Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

পলাশবাড়ীর গ্রামাঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ধান-চাল সংরক্ষণের বাঁশের তৈরি গোলা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২০৬জন দেখেছেন

Image
সিরাজুল  ইসলাম রতন, গাইবান্ধার : গ্রামাঞ্চলে ধান-চাল সংরক্ষণে বাঁশের তৈরি বড় পাত্রের নাম গোলা। এটি গাইবান্ধার অঞ্চলে ডুলি বা বেড় নামেও পরিচিত। বাঁশ দিয়ে এ গোলা তৈরি করা হয়। গ্রামের গৃহস্থ্য পরিবার গুলো পুরো বছরের খাদ্যের সংস্থানে গোলায় ধান সংরক্ষণ করে থাকেন।প্রতি ধানের মৌসুমে ধান মারাকাটি করে শুকিয়ে গোলাজাত করা হয়ে থাকে। প্রয়োজনের সময় গোলা থেকে ধান বের করে পূনরায় রোদে শুকিয়ে ধান ভেঙ্গে চাউলে রূপান্তর করা হয়। তবে বাজারে বিক্রি করার সময় নতুন করে আবার ধান শুকানোর আর প্রয়োজন পড়েনা। 

এশিয়া মহাদেশে অন্যান্য ১৯টি দেশের সাথে বাংলাদেশেও মানুষের প্রধান খাদ্য হচ্ছে ভাত। চাল রান্নার পর হয় ভাত। গোলা থেকে ধান নামিয়ে তা মেশিনে ভাঙ্গিয়ে তুলনামূলক অধিক ছোট পাত্রে রাখা হয় চাল। আর সেখান থেকেই চাল নিয়ে ভাত রান্না করা হয়।গোলা ভর্তি ধান না থাকলে এক সময় গ্রামের গৃহস্থ্য পরিবার সেই বাড়িতে ছেলে-মেয়েদের বিয়ে পর্যন্ত দিতে আগ্রহী হতো না। এ কথা এখনো গ্রামাঞ্চলের মানুষের মুখে মুখে ঘুরে-ফিরে। যাতে নষ্ট না হয় সে কারণে গোলায় ধান রেখে সেই গোলার মুখ মাটির লেপ দিয়ে বদ্ধ করে রাখা হয়।

 আবার টাকার প্রয়োজন হলে গোলা থেকে ধান নিয়ে বাজারে বিক্রি করা হতো। সে সময়ের সমাজ ব্যবস্থা এখনকার মতো এত উন্নত ছিলনা। তখন চোর-ডাকাতের ভয়ে ধানের গোলার ভিতর স্বর্ণ ও টাকা পয়সা সংরক্ষণ করে রাখা হতো। ধান রাখার এ পাত্রকে গোলা বা বেড় দুই নামে আখ্যায়িত করার কারণও রয়েছে। বেড় অপেক্ষাকৃত গোলা মজবুত।গোলা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। বাঁশের তৈরি গোলা ব্যবহার দিন দিন কমে গিয়ে এখন শূন্যের কোঠায়। কারণ আমাদের পারিবারিক বাঁশঝাড় গুলো ক্রমেই বসতভিটায় পরিণত হওয়ায় তা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। 

সম্প্রতি বেশির ভাগ বাঁশঝাড় গ্রামের বিত্তশালীদের পাকা স্থাপনা, বহুতল ভবন নির্মাণে সহায়ক সামগ্রী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে বিত্তশালীরা চড়াদামে বাঁশ কিনে নিয়ে যাচ্ছে নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে। আর বাঁশের উৎপাদনও কমে যাচ্ছে। একদিকে উৎপাদন কমে যাচ্ছে অপরদিকে চাহিদা বৃদ্ধিগ পাওয়ায় বাঁশের দাম ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে। গোলা তৈরির প্রধান উপকরণ বাঁশের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে।তাই বর্ধিত মূল্যে উৎপাদিত গোলা বিক্রি করতে হচ্ছে। গোলা বিভিন্ন সাইজের হয়ে থাকে। একটি বড় গোলায় ৪০ থেকে ৫০ ও একটি ছোট গোলায় ২০ নুন্যতম ৩০ মন ধান সংরক্ষণ করা যায়।

তবে গৃহস্থ্য পরিবার তাদের চাহিদানুযায়ী গোলা তৈরি করে থাকেন। তবে গোলায় ধান রাখলে অনেক সময় নানা সমস্যাতেও পড়তে হয় গৃহস্থ্য পরিবার গুলোকে। গোলায় ধান সংরক্ষণ করলে ইদুঁর ধান নষ্ট করে বেশি। গ্রামের প্রতিটি বসতবাড়িতে ইদুঁর উৎপাত-বিদ্রুপ করে থাকে বেশী। ইদুঁরের প্রধান খাদ্য ধান। গোলার ধান খেয়ে ইদুঁর মাটিতে ফেলে দেয়। গৃহস্থ্যরা জানায়, ইদুঁরের হাত থেকে ধান রক্ষার জন্য সাম্প্রতিক সময়ে গোলার ব্যবহার অনেকটাই কমে গেছে। বাঁশের তৈরি গোলার স্থান দখল করে নিয়েছে স্থায়ী পাকা অথবা টিনের ড্রাম। 

টিনের ড্রাম ঘরের বাইরেও রাখা যায়। বাঁশের তৈরি ধানের গোলা বাইরে রাখলে চুরি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাছাড়া স্থায়িত্ব কম হওয়ায় অনেকে টিনের গোলা তৈরি করার ফলে বাঁশের তৈরি গোলার চাহিদা কমে গেছে। চাহিদা কমে যাওয়ায় বাঁশের তৈরি গোলার কারিগরও অনেক কমে গেছে। তাদের পূর্ব পুরুষের পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় চলে গেছে। তাছাড়া এ পেশা মৌসুমী হওয়ায় অনেক কারিগর পেশার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। নতুন প্রজন্ম এ পেশায় আসতে তেমন আগ্রহী নয়। 

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা সদরের নুনিয়াগাড়ী গ্রামের গোলা তৈরির কারিগর আমিন ও আল-আমিন ও তাদের পরিবারের সদস্য স্ত্রী-সন্তানদের সাথে বাড়ির উঠানে বসে কথা হয়। তারা পারিবারিক ভাবে বিগত ১৭ বছর যাবত গোলা তৈরি করে বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি করে থাকেন। 

তারা জানান, নিকটাতীতের এখন বাঁশের তৈরী গোলার চাহিদা অনেক কমে গেছে। ইতোপূর্বে সদরের কালিবাড়ি বাজারে সাপ্তাহিক হাটবারে শতাধিক গোলা বিক্রি করতাম। এখন এর স্থলে ১০ থেকে ১৫টি গোলাও বিক্রি হয় না। একটি বড় গোলা প্রায় ৮’শ থেকে ১ হাজার ও একটি ছোট গোলা ৫শ’ থেকে ৬’শ টাকায় বিক্রি করা যায়। এতে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে খুব একটা লাভ আসে না। ফলে দীর্ঘদিনের এ পেশা ধরে রেখে পারিবারিক চাহিদা মেটানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

আরও খবর



১৫ আগস্টের পর থেকে ইতিহাস বিকৃতি শুরু হয়: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ১১৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে আমাদের ইতিহাস বিকৃতি শুরু হয় বলেছেন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা হয়। সকলের নামে নানা ধরনের কুৎসা রটনা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়।

রোববার (২ জুন) সকাল ১০টায় গণভবনে ‘আমার চোখে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক এক মিনিটব্যাপী ভিডিওচিত্র তৈরি প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিতদের সম্মাননাপত্র, ক্রেস্ট ও আর্থিক পুরস্কার প্রদান শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ হয়ে যায়। যে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সময় এদেশের মানুষ বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছে, সেই জয় বাংলা স্লোগানটাও বাংলাদেশ থেকে মুছে ফেলা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি জানি না পৃথিবীর আর কোন দেশে এভাবে একটা যুদ্ধ করে যারা এত আত্মহুতি দেয় তাদের এত অবমাননা করে। বাংলাদেশে এমন একটা সময় এসেছিল যখন, আমি মুক্তিযুদ্ধ করেছি এ কথাটা বলার সাহস ছিল না।


আরও খবর



মাতুয়াইল ইউলুপে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ট্রাফিক পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও র‍্যালী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ১৬৪জন দেখেছেন

Image

সোহরাওয়ার্দীঃমাতুয়াইল ইউলুপ এলাকায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ট্রাফিক পুলিশের উদ্যেগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী-২০২৪ পালন করা হয়।

“করব ভূমি পুনরুদ্ধার, রুখবো মরুময়তা, অর্জন করতে হবে মোদের খরা সহনশীলতা”-এ স্লোগানকে সামনে রেখে এই কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

গতকাল বুধবার (৫ জুন) দুপুরে ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে মাতুয়াইল ইউলুপ এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ আশরাফ ইমামের নেতৃত্বে ও ট্রাফিক ডেমরা জোনের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) বদরুল আলম রানা'র সঞ্চালনায় এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সুলতানা ইশরাত জাহান, ট্রাফিক ডেমরা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মুস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস,ট্রাফিক যাত্রাবাড়ী বিভাগের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার তানজিল আহমেদ,ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের সহকারি পুলিশ কমিশনার কপিল দেব গাইন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৪,৬৫,৬৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলর নিলুফা ইয়াসমিন লাকিসহ ডেমরা, যাত্রাবাড়ী ও ওয়ারী বিভাগের ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা।

এদিকে বুধবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে র‍্যালী কর্মসূচীও পালন করে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ। র‍্যালীটি মাতুয়াইল ইউলুপ থেকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন বিভিন্ন অংশে প্রদক্ষিণ করেন।

ডিসি মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম বলেন, পৃথিবীতে আবহাওয়া ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে। বৃদ্ধি পাচ্ছে খরতা ও মরুময়তা। তাই এই প্রচন্ড খরা মরুময়তা নিয়ন্ত্রণ করতে বৃক্ষরোপনের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে সকলের মাঝে সচেতনতা ফিরিয়ে আনতে ও সবুজ পৃথিবী গড়তে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের এই আয়োজন। যা অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



গোদাগাড়ীতে ২টি ওয়ান শুটারগান ও১৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image

মুক্তার হোসেন,গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ২টি ওয়ান শুটারগান ও ১৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাশিকুল ইসলাম নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫। শনিবার ভোর সাড়ে ৪টায় উপজেলা মাটিকাটা ইউনিয়নের বিদিরপুর এলাকায় এলাকায় অপারেশন পরিচালনা করে র‌্যাব-৫। 

সে বিদিরপুর এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিপিএসসি, র‌্যাব-৫, রাজশাহীর একটি অপারেশন দল উপজেলার বিদিরপুর গ্রামস্থ ধৃত আসামীর নিজ বসতবাড়ীতে একটি অপারেশন পরিচালনা করা হলে,ওয়ান শুটারগান ২ টি,ফেন্সিডিল ১৪২ বোতল, মোবাইল ১টি, সীম - ০১ টি ও ধারালো হাসুয়া - ০২টি উদ্ধার উদ্ধার করে।

র‌্যাব জানায়,ধৃত আসামী একজন এলাকার চিহ্নিত মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী। সে পেশায় একজন রাজমিস্ত্র। সে নিজ পেশার আাড়ালে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক সীমান্তবর্তী অজ্ঞাত স্থান হতে নদী পার করে রাজশাহীর বিভিন্ন মদ ও অস্ত্র ব্যবসায়ীর নিকট বিক্রয় করে আসছিল। এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাবের গোয়েন্দা দল ধৃত আসামীর গতিবিধির নজরদারী শুরু করে। গোয়েন্দাদল এটাও সনাক্ত করতে সক্ষম হয় যে, পাচারের পূর্বে ধৃত আসামী পার্শ্ববর্তী দেশ হতে অস্ত্র ও মাদক সংগ্রহ করে রাতে কিছু সময়ের জন্য তা মজুদ করে এবং দ্রুত সময়েরর মধ্যে অন্যান্য অস্ত্র ও মাদক কারবারীর মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়। 

অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও ০২টি ওয়ান শুটারগানসহ উক্ত আসামীকে হাতে-নাতে আটক করে। এ ব্যাপারে গোদাগাড়ী মডেল থানায় র‌্যাব-০৫এর পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আরও খবর



আত্রাইয়ে চোরাই মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ছয় সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১০৯জন দেখেছেন

Image
নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই(নওগাঁ) প্রতিনিধি:নওগাঁর আত্রাই থানাপুলিশ অভিযান চালিয়ে চোরাই দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধারসহ চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে সোমবার বিকেলে আদালতে সোর্পদ করেছে। সোমবার প্রথম প্রহরে উপজেলার ব্রজপুর এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল ইসলাম বলেন,থানার এসআই ফরিদ ডিউটিকালে রাত সোয়া ১টায় জানতে পারেন উপজেলার ব্রজপুর এলাকার বাবুর ইটভাটা এলাকায় চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রি হচ্ছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পৌছামাত্রই পুলিশ দেখে পালানোর সময় ছয়জনকে আটক করে এবং দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। এসময় আরো ৪/৫টি মোটরসাইকেল যোগে চক্রের বেশ কয়েকজন সদস্য পালিয়ে যায়। এঘটনায় আটককৃতদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন জব্দকৃত মোটরসাইকেল দুটি চোরাই এবং বিক্রির জন্য তারা সেখানে নিয়ে আসে।

এঘটনায় থানার এসআই ফরিদ উদ্দীন বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। দায়েরকৃত মামলায় আটক রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার কাঠালবাড়ী গ্রামের সাবের আলীর ছেলে আহাদ আলী হাবল (৬০),মধ্য ঝিনা গ্রামের লেদাইয়ের ছেলে আমির হোসেন (৪৫), ভবানীগঞ্জ গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে শামিম আলম ডালিম (৩৫), দানগাছী গ্রামের ফেরদৌসের ছেলে জাকিরুল ইসলাম আকাশ (২৬), পিদ্দপাড়া গ্রামের হযরত আলীর ছেলে ফজেল প্রাং (৪৫) ও একই গ্রামের মবি সরদারের ছেলে নজরুল সরদার দুখু (৪৫) কে গ্রেফতার দেখিয়ে সোমবার বিকেলে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান,জব্দকৃত একটি এফজেড-২, ১৬০সিসি এবং এ্যাপাচি ১৬০সিসি মোটরসাইকেলের মালিক খোঁজা হচ্ছে এবং মামলাটি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জরিতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আরও খবর



মাগুরায় আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৬জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে নানান কর্মসুচির মধ্যদিয়ে  রবিবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়। দিবসটি পালন উপলক্ষে মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগ সকালে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন,বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্ফস্থবক অর্পন,আলোচনা সভা, চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা, বৃক্ষরোপন ও রক্তদান কর্মসুচি পালন করে। স্থানীয় আছাদুজ্জামান মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আফম আব্দুল ফাত্তাহ।  আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অবদান ও দলের দীর্ঘ পথচলার ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, মাগুরা ২ আসনের সংসদ সদস্য এড, বীরেন শিকদার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ কুমার কুন্ডু, সহ সভাপতি মুন্সী রেজাউল হক,  আবু নাসির বাবলু, সৈয়দ শরিফুল ইসলাম, বাসুদেব কুন্ডু, মাগুরা ১ আসনের  সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের পিতা খোন্দকার মাশরুর রেজা, মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রানা আমীর ওসমান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান, জেলা যুবলীগের আহবায়ক ফজলুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


আরও খবর