Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

পাঁচ মিনিটের মাথায় গোল শোধ করে দিলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Saturday ১১ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৯৫জন দেখেছেন
Image

তুর্কমেনিস্তান অচেনা প্রতিপক্ষ। কখনও তাদের বিপক্ষ খেলা হয়নি বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের। এই অচেনা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ম্যাচ শুরু হতে না হতেই ধাক্কা খায় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

বুকিত জলিল স্টেডিয়ামে এএফসি এশিয়া কাপের বাছাইপর্বের ম্যাচে সপ্তম মিনিটের মাথায় পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। গোল করেন আলতিমিরাত আনাদুর্দি।

তবে সেই গোল শোধ করতে মাত্র পাঁচ মিনিট নিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের ১২তম মিনিটে ১-১ সমতা এনেছেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

আগের ম্যাচে বাহরাইনের কাছে বাংলাদেশ হেরেছে ২-০ গোলে। তুর্কমেনিস্তান ৩-১ গোলে হেরেছে স্বাগতিক মালয়েশিয়ার কাছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে থাকতে হলে দুই দলের জন্যই ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ। হারলে বিদায় নিশ্চিত।


আরও খবর



রাজধানীতে দুই প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৩জন দেখেছেন
Image

অনিয়মের অভিযোগে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের দুটি প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিএসটিআই। সোমবার (৮ আগস্ট) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠান দুটিকে জরিমানা করা হয়।

বিএসটিআই আইন, ২০১৮ অনুসারে বাধ্যতামূলক পাউরুটি, বিস্কুট ও কেকপণ্যের অনুকূলে বিএসটিআইয়ের সিএম সনদ ছাড়া উৎপাদন, বিক্রয়, বিতরণ ও বাজারজাত করায় তাজমহল রোডের ‘দি কেক স্মিথ’কে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন-২০১৮ অনুসারে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিএসটিআইয়ের ছাড়পত্র না নিয়ে আমদানিকৃত কসমেটিক পণ্য বিক্রয়, বিতরণ ও বাজারজাত করায় হাজি চিনু মিয়া রোডে ‘এমডব্লিউটি ইনফরমেশন লিমিটেড’কে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন-২০১৮ অনুসারে প্রতিষ্ঠানটিকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিএসটিআইয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিসা নাজ নীরার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।


আরও খবর



এক ট্রলারে ৭৫ মণ ইলিশ, ১৮ লাখে বিক্রি

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

ইলিশের ভরা মৌসুমে শেষ হয়েছে ৬৫ দিনের অবরোধ। ভরা মৌসুমেও সব ট্রলারের জেলে মাঝিদের যখন মাছ না পাওয়ার অভিযোগ, তখন পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির মালিকানাধীন এফবি সাফওয়ান নামের ট্রলারে জালে উঠে এসেছে ৭৫ মণ রুপালী ইলিশ।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে এফবি সাফওয়ান ট্রলারের মাঝি মো. মহসিন মিয়ার বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মোস্তফা গোলাম কবির। সোমবার বিকেলে বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ঘাটে গভীর সমুদ্র থেকে ফিরে আসে ট্রলারটি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে পাথরঘাটা বিএফডিসি ঘাট থেকে বঙ্গোপসাগরের গভীরে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে পাঠান ট্রলার মালিক মোস্তফা গোলাম কবির। এরপরই মাঝি মহসিন মিয়া বঙ্গোপসাগরের গভীরে জাল ফেলতেই উঠে অসে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। ইলিশের ভরা মৌসুমেও যখন দেখা মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ সে সময় তারা ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফিরে সবাইকে অবাক করেছেন।

পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির মুঠোফোনে জাগো নিউজকে জানান, আমার জেলেরা ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফিরে এসেছে। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি তিনি চাইলেই সব পারেন।

Hilsa-(2)

তিনি আরো জানান, রাতেই মাছগুলো বিক্রি করার জন্য বাগেরহাটে পাঠিয়ে দিয়েছি। সেখানে ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, জালে মাছ না পাওয়ায় হতাশ হয়েই জেলেরা ঘাটে ফিরে আসছে। খুব সমস্যার মধ্যেই তাদের দিন কাটছে। এরমধ্যে পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যানের ট্রলারে ৭৫ মণ ইলিশ এসেছে। এটা আমাদের জন্য খুশির খবর। আমার মনে হয় আস্তে আস্তে মাছ ধরা পড়তে শুরু করেছে জেলেদের জালে। সব জেলে এরকম মাছ পেলে ট্রলার মালিকরা পেছনের ধারদেনা কাটিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশা করছি।

পাথরঘাটা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, গভীর সমুদ্রে এখন প্রচুর পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ছে এবং ওই ইলিশের সাইজেও এখন বড়। তবে উপকূলের কাছাকাছি এখন অনেকটা কম পাওয়া যাচ্ছে মাছ। ধারণা করছি সামনের সময়গুলোতে জেলেদের জালে আরো ইলিশ ধরা পড়বে।


আরও খবর



নেক সন্তান পাওয়ার তিন আমল

প্রকাশিত:Monday ১৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

নেক সন্তান আল্লাহর এক বড় নেয়ামত। ভালো কিংবা মন্দ সব বাবা-মায়েরাই নেক সন্তান চায়। যারা বিয়ে করবেন, যারা বিয়ে করেছেন এবং যারা আরো সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য কোরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী তিনটি আমল খুবই জরুরি। আর এসব আমলেই মহান আল্লাহ তাদের দান করবেন নেক সন্তান। কী সেই তিন আমল?

১. আল্লাহর কাছে দোয়া করা
আল্লাহ তাআলা মানুষকে তাঁর কাছে চাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। চাইতে হবে শুধুমাত্র তাঁর কাছেই। কীভাবে চাইতে হবে তা-ও তুলে ধরেছেন কোরআনে। আল্লাহর কাছে নেক সন্তান চাওয়ার জন্য চমৎকার কিছু আয়াত তুলে ধরেছেন। তাহলো-
رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَ ذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّ اجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا
উচ্চারণ : ‘রাব্বানা হাবলানা মিন আযওয়াঝিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররাতা আইয়ুনাও ওয়াঝআলনা লিলমুত্তাক্বিনা ইমামা।’
অর্থ : ‘হে আমাদের রব্ব! আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন যারা আমাদের জন্য নয়ন প্রীতিকর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্য আদর্শ স্বরূপ করুন।’ (সুরা ফুরকান : আয়াত ৭৪)

আবার যাদের সন্তান হয় না, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত সুন্দর একটি দোয়া। বার্ধক্যে হজরত জাকারিয়া আলাইহিস সালামের সে আবেদনও মানুষের জন্য আল্লাহ তাআলা এভাবে তুলে ধরেছেন-
رَبِّ لَا تَذَرۡنِیۡ فَرۡدًا وَّ اَنۡتَ خَیۡرُ الۡوٰرِثِیۡنَ
উচ্চারণ : ‘রাব্বি লা তাজারনি ফারদাও ওয়া আংতা খায়রুল ওয়ারিছিনা।’
‘হে আমার রব! আমাকে একা রেখো না, তুমি তো শ্রেষ্ঠ মালিকানার অধিকারী (অতএব আমাকে উত্তম ওয়ারিশ/সন্তান দান করুন)।’ (সুরা আম্বিয়া : আয়াত ৮৯)

হজরত জাকারিয়া আলাইহিস সালাম সন্তানের জন্য আরো একটি দোয়া করেন। সেই দোয়ায় আছে আল্লাহর প্রতি বিনয় ও নেক সন্তান পাওয়ার আশা। তাহলো-
رَبِّ هَبۡ لِیۡ مِنۡ لَّدُنۡکَ ذُرِّیَّۃً طَیِّبَۃً ۚ اِنَّکَ سَمِیۡعُ الدُّعَآءِ
উচ্চারণ : ‘রাব্বি হাবলি মিল্লাদুংকা জুররিয়াতান ত্বাইয়েবাতান; ইন্নাকা সামিউদ দোয়া।’
অর্থ : ‘হে আমার প্রভু! আমাকে তোমার পক্ষ থেকে পবিত্র সন্তান দান করো, নিশ্চয়ই তুমি দোয়া শ্রবণকারী।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ৩৮)

২. সুন্নাহ সম্মত আমল করা
নেক সন্তান পাওয়ার জন্য আগে থেকেই শয়তান থেকে বেঁচে থাকা জরুরি। তাই সব সময় আল্লাহর কাছে এভাবে আবেদন করা-
بِسْمِ اللّهِ اللّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ وَ جَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا
উচ্চারণ : ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা জান্নিবনাশ শায়ত্বানা ওয়া জান্নিবিশ শায়ত্বানা মা রাযাক্বতানা।’
অর্থ : ‘আল্লাহর নামে, হে আল্লাহ, আমাদেরকে শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আমাদের যা রিজিক (সন্তান) দেবেন তা থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন।
নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, দাম্পত্য মিলনের আগে যদি কেউ এ কথা বলে তবে তাদের মিলনে সন্তান জন্ম নিলে তাকে শয়তান ক্ষতি করবে না। (বুখারি)

৩. গুনাহ থেকে বিরত থাকা
নেক সন্তান পেতে হলে স্বামী-স্ত্রীকে নেককার হতে হবে। তাদের উভয়কে নেক আমল করতে হবে। গুনাহের কাজ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। তবেই মহান আল্লাহ তাদের দান করবেন নেক সন্তান।

মনে রাখতে হবে
নেক সন্তান দুনিয়া ও আখেরাতের জন্য বিরাট এক নেয়ামত। নেক সন্তান হচ্ছে সাদক্বায়ে জারিয়াহ, কারণ নেক সন্তান বাবা-মায়ের ইন্তেকালের পরেও তাদের জন্য দোয়া করে থাকেন। নেক সন্তানের নেক আমলের সওয়াব মা-বাবা কবরে শুয়ে শুয়ে অবিরাম পেতে থাকেন।

সুতরাং নেক সন্তান পাওয়ার জন্য কোরআন ও হাদিসের আমলগুলো করার পাশাপাশি গুনাহ থেকে বিরত থাকা জরুরি। তবেই আল্লাহ মানুষকে দান করবেন নেক সন্তান।

আল্লাহ তাআলা উম্মতে মুসলিমার সবাইকে নেক সন্তান দান করুন। আমিন।


আরও খবর



৬৩ শর্তে মিলবে অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সনদ

প্রকাশিত:Monday ১৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়নে অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সনদ নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, ল্যাব, নিজস্ব ক্যাম্পাস, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ১০টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ৬৩টি বিষয়ে শর্ত পূরণে এ সনদ দেওয়া হবে। আগামী ২০ জুলাই থেকে অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

সোমবার (১৮ জুলাই) বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মেসবাহউদ্দিন আহমেদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, আগামী ২০ জুলাই বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের জন্য বিশেষ দিন। এদিন উচ্চশিক্ষার অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক সম্মেলন ও উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে শিক্ষা উপমন্ত্রীসহ অনেকে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। উচ্চশিক্ষায় অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।

‘প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বিশ্ব ব্যবস্থায় বাংলাদেশের গ্র্যাজুয়েটদের সুসংহত ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত একাডেমিক প্রোগ্রাম এবং এসব প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (বিএসি) কার্যক্রম শুরু করেছে। শিক্ষার মান উন্নয়নে এ প্রতিষ্ঠানে মোট ১১৯টি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ৫ হাজার ৪৩৫ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে অ্যাক্রেডিটেশন সংক্রান্ত বিধিমালা, অ্যাক্রেডিটেশন সংক্রান্ত সাধারণ নীতিমালা, স্বার্থগত দ্বন্দ্ব ও গোপনীয়তা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। উন্নত দেশের আলোকে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শক্রমে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট ও আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনায় উপযুক্ত অ্যাক্রেডিটেশন পদ্ধতি অনুসরণ করবে।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মেজবাউদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন-২০১৭ পাসের জন্য বিগত ৫ বছর লেগেছে। এরপর সেখানে জনবল নিয়োগ ও কার্যক্রম শুরু করতে আরও কয়েক বছর কেটে গেছে। এজন্য এখনো নিয়মিত কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন সনদের জন্য যারা আবেদন করবে শর্ত অনুযায়ী তাদের ৬৩টি বিষয়ের ওপর কাজ করতে হবে। এরপর যাচাই-বাছাই করে তাদের সনদ দেওয়া হবে। বর্তমানে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় সনদের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যারা পিছিয়ে রয়েছে সনদের জন্য তারাও মান নিশ্চিত করে সনদের জন্য প্রস্তুতি নেবে।

সনদ না নিলে কী হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, চাকরির আবেদন, দেশ-বিদেশে বৃত্তিসহ অনেক কিছু অ্যাক্রেডিটেশন সনদভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় চাহিদা দেওয়া হতে পারে। সনদ না থাকলে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ সেখানে আবেদন করতে পারবে না। শিক্ষার মান নিশ্চিতে সবাইকে এক ছাতার নিচে আসতে হবে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সদস্য প্রফেসর ড. মো: গোলাম শাহি আলম, প্রফেসর ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী, প্রফেসর ড. এস. এম. কবির প্রমুখ।


আরও খবর



মারা গেছেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২২ জুলাই) দিনগত রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান। এসময় তার বড় মেয়ে ফাহিমা রাব্বী রিটা এবং একান্ত সচিব তৌফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ফয়জার রহমান এবং মাতার নাম হামিদুন নেছা।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।

ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালে চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালে ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হন।

২০০৮ সালে নবম, ২০১৪ সালে দশম ও ২০১৯ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।


আরও খবর