Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি পেল জামায়াত

প্রকাশিত:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৫১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দীর্ঘ ১০ বছরের বেশি সময় পর রাজধানীতে সমাবেশ করার অনুমতি পেল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতিরোধ, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ জাতীয় নেতা ও ওলামায়ে কেরামের মুক্তি এবং কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবিতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ শনিবার এই সমাবেশ করবে দলটি।

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন) বিপ্লব কুমার সরকার অনুমতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন,মৌখিকভাবে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো লিখিত কোনো অনুমতি পত্র দেওয়া হয়নি।

জামাতের প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদেরকে মৌখিকভাবে ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে সমাবেশ করার জন্য, তারা বলেছে আগামীকাল সকালে লিখিতভাবে অনুমতি দিবে।

জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সর্বশেষ সমাবেশ করেছিল। তারপর সরকার তাদের সভা-সমাবেশ করার অনুমতি দেয়নি। যদিও তারা অনুমতি ছাড়াই রাজধানীতে বিভিন্ন সময় কর্মসূচি তারা করেছেন।

জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের পরিচালক আশরাফুল আলম ইমন জানান, ‘শনিবার দুপুর ২টায় রমানা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীকে সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

এর আগে গতকাল শুক্রবার রাজধানীতে জামায়াত সমাবেশের অনুমতি পেলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন হবে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, ‘জামায়াতকে অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশেরও কিছু প্রস্তুতির বিষয় রয়েছে। তাই সিদ্ধান্তের আলোকে ব্যবস্থা নিতে আমরাও প্রস্তুতি নিচ্ছি।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তথ্য চেয়েছি জামায়াত শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করবে কিনা। আমরা তথ্য পেয়েছি। যদি তাদের সমাবেশের অনুমতি দিই তাহলে সেটা কীভাবে দিতে হবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটুকু ঠিক থাকবে সে বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


আরও খবর



মতিউরের পরিবারের ১১৬টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, জমি ও ফ্ল্যাট সম্পত্তি জব্দ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১১৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:১১৬টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ২ হাজার ৩৬৭ শতাংশ জমি ও ৪টি ফ্ল্যাট,ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মতিউর রহমান ও তার স্ত্রী সন্তানদের ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

গত ২ জুলাই বিকেলে দুদক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন জানান, ছাগলকাণ্ডে আলোচিত মতিউর ও তার দুই স্ত্রী এবং সন্তানদের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের হিসাব বিবরণীর জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ২১ কর্মদিবসের মধ্যে এ হিসাব দিতে বলা হয়েছে।

মতিউর ছাড়া বাকিরা হলেন- মতিউরের প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ, ছেলে আহমেদ তৌফিকুর রহমান অর্নব, মেয়ে ফারজানা রহমান ইস্পিতা ও দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আক্তার শিবলী।

দুদক সূত্র জানায়, অবৈধ সম্পদ এবং ব্যাংক হিসাবের টাকার অনুসন্ধানে রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা সরানোর তথ্য মিলেছে। ১১৫টি ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সেখানে মাত্র ৪ কোটি টাকা রয়েছে। আর ছাগলকাণ্ড নিয়ে হট্টগোলের মধ্যেই এসব হিসাব থেকে ৮ কেটি টাকা তুলে নেন মতিউর।

এর আগে, ৩০ জুন মতিউর ও তার পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ক্রয়কৃত কোনো জমি আছে কিনা, সেটি জানতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে চিঠি দেয় দুদক।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



দেশ ও জনগনের কল্যানে কাজ করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য-ধর্মমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

লিয়াকত হোসাইন লায়ন,ইসলামপুর(জামালপুর) প্রতিনিধি:ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরিদুল হক খান এমপি বলেছেন,ধর্মের মূল কথাই হচ্ছে মানুষ হিসেবে মানুষের সেবা করা। সব ধর্মই মানুষের কল্যাণের কথা বলে। তাই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। দেশের সকল জনগণের উন্নত জীবনযাপন নিশ্চিতকরণের লক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। জন কল্যানে কাজ করতেই সরকার নাগরিকদের বিভিন্ন ধরনের ভাতা প্রদানের কার্যক্রম চালু করেছে। জনগণকে ভালো রাখাই শেখ হাসিনা সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানদের বরণ ও সাবেক চেয়ারম্যানদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন,দেশ স্বাধীন হয়েছে বলেই আজকে সকল উচ্চপদে বাঙালিরা অবস্থান নিয়েছেন। আর্থসামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমরা এখন পাকিস্তান থেকে অনেক এগিয়ে গেছি। একটি যুদ্ধ বিধ্বস্থ দেশ গড়ে তোলা কম কথা নয় কিন্তু স্বাধীনতার পর পরই জাতির পিতা আমাদের  একটি সংবিধান দিয়ে যান। তাই জনগনের কল্যানে সততার সাথে সকল প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সেবা প্রদানের আহবান জানান।

উপজেলা প্রশাসন আয়োজনে(৭ জুলাই) রবিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাডঃ আঃ সালাম, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জামাল আব্দুল নাসের বাবুল,অফিসার ইনচার্জ সুমন তালুকদার, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক আখন্দ বিএসসি,সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রুজিনা আক্তার চায়না, সহকারী কমিশনার ভূমি সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম, জেলা পরিষদ সদস্য মজিবর রহমান শাহজাহান, অধ্যক্ষ আবু নাছের চৌধুরী চার্লেস, ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান শাহিন চৌধুরী, ইফতেখার আলম বাবুল, আব্দুল ছালাম,আনিছুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। 

বিদায় ও বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তা, সাংবাদিক বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি, সুধীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



বেনাপোল কাস্টম হাউস’ ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে বেশি আয় করেছে ২১৬.৫৯ কোটি টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:টানা ১ যুগ ধরে বেনাপোল কাস্টম হাউস রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জণে ব্যর্থ হলেও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২১৬.৫৯ কোটি টাকা বেশি আয় করেছে।

সুত্রে জানা যায়, এ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বেনাপোল কাস্টম হাউসকে বেঁধে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৬২৩৮ কোটি টাকা। সেখানে বেনাপোল কাস্টম হাউস ৩০ জুন-২০২৪ পর্যন্ত সংশোধিত রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা প্রকাশ করেছেন ৫৯৪৮ কোটি টাকা। আদায় দেখিয়েছেন ৬১৬৪.৫৯ কোটি টাকা। যা শতকরা প্রবৃদ্ধির হার প্রকাশ করা হয়েছে ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি।

এই সময়ে এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ১৭ লাখ ২১ হাজার ৭৮০ টন। যা বিগত বছরের তুলনায় ২ লাখ ৮১ হাজার ৯৭০ টন কম। এখানে পণ্য আমদানি কমলেও রাজস্ব আদায় বেড়েছে।

জানা গেছে, প্রতিবেশি দেশ ভারতের সঙ্গে স্থলবন্দরের মাধ্যমে বাংলাদেশের মধ্যে যতো বাণিজ্য সম্পাদিত হয় তার প্রায় ৮০ ভাগ পণ্য আমদানি হয় বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে। তবে বৈশি^ক মন্দাসহ নানা কারণে গেল কয়েক বছর ব্যবসায়ীরা ঠিকমতো এলসি করতে না পারায় আমদানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এছাড়া, ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্য শুল্কায়নে কাস্টম কর্মকর্তাদের লাগামহীন ঘুষ বাণিজ্য, কতিপয় চিহ্নিত দুস্কৃতিকারি আমদানিকারকদের মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা পণ্য পাঁচারে কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করা ও চেকপোস্ট কাস্টম দিয়ে সীমান্তের চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের সাথে অবৈধ আতাতের মাধ্যমে অবাধে বিনা শুল্কে আমদানি পণ্য পাঁচার হওয়ায় দীর্ঘ ১ যুগ যাবত প্রতিবছর এ বন্দর থেকে কাস্টম কর্মকর্তা ও চোরাকারবারিরা আঙুল ফুলে কলাগাছ বনেগেলেও সরকার হারাতে থাকে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব।

জানা যায়, বিদায়ী অর্থবছরে বেনাপোল বন্দর থেকে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে ফেব্রিক্স, পচনশীল কাঁচা পণ্য, ইংগড, ট্রাকের চেচিস, মটরপার্টস এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কাঁচামাল থেকে। আর সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি বিডি, এসএমসিএল নিলয় ও এসএম কর্পোরেশন বলে জানিয়েছে কাস্টমস সূত্র।

স্থানীয় সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল বন্দর থেকে সরকার প্রতিবছর প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ করলেও বন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সন্তোষ জনক না। বন্দর থেকে পণ্য চুরি ও বারবার বন্দর অভ্যন্তরে রহস্যজনক অগ্নিকান্ডের ঘটনায় অনেক ব্যবসায়ী এখান থেকে ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়ে ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছেন। এছাড়া এ বন্দর দিয়ে বৈধ পথে আমদানি পণ্যের সাথে ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য আসতে থাকায় ঝামেলা এড়াতে সচেতন ব্যবসায়ীদের অনেকে অন্য বন্দরে চলে গেছে। নাম প্রকাশে ভয়ে ভীত বেনাপোল কাস্টমস ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডি এজেন্টের অধিকাংশ কর্মচারিরা জানান, বেনাপোল কাস্টমস হাউসের অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারিরা আমদানি-রপ্তানিকারকদের গলার ফাঁস। বেনাপোল বন্দর হয়ে ভারত-বাংলাদেশ আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি পণ্যের শুল্কায়ন করেন শুল্কায়ন কর্মকর্তারা। সেখানে পণ্যের শ্রেণিভেদে শুল্কায়ন করেন সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা থেকে শুরু করে যুগ্ম কমিশনার পর্যন্ত। যেখানে ফাইল উপস্থাপনের সাথে পণ্য শুল্কায়নের আগেই নগদে প্রত্যেক দপ্তরের কর্মকর্তাদের পরিশোধ করতে হয় সর্বনিম্ন ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে লক্ষ লক্ষ টাকা।

এদিকে অধিকাংশ সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা জানান, শাড়ি, থ্রি-পিছ,কসমেটিক্স, ব্লাঙ্ককেটস, মেশিনারীজ পার্টস, সার্জিক্যাল আইটেম, চকলেটসহ আমদানিযোগ্য লাভজনক অনেক পণ্য দীর্ঘদিন যাবত ব্লাকের মাধ্যমে বেনাপোল আর্ন্তজাতিক চেকপোষ্ট কাস্টম হয়ে কাস্টমসের কতিপয় অসাধু সিন্ডিকেট কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সহযোগীতায় শুল্কফাঁকি দিয়ে দেশে প্রবেশ করছে। এতে চেকপোস্ট কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তার অবৈধ পণ্য পাঁচারকারি সিন্ডিকেটের সদস্য সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) জুলহাস, নাইম, ইমরান, লিঙ্কন, দিদার বক্স, আনিছুর রহমান আনিছ, শরিফ,  ছাবিরা, সিপাই মতিন, নাজমুল, ট্যান্ডেল সাদ্দাম হোসেন, শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা, আনসার সদস্য আনিছুর,শামীম, নাসিম রেজা, সুমনসহ কতিপয় কর্মকর্তারা রাতারাতি কোটিপতি বনে গেলেও আমদানিকারকরা সরকারের শুল্ক দিয়ে বৈধপথে আমদানি বাণিজ্যে লোকশান গুনতে গুনতে বন্ধ করে দিয়েছে এ ধরণের পণ্য আমদানি। একইসাথে প্রতিবছর সরকার হারাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়।

কাস্টম সুত্রে জানা যায়, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে বেনাপোল কাস্টমস হাউসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা, সেখানে আদায় হয়েছিলো ৫ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় কম হয় ১৮০ কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৬২৪৫ কোটি টাকা, আদায় হয়েছিলো ৪৫৯৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এতে রাজস্ব ঘাটতি হয় ১৬৪৫ কোটি ৮ লাখ টাকা। তবে, সংশোধিত রাজস্ব আয় ৫১৫৮ কোটি টাকার বিপরীতে ঘাটতির পরিমান ৫৫৮ কোটি ৮ লাখ।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ২৪৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, সেখানে আদায় হয়েছিল ৪ http://cricket.banglaconverter.org/হাজার ১৪৫ কোটি ১৪ লাখ টাকা। ওই বছর ঘাটতি ছিল ২ হাজার ৯৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব ঘাটতি হয়েছিল ৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ঘাটতি ১১৪৫ কোটি টাকা, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ঘাটতি ১৭৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। তবে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৪৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা রাজস্ব বেশি আদায় হয়েছিল, আবার  ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ঘাটতি ২০৩ কোটি টাকা, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ঘাটতি ৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা, ২০১৩-১৪ তে ঘাটতি ১৩৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, ২০১২-১৩ তে ঘাটতি ৪৫২ কোটি ৮৯ লাখ এবং  ২০১১-১২ অর্থবছরে ঘাটতির পরিমান ছিল ১৯৪ কোটি টাকা।

তবে, এবারের (২০২৩-২৪) অর্থবছরে রাজস্ব আহরণে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বেনাপোল বন্দরের কাস্টম সংশ্লিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা। অধিকাংশরা বলেছেন, এবার দূর্ণীতি দমন কমিশন কর্তৃক বেনাপোল কাস্টম হাউসের অধিনে কর্মরত ঘুষখোর কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে তাদের নামে-বেনামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবসহ নগদ অর্থ ও সম্পত্তির খোজ-খবর নিলে বেরিয়ে আসবে অনেক অজানা তথ্য। বেরিয়ে আসবে নতুন চাকুরিতে প্রবেশকারিদের কর্মকর্তাদেরও অজ্ঞাত আয়ের পরিধি। তাতে, হয়রানী এড়িয়ে একদিকে এ বন্দর দিয়ে সুষ্ঠভাবে ব্যবসা বাড়াতে পারতে ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে সরকারের বাড়তে থাকবে প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার মির্জা রাফেজা সুলতানা বলেন,বেনাপোল কাস্টম হাউস কমিশনারের সঠিক দিকনির্দেশনায় এবার আমরা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছি। এখানে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের মধ্যে জবাবদিহিতা ও কাজের প্রতি স্বচ্ছতা বেড়েছে। আগামীতে এ রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জণ অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে জননেত্রী শেখ হাসিনা বিনিদ্র কাজ করছেন: প্রতিমন্ত্রী শফিক

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

শাহিদ আহমেদ খান সিলেট প্রতিনিধি:প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী এমপি বলেছেন, 'বন্যার্তদের পাশে থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। বন্যার্তদের জন্য আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। একজন বানভাসী মানুষও যেন না খেয়ে দিন কাটায় সেজন্য সকল নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে তাদের পাশে থাকবো ইনশাল্লাহ। গরীর অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য শেখ হাসিনা বিনিদ্র ও অক্লান্ত কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, চলমান বন্যা যে কয়দিন থাকবে, শুকনো খাবারসহ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

তিনি শনিবার (৬ জুলাই) বিকালে ওসমানীনগর উপজেলা তাজপুর, সাদিপুর, বুরুঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় বন্যার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ ও রান্না করা খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। 

প্রতিমন্ত্রী এদিন বিকালে ওসমানীনগর উপজেলা সাদিপুর ইউনিয়নে বালাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক লিয়াকত শাহ ফরিদীর উদ্যোগে শাহ ইরফান আলী পাঠাগারের শুভ উদ্বোধন করেন।

এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওসমানীনগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপমা দাস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহনাজ পারভীন, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের জনসংযোগ সম্পাদক রবিন পাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান চৌধুরী নাজলু, সহ সভাপতি আলাউর রহমান আলা, যুগ্ম সম্পাদক অরুনোদয় পাল ঝলক, তফজ্জুল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফুর রহমান, সাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহেদ আহমদ মুসা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি চঞ্চল পাল, কাতার আওয়ামী লীগ নেতা তাহের আহমদ চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিলদার আলী, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক জাবেদ আহমদ আবিরসহ প্রবাসী নেতৃবৃন্দ ও আওয়ামী লীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



১১ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বিদেশের কারাগারে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্বের ৩১ দেশের কারাগারে ১১ হাজার ৪৫০ বাংলাদেশি শ্রমিক ও প্রবাসী আটক আছেন,জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সোমবার (১ জুলাই) জাতীয় সংসদে লিখিত প্রশ্নোত্তরে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য ফরিদা ইয়াসমিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

ড. হাছান মাহমুদ জানান, বাংলাদেশি বন্দী সবচেয়ে বেশি আটক রয়েছেন সৌদি আরবে, ৫ হাজার ৭৪৬ জন। প্রতিবেশী ভারতে আটক আছেন ১ হাজার ৫৭৯ জন। অন্য দেশগুলোর মধ্যে তুরস্কে ৫০৮ জন, ওমানে ৪২০ জন, কাতারে ৪১৫ জন, গ্রিসে ৪১৪ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪০৪ জন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩৮৫ জন ও মিয়ানমারের কারাগারের ৩৫৮ জন বাংলাদেশি আটক আছেন।

এর বাইরে মালয়েশিয়ায় ২১৯ জন, ইরাকে ২১৭ জন, চীনে ১৯১ জন, হংকংয়ে ১২২ জন, জর্ডানে ১০০ জন, ইতালিতে ৮১ জন, মালদ্বীপে ৭০ জন, সিঙ্গাপুরে ৬৬ জন, ইন্দোনেশিয়ায় ৪৯ জন, লেবাননে ২৮ জন, স্পেনে ১৯ জন, ব্রুনেইতে ১৬ জন বাংলাদেশি আটক আছেন। এ ছাড়া ২ থেকে ১০ বাংলাদেশি আটক রয়েছেন জাপান, পর্তুগাল, বেলজিয়াম, মোজাম্বিক, থাইল্যান্ড, আলজেরিয়া, লিবিয়া, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ কোরিয়া ও মিসরের কারাগারে।


আরও খবর