Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

পদ্মা সেতুর প্রকৃত ব্যয় বাড়েনি: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতুর প্রকৃত ব্যয় যেভাবে শুরু করা হয়েছে সেটি দিয়েই নির্মাণ হয়েছে। এখানে অতিরিক্ত কোনো ব্যয় হয়নি বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. সামসুল আলম।

তিনি বলেছেন, আমরা ব্যয় বাড়ার কথা বলি, কিন্তু ২০১৫ সালে আমরা যে ব্যয় ধরেছি তার সঙ্গে যদি মূল্যস্ফীতিটা ধরা হয় তাহলে হিসাব করলে ২৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়ে যায়। বাকি ব্যয়টা বেড়েছে নদী শাসনের ফলে। ১২ কিলোমিটার নদী শাসন করার কথা ছিল, সেটা হয়েছে ১৪ কিলোমিটার। এছাড়া মাঝের দুইটি পিলার করতে গিয়ে দেখা গেছে তলদেশ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সেটাতে আরও বাড়তি ব্যয় হয়েছে। আরেকটি বিষয় ছিল তিনগুণ দামে জমিগুলো নিতে হয়েছে। এতে ৩০ হাজার কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে সেতুর ব্যয়।

শনিবার (১৮ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘শেখ হাসিনার পদ্মা সেতু নির্মাণ: বিশ্ব ব্যবস্থায় বাংলাদেশ তথা উন্নয়নশীল দেশসমূহের এক যুগান্তকারী বিজয়’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এ সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ-কমিটি।

ড. সামসুল আলম বলেন, ২০০১ সালের ৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন। তারপর কোনো কাজ হয়নি। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট তৈরি করেন। সেখানে এটা বাস্তবায়নের মেয়াদ ছিল ২০১৪-১৫ অর্থবছর। ২০০৭ সালে এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ১৬১ দশমিক ৫১ মিলিয়ন টাকা। সে সময় ডলারের দাম ছিল প্রতি ডলারের ৭০ টাকা। তারা তখন কিছু করে যেতে পারেননি। ২০০৯ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় এসে প্রথমবার এটির ব্যয় ২০০৯ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য ১৮ লাখ ৭৯ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করেন। সর্বশেষ খরচ হয়েছে ৩০ হাজার ১৫৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এটা বলার অর্থ কীভাবে টাকার পরিমাণটা বেড়েছে।

‘অর্থনৈতিক লাভ কী হবে সেটি প্রথম বলা হয়েছিল এক দশমিক ২৩ শতাংশ জিডিপিতে যুক্ত হবে। আর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলায় জিডিপি হবে ২ দশমিক ৪ শতাংশ। তখন কিন্তু আমাদের পায়রা সমুদ্রবন্দর হয়নি, মংলা বন্দরও এত আধুনিকায়ন হয়নি। আমাদের পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রও ছিল না। এই যে পর্যাপ্ত বিদ্যুতের সুবিধা এখন। আগে সেটি ছিল না। তখন জিডিপির প্রবৃদ্ধি যে ধরা হয়েছিল সেটি কম ধরা হয়েছে। সবগুলো মিলিয়ে দেখলে আমাদের প্রবৃদ্ধির হার বাড়বে।’

তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর প্রকল্প শুরুর সময়ে বলা হয়েছিল, দারিদ্র্যের হার কমবে বছরে দশমিক ৮৪ শতাংশ। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর প্রতি বছর টোল আদায় হবে এক হাজার ৬০৪ কোটি টাকা। সরকার ৩৫ বছরে সুদসহ ৩৬ হাজার কোটি টাকা পাবে। সরকারের কাছ থেকে সেতু কর্তৃপক্ষ ঋণ নিয়ে সেতু করেছে। সেতুর প্রতিফল আমরা এই সময়ে পেতে শুরু করবো।

পদ্মা সেতু নির্মাণের পেছনে নানা ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আর্থিক কোনো কারণে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধ করেনি, যা ছিল সেটি একটি রাজনৈতিক কারণে। পাক-বাঙালি জিন্দাবাদ বলতে যারা ভালোবাসে তাদের ষড়যন্ত্রের অংশও ছিল পদ্মা সেতু।

সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার ড. গোলাম রহমান বলেন, বাংলাদেশের পদ্মা সেতু প্রকল্প বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়িয়েছে। পদ্মা নদীর দৈর্ঘ্য কম হলেও খর স্রোতের দিক থেকে নির্মাণশৈলীর দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম সেতু এটি। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক যে উন্নয়ন করবে সেটা বলে বোঝানো যাবে না। ওই অঞ্চলের মানুষের যে দুর্ভোগ ছিল সেটি পরিমাপ করা যাবে না। প্রধানমন্ত্রী অদম্য শক্তি কারণেই বাংলাদেশের এত বড় প্রকল্প গ্রহণ করা সম্ভব হয়েছে। পদ্মা সেতু আমাদের জয়যাত্রার উদাহরণস্বরূপ।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে অংশ নেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার ড. গোলাম রহমান, পানি সম্পদ ও জলবায়ু বিষয়ক আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আইনুন নিশাত, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ।


আরও খবর



উত্তীর্ণদের লিখিত ও ব্যবহারিক পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় কলা অনুষদভুক্ত ইংরেজি বিভাগের লিখিত এবং নাট্যকলা বিভাগ, সংগীত বিভাগ ও চারুকলা অনুষদের ব্যবহারিক পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ইলিয়াস হোসেন জাগো নিউজকে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে ইংরেজি বিভাগের লিখিত এবং চারুকলা অনুষদের ব্যবহারিক পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ১২ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সংগীত ও নাট্যকলা বিভাগের ব্যবহারিক পরীক্ষা আগামী ১১, ১২, ১৪ এবং ১৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।

অধ্যাপক ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘এগুলো আমরা প্রয়োজনে আরও যাচাই-বাছাই করবো। কোনো শিক্ষার্থীকেই যেন ভোগান্তিতে পড়তে না হয়, সেই দিকটি আমরা নিশ্চিত করতে চাচ্ছি।’

গত মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) কলা, আইন, সামাজিক বিজ্ঞান ও চারুকলা অনুষদভুক্ত ২৭টি বিভাগসহ শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ে গঠিত ‘এ’ ইউনিটের এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ru2

ভর্তি পরীক্ষা কমিটি সূত্রে জানা যায়, ইংরেজি বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ইংরেজি অংশে (৩৫ নম্বরের মধ্যে) প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বরের ভিত্তিতে ১০০০ জন (চার শিফট মিলে) পরীক্ষার্থী নিয়ে ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর ২০। শুধু লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত মেধা তালিকা ও অপেক্ষমাণ তালিকা তৈরি করা হবে।

অন্যদিকে, চারুকলা অনুষদভুক্ত বিভাগগুলোতে ভর্তির জন্য এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের ১০০ নম্বরের ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০। এমসিকিউ পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ২০ শতাংশ এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ৮০ শতাংশের সমন্বয়ে চূড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরি করা হবে।

‘এ’ ইউনিটে কলা অনুষদভুক্ত ইংরেজি বিভাগের ১০০টি, সংগীত বিভাগের ৩০টি এবং নাট্যকলা বিভাগের ২০টি আসন রয়েছে। অন্যদিকে, চারুকলা অনুষদের তিনটি বিভাগের জন্য মোট আসন রয়েছে ১২০টি।


আরও খবর



গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ডিএসসিসির অভিযান

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৮৬জন দেখেছেন
Image

দীর্ঘ ২৪ বছর বকেয়া হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ না করায় গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছর থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করেনি। তাদের কাছে বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৪০ লাখ ২৩ হাজার ১১০ টাকা।

বুধবার (২০ জুলাই) দক্ষিণ সিটির সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুনিরুজ্জামান এই অভিযান পরিচালনা করেন।

তিনি জানান, বারবার তাগাদা দিয়ে পাওনা আদায়ে ব্যর্থ হয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। অবশেষে সেই বকেয়া আদায়ের লক্ষ্যে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল সিলগালা করতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আজ হাসপাতালটি সিলগালা করার উদ্দেশ্য আমরা অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানের এক পর্যায়ে কর্তৃপক্ষ ১০ লাখ টাকার চেক দেয় এবং বাকি বকেয়া অর্থ মেয়রের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে পরিশোধ করার অঙ্গীকার করে।

অভিযানকালে অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. শাহজাহান আলী ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম বাবুল উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মুক্তির দাবিতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের গেটে অবস্থান

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ১০৬জন দেখেছেন
Image

মামলা থেকে মুক্তির দাবিতে স্ত্রী–সন্তান নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের গেটের বাইরে রাস্তার ওপর মানববন্ধন করেছেন মো. ইকবাল হোসেন নামের এক মাদ্রাসাশিক্ষক। অবশ্য দুই ঘণ্টা পর তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ।

ইকবাল হোসেনের বাড়ি চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায়। তিনি হাজিগঞ্জ উপজেলার কাকৈরতলা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার গণিতের শিক্ষক।

২০১৬ সালে স্কুল পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় স্থানীয় এক ব্যক্তি ও সহযোগীরা মিলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে ২১টি মামলা করে বলে অভিযোগ তোলেন ইকবাল হোসেন।

এসব মামলা থেকে মুক্তির দাবিতে স্ত্রী–সন্তান নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের মাজার গেটের পাশে সোমবার (২৫ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন মো. ইকবাল হোসেন নামের এ শিক্ষক।

সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে দুই ঘণ্টাব্যাপী সুপ্রিম কোর্টের মাজার গেটের পাশে ব্যানার টানিয়ে ফুটপাতে অবস্থান নেন তাঁরা। ব্যানারে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে মুক্তি এবং আজিজুল হক পাটওয়ারী নামের এক ব্যক্তি ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ কামনা করার কথা উল্লেখ রয়েছে।

এসময় এ শিক্ষকের সঙ্গে স্ত্রী, ছোট ভাই, স্কুল পড়ুয়া ছেলে ও সাড়ে চার বছর বয়সী কন্যাশিশুকেও ব্যানার নিয়ে দাঁড়াতে দেখা যায়। এছাড়া এক বয়স্ক নারীও সঙ্গে ছিলেন। এসময় কন্যা শিশুকে কোলে নিয়ে শিক্ষকের স্ত্রী সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আর ছেলে ও ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে ছিল।

তখন দায়িত্বরত পুলিশ তাঁদের সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে সরে অন্য কোথাও যেতে বললে তারা সরে যান বলেও জাগো নিউজকে জানান ইকবাল হোসেন।

ইকবাল অভিযোগ করে বলেন, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা জজ কোর্টে মামলাগুলো করা হয়। স্থানীয় ওই ব্যক্তি নিজে ১৩টি, তাঁর ছেলে ৩টি এবং বাকিগুলো ওই ব্যক্তির চক্রের লোকেরা দায়ের করেছে বলে অভিযোগ তার।

শুধু জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির তিনটি মামলা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এছাড়া চাকরিচ্যুত করার জন্য ১২৫টি অভিযোগ করে।

দেড় বছর ধরে বাড়িতে যেতে পারছেন না বলে দাবি করে ইকবাল বলেন, সন্তানরা বাবাকে পাচ্ছে না। ঠিকমতো চাকরিও করতে পারছি না।

২১টি মামলার মধ্যে তিনটির আসামি না হয়েও ৩৫ দিন জেল খাটতে হয়েছে বলেও অভিযোগ ইকবাল হোসেনের। তার দাবি, জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে ওই চক্র বিভিন্ন জেলা ও থানায় মামলাগুলো করে।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্র অস্পষ্ট, আবার কোনোটিকে সংখ্যা কম, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে মামলায় উল্লেখিত ঠিকানায় বাদীকে পাওয়া যায় না।

তবে ইকবাল হোসেন বলেন, ২১টির মধ্যে ১৬টি মামলা খারিজ হয়ে গেছে। অন্য পাঁচটিতে তিনি জামিনে আছেন। অপহরণ, প্রতারণা, টাকা নেওয়া–এমনসব অভিযোগে এসব মামলা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় একের পর এক মামলা হয়, ওয়ারেন্ট আসে। আসলে কতটি মামলা আছে, জানি না।

তিনি বলেন, মামলার হয়রানি থেকে মুক্তি চাই। মামলাবাজ এ চক্রকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি। তাই এখানে এসেছি।


আরও খবর



যে ৫ ভুলে সঙ্গী আপনাকে ছেড়ে চলে যেতে পারেন!

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

সারাজীবন একসঙ্গে থাকার সংকল্প করে ভালোবাসার সঙ্গে জড়ালেও বেশ কয়েকদিন কাটতে না কাটতেই দেখা দেয় অশান্তি। যদিও এর অনেক কারণ থাকতে পারে। কখনো কখনো সম্পর্কে কলহ ভালোবাসা আরও বাড়ায়। আবার কখনো কখনো তা বিচ্ছেদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তবে প্রেমে বারবার প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়টি কিন্তু মোটেও সুবিধার নয়। বারবার প্রেমে পড়ছেন, ঠিকমতো সম্পর্ক এগিয়ে যেতেই হঠাৎ বিপত্তি দেখা দিল, এরপর সঙ্গী আপনাকে ছেড়ে চলে গেলেন! আর আপনি হলেন প্রত্যাখ্যাত! বারবার কি আপনার সঙ্গেও এমনটি ঘটছে?

যদি তা-ই হয় তাহলে সঙ্গীর দোষ না খুঁজে বরং নিজেকে দোষারোপ করুন। কারণ বারবার প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পেছনে আপনারও দোষ থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বারবার এমনটি ঘটার পেছনে আছে বেশ কয়েকটি কারণ। যা আপনার অজান্তেই ডেকে নিয়ে আসছে অশান্তি। জেনে নিন কী কী-

>> বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছোটবেলায় যদি কেউ বারবার নানা কারণে অভিভাবকের কাছে গালমন্দ শোনে তাহলে তার মনে তৈরি হয় নেগেটিভিটি।

তাই বড় হয়ে সম্পর্কে জড়ালে সেই নেগেটিভিটির সঞ্চার ঘটে। লে সঙ্গীর উপরও সেই নেতিবাচকতা প্রকাশ করে ফেলেন। ফলে সঙ্গী মানসিক চাপ বোধ করায় ব্রেকআপ করেন।

>> অনেক মানুষই সম্পর্কে জড়ানোর পর সঙ্গীর উপর সব বিষয় নিয়েই অধিকার খাটাতে গিয়ে নিজের আত্মসম্মানকে একেবারে মাটিতে নামিয়ে নিয়ে আসেন। যা সঙ্গীর কাছে নির্যাতনের মতো মনে হতে পারে। আর সে কারণে তিনি আপনাকে ছেড়ে যেতে পারেন।

>> সম্পর্ক নিয়ে যদি আপনি সব সময় নেগেটিভ ভাবেন তাহলে সেটি বেশিদিন টিকবে না। অনেকেই সঙ্গীর চলাফেরা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেন। যা সম্পর্কে অশান্তির কারণ হয়ে দাড়াতে পারে। এ কারণে অনেকেই সম্পর্ক ভেঙে ফেলেন।

>> সঙ্গী কখন কী করছেন, কাদের সঙ্গে মিশছেন ইত্যাদি জানার জন্য সারাদিন যদি তাকে ফোন করেন তাহলে সে বিরক্তবোধ করতে পারে। এগুলো আপনাকে মানসিকভাবে স্বস্তি দিলেও সঙ্গী হয়তো এ বিষয় বিরক্তির কারণ হিসেবে দেখতে পারেন। এ কারণেও সম্পর্ক ভাঙতে পারে।

>> অত্যধিক অধিকারপ্রবণ মানসিকতাও বিপজ্জনক হতে পারে সম্পর্কের ক্ষেত্রে। সঙ্গীর সব ভালো-মন্দ দেখতে যাবেন না। নিজের জীবনের দায়িত্ব তাকে নিতে দিন।

এজন্য পাশে থাকুন। তবে তার উপর জোর খাটাবেন না কখনো। এতে ওই সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে। আর এজন্য দায়ী থাকবেন কিন্তু আপনিই!


আরও খবর



মাঙ্কিপক্স সংক্রমণের ঝুঁকি কাদের বেশি?

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

বিশ্ব এখনো করোনাভাইরাস মহামারির সঙ্গে লড়াই করছে। তার মধ্যে আবার মাঙ্কিপক্স সংক্রমণও একাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। মাঙ্কিপক্স হলো একটি ভাইরাল সংক্রমণ যার উপসর্গ গুটিবসন্ত সংক্রমণের মতো।

বিশ্বজুড়ে মাঙ্কিপক্সের ঘটনা বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বিশ্বব্যাপী এই সংক্রমণের বিষয়ে সতর্ক করেছে। ২২শে জুলাই পর্যন্ত, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের তথ্য জানাচ্ছে, বিশ্বব্যাপী ১৬ হাজার ৮৩৬টি মাঙ্কিপক্স নিশ্চিত করা হয়েছে।

কী এই মাঙ্কিপক্স?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি এক বিশেষ ধরনের বসন্ত। জলবসন্ত বা গুটিবসন্তের প্রতিকার থাকলেও এই ভাইরাস এতই বিরল যে, এখনো পর্যন্ত এর নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসাপদ্ধতি জানা নেই চিকিৎসকদের।

মূলত পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার কিছু দেশে এই ভাইরাসের খোঁজ মেলে। তবে নাম ‘মাঙ্কিপক্স’ হলেও একাধিক বন্যপ্রাণির মাধ্যমে ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। এই ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ছড়ায় ইঁদুরের মাধ্যমে।

ভাইরাসের উপসর্গ কী কী?

মাঙ্কিপক্সের উপসর্গগুলো সাধারণত ৬-১৩ দিনের মধ্যে প্রদর্শিত হয়। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসেস (এনএইচএস) জানিয়েছে, এর প্রথম লক্ষণগুলো দেখা দিতে ৫-২১ দিন সময় লাগতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তদের শরীরে প্রাথমিক উপসর্গের মধ্যে আছে- জ্বর, মাথা যন্ত্রণা, পিঠ ও গায়ে ব্যথার মতো লক্ষণ। এর থেকে হতে পারে কাঁপুনি ও ক্লান্তি।

এর পাশাপাশি দেহের বিভিন্ন লসিকা গ্রন্থি ফুলে ওঠে। সঙ্গে ছোট ছোট ক্ষতচিহ্ন দেখা দিতে থাকে মুখে। ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে ক্ষত। বিশেষজ্ঞদের দাবি, আক্রান্ত ব্যক্তির আশপাশে থাকা ব্যক্তির মধ্যে সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ভাইরাস।

শ্বাসনালি, ক্ষতস্থান, নাক, মুখ কিংবা চোখের মাধ্যমে এই ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে সুস্থ ব্যক্তির দেহে। এমনকি আক্রান্তের ব্যবহার করা পোশাক থেকেও ছড়ায় সংক্রমণ।

সম্প্রতি মাঙ্কিপক্সের নতুন ৩ গুরুতর লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে। ত্বকে ফুসকুড়ির পাশাপাশি মাঙ্কিপক্সে সংক্রমিত ব্যক্তিদের যৌনাঙ্গে ঘা, মুখে ঘা ও মলদ্বারে ঘা হতে পারে। গবেষকরা দেখেছেন, প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনের যৌনাঙ্গে ক্ষত ছিল ও ১৫ শতাংশ মানুষের পায়ুপথ অথবা মলদ্বারে ব্যথা ছিল।

গ্লোবাল হেলথ এজেন্সি মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের গুরুতর লক্ষণগুলোর মধ্যে সেকেন্ডারি স্কিন ইনফেকশন, নিউমোনিয়া, বিভ্রান্তি ও চোখের সমস্যার বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তদের ১-১০ শতাংশের মৃত্যুঝুঁকি আছে বলেও জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মাঙ্কিপক্সের লক্ষণগুলো নিজে থেকেই চলে যায়।

কারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে?

যাদের মাঙ্কিপক্স আছে এমন ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের (যৌন যোগাযোগসহ) মাধমে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। এছাড়া ইঁদুর ও প্রাইমেটের মতো প্রাণীর মাধ্যমেও ছড়াতে পারে মাঙ্কিপক্স।

বিশেষ করে মাঙ্কিপক্স সংক্রামিত ব্যক্তি বা প্রাণীর সঙ্গে যাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে তাদের মধ্যেই বেশি ছড়িয়ে পড়ে এই ভাইরাস। প্রথমে ত্বক থেকে ত্বক, মুখ থেকে মুখ বা মুখ থেকে ত্বকের যোগাযোগসহ যৌন যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করে ও সংক্রমণ ঘটায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, নবজাতক ও ছোট শিশু কিংবা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন ব্যক্তিদের মধ্যে মাঙ্কিপক্সের ঝুঁকি বেশি। যদিও মাঙ্কিপক্স থেকে মৃত্যু বিরল, তবে লক্ষণ হতে পারে গুরুতর।

এছাড়া যাদের ইমিউন ডেফিসিয়েন্সি ডিজিজ আছে তাদের ক্ষেত্রেও এই ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। জিনগত কারণে এমন ব্যক্তিরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম নিয়ে জন্মায়।

তবে যারা গুটিবসন্তের টিকা দিয়েছেন তারা অন্যদের চেয়ে অনেকটাই সরক্ষিত। স্মলপক্স ভ্যাকসিনগুলো মাঙ্কিপক্সের বিরুদ্ধে কার্যকর বলে বলা হয়। মাঙ্কিপক্স গুটিবসন্তের অনুরূপ ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট হওয়ায় এনএইচএস জানিয়েছে, স্মলপক্সের (এমভিএ) ভ্যাকসিন মাঙ্কিপক্সের বিরুদ্ধে ভালো কাজ করে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


আরও খবর