Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

নির্বাচনের সময় মেয়র-চেয়ারম্যানদের জন্য ১০ নির্দেশনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১৬৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় মেয়র ও চেয়ারম্যানদের জন্য ১০ দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। যা মানতে ব্যর্থ হলে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম স্বাক্ষরিত এ আদেশ সিটি মেয়র, পৌর মেয়র, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের কাছে পাঠানো হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর আচরণবিধি ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোতে ইসির নির্দেশনার পর এ উদ্যোগ নিলো স্থানীয় সরকার বিভাগ।

মেয়র ও চেয়ারম্যানদের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনাগুলো হলো:

১. স্ব-স্ব এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা।

২. নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সময়ে সময়ে যেসব আদেশ/নির্দেশ দেবে তা প্রতিপালন।

৩. নির্বাচনি মিছিল, সভা ও প্রচারণা যাতে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও বিধি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয়।

৪. কোনো নির্বাচনি অফিস বা প্রতীক বা পোস্টার নষ্ট করার যেকোনো প্রচেষ্টা রোধে সামাজিক প্রতিরোধ গঠনে সহায়তা করা।

৫. সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ কিংবা ইউনিয়ন পরিষদে এমন কোনো উন্নয়ন স্কিম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করবে না, যা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থীর ভোটপ্রাপ্তিতে বা প্রচারণার পক্ষে ব্যবহৃত হতে পারে।

৬. সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ কিংবা ইউনিয়ন পরিষদের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অনুদান বা অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না, যা কোনো প্রার্থীর ভোটপ্রাপ্তি বা প্রচারণার কাজে প্রভাব বিস্তার করবে।

৭. স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কোনো অফিস, যানবাহন এবং অন্যান্য সম্পত্তি প্রার্থীর নির্বাচন বা প্রচারণার কাজে কোনোভাবেই ব্যবহার করা যাবে না।

৮. মাশুল পরিশোধ করেও ব্যক্তিগত কাজে কোনো যানবাহন ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া যাবে না।

৯. স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী কাজে বা প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

১০. ভোটকেন্দ্র নির্মাণসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সব কাজে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তার প্রয়োজন হলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান তা প্রদান করবে এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ তাদের পদমর্যাদা, সরকারি সুযোগ-সুবিধা ইত্যাদি কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না।


আরও খবর



সরকার আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূর প্রসারি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে: ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | ৭১জন দেখেছেন

Image
লিয়াকত হোসাইন লায়ন:ধর্মমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান বলেছেন, সরকার ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাতকে নিয়ে সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই খাতে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে চূড়ান্ত হয়েছে ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইনের খসড়া। এচিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অধীনে একটি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এই ল্যাবের মাধ্যমে চিরায়ত ওষুধের গুণগত মান বজায় রেখে ওষুধ প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বহির্বিশ্বে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। 

মন্ত্রী রবিবার(১১ফেব্রুয়ারী) ঢাকার বাংলামটরে রুপায়ন ট্রেড সেন্টারে হামদর্দ কনফারেন্স রুমে বিশ্ব ইউনানি দিবস উপলক্ষ্যে হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্‌ফ) বাংলাদেশ এবং হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন- আমাদের দেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে আছে চিরায়ত মেডিসিন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিরায়ত মেডিসিনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৫ জুলাই এক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বোর্ড অব ইউনানি অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেম অব মেডিসিন স্থাপন করার জন্য ১২ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি ঘোষণা করেন। তিনি আরো বলেন, এদেশে চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক রচিত হয় ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। সে বছর সর্বপ্রথম ৩৩ জন ইউনানি, আয়ুর্বেদিক ও হোমিও চিকিৎসাকে জেলা সদর হাসপাতাল গুলোতে নিয়োগ দিয়ে এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে মূলধারার সাথে সম্পৃক্ত করা হয়।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারাদেশে ২শত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৫৮টি জেলা হাসপাতাল ও ১২টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিরায়ত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ভেষজ ম্যানুয়াল, ফার্মাকোপিয়া এবং ট্রিটমেন্ট গাইডলাইন তৈরি ও সরবরাহ করা হয়েছে।

চিরায়ত মেডিসিনে ভারতের সাফল্যের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, ব্যাপক স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা, অত্যাধুনিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদন শিল্প এবং বিপুল সংখ্যক লোক তাদের স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনে এটি ব্যবহারের কারণে ইউনানি মেডিসিন সিস্টেমে ভারত বিশ্বব্যাপী নেতৃত্বের ভূমিকায় আবির্ভূত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে ২০১৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া, WHO Global Medicine Centre এর সাথে যৌথভাবে গবেষণার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে প্রস্তাব দিয়েছেন সেটি ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে ভারত সরকারকে অনুরোধ জানান।
 
চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে হামদর্দ বাংলাদেশের ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সময়ের পরিক্রমায় হামদর্দ ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাখাতে বিপ্লব ঘটিয়েছে; গড়ে তুলেছে ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশে চিরায়ত চিকিৎসা ব্যবস্থায় হামদর্দের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি হামদর্দের অব্যাহত অগযাত্রা কামনা করেন।
 
হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্‌ফ) বাংলাদেশের ‍চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকীম মোঃ ইউছুফ হারুন ভূইয়ার সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। মূল প্রবন্ধ  হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনানি চেয়ার অধ্যাপক ডা. এম এ কাজমি উপস্থাপনায় অন্যান্যের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান, ওয়াকফ প্রশাসক আবু সালেহ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেপাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী প্রমূখ বক্তব্য করেন।

আরও খবর



গাংনীতে আইএফআইসি ব্যাংকের প্রতিবেশী উৎসব

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৫জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ,মেহেরপুর প্রতিনিধিঃআইএফআইসি ব্যাংক মেহেরপুরের গাংনী উপ-শাখায় প্রতিবেশী উৎসব পালিত হয়েছে। উৎসবে ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাকান পিঠা, পুলি পিঠা, পাটিসাপটা পিঠা, জামাই পিঠা, মুড়ির মোয়া ও খোরমার আয়োজন করা হয়।

গাংনী উপাশাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাজমুস সাকিব সোহাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী ছিলেন মেহেরপুর ব্রাঞ্চের ম্যানেজার মো: সাদেকুল্লা। বিশেষ অতিথী ছিলেন, গাংনী প্রেসক্লাবের সভাপতি তৌহিদ উদ দৌলা রেজা, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলম, গাংনী মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মোঃ মহিবুর রহমান ও রায়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান।প্রধান অতিথী বলেন, আইএফআইসি গাংনী উপ শাখার বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট হলো সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের।পরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথীদেরকে পিঠা দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সোনার খনি ধসে ভেনেজুয়েলায় নিহত ২৩

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩১জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:সোনার খনি ধসে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার সময় সেখানে ২০০ জন শ্রমিক কাজ করছিল।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার মধ্যাঞ্চলে বেআইনিভাবে পরিচালিত একটি সোনার খনিতে মাটির দেয়াল ধসে পড়ার পর অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় সেখানে বহু মানুষ কাজ করছিলেন।

স্থানীয় কর্মকর্তা ইওরগি আর্কিনিগা বুধবার বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেছেন, দেশের বলিভার প্রদেশের জঙ্গলে বুল্লা লোকা নামে পরিচিত খোলা গর্ত থেকে প্রায় ২৩টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার এই দুর্ঘটনা ঘটে।

বেসামরিক নিরাপত্তা উপমন্ত্রী কার্লোস পেরেজ অ্যাম্পুয়েদা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে এই ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন এবং ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যাকে ‘বিশাল’ বলে উল্লেখ করেছেন। যদিও তিনি নিহতের কোনও সংখ্যা উল্লেখ করেননি।

ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, একটি উন্মুক্ত খনির অগভীর পানিতে কর্মরত লোকদের ওপর ধীরে ধীরে মাটির একটি প্রাচীর ভেঙে পড়ছে। কেউ কেউ ঘটনার সময় সেথান থেকে পালাতে সক্ষম হলেও অনেকে আবার তাতে চাপা পড়েন।

কর্মকর্তাদের মতে, প্রায় ২০০ জন লোক সেসময় খনিতে কাজ করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে এই খনিটি অবস্থিত সেখানে পৌঁছাতে হলে নিকটতম শহর লা প্যারাগুয়া থেকে সাত ঘণ্টার নৌকায় ভ্রমণ করতে হয়।

বলিভার প্রদেশের নাগরিক নিরাপত্তা বিষয়ক সেক্রেটারি এডগার কোলিনা রেয়েস বলেছেন, আহতদের আঞ্চলিক রাজধানী সিউদাদ বলিভারের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই অঞ্চলটি লা প্যারাগুয়া থেকে চার ঘণ্টা দূরত্বে এবং রাজধানী কারাকাসের ৭৫০ কিলোমিটার (৪৬০ মাইল) দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।

রেয়েস বলেছেন, পরিস্থিতি বিবেচনা করে সামরিক, দমকল বাহিনী এবং অন্যান্য সংস্থাগুলো ‘আকাশপথে ওই এলাকায় চলে যাচ্ছে’। তিনি বলেন, অনুসন্ধানে সহায়তার জন্য কারাকাস থেকে উদ্ধারকারী দলও পাঠানো হচ্ছে।

আল জাজিরা বলছে, বলিভার অঞ্চল সোনা, হীরা, লোহা, বক্সাইট, কোয়ার্টজ এবং কোল্টান সমৃদ্ধ। রাষ্ট্রীয় খনি ছাড়াও এই অঞ্চলে অবৈধভাবে এসব মূল্যবান ধাতু উত্তোলনের বিকাশমান শিল্পও রয়েছে।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে একই অঞ্চলের ইকাবারুর আদিবাসী সম্প্রদায়ের একটি খনি ধসে কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছিল।


আরও খবর

পুতিন ‘বন্ধু’ কিমকে গাড়ি উপহার দিলেন

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24




কুষ্টিয়ায় ছাত্রলীগ নেতার স্বীকারোক্তিতে নিঁখোজ যুবকের ৭ টুকরো মরদেহ উদ্ধার, আটক ৪

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image
কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃকুষ্টিয়ায় মিলন হোসেন (২৪) নামে এক যুবকের ৭ টুকরো মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ইং শনিবার সকালে  হরিপুর এলাকার বালির চর থেকে পুলিশ টুকরা করা মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া মডেল থানার মানবিক (ওসি) সোহেল রানা এবং তিনি বলেন, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সজীবের স্বীকারোক্তিতে , কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের রাতভর অভিযানের পর হরিপুর পদ্মার চড় থেকে মিলন নামের এক যুবকের ৭ টুকরা লাশ উদ্ধার সহ ৪ জন খুনিকে আটক করা হয়েছে ।
 
নিহত মিলন হোসেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পূর্ব বাহির মাদি এলাকার মাওলা বক্সের ছেলে। তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি আউট সোর্সিংয়ের কাজ করত। গত ১০ মাস আগে তিনি বিয়ে করেছেন। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং ঈদগাহের পাশে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। নিহতের পরিবারের সদস্যরা বলছেন, কী কারণে মিলনকে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে আমরা কিছু জানি না। সকালে শুনতে পারি, মিলনের ৭ টুকরো করা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।সকল হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক। মিলনের স্ত্রী মিমি খাতুন প্রতিনিধি’কে বলেন, হাউজিং এলাকার সজল মিলনকে কল করে ডাকে। তার সঙ্গে দেখা করে বাসায় এসে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আবার বের হয়ে যায়। পরে সে নিখোঁজ ছিল। ওই দিনই কুষ্টিয়া মডেল থানায় জিডি করি।

পরেরদিন দুপুর পর্যন্ত আমার স্বামীর মোবাইল নম্বর খোলা ছিল। কিন্তু পুলিশ গুরুত্ব দেয়নি, গুরুত্ব দিলে আমার স্বামীকে জীবিত উদ্ধার করতে পারতো। আজ সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গের লক্ষণ বলেন, মিলনকে ৭ টুকরো করে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে এনেছি। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা প্রতিনিধি’কে বলেন, টুকরো টুকরো করা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। নিশৃংস্য ঘটনাটি  দ্রুত তদন্ত করে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

আরও খবর



মাগুরায় ৮ কেজি গাঁজাসহ সাথী খাতুন গ্রেফতার

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৬জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ  বিশেষ অভিযানে  ৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে। আটক করেছে  মাদক ব্যবসায়ী সাথী খাতুন নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে। 


  • মাগুরার পুলিশ সুপার মোঃ মশিউদ্দৌলা রেজা, পিপিএম(বার) এর  মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং মাদক উদ্ধারে ব্যাপক অভিযান পরিচালনার নির্দেশে প্রদান করে। তারই আলোকে  জেলা গোয়েন্দা শাখার  অফিসার ইনচার্জের তত্বাবধানে  এসআই মোঃ আছাদুজ্জামান এর নেতৃত্বে ১৬ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায়   মাগুরা থানার পৌরসভাস্থ ভায়নার মোড়ের দও ফিলিং স্টেশনের পূর্ব পাশে যাত্রী ছাউনীর সামনে  থেকে ৮  কেজি  গাঁজাসহ মাদকব্যবসায়ী সাথী খাতুন (২৪),  পিং-কিবলু ফকির, সাং-সত্যবানপুর, থানা-মাগুরা সদর, জেলা-মাগুরাকে গ্রেফতার করা হয়। 

  • এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮-এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও খবর