Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড
ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে

রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৩৫জন দেখেছেন
Image

সোহরাওয়ার্দীঃ

স্ব‌প্নের পদ্মা সেতু উ‌দ্বোধন উপল‌ক্ষে মাতুয়াইল মুস‌লিম নগর এলাকায় দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মাহ‌ফিল অনু‌ষ্ঠিত হয়েছে।


সোমবার ২৭ জুন দুপুরে রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকার মাতুয়াইল মুসলিম নগর এলাকায় এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।


উক্ত অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অ‌তি‌থি হি‌সে‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন ঢাকা-০৫ নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য মনোনয়ন প্রত্যাশী ডেমরা থানা এলাকার মা‌টি ও মানু‌ষের নেতা, ডেমরা থানা আওয়ামী লী‌গের সভাপ‌তি জন‌নেতা এ‌্যাডঃ র‌ফিকুল ইসলাম খান মাসুদ।


এতে বি‌শেষ অ‌তি‌থি হি‌সে‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন ব‌রিশাল মহানগর তাঁ‌তী লী‌গের সভাপ‌তি ‌মো: ই‌লিয়াস ফরা‌জি।


দোয়া মাহফিলে আরো উপ‌স্থিত ছি‌লেন মাতুয়াইল ইউ‌নিয়ন আওয়ামী লীগ ৮নং ওয়ার্ড এর সা‌বেক সাধারন সম্পাদক ও ৬৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ আ‌নোয়ার হোসেন মোল্লা।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাহবুব হাসান ফরিদ, আবুল কালাম আজাদ পান্নু , শুকুর মিয়া, মিলন, সিরাজ মিয়া, আনোয়ার প্রধান, মুক্তার হোসেন, রাজু খন্দকার এবং এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।


দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে সভাপ‌তিত্ব ক‌রেন সামসুল হক খান স্কুল এন্ড ক‌লেজ ইউ‌নিট আওয়ামী লী‌গের সভাপ‌তি মনিরুজ্জামান ম‌নির মাস্টার। 


অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ ইউনিট আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক নুরুল আমীন।


আরও খবর



‘আগে স্কুল ভাঙা থাকলেও পড়ার মান ছিল মজবুত’

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

‘ভবেশ নামের আমার এক প্রিয় ছাত্র ছিল। সে খুব মেধাবী ছিল। কয়েক বছর আগে আমার সঙ্গে দেখা। কুশল বিণিময়ের পর আমাকে বললো, স্যার আপনার কাছ থেকে উপহার পাওয়া প্রায় ৪০ বছর আগের সেই কলমটি এখনও যত্ন করে রেখেছি। আমি তো শুনে অবাক। বললাম, সেই কলমটি এখনও রেখে দিয়েছ?’

‘আরেক দিনের কথা। হাটবারে হাট করছি। হঠাৎই একজন ছালাম বিনিময় শেষে পায়ে হাত দিয়ে ছালাম করলেন। ব্যাপার কী? এ কথা বলতেই জানালেন তিনি হাইস্কুলের একজন বিএসসি শিক্ষক (প্রধান শিক্ষক)। প্রাইমারিতে আমার ছাত্র ছিলেন। এ রকম কত শত অমূল্য স্মৃতি এ জীবনে রয়েছে।’

আত্মতৃপ্তি নিয়ে কথাটি বললেন পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার কে. পদ্মবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আলহাজ্ব সেকেন্দার আলী খান (৭৩)।

jagonews24

যোগ করলেন, ‘পড়েছি ভাঙাচোরা স্কুলে, শিক্ষকতাও করেছি ভাঙা স্কুলে। তবে পড়ার মান ছিল মজবুত।’

খ্যাতিমান শিক্ষক সেকেন্দার আলী জানান, ১৯৬৪ সালে উচ্চতর ২য় বিভাগ পেয়ে সাংসারিক কারণেই আর পড়াশোনা করা হয়নি। তখনকার টেকনিক্যালে (পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট) মেধা তালিকায় ৪ নম্বরে থাকার পরও পড়াপশোনা করার ভাগ্য হয়নি। বন্ধুরা এইচএসসিতে ভর্তি হলেও তিনি হন্যে হয়ে চাকরির খোঁজ করতে থাকেন। প্রাইমারি স্কুলে একটি চাকরির জন্য চেষ্টা চালান। এজন্য তিনি যান তৎকালীন থানা শিক্ষা অফিসার বা টিইওর (এখন ইউইও) কাছে। তখন টিইওরাই (থানা শিক্ষা অফিসার) প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি দিতে পারতেন।

থানা শিক্ষা অফিসারের কাছে যাওয়ার পর ওই শিক্ষা অফিসার বলছিলেন ‘ছাত্ররাইতো তোমার চেয়ে বয়সে বড়। এত অল্প বয়সে কীভাবে ওদের লেখাপড়া করাবে? তখন তিনি মহিবুল মিয়া নামে স্থানীয় একজন বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তির কাছে গিয়ে বললেন তার বন্ধুরা এইচএসসিতে ভর্তি হয়েছে। কিন্তু সে ভর্তি হতে পারেনি, ওদিকে তার চাকরিও হচ্ছে না। থানা শিক্ষা অফিসার বলছেন বয়স কম, চাকরি দেওয়া যাবে না। তখন মহিবুল মিয়া থানা শিক্ষা অফিসারের কাছে গিয়ে তার জন্য তদবির করলেন। জানালেন বয়সে ছোট হলেও তার ফলাফল ভালো। এসএসসিতে উচ্চতর দ্বিতীয় শ্রেণি পেয়েছে। ভালো পাঠদান করাতে পারবে। তখন চাকরি হয়ে গেল।

সেকেন্দার আলীর প্রথম পোস্টিং দেওয়া হয়েছিল পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার বড়গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তিনি স্কুলে যোগদান করেন ১৯৬৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর। কিন্তু সমস্যা হলো সেখানে থাকার তেমন কোনো ব্যবস্থা ছিল না। রাস্তাঘাট সব কাঁচা। তখন স্থানীয় লোকজন তাকে জায়গীরের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।

তরুণ শিক্ষক সেকান্দার আলী ক্লাসরুমে ঢুকে দেখলেন, সত্যি সত্যি তার সমবয়সী বেশ কয়েকজন ছাত্র রয়েছে। তাও আবার তারা কেবল ৩য়- ৪র্থ শ্রেণিতে পড়ে। তাদের দু’একজনের নাম এখনও তার মনে আছে বলে জানালেন।

প্রথম কর্মস্থলে ৭ মাসের মতো চাকরি করে ১৯৬৫ সালের মার্চ মাসে বদলি হলেন পাবনা সদর উপজেলার পৈলানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তিনি জানান, নতুন স্কুলে গিয়ে আরও বড় বড় ছাত্র-ছাত্রীকে পেলাম। তবে একটি বিষয় লক্ষ্যনীয় ছিল যে সে সময় ছাত্র-ছাত্রীদের বয়স যতই বড় হোক, এখনকার তুলনায় তাদের মধ্যে শিক্ষকদের প্রতি যথেষ্ট ভয় ছিল, শ্রদ্ধাবোধ ছিল। অভিভাবকরাও শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতেন।

স্মৃতিচারণ করে শিক্ষক সেকেন্দার আলী জানান, তিনি ১৯৬৪ সালে যখন এসএসসি পাস করেন তখন ১১টি গ্রামে এসএসসি পাস ব্যক্তি ছিলেন ১৩ জন। স্কুলে যাওয়ার হার কম ছিল। কিন্তু যারা তাদের সন্তানদের স্কুলে দিতেন, শিক্ষকদের বলতেন যে তাদের সন্তানকে যেন মানুষের মতো মানুষ করে দেওয়া হয়। তখন শিক্ষকদের হাতে বেত ছিল। একটু শাসন ছিল। এখন যদিও শাসন করা সম্পূর্ণ নিষেধ। কিন্তু তখন শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীদেরকে শাসন করতেন।

বেতন প্রসঙ্গে শিক্ষক সেকান্দার আলী জানান, তখন তাদের বেতন ছিল ৫০-৬০ টাকা। হয়ত অন্য চাকরিতে গেলে বেতন বেশি পাওয়া যেত। কিন্তু শিক্ষকের চেয়ারে বসে আর সেখান থেকে ওঠা যায় না। বেতন কম হলেও প্রাইভেট পড়াতেন না। কোনো শিক্ষকই প্রাইভেট পড়াতেন না। বেতন যতই কম পেতেন না কেন, শিক্ষকরা সে বেতনেই সন্তুষ্ট থাকতেন বা থাকতে হত। আর ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ক্লাসে যতটুকু শেখানো হতো ততটুকুই শিখত। কারণ তখন তাদের বেশিরভাগের বাড়িতে শিক্ষিত কেউ ছিলেন না। শিক্ষকরা তখন ছিলেন একাধারে ছাত্র- ছাত্রীদের শিক্ষক এবং বাবা-মা।

jagonews24

সেকান্দার আলী খান জানান, পাবনা সদর উপজেলার পৈলানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তিনি এরপর বদলি হয়ে আসেন নিজ উপজেলা সাাঁথিয়া উপজেলার হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। স্কুল ভাঙাচোরা, বসার জায়গা ছিল না। কিন্তু পড়াশোনার মান ভালো ছিল। যে কয়েকজন ছাত্র আসত তাদেরকে মানসম্মত শিক্ষা দেওয়া হত।

তিনি বলেন, ‘ভবনগুলো পাকা না হলেও শিক্ষাদান পাকা ছিল।’

ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিও তাকে একটি জায়গার ব্যবস্থা করে দিলেন এবং ওই জায়গীর বাড়ি থেকে শিক্ষকতা করতে থাকেন।

সেকান্দার আলী খান জানান, সে সময় জায়গীরের প্রথা চালু ছিল। ওই স্কুলে তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরু পর্যন্ত চাকরি করেন।

হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তিনি একই উপজেলার সামান্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি হন। সেখানে তিনি ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত চাকরি করেন। এরপর এক বছরের জন্য তিনি আবার পার্শ্ববর্তী সুজানগর উপজেলার ক্রোপদুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করেন। সেখানে তিনি ১৯৭৭-৭৮ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন। এ সময়ের মধ্যে বিয়ে পর্ব শেষ করেন। বেশ কয়েক বছর অন্য জায়গায় চাকরি করে তিনি এবার নিজ গ্রাম পদ্মবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন ১৯৭৮-১৯৭৯ সালের দিকে। তিনি পদ্মবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই ২০০৪ সালে অবসর নেন এবং এ পর্যন্ত তিনি অবসর জীবনযাপন করছেন।

পদ্মবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই তিনি পড়াশোনা করেছিলেন। সেই বিদ্যালয়ে এসেই তিনি সবচেয়ে বেশি বছর শিক্ষকতা করেন।

তার নিজের উদ্যোগ সম্পর্কে জানালেন, তিনি অন্য সব বিষয়সহ ৫ম শ্রেণির গণিত নিতেন। তিনি প্রতি বছরই ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহিত করতেন। ঘোষণা দিতেন- যে এবার বার্ষিক পরীক্ষায় গণিতে একশ’ নম্বর পাবে তাকে একটি কলম উপহার দেওয়া হবে। তবে এটা খুব কঠিন কাজ ছিল। তাই চেষ্টা করলেও সবাই সে কলম নিতে পারত না। দু’ একজন তা পেয়েছে।

তিনি জানান, একটি কলম বড় বিষয় না। বিষয় হলো শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করা। তাদের পাঠের প্রতি মনোযোগী করা।

jagonews24

সেকান্দার আলী জানান, শিক্ষকতা করে আর্থিক লাভবান হয়ত বেশি হওয়া যায়নি। তবে যে কর্মসন্তুষ্টি পেয়েছেন তা অন্য বেশি বেতনের চাকরিতে পেতেন না। একজন প্রাথমিক শিক্ষকই একজন শিক্ষার্থীকে শুরুতে গড়ে তোলেন। তার সম্মানটাও এজন্য বেশি। এ সম্মানই একজন শিক্ষকের বড় সম্পদ। সে সম্পদ নিয়েই একজন শিক্ষক সারা জীবন আনন্দে থাকেন, সুখে থাকেন।

২০০৪ সালে অবসরে যান তিনি। শিক্ষকতা করা অবস্থায় একজনের উৎসাহে হোমিওপ্যাথিক বই কিনেছিলেন। অবসরে প্র্যাকটিস করতেন। এখন বাজারে দোকান বন্ধ করে দিলেও বাড়িতে তার চেম্বার রয়েছে। প্রায় ৭৩ বছর বয়সী এ গুণী শিক্ষকের অবসর কাটে বাগান করে আর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা করে।

সেকান্দার আলীর প্রাক্তন ছাত্র শাহজাহান আলী জানান, স্যার শুধু রুটিন পাঠদানই করতেন না। তিনি আমাদের ছোটকালে যেসব নৈতিক শিক্ষা দিয়েছেন তা আজও হৃদয়ে গাঁথা।

প্রাক্তন ছাত্র এখন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার জানান, তিনি স্যারের ছাত্র ছিলেন। তার গড়ে দেওয়া ভিত্তির উপর দাঁড়িয়েই এতদূর এসেছেন

সেকান্দার আলীর ছেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম জানান, সেকান্দার আলী খাঁন শুধু তার বাবা নন, প্রাইমারিতে তার শিক্ষকও ছিলেন। তার বাবার দেওয়া শিক্ষার ভিত্তিতেই তিনি এ পর্যায়ে আসতে পেরেছেন।

সাঁথিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার হেলাল উদ্দিন জানান, একজন গুণী শিক্ষক শুধু পাঠ্য বইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেন না। তিনি নানা পাঠে নিজস্ব কৌশল প্রয়োগ করেন। এখন শিক্ষকদের নানা প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে। ৬০ এর দশকের বা ৮০ এর দশকের শিক্ষকরা এত প্রশিক্ষণ পাননি। তারা নিজস্ব কৌশল, মেধা, বুদ্ধি, সৃজনশীলতা খাটিয়ে একেকজন অনন্য শিক্ষক বা মানুষ গড়ার কারিগর হয়ে উঠতেন। সেকান্দার আলী খানের মতো শিক্ষকদের কাছে বর্তমানে কর্মরতদের অনেক কিছু শেখার আছে, জানার আছে।


আরও খবর



সুবাহর মামলায় খালাস পেয়ে সন্তুষ্ট ইলিয়াস

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৭৯জন দেখেছেন
Image

যৌতুকের জন্য নির্যাতনের অভিযোগে অভিনেত্রী শাহ হুমায়রা হোসেন সুবাহর মামলার থেকে খালাস পেয়েছেন গায়ক ইলিয়াস হোসাইন।রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন ইলিয়াস।

বুধবার (২৭ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক আবেরা সুলতানা খানম এ মামলা থেকে আসামি ইলিয়াসকে খালাস দেন। রায় ঘোষণার পর ইলিয়াস বলেন— সুবাহ আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করেছেন তা থেকে আদালত খালাস দিয়েছেন। আমি আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞ। এ রায়ে আমি সন্তুষ্ট।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি লিয়াকত আলী বলেন, ইলিয়াস ও সুবাহর মধ্যে পারিবারিকভাবে আপস হয়েছে। আদালত আপস-মীমাংসার শর্তে ইলিয়াস হোসাইনকে খালাস দিয়েছেন।

এর আগে সোমবার (২৫ জুলাই) বিচারক আবেরা সুলতানা খানম রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। এদিন আদালতে উপস্থিত হয়ে সুবাহ জানান— ১০ লাখ টাকায় পারিবারিকভাবে তাদের মধ্যে মামলা আপস হয়েছে। এসময় ইলিয়াস হোসাইনও উপস্থিত ছিলেন। এদিন ইলিয়াস মামলায় জামিন নেন। এরপর বিচারক মামলাটির সাক্ষ্য ও যুক্তি উপস্থাপন শেষ করে রায়ের জন্য ২৭ জুলাই দিন ধার্য করেন।

সুবাহ বিচারককে বলেন, আমরা পারিবারিকভাবে ১০ লাখ টাকায় মামলা মীমাংসা করেছি। আমি টাকা বুঝে পেয়েছি। এখন ইলিয়াসের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, যে সংসার করবে না তার সঙ্গে জোর করে সংসার করা যায় না। ইলিয়াস তার জীবনে ভালো থাকুক, আর আমিও ভালো থাকি।

ইলিয়াস বলেন, পারিবারিকভাবে আমাদের আপস হয়েছে। সুবাহ ২০ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন। তবে যেকোনোভাবে আমরা মীমাংসা করেছি।

এর আগে রোববার (২৪ জুলাই) বিচারক আবেরা সুলতানা খানমের আদালতে সুবাহ আদালতে বলেন, আমাদের দুজনের মধ্যে ডিভোর্স হয়ে গেছে। আমি আর এ মামলা চালাতে চাই না। আমি মামলা প্রত্যাহার করতে চাই। এরপর বিচারক আসামি ও বাদীর উপস্থিতির জন্য সোমবার (২৫ জুলাই) দিন ধার্য করেন।

এর আগে ১৯ জুন ইলিয়াসের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক আবেরা সুলতানা খানম।

চলতি বছরের মার্চে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের উপ-পরিদর্শক মাসুমা আফ্রাদ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে ১১ জনকে।

অন্যদিকে, মামলায় উচ্চ আদালতের ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন ইলিয়াস। কিন্তু আত্মসমর্পণ করে জামিন শুনানির দিন আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় গত ২২ মার্চ ইলিয়াসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক জুলফিকার হায়াত।
আরও পড়ুন>> সুবাহর যৌতুকের মামলা থেকে খালাস পেলেন ইলিয়াস

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, সুবাহ একজন অভিনয়শিল্পী এবং আসামি ইলিয়াস একজন কণ্ঠশিল্পী। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে তাদের পরিচয়। পরিচয়ের সূত্র ধরেই প্রেমের সম্পর্ক। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে ওই বছরের ১ ডিসেম্বর ইসলামি শরিয়া মোতাবেক তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ইলিয়াসের চাহিদা অনুযায়ী যৌতুক হিসেবে ১২ লাখ টাকা দামের রোলেক্স ব্র্যান্ডের একটি ঘড়ি, ২৫ হাজার টাকা দামের আরেকটি ঘড়ি, এক লাখ টাকার স্বর্ণের আংটি, গলার চেইনের জন্য ৫০ হাজার টাকা এবং বিয়ের কাপড় বাবদ দুই লাখ টাকা দেওয়া হয়। এতে সন্তুষ্ট না হয়ে সুবাহর কাছে ফ্ল্যাট কেনার জন্য ৫০ লাখ টাকা ও গাড়ির জন্য ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন ইলিয়াস।

এছাড়া সুবাহর মায়ের কাছে যৌতুক হিসেবে ইউটিউব চ্যানেল কেনার জন্য ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। তখনো ইলিয়াসকে আড়াই লাখ টাকা দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, সুবাহ জানতে পারেন ইলিয়াস একাধিক বিয়ে করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুবাহকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন তিনি। এরপর ২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর ইলিয়াস যৌতুক হিসেবে আরও ৮০ লাখ টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া চলছিল। এর জেরে ইলিয়াস কাচের গ্লাস ভেঙে তার ভাঙা অংশ দিয়ে সুবাহকে মারতে যান। তখন সুবাহ থামাতে গেলে তার বাম হাত জখম হয়। পরবর্তীতে ইলিয়াস বিষয়টি নিয়ে সুবাহর কাছে ক্ষমা চান এবং এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

কিন্তু এরপরও সুবাহর কাছে ইলিয়াস ফের টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, পরের দিন ২৮ ডিসেম্বর ইলিয়াস আবার সুবাহর কাছে ৮০ লাখ টাকা দাবি করেন। এতে সুবাহ অস্বীকৃতি জানালে ইলিয়াস এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি, লাথি মারেন এবং চুলের মুঠি ধরে দেয়ালের সঙ্গে ঠুকে জখম করেন। অসুস্থ হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন সুবাহ। মেডিকেল সনদপত্রে সুবাহকে মারপিট করে সাধারণ জখম করার বিষয়টি প্রকাশ পায়।

তদন্তকালে ইলিয়াসের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী/২০০৩) এর ১১(গ) ধারায় অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

মামলার অভিযোগে যা বলেছেন সুবাহ
চলতি বছরের (২০২২) ৩ জানুয়ারি যৌতুকের জন্য নির্যাতনের অভিযোগে ইলিয়াসকে আসামি করে রাজধানীর বনানী থানায় মামলা করেন সুবাহ। এতে ঘড়ি, স্বর্ণের আংটি, গলার চেইন ও কাপড়ের জন্য ইলিয়াসকে টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়।

গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর দুপুরে ফ্ল্যাট ও গাড়ি কেনার জন্য ৮০ লাখ টাকা দিতে সুবাহকে চাপ দেন ইলিয়াস। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এরই জেরে ওইদিন রাত ৮টার দিকে সুবাহকে শারীরিক নির্যাতন করেন ইলিয়াস। পরদিন আবারও যৌতুকের জন্য ৮০ লাখ টাকা দাবি করেন।

টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সুবাহকে আবারও শারীরিক নির্যাতন করেন ইলিয়াস। এতে জখম হন সুবাহ। এরপর সুবাহকে ব্যথার ওষুধের নামে অন্য ওষুধ খাইয়ে দেন। এর কিছুক্ষণ পরই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এ সুযোগে ইলিয়াস আলমারিতে থাকা ২০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার এবং ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যান।


আরও খবর



দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ২৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ৪

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ এলাকা থেকে ২৪ কেজি গাঁজাসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল ও চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- শ্রী জীবন মজুমদার (৩২), রেদুয়ান হোসেন (৩৩), মো. জসিম উদ্দিন (২৭) ও মামুন দেওয়ান (৩৮)। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় র‌্যাব-১০।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাব-১০ এর একটি দল দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার হাসনাবাদ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। সে সময় ২৪ কেজি গাঁজাসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিদের কাছ থেকে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল, চারটি মোবাইল ফোন ও নগদ ৭১০ টাকা জব্দ করা হয়। জব্দ করা গাঁজার আনুমানিক মূল্য ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গ্রেফতার ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় গাঁজাসহ অন্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিলেন।


আরও খবর



এইচএসসি পাসে সিটি গ্রুপে চাকরির সুযোগ

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

বহুজাতিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপে ‘ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেটর’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১৪ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: সিটি গ্রুপ

পদের নাম: ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেটর
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি
অভিজ্ঞতা: ০২-০৩ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: ঢাকা (ডেমরা)

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs2.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১৪ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



জঙ্গি তৎপরতায় জড়িতদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

যুদ্ধাপরাধীসহ যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত সংগঠনের সদস্য, ব্যক্তি, জঙ্গি তৎপরতায় জড়িতদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ওয়ার্কার্স পার্টি। এছাড়া রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকা অন্তর্ভুক্ত করার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা, প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা করা, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তিচুক্তি অনুযায়ী ভোটার তালিকা প্রণয়নের দাবি জানায় দলটি।

সোমবার (২৫ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে লিখিত প্রস্তাবনায় এ কথা বলেছে ওয়ার্কার্স পার্টি। দলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশার নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি ইসির সঙ্গে সংলাপ করে। সংলাপে দলটি মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও ধর্মকে ব্যবহারকারী কোনো দল যাতে নিবন্ধন না পায় সেজন্য নির্বাচনী আইন সংস্কারের কথা বলেছে।

দলটি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) চাপিয়ে না দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। নানা ধরনের ত্রুটি, অপূর্ণতা ও ভোগান্তি ইভিএম সম্পর্কে জনমনে অনাস্থা ও বিরূপ মনোভাব তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে সবধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও বিতর্ক দূর করে নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের কথা বলেছে। এছাড়া দলটি ইভিএম নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধীতা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার কথা বলেছে।

ওয়ার্কার্সপার্টি মনে করে চলমান সংলাপ কেবল কথার কথা থাকবে না, সংলাপে উত্থাপিত বিষয়গুলো নির্বাচন কমিশন বিবেচনা করবে। সংলাপের সারসংক্ষেপ জনগণের সম্মুখে প্রকাশ করা হবে।

ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবনাগুলো হলো— নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর সরকার দৈনন্দিন কার্যাবলী ছাড়া নীতিগত বা উন্নয়নমূলক কোনো কাজ না করা ও মন্ত্রী-এমপিদের প্রটোকল সুবিধা স্থগিত থাকা, নির্বাচনকালীন সময় স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কমিশনের অধীন ন্যস্ত করা, ভোটার তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ ও ভোটারদের সংশোধন-সংযোজনের সুযোগ।

নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণের আগে আগেরকার নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবসহ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা, নির্বাচনে টাকার খেলা বন্ধে- ব্যয়সীমা কমাতে পোস্টার, লিফলেট, ডিজিটাল প্রচার, রেডিও-টেলিভিশনে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার দৃঢ়ভাবে নিয়ন্ত্রণে বিধান রাখা, প্রার্থী বা তার হয়ে যে কেউই খরচ করুক না কেন সেটা প্রার্থীর ব্যয় হিসাবে গণ্য, প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় মনিটর, নির্বাচনী আয়-ব্যয়ের বিবরণ উম্মুক্তকরণ, আয়-ব্যয়ের হিসাব না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সদস্যের শপথগ্রহণ স্থগিত রাখা, ইসির পক্ষ থেকে পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার, মার্কা সম্বলিত হ্যান্ডবিল, তিনকপি ভোটার তালিকা (সিডিসহ) সরবরাহ ও রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যমে নির্বাচন ম্যানিফেস্টোর ও মার্কা প্রচারের ব্যবস্থা।

নির্বাচনকে সন্ত্রাস পেশীশক্তির প্রভাব ও দুর্বৃত্তমুক্ত করতে— বল প্রয়োগ, অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা এবং বল প্রয়োগের ঘটনার কঠোর শান্তিবিধান, ফৌজদারি দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না দেওয়া, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব, নির্বাচনে ধর্মের ব্যবহার, সাম্প্রদায়িক প্রচার-প্রচারণা ও ভোট চাওয়া নিষিদ্ধকরণ, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও ধর্মকে ব্যবহারকারী কোন দলকে নিবন্ধন না দেওয়ার বিষয় নির্বাচনী আইনে অন্তর্ভুক্তকরণ।

নির্বাচনে সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে— নির্বাচনী এলাকায় সভার আয়োজন, রেডিও-টিভির সময় সমভাবে বণ্টন করা, নির্বাচনে সশস্ত্রবাহিনীকে নিযুক্ত করা হলেও ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা না দেওয়া এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে ইভিএম চাপিয়ে না দেওয়া।


আরও খবর