Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: লিভ টু আপিল খারিজ, আইনজীবীকে লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২৭৮জন দেখেছেন

Image

আদালত প্রতিবেদকরাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদ শূন্য ঘোষণা ও নির্বাচন নিয়ে রিট খারিজের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিলও খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে রিট আবেদনকারী আইনজীবী এম এ আজিজ খানকে এক লাখ টাকা জরিমানাও করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আট বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এতে বলা হয়েছে, অযৌক্তিক রিট করে আদালতের সময় নষ্ট করায় আইনজীবী এম এ আজিজ খানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এম এ আজিজ খান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।   

রাষ্ট্রপতি পদে মো. সাহাবুদ্দিনকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন প্রজ্ঞাপন জারি করে। এ প্রজ্ঞাপনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে গত ৭ মার্চ একটি রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম এ আজিজ খান।

পরে ১৫ মার্চ বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন। ওইদিন অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এ এম) আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, রিটটি সরাসরি খারিজ হয়েছে। রাষ্ট্রপতি পদে মো. সাহাবুদ্দিনকে নির্বাচিত ঘোষণা করে ইসির জারি করা প্রজ্ঞাপন বৈধ।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি পদে সাহাবুদ্দিনকে নির্বাচিত ঘোষণা সংক্রান্ত ইসির প্রজ্ঞাপন নিয়ে আবদুল মোমেন চৌধুরী, কে এম জাবিরসহ সুপ্রিম কোর্টের ছয় আইনজীবী গত ১২ মার্চ পৃথক রিট করেন। ১৩ মার্চ বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন দ্বৈত বেঞ্চে এ রিটটি জমা দেওয়া হয়। ১৫ মার্চ বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি সরাসরি খারিজ করে আদেশ দেন।

ওইদিন পৃথক দুটি রিটের ওপর শুনানি নিয়ে সেগুলো খারিজ করেন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ। রিট দুটি খারিজ করে হাইকোর্ট অভিমত দেন, রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ‘দ্য অফিস অব প্রফিট’ ধারণ করেন, কিন্তু এটি প্রজাতন্ত্রের কর্মে একটি লাভজনক (অফিস অব প্রফিট) পদ নয়। রাষ্ট্রপতির পদ গ্রহণের পদ্ধতি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে অন্যদের নিয়োগের মতো নয়। তদুপরি প্রজাতন্ত্রের অন্যান্য কর্মে নিয়োজিত কর্মচারীদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের যেসব বিধান ও নিয়ম রয়েছে, সেগুলো রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।


আরও খবর



অভিনেত্রী সীমানা মারা গেছেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১২৫জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:অভিনেত্রী রিশতা লাবনী সীমানা আর নেই। মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৬টায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

গণমাধ্যমকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন সীমানার ছোট ভাই এজাজ বিন আলী। মৃত্যুকালে সীমানা স্বামী, দুই ছেলে রেখে গেছেন।

জানা গেছে, গত মে মাসে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৮ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন সীমানা। অবস্থার অবনতি হলে ২৯ মে এই অভিনেত্রীকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে এই অভিনেত্রীকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ভেন্টিলেশনে শেষ চেষ্টা হিসেবে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। কিন্তু আর ফেরা হলো না সীমানার।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে পা রাখেন সীমানা। এরপর থেকে তিনি নাটক, বিজ্ঞাপনে নিয়মিত কাজ করেন। তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘দারুচিনি দ্বীপ’ তার প্রথম সিনেমা। ২০১৯ সালে দ্বিতীয় বিয়ের পর আবারও কাজে ফেরেন এই অভিনেত্রী। গত বছর ‘রোশনী’ নামের একটি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন।


আরও খবর



সৈয়দপুরে ভ্যাপসা গরমে কদর বেড়েছে তাল শাসের

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ১১৩জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:ভ্যাপসা গরমে সৈয়দপুরের জনজীবন অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। একারনে গ্রীষ্মের গরমে অতিষ্ঠ মানুষের কাছে তাল শাঁসের কদর ক্রমেই বাড়ছে। এ তাল শাসের কদর শুধু শহরেই নয়, গ্রামগন্জের হাটবাজারেও ব্যাপক কদর বাড়ার চিত্র চোখে পড়ে।

উপজেলা শহরের জিআরপি মোড়,রেলওয়ে স্টেশন, পোষ্ট অফিসের সামনে ১ নং রেলগেট,সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে এ তালের শাঁস বিক্রি হতে দেখা যায় । এছাড়া উপজেলার গ্রামগন্জে সহ বিভিন্ন স্থানে এ তালের শাঁস বিক্রি হচ্ছে।

সৈয়দপুর শহরে তালের শাঁস বিক্রি করতে আশা পার্বতীপুরের আলী হোসেন জানান, ৩/৪ দিন ধরে আবারো প্রচন্ড গরমের প্রভাব পড়েছে। শহর ও গ্রামগন্জের সব শ্রেনীর মানুষ  গরমে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে।তারা ভ্যাপসা গরম নিবারণে তালের শাঁস ও বিভিন্ন রকমের শরবতসহ ঠান্ডা জাতীয় খাদ্য সামগ্রীর খাচ্ছেন ।  ক্লান্ত শরীরে তালের শাঁসসহ ঠান্ডা জাতীয় খাদ্য সামগ্রী পান করছে পথচারীরাও। বিশেষ করে তালের শাঁসের কদর বাড়ছে অনেক বেশি।

তিনি বলেন জয়পুরহাট ও যশোর সহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকারি দরে কচি তাল কিনে আনছি এবং সেগুলি শহর ও গ্রামঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছি। গাছিদের কাছ থেকে নিয়ে আসা প্রতিটি তালের দাম পড়ে ১৬ টাকা। একেকটি তালের  শাস হয় ৪ টি। ৪ টি শাস বিক্রি করছি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় ।তাল শাঁস বিক্রয়ের লাভ বেশি হলেও ২ মাসের বেশি এ ব্যবসা চলে না। তাছাড়া গরম না পড়লে এ তাল শাঁস কেউই খেতে চায় না। 

এ বিষয়ে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ওয়াসিম বারি জয় বলেন তালের শাঁস শুধু সুস্বাদুই নয়, তাল শাসে অবিশ্বাস্য পুষ্টিগুণ রয়েছে। উপকারীতাও রয়েছে পর্যাপ্ত । তালশাঁস মানবদেহকে শিথিল রাখে। একই সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় বলে জানান তিনি। 


আরও খবর



কমতে শুরু করেছে কুড়িগ্রামের রৌমারী-রাজিবপুরের নদ নদীর পানি

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃকুড়িগ্রাম জেলাধীন রৌমারী-রাজিবপুরসহ দুটি উপজেলায় হঠাৎ পাহাড়ী ঢলের পানিতে তলিয়ে যায়। এতে দুই উপজেলার নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়ে ডুবে যায় ফসলী জমির মাঠ। অপরদিকে কমছে নদ নদীর পানি বারছে দূভোগ। বন্যা কবলিতএলাকা ঘুরে দেখা গেছে হাজার হাজার বিঘা জমির উঠতি ফসল ডুবে গিয়ে বিনষ্ট হয়েছে যাওয়ার ভেসে উঠছে। এই পাহাড়ী ঢলের পানি ভারতের আসাম রাজ্য থেকে বয়ে এসে বাংলাদেশের উপর প্রভাব বিস্তার করছে। যার ফলে কৃষির উৎপাদন কমে যাচ্ছে সীমান্ত ঘেষা অঞ্চল গুলোতে। এমন ক্ষতি প্রায় বছরই হয়ে থাকে। এক্ষতি পুষি উঠতে গেলে অবশ্যই সরকারের সহযোগিতার প্রয়োজন পরবে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে ঢলের পানি যতোই কমছে ততই কিন্ত কৃষকেরা চোখেমুখে অন্দকার দেখছেন। এদিকে নদী বেষ্টিত গ্রামের মানুষ গুলো সবসময়ই আতংকে দিন পার করছে। পানি কমলেও এখনও বিপদ সিমার উপর দিয়ে প্রভাবিত হচ্ছে বন্যার পানি। যখনই নদের কাচার জেগে উঠতে শুরু করবে তখনই শুরু হবে ভাঙ্গনের টান্ডব। পানি আসার শুরুতেই বেমকিছু বসতবাড়ী নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে, তারা আজ খোলা আকাশের নিচে অন্যের বাড়িতে ঠাই নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতেও দেখা গেছে। নদী ভাঙ্গন এলাকা গুলো হচ্ছে যাদুর চর ইউনিয়নের জিঞ্জিরাম নদীঘেষা বকবান্দা ব্যাপারী পাড়া, খেওয়ার চরসহ দুটি গ্রামে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। রৌমারী সদর ইউনিয়েনের চুলিয়ার চর ধর্নী নদীতে বিলিন হচ্ছে চুলিয়ারচর গ্রাম,বড়াইবাড়ী গ্রামসহ দুটি গ্রাম। চর শৌলমারী ইউনিয়নের কয়েকটি স্পোর্টে ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। এঅঞ্চলের মানুষ গুলো রিলিভ চায়না তারা বাপদাদার রেখে যাওয়া ভিটামাটিতে শান্তিতে বসবাসের দাবী তাদের। তারা ভাঙ্গন রোধে নদী শাসনের জোর দাবী জানিয়েছেন।

এবিষয় রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাইয়ুম চৌধরী বলেন বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে আশা করি কয়েকদিনের মধ্যেই পানি থাকবেনা। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করা হচ্ছে তালিকা শেষে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শালু জানান রৌমারীতে হঠাৎ বন্যায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এক্ষতি পুষিয়ে উঠতে কৃষকদের সহযোগিতা করতে হবে এবিষয় নিয়ে জেলা মিটিংয়ে কথা বলবো। 


আরও খবর



প্রকাশ্যে 'তুফান' ট্রেলার, গ্যাংস্টার শাকিব যেন ওয়ান ম্যান আর্মি

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে মেগাস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা তুফান। ২ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের ট্রেলারে দেখানো হয়েছে কিশোরের গ্যাংস্টার হয়ে ওঠার গল্প।

শনিবার (১৫ জুন) রাত ৮টায় চরকি ও এসভিএফের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ্যে আসে ট্রেলারটি। শাকিবের সঙ্গে সিনেমায় রয়েছে মিমি চক্রবর্তী, মাসুমা রহমান নাবিলা, ফজলুর রহমান বাবু, শহিদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, মিশা সওদাগর, চঞ্চল চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

তুফান মানুষ নয়, আবার পশুও নয়, তুফান যা হতে চেয়েছিল তাই হয়েছে, রাক্ষস। ‘তুফান’-এর সঙ্গে ঠিক এভাবেই পরিচয় হলো দর্শকদের। কিন্তু কে এই ‘তুফান’?

ট্রেলারের শুরুতে একজনকে মেশিনগান চালাতে দেখা গেল। সে এক ভয়ঙ্কর মুহূর্ত। এরপরই দেখা মিলল কাঙ্ক্ষিত তুফানের। ইনি আর কেউ নন, শাকিব খান। তাকে বলতে শোনা গেল, বাশির ভাই জানত না, আমি একদিন ন্যাশনাল লেভেলে খেলব।’ ফের বললেন, ‘তুফান হতে অ্যটিটিউড লাগে, চোখের দৃষ্টি লাগে, অ্যাকশন, স্পিচ সব লাগে। এই বাশির ভাই চরিত্রে সিনেমায় রয়েছেন মিশা সওদাগর।

পুরো ট্রেলারে শাকিব খান ছিলেন ফুল অন অ্যাকশন। তবে শুধু অ্যাকশনই নয়, রয়েছে প্রেমও। আর এরপরই তুফান-এর ‘দুষ্টু কোকিল’ হয়ে ধরা পড়লেন মিমি চক্রবর্তী। তাকে প্রেম নিবেদনও করতে দেখা গেল শাকিবকে।

তবে ট্রেলারে তুফান-এর সঙ্গে খেলার যিনি পরামর্শ দিলেন তিনি আর কেউ নন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। তার সাফ কথা তুফান-এর সঙ্গে খেলতে হবে মাথা দিয়ে। এদিকে শাকিব তখন বলছেন, ‘তুফান পোষ মানে না, পোষ মানায়’। ট্রেলারে শেষে শাকিবকে যখন প্রশ্ন করা হল, সে কী চায়? উত্তর এল ‘পুরো দেশ’।

ঈদুল আজহায় মুক্তি পাচ্ছে শাকিব-মিমি’র তুফান। ঈদের পর ২৮ জুন ভারতে এরপর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ অন্যান্য দেশেও মুক্তি পাবে রায়হার রাফি পরিচালিত এই ছবি।


আরও খবর



আত্রাইয়ে রাজা-বাদশাকে বের করতে ভাঙতে হবে দেয়াল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:নওগাঁর আত্রাইয়ে আসন্ন কুরবানি ঈদে এবারের বড় চমক রাজা-বাদশা। সম্পর্কে তারা মামা ভাগ্নে। রাজার নামের ষাঁড়টির ওজন ২৭ মন আর বাদশার ওজন প্রায় ২২ মন। একই ঘরে আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে বড় হয়েছে ষাঁড় দুটি। এখন গোয়ালে জায়গা হচ্ছে না তাদের, তাই বিক্রি করতেই হবে। গোয়ালের দর্জা ছোট, তাই দেয়াল ভেঙ্গে রাজা-বাদশাকে বের করতে হবে। এবার কোরবানি ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে তাদের। এই দুই ষাঁড়ের দাম হাঁকাচ্ছেন ২০ লাখ।

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ ইউনিয়নের বেওলা গ্রামের মজিবর সরদারের ছেলে জাহিদুল সরদার। তাঁর বাড়িতেই বেড়ে ওঠা ষাঁড় রাজা ও বাদশা।

তবে, শারীরিক গঠন ও ওজনের কারণে গোয়াল ঘরের দরজা দিয়ে তাদের বের করা সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা করছেন খামারি। ওদের বের করতে হলে দেয়াল ভাঙতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জাহিদুল ইসলাম জানান, তিনি মূলত ধান-চাল, ভুট্টা, সরিষার আড়তদার। বাড়িতে বেশ কয়েকটা ফ্রিজিয়ান জাতের গাভি রয়েছে তার। আড়াই বছর আগে দুই গাভি থেকে দুটি সাদা-কালো রঙের ষাঁড় বাছুর পেয়েছেন তিনি। বাছুরের শারীরিক গঠন দেখে আর বিক্রি করেননি। শখের বসে ধীরে ধীরে লালন পালন করেছেন।

তিনি আরও জানান, ষাঁড় দুটি প্রস্তুত করতে কোনো রাসায়নিক বা ক্ষতিকর মেডিসিন বা খাবার খাওয়ানো হয়নি। নিজের সন্তানের মতো যতেœ লালন-পালন করেছেন।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘হাট-বাজারে গিয়ে যদি সন্তানদের জন্য যদি কলা, আঙুর আপেল নিয়ে আসি, তাহলে ষাঁড় দুইটার জন্যও কলা বা বিভিন্ন ফলমূল নিয়ে আসতাম। মূলত খৈল-ভ’সি, ভুট্টা, ডাল, বুট, ধানের গুঁড়া, খুদের ভাত এবং খড়-ঘাস এসব খাবার খাইয়ে তৈরি করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আড়াই বছর আগে গোয়াল ঘরের খুঁটিতে বেঁধে রাখা হয়েছে ওদের। এখনো বের করা হয়নি। এখন ওদের যে শারীরিক গঠন আর যে পরিমাণ ওজন হয়েছে, তাতে গোয়াল ঘরের দরজা দিয়ে আর বের করা সম্ভব নয়। গোয়াল ঘরের দেয়াল ভেঙেই বের করতে হবে।’

দুটি গরু লালন-পালনে তার অনেক টাকা ব্যয় হয়েছে উল্লেখ করে জাহিদুল ইসলাম জানান, ২৭ মন ওজনের রাজার দাম চাওয়া হচ্ছে ১২ লাখ টাকা এবং ২২ মন ওজনের বাদশার দাম চাওয়া হচ্ছে ৮ লাখ টাকা। তবে কী দামে বিক্রি হবে, তা এখনো বলতে পারছেন না তিনি।

এ বিষয়ে আত্রাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর কর্মকর্তা আবু আনাছ বলেন, ‘জাহিদের ষাঁড় দুটি (রাজা-বাদশা) প্রস্তুতে আমরা তাঁকে সার্বিক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এবার কোরবানি উপলক্ষে উপজেলায় ২ হাজার ৪০৫ জন খামারি প্রায় ৫২ হাজার ৪৮৭টি পশু প্রস্তুত করেছেন। এর মধ্যে ৮ হাজার ৫৬৮টি গরু, ২২টি মহিষ, ৩৭ হাজার ৯০২ ছাগল এবং ৫ হাজার ৯৯৫টি ভেড়া রয়েছে। এই উপজেলায় চাহিদা রয়েছে ২৬ হাজার ৫৪০টি। ফলে চাহিদা পূরণের পর অতিরিক্ত প্রায় ২৬ হাজার পশু বিক্রি হবে।’


আরও খবর