে চাচ্ছেন তারা ইফতারের আগে ব্যয়াম করুন। কারণ এসময় শক্তির জন্য অন্য কোনো খাবারের সোর্স না পেয়ে দেহ ফ্যট ভাংতে থাকে।

রমজান মাসে একটু ভেবে চিনতে খাওয়া দাওয়া করলে কোনো কষ্ট ছাড়াই সিয়াম পালন করা যাবে। তাই একটু সচেতন হই এবং সুস্থ ও সুন্দরভাবে সিয়াম পালন করি। শুভ হোক মাহে রমজান।


আরও খবর

"নোবেলের ম্যাজিক শুধু প্রতারণা"

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24




রূপগঞ্জে কারখানার বিষাক্ত পানিতে মরে গেলো ৩ লাখ টাকার মাছ অসুস্থ অর্ধশতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কারখানার বিষাক্ত পানির কারণে ৩ লাখ টাকার মাছ মরে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয় ওই এলাকায় বসবাসকারী প্রায় অর্ধশতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অসুস্থ হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

গত শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার তারাব পৌরসভার কর্ণগোপ এলাকায় খামারির পুকুর থেকে মরা মাছ তুলতে দেখা গেছে।

পুকুরটির মালিক হাসনাত মিয়া জানান, তিনি  কয়েক বিঘা জমির পুকুরে কাতল, রুই, তেলাপিয়া ও কার্প মাছসহ নানা প্রজাতির মাছ চাষ করে আসছেন। কিন্তু গত শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তার পুকুরের পাশে ওয়েস্ট নিটওয়ার লিমিটেড নামের একটি ডায়িং কারখানা পাইপ দিয়ে তাদের বিষাক্ত পানি পুকুরের পাশে ডোবায় ছেড়ে দেয়। পরে বৃষ্টি হলে সকালে ওই ডোবাটি ডুবে গেলে কারখানার বিষাক্ত পানি পুকুরে ডুকে যায়। পরে পুকুরে চাষের জন্য ছাড়া প্রায় ৩ লাখ টাকার মাছ মরে পানির উপর ভাসতে দেখেন তিনি। 

তিনি বলেন, কারখানার বিষাক্ত পানি ছেড়ে দেওয়ায় সকাল থেকেই মাছ মরা শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে কারখানার দায়িত্বরত একজন ব্যক্তি আমাকে ফোনে জানান অভিযোগ না করতে তারা আমার মাছের ক্ষতিপূরণ দিবেন। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, আমরা এখানকার কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। কিন্তু এখানকার কারখানা গুলো পানি সুদানাগার প্লান (ইটিপি) থাকলেও তারা তা ব্যবহার না করে পাইপের মাধ্যমে এলাকায় বিষাক্ত পানি ডোবায় ছাড়ছেন। একটু বৃষ্টি হলেই ডোবা ডুবে গিয়ে চলাচলের সড়ক উঠে যায়। আমরা চলাচল করতে গেলে পায়ে পানি লাগে এতে আমাদের পায়ে নানা ধরনের রোগবালাই দেখা দিচ্ছে। 

এসব বিষয়ে কথা বললেই স্থানীয় তারাবো পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী (ফেল করা) রিপন ভূঁইয়া নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে মামলা হামলার হুমকি ধামকি দেন। তাছাড়া তারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে এই এলাকায় বসবাস করায় প্রতিবাদ করতে ভয় পান বলে জানান। এ অবস্থা থেকে দ্রুত মুক্তির দাবিও জানান তারা। 

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি  রিপন ভূঁইয়া  বলেন, আমাদের কারখানার পানি ইটিপি প্লানের মাধ্যমে সুদানাগার করে ছাড়া হয়। এখানে শুধু আমাদের কারখানার পানি ছাড়া হয় তা নয় সকল কারখানার পানি ছাড়া হয়। কারো কোন ক্ষতি হলে সামনাসামনি বলুক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে ওয়েস্ট নিটওয়ার লিমিটেড কারখানার যোগাযোগ করা হলে ওয়েস্ট নিটওয়ার লিমিটেড এর মালিক ফরিদ  কথা বলতে রাজি নয় বলে জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা  আলমগীর (UFO) বলেন  আমাদের উপজেলায় দূষিত পানি পরীক্ষার জন্য তেমন কোন সরঞ্জাম নেই তবে আমরা ঘটনার সত্যতা পেলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নিবো। কারখানা কে লিগেল নোটিশ প্রদান করবো। শিল্প কারখানা আইনে তার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



যশোরে যুবলীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৯৩জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোরে এক যুবলীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে যশোর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর তেতুল তলা মোড়ে। নিহত মোহা্ম্মদ আলী সদর উপজেলার বাহাদুপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। মোহা্ম্মদ আলী গেল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোটর সাইকেলের প্রার্থী তৌহিদ চাকলাদার ফন্টুর হয়ে কাজ করেছেন। পরিবারের দাবি এর জেরেই প্রতিপক্ষরা তাকে হত্যা করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যুবলীগ নেতা মোহা্ম্মদ আলী মোটর সাইকেল প্রতীকের বিজয় উপলক্ষে রাতে ওই এলাকায় খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করেন। খাওয়া দাওয়া শেষে মোহা্ম্মদ আলি বাড়ি ফিরছিলেন। প্রতিমধ্যে ৪/৫জন যুবক তাকে ধাওয়া করে ধরে মাথায় একাধিক গুলি করে পালিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয়রা আলীকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে ডাক্তার মৃত ঘোষনা করেন।

এ বিষয়ে হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ডাক্তার মো: সুজায়েত জানান, ঘটনাস্থলেই আলীর মৃত্যু হয়েছে। তার মাথায় দুইটি ও পায়ে একটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।এছাড়াও র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, জড়িতদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করছে। কি কারণে এ হত্যাকান্ড এখনি বলা যাচ্ছেনা। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


আরও খবর



নিরাপদ সড়ক চাই খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সভাপতি- প্রদীপ চৌধুরী,সম্পাদক- দুলাল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১১২জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:"পথ যেন হয় শান্তির, মৃত্যুর নয়" এই শ্লোগানে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কাজ করা সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা কমিটির অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।

গত ২০ মে নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি খ্যাতিমান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন ও মহাসচিব এস এম আজাদ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে এই অনুমোদন দেয়া হয়।এতে খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও জেলা সামাজিক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক প্রদীপ চৌধুরীকে সভাপতি এবং দীঘিনালা সরকারি কলেজের প্রভাষক ও খাগড়াছড়ি জেলা রোভার স্কাউটস'র সম্পাদক মোঃ দুলাল হোসেনকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়।

এছাড়া ২৭ সদস্য বিশিষ্ট নিসচা খাগড়াছড়ি জেলা কার্যকরী কমিটিতে সামাজিক সংগঠক,শিক্ষক, সাংবাদিক, সমাজকর্মী, পরিবেশকর্মী,ক্রীড়াবিদসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অনুমোদিত কমিটির সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী ও সম্পাদক মোঃ দুলাল হোসেন এক বার্তায় নিরাপদ সড়ক চাই এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান  স্বনামধন্য  চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এবং মহাসচিব এসএম আজাদকে খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান।

নিরাপদ সডক চাই খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি  জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন, যানবাহন মালিক,ড্রাইভার,শ্রমিক, যাত্রী এবং স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের মাঝে দূর্ঘটনা প্রতিরোধ ও নিরাপদ সড়কের সচেতনতা তৈরীতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সাথে কাজ করবে এবং খাগড়াছড়ি সকল উপজেলায় নিরাপদ সডক চাই উপজেলা কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহন করবেন। জেলা কার্যকরী কমিটির পাশাপাশি ৯ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কমিটিও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




রোজার সময় দেশে ডিজিটাল পেমেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে ২৫ শতাংশের বেশি: ভিসা

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ডিজিটাল পেমেন্টে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ভিসা জানিয়েছে গত রমজান মাসজুড়ে ই-কমার্সের মাধ্যমে বাংলাদেশি ক্রেতাদের লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। তথ্য থেকে দেখা যায়, বিশেষ করে কার্ডের মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্ট প্রদান ২৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রায় ৭০ শতাংশই ই-কমার্সের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।

রোজার মাসে ভোক্তাদের কেনাকাটা বেড়ে যাওয়াও এবং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড দুইভাবেই অর্থ পরিশোধ করায় খুচরা ব্যয়ের হার বেড়ে যায়। অনলাইন ও দোকান থেকে কেনাকাটা এই দুই ক্ষেত্রেই ডিজিটাল পেমেন্টের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ঘটেছে; এর মাধ্যমে বোঝা যায়, মানুষ কার্ড ব্যবহার করে আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক লেনদেনে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে ভিসা বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ বলেন, “ভোক্তারা কার্ড পেমেন্টে দ্রুত অভ্যস্ত হচ্ছেন দেখে আমি অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। রমজানের খরচের প্রায় ৭০ শতাংশই ই- কমার্সের মাধ্যমে হয়েছে। আমরা আশা করছি ঈদুল আজহার সময়েও এই গতি অব্যাহত থাকবে এবং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার সমানভাবে বাড়বে। আর এর মধ্য দিয়ে ভিসা’র প্রতি মানুষের আস্থা রয়েছে বোঝা যায়।”

ভিসা কনসাল্টিং অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স অনুযায়ী, মানুষ গত পবিত্র রমজান মাসে দোকানে বা সামনাসামনি কেনাকাটার তুলনায় অনলাইনে বেশি লেনদেন করেছেন। গতবছরের তুলনায় এ বছর সামগ্রিক ব্যয়ে ই-কমার্সের অংশ ৬ শতাংশ বেড়েছে; ভিসা কার্ডধারীরা ভ্রমণ, শিক্ষা ও ইউটিলিটির ক্ষেত্রে বেশি খরচ করেছেন। ভিসা’র পর্যবেক্ষণে আরও উঠে এসেছে, অনলাইন ও দোকানে যথাক্রমে ৫০ ও ১৫ শতাংশের মতো ব্যয় বেড়েছে এবং দোকানে কেনাকাটার সময় প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রেই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে হয়েছে।

তবে, ঈদের আগের দিনগুলোতে দোকানে ৬০ শতাংশেরও বেশি খরচ হয়। আর এসব দোকান ব্যয়ের মোট ৬৫ শতাংশই পোশাক, সুপারমার্কেট ও ভ্যারাইটি স্টোর, মোবাইল ফোন ও অ্যাক্সেসরিজ এবং অন্যান্য খুচরা দোকানে হয়।

এ বিষয়ে সাব্বির আহমেদ আরও বলেন, “তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী জনসংখ্যা, স্মার্টফোনের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল রূপান্তরে উপযোগী সরকারি উদ্যোগ বাংলাদেশের জন্য একটি প্রতিশ্রুতিশীল আগামী তৈরি করছে।

লেনদেনের প্রাথমিক উপায় হিসেবে যেখানে নগদ অর্থ ব্যবহার করা হয়, সেখানে খুব স্পষ্ট একটি পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে; আর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনকে সহায়তা করতে পেরে আমরা আনন্দিত। উদ্ভাবনী উপায়ে কার্ডের ব্যবহার ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে আমরা আমাদের ব্যাংক ও মার্চেন্ট অংশীদারদের সাথে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি; যেন দেশজুড়ে আমাদের গ্রাহকরা খুব নিরাপদে, সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যে যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে ভিসা কার্ড ব্যবহার করতে পারেন।”


আরও খবর



ঈদ উপলক্ষে জয়পুরহাটে তরুনদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন "শুকরিয়া"এর নগদ অর্থ প্রদান

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৫৭জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ"এখন যৌবন যার, সমাজ সেবা করার সুবর্ণ সুযোগ তার " এই শ্লোগানকে সামনে রেখে জয়পুরহাট পৌর এলাকার দেওয়ান পাড়ার কয়েকজন যুবক নিজেদের আয়ের টাকায় গরীব, অসহায়,দুস্থ পরিবারকে ঈদ উপলক্ষে নগদ অর্থ দিয়ে সহায়তা করেছেন।শুক্রবার  (১৪ জুন) বিকেলে দেওয়ানপাড়া জুবিলি হল মাঠে  অসহায়দের হাতে নগদ অর্থ  তুলে দেন শুকরিয়া নামের এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। 

এটি একটি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী উন্নয়ন সংগঠন, এই সংগঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে এলাকাবাসীর জীবনমান উন্নয়ন, সৌহার্দ্য সম্প্রীতি বাড়ানো এবং একটি অনুকরণীয় নিরাপদ এলাকা হিসেবে নিজেদের সু-প্রতিষ্ঠিত করা। এছাড়া এলাকাটি যেন মাদক মুক্ত থাকে সেলক্ষ্যে কাজ করা।

পাশাপাশি এলাকার দরিদ্র, বঞ্চিত, অবহেলিত মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নে কাজ করা। তাদের ভাগ্যোন্নয়নে ও পরিবর্তনে তাদের সঙ্গে একযোগে কাজ করা।সদস্য খুরশিদ আলম নয়ন মুঠোফোনে বলেন, যুব সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস,এবং দুর্নীতি থেকে দূরে রাখতে আমরা কয়েকজন যুবক ২০২২ সালে এই সংগঠনের শুরু করেছিলাম।আমরা এই সংগঠনের পক্ষ থেকে ৫০ জন পরিবারকে সহায়তা প্রদান করতে পেরে আমরা খুঁশি।আল্লাহতালা সহায়তা করলে সামনের দিনে আরও ব্যাপকভাবে সহায়তা প্রদান করার ইচ্ছে আছে।

আরেক সদস্য ওমর নাসিফ বলেন,এটা আমাদের স্বেচ্ছাসেবী উন্নয়ন সংগঠন, এই সংগঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে এলাকাবাসীর জীবনমান উন্নয়ন করার চেষ্টা করা।আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন, আমরা যেনো আপনাদের পাশে সব সময় থাকতে পারি।এই সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য  আলী আসলাম,ওহেদুর রহমান বকুল,আলী আসলাম,বুলবুল আহম্মেদ, সাংবাদিক জনি সরকার ও মিনহাজুর রহমান ছোটন।

আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪