Logo
আজঃ রবিবার ২৬ মার্চ ২০২৩
শিরোনাম

প্রতিবন্ধী নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতারের দাবিতে তানোরে মানববন্ধন!

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মার্চ ২০২৩ | ১১৮জন দেখেছেন

Image

তানোর প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা পৌরসভার সাবেক ও বর্তমান মেয়র বাহিনী দ্বারা এক শারীরিক প্রতিবন্ধী নেতা শামসুল আলমকে মারপিট ও পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় ও আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তানোর সদরের থানা মোড় নামক স্থানে জাতীয় তৃণমুল প্রতিবন্ধী সংস্থা ও আস্থা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। 

এসময় জাতীয় তৃণমুল প্রতিবন্ধী সংস্থার কাউন্সিলর সাদিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও আস্থা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান হোসাইনের পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে বক্তারা তানোর উপজেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও মুন্ডুমালা পৌরসভার বর্তমান মেয়র সাইদুর রহমানকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান। এতে প্রতিবন্ধী সংস্থার বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এরা হলেন, জেলা প্রতিবন্ধী নারী পরিষদের সভানেত্রী আমেনা খাতুন, আস্থা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার কোষাধ্যক্ষ আলম আলী, নারী ও শিশু সম্পাদিকা শিউলী খাতুন প্রমুখ। 

এদিকে মামলার ৫ দিনেও কোন আসামীকে গ্রেফতার না হওয়ায় সংস্থার নেতারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মুল হোতা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি সাবেক মুন্ডুমালা পৌর মেয়র গোলাম রাব্বানী ও বর্তমান মেয়র সাইদুর রহমান প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন বলে দাবি নির্যাতনের শিকার শামসুল আলমের। সাবেক ও বর্তমান মেয়র মঙ্গলবারে রাজশাহী শহরে এনাগ্রুপের পক্ষ থেকে দুপুরের দাওয়াত খান এমন ছবি ফেসবুক দেখা যায়। শামসুল আলম জানান, আসামীরা প্রভাবশালী এজন্য প্রশাসন তাদেরকে গ্রেফতার করছে না। আমি প্রতিবন্ধী বলে কি ন্যায্য বিচার পাবনা। তারা প্রকাশ্যে দাওয়াত খাচ্ছেন, আর আমি হাসপাতালে কাতরাচ্ছি। আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হোক, নচেৎ আরো কঠোর কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে।

এদিকে সাবেক মেয়র গোলাম রাব্বানী জানান, জামিন নেওয়া হয়নি, অল্প সময়ের মধ্যে জামিন নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গ, গত বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) ‘তানোরের উন্নয়ন’ নামের একটি ফেগ ফেসবুক আইডি থেকে মুন্ডুমালা পৌরসভার সাবেক মেয়র গোলাম রাব্বানীর স্ত্রী ও ভাতিজার ছবিসহ কুরুচিপূর্ণ কথা লিখে অজ্ঞাত একব্যক্তি ছবিসহ একটি পোষ্ট দেন। কিন্তু এমন কুরুচিপূর্ণ ওই ফেসবুক পোষ্টটি প্রতিবন্ধী শামসুল আলমের আইডি থেকে হয়নি বলে নিশ্চিত হয়ে জব্দকৃত মোবাইল ফোন ঘটনার দিন রাতে শামসুল আলমকে ফেরৎ দিয়েছে পুলিশ। কিন্তু এমন আইডি কে কোথায় থেকে ব্যবহার করছেন তা এখনো বের করতে পারেনি পুলিশ।

এরই সূত্র ধরে সন্দেহের বসে গত ১ ফেব্রুয়ারী বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়ি ও মুন্ডুমালা মহিলা কলেজ প্রবেশ মোড় নামক স্থানে চলন্ত অটোগাড়ী পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে পথরোধ করে শামসুল আলমের ওপর হামলা চালান মুন্ডুমালা পৌরসভার প্রকাশনগর মহল্লার বাসিন্দা মৃত মোহাম্মাদ আলী মাহামের পুত্র উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও মুন্ডুমালা পৌরসভার বর্তমান মেয়র সাইদুর রহমান। খবর পেয়ে মুন্ডুমালা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ শামসুল আলমকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে দেন। 

শারীরিক প্রতিবন্ধী শামসুল আলম (৫০) এর বাড়ি মুন্ডুমালা পৌর এলাকার চিনাশো মহল্লায়। তার পিতা আলহাজ্ব ইউসুফ আলী। তিনি ‘জাতীয় তৃণমূল প্রতিবন্ধী সংস্থা’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও তানোরে অবস্থিত ‘আস্থা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা’র সভাপতি। এ রির্পোট পর্যন্ত তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ছিলেন প্রতিবন্ধী শামসুল আলম।

এঘটনায় মুন্ডুমালা পৌরসভার সাবেক মেয়র গোলাম রাব্বানী (৫৬), পৌরসভার বর্তমান মেয়র ও মুন্ডুমালা সাদিপুর মহল্লার বাসিন্দা মৃত সাইনাল হকের পুত্র সাইদুর রহমান (৫২), তার ছেলে মনিরুল ইসলাম সাদ (৩০), সাদিপুর গ্রামের জুয়েল রানা (৩০), অপূর্ব হালদার (৩০) ও গয়ানাথ কর্মকার (৩০) এর বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী শামসুল আলম বাদী হয়ে তানোর থানায় গত ৩ ফেব্রুয়ারী সকালে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার আসামীদের গ্রেফতার ও সুষ্ঠু তদন্তের জন্য বিপুল সংখ্যক প্রতিবন্ধীরা মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন।


আরও খবর



র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞায় ঘাবড়ানোর কিছু নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মার্চ ২০২৩ | ৬৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একটা দেশ র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। এজন্য অনেকেই প্রথমে ঘাবড়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

তিনি বলেন, ‘আমরা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা এনেছি। আমাদের দেশে কারা কী কাজ করে না করে, সেটা আমরা জানি; বিচারটা আমরাই করব। সেই আত্মবিশ্বাস রেখে কাজ করতে হবে।

আজ রোববার র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর কুর্মিটোলায় র‍্যাব সদর দপ্তরে আজ রোববার আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে বাংলাদেশের বদনাম করে, দেশের একেকটা প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তাদেরকে চিহ্নিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো উদ্দেশ্যে, কেন তারা এসব করছে, সেটা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। আমি যেহেতু সরকারে আছি, তাই আমি বলতে পারি, কে ভালো করল, কে মন্দ করল, সেটার বিচার তো আমরাই করতে পারি। আমরা আমাদের ভালো-মন্দ অপরাধের বিচার করি; অনেক উন্নত দেশই যেটা করে না। এখানে অপরাধের বিচার হয়। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে আমরা চলব।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘দেশবিরোধী কিছু শক্তি, বাংলাদেশের কোনো ভালো কাজই তাদের চোখে পড়ে না। আরেকটা শ্রেণির অভ্যাসটাই হলো বিদেশে গিয়ে বাংলাদেশের বদনাম করা। এ বদনাম করে হয়ত তারা কিছু আর্থিক বা অন্য কোনো সুবিধা পায়। আমাদের যারা বিভিন্ন দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে কাজ করেন, তাদের বিরুদ্ধেই যেন আগে বদনাম করা হয়। বাংলাদেশের কোনো উন্নতি তাদের চোখেই পড়ে না। তবে আমি বলব, এ ক্ষেত্রে কারও মনে কষ্ট নেয়া উচিত না।’

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। এ দেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর থেকে মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতি হয়েছে; দেশের সার্বিক উন্নয়ন চলছে। বাংলাদেশকে আমরা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে র‌্যাবের কার্যক্রমের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারিও প্রদর্শিত হয়।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রে গোলাপের ৯ বাড়ি, দুদককে অনুসন্ধানের নির্দেশ

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মার্চ ২০২৩ | ১১৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক; যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৪০ লাখ ডলার ব্যয়ে ৯টি বাড়ি কেনাসহ আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবদুস সোবহান গোলাপের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

এর আগে গতকাল রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। এরপর রিটটি আজকের কার্যতালিকায় ছিল।

রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, এনবিআরের চেয়ারম্যান ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। রিটে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক গোলাপ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৪০ লাখ ডলারে বাড়ি কেনার বিষয়ে প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়।

অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড করাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্ট বা ওসিসিআরপি’র ওয়েবসাইটে করা একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, মো. আবদুস সোবহান মিয়া ২০১৪ সালে প্রথম নিউইয়র্কে অ্যাপার্টমেন্ট কেনা শুরু করেন। ওই বছর নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকায় একটি সুউচ্চ ভবনে অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন তিনি। পরের পাঁচ বছরে তিনি নিউইয়র্কে একে একে মোট ৯টি প্রপার্টি বা সম্পত্তির (ফ্ল্যাট বা বাড়ি) মালিক হন। এসব সম্পত্তির মূল্য ৪০ লাখ ডলারের বেশি (ডলারের বর্তমান বিনিময় মূল্য অনুযায়ী প্রায় ৪২ কোটি টাকা)। বিষয়টি নির্বাচনী হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেননি বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়।

মো. আবদুস সোবহান মিয়া ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে মাদারীপুর-৩ আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় সস্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তিনি প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকের পদ পান। তিনি দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদকও ছিলেন।


আরও খবর



আরও ৪০ হাজার গৃহহীন পরিবারের মুখে হাসি ফোটালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মার্চ ২০২৩ | ২৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক ;পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আরও ৪০ হাজার গৃহহীন পরিবারের মুখে হাসি ফোটালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দুই শতাংশ জমিসহ নতুন ঘর তুলে দেওয়া হয় এসব পরিবারের হাতে।

আজ বুধবার সকাল ১০টায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সারাদেশের উপকারভোগী পরিবারগুলোর কাছে জমিসহ গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও তিনটি গৃহনির্মাণস্থল- গাজীপুরের শ্রীপুর, সিলেটের গোয়াইনঘাট ও বরিশালের বানারীপাড়াকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়। এই কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী গৃহহীন ও ভূমিহীন মানুষের হাতে ঘরের চাবি ও দলিল তুলে দেওয়ার নির্দেশনা দেন। পরে তিনি এসব এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগীদের অনুভূতি শোনেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাংলাদেশে কোনো মানুষ ঠিকানাবিহীন থাকবে না।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় চতুর্থ পর্যায়ে ৩৯ হাজার ৩৬৫টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে।

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে আশ্রয়ণ নামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় একটি প্রকল্প গ্রহণ করে, যা প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রথম পর্যায়ে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি ৬০ হাজার ১৯১টি ঘর, ২০ জুন ৫৩ হাজার ৩০০টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মিত মোট ঘরের সংখ্যা ১ লাখ ১৭ হাজার ২৯টি।

১৯৯৭ সাল থেকে এই প্রকল্পের আওতায় ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯৭টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। আশ্রয়ণ ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়/সংস্থাসহ গৃহনির্মাণ করে ১৯৯৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত পুনর্বাসন করা হয়েছে ৭ লাখ ৭১ হাজার ৩০১টি পরিবারকে। প্রতি পরিবারের পাঁচজন সদস্য হিসেবে মোট উপকারভোগী ৩৮ লাখ ৫৬ হাজার ৫০৫ জন।

তৃতীয় পর্যায়ে নির্মাণ করা একক ঘরের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৬৭৪টি। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি হস্তান্তর হয়েছে গত বছরের ২৬ এপ্রিল এবং ২য় ধাপে ২১ জুলাই জমির মালিকানাসহ ২৬ হাজার ২২৯টি হস্তান্তর করা হয়। ২২ মার্চ চতুর্থ পর্যায়ে হস্তান্তর হচ্ছে ৩৯ হাজার ৩৬৫টি ঘর।

১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ পর্যায়সহ মোট হস্তান্তরিত একক গৃহের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৮২৭টি। ৪র্থ পর্যায়ে অবশিষ্ট নির্মাণাধীন গৃহের সংখ্যা ২২ হাজার ৬টি। ৪র্থ পর্যায়ে চরাঞ্চলে বরাদ্দকৃত বিশেষ ডিজাইনের গৃহের সংখ্যা ১ হাজার ৩৭৩টি এবং পার্বত্যাঞ্চলের বিশেষ ডিজাইনের মাচাং ঘর ৬৩৪টি।

এখন পর্যন্ত ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত মাদারীপুর, গাজীপুর, নরসিংদী, রাজশাহী, জয়পুরহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গা জেলার সব উপজেলাসহ সারাদেশের মোট ১৫৯টি উপজেলা।


আরও খবর



বিশ্বের ২৩০ কোটি মানুষ পাচ্ছে না সুপেয় পানি: বিশ্বব্যাংক

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মার্চ ২০২৩ | ২১জন দেখেছেন

Image

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বের প্রায় ২৩০ কোটি মানুষ সুপেয় পানির অভাবে রয়েছে। এছাড়া বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক (৩৬০ কোটি) মানুষের নেই নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থা বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। গতকাল শুক্রবার রাতে বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উন্নয়নকে হুমকির মুখে ফেলছে পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সংকট। অনিরাপদ পানির প্রভাব ঠেকাতে প্রতিবছর বৈশ্বিক ব্যয় ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। জলবায়ু পরিবর্তন এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে খরা ও বন্যা পানির সমস্যাকে আরও কঠিন করে তুলেছে। বর্তমানে জরুরিভাবে এ সমস্যা নিরসন করতে হবে। এজন্য বিশ্ববাসীকে এক হতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি আরও জানায়, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের অভাব মানবজাতিকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারে। ২০১৯ সালে মৃত্যুর অষ্টম কারণ ছিল ডায়রিয়াজনিত। অভিযোগ করা হয় সারাবিশ্বে ২০১৯ সালে নিরাপদ পানি ও নিরাপদ স্যানিটেশনের অভাবে ১৫ লাখ মানুষ মারা যায়। বিশেষ করে নারী ও স্কুলগামী মেয়ে শিশুদের ওপর কঠোর প্রভাব পড়ে।

ইয়েমেনের উদাহরণ দিয়ে বিশ্বব্যাংক জানায়, ইয়েমেনের অগণিত গ্রামে মৌলিক পরিষেবার অভাব রয়েছে, তবে সেখানে নিরাপদ পানির অভাব সব থেকে বেশি। দেশটির জনসংখ্যার ৫৫ শতাংশের বেশি প্রায় ১৮ মিলিয়ন মানুষ নিরাপদ পানি এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের অভাবে রয়েছে। ইয়েমেনের আল-আদন, আল-আনিন এবং হাওফ- এই তিন গ্রামে পানির অভাব নিরসনে কাজ করছে বিশ্বব্যাংক। কীভাবে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা যায় সেই বিষয়ে অর্থায়ন করেছে সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংকের মতে, সুপেয় পানির জন্য এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করলে রিটার্ন আসে তিন বিলিয়ন ডলার। গ্রামীণ এলাকায় পানির জন্য বিনিয়োগ করলে আরও বেশি রিটার্ন পাওয়া যায়। কৃষিকাজের জন্য পানি অপরিহার্য।


আরও খবর



৭ই মার্চের ভাষণ নিরস্ত্র বাঙালিকে সশস্ত্র জাতিতে পরিণত করেছিল: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মার্চ ২০২৩ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতি‌বেদক: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ‘১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বজ্রকণ্ঠে রচনা করেছিলেন রাজনীতির মহাকাব্য। ঐতিহাসিক সে ভাষণ নিরস্ত্র বাঙালি জাতিকে রাতারাতি সশস্ত্র জাতিতে পরিণত করেছিল।

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে  এসব কথা বলেন তিনি। সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর।

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘৭ই মার্চের ভাষণ কোনো সাধারণ জনসভার ভাষণ ছিল না। এটি ছিল স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত বাঙালি জাতির উদ্দেশ্যে জাতীয় মুক্তি তথা স্বাধীনতার লক্ষ্য অর্জনে বঙ্গবন্ধুর লড়াইয়ের চূড়ান্ত আহ্বান।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘কী ছিল এই ভাষণে? এই ভাষণে ছিল আসন্ন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের পূর্ণ দিক-নির্দেশনা। এ ভাষণ প্রকৃত অর্থেই ছিল বাঙালির স্বাধীনতার কূটনৈতিক ঘোষণা। যাতে বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনকে কেউ বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন বলতে না পারে। বাঙালির জাতীয় মুক্তির লক্ষ্যে হাজার বছর ধরে লালিত আশা-আকাঙ্ক্ষা, আন্দোলন-সংগ্রাম, স্বপ্ন ও স্বপ্ন রূপায়ণের এক নিখুঁত পরিকল্পনা এই ভাষণ।

তিনি বলেন, ‘উপস্থিত লাখ লাখ মুক্তিকামী জনতা সেদিন বঙ্গবন্ধুর ইঙ্গিত বুঝে পরবর্তী কর্তব্য নির্ধারণ করে নিয়েছিলেন। তারই প্রত্যক্ষ ফসল দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে অর্জিত লাল-সবুজের স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।

মোজাম্মেল হক বলেন, ‘৭ই মার্চ শুধু আমাদের জাতীয় জীবনে নয়, বিশ্ব-ইতিহাসেও এক মহিমান্বিত দিন। কারণ বঙ্গবন্ধুর এই ঐতিহাসিক ভাষণ আজ জাতিসংঘের ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব-ঐতিহ্য দলিল। এ স্বীকৃতি বাঙালি জাতির জন্যে এক বিরল সম্মান ও গৌরবের স্মারক।

সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই দিনে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমাবেশে ছন্দময় শব্দের ঝংকারে ১৮ মিনিটের যে ভাষণ দিয়েছিলেন তা ছিল মূলত বাঙালি জাতির আবেগ, স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষার এক মহাকাব্য। শব্দ চয়ন থেকে শুরু করে যার প্রতিটি শব্দ উচ্চারণে ছিল বঙ্গবন্ধুর অসীম সাহস, সীমাহীন ত্যাগ, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, বিচক্ষণতা, দূরদর্শিতা আর হৃদয় উৎসারিত তেজস্বিতা ও সম্মোহনী ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ।

কে এম খালিদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনের এ ভাষণ তার গভীর জীবনবোধের পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী চেতনা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার দর্শন ও কূটনৈতিক বুদ্ধির স্বাক্ষর বহন করে। তাই এই ভাষণ শুধু বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের দলিল নয়, বাঙালির মুক্তির চেতনারও প্রতীক।

আলোচনা সভার শুরুতে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের সম্পূর্ণ ভাষণের ভিডিও  প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা শেষে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়।


আরও খবর