Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

নিখোঁজের ৫ দিন পর ভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১৬৪জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটের খানজাহান (রহঃ) মাজার সংলগ্ন দীঘি থেকে নিখোঁজের ৫দিন পরে প্রহলাদ কুমার দাস ওরফে ভোলা ( ৪৫) নামের এক ভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে আজ মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে দীঘির পূর্ব পাড় থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের শরীরে থাকা সোয়েটার, জামা ও লুঙ্গি দেখে পরিবারের সদস্যরা মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

মৃত ভোলা কচুয়া উপজেলার সাংদিয়া গ্রামের পরিতোষ কুমার দাসের ছেলে। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে বাড়ি থেকে ভ্যান চালানোর উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর ফেরেনি তিনি। পরে শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) রাতে কচুয়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন স্ত্রী দিপিতা রানী দাস।

মরদেহ উদ্ধারের খবরে দীঘির পাড়ে উৎসুক জনতা ভীড় জমায়। দীঘির পূর্বপাড়ের বাসিন্দা সুমনা আক্তার জুথি বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দুকে থালা-বাসন ধোয়ার জন্য বাড়ির সামনে থাকা দীঘির ঘাটে যাই। তখন দীঘির মধ্যে অনেক দূরে একটি লাশ ভাসতে দেখি। পরবর্তীতে সবাইকে জানাই।

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা মরদেহটি উদ্ধার করেছি। মরদেহের বেশির ভাগ অংশ পচে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে ৫-৬দিন আগে মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে।

ওসি আরও বলেন, নিহতের বাবা পরিতোষ কুমার দাস ও ভাই থানায় এসেছেন। শরীরের কাপড় দেখে নিহতকে ভ্যান চালক প্রহলাদ কুমার দাস ওরফে ভোলা হিসেবে শনাক্ত করেছেন তার বাবা পরিতোষ কুমার দাস। ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মেহেরপুরে কুল চাষে আগ্রহী হচ্ছে বেকার ও শিক্ষিত যুবকেরা

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৪০জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃবিএ পাশ করার পর একটি বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন মেহেরপুরের গাংনীর মহসিন আলী। দু’বছর শ্রম দেয়ার পরও কোন বেতন ভাতা না পাওয়ায় চাকরী ছাড়েন তিনি। পরে প্রথমে ১০ কাঠা জমিতে কাশ্মিরী জাতের কুল চাষ করে। এতে বেশ লাভবান হওয়ায় তিনি দুবিঘা জমিতে শুরু করেন কুল চাষ। কাশ্মিরী ও বলসুন্দরী জাতের কুল চাষ করে নিজেই পরিচর্যা করেন। রোগ বালাই অত্যন্ত কম। বাগান থেকে ব্যবসায়িরা কুল সংগ্রহ করেন। প্রতিকেজি কুল বিক্রি করেন ১০০ টাকা দরে। চলতি বছরে অন্ততঃ তিন লাখ টাকা আয় করবেন বলে তিনি আশাবাদী।

শুধু মহসিন আলী নয়, তার মতো এলাকার শিক্ষিত ও বেকার যুবকরা চাকরীর আশা না করে বা বিদেশ না গিয়ে ঝুকে পড়েছে কুল চাষে। এতে পরিশ্রম কম আর লাভ বেশি। অনেকেই আবার সাথি ফসল হিসেবে কুলের সাথে অন্যান্য ফসল আবাদ করছেন। আবার অনেকেই আসছেন কুল চাষের পরামর্শ নিতে। কৃষি অফিসও দিচ্ছেন প্রয়োজনীয় পরামর্শ।

জেলার সবচেয়ে বড় কুল চাষি মালসাদহের বশির আহমেদ জানান,তনি ১৬ বিঘা জমিতে কুল জাষ করেছেন। প্রথমে ৩ বিঘা জমিতে কুল চাষ করে লাভবান হলে ক্রমেই কুলের বাগান বৃদ্ধি করেন। কাশ্মিরি, আপেল ও বলসুন্দরী জাতের কুল চাষ করছেন। এতে খরচ অন্যন্ত কম কিন্তু লাভ বেশি। পাখির অত্যাচার হলেও কামলা রেখে পাখি তাড়াতে হয়। তিনি শিক্ষিত ও বেকার যুবকদেরকুল চাষের আহবান জানান।

কুল চাষি সাহেবুল ইসলাম জানান, তিনি তিন বিঘা জমিতে কুল চাষ করছেন। বাগানে কুলের সাথে বেগুন মুলা চাষ করছেন তিনি। মাঝে মাঝে রোপণ করেছেন লিচু গাছ। এক খরচেই তিন ফসল আবাদ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন তিনি। চলতি মৌসুমে আড়াই লাখ টাকার কুল বিক্রি করেছেন। সেই সাখে লক্ষাধিক টাকার সবজিও বিক্রি করেছেন একই চাষি।

গাংনী কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ হালদার জানান, জেলায় ২৩৫ হেক্টর জমিতে কুল চাষ হচ্ছে। রোগ বালাই অত্যন্ত কম আর অল্প খরচে বেশি লাভবান হওয়ায় অনেকেই ঝুকে পড়েছেন কুল চাষে। এ উপজেলায় বেশ কয়েক জাতের কুল আবাদ হয়। তন্মধ্যে কাশ্মিরী ও বল সুন্দরী চাষ হচ্ছে বেশী।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




হাকিমপুরে দিনব্যাপি স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স সম্পন্ন

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৭জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:দিনাজপুরের হাকিমপুরে দিনব্যাপি স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে বাংলাদেশ স্কাউটস হাকিমপুর এর ব্যবস্থাপনায় কাব স্কাউটিং সম্প্রসারণের আওতায় প্রকল্পের অর্থায়নে বাংলাহিলি ১ মডেল সপপ্রাবি বিদ্যালয়ে ৬০২ তম স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স সম্পন্ন হয়েছে।স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স এর লিডার ও প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ সৈকত হোসেন, এএলটি আবু রায়হান শেখ, সিএএলটি মোঃ মহিদুল ইসলাম ও উডব্যাজার কাওছার পারভীন লিপি।

স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্সে হাকিমপুর উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫১ জন শিক্ষক,বিভিন্ন দপ্তরের ৩ জন অফিসারসহ ৫৪ জন অংশ্রহণ করেন।কোর্স শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেন প্রধান অতিথি বাংলাদেশ স্কাউটস হাকিমপুর শাখার সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার অমিত রায়।

এসময় সেখানে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ হারুন অর রশিদ, বাংলাদেশ স্কাউটস হাকিমপুর শাখার সম্পাদক কাওসার আলী আহমেদ, বাংলাদেশ স্কাউটস হাকিমপুরের কমিশনার মোঃ আনোয়ারুল হক টুকু।

এসময় প্রধান অতিথি বলেন,স্কাউটিং কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে শতভাগ শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কাউটিং কাজে সহযোগিতা করতে এই প্রশিক্ষণ আশানুরূপ কাজে লাগবে।


আরও খবর



"নোবেলের ম্যাজিক শুধু প্রতারণা"

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৮০জন দেখেছেন

Image

রমজান আলীঃ

দুনিয়ার প্রাচুর্যশালী ব্যক্তিবর্গ, সংস্থা, খ্যাতিমান,এর কীর্তি,তথ্য, উপাত্ত দিয়ে তৈরি করে বিশেষ বিবেচনার জন্য। মহৎ মানুষের গভীর ক্রন্দন থেকে সারা জীবনের সঞ্চয়ী সকল অর্থ দান করে গেলেন মানব কল্যাণার্থে। যিনি রেখে গেলেন তিনি আজ বিতর্কিত। য আলফ্রেন্ড নোবেল পৃথিবীর তাবৎ মানুষের মনের মনি কোঠায় স্থান করে রয়ে গেল এবং তার পূর্ববর্তী বা পরবর্তী প্রজন্মের চিলি কোঠায়। ভারত উপমহাদেশে প্রথম ১৯১৩ সালে সাহিত্যের এক অঙ্গে গীতাঞ্জলির জন্য রবীন্দ্রনাথ প্রথম নোবেল প্রাইজ এ নির্বাচিত হন। আমরা ভারতবাসী গভীর আপ্লুত, গর্বিত। নন্দিত নায়ক রবি ঠাকুর বাংলা ভাষাকে বিশ্ব দরবারে স্থান করে নেওয়ায় কোটি প্রণাম। বিশ্বকবি রবি ঠাকুর কবি,নাট্যকার, ছড়াকার, গীতিকার ছিলেন। উপরন্ত তাকে স্বভাব কবি ও বলা হয়। ভারত উপমহাদেশে তিনজন স্বভাব জন্মেছিলেন। তারা হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম ও কবি গোবিন্দ্র নাথ। তারা কাগজ কলম হাতে নিলেই কলম যোদ্ধা হয়ে যান। এইজন্য এই তিনজনই স্বভাব কবি হয়েছেন। কবি কাজী নজরুল ইসলাম ২০০ কোটি মুসলিমের প্রতিনিধিত্ব করে কবিতা লিখে জেল খেটেছেন, এমন নজির পৃথিবীর ইতিহাসে আর নেই।

"রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ"এই গান টি তো শিক্ষা সংস্কৃতিতে পড়ে। ভাষার জন্য শহীদ হয়েছেন তার দৃষ্টান্ত তো পৃথিবীর ইতিহাসে আর কারো নাই। কিন্তু উনারা মুসলিম হওয়ায় তার নজর করেনি পৃথিবীর কোন সংস্থায়। নজর কারেণি বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য। যিনি প্রায় ৪৪ বছর পর্যন্ত দলনেত্রী, পঞ্চম বারের মত একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী যা ইন্দিরা গান্ধীর থেকেও প্রায় ১০ বছর বেশি ক্ষমতা আরোহণ করে আসছেন। কিন্তু এই বাঙালি নেত্রী নাকি বিশ্বের ২২ তম ক্ষমতাধর নারী। যদি উনি ইউরোপ বা আমেরিকার কোন অখ্যাত দেশের নেত্রী ও হতেন তাহলে একাধিকবার নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হতেন। তবে ডক্টর ইউনুস এর জন্য তাদের দরদের কমতি নেই। যদিও আরেকবার নোবেল উপাধি দেওয়া যায় কিনা সেই ব্যাপারে তদবির করা উচিত। আমাদের সন্ত্রাসী প্রতিবেশী মিয়ানমার তারা যে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল তার প্রতিবাদ না করে আমাদের ধনাঢ্য প্রতিবেশীরাও কৌশলে চুপ করেছিলেন। রোহিঙ্গা মুসলিমরা দুনিয়ার কেয়ামত দেখে দিগ্বিদিক হারিয়ে এই বাংলায় আশ্রয় নিয়েছিল। ১৫ লক্ষ মুসলিমকে জীবিত অবস্থায় আশ্রয় দিয়ে যে নজির বাংলার প্রধানমন্ত্রী স্থাপন করলেন তাকে শতবার নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা উচিত। ৭২ টি বাংলাদেশের সমান কানাডা সেখানেও কি এই রোহিঙ্গাদের স্থান দিতে পারতো না? অথবা ৩৮ টি বাংলাদেশের সমান দেশ নিয়ে আমাজান বন সৃষ্টি সেখানে কি এই অসহায় রোহিঙ্গাদের স্থান হতো না? কারণ আশ্রয় প্রার্থীরা সবাই মুসলিম, সেজন্যই এত অবহেলা। ভাই আমরা এই বিবেকহীন বিচারকদের ঘৃণা করি। তামাশার বিচার ব্যবস্থা মানি না, ভুয়া জাতিসংঘ মানি না।


আরও খবর

ভালোবাসার দিন আজ

বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




হিলিতে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শৈত প্রবাহে মরে যাচ্ছে ইরি-বোরো বীজতলা

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৫৬জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:ঘন কুয়াশায় আবারও ক্ষতির মুখে পড়েছে হিলির কৃষকরা। আগাম বীজতলা তৈরী করলেও ঘন কুয়াশায় স্যাতসেতে ও বিবর্ণ আকার ধারন করে মরে যাচ্ছে বোরো বীজতলার চারা।

সঠিক সময়ে বোরো রোপণ নিয়ে অনেকটাই দুশ্চিন্তা পড়েছেন এখানকার কৃষক। বোরো চারা নষ্ট যাতে না হয় সেজন্য কৃষকদের সবধরনের পরার্মশ দেওয়ায় কথা বলছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।শষ্যের ভান্ডার হিসেবে পরিচিত উত্তর জনপদের দিনাজপুরের হিলিতে বোরো রোপণ করতে প্রস্তুত করা হয়েছে বোরো বীজতলা। আমনের ফলন ভালো হলেও আশানুরুপ দাম না পাওয়ায় ইরি-বোরো ফলন আর ভালো দামের আশায় আগে-ভাগেই বীজতলা তৈরীর কাজ সেরে ফেলেছেন এখানকার কৃষকরা। কিন্তু শুরু থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে ৫ থেকে ৭ ইঞ্চি লম্বা ও তরতাজা চারা গুলো স্যাতসেতে ও বিবর্ণ আকার ধারন করে মরে যাচ্ছে।

অনেকে চারা রক্ষার্থে পলিথিন দিয়ে ঢেঁকে দিয়ে রাখছেন বীজতলা। তবে কীটনাশক প্রয়োগ করেও মিলছে না কোন সুরাহা। সঠিক সময়ে বোরো রোপণ নিয়ে হাতাশায় এখানকার কৃষকরা। দিনের অধিকাংশ সময় সূর্যের তেমন দেখা মিলছে না আবার কখনো মিললেও সেই রোদের তীব্রতা তেমন নেই। তার সাথে হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে নষ্ট হচ্ছে ইরি বোরো ধানের বীজতলা। অধিকাংশ বীজতলার বীজগুলো হলুদ ও লালচে বর্ণের হয়ে বীজগুলো মরে যাচ্ছে।উপজেলার বাওনা গ্রামের কৃষক মোফাজ্জল হোসেন বলেন,বীজতলায় সার ও কীটনাশক ব্যবহার করেও কোনো ফল পাচ্ছি না। এতে করে চলতি মৌসুমে বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছি।জালালপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল মজিদ বলেন, আমি প্রায় ১০ বিঘা জমির জন্য বীজতলা প্রস্তত করেছি কিন্তু ঘন কুয়াশায় বীজতলা নষ্ট হয়েছে। আমি ইরি-বোরো ধান লাগানো নিয়ে খুব চিন্তায় আছি। জাংগই গ্রামের কৃষক মহিদুল বলেন,প্রতিদিন সকালে বীজতলা থেকে কুয়াশা ফেলে দিচ্ছি। সেই সঙ্গে কীটনাশক স্প্রে করার পরও বীজতলার চারা মরে যাচ্ছে। এতে আমি চরম বিপাকে পড়েছি। একই সঙ্গে বাড়তি ব্যয় হচ্ছে। তীব্র শৈত্য প্রবাহের কারণে বীজতলায় লালচে ভাব এসেছিল।

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান,উপজেলার ৩ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এবার প্রায় ৩৮২ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের বীজতলা তৈরী করেছে কৃষকেরা। বোরো চারা নষ্ট যাতে না হয় এবং বোরো লক্ষমাত্রা অর্জন করতে কৃষকদের সবধরনের পরার্মশ দিয়ে যাচ্ছেন উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বাকেরগঞ্জে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত ৪ জন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১০৫জন দেখেছেন

Image
রবি ইসলাম:বরিশালের বাকেরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ। 

মঙ্গলবার (৫ ফ্রেব্রুয়ারি) ২ বছর ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত ৬টি মামলার আসামী মোঃ কামাল দেওয়ানকে বাকেরগঞ্জ থেকে, ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ২টি মামলার আসামী আল আমিন হাওলাদার, ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী সহিদুল ইসলামকে নারায়নগঞ্জ বন্দর থেকে ও ২ বছর ৩ মাসের সাজাপ্রাপ্ত ২টি মামলার আসামী মোঃ আবুল বাসারকে নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে তারা ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে ছিল।

বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আফজাল হোসেন বলেন, সাজা ওয়ারেন্টমূলে পালিয়ে থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসব সাজাপ্রাপ্ত আসামীদেরকে গ্রেপ্তার এবং বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করেছে।

আরও খবর