Logo
আজঃ শনিবার ২৫ মে ২০২৪
শিরোনাম

প্রথম ধাপে গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।সম্ভব্য প্রার্থীরা মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছে

প্রকাশিত:সোমবার ০১ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৩৮৪জন দেখেছেন

Image

গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন প্রথম ধাপে(৮মে) অনুষ্ঠিত হবে।নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভব্য প্রার্থীরা গণসংযোগ ও ইফতার মাহফিলে ব্যস্ত সময় পার করছে।বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রাণ কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত গোদাগাড়ী উপজেলা ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ ও ২টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপজেলাটি জাতীয় পাটি,আওয়ামীলীগ ও বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছিল।গত নির্বাচনে আওয়ামীলীগের জাহাঙ্গীর আলম নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়।বর্তমান চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ছাড়াও সম্ভব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে গণসংযোগ ও মতবিনিময় করছেন গোদাগাড়ী পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি ও ব্যবসায়ী রবিউল আলম,দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বেলালউদ্দীন সোহেল,সাবেক সহকারী কমিশনার(কাস্টমস)সুনন্দন দাস রতন,জামায়াত ইসলামীর রাজশাহী জেলা(পশ্চিম) আব্দুল খালেক,জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন(এনডিএম)এর ধর্ম,সংখ্যালঘু এবং পার্বত্য বিষয়ক সম্পাদক ড.আব্দুর রহমান মুহসেনী ও বিএনপি নেতা সাজেদুর রহমান মার্কনী।আওয়ামীলীগের সম্ভব্য চার প্রার্থী স্থানীয় সংসদ সদস্য ওমর ফারক চৌধুরীর ঘনিষ্ট। তবে তিনি(এমপি)বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে সমর্থন জানিয়ে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছে ভোটের মাঠে জাহাঙ্গীর আলমের জন্য কাজ করতে। সম্ভব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে গোদাগাড়ী পৌর এলাকায় বাড়ী জাহাঙ্গীর আলম,রবিউল আলম, ড.আব্দুর রহমান মুহসেনী ও আব্দুল খালেকের।আর দেওপাড়ায় বেলালউদ্দীন সোহেল ও মাটিকাটায় সুনন্দন দাস রতনের।গত নির্বাচনে সাবেক উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি বদিউজ্জামানকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন ক্লিণ ইমেজের জাহাঙ্গীর আলম।মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা লীগের সভাপতি সুফিয়া বেগম মিলি,সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সাবেক সদস্য কৃঞ্চাদেবী,জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক উম্মে কুলসুম মেমোরী।গত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বীদ্বিতায় নির্বাচিত হন নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসাবে পরিচিত সুফিয়া খাতুন মিলি।ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল সরকার,পৌর আওয়ামীলীগরে যুগ্ন-সম্পাদক নাজমুল হক ও পৌর যুবলীগ সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন,জাতীয় আদিবাসী পরিষদের জেলা বিমল চন্দ্র রাজোয়াড়,জামায়াতের মুহাম্মদ কামরুজ্জামান।গত নির্বাচনে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মালেকের কাছে পরাজিত হন শফিকুল সরকার।বাকী তিনজন নির্বাচনে নতুন।


আরও খবর



বৃষ্টির জন্য কুষ্টিয়ায় ইস্তেকার নামাজে সকল ধর্মপ্রান মুসল্লিরা

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:পাপ কমান,তাপ কুমে যাবে। জলে স্থলে বিপর্যয় মানুষের কৃতকর্মের ফল । সুরা রুম , আয়াত ৩০ । তীব্রতাপদাহে কুষ্টিয়া জেলায় প্রতিদিন বিভিন্ন স্হানে পানির জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে খোলা আকাশের নিচে দাড়িয়ে দোওয়া ও ইস্তেকার নামাযে কান্নায় ভেঙে পড়েন ধর্মপ্রান মুসল্লিরা ॥

আরও খবর



আইফার্মার ও ইউসিবি’র প্রকল্প: অগ্রিম ঋণ পরিশোধ করলেন ভুট্টা ও মরিচ চাষিরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১৭০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ভুট্টা ও মরিচ চাষিদের জন্য ব্যাংক অর্থায়ন ও ঋণ পরিশোধের প্রকল্প গত বছর নভেম্বর থেকে সফলভাবে পরিচালনা করছে আইফার্মার ও ইউনাইডেট কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) পিএলসি।

প্রকল্পের অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে গত ১৩ মে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে অগ্রিম ঋণ পরিশোধ করতে ৭০ জনেরও বেশি কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

এই প্রকল্পের অধীনে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, মানসম্মত কৃষি উপকরণ ও পরামর্শ সেবাসহ বিভিন্ন সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন কৃষকরা; পাশাপাশি, প্রকল্পের মাধ্যমে ভুট্টা ও মরিচ চাষের ক্ষেত্রে ইউসিবি পিএলসি থেকে আর্থিক সহায়তাও গ্রহণ করেছেন তারা। গত বছরের নভেম্বরে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি শেষ হবে আগামী জুলাইয়ে।

এখন কৃষকরা তাদের ভুট্টা ও মরিচের আবাদ ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সভায় কৃষকরা তাদের সমস্যা ও তা সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। সভায় উপস্থিত কাজীপুরের স্থানীয় কৃষক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “আইফার্মার ও ইউসিবির এই প্রকল্প আমাদের অনেক সহায়তা করেছে। আগে মরিচ চাষ করার সময় আর্থিক সংকটের কারণে নানা ধরনের সমস্যা হতো। কিন্তু এই ঋণ নেয়ার পর আমি ঠিকভাবে জমিচাষ করতে পারছি, ফসল ফলাতে পারছি। এখান থেকে শুধু সুবিধাই পাচ্ছি না, একইসাথে ঋণ অগ্রিম পরিশোধ করতেও সক্ষম হয়েছি। এছাড়াও আই ফার্মার থেকে আমি কৃষি সম্পর্কিত নানান কৃষি পরামর্শ পেয়েছি, যা চাষাবাদের ক্ষেত্রে আমাকে অনেক সহায়তা করেছে।”

এ বিষয়ে আইফার্মারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ অপারেটিং অফিসার জামিল এম আকবর বলেন, “কৃষকরা আমাদের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন, আর তাদের কাজকে স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক করতে আর্থিক সেবা সহজ করাই আমাদের লক্ষ্য। কৃষকদের জন্য আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, আর আমরা আগামীতে এ ধরনের আরও উদ্যোগ নিয়ে আসার চেষ্টা করব। আমাদের গতবারের ভুট্টা প্রকল্পটি সফল হয়েছে, এবার তাই আমরা মরিচ ও ভুট্টা নিয়ে কাজ করছি। ইউসিবির সাথে আমাদের এই যৌথ উদ্যোগটি কৃষকদের জীবন ও কাজের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সক্ষম হওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা কৃষকদের সহায়তায় আমাদের অংশীদার হওয়ায় ইউসিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।”

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি’র স্থানীয় ব্রাঞ্চ অফিসার আরিফাত সিরাজী ও ব্রাঞ্চ ম্যানেজার নূপুর কর্মকার সহ অন্যান্য প্রতিনিধিরা। এছাড়াও, আইফার্মারের পক্ষ থেকে সভায় উপস্থিত ছিলেন ফাইন্যান্সিয়াল প্রোডাক্ট অ্যান্ড সার্ভিসের এক্সিকিউটিভ কাজী ফাহিম ফারহান সাজিদ, ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ অফিসার মো. তানজিল উল মউসুফ, রিজিওনাল কোঅর্ডিনেটর আনোয়ার হোসেন, এরিয়া কোঅর্ডিনেটর মো. রেজাউল করিম এবং এরিয়া ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম।


আরও খবর

হিলিতে ধান-চাল সংগ্রহের উদ্বোধন

বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪




ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদ ও কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ১ম দফা নির্বাচন জমে উঠেছে

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image

কামরুজ্জামান ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদ ও কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ১ম দফা নির্বাচন প্রচন্ড তাপদাহের মধ্যেও জমে উঠেছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় প্রার্থী হয়েছেন জেড এম রশিদুল আলম, মিজানুর রহমান মাছুম, গোলাম ছরওয়ার খান সঁউদ, এস এম আনিচুর রহমান, নূরে আলম বিপ্লব। সদর উপজেলা নির্বাচনে রশিদ ও মাছুমের প্রচারণা বেশি দেখা যাচ্ছে। সদরে ১৭টি ইউনিয়নে মোট ভোটার কেন্দ্র রয়েছে ১৬৫ টি। ৩ লাখ ৯০ হাজার ৯২৮ ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৯৫ হাজার ৪০৬ জন ও মহিলা ভোটার এক লাখ ৯৫ হাজার ৫১৯ জন। কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন শিবলী নোমানী, জাহাঙ্গীর হোসেন সোহেল, মতিয়ার রহমান মতি, রাশেদ শমশের ও ইমদাদুল হক। ১১ টি ইউনিয়নে মোট ভোট কেন্দ্র ৯১ টি। মোট ভোটার ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৪। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ২৪ হাজার ৩২৮ জন ও মহিলা ভোটার এক লাখ ২০ হাজার ৫৫৩।  



আরও খবর



ফুলবাড়ীতে ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূলে বীজ ও সার বিতরণ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১৭৭জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূলে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস চত্ত্বরে ৫৮০ জন প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন করেন ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর মোহাম্মদ আল কামাহ তমাল।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ৭টি ইউনিয়ন ও ১ পৌসরভার মোট ৫৮০ জন প্রান্তিক কৃষদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করেন। ৫শত কৃষকের মাঝে ধান বীজ ও সার এবং ৮০ জন কৃষকের মাঝে পাট বীজ ও সার দেওয়া হয়। ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে খরিপ-০১/২০২৪/২৫ মৌসুমে উফসী আউশ ও পাট চাষে প্রনোদনার জন্য ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূলে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ রুম্মান আক্তার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকতা মোঃ সোহানু রহমান সোহান  সহ কৃষি অফিসের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। এসময় প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আয়োজনে ছিলেন, ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস।


আরও খবর

হিলিতে ধান-চাল সংগ্রহের উদ্বোধন

বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪




এডিপির বার্ষিক উন্নয়ন ২০২৩-২৪ অর্থবছর, রৌমারীতে ৫৩ টি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৫৩জন দেখেছেন

Image

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা:কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ২০২৩/২৪ অর্থবছরে এডিপি’র আওতায় উপজেলায় উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের ৪ কিস্তিতে সম্ভাব্য ৯৭ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা বরাদ্দ পায় । উক্ত টাকা হতে ৩০% প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে এবং টেন্ডারের মাধ্যমে ৬৬ লক্ষ ৬৩ হাজার ৬৮০ টাকার মোট ৫৩ টি প্রকল্প গ্রহন করা হয়। সেই টাকার মধ্যে প্রকল্প কমিটির মাধ্যমে ১৭ টি প্রকল্প ও টেন্ডারের মাধ্যমে ৩৪ টি প্রকল্প এবং এডিপির মাধ্যমে ২টি প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষে প্রকল্প তালিকা চুরান্ত করা হয়। 

জানা গেছে,উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে রিংস্লাভ বিতরণ ১ লাখ টাকা। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বুক সেল বিতরণ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বিক্রিবিল তিন রাস্তার মোড় হতে উত্তর দিক পর্যন্ত রাস্তা এইচ বি করণ ১ রাখ টাকা । বন্দবেড় ইউনিয়ন এবং টাপুরচর বটতলার বেদীতে গোল চত্তর তৈরী ও টাইলস করণ ১ রাখ টাকা। উপজেলার সদর ইউনিয়নের ইজলামারী গ্রামের স্কুলের সামনে মসজিদের পূর্বদিকে গাইড ওয়াল নির্মাণ ১ লাখ টাকা। চরশৌলমারী ইউনিয়নের ফুলকারচর গ্রামের দায়রাপাক দরবার শরীফে টয়লেট ও টিউবওয়েল নির্মাণ ১ লাখ টাকা। শৌলমারী ইউনিয়নের বেহুলারচর গ্রামে উত্তর দিকে মসজিদে অজু খানা নির্মাণ ১ লাখ টাকা। দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের গাছবাড়ি মসজিদের অজু কানা নির্মাণ ১ লাখ টাকা। উপজেলার নারীদের কল্যাণের জন্য সেলাই মেশিন বিতরণ ২ লাখ ৯২ হাজার টাকা। ডিসি রাস্তা হতে শৌলমারী এম আর স্কুল গেট পর্যন্ত রাস্তা সিসি করণ ২ লাখ টাকা। চৎলাকান্দা আলমের বাড়ির নিকট পাকা হতে পূর্বদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাইয়ুম বাড়িগামী রাস্তা ও রৌমারী কাষ্টমস অফিসের অসমাপ্ত রাস্তা সিসি করণ ৩ লাখ টাকা। ২নং শৌলমারী ইউনিয়নের দুস্থ কৃষকের মাঝে ¯্রেেমশিন বিতরণ ২ লাখ টাকা। উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে কৃষকের মাঝে স্প্রেমেশিন বিতরণ ২ লাখ টাকা। বন্দবেড় ইউনিয়নের বাগুয়ারচর গ্রামের সবুর এর বাড়ির সামনে হেরিং এর মাথা হতে বাগুয়ারচর দাখিল মাদ্রাসা পর্যন্ত এইচবি করণ ২ লাখ টাকা। বন্দবেড় ইউনিয়নে কৃষক পরিবারের মাঝে স্প্রেমেশিন বিতরণ  ২ লক্ষ টাকা। চরশৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের অবশিষ্ট প্রাচীর নির্মাণ ৫ লক্ষ টাকা। চরশৌলমারী ইউনিয়নে সুখের বাতি জামে মসজিদের টয়লেট নির্মাণ ২ লাখ টাকা। কোমড় ভাঙ্গি সরকার পাড়া পাকা রাস্তা হতে উত্তর দিকে সিসি করণ ৫ লক্ষ টাকা। যাদুরচর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে কৃষকের মাঝে স্প্রেমেশিন বিতরণ ২ লক্ষ টাকা। দাঁতভাঙ্গা বাজারের পশ্চিম পাশ্বে সিসি রাস্তার মাথা হতে গুটলি গ্রাম গামী রাস্তায় সিসি করণ ৫ লক্ষ টাকা। দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে কৃষকের মাঝে স্প্রেমেশিন বিতরণ ২ লক্ষ টাকা। ৫ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ ইজলামারী কবিরাজের বাড়ি হইতে পুর্বদিকে আনোয়ার আর্মির বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সিসি করণ ৭ লাখ টাকা। ৪নং রৌমারী ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ডে স্প্রেমেশিন বিতরণ ২ লাখ টাকা। রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে হতদরিদ্র কৃষকের মাঝে স্প্রেমেশিন বিতরণ ২ লক্ষ টাকা। রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে হতদরিদ্র কৃষকের মাঝে স্প্রেমেশিন বিতরণ (অংশ ২ ) ২ লাখ টাকা। রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে হতদরিদ্র কৃষকের মাঝে স্প্রেমেশিন বিতরণ (অংশ ৩) ১ লাখ টাকা। যাদুরচর দিগলাপাড়া গ্রামের কওমি মাদ্রাসায় ঘর প্লাস্টার করণ ১ লাখ টাকা। জামি আ মাহমুদিয়া জান্নাতুল মাওয়া মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রীদের রান্নাঘর নির্মাণ ২ লাখ টাকা। ২নং শৌলমারী ইউনিয়নের বড়াইকান্দি বাজারের পশ্চিম পার্শে দাখিল মাদ্রসার ঘর মেরামত ১ লাখ টাকা। ৩নং বন্দবেড় ইউনিয়নের খঞ্জনমারা প্রতিবন্ধি স্কুলের ঘর পাকাকরণ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ৪নং রৌমারী ইউনিয়নের চরবামনেরচর ও রতনপুর হাফিজিয়া মাদ্রসার ঘরের মেঝে পাকা করণ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ৬নং চরশৌমারী ইউনিয়নের মিয়াচর চরের পশ্চিম পার্শ্বে হলহলিয়া নদীতে কাঠের ব্রিজ নির্মাণ ৩ লাখ টাকা। ৬নং চরশৌলমারী ইউনিয়ের মশালেরচর হলহলিয়া নদীর ওপর কাঠের ব্রিজ নির্মাণ ৩ লাখ টাকা। ৬নং চরশৌমারী ইউনিয়নের শান্তিরচর গ্রামের ঈদগাহ মাঠে টাইলসহ মিনার নির্মাণ করণ ২ লাখ টাকা। রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ক্রিয়া সংগঠনে খেলা সামগ্রী বিতরণ (পিআইসি) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে হতদরিদ্র কৃষকের মাঝে স্প্রেমেশিন বিতরণ (পিআইসি) ১ লাখ টাকা। দাতভাঙ্গা ইউনিয়নের তেকানী গ্রামের হাফিজিয়া মাদ্রাসার ঘর মেরামত করণ ১ লাখ টাকা। ২নং শৌমারী ইউনিয়নে বাউশমারী সাইদুর মাস্টারের বাড়ি সংলগ্ন মসজিদে টাইলস করণ ১ লাখ টাকা। ৩নং বন্দবেড় ইউনিয়নের জন্দিরকান্দা গ্রামে ঈদগাহ মাঠে গাইড ওয়াল নির্মাণ ১ লাখ টাকা। রৌমারী ইউনিয়নের বাওয়াইয়ারগ্রাম ইরাফিল মেম্বারের বাড়ি সংলগ্ন মসজিদে টয়লেট নির্মাণ ১ লাখ টাকা। রৌমারী ইউনিয়নের গোয়ালগ্রাম ঈদগাহ মাঠে মিনার নির্মাণ ১ লাখ টাকা। রৌমারী উপজেলার ৩টি প্রেসক্লাবে চেয়ার সরবরাহ করণ ১ লাখ টাকা। রৌমারী মৎস্য বিভাগের অধিন বিল নার্সারী স্থারী স্থাপন ৫০ হাজার টাকা। রৌমারী প্রাণি সম্পদ বিভাগের অধিন কৃমিনাশক ও ভিটামিন ক্রয় ৫০ হাজার টাকা। রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য খেলাধুলা সামগ্রি বিতরণ (পিআইসি) ২ লাখ টাকা। রৌমারী উপজেলা ভুমি অফিসের সামনে পুরাতন পোষ্ট অফিস মেরামত ও সংরক্ষণ ৪ লাখ টাকা। ভাষাসৈনিক মরহুম রুস্তম আলী দেওয়ানের কবরস্থান ও বাড়ি গমনের রাস্তা সিসি করণ ৩ লাখ টাকা। রৌমারী কৃষি বিভাগের অধিনে স্প্রেমেশিন ক্রয় ৫০ হাজার টাকা। শালুর মোড় থেকে কাজাইকাটা রাস্তা ১৫০ মিটার চেইনেজে কাঠের সাকো নির্মাণ ২ লাখ টাকা। খেতারচর গ্রামে আফুরুদ্দিনের বাড়ির সামনে খালের ওপর কাঠের সাকো নির্মাণ ২ লাখ টাকা। রৌমারী উপজেলা সকল উন্নয়ন কাজ তদারকি ব্যয় ৯৭ হাজার ২৮০ টাকা। রৌমারী উপজেলার সকল উন্নয়ন কাজের আনুসাঙ্গিক ব্যয় ৪৮ হাজার ৬৪০ টাকা। ৫৩ টি প্রকল্পে টেন্ডারের সাশ্রয়কৃত অর্থসহ মোট ১ কোটি ৮৭ হাজার ৯২০ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে।


আরও খবর