Logo
আজঃ রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ২৯৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার দুপুর ৩টায় ক্যাম্পের ‘বি’ ও ‘ই’ ব্লকে এই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকাণ্ডে ৫০টিরও বেশি বসতঘর পুড়ে গেছে।

কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, আজ দুপুরে ১১ নম্বর ক্যাম্পের একটি বাড়ি থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি টিম ও জেলা হেড কোয়ার্টার থেকে আরও দুটি টিম আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে তাৎক্ষণিক আগুন লাগার কারণ ও হতাহতের খবর জানাতে পারেননি তিনি।


আরও খবর



স্যামসাং গ্যালাক্সি এ১৫ ৫জি - দুর্দান্ত সব ফিচার ও অসাম ডিসপ্লে নিয়ে

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১৪৩জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:ক্রেতাদের স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতায় তাক লাগাতে এবার স্যামসাং বাংলাদেশে নিয়ে এলো গ্যালাক্সি এ১৫ ৫জি। ৫,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারি ও সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লের মাধ্যমে এ অসাম ডিভাইস নিশ্চিত করবে দিনভর গেমিং ও স্ট্রিমিংয়ের দারুণ অভিজ্ঞতা! 

এ বিষয়ে স্যামসাং ইন্ডিয়া ইলেক্ট্রনিকস প্রাইভেট লিমিটেডের বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ অফিসের হেড অব এমএক্স বিজনেস মো. মূয়ীদুর রহমান বলেন, “দেশে গ্যালাক্সি এ১৫ ৫জি আনতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। আশা করি এই ডিভাইস ব্যবহারকারীদের জীবন আরও আনন্দদায়ক করে তুলবে। এ১৫ এর শক্তিশালী ক্যামেরায় প্রিয়জনদের সাথে অথবা পছন্দের জায়গাগুলোর ছবি তোলা যাবে, যত ইচ্ছা তত। সাথে, এর সুবিশাল ব্যটারি ফোনটিকে দিনভর চালু রেখে আপনার জীবনের রোমাঞ্চকর মুহূর্তগুলোকে করে তুলবে আরও রোমাঞ্চকর।”

ভিশন বুস্টার সহ ৬.৫-ইঞ্চি এফএইচডি+ সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে সমৃদ্ধ স্যামসাং গ্যালাক্সি এ১৫ ৫জি ফোনে সকল কনটেন্ট দেখা যাবে একদম ঝকঝকে – এমনকি সরাসরি সূর্যের আলোতেও ফোনের ব্যবহারকারীদের কনটেন্ট দেখতে কোন অসুবিধা হবে না। ফোনটির ডিসপ্লেতে রয়েছে ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট। ঘরের বাইরেও স্ট্রিমিংয়ে চমৎকার ছবি নিশ্চিত করতে এতে ৮০০ নিট পর্যন্ত ব্রাইটনেস বাড়ানো সম্ভব। এর পাশাপাশি, রাতে অথবা কম আলোতে ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতা আরও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক করতে এতে আছে আই কমফোর্ট শিল্ড, যা ক্ষতিকারক নীল রশ্মি থেকে চোখকে রক্ষা করে।

স্মার্টফোনটির ব্যবহারকারীদের দেশ অথবা বিদেশ ভ্রমণকে আরও উপভোগ্য করে তুলবে ডিভাইসটির ৫,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। পাশাপাশি, এর ২৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং ফোনকে দ্রুত চার্জ করে ব্যবহারকারীদের রাখবে দুশ্চিন্তামুক্ত।

৫০ মেগাপিক্সেল প্রাইমারি লেন্স, ৫ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা ওয়াইড ও ২ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো ক্যমেরায় সমৃদ্ধ এই স্মার্টফোনে যেকোন মুহূর্ত অথবা জায়গার দুর্দান্ত ছবি ক্যামেরাবন্দি করা যাবে অনায়াসেই। বন্ধুদের সাথে সকল স্মৃতি ধরে রাখতে এতে আরও থাকছে ১৩ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা।

স্যামসাংয়ের এই নতুন সংযোজনে যথেষ্ট স্পেস ও স্পিড নিশ্চিত করে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৬১০০+এসওসি ও মালি জি৬৭-এমপি২ জিপিইউ। তিনটি ভার্সন-এ  গ্যালাক্সি এ১৫ পাওয়া যাবে: ৬/১২৮জিবি , ৮/১২৮জিবি এবং ৮/২৫৬জিবি। ইন্টার্নাল স্টোরেজ মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করে ১ টিবি পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। অ্যান্ড্রয়েড ১৩ এর ওপর ভিত্তি করে ওয়ান ইউআই ব্যবহার করা হয়েছে এই স্মার্টফোনে। চতুর্থ প্রজন্মের ওএস আপগ্রেড ও ৫ বছরের সিকিউরিটি মেইন্টেনেন্স উপভোগ করতে পারবেন এই ডিভাইসের ব্যবহারকারীরা। পাসওয়ার্ড, পিন ও প্যাটার্নের মতো ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে সার্টিফায়েড ইএএল৫+ স্যামসাং নক্স ভল্ট এর সুরক্ষা রয়েছে এই স্যামসাং গ্যালাক্সি এ সিরিজের নতুন এ ডিভাইসটিতে।

আপনার দৈনন্দিন জীবনকে আরও রঙিন করে তুলতে গ্যালাক্সি এ১৫ ৫জি পাওয়া যাবে দুর্দান্ত রঙ ও ডিজাইনে । প্রাইস শুরু ৩১,২৯৯ টাকা থেকে!


আরও খবর



রাজউকের নতুন চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সিদ্দিকুর রহমান

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ৫৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সিদ্দিকুর রহমান সরকার,রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান হলেন। দুই বছর মেয়াদে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান পদে তাকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, টাউন ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট ১৯৫৩ এর ধারা ৪ (২) অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সিদ্দিকুর রহমান সরকারকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক ত্যাগের শর্তে রাজউকের চেয়ারম্যান পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হল।

তার যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী ২ বছর মেয়াদে তিনি এ পদে থাকবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়। এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত অনুমোদিত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

সিদ্দিকুর রহমানের জন্ম ১৯৬৩ সালের ১০ আগস্ট নরসিংদী জেলায়। ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সামরিক একাডেমিতে যোগ দেন তিনি। চাকরি জীবনে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির কমান্ডার এবং সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ-এর দায়িত্ব পালন করেন। সেনাবাহিনী থেকে রাজউকের চেয়ারম্যান পদে তিনিই প্রথম নিযুক্ত হলেন।


আরও খবর



মেহেরপুরের গাংনীতে ক্লিনিক মালিকের এক বছর কারাদন্ড ও লাখটাকা জরিমানা

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ,মেহেরপুর প্রতিনিধিঃমেহেরপুরের গাংনীর হাসিনা প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড সনো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্ত্বাধিকারী হাফিজুর রহমানকে এক বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড ও একলাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। আজ সোমবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী হাকিম ও গাংনী সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাদির হোসেন শামীমের আদালত এ দন্ড প্রদান করেন। দন্ডিতকে পুলিশি প্রহরায় মেহেরপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, রোব্বার সন্ধ্যায় দেবীপুর গ্রামের সেলিম রেজার স্ত্রী পান্না খাতুনের প্রসব বেদনা শুরু হলে গাংনীর হাসিনা প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড সনো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে আসেন তার পরিবারের লোকজন। স্বাভাবিকভাবে সন্তান প্রসব না হওয়ায় অপারেশনের সিন্ধান্ত নেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানে ডাক্তার আবু সালেহ মোঃ ইমরান অপারেশন করেন। রোগির অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধিন ওই রোগির মৃত্যু ঘটে।

রোগির মৃত্যুর ঘটনাটি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানান রোগির পরিবারের লোকজন। আজ রোব্বার দুপুরে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) নাদির হোসেন শামীম, মেহেরপুর সিভিল সার্জন মহিউদ্দীন, গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুপ্রভা রাণী, আবাসিক মেডিকেল অফিসার আব্দুল আল মারুফ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি পরিদর্শনে যান।

সেখানে নানা ধরনের অনিয়ম ও লাইসেন্স নাবায়ন না করায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫২ ধারায় হাসপাতালের স্বত্ত্বাধিকারী হাফিজুর রহমানকে এক বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড ও একলাখ টাকা জরিমানা করেন। সেই সাথে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিকে সীলগালা করা হয়।দণ্ডিত হাফিজুর রহমানকে পুলিশের সহায়তায় মেহেরপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।


আরও খবর



যশোরের ঝিকরগাছায় দৃর্বৃত্তরা বিষ প্রয়োগ করেছে টিউবওয়েল,চায়ের দোকান ও হোটেলের পানিতে

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | ১৫৬জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:বিশ্ব পানি দিবসের গভীর রাতে যশোরের ঝিকরগাছার পল্লীতে স্কুলের টিউবওয়েল সহ চায়ের দোকান ও হোটেলের ড্রামের পানিতে বিষ প্রয়োগ করেছে দৃর্বৃত্তরা। পানিতে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে টের পাওয়ায় বিষাক্ত পানি পান থেকে বিরত থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে পুরো গ্রাম পানি নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে। শুক্রবার (২২ মার্চ) মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান।

গ্রামবাসীরা জানান, অজ্ঞাত চোরেরা শনিবার মধ্যরাতে ঝিকরগাছার বোধখানা গ্রামের চা-দোকানদার সাইদ হোসেনের দোকানে চুরি সংঘটিত করে। এরপর ওই দোকানে বোতলে রাখা কিটনাশক বিষ নিয়ে বোধখানা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের টিউবওয়েল, বোধখানা বাজারের টিউবওয়েলসহ এলাকার কয়েকটি চায়ের দোকানের চা-কেটলি, হাড়ি, হোটেলের পানির ড্রাম ও বাসাবাড়ির টিউবওয়েলের মধ্যে বিষ প্রয়োগ করে। এরপর কিটনাশক বিষে বিষাক্ত হয়ে যায় ওইসকল টিউবওয়েল, চায়ের দোকান ও হোটেলে সংরক্ষিত পানি।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওইসব টিউবওয়েলে লাল কাপড় বেঁধে বিপদ সংকেত দেওয়া হয়েছে। টিউবওয়েল থেকে সাদা রঙের পানি বের হচ্ছে। যা থেকে তীব্রতর হচ্ছে বিষের গন্ধ।

চা-দোকানদার সাইদ হোসেন বলেন, আমার দোকানে একটা বিষের বোতলে বিষ রাখা ছিল। চোরেরা আমার দোকানে চুরি করে, আমার দোকান থেকে বিষের বোতল নিয়ে গ্রামের টিউবওয়েল, বাসাবাড়ির হাড়ি, চায়ের দোকানসহ অনেক স্থানে বিষ প্রয়োগ করেছে।

ওই গ্রামের বাসিন্দা চা-দোকানি সাবানা বেগম জানান, তিনি ভোর রাতে সেহরি খেয়ে পানি খাওয়ার জন্য টিউবওয়েল থেকে পানি সংগ্রহ করছিলেন। এমন সময় টিউবওয়েলের পানিতে বিষাক্ত গন্ধ তার নাকে আসে। পরে তার পরিবারের সদস্যসহ আশপাশের মানুষেরা তার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে দেখেন তার টিউবওয়েল থেকে বিষাক্ত পানি উঠছে। শুধু তাই নয়, এ সময় তিনি দেখেন তার চায়ের দোকানের কেটলি এবং হাড়িতেও বিষ মিশিয়েছে কে বা কারা। এ ঘটনার পরপরই পুরো গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। একে একে গ্রামবাসীর নজরে আসে অন্যান্য টিউবওয়েল, বাসা-বাড়ি, চায়ের দোকান ও হোটেলে বিষাক্ত কিটনাশক মিশ্রিত সাদা রঙের পানি। ফলে পিপাসা পেলেও পানি পান করার সাহস পাচ্ছেন না ওই গ্রামের বাসিন্দারা।

উক্ত গ্রামের বাসিন্দা সাইফুর রহমান সাইফ বলেন, পুরো গ্রাম এখন আতঙ্কে আছে। আমাদের কাছে এ পর্যন্ত ৫-৬টি বাসা-বাড়ি, হোটেল, চায়ের দোকান ও টিউবওয়েলে বিষ প্রয়োগের খবর এসেছে। ওইসব টিউবওয়েল থেকে সাদা বিষ মিশ্রিত পানি বের হচ্ছে। আজ যদি চা-দোকানী সাবানা বেগম বুঝতে না পারতো তাহলে বোধখানা গ্রাম আজ লাশের গ্রামে পরিনত হতো।

গদখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রিন্স আহমেদ বলেন, এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তারা অমানুষ। তাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তিনি আরো বলেন, আমি পুলিশ প্রশাসনকে অবগত করেছি। তারা ঘটনাস্থলগুলো পরিদর্শন করল গেছে। পুরো গ্রামে মসজিদে মসজিদে মাইকিং করে পানি পানে সতর্ক করা হয়েছে। এই গ্রামে ১০ হাজার লোকের বসবাস। আল্লাহ অনেক বড় দুর্ঘটনা থেকে এ গ্রামকে রক্ষা করেছে।

ঝিকরগাছা থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) ইব্রাহীম আলী আমাদের প্রতিবেদককে বলেন, বিষ প্রয়োগের ঘটনা শোনামাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। খোঁজ খবর নিয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।


আরও খবর



মিথ্যা আশ্বাসে টাকা আত্নসাতই চাটখিলের লম্পট হুমায়ুনের নেশা ও পেশা !

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image
এস. হোসেন মোল্লা:রঙীন স্বপ্ন দেখিয়ে নিজ এলাকার সহজ সরল বিধবাসহ বহুলোকের হিসাব বিহীন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে ধূর্ততার সাথে বিদেশ পলায়ন করেছে হাইকোর্টের উকিল পরিচয়ধারী চাটখিলের দূধর্স লম্পট হুমায়ুন কবির (৩৬)। 

খবরে প্রকাশ, নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার বদলকোট এলাকার উম্মে হামিদা ডালিয়ার(৫৫) সাথে বহুদিন যাবত পরিচয় একই থানার সুন্দরপুর এলাকার ভদ্রবেশী হুমায়ুন কবিরের।এই হুমায়ুন নিজেকে হাইকোর্টের উকিল হিসেবে গর্বের সাথে পরিচয় দিয়ে থাকেন। হামিদার সাথে দীর্ঘদিন পরিচিতির একপর্যায়ে এই বাটপার হুমায়ুন ধরাকে সরাজ্ঞান বুঝিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে ২লক্ষ টাকা ধার নিয়ে এনআরবিসি ব্যাংকের একটি চেক (এসবি নং ৯০৪৮৩৪৬ এবং হিসাব নাম্বার ০১২৪৩১১০০০০৬৪৫৮ চাটখিল শাখা, নোয়াখালী) ধরিয়ে দিয়ে টাকা ফেরতের বিশ্বাস স্থাপন করেন। তারপর বিভিন্ন অজুহাতে উপকার করার আশ্বাসে হিসেব ছাড়াই টাকা নেন সঠিক সময়ে ফেরত দেওয়ার শপথ দিয়ে। কিন্তু, না জানিয়েই একপর্যায়ে কানাডায় পাড়ি দিলেন এই ভদ্রবেশী মানুষ নামের দু'পায়া ভয়ংকর জন্তু প্রতারক হুমায়ুন।

অপরদিকে উক্ত টাকা ফেরত প্রদানের সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও সেই প্রতারক টাকা ফেরত দেয়ার মিথ্যা আশ্বাস ও রঙিন স্বপ্ন দেখিয়ে নানান কায়দায় আরও টাকা বাগিয়ে নেয় হামিদার কাছ থেকে। এরপরও সে মিষ্টি বুলিতে আবার পাঁচ লক্ষ টাকা ধার চাইলে হঠাৎ করে ছলচাতুরি টের পেয়ে টাকা ফেরত এর জন্য জোর তাগাদা দেন হামিদা। ক্রমেই সন্দেহ ভারী হয়ে ওঠে এই ভদ্রবেশি নরপশুর উপর। টাকা ফেরতের ব্যাপারে কোন লক্ষন বা সদুত্তর না পেয়ে গত ১২/০৩/২০২৪ ইং তারিখে নিয়মানুযায়ী সেই চেক ব্যাংকে জমা দিলে তা সরাসরি অপর্যাপ্ত তহবিল উল্লেখ্যে প্রত্যাখ্যাত হয়।ওদিকে ইতর হুমায়ুনের ফোন বন্ধ পেয়ে কোন উপায়ান্তর না দেখে হামিদা ঠিকানা অনুযায়ী সরাসরি উকিল নোটিশ পাঠাতে বাধ্য হন ১৯/০৩/২০২৪ ইং তারিখে। 
 
 ঘটনাটি হামিদা ঢাকার সিনিয়র গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী কামাল হোসেনকে জানান। কামাল হোসেন সেই বাটপার হুমায়ুনের সাথে হোয়াট এপে যোগাযোগ করে বক্তব্য নিতে চাইলে হুমায়ুন কোন উত্তর না দিয়ে আক্রমনাত্মক অতি নিকৃষ্ট, বিদঘুটে ও বজ্জাতের মত আচরণ করে কেটে দেয়। পরবর্তীতে সেই বাটপারকে আর ফোনে পাওয়া না গেলে সাংবাদিক কামাল তাৎক্ষণিক গোপন অনুসন্ধানে নেমে পড়েন। চমৎকার দক্ষতার সাথে এই চৌকস সাংবাদিক সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে জানতে পারেন সেই প্রতারক প্রায় আট মাস আগেই কানাডায় পালিয়েছেন! 

আনুসন্ধানে আরও পাওয়া যায়, হুমায়ুন একটি প্রতারক চক্রেরও দু:সাহসী নেতা। দাপুটে প্রভাব দেখিয়ে সমস্ত অসাধ্যকে সাধন করতে পারেন এমন আশ্বাসে বিদেশ নেয়ার নামে বহু লোককে নানান আশা-ভরসা ও আকাশ কুসুম কল্পনায় কোটি কোটি  টাকা আত্মসাৎ ও জিম্মি  করে সে মহানন্দে দূর দেশে ভিজিট ভিসায় নির্ভয়ে ফুর্তি করে বেড়াচ্ছেন। অনেকের মতে,জনসেবার নামে টাকা আত্নসাতই নাকি তার নেশা ও পেশা! অন্যদিকে ভুক্তভোগীরা টাকার অভাবে ও লজ্জায় মুখ দেখাতেও নারাজ। অনেকেই সর্বশান্ত ও নি:স্ব হয়ে গেছেন হুমায়ুনের ভয়ানক প্রতারণার কবলে! জনতার মতে,হুমায়ুন সমাজের  বিগড়ে যাওয়া নোংরা চরিত্রযুক্ত বদমাশ বটেই! যদিও হুমায়ুনের জ্ঞাতিগুষ্ঠীরা বলে বেড়ান--

 'তার মতো সত্যবাদী, সৎ ও চরিত্রবান বাংলাদেশে আর একজনও খুঁজে পাওয়া যাবে না' !  

বিশেষ অনুসন্ধানে সাংবাদিক কামাল উদঘাটন করলেন সেই ভন্ড বজ্জাতের জাতীয় পরিচয় পত্র ও পাসপোর্ট বিবরণী।সেই বিবরণী মতে হুমায়ুন একজন অবিবাহিত  লেবার বা কামলা মাত্র।যদিও বাস্তবে সেই চিটার বিবাহিত এবং তিন সন্তানের যথাযোগ্য পিতা!এই যোগ্য পিতা বিবাহের পরই জালিয়াতি করে পাসপোর্ট বানিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে!আরও পাওয়া যায় বাটপার হুমায়ুনের আপন বড় ভাই টিটুর ফোন নম্বর। জানা যায়, এই টিটু পেশায় একজন শিক্ষক। তাকে সম্মান ও শ্রদ্ধার সাথে উক্ত ঘটনার বিবরণ জানিয়ে সমাধানের উপায় জানতে চাইলে টিটু সহযোগিতা করার আশ্বাসে বলেন তিনি ফোনে কথা বলে জানাবেন। কিন্তু, নির্দিষ্ট সময় পর টিটু কিছুই না জানালে আবারও কামাল সেই বাটপারের ভাই বড়ো বাটপারকে ফোন করলে টিটু সরাসরি অমানুষিক, উদ্ভট ও জোচ্চোরের মতো আচরণ করে কেটে দেন। 

 গণমাধ্যমকে হামিদা জানান, হুমায়ূন আমার এলাকার সম্মানিত  ভদ্রলোক ভেবেই তাকে বিশ্বাস করেছিলাম।
অনেক দেরিতে বুঝতে পারলাম আমি আসলেই ভয়ঙ্কর প্রতারকের খপ্পরে পড়েছি। বাস্তবে সে যে চরম লোভী ও দুষ্ট প্রকৃতির সেটা ভোলাভালা চেহারা দেখলে মনেই হয় না! সে আমার জীবনের জমা শেষ সম্বল টুকুও নিয়ে গেলো!আপনারা যেভাবেই পারেন তাকে ধরার ব্যবস্থা করুন প্লিজ। 

 গণমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী কামাল হোসেন জানান-- আমি পেশাগত দায়িত্ব পালনে সারাদেশ ভ্রমণ করে থাকি। জীবনে অনেক বড় বড় অপরাধীদের আইনের হাতে সোপর্দ করেছি । আমার দেখা মতে, এই বজ্জাত হুমায়ুনের আচরণ সবচাইতে নিকৃষ্ট ইতর সদৃশ যা সরাসরি জানোয়ার তুল্য। আমি এমন ব্যবস্থা নিচ্ছি যাতে ওই বেয়াদবটা বিশ্বের যেখানেই থাকুক আইনের কাছে ধরা দিতে বাধ্য হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহ প্রয়োজনীয় সকল স্থানে গিয়ে তাকে ধরাশায়ী না করা পর্যন্ত এই অনুসন্ধান ও আইনী প্রক্রিয়া  জোড়ালো ভাবে চালু থাকবে ইনশাল্লাহ। 

আরও খবর

স্বাগত ১৪৩১, আজ পহেলা বৈশাখ

রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪