Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম

পুলিশে ও প্রাইমারী স্কুলে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে সাড়ে ১১লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে প্রতারক লিটন

প্রকাশিত:Tuesday ২৫ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২০৪জন দেখেছেন
Image

পর্ব-৬

মোঃ আব্দুল হান্নান,নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া),

প্রতারনার মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া নাসিরনগর সদরের মৃত আব্দুল গাফ্ফারের ছেলে প্রতারক লিটন (৩৫), পুলিশে  চাকুরী দেওয়ার নাম করে ৫ লক্ষ লক্ষ টাকা ও প্রাইমারী স্কুলে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে ৩ লক্ষ টাকা  দুইজনের নিকট থেকে  ৮ লক্ষ টাকা । তাছাড়াও দাঁতমন্ডল গ্রামের চাঁন মিয়ার নিকট থেকে ২ লক্ষ টাকা ও প্রতারক লিটনের আপন চাচা নাছির মিয়ার কাছ থেকে দেড় লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে প্রতারক লিটন।


জানা গেছে দাঁতমন্ডল গ্রামের আব্দুল্লাহর মেয়ে রুনা বেগমকে প্রাইমারী স্কুলে সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে রুনার কাছ থেকে নগদ ৩ লক্ষ টাকা, বুড়িশ্বরগ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলেআমিনুল  ইসলামকে পুলিশে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে ৫ লক্ষ টাকা নেয় প্রতারক লিটন। তাদেরকে চাকুরী দিতে না পারায় টাকা ফেরত চাইতে গেলে উল্টো হুমকি দেয় প্রতারক লিটন।


তাছাড়াও দাঁতমন্ডল গ্রামের চাঁন মিয়ার লিটন থেকে ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহারের জন্য ননজুডিসিয়াল ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর প্রদান করে ২ লক্ষ টাকা ও লিটনের আপন চাচা  পান সিগারেট ব্যবসায়ী নাছির মিয়ার নিকট দেড় লক্ষ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ তরে প্রতারক লিটন। প্রতারক লিটনের প্রতারনার স্বীকার হয়ে এই পরিবারগুলো আজ রাস্তায় বসার উপক্রম হয়েছে বলে জানায় ভূক্তভোগীরা। 



আরও খবর



গাইডলাইনটি বেশ সহায়ক

স্নাতক পর্যায়ে আইসিটি বিভাগের কারিকুলাম হালনাগাদ

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে দক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষার জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে বিশ্ববদ্যিালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।


বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই/আইটি/আইসিই/আইসিটি বিষয়ে ক্যারিকুলাম হালনাগাদে এই গাইডলাইন বেশ সহায়ক হবে বলে মনে করে ইউজিসি।


বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ও জাপান সরকারের উন্নয়ন সংস্থা জাইকার সহযোগিতায় এই গাইডলাইন তৈরি করা হয়।


ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে দেশের তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাত সদস্যের কমিটি এই গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে।


 


জাপানে ১০ হাজার আইটি ইঞ্জিনিয়ারের কর্মসংস্থান তৈরি, আইটি ইঞ্জিনিয়ারদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সচেতনতা বাড়াতে ইউজিসি, বিসিসি ও জাইকা যৌথভাবে কাজ করছে বলে জানায় ইউজিসি।

 

ইউজিসি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগমের হাতে বুধবার স্ট্যান্ডার্ড গাইডলাইনের কপি হস্তান্তর করা হয়।


সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ ইনামুল কবির, জাইকা বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিরোকি ওয়াটানাবে, বুয়েটের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম, ইউজিসির ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট, কমিউনিকেশন এবং ট্রেনিং বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম বলেন, দেশর তরুণ প্রজন্মকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী করে গড়ে তুলতে হলে প্রযুক্তির শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।


আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষার জন্য এই গাইডলাইন বেঞ্চমার্ক হিসেবে কাজ করবে। এই গাইডলাইন বাস্তবায়নে ইউজিসি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করবে।  


তিনি আরও বলেন, এই গাইডলাইন অনুসারে তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষার পাঠ্যক্রম হালনাগাদ করা হলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের গ্রাজুয়েটরা এগিয়ে থাকবে।

 

অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এই গাইডলাইন অনুসারে তথ্য-প্রযুক্তি শিক্ষার ক্যারিকুলাম প্রণয়ন করা হলে আইসিটি সেক্টরে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের ঘাটতি কমবে। এটি আইসিটি শিক্ষার গুণগত মান বাড়াবে। এর মাধ্যমে আইসিটি খাতে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি হবে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের গ্রাজুয়েটদের চাহিদা বাড়বে।  


জাপানে আইটি পেশাজীবীদের মাননিয়ন্ত্রক জাতীয় পরীক্ষা আইটিইইসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলাদেশি গ্রাজুয়েটরা ভালো করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


জাপানের ইনফরমেশন টেকনোলজি ইঞ্জিনিয়ার্স এক্সামিনেশনে দেশের আইটি গ্রাজুয়েটরা যাতে ভালো ফলাফল করতে পারে সেজন্য দিনব্যাপী এক কর্মশালার আয়োজন করে ইউজিসি। এই কর্মশালার সুপারিশ মোতাবেক এই গাইডলাইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।  



আরও খবর



বাড়ি-ঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন কৃষক

সিলেটে বন্যার পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে গুদামে রাখা ধান-চাল

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণে ডুবেছে সিলেট নগরের প্রায় অর্ধেক এলাকা। বানবাসী হয়েছেন ১৩ উপজেলার মধ্যে ১০টির শতাধিক ইউনিয়নের লোকজন। বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন অনেকে। সে ক্ষতি অংকের হিসেবে পোষাবার নয়! গ্রীষ্মে ভয়ঙ্কর বন্যা ২০০৪ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়েছে।


গত ১১ মে থেকে অতিবৃষ্টি আর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি বুকে ঠাঁই দিতে পারেনি সুরমা। ফলে পানি উপচে প্লাবিত হয়েছে গ্রাম-নগর সব প্লাবিত হয়েছে। কৃষিজীবী থেকে ব্যবসায়ী, সব শ্রেণির মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।


বানবাসী হয়েছেন অন্তত ১০ লক্ষাধিক মানুষ। বাড়ি-ঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সর্বস্বান্ত হয়েছেন কৃষকরাও। সম্প্রতি ঘরে তোলা বোরো ফলসও বানের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অবারিত বর্ষণে ঘরে রাখা ধানে চারা গজিয়েছে।গুদামে রাখা সারি সারি ধান-চালের বস্তা ভিজে নষ্ট হয়েছে বন্যার পানিতে। তা দেখে ব্যবসায়ীদের চোখে ছল ছল করছে জল। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রশাসন খোঁজ না নেওয়ায় অনেকে বোবা কান্নায় ক্ষোভ ঝাড়লেন।


শনিবার (২১ মে) থেকে নদ-নদীর পানি খানিকটা স্থিতিশীল হওয়াতে নগর থেকে পানি নেমে যায়। চারিদিকে মানুষ যখন খাবার সংকটে, তখন বন্যা পরবর্তী ক্ষতির দিকটা ফুটে উঠছে ক্রমশ।  দেখা গেছে, বন্যার পানি কমতে শুরু করে। গুদামের সাটার খুলতেই বেরিয়ে আসছে ধান-চাল পচা দুর্গন্ধ। মজুতকৃত ৫০ কেজির হাজার হাজার বস্তা চাল এবং ২ মন ওজনের ধানের বস্তার স্তূপ ভিজে পচন ধরেছে। কেউ স্যালো মেশিন লাগিয়ে সেচ দিয়ে গুদাম থেকে পানি সরাচ্ছেন। প্রতিটি গুদামে ঢুকেছে বন্যার পানি। হু হু করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাখার অভাবে আড়ৎদাররা ধান-চালের বস্তা সরানোর সময় পাননি।


ধান-চালের পচা দুর্গন্ধে এলাকার বাতাসও দুষিত হয়ে গেছে। যেগুলো এখন গো-খাদ্যেও ব্যবহার করার অনুপযুক্ত। ব্যবসায়ীদের এ ক্ষতি যেন চোখে দেখে সহ্য করার মতো নয়।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নগরের কাজিরবাজার মোস্তাক এন্ড ব্রাদার্সের ৫টি গুদামের এক একটিতে অন্তত সহস্রাধিক বস্তা করে চাল রাখা ছিল। যেগুলো বন্যার পানিতে পচে নষ্ট হয়ে গেছে। কোনোমতে কিছু চাল সরাতে পারলেও বেশিরভাগ বন্যার পানিতে ভিজে নষ্ট হয়েছে। একইভাবে এম এস অটো রাইস মিল, মতিন ব্রাদার্স, হাসান ব্রাদার্স, ফাইয়ান ও পদ্মা রাইস মিল, দয়া ও জামান মিল, রঙ্গেশ অটো রাইস মিলের হাজার হাজার বস্তা ধান-চাল রাখা ছিল। যেগুলো পচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়েছে।


এছাড়া আরো অনেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শত শত বস্তা চাল ও ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। ভিজে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা গুদাম থেকে সেগুলো সরাতে পারেননি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়েছে।ব্যবসায়ীরা বলেন, বন্যা ঠিকই চলে গেছে। তবে কোটি কোটি টাকার পণ্য নষ্ট করে দিয়ে গেল। এদিকে, গ্রামীণ জনপদে বন্যা ও বৃষ্টির কারণে বোরো ধান শুকাতে না পারায় অনেকের ধানে চারা গজিয়েছে।ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, অতি বৃষ্টিতে ধান শুকানোর সুযোগ না পাওয়ায় বস্তার মধ্যে ধানের চারা গজিয়েছে।



বন্যা কবলিত এলাকার কৃষকরা বলেন, এমনিতে বন্যায় প্রাণ বাঁচানো দায়, খাবার সংকট। তার ওপর ঘরে পানি উঠে প্রতিটি বাড়িতে রাখা ধান চারা গজিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। বন্যার কারণে আয় রোজগার নেই, ত্রাণ যা মিলছে, তা দিয়ে হয়তো ২/৩ বেলা চলে, এরপর আর যাওয়ার জায়গা নেই। না খেয়ে মরা ছাড়া উপায় নেই।


আরও খবর



সুন্দরবন সফরে ডেনমার্কের রাজকুমারী

প্রকাশিত:Monday ২৫ April ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ১২৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসন বাংলাদেশ সফরের অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আসবেন। ঘুরে দেখবেন সুন্দরবনও। তাই রাজকুমারীর নিরাপত্তায় ২৬ ও ২৭ এপ্রিল পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বন বিভাগ।


বন বিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন কর্মকর্তা নুরুল আলম বিষয়টি সংবাদ কর্মীদের নিশ্চিত করেছেন।


 নুরুল আলম বলেন, বুধবার (২৭ এপ্রিল) রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আসবেন। সফরসূচির অংশ হিসেবে সুন্দরবন ভ্রমণ ও বনবিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। তার সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে ২৬ ও ২৭ এপ্রিল সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে ভ্রমণের সব ধরনের পাস বন্ধ রাখা হয়েছে। ২৮ এপ্রিল থেকে সুন্দরবন ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হবে।


সাতক্ষীরা তথ্য অফিসের সফরসূচি থেকে জানা গেছে, রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শ্যামনগরের টাইগার পয়েন্টে একটি হেলিকপ্টারযোগে অবতরণ করবেন। সেখান থেকে গাড়িতে মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের কুলতলী এলাকায় জলবায়ু সহনশীল কৃষিজমি দেখবেন। সুন্দরবন উপকূলের ‘আকাশ লীনা ইকো ট্যুরিজম’ ইকোপার্ক পরিদর্শন করবেন।


জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর বসবাস এলাকায় সাইক্লোন শেল্টার ও বেড়িবাঁধ পরিদর্শন, বাঁধের পাশে বসবাসকারী দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। দুপুরে বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নের বরসা রিসোর্টে অবস্থান করবেন। সেখানে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এছাড়া সুন্দরবন ঘুরে দেখবেন।


আরও খবর



পিরোজপুরে অপরাধ বিষয়ক সংবাদে নির্দোষ ব্যক্তির ছবি নিয়ে তোলপাড়

প্রকাশিত:Monday ০৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২২ May 20২২ | ১২১জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমানঃ


পিরোজপুরে অপরাধ বিষয়ক সংবাদ প্রকাশে নির্দোষ ব্যক্তির ছবি দিয়েছে স্থানীয় কিছু পত্রিকা। বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় চলছে এলাকায়।



জানা যায় পিরোজপুর জেলাধীন  সদর থানার কুমিরমারা গ্রামের  প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা, ২১ আগস্ট বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ফকিরের দ্বিতীয় পুত্র পিরোজপুর পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক  মোঃ মমিনুল ইসলাম রাজার ছবি ব্যবহার করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে সংবাদ প্রচার করেছে দৈনিক গ্রামের সমাজ, আজকের সময় সহ বেশ কয়েকটি পত্রিকা, তারা তাদের পত্রিকার ওয়েবসাইট গতকাল! পিরোজপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির সময় যুবক গ্রেপ্তার " শিরোনামে একটি সংবাদ প্রচার করে। প্রকাশিত সংবাদে অপরাধীর ছবির বদলে নিরপরাধ মমিনুল ইসলামের ছবি ব্যাবহার করা হয়।





ও কে এম সাঈদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে এই সংবাদটি শেয়ার করে।বিষয়টি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় মমিনুল ইসলামের পরিবারের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন।




ভুক্তভোগির বড় ভাই ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক জাগোকন্ঠের বরিশাল বিভাগীয় আঞ্চলিক  প্রতিনিধি ,বাংলাদেশ রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাঙ্গঠনিক সম্পাদক ( বরিশাল বিভাগের দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত) মোঃ আমিনুল ইসলামের নজরে পড়লে তিনি কাউখালী থানার প্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। 


পরবর্তীতে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন  গ্রেপ্তারকৃত জুয়েল রানার ছবি এটি নয়।তিনিও বিষয়টি নিয়ে বিষ্ময় প্রকাশ করেন।এদিকে মমিনুলের ছবি প্রকাশিত হওয়ায় বিপাকে পড়েছে তার পরিবার। তার পিতার দাবি তিনি ও তার পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে উদ্দেশ্যমূলক ভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।


তিনি আরো বলেন,তার নির্দোষ ছেলেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখে অপরাধী বানানোর উদ্দেশ্যে এ হীন কাজ করা হয়েছে। এ বিষয়ে পিরোজপুর  প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও পিরোজপুর পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান সভাপতি  জহিরুল হক টিটু বলেন,এমন কাজ অবশ্যই উদ্দেশ্য প্রণোদিত, কোনো পেশাদার সাংবাদিক নিশ্চিত না হয়ে নির্দোষ ব্যাক্তির ছবি ব্যবহার করে ক্রাইম নিউজ করবেন এটা বেমানান। 

তিনি বিষয়টিকে অপ-সাংবাদিকতা বলে অভিহিত করেন।



বিষয়টি খতিয়ে দেখে এদের বিরুদ্ধে  আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ বলে মনে করেন তিনি।উল্লেখ্য পিরজপুর জেলার কাউখালী থানাধীন  বেকুটিয়া ফেরী ঘাট এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে টাকা নেয়ার সময় ট্রাফিক রফিকুল ইসলাম জুয়েলকে  চ্যালেঞ্জ করে।পরবর্তীতে কাউখালি থানায় তার বিরুদ্ধে একটি প্রতারণা মামলা দিয়ে পুলিশ তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।


এঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তির ছবির স্থলে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মুমিনুল এর ছবি ব্যবহার করে স্থানীয় দুই তিনটি পত্রিকার ওয়েবসাইটে  খবর প্রকাশ করে। 



আরও খবর



রাঙ্গাবালী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের বিচারের নামে প্রহসনের অভিযোগ

প্রকাশিত:Thursday ১২ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১০৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ


পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলায় রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদে একটি ধর্ষণের ঘটনায় মীমাংসার নামে শালিস বৈঠক থেকে ধর্ষক আবুল বাশার ওরফে ছ্যানা বশার (৩৫) কে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


যদিও পরে রাঙ্গাবালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে স্থানীয় জনতার সহায়তায় ধর্ষক আবুল বাশারকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।


স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ ধর্ষণের মত ঘটনার বিচার করতে পারেনা। কিন্তু এমন দুঃসাহসিক কাজ করে ধর্ষকের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান মামুনের বিরুদ্ধে।


বুধবার, ১১’মে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান মামুনের নির্দেশে ইউনিয়ন পরিষদের তিন সদস্য আব্দুল মান্নান, আমিন ও ছাইদুর রহমানসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ শালিস বৈঠকের আয়োজন করে ঘটনার ধামাচাপা দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। এতে স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।


গত ২০ এপ্রিল রাঙ্গাবালী ইউনিয়নের চর কাসেম ৫নং ওয়ার্ডের সামুদাবাদ গ্রামের ১৩ বছর বয়সী কিশোরী মেয়েকে তার অন্য ভাই বোনদের হত্যার হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে স্থানীয় নামকরা সন্ত্রাসী আবুল বাশার ওরফে ছ্যানা বাশার।


এই বিষয়ে ২৪ এপ্রিল রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা স্থানীয় ভাবে মীমাংসা করার নামে কালক্ষেপন করে আসছিলো। একপর্যায়ে গত ১১’মে বুধবার বিকেলে চেয়ারম্যান উপস্থিত না থেকে ইউনিয়ন পরিষদের তিন জন ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে শালিসের নাম করে ধর্ষককে পালাতে সহযোগিতা করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।


রাঙ্গাবালী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক এনায়েতুর রহমান জানান, ওসি স্যারের নির্দেশে আসামি পালানোর এক ঘন্টার মধ্যে ইউনিয়নের কাছিয়াবুনিয়া ইউসুফ মৃধার বাড়ি থেকে ইউনিয়ন পরিষদের প্রহরী আরিফ তাকে ধরতে সক্ষম হয় পরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।


তবে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে ঘটনার বিষয়ে জানতে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।


এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাশফাকুর রহমান বলেন, ধর্ষণের মত ঘটনার বিচার বা শালিস করার কোন ইখতিয়ার ইউনিয়ন পরিষদের নেই। তবে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদ এরকম কোন ঘটনা ঘটিয়ে থাকলে, তারা আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়েছে বলে আমি মনে করি।


আরও খবর