Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

‘পাপের ফল ভোগ করছেন ড. ইউনূস ’

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৫০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:গ্রামীণ ব্যাংকের ১ কোটি ৫ লাখ সদস্যের সঙ্গে প্রতারণার অভিশাপ ভোগ করছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস,বলেছেন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান আইন উপদেষ্টা মাসুদ আখতার । গ্রামীণ ব্যাংকের গ্রাহকদের সঙ্গে তিনি প্রতারণা করেছেন। সেই পাপের ফলাফল তিনি ভোগ করছেন।

সোমবার (৩ জুন) সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

মাসুদ আখতার বলেন, কোনো দেব-দেবীর অভিশাপ নয়, বরং গ্রামীণ ব্যাংকের ১ কোটি ৫ লাখ সদস্যের সঙ্গে প্রতারণার অভিশাপ ভোগ করছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। উনি নিজের ও পারিবারিক কোনো সুবিধা নেননি। কিন্তু, উনি প্রিন্টিং প্রেসের জন্য ওনার প্রতিষ্ঠানকে শতকোটি টাকার ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছেন এবং তা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশের বেশি দরে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ওনার এক জিএম এসবের প্রতিবাদ করেছেন, তাকে উনি নির্যাতন করেছেন। গৃহবন্দি করেছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ৯৭ সাল থেকে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১১ সালে ব্যাংক ছাড়লেও, পরবর্তীতে তিনি তার দুর্নীতি ফাঁস করতে দেননি। কারণ এরপর তার লোকজনই গ্রামীণ ব্যাংক চালিয়েছেন। তবে, ২০২০ সালে এক অডিটে ভয়াবহ দুর্নীতির কথা উঠে আসে। আমাদের হাতে এগুলো আসে ২০২৩ সালে। আরও আসছে।

মাসুদ আখতার আরও বলেন, ব্যক্তি ইউনূসের সঙ্গে আমাদের কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ নেই। তার কর্মকাণ্ড, অপকর্মের, পারিবারিক সুবিধা দিয়েছেন তা নিয়ে আমাদের অভিযোগ। ড. ইউনূস অর্থলোভী। আমাদের কোনো কিছু বানোয়াট নয়। গ্রামীণ ব্যাংকের গ্রাহকদের সঙ্গে তিনি প্রতারণা করেছেন। সেই পাপের ফল তিনি ভোগ করছেন।


আরও খবর



উদ্যোক্তা ও কর্মজীবী নারীদের যাতায়ত নিরাপদ করতে প্রাইম ব্যাংক ও বি-ট্র্যাক সলিউশনস লিমিটেডে’র মধ্যে চুক্তি

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:উদ্যোক্তা ও কর্মজীবী নারীদের অফিস যাতায়াত নিরাপদ করতে অংশীদারিত্ব করেছে দেশের শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রাইম ব্যাংক পিএলসি ও বি-ট্র্যাক সলিউশনস লিমিটেড। সম্প্রতি গুলশানে ব্যাংকের করপোরেট অফিসে প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে এ সম্পর্কিত একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, উদ্যোক্তা ও কর্মজীবী নারীদের অফিস যাতায়ত নিরাপদ করতে বি-ট্র্যাক মোবাইল অ্যাপ “NIRAPATH” চালু করেছে, যার মাধ্যমে উদ্যোক্তা ও কর্মজীবী নারীরা কাজের জন্য এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবেন।

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব শামস আবদুল্লাহ মুহাইমিন এবং বি-ট্র্যাক সলিউশনস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব এম. তানভীর সিদ্দিকী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রাইম ব্যাকের হেড অব উইমেন ব্যাংকিং অ্যান্ড অ্যাফ্লুয়েন্ট সেগমেন্ট শায়লা আবেদীন, বি-ট্র্যাক সলিউশনস লিমিটেডের হেড অফ সেলস জনাব সিরাজ উদ্দীন ‍সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ।


আরও খবর



দেশে কোটিপতির সংখ্যা কমেছে

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কয়েক দফা দেশে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা বাড়ার পর এবার কমেছে। এসব হিসাবে টাকার রাখার পরিমাণও কমেছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছে, নানা কারণে ব্যাংক খাতের ওপর মানুষের আস্থা কমেছে। যার প্রভাব পড়ছে সব শ্রেণির আমানতকারীর ওপর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ সময়ে) কোটি টাকার ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১৮টি। পাশাপাশি আমানত কমেছে ১ হাজার ৩১২ কোটি টাকা। মার্চ পর্যন্ত ১ কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা রয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৯০টি। কোটি টাকার ওপরে এসব ব্যাংক হিসাবে ৭ লাখ ৪০ হাজার ১৫০ কোটি টাকা জমা আছে। গত বছরের (২০২৩ সাল) ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে ১ কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এমন ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি। এসব ব্যাংক হিসাবে মোট জমা ছিল ৭ লাখ ৪১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা। সে হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে কোটিপতিদের হিসাব সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ১৮টি, আর তাদের অ্যাকাউন্টে আমানত কমেছে ১ হাজার ১১ কোটি।

মার্চ প্রান্তিক শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানতকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭১ হাজার ২০২ টি। এসব হিসাবের বিপরীতে আমানত জমা রয়েছে ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা। তবে কোটি টাকার হিসাব মানে কোটিপতি নাগরিকের হিসাব নয়। অনেক ব্যক্তিই যেমন ব্যাংকে এক কোটি টাকার বেশি অর্থ রাখেন, তেমনি অনেক প্রতিষ্ঠানও ব্যাংকে কোটি টাকা জমা করে। অর্থাৎ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব বলতে যুগপৎ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়ই। তাছাড়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কতটি ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে, তারও নির্দিষ্ট সীমা নেই। এতে করে এক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির একাধিক হিসাবও রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং নানা সংস্থার কোটি টাকার হিসাবও রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্য বলছে, চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিক শেষে এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১ হাজার ৬২৩টি, এসব হিসাবে জমা ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা। পাঁচ কোটি ১ টাকা থেকে ১০ কোটি টাকার ১২ হাজার ৪৪৬টি হিসাবে জমার পরিমাণ ৮৮ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা। গত ২০২৩ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা ছিল ৯২ হাজার ৫১৬টি। যেখানে জমার পরিমাণ ছিল এক লাখ ৯৪ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকা। আর পাঁচ কোটি ১ টাকা থেকে ১০ কোটির ১২ হাজার ৬৫২টি হিসাবে জমার পরিমাণ ছিল ৮৯ হাজার ৪৫১ কোটি টাকা।

আলোচিত সময়ে ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা রয়েছে ৪ হাজার ৩৯৬টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ১ হাজার ৯৬১টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ১ হাজার ২১১টি, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৮৭৫ টি আমানতকারীর হিসাব। আর ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৫০১টি এবং ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৩৬৯টি, ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ৬৮১টি। ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের সংখ্যা ১ হাজার ৮২৬টি। যা গত ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৮২টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ২ হাজার ২টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ১ হাজার ৩৪৫টি, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে ছিল ৯১২টি আমানতকারীর হিসাব। এছাড়া ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৫১২টি, ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে ছিল ৪৮০টি, ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ছিল ৭৩৮টি এবং ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮১২টি।

দেখা যায়, ১৯৭৫ সালে কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব ছিল মাত্র ৪৭টি, ২০১৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৭ হাজার ৫১৬টি। বৈশ্বিক মহামারি করোনার শুরুতে ২০২০ সালের মার্চে এই সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫, বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজারে ৮৯০টিতে দাঁড়িয়েছে।


আরও খবর



এমপি আনার হত্যা: ৫ দিনের রিমান্ডে শিমুল-তানভীর-শিলাস্তি

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৪০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার তিন আসামির আট দিনের রিমান্ড শেষে ফের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তারা হলেন- শিমুল ভূইয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভূইয়া ওরফে আমানুল্যা সাইদ, তানভীর ভূইয়া ও শিলাস্তি রহমান।

শুক্রবার (৩১ মে) আট দিনের রিমান্ড শেষে তাদেরকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদেরকে আবারও আট দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওয়ারী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান।

শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শান্ত ইসলাম মল্লিকের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ২৪ মে দুপুর সোয়া ২টার দিকে তিন আসামিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এসময় মামলার সুষ্ঠু-তদন্তের জন্য তাদের দশদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাহফুজুর। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি আটদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বাড়ি থেকে বেরোনোর পাঁচদিন পর গত ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনোয়ারুল আজীম নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলেনি তিনবারের এই সংসদ সদস্যের। বুধবার (২২ মে) হঠাৎ খবর ছড়ায়, কলকাতার পার্শ্ববর্তী নিউটাউন এলাকায় বহুতল সঞ্জীবা গার্ডেনস নামে একটি আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে আনোয়ারুল আজীম খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া গেছে রক্তের ছাপ। তবে ঘরে মেলেনি মরদেহ।

এ ঘটনায় ২২ মে ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন তার মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

ইতোমধ্যে আনার হত্যায় কলকাতায় জিহাদ নামে এক কসাইকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হয়েছে আমানুল্যা সাইদ, তানভীর ভূইয়া ও শিলাস্তি রহমান।

এমপি আনোয়ারুল আজীম হত্যার তদন্তে ২৬ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে যান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল। সেখানে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় এমপির দেহাংশ খুঁজতে থাকেন। এরপর কলকাতার নিউটাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনের যে ফ্ল্যাটে আনারকে খুন করা হয়েছিল সেই ফ্ল্যাটের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে দেহাংশের টুকরো উদ্ধার করা হয়ছে। তবে উদ্ধার হওয়া মাংসগুলো এমপি আজিমের কি না তা এখনও নিশ্চিত নয়।


আরও খবর



ফুলবাড়ীতে যুবকদের হুইসেল ব্লোয়ার হিসাবে অন্তর্ভূক্তিকরণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৫৫জন দেখেছেন

Image

আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার পৌরসভা এলাকার সুজাপুর মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভা কক্ষে নাগরিক প্লাটফর্ম ও অন্যান্য স্টেক হোল্ডার দের সাথে যুবকদের হুইসেল ব্লোয়ার হিসেবে অর্ন্তরভূক্তিকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শনিবার বিকেল ৪টায় সুজাপুর মডেল প্রাথমিক সভা কক্ষে নাগরিক প্লাটফর্ম ও অন্যান্য স্টেট হোল্ডারদের সাথে যুবকদের হুইসেল ব্লোয়ার হিসেবে অন্তরভূক্তিকরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ডিপুটি কমান্ডার মোঃ এছার উদ্দীন। এ সময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ডেমক্রেস ওয়াচ অস্থা প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী মোঃ কামরুজ্জামান, মনিটরিং রিপোটিং কালেক্টর মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, বর্তমান যুব সমাজ প্রযুক্তি ও স্যোসাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মগুলোতে পারদর্শী। হুইসেল ব্লোয়িং করার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহারে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে। আজকের যুব সমাজ বিভিন্ন পরিচয়ে নেতা, কর্মচারী, ভোক্তা ইত্যাদি আগামী দিনের নাগরিক। তাই হুইসেল ব্লোয়িং প্রক্রিয়ায় যুবকদের অন্তর্ভুক্ত করা হলে, তারা ভবিষ্যতে নিজ সম্প্রদায় বা সংস্থায় দায়িত্বশীল স্টেকহোল্ডার হয়ে উঠবে। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন মাদিলহাট কলেজের প্রভাষক আবু শহীদ, সাংবাদিক মোঃ রজব আলী, ইমাম আব্দাল সাত্তার, ফুলবাড়ী থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদুল ইসলাম ডিফেন্স, গুপ্তা প্লাইউড এর এমডি আনন্দ কুমার, ফুলবাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল। যুবকদের হুইসেল ব্লোয়ার অন্তর্ভূক্তিকরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী, মসজিদের ইমাম, মুক্তিযোদ্ধা, সমাজের বিত্তবান, ব্যবসায়ী, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ শতাধিক বিভিন্ন সমাজের সচেতন ব্যক্তিরা, স্টেক হোল্ডার এবং যুবকদের হুইসেল প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। আয়োজনে ছিলেন ডেমোক্রেসি ওয়াচ।


আরও খবর



বাথরুমের ফ্লাশট্রাংক থেকে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, দুই বোন আটক

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ১৬৪জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোরে প্রায় ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইবোনকে আটক করেছে র‌্যাব-৬ যাশোরের সদস্যরা। আটককৃতরা হলেন, বকচর কবরস্থান রোডের লুৎফর শেখের দুই মেয়ে ফরিদা বেগম ও বকচর মাঠপাড়ার ফাতেমা বেগম।এ সময় দুই বোনের কাছ থেকে ১৯ হাজার ৮শ’পিছ ইয়াবা ও মাদক বিক্রির এক লাখ ৪৮ হাজার ৮শ’ টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-৬ যশোরের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে তারা জানতে পারেন বকচর কবরস্থান এলাকার একটি ফ্লাট বাড়িতে বিপুল পরিমান ইয়াবা রয়েছে। তাৎক্ষনিত তার নেতৃত্বে একটি টিম ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় বড় বোন ফরিদার বাড়ির কমডের ফ্লাস ট্রাংকির ভেতর থেকে ৯হাজার ৮শ’পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সাথে তার কাছ থেকেও প্রায় দেড়লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তিতে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান তার আপন ছোট বোন ফাতেমার কাছেও ইয়াবার আরও একটি চালান রয়েছে। পরে বকচর মাঠপাড়ায় ফাতেমার বাড়িতে অভিযান চালায় তারা। ফাতেমার খাটের নিচ থেকে আরও ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, তারা দুই বোনসহ তাদের একটি চক্র রয়েছে যারা যশোর থেকে ইয়াবা নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে থাকেন। তারা নিজেরাই বোরকা পরে শরীরের বিভিন্ন অংশে অভিনব কায়দায় ইয়াবা লুকিয়ে চলে যান দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। তাদের সহযোগিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রেখেছে র‌্যাব যশোরের সদস্যরা।


আরও খবর