Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৫৮জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে খিলক্ষেতে আনন্দ মিছিল বের হয়েছে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে।


শনিবার (২৫ জুন) পদ্মা সেতু উদ্ধোধন করা হয়েছে।দীর্ঘতম সেতুটি উদ্ধোধন করার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ আজ তার স্বপ্ন পূরণ প্রত্যক্ষ করছে।


প্রধানমন্ত্রী গতকাল শনিবার সকালে মাওয়া প্রান্তে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পদ্মা সেতুর ফলক উম্মোচন করেন, যেখানে বিদেশী কূটনীতিকসহ হাজার হাজার বিশিষ্ট অতিথি উপস্থিত ছিলেন। 


পদ্মা সেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে সারাদেশে আনন্দ র‌্যালি, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।খিলক্ষেত থানা মহিলা আওয়মীলীগ নেত্রী শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের প্রাক্কালে শনিবার খিলক্ষেতের বিভিন্ন রাস্তায় বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও শোথাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।


পদ্মাসেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে সারাদিন খিলক্ষেত এলাকা জয়বাংলা শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।শশী আক্তার শাহীনা বলেন,আমাদের গৌরব ও সক্ষমতার প্রতীক, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত পদ্মা সেতু।


খিলক্ষেত থানা মহিলা আওয়ামীলীগ কর্তৃক আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য মিছিল নামাপাড়া এলাকা থেকে শুরু হয়ে সড়ক মহাসড়ক ও বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিন করে।এসময় উপস্থিত ছিলেন খিলক্ষেত থানা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।


শনিবার বেলা ১১টা ৫৮ মিনিটে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১২টা ০৬ মিনিটে সেতু দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর জাজিরার অভিমুখে রওয়ানা হয়। এর আগে বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে নিজহাতে নির্ধারিত টোল দেন প্রধানমন্ত্রী।


সকাল ১০টায় হেলিকপ্টারযোগে মুন্সিগঞ্জের দোগাছি পদ্মা সেতু সার্ভিস এরিয়া-১ এ পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে পদ্মা সেতুর উত্তর থানা সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত সুধী সমাবেশে উপস্থিত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। সমাবেশে অংশ নেন সাড়ে ৩ হাজার সুধীজন। যাদের মধ্যে ছিলেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, বিশিষ্ট নাগরিক ও সাংবাদিকরা। সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রী মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ফলক উন্মোচন করেন। পরে মোনাজাতে অংশ নেন তিনি।


রোববার (২৬ জুন) ভোর ৬টা থেকে পদ্মা সেতু দিয়ে যান চলাচল শুরু হয়। ২০০১ সালের ৪ জুলাই স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের নভেম্বরে নির্মাণকাজ শুরু হয়। দুই স্তরবিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাসের এ সেতুর ওপরের স্তরে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচের স্তরে একটি একক রেলপথ রয়েছে।


আরও খবর



সপ্তাহের বেশিরভাগ দিনই থাকে বন্ধ, সিএইচসিপিরা ইচ্ছামতো আসে-যান

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে তদারকির অভাবে খেয়ালখুশি মতো চলছে কমিউনিটি ক্লিনিক। রোগীরা ঠিকমতো সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। রোগীদের অভিযোগ, শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকার কথা থাকলেও কমিউনিটি হেলথ প্রোভাইডাররা (সিএইচসিপি) নিজেদের খেয়ালখুশি মতো ক্লিনিকে আসেন। আবার ইচ্ছা হলে চলে যান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের নিশাপট, কাজীরগাঁও, কলিমনগর; নুরপুর ইউনিয়নের নুরপুর, চাঁনপুর ও ব্রাক্ষণডুরা ইউনিয়নে উলুহর গ্রামে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছে সরকার। এগুলোর মধ্যে কাজীরগাঁও কমিউনিটি ক্লিনিক ও চাঁনপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা পাচ্ছেন না রোগীরা। সিএইচসিপিদের ইচ্ছা অনুযায়ী চলছে স্বাস্থ্যসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সরেজমিন দেখা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়নের কাজীরগাঁও ও নুরপুর ইউনিয়নের চাঁনপুর কমিউনিটি ক্লিনিক দুটি তালাবদ্ধ। সিএইচসিপিকে না পেয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে বিভিন্ন বয়সী রোগীরা ফিরে যাচ্ছেন।

jagonews24

স্থানীয়রা জানান, কাজিরগাঁও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি তানিয়া আক্তার অনেকদিন ধরেই ক্লিনিকে অনিয়মিত। মাঝেমধ্যে এলেও কিছুক্ষণ থেকে আবার চলে যান। নিয়মিত না খোলার কারণে ক্লিনিকের দরজার কাছেই বালু রাখা হয়েছে।

কাজীরগাঁও ক্লিনিকের পার্শ্ববর্তী বাড়ির বাসিন্দা আব্দুল মতিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘সিএইচসিপি তানিয়া মাঝেমধ্যে ক্লিনিকে আসেন। দু এক ঘণ্টা বসে আবার চলে যান। সপ্তাহের বেশিরভাগ দিন বন্ধ থাকে। চিকিৎসা ও ওষুধ নিতে আসা রোগীরা খালি হাতে ফিরে যান। বাধ্য হয়ে রোগীদের প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।’

এ বিষয়ে কাজিরগাঁও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি তানিয়া আক্তার ফোনে জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি অসুস্থ। গত ১৫-২০ দিন ধরে সকাল-বিকাল থেরাপি নিতে হচ্ছে। এছাড়া আমার এখানে পরিবার কল্যাণ সহকারী (এফডব্লিওএ) ও স্বাস্থ্য সহকারী এইচএ) না থাকায় একাই সবকিছু সামাল দিতে হয়। এফডব্লিউএ এবং এইচএ থাকলে তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে চলতে পারতাম।’

jagonews24

চাঁনপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি মাহবুবুর রহমান সুয়েবের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে চাঁনপুর গ্রামের রায়হান মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘সিএইচসিপি মাহবুবুর রহমান সপ্তাহে ২-৩ দিন ক্লিনিকে আসেন। এসে কিছুক্ষণ থেকে আবার চলে যান। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছামতো ক্লিনিক খোলেন আর লাগান।’

এ বিষয়ে সিএইচসিপি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের নির্দেশনা দেওয়া আছে যে আমাদের কোনো সমস্যা হলে এফডব্লিওএ কিংবা এইচএকে দায়িত্ব দিয়ে লিভ (ছুটি) নিতে পারবো। তবে কোনো অবস্থাতেই ক্লিনিক বন্ধ রাখা যাবে না। আজ (বৃহস্পতিবার) আমার বাচ্চা অসুস্থ থাকায় আমি হাজিরা দিয়ে এফডব্লিওএকে দায়িত্ব দিয়ে চলে আসছিলাম। সে কেন ক্লিনিক বন্ধ করে চলে গেলো সেটা সেই বলতে পারেবে।’

জানতে চাইলে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কামরুল জমাদ্দার বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কমিউনিটি ক্লিনিক চলবে। হেলথ কমিউনিটি হেলথ প্রোভাইডারদের ইচ্ছামতো চলার সুযোগ নেই।

jagonews24

তিনি বলেন, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য সরকার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছে। কেউ যদি টাকার বিনিময়ে ওষুধ বা চিকিৎসা দেন এটা অপরাধ। আমি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি। অভিযুক্তদের বিরুদ্বে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


আরও খবর



‘তেলের দাম সমন্বয়ের চিন্তা করছি, সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে’

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন। তবে, জনগণের দুর্ভোগ হয়— এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না সরকার। এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি গ্যাসের যে দাম বাড়ানো হয়েছে তা ২০২১ সালের দর। যুদ্ধের কারণে অনেক দাম বেড়েছে, এখন আবার সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) বারিধারার বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পেট্রল ও অকটেন নিয়ে চিন্তা নেই। হেডেক হয়েছে ডিজেল। ডিজেল সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় পরিবহন সেক্টরে। সে দিকটাও সরকার বিবেচনা করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় লোকসান গুণতে হচ্ছে। এখানে কোন ভর্তুকি নেই, সব লোকসান দিচ্ছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। বিপিসির লোকসান ৮ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। আমরা দাম সমন্বয় করার কথা চিন্তা করছি। তবে, তা জনগণের সহনীয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা হবে। সরকার একটি মেকানিজম বের করার চেষ্টা করছে, যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়ে গেলে এখানেও বাড়ে। আবার কমে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এখানেও কমে যাবে।

জ্বালানি তেলে দাম বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) মাধ্যমে না করে নির্বাহী আদেশে করা হচ্ছে কেনো? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার মনে করছে আপাতত নির্বাহী বিভাগের হাতে থাকলেই ভালো।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার পরও কেন দেশে দাম বাড়ানোর তোড়জোড়? এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কতটা কমেছে সে বিষয়টি বুঝতে হবে। দর উঠেছিল ১৭০ ডলারে, এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩৪ ডলার। ৭৯ ডলারের ওপরে গেলে লোকসান দিতে হয়।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় লোডশেডিংয়ের ফলাফল কী এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরাতো বিএনপির মতো অন্ধকার যুগে চলে যাইনি। বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ লোডশেডিং করছে। রাজধানীতে এর ফলাফল ভালো শৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে লোডশেডিং হচ্ছে। তবে, গ্রামাঞ্চলে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। এক ঘণ্টার লোডশেডিং ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত গড়াচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে। মাস শেষে বিল এলে সাশ্রয়ের বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা মিলবে বলেও মনে করেন প্রতিমন্ত্রী।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি বিইআরসির এখতিয়ারে। তারা গণশুনানি গ্রহণ করে পরবর্তী কার্যক্রম শেষ করে এনেছে। চলতি অথবা আগামী মাসে দর ঘোষণা করতে পারে।


আরও খবর



বন্যার্তদের পাশে ঢাবির সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
Image

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৫২ জন মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

শনিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনার খালিয়াজুরি উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৫২ জন মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

এসময় ত্রাণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান রব্বানী জব্বার, সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন সরকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন খন্দকার ,খালিয়াজুরি প্রেসক্লাব সেক্রেটারি স্বাগত সরকার।

এসময় সার্বিক সহযোগিতা করেছেন সরকারি তিতুমীর কলেজের সহকারী অধ্যাপক সুমন তালুকদার। সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ড. আফরোজা বেগম, রহিমা আফরোজ মিলি, খালিদ শাহীন, শেখ মাহবুবুর রহমান বাপ্পী, মো. ওমর ফারুক উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ডাকাতিতে জড়িত পুলিশ সদস্যের দায় নেবে না বাহিনী: হারুন

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৩৫জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর দারুস সালাম থানা এলাকায় স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগের জোনাল টিম। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রুপনগর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) জাহিদুল ইসলাম এখন কারাগারে আছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো পুলিশ সদস্যের দায় বাহিনী নেয় না।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

এর আগে, বুধবার (২০ জুলাই) রাতে রাজধানীর সদরঘাট ও মেরাদিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- মো. সোহেল আহম্মেদ পল্লব (৪৮), মো. পলাশ শেখ (৩৪), মো. মাসুদ রানা (৪৬) ও রবিন হালদার পরেশ (৫০)।

jagonews24

এ সময় তাদের কাছ থেকে লুট করা স্বর্ণালঙ্কারসহ বিক্রয়লব্ধ পাঁচ লাখ টাকা ও আনুমানিক ২০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।

হারুন অর রশীদ বলেন, ভিকটিম টিটু প্রধানীয়া রাজধানীর কোতয়ালী থানাধীন তাঁতী বাজারস্থ ধানসিড়ি চেইন অ্যান্ড বল হাউজ নামক স্বর্ণের দোকানের একজন কর্মচারী। সে স্বর্ণের দোকানে তৈরি করা গহনা দেশের বিভিন্ন জুয়েলারি দোকানে ডেলিভারি দিয়ে থাকে।

‘গত ১৭ জুলাই সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভিকটিম স্বর্ণের গহনা নিয়ে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর ও সখিপুর থানা এলাকার বিভিন্ন জুয়েলারি দোকানে পৌঁছে দেওয়ার জন্য মোটরসাইকেল যোগে রওনা হন।’

‘মোটরসাইকেলে করে গাবতলী বাস টার্মিনালে পৌঁছে তিনি টাঙ্গাইলের বাসের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। এ সময় অজ্ঞাতনামা একজন ব্যক্তি তার কাছে এসে নিজেকে ডিবি (গোয়েন্দা শাখা) পুলিশ পরিচয় দিয়ে তার নাম-ঠিকানা ও পেশা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। ভিকটিম নাম-ঠিকানা বলার পর আসামি ব্যাগের মধ্যে কী আছে জানতে চায়।’

‘অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি নিজেকে ডিবি পুলিশ পরিচয় দেওয়ার কারণে ভিকটিম আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ব্যাগে ৩৮ ভরি ১৪ আনা স্বর্ণের তৈরি বল চেইন, চেইন জুমকা, বল জুমকা, লকেট, আংটি ও রিস্টলেট আছে বলে জানান।’

‘তিনি বিশেষ কায়দায় মোড়ানো দুটি প্যাকেটে করে খাকি রংয়ের একটি স্কুল ব্যাগের মধ্যে ভরে ওইসব স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিছুক্ষণ পর আরও অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজন লোক এসে সেখানে যোগ দেয় এবং তারা ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক ভিকটিমের কাছে থাকা স্বর্ণালঙ্কারের ব্যাগ, স্বর্ণের ভাউচার, দোকানের ট্রেড লাইসেন্স, টিন সার্টিফিকেট ও তার ব্যবহৃত টেকনো টাচ মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।’

jagonews24

‘এরপর অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা ভিকটিমকে থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলে (ঢাকা মেট্রো-ল-৫৬-৬৪৩৮) বসিয়ে গাবতলী বেড়িবাঁধ এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে কিছুক্ষণ আটকে রাখার পর একটি সিএনজিতে উঠিয়ে বিজয় সরণি মোড়ে ট্রাফিক সিগনালে সিএনজিটি থামলে ভিকটিমকে রেখে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা দ্রুত পালিয়ে যায়।’

গ্রেফতারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হারুন অর রশীদ জানান, গ্রেফতাররা সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য। তারা পরস্পর যোগসাজসে ভিকটিমের পথরোধ করে জোরপূর্বক তার জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়।

এ ঘটনার সঙ্গে রুপনগর থানার একজন এএসআইয়ের সম্পৃক্ততা নিয়ে হারুন বলেন, আইন সবার জন্য সমান। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নেই। দুই লাখের উপরে পুলিশ বাহিনী। কোনো ব্যক্তির দায় পুলিশ বাহিনী নেয় না। যদি ডাকাতিতে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকে, তাহলে তার শাস্তি সে পাবে। এ ঘটনার সঙ্গে আরও কয়েকজনের নাম আমরা পেয়েছি। তবে তাদের নাম আমরা বলছি না।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এ কাজে আর কারা কারা জড়িত ছিল এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।


আরও খবর



মা-বাবার মধ্যে অশান্তি শিশুমনে যে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
Image

দাম্পত্য কলহ কমবেশি সব সংসারেই হয়। তবে সন্তানের সামনে ঝগড়া বা অশান্তি করার বিষয়টি মোটেও ঠিক নয়। কারণ বাবা-মায়ের মধ্যে কলহ দেখলে শিশুমনে কঠিন আঘাত পড়ে। এতে মানসিকভাবে শিশু আরও কোণঠাসা ও ভীতু হয়ে পড়ে।

শিশুর বড় হওয়ার সময় নানাভাবে তার যত্ন নিতে হয়। বাবা-মায়ের আদর, খাওয়া দাওয়া, লেখাপড়া, খেলা জরুরি। তেমন দরকার সংসারের শান্তিও। একটি শিশুর কাছে সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হলো তার বাবা-মা।

অথচ বাবা-মায়ের মধ্যেই যদি অশান্তি লেগে থাকে তাহলে ওই শিশু কখনো সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে পারে না। মানসিকভাবে এমন শিশুরা বেশ দুর্বল হয়ে পড়ে।

এর ছাপ তাদের পরবর্তী জীবনে ব্যক্তিত্বের উপর পড়ে। জেনে নিন জেনে বা অজান্তেই শিশুর সামনে দাম্পত্য কলহ করলে তার মনে কী ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে-

>> বাবা-মায়ের মধ্যে মতের মিল না থাকলে অনিশ্চয়তায় ভুগতে দেখা যায় বহু শিশুকে। তাদের জীবন কোন দিকে মোড় নেবে, সে চিন্তা ছোটবেলা থেকেই পেয়ে বসে।

বাবা-মায়েদের নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া করা জরুরি। তাদের সম্পর্কের তিক্ততা যেন কখনো শিশুর ব্যক্তিত্বে ছাপ না ফেলে সেদিকে খেয়াল রাখুন।

>> ৩-৭ বছরের মধ্যে শিশুরা স্কুলের গণ্ডিতে পা রাখে। তারা স্কুলে গিয়ে নতুন বন্ধুদের সঙ্গে ভাব জমাতে শুরু করে। তখন নিজেদের জগৎ আলাদাভাবে তৈরি করতে শেখে তারা। এমন সময় ঘরের পরিস্থিতি অশান্ত হলে সমাজে ভালোভাবে মিশতে পারে না তারা।

>> পারিবারিক অশান্তি অতিরিক্ত মাত্রায় চলতে থাকলে তা শিশুর মানসিক চাপ বাড়ায়। অবসাদ ও উদ্বেগের মতো অসুখ ছোট থেকেই ঢুকে পড়তে পারে তার মনে।

বড়দের মধ্যে মতের মিল না হলে অনেক সময়ই অশান্তি হতে পারে। তবে কখনো শিশুর সামনে বাকবিতণ্ডা করবেন না। বাবা-মায়েদের নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া করা জরুরি। আপনাদের সম্পর্কের তিক্ততা যেন কখনো শিশুর ব্যক্তিত্বে ছাপ না ফেলতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।


আরও খবর