Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম
গ্রীষ্মের রুক্ষ প্রকৃতিতে শোভা ছড়াচ্ছে সোনালু ফুল ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬২ জন নিহত মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধানের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ভূয়া সৈনিক পরিচয়ে বিয়ে করে শশুড় বাড়ী শিকলবন্দী জামাই! খাগড়াছড়িতে পুনাক কমপ্লেক্স এর উদ্বোধন করলেন: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল এিপুরা হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র হজ চলাকালীন ১৩০১ জন হজযাত্রীর মৃত্যু: সৌদি আরব সেতু ভেঙ্গে নয়জন নিহতের ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন, মাইক্রোবাস উদ্ধার

নওগাঁয় ১০১ কেজি গাঁজাসহ দুই যুবক আটক

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৪৭জন দেখেছেন

Image

নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা থেকে ১০১ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। জব্দকৃত গাঁজার আনুমানিক মূল্য ২০ লাখ ২০ হাজার টাকার। এসময় জব্দ করা হয় একটি কার্ভাট ভ্যান। রোববার (৯ মে) দুপুরে ডিবি কার্য়ালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান। এরআগে গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার সান্তোষপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।


আটককৃতরা হলো, নিয়ামতপুর উপজেলার সন্তোষপাড়া গ্রামের নাজির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে টুয়েল মন্ডল ও বাহ্মমবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রুপসদী (পশ্চিম) এলাকার মোহন মিয়ার ছেলে সুমন বাপ্পি (৩৫)।

সংবাদ সম্মেলনে গাজিউর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ জানতে পারে চন্দননগর ইউনিয়নের সান্তোষপাড়া গ্রামে মোকলেছার নামে এক ব্যাক্তির পুকুরের আশেপাশে একটি কাভার্ট ভ্যানযোগে গাঁজা পরিবহন করে হস্তান্তর করা হবে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ছাতড়া বাজার থেকে সান্তোষপাড়া গামী পাকা রাস্তার উপর পৌছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ১০ থেকে ১২ জন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় সুমন বাপ্পি ও টুয়েল মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে কাভার্ট ভ্যান তল্লাশী করা হলে ৪টি পাটের বস্তা থেকে ৩৪ পোটলা গাঁজা উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ২০ লাখ ২০ হাজার টাকার।

তিনি আরো জানান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেন গাঁজার চালানটি কুমিল্লা থেকে নওগাঁর ছাতড়া এলাকায় বিক্রয়ের জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। 

আদালতের মাধ্যমে গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসা মাধ্যমে এর সাথে আর কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া পাশাপাশি পলাতক আসামীদের ধরতে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাশমত আলীসহ ডিবি পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



খ্রিষ্টধর্মের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৭জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বাংলাদেশ সারিধরম গাঁওতা এর উদ্যোগে সাঁওতালসহ সকল জনগোষ্ঠীর ধর্ম ও জাতিগত বৈচিত্র্যতা এবং দেশের অখ-তা রক্ষা করতে খ্রিষ্টধর্মের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। 

শুক্রবার সকাল ১০ টায় ফুলবাড়ী প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নরেশ হেমব্রম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সারিধরম গাঁওতা এর সভাপতি চুন্নু টুডু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুবাস মুর্মু, কোষাধ্যক্ষ সুনিল হাঁসদা, সদস্য নির্মল মার্ডী, রবিন মুর্মু, মনিরাজ হেমব্রম, রাজেন মার্ডী প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে নরেশ হেমব্রম বলেন, ২০১৯ সালে প্রকাশিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির গেজেটে সাঁওতালসহ ৫০টি জাতিসক্তজ্ঞ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গেজেটে অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি জাতিসত্তা নিজস্ব ভাষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি তথ্য জাতিগত বৈচিত্র্যতা বিদ্যমান। আমরা সাঁওতাল। আমাদের ধর্মের নাম সারিধরম। আমাদের সরলতাকে পুঁজি করে খ্রিস্টধর্ম ব্যবসায়ী প্রতারক, ভ-ু, ধর্ম প্রচারক, মানবসেবা, উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, ভাল চাকরি, বিদেশে ভ্রমণ, নগদ অর্থ, বাড়ী-ঘর পাঁকা করাসহ বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে আমাদের সাথে সু-সম্পক তৈরি করে। পরে আমাদের জমিতে কৌশলে বিভিন্ন খ্রিষ্টধর্মের উপসানালয় তথ্য গীর্জাঘর বানায় এবং সেখানে খ্রিষ্টধর্ম পালনে বাধ্য করে। তারা আমাদেরকে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ঘটানোর প্রলোভন দেখায়। এভাবে অনেককে নিজেদের ফাঁদে ফেলেন তারা। আমাদের নিকট তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলেও আজো আমরা কিছু পাইনি। আমরা ৫৪ বছরে যা হারালাম তা আর কি ফিরে পাব? নিজের কাছে নিজের অনেক প্রশ্ন। আমরা জাতিগতভাবে পিছিয়ে, রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত, সাঁওতাল পরিচয় থেকে বঞ্চিত। আমাদের জমি-জমা, ঘর-বাড়ী, চাকরি, ব্যবসা, বাণিজ্য সবকিছু থেকে অবহেলিত ও বঞ্চিত। আমরা আজ আহ্বান জানাই দেশের সকল সাঁওতাল যারা প্রলোভনে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেছিলেন, তারা নিজ সারিধরমে ফিরে আসতে। মহান ৭১’র স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে আমরা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছি। ইতোপূর্বে ধর্মব্যবসায়ী প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি সরকারকে জানানো হলেও আজো কোনোপ্রকার ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়নি। 

 তিনি বলেন, গত ২৪ মে পত্রপত্রিকায় লক্ষ্য করা যায় যে, ১৪ দলের বৈঠকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজ মুখে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের অংশ নিয়ে খ্রিষ্টান দেশ করার চক্রান্ত চলছে। কিছু সাদা চামড়ার মানুষ আমাদের দেশকে খ্রিষ্টান দেশ বানাতে চায়।’ তারা কৌশলে বাংলাদেশের একটি অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে দেশকে খন্ডিত করতে চায়। আমরা সাঁওতাল সমাজ খ্রিস্টধর্মের এ হীন কূটকৌশলের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। খ্রিস্টান ধর্মব্যবসায়ীদের কারণে সাঁওতাল সমাজের বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়েছে। তাদের কারণে আমাদের নিজস্ব বর্ণমালায় প্রাথমিক শিক্ষা স্থগিত রয়েছে। সাঁওতালদের নিজ বর্ণমালা থাকার সত্ত্বেও খ্রিস্টান ধর্ম ব্যবসায়ীরা আমাদের উপরে রোমান বর্ণমালা চাপিয়ে দিতে চায়। এভাবে আমাদের দেশের প্রান্তিক জনগোষ্টিকে লক্ষ্য করে তারা দেশের মোট জনসংখ্যার একটি অংশকে খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারি করেছে। এখন তারা আমাদের দেশকে খ্রিষ্টান রাষ্ট্র বানাতে চায় যা- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজ মুখে বললেন। কাজেই খ্রিস্টধর্ম প্রচারকদের আর সুযোগ দেওয়ার সময় নেই। আমাদের নিজ ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলা হবে। 

তিনি আরো বলেন, আমাদের সমাজে যারা খ্রীষ্টধর্ম বিশ্বাস করে গ্রহণ করেছে, তারা জাতিতে খ্রিস্টান, তারা পুনরায় সাঁওতাল হিসাবে দাবি করলে, তা জাতির সঙ্গে বেইমানি ও অন্যায় হবে এবং এরা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করে সমাজের শান্তি, শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার কৌশল খোঁজে। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে তারা জাতির সঙ্গে বড় রকম ষড়যন্ত্র করবে। খ্রিষ্টানরা জাতিগত কারণেই সাঁওতালদের সংস্কৃতি (বাহা, সহরায় ইত্যাদি) উৎসব এবং ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করে না বরং সাঁওতালদের সংস্কৃতি ধ্বংস করার প্রচেষ্টা সর্বদা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি তারা সাঁওতালদের ধর্ম ও দেব-দেবীকে অবমাননা করে। সাঁওতালদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মাঞ্জহিথানে ক্রুশবিদ্ধ করে অবমাননা করেছে। সাওঁতাল জনগোষ্ঠিকে পিছিয়ে রেখে টেকসই উন্নয়ন কতটুকু সম্ভব? আমরাও এ দেশের নাগরিক, আমরা মনে প্রাণে চাই বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হবে এবং পৃথিবীর মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। সেদিন যেন সকলের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ঘটে, নাগরিক হিসাবে আমাদের এটুকু দাবি।


আরও খবর



ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১২৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ট্রেনের অগ্রিম টিকিট আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বিক্রি শুরু হয়েছে। ঈদযাত্রার কোনো টিকিট কাউন্টারে বিক্রি করা হবে না। শতভাগ টিকিট বিক্রি করা হবে অনলাইনে।

রোববার (২ জুন) সকাল ৮টা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। সকালে বিক্রি করা হচ্ছে পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট। আর পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে।

এবারও বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট থেকে সহজেই টিকিট কাটতে পারবেন যাত্রীরা। এ জন্য রেলওয়ের ওয়েবসাইটে একবার রেজিস্ট্রেশন করলেই হবে। আর যারা আগেই রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তারা সরাসরি লগইন করেই টিকিট কাটতে পারবেন।

নতুন রেজিস্ট্রেশনের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে উপরের দিকে ‘রেজিস্ট্রেশন’ লেখা অংশে ক্লিক করতে হবে। পরে রেজিস্ট্রেশন নামে নতুন একটি পেজ আসবে। সেখানে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য নির্ভুলভাবে দিতে হবে। এরপর মোবাইল নম্বরে একটি ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) চলে আসবে। সেটি সঠিকভাবে পূরণ করে ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করলেই সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাবে। পরে বাংলাদেশ রেলওয়ে নামে নতুন একটি পেজ আসবে। সেখানে ব্যবহারকারী স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগইন হয়ে যাবেন। এরপর টিকিট কাটতে পারবেন অনায়াসেই।

টিকিট কেনার জন্য প্রথমে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। কেউ স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগইন না হয়ে থাকলে ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। এরপর যে পেজ আসবে তাতে কাঙ্ক্ষিত ভ্রমণ তারিখ, যাত্রা শুরুর স্টেশন, গন্তব্য স্টেশন শ্রেণি পূরণ করে ‘ফাইন্ড টিকিট’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। পরের পেজে ট্রেনের নাম, সিট খালি আছে নাকি নেই এবং ট্রেন ছাড়ার সময় দেখাবে। সেখান থেকে ট্রেন অনুযায়ী ‘ভিউ সিটস’ বাটনে ক্লিক করে আসন খালি থাকাসাপেক্ষে পছন্দের আসন নির্বাচন করে ‘কন্টিনিউ পারচেজে’ ক্লিক করতে হবে।

পেমেন্টের ক্ষেত্রে ভিসা, মাস্টার কার্ড কিংবা বিকাশে পেমেন্ট করলে একটি ই-টিকিট অটো ডাউনলোড হবে। পাশাপাশি যাত্রীর ই-মেইলেও টিকিটের একটি কপি চলে যাবে। পরে ই-মেইলের ইনবক্স থেকে টিকিট প্রিন্ট করে ফটো আইডিসহ ই-টিকিট প্রদত্ত টিকিট প্রিন্ট দিয়ে সংশ্লিষ্ট সোর্স স্টেশন থেকে যাত্রার আগে ছাপানো টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।


আরও খবর



শ্বাসরুদ্ধ ম্যাচে ২ উইকেটে জয় পেল বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১২৪জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:বাংলাদেশ অবশেষে জয়ের দেখা পেল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এর আগে দুইবার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয়ে টাইগাররা জয়ের দেখা পায়নি। আজও লঙ্কানদের বিপক্ষে ম্যাচটা কঠিন করে তুলেছিল টপ অর্ডাররা। শেষ মুহূর্তে মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। ২ উইকেটে জয় পেল বাংলাদেশ।

মুস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ হোসেন ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করা শ্রীলঙ্কাকে দারুণ আক্রমণের মুখে ফেলে দেন। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পাশাপাশি দুজনই তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন। ফলে সর্বসাকুল্যে ৯ উইকেটে মাত্র ১২৪ রানের পুঁজি দাঁড় করায় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার দল। সেই রানের চাপও শুরুতে নিতে পারেননি টপ অর্ডারে নামা সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান তামিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

তিন উইকেট ৩০ রানে হারানো বাংলাদেশ পথ খুঁজে পায় তাওহীদ হৃদয়ের কল্যাণে। তিনি যখন ফিরছেন তখন জয় পেতে আর ৫০ বলে ৩৪ রান দরকার টাইগারদের। সেই ম্যাচটাই কিনা কঠিন বানিয়ে ফেলেন সাকিব আল হাসান ও রিশাদ হোসেনরা। মাহমাহমুদউল্লাহ মাঠে নেমে খেলাকে জেতার লড়াইকে সহজ করে তোলেন। প্রথম বলকে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচকে নিজেদের দিকে টেনে নেন মিস্টার সাইলেন্ট কিলার। পরের বলে এক রান নিয়ে সাকিবকে স্ট্রাইক দেন। এক বল ডট দিয়ে পরের বলে এক রান নিয়ে মাহমুদউল্লাহকে স্টাইক দেন। পঞ্চম বল থেকে ডট আদায় করে নেন দাশুন শানাকা। ষষ্ঠ বলে মাহমুদউল্লাহকে আউটের জন্য রিভিউ নেয় শ্রীলঙ্কা। উল্টো রিভিউ থেকে সেই বলকে ওয়াইড ঘোষণা করেন থার্ড আম্পায়ার। যার ফলে ৭ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন পড়ে ২ রান। ১৯তম ওভারের শেষ বলে ২ রান নিয়ে এক ওভার হাতে থাকতেই বাংলাদেশের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন মাহমুদউল্লাহ ও তানজিম সাকিব।


আরও খবর



৩০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিকের স্বপ্নভঙ্গ মালয়েশিয়ার

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১২৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বন্ধ হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। এতে দেশটিতে কর্মী হতে ইচ্ছুক ৩০ হাজারেরও বেশি কর্মীর স্বপ্ন ভঙ্গ হতে চলেছে। শেষ সম্বল এজেন্সীর হাতে তুলে দিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন অনেকেই। এক দুজন নয়, শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে হাজারো মালায়েশিয়া কর্মী ইচ্ছুকদের এ অপেক্ষা বিমান টিকিটের।

কেউ এসেছেন সকালে আবার কেউ রাত থেকে করছেন অপেক্ষা। এজেন্সিগুলোর আশ্বাসে পার করছেন ঘন্টার পর ঘন্টা। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে স্বপ্নভঙ্গা এ মানুষগুলো চোখে মুখে বাড়তে থাকে হতাশার ছাপ।

অনেক এজেন্সি ইতোমধ্যেই লাপাত্তা মানুষগুলোর লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে। সব হরিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন অনেকে।

শেষ মূহুর্তে শুধু টিকেটের জন্য ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগও করছেন অনেকে। জাল টিকিটের প্রতারণায় পড়েছেন কেউ কেউ।

মালয়েশিয়া সরকার শুক্রবারের পর আর কোনো কর্মী নেবে না এমন সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের প্রায় ৩০ হাজারের বেশি কর্মীর মালায়েশিয়া যাত্রা আটকে গিয়েছে।

মালয়েশিয়ার গত মার্চের ঘোষণা অনুযায়ী, ৩১ মে এর পর আর কোনো নতুন বিদেশি শ্রমিক দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন না।

এদিকে বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বলছে, গত ২১ মে পর্যন্ত প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ৮৩৪ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেয়। ২১ মের পর আর অনুমোদন দেওয়ার কথা না থাকলেও বিএমইটির তথ্য বলছে, মন্ত্রণালয় আরও এক হাজার ১১২ জন কর্মীকে দেশটিতে যাওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার (৩০ মে) পর্যন্ত পাঁচ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৬ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে গতকাল (৩০ মে) পর্যন্ত দেশটিতে চার লাখ ৯১ হাজার ৭৪৫ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় গেছেন।

প্রবাসী কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠাতে শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বিমানের জনসংযোগ বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. আল মাসুদ খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চিঠির প্রেক্ষিতে শুক্রবার (৩১ মে) সন্ধ্যা ৭ টা ১৫ মিনিটে বিমানের ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে একটি বিশেষ অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

ওই ফ্লাইটে মোট ২৭১ জন যাত্রী পরিবহন করা হবে। ফ্লাইটটির যাত্রীদের নামের তালিকা, পাসপোর্ট নম্বরসহ প্রয়োজনীয় অঙ্গীকারনামা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা) প্রতিনিধি বিমান জেলা বিক্রয় অফিস মতিঝিলে প্রদান করবে।

বায়রা প্রদত্ত তালিকা অনুসারে বায়রা প্রতিনিধি বিমান জেলা বিক্রয় অফিস মতিঝিল থেকে নগদ অর্থে উক্ত ফ্লাইটের টিকিট ক্রয় করতে পারবেন।


আরও খবর



জয়পুরহাটে ভটভটি ধাক্কায় এনজিও কর্মকর্তার মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৭৩জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃজয়পুরহাটে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত  ভটভটির ধাক্কায় জহুরুল ইসলাম (৫১) নামের এক এনজিও কর্মকর্তা  মৃত্যু হয়েছে।বুধবার (১২জুন) বিকেলে জয়পুরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর এলাকার  জয়পুরহাট-ধলাহার সড়কে এ দূর্ঘটনা ঘটে। জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি হুমায়ূন কবিরবিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত জহুরুল ইসলাম সদর উপজেলার আটঠোকা গ্রামের বাসিন্দা।  তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাকস ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ  কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি হুমায়ূন কবির জানান, জহুরুল ইসলাম কোরবানী কেনার উদ্দেশ্য  শালপাড়া গরুর হাটে যাচ্ছিলেন।পথে বিষ্ণুপুর এলাকায় পৌঁছালে একটি দ্রুতগামী গরু বোঝায়  শ্যালো ইঞ্জিনচালিত ভটভটি  ধাক্কায় দেয়।  এতে   জহুরুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। পরে  জয়পুরহাট ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

আরও খবর