Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ৬ষ্ট জাতীয় নারী রাগবি প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ আনসার

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ২৬০জন দেখেছেন

Image

আজাদ হোসেনঃবাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর পৃষ্ঠপোষকতায় ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ষষ্ঠ জাতীয় নারী রাগবি প্রতিযোগিতা ২০২৩ (২৫-২৮ মে) আসরে বাংলাদেশ আনসার এবং ঢাকা জেলার মধ্যে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা জেলাকে পরাজিত করে বাংলাদেশ আনসার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। সকাল সাড়ে ১১ টায় বাংলাদেশ আনসার ৬০-০ পয়েন্টে ঢাকা জেলাকে পরাজিত করে ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার এই গৌরব অর্জন করে। পল্টন আউটার স্টেডিয়ামে এই ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।অপর দিকে বাংলাদেশ আনসার এর কাছে পরাজিত হয়ে ঢাকা জেলা রানারআপ হয়েছে।

প্রতিযোগীতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি এর পরিচালক (ক্রীড়া ও সংস্কৃতি) মোঃ জিয়াউল হাসান বিডিএমএস, পিএএম এস, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর (সিনিয়র এডিশনাল ডাইরেক্টর মার্কেটিং এন্ড কমিউনিকেশন) মোঃ মেহরাব হোসেন, ক্রীড়া পরিদপ্তরের উপ-পরিচালক ফেরদৌস আলম, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির সহকারী পরিচালক রায়হান উদ্দিন ফকির, বাংলাদেশ  রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মৌসুম আলী, যুগ্মসম্পাদক সাঈদ আহমেদ, কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ সরোয়ার রকিব, সিরাজুল ইসলাম ও টুর্নামেন্ট কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ তারিকুজ্জামান, টুর্নামেন্ট কমিটির সম্পাদক পারভিন পুতুল, সহকারী সম্পাদক নুর ই আফরোজ এবং ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।



আরও খবর



আজিজের দুর্নীতির অনুসন্ধান চেয়ে দুদকে আবেদন

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চেয়ে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন করেছেন এক আইনজীবী।

বুধবার (২৯ মে) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান এ আবেদন করেন।

সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী গণমাধ্যমকে জানান, আজিজের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা আইন অনুযায়ী অনুসন্ধানের উদ্যোগ নিতে এ আবেদন করা হয়েছে। দুদক ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট দায়ের করবেন বলেও জানান তিনি।

বড় ধরনের দুর্নীতিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে গত ২১ মে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই নিষেধাজ্ঞার পর তারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।

গত ২০ মে দিবাগত রাতে ইউনাইটেড স্টেট ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট’র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, জেনারেল আজিজ আহমেদের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি প্রতিষ্ঠাণের প্রতি জনগণের বিশ্বাসকে ক্ষুণ্ন করেছে। আজিজ আহমেদ তার ভাইকে বাংলাদেশে অপরাধমূলক কার্যকলাপের জন্য জবাবদিহিতা এড়াতে বেশ কিছু ক্ষেত্রে দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন। সামরিক চুক্তির বিষয়ে আজিজ তার ভাইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছিলেন এবং তার ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকারি নিয়োগের বিনিময়ে ঘুষ গ্রহণ করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠা ও আইনের শাসন শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার পুনরায় নিশ্চিত করা হলো। সরকারি সেবা আরও স্বচ্ছ ও নাগরিকদের সেবা লাভের সুযোগ তৈরি, ব্যবসা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মুদ্রা পাচার ও অন্যান্য অর্থনৈতিক অপরাধের অনুসন্ধান ও বিচার নিশ্চিতে সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টায় সহায়তা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট, ফরেন অপারেশন অ্যান্ড রিলেটেড প্রোগ্রামস অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস অ্যাক্টের ৭০৩১ (সি) ধারার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর। এ পদক্ষেপের ফলে আজিজ আহমেদ এবং তার পরিবারের সদস্যরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।


আরও খবর



৬ দফার নিষিদ্ধকারীরা ১৫ই আগস্টের খুনের সঙ্গে জড়িত: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১২৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দাবি করেছেন,৭৫-এর পর যারা ছয় দফাকে নিষিদ্ধ করেছিল তারা ১৫ই আগস্টের সঙ্গে জড়িত বলে।

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষ্যে শুক্রবার (৭ জুন) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ছয় দফা না হলে ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান হতো কি না সেটিই হলো বড় কথা। এই ছয় দফা আমাদের ইতিহাসের বাক পরিবর্তন করেছে। ৭৫-এর পর ৭ জুন ও ৭ মার্চ এসব দিবসকে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। যারা নিষিদ্ধ করে দেয়, তারা ৭৫-এর খুনের সঙ্গে জড়িত। তারা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেনি, তারা হত্যা করতে চেয়েছিল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে, আমাদের স্বাধীনতার আদর্শকে। সেই জন্য বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে জয় বাংলা, ৭ মার্চ এবং ৭ জুন নির্বাসিত হয়ে যায়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ছয় দফা বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধুর যে আহ্বান, তারই সাথে ৭ জুনের হরতালে বেশ কয়েকজন শ্রমিক নেতা নিহত হন। ছয় দফা হচ্ছে স্বাধীনতা আন্দোলনের মাইলফলক। ছয় দফার ভিত্তিতে ১১ দফা আন্দোলন শুরু করে ছাত্রসমাজ। ৬৫’তে পাক-ভারত যুদ্ধে পূর্ব বাংলার কোনো নিরাপত্তা ছিল না। পূর্ব বাংলাকে রক্ষা করার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। সেই কারণে ছয় দফার প্রয়োজন বেশি ছিল।


আরও খবর



টাঙ্গাইল জেলায় ৭ম বারের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ মোল্লা আজিজুর রহমান

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১৪২জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোল্লা আজিজুর রহমান ৭ম বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। 

২০২৪ সালের মনে মাসে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদান ও ওয়ারেন্ট  তামিলে সেরা সাফল্যের জন্য তাকে পূরষ্কৃত করেন জেলা পুলিশ সুপার  সরকার মোহাম্মদ কায়সার বিপিএম।

মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, এ সাফল্য আমার সকল সহকর্মী সহ প্রিয় মধুপুরবাসীর সহযোগিতার ফল।  সকলের প্রতি আমার আন্তরিক অভিনন্দন। সকলের সহযোগিতা পেলে আগামীতে আরও ভালো কাজের প্রত্যাশা করেন তিনি । তিনি মধুপুরবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা নিয়ে জনগনকে আরও ভাল সেবা প্রদান করবেন বলে জানান।

 -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




রৌমারী হাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ৭৯জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের রৌমারী ও কর্ত্তিমারী হাটে ইজারাদার কর্তৃক সরকারের নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের কাছ থেকে সরকারের নির্ধারিত টোলের চাইতে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্রেতা বিক্রেতারা বিপাকে।

হাট গুলো রৌমারী প্রসিদ্ধ হাট-বাজার ও কর্ত্তিমারী হাট-বাজার। এসব হাটে সরকার নির্ধারিত টোলের কোন তালিকা ঝুলানো হয়নি। প্রতিহাটে নিজেদের খেয়াল খুশিমত গরু, মহিষ ও ছাগল ভেড়ার বেচা কেনায় ক্রেতা বিক্রেতার উভয়ের নিকট থেকে অতিরিক্ত টোল আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। টোল আদায়ের রশিদে কোন মূল্য লেখা হয় না। অতিরিক্ত টোল আদায় করে ইজারাদার লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অতিরিক্ত টাকায় প্রতিযোগীতা মূলক হাট নিয়ে এ অনিয়ম দুর্নীতি করা হচ্ছে। ক্রেতা বিক্রেতার নিকট  এিক্ষেত্রে হাট-দুটিতে তদন্ত পুবর্ক ভ্রাম্যমান আদালতের পরিচালনার দাবী জানিয়েছেন ক্রেতা বিক্রেতাগন।  

ক্রেতা বিক্রেতা গনের অভিযোগ, আমরা দুরদুরান্ত থেকে এসে রৌমারী হাটে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া বেচা কেনা করে আসছি। জেলা প্রশাসন অনুমোদিত টোল হার অনুযায়ী প্রতি গরু মহিষের শুধুমাত্র ক্রেতার কাছ থেকে ৩৫০ টাকা নেওয়ার নিয়ম থাকলেও এখানে ক্রেতার কাছে নেয়া হচ্ছে ৫০০ টাকা ও বিক্রেতার কাছে নেয়া হচ্ছে ৫০০ টাকা এবং ছাগল ভেড়া প্রতি শুধুমাত্র ক্রেতার কাছ থেকে ১০০ টাকা নেয়ার নিয়ম থাকলেও ক্রেতার কাছ থেকে ২০০ টাকা বিক্রেতার কাছ থেকে ২০০ টাকা নেয়া হচ্ছে। এতে বিপুল পরিমান অর্থ ইজারাদারের পকেটে গেলেও ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে ক্রেতা বিক্রেতারা। 

জামালপুর থেকে হাটে আসা ব্যপারি জয়নাল হক, ফজর উদ্দিন ও জেল হক নামের ক্রেতা বলেন, আমরা বিভিন্ন হাটে গরু মহিষ ছাগল ভেড়া ক্রয় বিক্রয় করে আসছি। অন্য কোথাও দুই পক্ষের কাছ থেকে টোল আদায় দেখিনি। এখানে এসে দেখলাম উভয়ের কাছ থেকে টোল আদায় করা হচ্ছে, যাহা সরকারি মুল্যের চেয়ে অনেক বেশী। 

বকসিগঞ্জ থেকে আসা তৌফিকুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম ক্রেতা বলেন, কোরবানির জন্য একটি ষাড় গরু কিনেছি। এর খাজনা দিতে আমাকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে এবং বিক্রেতার কাছ থেকেও ৫০০ টাকা নেয়া হয়েছে। তবে রশিদের মধ্যে কোন টোল আদায়ের মূল্য থাকেনা। 

রৌমারী হাট ইজারাদার সাফায়াত বিন জাকির সৌরভের সাথে অতিরিক্ত টোল আদায়ের বিষয়ে জানার চেষ্টা করলে তার মোবাইল ফোনে পাওয়া যায় নি। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ হাসান খান বলেন, হাট ইজারা দেয়ার ৪ দিন পর হাটে অতিরিক্ত টোল, হাট পরিস্কার পরিচ্ছন্ন, হাটে দৃষ্টি নন্দন স্থানে টোল আদায়ের তালিকা টানানোসহ অনেক বিষয়ে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে একটি আলোচনা সভার মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে কয়েকদিন হলো টোল আদায়ের তালিকা টানানোর তালিকা বোর্ড দেয়া হয়েছে। তবে অতিরিক্ত টোল আদায় ও টোল আদায়ের তালিকা বোর্ড বিষয়ে দেখবো। 

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম জানান, জেলা প্রশাসক সাইদুল আরিফ বলেন, হাটে অতিরিক্ত টোল আদায় করা হয়ে থাকলে, দেখা হবে।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




বিদ্যুৎ অফিস কে না জানিয়ে মিটার স্থানান্তর থানায় মামলা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১৩৪জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসকে না জানিয়ে মিটারের সিল কেটে স্থানান্তর করার ঘটনায় জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম জহুরুল ইসলাম। মামলার আসামী জাহাঙ্গীরের বাড়ি উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির মাদারিপুর গ্রামে। সে জয়মতুল্লাহর পুত্র। চলতি বছরের মার্চ মাসের ২৪ তারিখে  মামলা দায়ের হলেও রহস্য জনক কারনে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে উল্টো গ্রাহককে মিমাংসা করার নির্দেশ দেন মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা এসআই মজিবুর বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে দুই গ্রাহক চরম বেকায়দায় পড়েছেন। ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার আসামীকে গ্রেফতারের জোর দাবি তুলেছেন ভুক্তভোগী দুই গ্রাহকসহ ডিজিএম।

এজহারে উল্লেখ,  রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্যাডে ১৯৬ নম্বর স্বারকের প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, জাহাঙ্গীর পিতা জয়মতুল্লাহ সাং মাদারিপুর, উক্ত ব্যক্তি তানোর জোনাল অফিসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় অর্থের বিনিময়ে অবৈধ ভাবে বৈদ্যুতিক মিটার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে দিচ্ছেন। যেমন হিসাব নম্বর ৪৬৪-২৬২০ গ্রাহকের নাম আব্দুর রশিদ পিতা বদের আলী ও হিসাব নম্বর  ৪৬৪-২৬৫০ গ্রাহক বদের আলী পিতা মাশি উভয়ের গ্রাম, ধানোরা। এদুজন গ্রাহকের আবাসিক মিটার অফিস কে অবহিত না করে অবৈধ ভাবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে দিয়েছেন। যা বিদ্যুৎ আইন ২০১৮ অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত বৈদ্যুতিক স্থাপনা/ইক্যুইপমেন্টে দন্ডনীয় অপরাধ।  

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কামারগাঁ ইউপির ধানোরা গ্রামের রশিদ ও তার পিতা বদের আলীর ঘর ওয়ারিং শেষে মিটারের সিল কেটে অন্যত্র স্থানান্তর করেন জাহাঙ্গীর। বিদ্যুৎ বিল দেয়ার জন্য মিটার রিডার এসে এঅবস্থা দেখে গ্রাহককে জিজ্ঞেস করেন কে করেছে মিটারের এঅবস্থা। গ্রাহকরা বলেন জাহাঙ্গীর। মিটার রিডার বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্তৃপক্ষ কে অবহিত করেন। বিষয়টি জানার পর ডিজিএম ওই দুজন গ্রাহককে অফিসে তলব করেন এবং মিটারের সিল কাটার বিষয়টি ডিজিএমকে খুলে বলেন। এসময় দুজন গ্রাহকক লিখিত অভিযোগ দেন ডিজিএম বরাবর। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডিজিএম থানায় এজহার দায়ের  বা মামলা করেন জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে।
এছাড়াও জাহাঙ্গীরের ছোট ভাই তানোর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ইলেক্ট্রিশিয়ান  লিটন অধিক টাকার বিনিময়ে এবং কর্তৃপক্ষের নাম করে আর্থিক সুবিধা নিয়ে বিদ্যুৎ লাইন পাইয়ে দিতেন। ঘটনা বুঝতে পেরে এবং টাকার বিষয়টি প্রমান পাওয়ায় তাকে পল্লী বিদ্যুৎ তানোর জোনাল অফিস থেকে বহিষ্কার করেন । লিটন এখনো বহিষ্কার অবস্থায় আছেন। সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে তার বড় ভাই একই কায়দায় বৈদ্যুতিক মিটার টাকার বিনিময়ে স্থানান্তর করে থাকেন।

মামলার তদন্ত কারী এসআই মজিবুরের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেন নি। থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন, মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা কে বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

আরও খবর