Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ জুলাই চীনে যাবেন

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৩৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৮ থেকে ১১ জুলাই চীন সফরে যেতে পারেন বলে।

সোমবার (২৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে সফররত চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লি জিয়ানছাওয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর এসব কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামী ৮-১১ জুলাইয়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সম্ভাবনা বেশি। উন্নয়নে অনেক ক্ষেত্রে চীনের গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সামনে প্রধানমন্ত্রীর সফরে গুরত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে, সেটি আমরা প্রত্যাশা করেছি। আমরা এই সফরের দিকে তাকিয়ে আছি।

চীনা মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে হাছান মাহমুদ জানান, চীন আমাদের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী এবং বড় বাণিজ্য সহযোগী। আমরা বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা চীন থেকে ইমপোর্ট করি প্রায় ১৩ বিলিয়ন। আর এক্সপোর্ট করি পৌনে ১ বিলিয়ন।

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে ওষুধ, চামড়া ও সিরামিক পণ্যগুলো চীন আমাদের থেকে নিতে পারে যোগ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এসময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা চাওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা চেয়েছি। আমরা গাজা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছি। এ ব্যাপারে আমরা চীনকে অ্যাকটিভ রোল প্লে করার প্রত্যাশা করি।


আরও খবর



ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির অপসারণ দাবীতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা; নওগাঁ:নওগাঁর মহাদেবপুরে মালাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়ম বহির্ভুতভাবে মো. আহসান হাবীবকে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করে কমিটি গঠন করায় তাকে অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থী অভিভাবকসহ এলাকাবাসী।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রক্রিয়াধীন সভাপতি মো. আহসান হাবীব একজন দুশ্চরিত্রবান লোক। তার নিজের স্ত্রী থাকা সত্বেও স্ত্রীর আপন বোনের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে তাকেও বিয়ে করতে বাধ্য হন। বর্তমানে দুই বোনকে নিয়েই সংসার করছেন তিনি। যার কুনজর থেকে নিজের স্ত্রীর আপন বোন রক্ষা পায়নি তিনি সভাপতি থাকলে এই বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা কতটুকু নিরাপদ থাকবে? বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নীতিমালার ১৬ নং ক্রমিকের গ ধারায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে “সংশ্লিষ্ট বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ পরিপন্থী বা উহার সুনাম নষ্ট হয় এইরুপ কোন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করেন বা কোনভাবে উহাতে সহায়তা করেন” এমন কোন ব্যক্তি সভাপতি হওয়ার বা থাকার ক্ষেত্রে অযোগ্য। 

তারা আরো বলেন, একটি স্বার্থানেষী মহল নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ভুল বুঝিয়ে অসত্য তথ্য উপস্থাপন করে একজন চরিত্রহীন ব্যক্তিকে সভাপতি করার পাঁয়তারা চালিয়ে আসছে। তাই এমন অসৎ চরিত্রের মানুষকে সভাপতির পদ থেকে অপসারণ করে সৎ, যোগ্য ও আদর্শবান ব্যক্তিকে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়ার জন্য এমপি মহোদয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক মহোদয়ের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ।

উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, সাবেক প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দীন, মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী, রনজিৎ মাষ্টার, মো. রুহুল আমিন, বিদ্যালয়ের অভিভাবক, আবদুল হাই,মোকলেছুর রহমান, এরশাদুল ইসলাম, আশরাফুল আলম, আবদুল মালেক, মো. বেলাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, মিনাল, তোতারাম, রঘুনাথ, অতুল, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ইসলাফিল আলম, চঞ্চল প্রমুখ।

এবিষয়ে জানতে চাইলে মো. আহসান হাবীব মোবাইল ফোনে এ ব্যাপারে কথা বলতে রাজী হননি। 

মালাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. শাহিদা খানমের মোবাইলে বার বার কল দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আরও খবর



পারশায় আম চাষীদের প্রাণের দাবী হিমাগার

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

ডিএম রাশেদ পোরশা (নওগাঁ):নওগাঁর পোরশায় আম সংরক্ষণের জন্য হিমাগারের প্রয়োজন। এটি এখন আম চাষীদের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। পোরশা উপজেলায় কোন ফসলের জন্য এখনো কোন প্রকার হিমাগার স্থাপন হয়নি। পূর্বেও এখানে হিমাগার ছিলনা। হিমাগারের অভাবে সংরক্ষণ করে রাখা যায়না এ অঞ্চলের সুস্বাদু ফল আম। মৌসুমে গাছের আম একসাথে পেকে যাওয়ায় দাম পাননা চাষীরা। বাজারে আমের দর কম থাকলে পাকা আম নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় আম চাষীদের। তখন বাধ্য হয়ে উৎপাদিত আমগুলো কম দামে বিক্রি করে লোকসানের মুখে পড়তে হয় আম চাষীদের। এ এলাকায় আম সংরক্ষনের জন্য হিমাগার না থাকায় হতাশায় ভুগছেন চাষীরা।

নওগাঁ জেলার পোরশা ও সাপাহার উপজেলাকে এখন আমের দ্বিতীয় রাজধানী বলা হয়। এখানকার আম দেশের বিভিন্ন এলাকার চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা হচ্ছে। এ দুই উপজেলায় এখন আমের বাম্পার ফলন হচ্ছে। এ এলাকার আম অনেক সুমিষ্ট তবুও মাঝে মধ্যেই আম চাষীরা আমের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আম সংরক্ষনের জন্য হিমাগার থাকলে চাষীরা বাজারে আমের দর কম থাকলে হিমাগারে রাখতে পারবেন। তাছাড়া চাষীরা হিমাগারে আম রেখে প্রয়োজনমত বিক্রি করতে পারবেন।

আম চাষীরা বলছেন, বাজারে আমের পর্যাপ্ত চাহিদার পূর্বেই এখানকার গাছের আম পাকতে শুরু করে। তাই গাছে আম পাকা দেখা দিলে আর ঐ আম গাছে বেশিদিন ধরে রাখা যায় না। পাকা আম গাছ থেকে অতি সহযেই ঝরে পড়ে। গাছের পাকা আম বিভিন্ন পাখি-পোকায় খেয়ে ফেলে। তাছাড়া পাকা আম নেমেও বেশিদিন ধরে রাখা যায় না। তাই বাজারে আমের চাহিদা থাক আর না থাক, দাম ভাল থাক আর না থাক, খুব দ্রুতই গাছের পাকা আম নামিয়ে বাজারে বিক্রি করতে বাধ্য হন আম চাষীরা। আর হিমাগার থাকলে ঐ আমগুলো সংরক্ষন করে রেখে পরে বাজারে আমের চাহিদামত বিক্রি করা সম্ভব হয়।

পোরশা উপজেলার আমচাষী হাবিবুর রহমান জানান, গাছের আম একবার পাকা দেখা দিলে আর ঐ গাছের আম ধরে রাখা সম্ভব নয়। এমনিভাবে যে জাতের আম একবার পাকা দেখা দেয় ঐ জাতের সমস্ত বাগানের আম প্রায় একসাথেই পেকে যায়। আর তখনই বাজারে আমের আমদানী বেশি হয়। আর আমদানী বেশি হলে বাজারে আমের দর কমে যায়। হিমাগার থাকলে পাকা আম সংরক্ষন করে বাজারের চাহিদামত বিক্রি করা যায়। এতে চাষীরা লাভবান হবেন বলে তিনি জানান।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, এ বছর শুধুমাত্র পোরশা উপজেলায় আম চাষ হচ্ছে ১০হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে। এ উপজেলায় ব্যাপক আম চাষ হচ্ছে। প্রতি বছর এখানে আমের চাষ বেড়েই চলেছে। গাছের আম দ্রুত পেকে যাওয়ায় বেশিদিন ধরে রাখতে পারছেন না এখানকার আম চাষীরা। যে কারনে আশানুরূপ দাম পায়না আম চাষীরা। তাই এ উপজেলায় হিমাগার স্থাপন করা হলে, গাছে না হোক, হিমাগারে আম সংরক্ষন করে সময়মত ভাল দামে চাষীরা আম বিক্রি করে লাভবান হতে পারবেন বলে তিনি মনে করেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



পারিবারিক বিরোধে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ,জয়পুরহাটে ৫ গ্রামের চার হাজার মানুষ পানিবন্দি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃবর্ষার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ বন্ধ করে দেওয়ায় গত সাত দিন থেকে জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের ৫ গ্রামের প্রায় চার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গত কয়েক দিনের বৃষ্টির পানিতে গ্রামগুলোর প্রতিটি পথঘাট ডুবে আছে। বর্ষার পানির সাথে বাড়ির অপসারিত ড্রেনের পানি মিশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। সেই দুর্গন্ধযুক্ত পানি ভেঙ্গে যাতায়াত করছে গ্রামের মানুষরা। গ্রামবাসীর অভিযোগ পারিবারিক বিরোধের জের ধরে বর্ষার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ বন্ধ করে শাহ আলম মন্ডল ওরফে আলম নামের স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। এরপর থেকে তারা এ সমস্যায় পড়েছেন। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও আলমের একগুয়েমির কারণে কোন সমাধান মেলেনি। 

সরেজমিনে জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের ধারকী আকন্দপাড়া, বড়াইল পাড়া,ফকির পাড়া, মন্ডল পাড়া ও প্রধান পাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, গ্রামগুলোর ইট বিছানো সংযোগ সড়কগুলো পানিতে ডুবে আছে। খড়ের পালা,বাড়ি-ঘরের আঙিনা এবং সীমানা প্রাচীরের নীচ পর্যন্ত ছুঁই ছুঁই করছে বর্ষার পানি। বড়াইল পাড়া জামে মসজিদে যাওয়ার রাস্তাও হাঁটু পানির নীচে। নর্দমার পানির সাথে বর্ষার পানি মিশে নোংড়া হয়ে পড়েছে। কাজের চাপে সেই নোংড়া পানি ভেঙ্গে গ্রামের মানুষরা যাতায়াত করলেও নারী এবং শিশুরা চলাচল করতে পারছে না। বাড়ির আঙিনায় পানি ওঠায় অনেকেই রান্নাও করতে পারছেন না।পানিবন্দি ভুক্তভোগী আকন্দপাড়া গ্রামের মোজাহার আকন্দ বলেন,বাপ-দাদার আমল থেকে দেখে আসছি বর্ষা মৌসুমে পানি নির্দিষ্ট পথে ড্রেনের মাধ্যমে অপসারিত হয়। কিন্তু গত প্রায় বছর তিনেক আগে এ গ্রামের শাহ আলম মন্ডল ওরফে আলম নামের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে দেন।সেই থেকে পরিবার নিয়ে সমস্যায় পড়েছি আমরা। প্রতিবাদ করতে গেলেই আলম মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখায়। সমাধানের জন্য ইতোপূর্বে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন উদ্যোগ নিলেও আলমের কারণেই তা ভেস্তে গেছে। ওই গ্রামের মাছুদ আকন্দ বলেন,অনেক আগে থেকেই এ গ্রামগুলোর পানি ধারকী গ্রামের কয়েক শরীকের মালিকানাধীন পরিত্যক্ত দুটি পুকুর দিয়ে ড্রেনের মাধ্যমে নিষ্কাশন হয়ে আসছিল। 

প্রভাবশালী শাহ আলম মন্ডল পুকুর দুটি দখলে নিয়ে গ্রামের পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে দেন। পরে উপজেলা পরিষদ হতে গ্রামবাসীর স্বার্থে ড্রেন পাকা করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলেও শাহ আলম সেই ড্রেনও ভেঙ্গে পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করে দেন। ধারকী বড়াইল পাড়া গ্রামের মাহমুদুল হোসেন বলেন,আমরা গ্রামের অধিকাংশ মানুষ শ্রমজীবী ও কৃষক। রাস্তাগুলো পানি বন্দি থাকায় আমরা কৃষি পণ্য বিক্রি করতে পারছি না। আবার অনেক অটোরিক্সা ও ভ্যান চালক গ্রামবাসী অটো বা ভ্যান নিয়ে গ্রামে ঢুকতেও পারছেন না। আমরা খুব কষ্টে আছি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে বলেও কোন সমাধান হয়নি। বড়াইল পাড়া গ্রামের তাজেল ইসলাম বলেন,পানিবন্দি হওয়ায় গ্রামের ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যেতে পারছে না। এমনকি রাস্তা ডুবে থাকায় মসজিদেও তারা ঠিকমত যেতে পারছেন না।  

গ্রামবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্ত ধারকী গ্রামের শাহ আলম মন্ডল প্রতিবেদকের সাথে অশোভন আচরণ করেন। তিনি বলেন,আমার জায়গা দিয়ে আমি পানি যেতে দিব না। লেখা-লেখি করে কোন লাভ হবে না’। এ সময় উপজেলা পরিষদের নির্মাণ করা ড্রেনের ভেঙ্গে ফেলা অংশের ছবি তুলতে গেলে তিনি বাধা দেন। 

জেলা প্রশাসক সালেহীন তানভীর গাজী বলেন,‘পানি নিষ্কাশনের গতিপথের প্রবাহ বন্ধ করা কারো কোন অধিকার নেই। শীঘ্রই এটি উচ্ছেদ করা হবে। ক্ষতিগ্রস্থরা ফৌজদারী কার্যবিধির ১৩৩ ধারায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দিলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

আরও খবর



ভারত থেকে ভেসে এলো পঞ্চগড় সীমান্তে এক কিশোরের মরদেহ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

কুয়েল ইসলাম সিহাত,বোদা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি:ভারত থেকে যমুনা নদী দিয়ে বাংলাদেশ সীমানায় পঞ্চগড়ে এক কিশোরের (১০) মরদেহ ভেসে এসেছে। খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধারের পর পতাকা বৈঠক  শেষে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কাছে হস্তান্তর করেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (নীলফামারী বিজিবি-৫৬) সদস্যরা।মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাতে উভয় দেশের সীমান্ত রোক্ষী বাহিনীর পতাকা বৈঠক শেষে মরদেহটি ফেরত দেয়া হয়। এর আগে একই দিন বিকেলে পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের উত্তর খালপাড়ার সীমান্ত এলাকার যমুনা নদীতে ভারত থেকে মরদেহটি ভেসে আসতে দেখে বিজিবিকে খবর দেয় স্থানীয়রা।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (২ জুলাই) বিকেলে চাকলাহাট ইউনিয়নের উত্তর খালপাড়া এলাকায় ওই শিশুর মরদেহ ভেসে আসে। স্থানীয় এক ব্যক্তি মাছ মারতে গিয়ে মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের নিয়ে উদ্ধার করে আন্তর্জাতিক সীমানার ৭৬১/৩৪ নম্বর পিলারের পাশে জিরো লাইনে রেখে দিয়ে বিজিবিকে খবর দেয়। তবে ওই শিশুর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায় নি।নীলফামারী ৫৬ বিজিবির অধীনে থাকা পঞ্চগড়ের জয়ধরভাঙ্গা বিওপির কোম্পানী কমান্ডার রেজাউল ইসলাম জানান, সন্ধ্যায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে সংক্ষিপ্ত বৈঠক হয়। পরে ঐ কিশোরের মরদেহ বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।


আরও খবর



রূপগঞ্জে ৯ বছরের শিশুর মরো দেহ উদ্ধার গ্রেফতার ১

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৩জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃনারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে তামিম ইকবাল নামে (৯) বছরের এক শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জাহিদ।রবিবার ৩০শে জুন ভোরে ভুলতা গাউছিয়া এলাকার এসআরবি ব্রিক ফিল্ড এর মধ্য থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে মুন্না নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় শিশুটিকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।

জানা যায় শিশু তামিম ইকবাল ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানা রামনগর এলাকার তায়েব আলির ছেলে।তায়েব আলী তার ৯ বছরের ছেলে তামিম ইকবাল ও  স্ত্রীর নাসিমা বেগমকে সাথে নিয়ে দুই মাস যাবত সাওঘাট এলাকায় আলেক মিয়ার বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করে আসছে। তায়েব আলী পেশায় একজন রিকশাচালক।এ ঘটনায় ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জাহিদ জানান লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।ময়নাতদন্তের শেষে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর