Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৯০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক মন্ত্রী অ্যান-মারি ট্রেভেলিয়ান। আজ রোববার সকালে সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে গত শুক্রবার ঢাকায় সফরে আসেন যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক মন্ত্রী। সফরকালে তিনি যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ জলবায়ু চুক্তিতে সই করবেন, যার লক্ষ্য জলবায়ু কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা বাড়ানো।

এ ছাড়া নিরাপত্তা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বাণিজ্য এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করবেন অ্যান-মেরি ট্রেভেলিয়ান। পাশাপাশি তিনি সুশীল সমাজ, মানবাধিকার কর্মী, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করবেন।

শুক্রবার বৃটিশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখছে। তাই এই সফরের লক্ষ্য হলো সাফল্য উদযাপন এবং বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী বছরসহ ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করা।


আরও খবর



কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কোরবানি পশুর দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। এবার ঢাকার মধ্যে গরুর চামড়ার দাম ধরা হয়েছে নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।

আজ সোমবার দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাবিষয়ক’ সভা শেষে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর উপস্থিতিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিন।

তিনি বলেন, গতবারের চেয়ে ঢাকায় প্রতি বর্গফুট চামড়ায় ৫ থেকে ১০ টাকা বাড়িয়ে ও ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট ৫ থেকে ৭ টাকা বাড়িয়ে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতি পিছ চামড়ার সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ঢাকায় প্রতি পিছ গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ঢাকার বাহিরে ১ হাজার টাকা। তিনি আরও জানান, গতবারের তুলনায় খাসির কাঁচা চামড়ার দাম ২ থেকে ৫ টাকা বেশি এবং বকরির চামড়ার দাম ৬ টাকা বেশি ধরা হয়েছে। এবারের ঈদে খাসির চামড়ার ক্রয়মূল‍্য প্রতি বর্গফুট ২০ থেকে ২৫ টাকা এবং বকরির চামড়ার ক্রয়মূল‍্য ১৮ থেকে ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসময় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ইটিপি প্ল্যান নিয়েছি সেটা হয়ে যাবে। বেসরকারি খাতেও ইটিপি তৈরি করা হচ্ছে। চামড়া জাতীয় সম্পদ। সেটা যাতে কোনোভাবে নষ্ট না হয়। আমরা বা সরকার পলিসি মেকার। ট্যানারি মালিকরা যদি একটি মূল্য নির্ধারণ করে দেয় তাহলে ভালো হয়। চামড়া সংরক্ষণের ওপর দাম নির্ভর করে।

তিনি বলেন, এ বছর কোরবানিতে আমাদের এক কোটি ৭ লাখ পশুর চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ আছে এক কোটি ২৯ লাখ পশু। এর মধ্যে ৫৫ লাখ গরু মহিষ এবং বাকিগুলো উট, ছাগল, ভেড়াসহ অন্যান্য প্রাণি রয়েছে। এ বছর আমরা শতভাগ চামড়া সংরক্ষণের চেষ্টা করব।

গত বছর ঢাকার মধ্যে কোরবানি গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা। আর খাসির চামড়ার ক্রয়মূল‍্য নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং বকরির চামড়ার ক্রয়মূল‍্য নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ১২ থেকে ১৪ টাকা।


আরও খবর



যাত্রী ও চালককে উদ্ধার করলেন স্টাফ কোয়াটার এলাকার টি আই মৃদুল পাল

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ১১৮জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃরাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানাধীন মৃধা বাড়ির সামনে ফুট ওভারব্রিজ সংলগ্ন এলাকার এক্সপ্রেস ওয়েতে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে প্রাইভেট কারের পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে ফলে ঘটনা স্থলে এক নারী যাত্রী ও অটোরিকশা চালক দুর্ঘটনার শিকার হন।এ দুর্ঘটনায় এক নারীসহ আহত অটোরিকশা চালককে পুলিশ উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করেন।শনিবার (২৫ মে) দুপুর ১.৩০ টার দিকে  এ দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ব্যাটারি চালিত একটি অটো রিক্সা জব্দ করে যাত্রাবাড়ী থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। এসময় প্রাইভেটকারের পেছনের অংশ কিছুটা দুমড়ে মুচড়ে যায়।

ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগ ডেমরা জোনের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার  ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) মৃদুল কুমার পাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি এই পথ দিয়ে অফিসের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলাম,এসময় মৃধা বাড়ি থেকে কিছুটা সামনে ফুট ওভারব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় দেখতে পাই একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা উল্টে পড়ে আছে। রিক্সার ভেতর একজন মহিলা যাত্রী আহত অবস্থায় ব্যথায় কাতরাচ্ছে, চালক ও গুরুতর আহত।আমি বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাই। পরবর্তীতে ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগের উপ- পুলিশ কমিশনার আশরাফ ইমাম স্যারের নির্দেশে স্থানীয় থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করি। পরে যাত্রাবাড়ী থানার এসআই ওসমান ঘটনাস্থলে আসলে ট্রাফিক সার্জেন্ট সাইফুল ইসলাম, টিএসআই আসাদুজ্জামান এর সহায়তায় আহত ঐ নারী এবং অটোরিকশা চালক কে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে এক্সপ্রেসওয়েতে ব্যাটারি চালিত একটি অটো রিক্সা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছন থেকে সজোরে ঢাকা মেট্রো গ-২১-৮৮১৭ নং প্রাইভেট কারকে ধাক্কা মারে। প্রাইভেট কারের পেছনের অংশে দুমরে মুচড়ে যায় এবং অটোরিকশাটি উল্টে যাত্রী ও চালক গুরুতর আহত হয়। ডেমরা স্টাফ কোয়াটার এলাকার টিআই মৃদুল কুমার পাল তৎপরতা চালিয়ে দুর্ঘটনা কবলিত অটোরিকশা যাত্রী চালককে উদ্ধার করে প্রাণহানির হাত থেকে রক্ষা করেন।

প্রাইভেট কারের যাত্রী শাহীন জানান, আমি মেট্রো রেলের একজন কর্মী আমার ড্রাইভার আমিন মিয়া গাড়িটি চালাচ্ছিল হুট করে পেছন থেকে অটো রিক্সা এসে আমাদের গাড়িকে আঘাত করে।

গত কয়েকদিন পূর্বে অটোরিকশা চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। পরবর্তীতে অটোরিকশাচালক মালিকদের আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী বলেন ঢাকায় অটো রিক্সা চলবে। 

এরপর থেকে বে-পরোয়াভাবে সড়ক, মহাসড়ক, এক্সপ্রেস ওয়েতে অটোরিকশা চালকদের উপস্থিতি ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে। তবে যাত্রাবাড়ি কাজলা এলাকার সড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল করলেও টিআই মৃদুল কুমার পাল এর তৎপরতায় ডেমরায় প্রধান সড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল করছে না 



আরও খবর



ফুলবাড়ী অমূল্য চন্দ্র রায়ের অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ী শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজের অর্থনীতি বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক অমূল্য চন্দ্র রায়ের চাকরি থেকে অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজের উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার (১১ জুন) সকাল ১১ টায় কলেজের শিক্ষক কমন রুমে আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. শাহ মো. আব্দুল কুদ্দুস। 

সহকারী অধ্যাপক মো. মোকাররম হোসেন বিদ্যুতের সঞ্চালনায় আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. জিল্লুর রহমান। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সহকারী অধ্যাপক মো. আলতাফ হোসেন স্বপন, সহকারী অধ্যাপক মো. ফিরোজ সুলতান আলম,  সহকারী অধ্যাপক মো. মিনহাজুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাদের রহমানী, সহকারী অধ্যাপক চন্দনা রানী মন্ডল, প্রদর্শক প্রভাত চন্দ্র রায় প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানে ইতোপূর্বে কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীসহ বর্তমানে কর্মরত সকল  শিক্ষক ও কর্মচারী   উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



আইসক্রিম বিক্রি করেই চলে যার সংসার

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:উত্তর জনপদের জেলা নওগাঁ। এ জেলার আত্রাই  উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, রেলস্টেশন ও বিভিন্ন গ্রামের অলিগলি ঘুরে ঘুরে আইসক্রিম  বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন আমজাদ হোসেন।  

আমজাদ হোসেন আত্রাই উপজেলার ক্যাশবপাড়া গ্রামের বাসিন্দা । 

কড়া রোদ, তার ওপর ভ্যাপসা গরম। দুইয়ে মিলে যায়যায় অবস্থা। ঘর থেকে বের হাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘামে ভিজে যায় কাপড়। এ অবস্থায় সামান্য স্বস্তি খোঁজতে মরিয়া আত্রাইবাসী। অনেকেই তীব্র গরম থেকে বাঁচতে বেচে নেন ঠান্ডা কোমল পানীয়। আবার অনেকের ভরসা আইসক্রিম। তাই প্রত্যেক বছর মার্চের শুরু থেকে বেড়ে যায় আইসক্রিমের চাহিদা। ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। 

রবিবার দুপুরে উপজেলার ভবানীপুর বাজারে দেখা মেলে আমজাদ হোসেনের সাথে, আলাপচারিতায় তিনি জানান, শীত, গরম, রোদ, বৃষ্টি যাই হোক না কেন তাকে আইসক্রিম বিক্রি করতে যেতেই হবে। তানা হলে সংসার চলবে কি করে? এক প্রশ্নের জবাবে আমজাদ হোসেন বলেন, আমি নিজের তৈরি করি আইসক্রিম এতে দুধ, চিনি, এলাচ, বাদাম, কিসমিচ আর গরম মসলার মিশ্রণে  তৈরি হয় আইসক্রিম। স্বাদের সঙ্গে সুঘ্রাণেরও যে নিবিড় একটা সম্পর্ক আছে, সেটা তুলার মতো নরম আইসক্রিমে কামড় দিয়ে স্বাধ নিতে পারেন যে কেউ। তাই শীত, গরম মৌসুমেও আমজাদ হোসেনের আইসক্রিম বেশ জনপ্রিয়।

তিনি আরও বলেন, গত ৩৭ বছর ধরে আইসক্রিম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছি। সারা বছর আইসক্রিম বিক্রি করলেও শীত মৌসুমে বিক্রি কম হয়।

আইসক্রিম কিনতে আসা জাকির হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, যখন স্কুলে পড়তাম প্রতিদিন বাবা-মায়ের কাছে বায়না করতাম আইসক্রিম খাওয়ার জন্য। স্কুলের সামনে বসতো আইসক্রিম ওয়ালা ওখান থেকে অনেক আইসক্রিম খাওয়া হয়েছে তবে এখন আর আইসক্রিম  কেনা হয় না। এখন আগের মতো আইসক্রিম বিক্রিতাদের রাস্তা-ঘাটে দেখাও যায় না।

শ্রীরামপুর গ্রামের নাঈম বিল্লাহ নামে এক যুবক বলেন, গরিব হলেও আমজাদ হোসেন খুব সৎ মানুষ। কষ্ট করলেও তার মুখে সবসময় হাসি লেগেই থাকে। সবসময় পরিপাটি থাকা মিষ্টভাষী এই মানুষটি কখনও কারও ক্ষতি করেন না। তাই এলাকার মানুষও তাকে খুব পছন্দ করেন, ভালোবাসেন।


আরও খবর



কুষ্টিয়ায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ৭৬জন দেখেছেন

Image
কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি:চাল নিয়ে চালবাজির চালকল মালিকদের সাথে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক বিভাগীয় কর্মশালায় ‘উপরিভাগের আবরণ ছেটে ফেলা’ সরু মিনিকেট চাল নিয়ে তুমুল আলোচনা হয়েছে। কুষ্টিয়া শিল্পকলায় সোমবার বেলা ১১টায় শুরু হওয়া এ কর্মশালায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপিসহ কুষ্টিয়ার চার এমপি, সরকারি শীর্ষ কর্মকর্তা, বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি ও সকল শ্রেনি পেশার মানুষ এতে অংশ নেন। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য আবু নূর মো. শামসুজ্জামান এক অংশে বলেন, মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই। মেশিনের মাধ্যমে চালের আবরণ ছেটে ফেলে সরু ও চকচকে করে মিনিকেট নামে বাজারজাত করা হচ্ছে। এতে ভিটামিন, খনিজ দ্রব্য, প্রোটিন ও শর্করা বের হয়ে যাচ্ছে পলিশের নামে। কমে যাচ্ছে পুষ্টিগুণ। এই চাল অস্বাস্থ্যকর। তিনি বলেন, এতে বছরে ১৮ লক্ষ মেট্রিক টন চাল অপচয় হচ্ছে। কর্মশালায় মুক্ত আলোচনা পর্বে মিনিকেট ধান-চাল ও পলিশ নিয়ে এসব কথার প্রতিবাদ জানান অটোমেটিক চালকল দেশ এগ্রোর মালিক আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলে কৃষকরা মিনিকেট নামে যে ধান চাষ করছেন তার কি হবে? এসব ধান কি আমরা ফেলে দেবো, না বস্তার গায়ে জাতের নাম হিসেবে কি লিখবো? এসব প্রশ্ন আমরা সরকারকে বলেছি, কোন উত্তর মেলেনি। খালেক দাবি করেন, চাল ছেটে সরু করা হয় না। মানুষের চাহিদার কথা চিন্তা করে উপরের আবরণ পলিশ করে সিল্কি করা হয়। জবাবে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জাকারিয়া বলেন, চালের উপরের আবরণ ফেলে দেয়ায় শুধু কর্বোহাইড্রেড থাকছে। অন্য জরুরি উপাদান বাদ চলে যাচ্ছে। তাই এ খাবারের খাদ্যমান নষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য কামারুল আরেফিন বলেন, মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই। কিন্তু চাল আছে। মিনিকেট এখানে আবিস্কার করা হয়েছে। আব্দুর রশিদকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, মিনিকেটের নামে চাল খাইয়ে তিনি মানুষের চরম ক্ষতি করেছেন। মিনিকেটের ওই জনকের অভিশাপ লেগে গেছে। কুষ্টিয়ার মানুষ সবাই জানেন তার আজ কি অবস্থা। তাই খালেক ভাইসহ চালকল মালিকদের আহ্বান জানাবো মানুষের উপকার হয় ভালো প্রজন্ম গড়ে উঠতে পারে তেমন কাজ করুন। ভালো পুষ্টিকর খাবার খাওয়ান মানুষকে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি বলেন, পলিশ করা চাল খাদ্য হিসেবে নিরাপদ হলেও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। 

আরও খবর