Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

পরিবারে শিশুর সংখ্যা বেশি হলে মানসিক বিকাশ ত্বরান্বিত হয়: গবেষণা

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

পরিবারে এক শিশুর তুলনায় দুই বা ততোধিক শিশু থাকলে তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ ত্বরান্বিত হয়। শুধু তাই নয়, শিশুর প্রাথমিক শৈশব বিকাশ পরিবারে শিশুর সংখ্যাধিক্যের ওপর নির্ভর করে। প্রত্যেক নতুন শিশুর জন্মে এ উন্নয়ন পাঁচ শতাংশ হারে বাড়তে থাকে।

গত ৫ এপ্রিল আমেরিকান বহুজাতিক প্রকাশনা সংস্থা উইলিতে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

‘আরলি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইটস অ্যাসোসিয়েশন উইথ ম্যাটারনাল প্যারিটি’ শিরোনামে গবেষণাটি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ বিভাগের শিক্ষক এম মফিজুল ইসলাম এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষক ড. নুরুজ্জামান খান।

বাংলাদেশ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে ২০১৯ এর তথ্য ইউনিসেফ নির্দেশিত চারটি ডোমেইন বিশ্লেষণ করে শিশুর প্রাথমিক বিকাশের ক্ষেত্রে এ তথ্য তুলে ধরেন গবেষকরা। ডোমেইনগুলো হলো শারীরিক বিকাশ, সাক্ষরতা ও সাংখ্যিক বিকাশ, শিখন ক্ষমতা ও সামাজিক আবেগ-অনুভূতির বিকাশ।

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ৩৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী (৩ থেকে ৫ বছর) ৯ হাজার ৩৮০টি শিশুর ওপর এ গবেষণা চালানো হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, দেশের ২৫ শতাংশ শিশুর প্রাথমিক শৈশব বিকাশ ঠিকমতো হচ্ছে না। ৭১ শতাংশ শিশুর সাক্ষরতা ও সাংখ্যিক বিকাশ বিঘ্নিত হচ্ছে, ২৭ শতাংশ শিশু সামাজিক আবেগের দিক থেকে অবিকশিত থেকে যাচ্ছে। ৯ শতাংশ শিশু শেখার দিক থেকে পিছিয়ে পড়ছে। আর ১ শতাংশ শিশু শারীরিকভাবে বিকশিত হচ্ছে না। এ সমস্যাগুলোর উল্লেখযোগ্য অংশ ঘটছে পরিবারে শিশুর সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ার কারণে।

গবেষণা বলছে, শিশুদের প্রাথমিক বিকাশের ওপর তাদের মা কত সংখ্যক সন্তান গ্রহণ করছেন তার একটি সম্পর্ক রয়েছে। শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নির্ভর করে মায়েদের সন্তান গ্রহণের ওপর। একজন মা একের অধিক সন্তান গ্রহণ করলে শিশুদের বিকাশ ত্বরান্বিত হয়। এক্ষেত্রে মায়েরা যদি মাধ্যমিক অথবা উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করে থাকেন তাহলে অন্যদের তুলনায় সেই মায়ের শিশু সঠিকভাবে বিকশিত হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গবেষক ড. নুরুজ্জামান খান জাগো নিউজকে বলেন, ‘মূলত তিনটি কারণে সমস্যাগুলো হচ্ছে। প্রথমত, বাংলাদেশে শিক্ষিত পরিবারগুলো সন্তান কম নিতে আগ্রহী। বাবা-মা শিক্ষিত হওয়ায় তারা চাকরিক্ষেত্রে প্রবেশ করেন। এতে তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। যে কারণে ওই পরিবারের শিশুটি মা-বাবার কাছ থেকে পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছে না। ফলে শিশুটি বেড়ে উঠছে বাড়ির কাজের মানুষটির সঙ্গে অথবা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসে বুঁদ হয়ে, যেটা সবচেয়ে বেশি হয়। এতে ওই শিশুটির বিকাশ বিঘ্নিত হচ্ছে।’

‘দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে শিশুদের প্রাথমিক বিকাশ নিয়ে তেমন কোনো একাডেমিক পড়াশোনার ব্যবস্থা নেই। এ সম্পর্কে বাবা-মায়েদের জ্ঞান নেই বললেই চলে। তারা বেশিরভাগই অসচেতন। জাতীয় পর্যায়েও এ ব্যাপারে সচেতনামূলক কোনো ক্যাম্পেইন লক্ষ্য করা যায় না। তৃতীয়ত, দেশে যৌথ পরিবারগুলো ভেঙে যাচ্ছে। ফলে শিশুদের একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের পথ রুদ্ধ হচ্ছে। এটি একটি বড় সমস্যা।’

‘মূলত, পরিবারে সন্তান বেশি থাকলে শিশুরা নিজেদের সঙ্গে মিশতে পারে। একে অন্যের সঙ্গে সময় কাটালে উৎফুল্লতা বাড়ে। ফলে উন্নয়ন ঘটে’, যোগ করেন এ গবেষক।

সমস্যাগুলোর সমাধান কী জানতে চাইলে ড. খান বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত শিশুদের প্রাথমিক বিকাশ সম্পর্কে পড়াশোনার ফিল্ড তৈরি করা। প্রি-প্রাইমারি (প্রাক-প্রাথমিক) লেভেলে জোর দিতে হবে। বাবা-মায়েদের সন্তানদের সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে। বাবা-মা যেন পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের সঙ্গে বেশি সময় দেন সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি জরুরিভাবে ডিভাইস ডিপেন্ডেন্সি কমাতে হবে। হোক বাবা-মা কিংবা শিশু। সন্তানদের সমবয়সী শিশুদের সঙ্গে পর্যাপ্ত সময় কাটানোর ব্যবস্থা করতে হবে।’


আরও খবর



বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ও ডিএমটি কনসালটিংয়ের চুক্তি

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড ও ডিএমটি কনসালটিং লিমিটেডের মধ্যে ‘প্রিলিমিনারি স্টাডি ফর ডেভেলপমেন্ট অব আলীহাট আয়রন ওর ডিপোজিট অ্যাট হাকিমপুর, দিনাজপুর, বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

সোমবার (২৫ জুলাই) বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) বোর্ড রুমে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। পেট্রোবাংলার জনসংযোগ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক তারিকুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পেট্রোবাংলার পরিচালক, ডিএমটি কনসালটিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. ভ্যাসিলস রোবসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম সরকারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষে কোম্পানি সচিব উম্মে তাজমেরী সেলিনা আখতার এবং ডিএমটি কনসালটিং লিমিটেডের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. ভ্যাসিলস রোবস চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন।

জিওলজিক্যাল সার্ভে অব বাংলাদেশ (জিএসবি) দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার আলিহাট এলাকায় একটি লৌহ আকরিক সমৃদ্ধ শিলাখনির সন্ধান পায়। প্রাথমিকভাবে পাঁচ বর্গকিলোমিটার এলাকায় প্রায় ৬২৫ মিলিয়ন টন আয়রন ওর মজুদ রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এ আয়রন ওর সমৃদ্ধ শিলার গভীরতা ৪২৬ থেকে ৫৪৮ মিটার। সমৃদ্ধ শিলা স্তরে আয়রন ওর-এর পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ।

এ শিলা স্তর সমূহের গড় পুরুত্ব ৬৮ মিটার। পরবর্তীতে আলিহাট আয়রন ওর ক্ষেত্রের ফিজিবিলিটি স্টাডি পরিচালনার দায়িত্ব বিসিএমসিএল-কে দেওয়া হয়। এ প্রেক্ষিতে বিসিএমসিএল থেকে ৬ বর্গকিলোমিটার এলাকায় একটি প্রিলিমিনিয়ারি স্টাডি করা হবে। এ স্টাডি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আয়রন ওর-এর মজুত পর্যাপ্ত এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক বিবেচিত হলে পরবর্তীতে মাইনিং করার লক্ষ্যে বিস্তারিত ফিজিবিলিটি স্টাডি পরিচালনা করা হবে।


আরও খবর



ঢাকায় চাকরির সুযোগ দিচ্ছে প্রমি এগ্রো ফুডস

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
Image

প্রমি এগ্রো ফুডস লিমিটেডে ‘এক্সিকিউটিভ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৪ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: প্রমি এগ্রো ফুডস লিমিটেড
বিভাগের নাম: গ্রাফিক্স ডিজাইন

পদের নাম: এক্সিকিউটিভ
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক
অভিজ্ঞতা: ০৫ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ২৫-৩৫ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা (উত্তর খান)

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২৪ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরে শিশু হত্যায় সৎ বাবার যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ৩০ July ২০২২ | ১১জন দেখেছেন
Image

লক্ষ্মীপুরে ডাব খাওয়ানোর কথা বলে শ্বাসরোধে মামুন হোসেন নামে (১২) এক শিশুকে হত্যার ঘটনায় সৎ বাবা মো. মাকসুদ ওরফে মাসুদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।

লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বলেন, দাম্পত্য বিরোধকে কেন্দ্র করে শিশু মামুনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ একটি নালায় ফেলে রাখে মাসুদ। আদালতে মাসুদ হত্যাকারী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। রায়ের সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন।

মাসুদ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুর ইউনিয়নের চৌপল্লী গ্রামের হাসান চৌকিদারের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বাদী রাহেনা বেগম সুমি সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের টুমচর গ্রামের কলিম উল্যার মেয়ে। ২০১২ সালে প্রথম স্বামী বরিশালের বাসিন্দা আবু ছিদ্দিকের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়। এ সংসারে সুমন ও মামুন নামে দুই ছেলে ছিল। পরে মাসুদের সঙ্গে সুমির দ্বিতীয় বিয়ে হয়। তারা চট্টগ্রামে বসবাস করতো। সুমির আগের সংসারের ছেলেরা টুমচর গ্রামে নানার বাড়িতে থাকতো। নানি মারা গেলে সুমি তাদেরকে চট্টগ্রামে নিজের কাছে নিয়ে যায়। এনিয়ে স্বামী মাসুদের সঙ্গে মনোমালিন্য দেখা দেয়। এতে বড় ছেলে সুমনকে অন্যত্র কাজে দিয়ে দিলেও ছোট ছেলে মামুন সঙ্গেই থাকতো।

২০১৮ সালের ২১ জানুয়ারি সুমি তার ছেলে মামুন ও স্বামী মাসুদকে নিয়ে টুমচর গ্রামে বাবার বাড়িতে আসে। তখন স্থানীয় একটি মাদরাসায় মাহফিল চলছিল। মাহফিলে যাওয়ার কথা বলে মামুনকে নিয়ে মাসুদ ঘর থেকে বের হয়। সেখান থেকে ফেরার পথে ডাব খাওয়ানোর কথা বলে মাসুদ একটি নির্জন বাগানে তাকে নিয়ে যায়। সেখানে নাক-মুখ চেপে ধরে মামুনকে হত্যা করা হয়। পরে নালায় ফেলে রেখে বাড়ি যান। বাড়িতে মামুনের কথা জিজ্ঞেস করলে মাহফিল থেকে হারিয়ে গেছে বলে জানায় মাসুদ। এতে তিনি নিজেই অন্যদের সঙ্গে মামুনকে খুঁজতে থাকে। পরদিন দুপুরে মামুনের মরদেহ নালায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ ঘটনায় সুমি বাদি হয়ে সদর মডেল থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ মাসুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।


আরও খবর



জাতীয় প্রেস ক্লাবে অমিত হাবিবের জানাজা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Friday ২৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক অমিত হাবিবের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) বেলা ১১টা ৪২ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের টেনিস গ্রাউন্ডে এ জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের মসজিদের ইমাম মাওলানা জসিম উদ্দিন।

এতে অংশ নেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, দৈনিক সমকালের সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, ডিবিসি সম্পাদক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সহ-সভাপতি হাসান হাবীব। এছাড়াও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, সাংবাদিক নেতা, রাজনৈতিক নেতা এবং তার সহকর্মীরা জানাজায় অংশ নেন।

এর আগে বেলা ১১টা ১০ মিনিটে সাংবাদিক অমিত হাবিবের মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাবে  আনা হয়। জানাজা শেষে তার মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্বস্তরের সাংবাদিকরা।

jagonews24

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রাত ১১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে মারা যান সাংবাদিক অমিত হাবিব। শুক্রবার সকাল ১০টায় দেশ রূপান্তরের কার্যালয়ে প্রথম জানাজা শেষে তার মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাবে আনা হয়।

অমিত হাবিব এর আগে দৈনিক কালের কণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন। তার আগে দৈনিক সমকালের প্রধান বার্তা সম্পাদকের পদ ছেড়ে ২০০৯ সালে কালের কণ্ঠে নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। পরে ২০১৩ সাল থেকে উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

১৯৮৭ সালে খবর গ্রুপ অব পাবলিকেশন্সে একই সঙ্গে প্রতিবেদক ও সাব-এডিটর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন অমিত হাবিব। পরে সাপ্তাহিক পূর্বাভাস পত্রিকায় সাব-এডিটর পদে যোগ দেন। ১৯৯১ সালে দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকায় সিনিয়র সাব-এডিটর হিসেবে যোগ দেন। এর পরের বছর একই পদে যোগ দেন দৈনিক ভোরের কাগজে। অল্প দিনের মধ্যে পদোন্নতি পেয়ে যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও পরে বার্তা সম্পাদক হন তিনি।

২০০৩ সালে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন খ্যাতিমান এই সাংবাদিক। তবে পত্রিকাটি বাজারে আসে ২০০৬ সালে। ২০০৭ সালে চীনের আন্তর্জাতিক বেতারে বিদেশি বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগ দিয়ে বেইজিংয়ে কর্মরত থাকা অমিত হাবিব দেশীয় সাংবাদিকতার সঙ্গে দূরত্বের কথা বিবেচনায় তা ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন। পরের বছর দৈনিক সমকালে প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন তিনি।


আরও খবর



ত্রিভুজ প্রেমের জেরে পোশাকশ্রমিক ইমনকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ৩০ July ২০২২ | ১৩জন দেখেছেন
Image

পোশাকশ্রমিক ইমন রহমান (২১) ও রাশেদুল ইসলাম রাসু (২২) দুজনে ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা দুজনই এক তরুণীর প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি প্রথমে গোপন থাকলেও ইমন ওই তরুণীকে বকা দেওয়ার পর পাল্টে যায় পরিস্থিতি।

রাগের বশে তরুণী ইমনের বিরুদ্ধে রাসুর কাছে অভিযোগ করেন। এরপর রাসু ও তার সহযোগীরা ইমনকে ডেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তুরাগ নদে ফেলে দেন। ৯ দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌপুলিশ।

বুধবার (২৭ জুলাই) ভোররাতে টাঙ্গাইল থেকে রাশেদুল ইসলাম রাসুকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে গাজীপুর থেকে তার সহযোগী বিপুল চন্দ্র বর্মণকে গ্রেফতার করা হয়।

jagonews24

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন।

তিনি বলেন, ‘ইমনকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন গ্রেফতার রাসু ও বিপুল চন্দ্র। ইমন, রাসু, বিপুল সবাই একই স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। তারা একে অপরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বর্তমানে তাদের মধ্যে কেউ কেউ পোশাকশ্রমিক। কয়েক বছর ধরে এ গ্রুপটি মাদক সেবন ও কারবারিতে জড়িয়ে পড়ে।’

jagonews24

লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন জানান, গত ৭ জুলাই ইমনকে মোবাইলে কল করে বাসা থেকে ডেকে নেয় রাসু। তিনি ইমনের কাছে জানতে চান, কেন সে তার প্রেমিকাকে বকা দিয়েছে, ডিসটার্ব করছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে রাসু ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইমনকে কোপাতে শুরু করেন। এসময় তার সহযোগীরাও ইমনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। ইমন নিস্তেজ হয়ে গেলে তাকে তুরাগ নদে ফেলে দেন তারা। পরে ১৬ জুলাই নৌপুলিশ ইমনের মরদেহ উদ্ধার করে।

র‍্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘মূলত এক তরুণীর সঙ্গে ইমন ও রাসুর প্রেম ছিল। ত্রিভুজ প্রেমের বলি হয়েছেন ইমন।’

জানা গেছে, গত ৭ জুলাই রাতে খাবার খেয়ে ২০০ টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হন ইমন। রাতে আর বাসায় ফেরেননি। এরপর পাঁচদিন তার পরিবার তাকে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান পাননি। পরে ১১ জুলাই থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি করা হয়।


আরও খবর