Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

রাজশাহী-১ আসনে বিএনএম থেকে নমিনেশন তুললেন তাজকিয়া বিনতে নাজিব #ktvbangla #ktv

প্রকাশিত:বুধবার ২২ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১৫০জন দেখেছেন

রাজশাহী-১ আসনে বিএনএম থেকে নমিনেশন তুললেন তারকা সংবাদ উপস্থাপক তাজকিয়া বিনতে নাজিব 

I #ktvbangla #ktv


আরও খবর

কালিয়াকৈরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-৩

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




চট্টগ্রামের সংরক্ষিত মহিলা এমপির চুড়ান্ত আলোচনায় রয়েছে জিনাত সোহানা

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:জঙ্গিবাদমুক্ত আধুনিক, স্মার্ট ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অভিপ্রায়ে চট্টগ্রামে অনন্য নজির গড়ে তুলেছেন সংগঠক জিনাত সোহানা চৌধুরী। সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরীর উদ্যোগে চট্টগ্রামে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চলছে সমাজকে বদলে দেয়ার অভিনব প্রচেষ্টা। চট্টগ্রামে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বিপথগামিতা থেকে রক্ষা এবং তাদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে কাজ করছেন তিনি। দীর্ঘদিরন ধরে চট্টগ্রাম শহর এবং বিভিন্ন উপজেলার কওমি ও অন্যান্য মাদ্রাসায় আয়োজন করছেন ‘জঙ্গিবাদ বিরোধী আলেম ওলামা শিক্ষার্থী সমাবেশ’।  মুক্তিযুদ্ধের গল্প এবং জয় বাংলা স্লোগানসহ সমবেত জাতীয় সংগীত পরিবেশনায় অংশ নেন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা। মুষ্ঠিবদ্ধ হাতে নেওয়া হয় দেশবিরোধী সহিংসতা কিংবা উগ্রবাদে না জড়ানোর শপথ। 

চট্টগ্রামের সংগঠক জিনাত সোহানা চৌধুরী এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। মোবাইলে, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে হরদম হুমকির মুখোমুখি হতে হয়েছে। তারপরও দমে যাননি তিনি। অদম্য সাহস আর কিছু সৃষ্টিশীল মানুষদের সহযোগিতায় এই কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে চলেছেন জিনাত সোহানা। 

জিনাত সোহানার মানবিক কর্মযজ্ঞ বিস্তৃত হয়েছে করোনাকালের কঠিন সময়েও। চট্টগ্রামে কিছু স্বপ্নবাজ তরুণদের সঙ্গে নিয়ে ১০ দিনের মাথায় গড়ে তোলেন ১০০ শয্যার করোনা আইসোলেশন সেন্টার। করোনার কঠিন দুঃসময়ে ৮০০ করোনা আক্রান্ত রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিয়েছে এই সেন্টার।  জিনাত সোহানা জানান, চট্টগ্রাম নগর এবং উপজেলায় শতাধিক কওমি ও অন্যান্য মাদ্রসার প্রায় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী শুনেছেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। যেখানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনে ছিল অলিখিত নিষেধাজ্ঞা, সেখানে শিক্ষার্থীদের সমবেত কণ্ঠে উচ্চারিত হয় জাতীয় সংগীত, জয় বাংলা স্লোগান । এতে অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাবিদ, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, দেশের প্রখ্যাত আলেম ওলামা এবং জঙ্গিবাদ নির্মূলে কাজ করা সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।  তিনি বলেন, ‘মাদ্রাসার বৃহৎসংখ্যক শিক্ষার্থী এই দেশেরই উন্নয়ন অগ্রগতির অংশীদার। তারা যদি মূলধারায় যুক্ত হন, বাংলাদেশ অনেকখানি এগিয়ে যাবে। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ধর্মীয়, নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি তথ্য প্রযুক্তির শিক্ষায় শিক্ষিত হলে দেশের উন্নয়নে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সমান্তরালে নিজেদের অবস্থান গড়ে নিতে পারবেন। পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা- যারা অজ্ঞতা, কুসংস্কারবোধ ধর্মীয় গোঁড়ামির জালে আবদ্ধ আমরা তাদের আলোর পথ দেখাতে চাই।’

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী বলেন, ‘দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির চর্চা হয়। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মগজধোলাই করে উগ্রবাদের দিকে ধাবিত করে একটি গোষ্ঠী। পবিত্র ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ করার অপচেষ্টা রুখে দেওয়া এই কর্মসূচীর প্রধান লক্ষ। চট্টগ্রাম বিভাগে শুধুমাত্র মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে এই কর্মসূচী পালন করা হলেও পরবর্তীকালে স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়েও চালু করা হবে।’

কেন নিজেকে এই কর্মসূচীতে যুক্ত হলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে জিনাত সোহানা বলেন, “দেশের প্রধামন্ত্রী ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে ঘোষণা দেন দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল করার। একজন নারী হিসেবে দেশকে জঙ্গিবাদমুক্ত করার ঘোষণা আমাকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগের সারথী হতে ‘সুচিন্ত বাংলাদেশ’-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এ আরাফাতের নির্দেশনায় নিরন্তর কাজ করে চলেছি।”

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও নৌকার পক্ষে ছিলো তার নানা রকম উদ্যোগ। চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে নৌকার প্রার্থীদের সমর্থনে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভিজুয়্যালি বিএনপি-জামায়াতের ১০০ দিনের হরতালের বর্বরতার চিত্র এবং বিভিন্ন এলাকায় সংখ্যালঘু নির্যাতনের চিত্র এবং দিন বদলের উন্নয়নের চিত্র, প্রতিটি মানুষের কাছে তুলে ধরেন। নৌকার পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে ব্যাপক ভ‚মিকা রাখে তার এসব উদ্যোগ। ফলে আওয়ামী লীগের গ্রামগঞ্জ, শহর ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী। 

এবার একাদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সোহানাকে দেখতে চাইছেন এলাকার মানুষ। যদিও আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব সিদ্ধান্তে মনোনয়ন দেবেন। চ‚ড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী জিনাত সোহানা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে নগরজুড়ে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে সবার দৃষ্টি কাড়েন। 

চট্টগ্রামের রাউজানে জন্ম নেওয়া জিনাত সোহানা বেড়ে উঠেছেন চট্টগ্রামে। তার বড় বোন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী।সোহানা বলেন, ‘সবাই যার যার অবস্থান থেকে দেশের উন্নয়নে কাজ করবে। নারীদের কাজ করার কর্মপরিবেশ তৈরি হয়েছে। নারীকে নারী হিসেবে না দেখে তাদের যদি মানুষ হিসেবে দেখে, তাহলে কাজ করা সহজ হবে।’

সোহানা চট্টগ্রাম আদালতে অতিরিক্তি পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে কাজ করছেন। ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সেক্সুয়াল হেরেসমেন্ট কমিটির একজন সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। টানা তৃতীয়বারের মতো যুক্ত আছেন বেসরকারি কারা পরিদর্শক হিসেবে।

আরও খবর

বিনামূল্যে বই পেল ২৬৬ কলেজ শিক্ষার্থী

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




১১ বাংলাদেশির সাজা ভারতে

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) দুই নারীসহ ১১ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে। ইতোমধ্যে তাদের আদালতে হাজির করলে ১৪ দিনের কারাদণ্ড দেন বিচারক।

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণার বাগদা থানার তিনটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হচ্ছেন- হৃদয় চৈতন্য, আবির চন্দ্র মৃধা, লিপি রানী মৃধা, পপি আখতার, আব্দুর রহিম, শ্যামল সরকার, মোয়াজেম শেখ, মোহাম্মদ ইউসুফ, সঞ্জিত বিশ্বাস, বাপ্পা সেন ও নীরব বিশ্বাস।

জানা গেছে, শুক্রবার তিন বাংলাদেশিসহ দুই ভারতীয় দালালকে গ্রেপ্তার করে বনগাঁর আদালতে পাঠিয়ে দেয় পুলিশ। তারপর শনিবার আবার বাগদার বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও ১১জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) জানিয়েছে, ভারতীয় ও বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে কাঁটাতার পার হওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে বাগদা থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতে হাজির করলে ১৪ দিনের জেল হয়।


আরও খবর



রূপগঞ্জে বিয়ে বাড়ির কনেকে উঠিয়ে নিতে প্রেমিকের স্বসস্ত্র হামলা,আহত-৮

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৪জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিয়ের আসর থেকে কনেকে উঠিয়ে নিতে প্রাক্তন প্রেমিক কাউসার তার বাহিনী নিয়ে বিয়ের আসরে স্বসস্ত্র হামলা ভাংচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় কাউসারসহ তার লোকজন বরপক্ষের গাড়ি ভাংচুৃর করে তাদেরকে মারধর করে কনের বাড়ি থেকে বের দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।এসময় হামলায় বরপক্ষ ও কনেপক্ষের হামলায় অন্তত ৮ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার বিকেলে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের বলাইখা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

বর্তমানে কনের পরিবার চরম  নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে।কনের বাবা মহিউদ্দিন হাজী জানান, ভুলতা ভায়েলা এলাকার কাউসার নামে এক যুবক তার মেয়ে সাদিয়া আক্তারকে (১৮) দীর্ঘদিন উত্তক্ত করে আসছিল। কাউসার ভুলতা এলাকায় ফুটপাত থেকে চাঁদাবাজি করে বেড়ায়। কাউসারের যন্ত্রনায় অতিষ্ট হয়ে মহিউদ্দিন তার মেয়ে সাদিয়াকে বিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত নেন।বুধবার দুপুরে মহিউদ্দিনের বাড়িতে ঘরোয়াভাবে বিয়ের আয়োজন করা হয়। সাদিয়ার বিয়ের খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে কাউসার ও তার লোকজন পিস্তলসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালিয়ে সাদিয়াকে জোর পূর্বক উঠিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়।

পরে পরিবারের লোকজন তাদেরকে বাঁধা প্রদান করলে তারা হুমকি ধামকি দিয়ে চলে যায়। বুধবার বিকেলে বরযাত্রী কনের বাড়িতে এসে বিয়ের কার্যক্রম শুরু করতে থাকেন। এসময় কাউসার ও তার বাহিনীর লোকজন পিস্তল ও রামদা, ছেনদাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বরযাত্রীর উপর অতকির্ত হামলা চালিয়ে তাদের মারধর করতে থাকে। বরপক্ষকে বাচাঁতে কনের বাড়ির লোকজন এগিয়ে আসলে কাউসার বাহিনী হামলায় পনির, নিপা আক্তার, বৃষ্টিসহ মোট ৮ জন আহত হয়।পরে হামলাকারীরা বরপক্ষের লোকজনকে মারধর করে কনের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

এসময় হামলাকারীরা বিয়ের বাড়িতে রান্না করা খাবার ফেলে দেন ও ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। বর্তমানে মহিউদ্দিন তার মেয়ে ও তার পরিবার নিয়ে চরমা নিরাপত্তাহীনতায় বসবাস করছে। বুধবার রাতে মহিউদ্দিন রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিতে যেতে চাইলে কাউসার ও তার লোকজন তাদের হুমকি ধামকি প্রদান করেন।স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর আগে সাদিয়ার সঙ্গে কাউসারের প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও এখন নেই। সম্পর্ক না রাখার কারণে কাউসার সাদিয়াকে বিভিন্নভাবে উত্তক্ত করে আসছিল। কাউসার ভুলতা এলাকায় গাউছিয়া মার্কেটের সামনে ফুটপাত থেকে চাঁদাবাজি করেন।

কাউসার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলামিন হোসেনের শেল্টারে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কাউসার যুবলীগ নেতা আলামিনের নিয়ন্ত্রণে থাকা ফুটপাতের চাঁদাবাজির টাকা উঠানোর কাজ করেন বলে স্থানীয়রা জানান।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কাউসার বলেন, সাদিয়ার সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে বরযাত্রীদের উপর হামলা ঘটনা মিথ্যা।

এ ব্যাপারে আমার জানা নেই।এ ব্যাপারে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলামিন হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেস্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।এ ব্যাপারে ভুলতা ফাড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ ধরনের ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মেয়ের পরিবারের লোকজন লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



বাগেরহাটে হার্ট ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২০জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ও সহযোগিতার জন্য হার্ট ফাউন্ডেশন নামের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার যাত্রা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের বিএমএ ভবনে মোড়ক উন্মোচনের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের উদ্বোধন করেন বিশ্ব হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রফেসর ডা. জগৎ নারুলা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সভাপতি প্রফেসর ডা. খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী, বাংলাদেশ এনজিওপ্লাস্ট ইন্টারভেনশনের সভাপতি প্রফেসর ডা. এ কে এম ফজলুর রহমান, জাতীয় হৃদ রোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর ডা. মীর জামাল উদ্দীন, বাগেরহাট হার্ট ফাউন্ডেশনের আহবায়ক প্রফেসর ডা. চৌধুরী হাফিজুল আহসান, যুগ্ন আহবায়ক ডা. মোঃ মোশাররফ হোসেন, সদস্য সচিব এ্যাড. মোঃ মশাহ আলম টুকু।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাগেরহাট মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. অরুণ চন্দ্র মন্ডল, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোজাফফর হোসেন, ডা. সালেহীন বাচ্চু, প্রফেসর ডা. শওকত আলী খান, ডা. মাহবুবুর রহমান, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মীর জায়েসী আশরাফি জেমস, সনাকের সভাপতি রামকৃষ্ণ বসু, খানজাহান আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ খন্দোকার আসিফ উদ্দিন রাখি প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বাগেরহাটে প্রথমবারের মত চালু হওয়া এই ফাউন্ডেশনের হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের উন্নয়নে কাজ করবে। এটা একটা জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হবে। বাগেরহাটের সকল গুরুত্বপূর্ণ মানুষকে বাগেরহাট ফাউন্ডেশনের সাথে থাকার পরামর্শ দেন অতিথিগণ।

আয়োজকরা জানান, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ সম্প্রতি “বাগেরহাট হার্ট ফাউন্ডেশন” কে তালিকাভুক্ত করেছে। বাগেরহাটে হার্টের আধুনিক ও সুলভ চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল তৈরী প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আশাকরি বাগেরহাটবাসী এই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।


আরও খবর



সৈয়দপুরে চলাচল অযোগ্য সড়ক সংষ্কারের দাবীতে পৌরবাসীর মানববন্ধন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৮জন দেখেছেন

Image
সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:সৈয়দপুর শহরের চলাচল অযোগ্য সড়কগুলো সংষ্কারের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসুচি অনুষ্ঠিত  হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) বেলা সাড়ে ১২টায়  শহরের সকল বাম সংগঠনের ডাকে এই কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। 

মানববন্ধনটি শহরের তামান্না সিনেমা হল মোড় থেকে ওয়াপদা মোড় পর্যন্ত দীর্ঘ ৪ কিলোমিটার জুড়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক ব্যানারে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও অটোরিকশা শ্রমিক সহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন।১ নং রেলওয়ে ঘুমটি এলাকায় বাম সংগঠনের মঞ্চে বক্তব্য রাখেন, ওয়ার্কার্স পার্টির উপজেলা সভাপতি তোফাজ্জল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আশিক জনি, জাসদ (ইনু) উপজেলা সভাপতি আজিজুল হক, কমিউনিস্ট পার্টির উপজেলা সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন জাভিস্কো।থানা সংলগ্ন উপজেলা অটোরিকশা চালক, শ্রমিক ইউনিয়নের মঞ্চে বক্তব্য দেন, সংগঠনির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, জাতীয় পার্টির নেতা আলতাফ হোসেন, নারী নেত্রী সিদ্দিকা।শিল্প সাহিত্য পরিষদ মার্কেট এলাকায় উপজেলা স্বর্ণশিল্পী কারিগর শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: নং ২৮৪৫) এর ব্যানারে বক্তব্য বলেন, ওই সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম ও সহ সভাপতি নুর ইসলাম।দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর ধরে সৈয়দপুরবাসী রাস্তায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছে।  পৌর এলাকার সিংহভাগ সড়ক ভেঙে চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়লেও পৌর পরিষদ প্রায় ৪ বছরেও কার্যকর কোন উদ্যোগই নেয়নি। বরং জনগণের বিক্ষোভের মুখে সংষ্কারের নামে থুকপালিস করে লাখ লাখ টাকা লুট করেছে।

২৮ লাখ টাকা খরচ করে শেরে বাংলা সড়কটি নাম মাত্র সংস্কার করে এক মাসের মধ্যেই আগের চেয়ে বেশি খারাপ হয়ে পড়েছে ওই সড়কটি। শহরের ৮০ শতাংশ সড়কেরই করুণ অবস্থা। এভাবে পৌর মেয়র লুটপাটে ব্যস্ত থাকায় জনদূর্ভোগ লাঘবে তিনি বিন্দু মাত্র আমলে নিতে চাইছেন না । 

বক্তারা বলেন, মেয়র নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থী হিসেবে গর্ব করলেও তাঁর দেয়া প্রতিশ্রুতির সিকি ভাগ ও উন্নয়ন হয়নি। বার বার কথা দিয়েও তিনি কোন সড়কই সংষ্কার করেননি। এতে দিন দিন নানামুখী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সৈয়দপুর শহরের মানুষ।সৈয়দপুর হলো,  দেশের অষ্টম বাণিজ্যিক শহরের পাশাপাশি  প্রথম শ্রেণির পৌরসভাও। উপজেলার ৮শ' কিলোমিটার সড়কের মধ্যে সারে ৩শ' কিলোমিটার সড়ক পাকা ও সারে ৪শ কিলোমিটার সড়ক খানাখন্দে একাকার। শুধু মাত্র পৌর মেয়র নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের প্রার্থী হয়ে মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় শহরবাসীর কোন দাবীই তিনি বাস্তবায়ন করেন না বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন তারা। মেয়রের দুর্নীতির বিষয়ে ও সৈয়দপুরের উন্নয়নে প্রধান মন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন বক্তারা। 

আরও খবর