Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

পরীমণির পাশে দাঁড়ালেন ডিপজল

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১৯জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:দুই বছর পর ফের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) কুরবানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত ও জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি। তবে এবার কুরবানির সঙ্গে একটি শর্তজুড়ে দিয়েছেন তিনি। বিএফডিসিতে আনন্দময় পরিবেশের নিশ্চয়তা পেলে তবেই সেখানে কুরবানি দেবেন বলে জানিয়েছেন এ নায়িকা।

এ অভিনেত্রী বলেন, আমি এবার কুরবানি দিতে চাই। এ জন্য বিএফডিসির কেউ যদি সেখানে আনন্দময় পরিবেশে সবাইকে নিয়ে কুরবানির নিশ্চয়তা দিতে পারে, তবেই সেখানে কুরবানি দেব।

অভিনেত্রীর মন্তব্য দৃষ্টিগোচর হয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদ্য নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজলের।

এ ব্যাপারে তিনি জানান- পরীমণিকে বিএফডিসিতে কুরবানি দেওয়ার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। আনন্দময় পরিবেশ থাকবে বিএফডিসিতে। আমরা সবাই একসঙ্গে ঈদ ও কুরবানির আনন্দ ভাগাভাগি করব। বিএফডিসিতে কুরবানি দেওয়ার জন্য কেন বাধা দেওয়া হবে? আগে বাধা দেওয়ার ব্যাপারে জানা নেই আমার। আমরা একসঙ্গে কুরবানি দেব, সবাই আনন্দ-ভাগাভাগি করব। কুরবানি শেষ হলে ময়লা-আবর্জনা ধুয়ে পরিস্কার করা হবে।

অভিনেতা ডিপজল বলেন, পরীমণিকে আমরা সব ধরনের সহায়তা করব। তার পাশে রয়েছি আমরা। সুন্দর পরিবেশের নিশ্চয়তা দিচ্ছি তাকে। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব। বিএফডিসিতে এবার উৎসবমুখর পরিবেশে কুরবানি দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে বিএফডিসিতে প্রথমবারের মতো কুরবানি দেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। পরবর্তী পাঁচ বছর সেই ধারাবাহিকতায় বজায় রেখে কুরবানি দিয়েছেন। সবশেষ ২০২১ সালে ৬টি গরু কুরবানি দেন তিনি। ওই বছর বিএফডিসির ভেতরে কুরবানি দেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে বাইরে কুরবানি দিয়েছিলেন এ অভিনেত্রী।

পরীমণি বর্তমানে ‘রঙিলা কিতাব’ নামে একটি ওয়েব সিরিজের কাজ করছেন। কিঙ্কর আহসানের ‘রঙিলা কিতাব’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিতব্য সাত পর্বের সিরিজটি পরিচালনা করছেন অনম বিশ্বাস।


আরও খবর



মারা গেছেন ‘জল্লাদ’ শাহজাহান

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৬ আসামিসহ প্রায় ২৬ জনের ফাঁসির দড়ি টানা আলোচিত ‘জল্লাদ’ শাহজাহান ভূঁইয়া মারা গেছেন।

আজ সোমবার (২৪ জুন) রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

কারা সূত্রে জানা যায়, জল্লাদ শাহজাহান ২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২৬ জনের ফাঁসি দিয়েছেন। এর মধ্যে ছয়জন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, চারজন যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গি নেতা বাংলাভাইসহ দুজন জেএমবি সদস্য এবং আরও ১৪ জন অন্যান্য আলোচিত মামলার আসামির ফাঁসি কার্যকর করেছেন তিনি।

জল্লাদ শাহজাহানের বোন ফিরোজা বেগমর জানান, ভাই বেশ কিছুদিন ধরে ঢাকার অদূরে হেমায়েতপুরে থাকতেন। রোববার রাতে তার বুকে ব্যথা শুরু হলে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।

জানা যায়, ১৯৯১ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ৩৬টি মামলায় শাহজাহানের ১৪৩ বছরের সাজা হয়। পরে ৮৭ বছরের সাজা মাফ করে তাকে ৫৬ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ফাঁসি কার্যকর ও সশ্রম কারাদণ্ডের সুবিধার কারণে সেই সাজা ৪৩ বছরে এসে নামে। দুটি মামলায়পাঁচ হাজার টাকা করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাস করে অতিরিক্ত এক বছর জেল খেটে ৩২ বছর পর ১৮ জুন মুক্ত আকাশে শ্বাস ফেলার সুযোগ পাবেন জল্লাদ শাহজাহান।

সহযোগী জল্লাদ হিসেবে গফরগাঁওয়ের নূরুল ইসলামকে ফাঁসি দিয়ে শাহজাহান তার জল্লাদ জীবনের সূচনা করেন। এরপর কারাগারে কারও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় আসলেই ডাক পড়তো তার। টানা আট বছর এই কাজ করার পর কারা কর্তৃপক্ষ তাকে প্রধান জল্লাদের স্বীকৃতি দেন।


আরও খবর



উপজেলা চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যানদের প্রথম সভা আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৩২জন দেখেছেন

Image

মোঃ আব্দুল হান্নান, নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ৩০মে ২০২৪ রোজ বৃহস্পতিবার  সকাল  ১০ ঘটিকায় সময়,উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের চতুর্থ তলায়,উপজেলা পরিষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।


সভার শুরুতেই উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান  রোমা আক্তার ও ভাইস চেয়ারম্যান দ্বয়দেরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৃথক পৃথক ভাবে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইমরানুল হক ভূঁইয়া।


এসময় নাসির নগর উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বৃন্দ ও ফুল দিয়ে বরণ করে নেন, উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কে।


এ সময় স্বজন সংগঠনের পক্ষ থেকে উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান  কে, স্বর্ণের হাড় উপহার দেন, প্রবীন মুরব্বি মোঃ বাবু মিয়া।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নাজির মিয়া প্রমূখ।  এরপর সভার নিয়মানুযায়ী কার্যক্রম শুরু হয়।

   -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



সুনামগঞ্জে মহাবিপদে খামারী ও ব্যবসায়ীরা: প্রশাসন নিরব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৫৫জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া-সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে অবাধে গরু, ছাগল, মহিষ, ঘোড়া ও চুনাপাথর, কয়লা, চিনি, পেয়াজসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য পাচাঁর করা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর ফলে একদিকে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার, অন্যদিকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত চোরাচালান বাণিজ্য করে সীমান্ত চোরাকারবারীদের গডফাদার ও সোর্স বাহিনীরা এখন কোটিপতি। আর তাদের কারণে মহাবিপদে পড়েছে খামারী ও বৈধ ব্যবসায়ীরা। তারপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমান্ত চোরাচালান বন্ধের জন্য জোড়ালো কোন পদক্ষেপ নেওয়া খবর পাওয়া যায়না। 

এলাকাবাসী, ব্যবসায়ী ও খামার মালিকরা জানান- খাদ্য, চিকিৎসা ও বিদ্যুৎ বিলসহ শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির কারণে পশুপালনে ব্যয় ভার দ্বিগুন বেড়েছে। এমতাবস্থায় জেলার দোয়ারাবাজার, ছাতক, সুনামগঞ্জ সদর, বিশ^ম্ভরপুর, তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলা সীমান্ত পথে প্রতিদিন শতশত গরু, মহিষ, ছাগল পাচাঁর হচ্ছে। পাচাঁরকৃত গরু হাট-বাজারে কম দামে বিক্রি হওয়ার কারণে জেলার খামারীরা পড়েছেন মহা বিপদে। এদিকে গত ৭দিনে তাহিরপুর উপজেলার বীরেন্দ্রনগর সীমান্তের লামাকাটা ও সুন্দরবন এলাকা দিয়ে গডফাদার তোতলা আজাদের নেতৃত্বে তার সোর্স একাধিক মামলার আসামী লেংড়া জামাল, গোলাম মস্তোফা প্রায় ২হাজার মেঃটন কয়লা, ৫শ মেঃটন চিনি ও ২৫০ মেঃটন পেয়াজ পাচাঁর করাসহ পাশের চারাগাঁও সীমান্তের জঙ্গলবাড়ী, কলাগাঁও, এলসি পয়েন্ট, বাঁশতলা ও লালঘাট এলাকা দিয়ে সোর্স রফ মিয়া, আইনাল মিয়া, রিপন মিয়া, সাইফুল মিয়া, দীপক মিয়া, সোহেল মিয়া, আনোয়ার হোসেন বাবলু ও বাবুল মিয়াগং প্রায় ১০হাজার মেঃটন কয়লা ও চুনাপাথরসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য পাচাঁর করে বিজিবি ক্যাম্পের আশেপাশে অবস্থিত ডিপু ও বসতবাড়িতে মজুত করে রেখেছে। অন্যদিকে বালিয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে প্রায় ১হাজার মেঃটন কয়লা ও মাদকদ্রব্য পাচাঁর করে দুধেরআউটা, লাকমা, বিন্দারবন্দ গ্রামে মজুত করেছে সোর্স রতন মহলদার, কামরুল মিয়া, ইয়াবা কালাম, হোসেন আলী, জিয়াউর রহমান জিয়া ও মনির মিয়াগং। এদিকে টেকেরঘাট সীমান্তের চুনাপাথর খনি প্রকল্প, বড়ছড়া, বুরুঙ্গছড়া ও রজনী লাইন এলাকা দিয়ে সোর্স আক্কল আলী, রুবেল মিয়া, কামাল মিয়া, সাইদুল মিয়া ও মুহিবুর মিয়াগং প্রায় ১০হাজার মেঃটন কয়লা ও ১৫শ মেঃটন চুনাপাথর পাথর করে টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পের আশেপাশে ও বড়ছড়া শুল্কস্টেশনের বিভিন্ন ডিপু ও বসতবাড়িতে ওপেন মজুত করে রেখেছে। পাশের চাঁনপুর ও লাউড়গড় সীমান্তের নয়াছড়া, গারোঘাট, রাজাই, কড়ইগড়া, বারেকটিলা এলাকা দিয়ে সোর্স জামাল মিয়া, রসমত আলী, নজরুল মিয়া, বটকুন মিয়া, সাহিবুর মিয়াগং ওপেন গরু, মদ, ইয়াবা, চিনি, পেয়াজ, নাসির উদ্দিন বিড়ি ও ফুসকা পাচাঁর করছে। এছাড়া লাউড়গড় সীমান্তের যাদুকাটা নদী, পুরান লাউড়, সাহিদাবাদ এলাকা দিয়ে সোর্স বায়েজিদ মিয়া, জসিম মিয়া, রফিক মিয়া, নুরু মিয়া ও মোস্তাফা মিয়াগং অবাধে পিয়াজ, চিনি, গরু, কয়লা ও পাথর পাচাঁর করে বিজিবি ক্যাম্পের আশেপাশে মজুত করে ওপেন বিক্রি করলে নেওয়া হয়না আইনগত কোন পদক্ষেপ। এছাড়াও পাশের বিশ^ম্ভরপুর উপজেলার মাছিমপুর, চিনাকান্দি, ডলুরা ও সুনামগঞ্জ সদরের নারায়নতলাসহ একাধিক এলাকা দিয়ে অবাধে চিনি, পেয়াজ ও গরু পাচাঁরের খবর পাওয়া গেছে।

এব্যাপারে তাহিরপুর উপজেলার বড়ছড়া কয়লা ও চুনাপাথর আমদানী কারক সমিতির আন্তর্জাতি বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের বলেন-সীমান্ত চোরাচালানের কারণে আমরা কয়েক হাজার বৈধ ব্যবসায়ীরা মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছি। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনকে বারবার অবগত করার পরও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়না। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা নবী হোসেন বলেন- গডফাদার তোতলা আজাদ ও তার সোর্স আক্কল আলী চোরাচালান ও চাঁদাবাজি করে কোটিকোটি টাকা মালিক হয়েছে। তারপরও প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়না। উত্তর বড়দল ইউপি মেম্বার কফিল উদ্দিন বলেন- চাঁনপুর ক্যাম্পের বিজিবিকে ম্যানেজ করে চোরাকারবারীরা ওপেন গরু,মদ,গাঁজা, ইয়াবা পাচাঁর করছে। আমরা তাদেরকে বারবার জানানোর পরও তারা আইনগত পদক্ষেপ নেয়না।

দোয়ারাবাজার উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও খামারী রফিকুল ইসলাম বলেন- সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে অবৈধ ভাবে আসা গরু বাজার সয়লাব হওয়ার কারণে আমরা খামারীরা দুশ্চিন্তায় পড়েছি। এব্যাপারে প্রশাসনের সহযোগীতা জরুরী প্রয়োজন। সুনামগঞ্জের টেকেরঘাট বিজিবির কোম্পানীর কমান্ডার দীলিপ বলেন- সীমান্ত দিয়ে কিছু হতে তো দেখিনা, আপনারা চোরাচালানের খবর পেলে জানাবেন, ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



যবিপ্রবি'র ছাত্রাবাসে শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতনের অভিযোগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৪ জুন) গভীর রাতে যবিপ্রবির শহীদ মসিয়ূর রহমান ছাত্রাবাসের ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানার ৩০৬ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার শিকার শিক্ষার্থী শাহরীন রহমান প্রলয় (২৪) বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রাবাসের আবাসিক ছাত্র।

গুরুতর আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থী যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী যবিপ্রবি প্রশাসনের কাছে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানার নেতৃত্বে তার সমর্থকরা তার ওপর রাতভর নির্যাতন করেছে। এর পর তাকে গুলি করে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয় ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৩ জুন) ক্যাম্পাসে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে শাহরীনকে মারধর করেন শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান ২০২৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ও ক্যাম্পাস ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানার অনুসারী শাহীনুর রহমান। এ ঘটনায় শাহীনুরের বিরুদ্ধে প্রক্টর বরাবর অভিযোগ দেন শাহরীন। এ ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ছাত্রাবাসের নিজ কক্ষ থেকে শাহরীনকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে ছাত্রলীগের সভাপতির কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় ছাত্রলীগের সভাপতিসহ তার কয়েকজন অনুসারী উপস্থিত ছিলেন। এসময় শাহরীনকে এলোপাতাড়ি মারধর ও রড দিয়ে পেটানো হয়। দফায় দফায় নির্যাতন চলে রাত ২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত। ঘটনাটি যাতে ভুক্তভোগীরা কাউকে জানাতে না পারেন, সেজন্য শাহরীন ও তার রুমমেট (সহপাঠী) আমিনুল ইসলামের ফোন কেড়ে নেন অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে ঘটনা জানাজানির ভয়ে বুধবার সকালে মোটরসাইকেলযোগে কালিগঞ্জ বারোবাজার গ্রামের বাড়ি চলে যান শাহরীন। দুপুরে তার মায়ের ফোনে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন আসে। বিষয়টি যাতে কাউকে না জানানো হয়, সেজন্য হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি এ বিষয়ে কাউকে জানালে বাড়িতে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেয় দুবৃর্ত্তরা।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী শাহরীন বলেন, সোমবার আমার মাথা ফাটিয়ে দেওয়ায় ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম। এ ঘটনায় ঘুম থেকে তুলে রাত ২টায় ক্যাম্পাস ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানা ভাইয়ের নির্দেশে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে যায় ছাত্রলীগ কর্মী আমিনুল ইসলাম ও সিয়াম। সভাপতির কক্ষে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতা আশিকুজ্জামান লিমন, ইসাদ, রায়হান রহমান রাব্বি, বেলাল হোসেন, শেখ বিপুল, রাইসুল হক রানাসহ প্রায় ১০-১৫ জন আমাকে মারধর শুরু করে। এসময় রুমের মেঝেতে লুটিয়ে পড়ি। তখন তারা আমাকে লাথি মারতে থাকে। তারা আমাকে বলতে থাকে কেন প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিস? এসময় তারা আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। একপর্যায়ে মোটা রড দিয়ে আমার সারা শরীরে পেটাতে শুরু করে। ভোর ৫টা পর্যন্ত চলে দফায় দফায় নির্যাতন। আমার মনে হচ্ছিল আমিও মনে হয় বুয়েটের আবরার ফাহাদের মতো মরে যাব। প্রাণে বাঁচতে আমি ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানা ভাইয়ের পা জড়িয়ে ধরে বাঁচার আকুতি জানাই।এসময় সোহেল রানা বলেন, কালকের মধ্যে অভিযোগ তুলে নিবি, নাহলে তোকে গুলি করে মারব। এসময় সোহেল আমাকে বুকে লাথি মেরে মেঝেতে ফেল দেয়। ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাগ গুছিয়ে বাড়ি চলে যাবি বলে নির্দেশ দেয়।

হাসপাতালে কান্নাজড়িত কণ্ঠে শাহরীন বলেন, আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অভিযুক্তরা আমার পরিবারের ওপর বোমা মারার হুমকি দিচ্ছে। এ ঘটনার বিচার চাই। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানা বলেন, ছাত্রলীগের বিভিন্ন গ্রুপিং-দ্বন্দ্ব থাকে। এসব গ্রুপিংয়ে বারবার আমার নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে যা হয়েছে, সেটা মাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ঘটনার দিন আমি ক্যাম্পাসে ছিলাম না। যশোরের বাইরে ছিলাম। মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে ছাত্রাবাসে প্রবেশ করেছি।রাজনীতিকভাবে আমি প্রতিহিংসার শিকার।

যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে দেখে এসেছি। সে আমার কাছে অভিযোগ জানিয়েছে। এ ঘটনা তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



মাতুয়াইল ইউলুপে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ট্রাফিক পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও র‍্যালী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ১৬৪জন দেখেছেন

Image

সোহরাওয়ার্দীঃমাতুয়াইল ইউলুপ এলাকায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ট্রাফিক পুলিশের উদ্যেগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী-২০২৪ পালন করা হয়।

“করব ভূমি পুনরুদ্ধার, রুখবো মরুময়তা, অর্জন করতে হবে মোদের খরা সহনশীলতা”-এ স্লোগানকে সামনে রেখে এই কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

গতকাল বুধবার (৫ জুন) দুপুরে ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে মাতুয়াইল ইউলুপ এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ আশরাফ ইমামের নেতৃত্বে ও ট্রাফিক ডেমরা জোনের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) বদরুল আলম রানা'র সঞ্চালনায় এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সুলতানা ইশরাত জাহান, ট্রাফিক ডেমরা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মুস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস,ট্রাফিক যাত্রাবাড়ী বিভাগের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার তানজিল আহমেদ,ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সহকারি পুলিশ কমিশনার কপিল দেব গাইন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৪,৬৫,৬৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলর নিলুফা ইয়াসমিন লাকিসহ ডেমরা, যাত্রাবাড়ী ও ওয়ারী বিভাগের ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা।

এদিকে বুধবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে র‍্যালী কর্মসূচীও পালন করে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ। র‍্যালীটি মাতুয়াইল ইউলুপ থেকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন বিভিন্ন অংশে প্রদক্ষিণ করেন।

ডিসি মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম বলেন, পৃথিবীতে আবহাওয়া ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে। বৃদ্ধি পাচ্ছে খরতা ও মরুময়তা। তাই এই প্রচন্ড খরা মরুময়তা নিয়ন্ত্রণ করতে বৃক্ষরোপনের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে সকলের মাঝে সচেতনতা ফিরিয়ে আনতে ও সবুজ পৃথিবী গড়তে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের এই আয়োজন। যা অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর