Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নবীনগর ব্রাহ্মণহাতা গ্রামে মৌখিক অভিযোগের তদন্তে এসে পুলিশের হয়রানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৩৯১জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ  নবীনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধিঃ-

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়ন নারুই (ব্রাহ্মণহাতা) গ্রামে মৌখিক অভিযোগের তদন্ত করতে মো. সাব্বির ও সজিব মিয়ার বাড়িতে এসে অকথ্য ভাষায় গালাগালিসহ অর্থ লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে নবীনগর থানার ওসি তদন্ত সজল কান্তি দাসসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে।সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, নারুই ব্রাহ্মণহাতা গ্রামের মো. অলি মুন্সী মিথ্যা মৌখিক অভিযোগ করেন শিল্পপতি রিপন মুন্সীসহ সাব্বির ও সজিব এর বিরুদ্ধে।


মঙ্গলবার সকালে সেই মৌখিক অভিযোগের তদন্ত করতে আসেন নবীনগর থানার ওসি তদন্ত সজল কান্তি দাসসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য। ঐই সময় সাব্বির মিয়ার বাড়িতে গিয়ে বাড়ির গেইট ভেঙ্গে প্রবেশ করে সাব্বির কে বাড়িতে না পেয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালিসহ ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে অর্থ লুটপাট করেন এবং সজিব মিয়ার বাড়িতে গিয়েও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন।সাব্বির মিয়ার ভাই মো. শাহিন মিয়া বলেন, আমি সকালে ঘুমিয়ে ছিলাম। এমন সময় ৬ জন পুলিশ বাড়ির গেইট ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে আমার ভাইকে খোঁজাখুঁজি করেন৷


তাকে না পেয়ে আমার ভাইকে নিয়ে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেন এবং ঘরে থাকা ৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।সজিবের আম্মা বলেন, সকালে নাস্তা করার সময় ২ জন পুলিশ ঘরে প্রবেশ করে আমার ছেলে সজিব কে খুঁজেন। তাকে না পেয়ে আমার ছেলেকে নিয়ে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেন। আমার পরিবার পুলিশের এ কথা বলার পরও তারা আমাকে ও আমার মৃত স্বামীকে নিয়ে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেন। আমরা কোন অপরাধ না করার পরও পুলিশ বাড়িতে এসে কেন হয়রানি করলো এর সঠিক বিচার চাই।


দোকানদারের ছেলে বাইজিদ বলেন, আমার বাবা দোকানে ছিল না, ঐ সময় ৬ জন পুলিশ আমাদের দোকানে ঢুকে ৬ প্যাকেট বেন্সন সিগারেট ও ৬ টি স্পিড কেন নিলে আমি টাকা চাওয়াতে তারা আমার বাবাকে হাত পা ভাঙ্গার হুমকি প্রধান করেন।গ্রাম পুলিশ একরামুল বলেন, সকালে নবীনগর থানা থেকে ৬ জন পুলিশ এসে আমাকে ফোন করলে আমি সাব্বির মিয়ার বাড়ির সামনে আসি। আমাকে নিয়ে সাব্বির ও সজিব মিয়ার বাড়িতে যায়। তাদের কে না পেয়ে পুলিশ সদস্যরা অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেছে, কেন করেছে তা আমি জানি না।


সাব্বির ও সজিব বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়ছে তা মিথ্যে বানুয়াট। আমরা কেন তাদের কোরবানি দিতে বাধা দিব। এই মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আমাদের বাড়িতে এসে সকলকে গালাগালিসহ ও লুটপাট করেছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।অভিযোগকারী অলি মুন্সী বলেন, আমার ভাগ্নে মোরশেদ আমার সাথে কোরবানি দিতে চাইলে তাকে বাঁধা প্রদান করেন সজিব ও সাব্বির।


তাই আমি থানায় মৌখিক অভিযোগ করেছি, তবে লিখিত কোন অভিযোগ করি নাই। তবে মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে কোরবানি দিয়েছি।নবীনগর থানার ওসি তদন্ত সজল কান্তি দাস বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ গুলো আনা হয়ছে সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা বানুয়াট। যারা এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করেছে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান চিরস্মরণীয়: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক:বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

সোমবার (১ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, এ উপলক্ষে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য-‘তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উচ্চ শিক্ষা’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত ভেঙে অত্র অঞ্চলে যে রাষ্ট্র ব্যবস্থার সৃষ্টি হয় সেই রাষ্ট্রটি বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর নিরাপদ আবাসভূমি ছিল না-এ সত্যটি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তৎকালীন তরুণ ছাত্র শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি সবার আগে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন এবং কালক্রমে হয়ে উঠেছেন বাঙালি জাতির পিতা, ‘বঙ্গবন্ধু, বাঙালির ইতিহাসের মহানায়ক ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। সেই থেকে ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কিত জ্ঞান ও বিজ্ঞানের নিবিড় চর্চা এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশ নামক একটি জাতিরাষ্ট্র সৃষ্টিতে এ প্রতিষ্ঠানটির অনবদ্য অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৯৫২’র ভাষা-আন্দোলন, জাতির পিতা ঘোষিত ১৯৬৬’র ছয়-দফার ভিত্তিতে স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন এবং তার (বঙ্গবন্ধু) আহ্বানে ১৯৭১’র মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং পরবর্তীকালে সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন, অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক সত্তার বিকাশ ও দেশের গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারীরা অগ্রভাগে থেকে অব্যাহতভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার দূরদর্শী নির্দেশনায় ১৯৭৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় অর্ডিন্যান্স ঘোষণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন গঠন করা হয়, যার মূল বার্তা ছিল- বিশ্ববিদ্যালয়ে চিন্তার স্বাধীনতা ও মুক্ত-বুদ্ধি চর্চার পরিবেশ সৃষ্টি করা। আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করে তখনই জাতির পিতার শিক্ষা দর্শনের আলোকে দেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়ন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে ১২টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেকগুলো বিজ্ঞান ও গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করি। গবেষণা ও প্রযুক্তির জন্য অনুদান ১০০ কোটিতে উন্নীত করি। আমরা জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন, বঙ্গবন্ধু বৃত্তি এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপের প্রবর্তন করি।

তিনি বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছরে আমরা দেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ ও গুণগত মান বৃদ্ধিতে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা ২৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৫৪টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০, বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার কৌশলী পরিকল্পনা: ২০১৮-২০৩০ সহ প্রয়োজনীয় নীতিমালা এবং কলেজ পর্যায়ের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে ২০২৩-২০৩১ মেয়াদি ন্যাশনাল স্ট্রাটেজিক প্ল্যান প্রণয়ন করেছি। আমরা বিদেশ থেকে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ প্রবর্তন করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল এ্যাক্ট-২০১৬ পাস করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি, দেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ রিসার্চ এন্ড এডুকেশন নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন ফ্যাকাল্টির ছাত্র ও শিক্ষক আন্তর্জাতিক একাডেমিক কমিউনিটি এবং তথ্য ভান্ডারের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা প্রসারের মাধ্যমে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুবিধা আহরণে সক্ষম প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে নানা উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। আমরা শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক সংকট নিরসনে হল ও ভবন নির্মাণ করেছি।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে শিক্ষা, গবেষণার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে নতুন নতুন বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩টি অনুষদ, ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৮৪টি বিভাগ, ৫৮টি ব্যুরো ও গবেষণা কেন্দ্র, ছাত্র-ছাত্রীদের ১৯টি আবাসিক হল, ৪টি হোস্টেল এবং ১৮৮টি উপাদানকল্প কলেজ ও ইনস্টিটিউট রয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৪৪ হাজার ৮৯৫ জন এবং পাঠদান ও গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৯৮১ জন শিক্ষক। অধিকতর উন্নত গবেষণার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে যেকোনো সংকট উত্তরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা-গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তিসহ জ্ঞানের সব শাখায় এগিয়ে যাবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশপ্রেম, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের অর্জিত জ্ঞান, মেধা-মনন ও সৃজনশীলতা প্রয়োগ করে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ তথা তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

:বাসস


আরও খবর



ব্রাজিলকে আটকে দিলো কোস্টারিকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৮৬জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:ব্রাজিলের জন্য কোপা আমেরিকায় নিজেদের প্রথম ম্যাচটা সুখকর হলো না। মঙ্গলবার (২৫ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের সোফাই স্টেডিয়ামে কোস্টারিকার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেছে সেলেসাওরা। পুরো ম্যাচে ৭৩ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রাখলেও মাত্র মাত্র তিনটি শট অন-টার্গেটে রাখতে পেরেছে দরিভাল জুনিয়রের দল।

একের পর এক গোল মিসে হতাশ করেছেন ব্রাজিলের তারকায় ঠাসা দলটি। এক গোল বাতিলের পর দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক মিস করে কেবল হতাশাই বাড়িয়েছেন দোরিভাল জুনিয়র শিষ্যরা। লুকাস পাকেতা, রদ্রিগো, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনহাদের নিয়ে আক্রমণভাগ সাজিয়েছিলেন কোচ দোরিভাল জুনিয়র। বদলি হিসেবে নেমেছিলেন এন্ড্রিক ফিলিপে। শেষ দিকে গোলের আশায় গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লিকেও নামানো হয়েছিল। কিন্তু হতাশাটাই শেষ পর্যন্ত সঙ্গী হয়েছে তাদের।

ম্যাচের শুরু থেকে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে ব্রাজিলিয়ানরা। তবে ভাঙা যায়নি কোস্টারিকার রক্ষণ। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে অবশ্য গোল পেয়েছিল সেলেসাওরা। রাফিনিয়ার ফ্রি কিক থেকে রদ্রিগোর কাছ থেকে বল পেয়ে গোল করেন মার্কুইনহোস। তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিতে (ভিএআর) বাতিল হয় গোলটি। কারণ রাফিনিয়া যখন ফ্রি কিক নিচ্ছিলেন, তখন অফসাইডে ছিলেন রদ্রিগো।


আরও খবর



ডোমারে কৃষক/কৃষাণী ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১০০জন দেখেছেন

Image

মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর ডোমারে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রোগ্রাম এগ্রিকালচার এ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরাশিপ এ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) এর আওতায় দিনব্যাপী “কৃষক জিএপি সার্টিফিকেশন” বিষয়ক কৃষক/কৃষাণী ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্ত আয়োজিত রোববার সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ হলরুমে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শষ্য) জাকির হোসেন। 

প্রধান প্রশিক্ষক হিসাবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম। এসময় উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফরহাদুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাজিয়া সুলতানা প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। 

উক্ত প্রশিক্ষণে এলাকার ৫০জন কৃষক ও কৃষাণী অংশগ্রহন করেন। প্রশিক্ষণ শেষে কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। স্মার্ট কৃষক হিসাবে নিজেকে গড়ে তুলতে সরকারের প্রণোদনা সহ কৃষি বিষয়ে সব ধরণের পরামর্শ ও সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম। 


আরও খবর



মাগুরার মহম্মদপুরে অর্থনৈতিক শুমারির প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১২০জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের সরকারি আর,এস,কে,এইচ ইনিস্টিটিউশন হলরুমে  শুক্রবার ২৮ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪ এর প্রথম জোনাল অপারেশনে নিয়োজিত ১০৭ জন লিস্টারদের ৩ দিন ব্যাপি প্রশিক্ষন কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান  এড. আব্দুল মান্নান।

মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার  পলাশ মন্ডলের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো:ঈদুল শেখ, সরকারি আর এস কে এইচ ইনিস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক  এ,কে,এম,নাসিরুল ইসলাম,উপজেলা মুক্তিযোদ্বা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো:আঃ হাই মিয়া।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন।উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অর্থনৈতিক শুমারি'র ১০৭ জন  তালিকাকারী উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মাগুরা বাস টার্মিনাল জলমগ্ন খানাখন্দে জনদূর্ভোগ চরমে

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৭৩জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল দীর্ঘদিন যাবত সংস্কার না করয় বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে জন দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।বাস টার্মিনালের সর্বত্র পনিতে সয়লাব হয়ে পানির উপর ভাসছে। আর যাবাহনসহ যাত্রী সাধারণ নিদারুন সমস্যার সম্মুখিন হয়ে বাধ্য হয়ে কাঁদা পানি মেখে পরিবহনে উঠতে বাধ্য হচ্ছে। মাগুরা পৌর সভা জনগনের সুবিধার্থে শহরের পাশে পারনান্দুয়ালীতে ২০০১ সালে  কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নির্মান করে। নির্মানের পর থেকে বাস টার্মনালের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন না করলে ও প্রতি বছর টোল আদায় ঠিকই নিলাম দেয়া হয়। প্রতিবছর ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকার টোল বিক্রি করলেও তেমন কোন উন্নয়ন বা সংস্কার করা হয়না। যার ফলে টার্মনালের ভিতরে খানাখন্দ সৃষ্ঠি হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। খানাখন্দে পড়ে যাতে বিপদ না হয় তার জন্য সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারের পক্ষ থেকে লাল নিশান লাগান হয়েছে। খানাখন্দ আর পানািতে সয়লাব হয়ে পড়ায় যাত্রী সাধারণ কাঁদা পানির জন্য পরিবহনে উঠতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। মাগুরা বাস টার্মিনাল থেকে ঢাকা, চট্রগ্রাম, বরিশাল, কুয়াকাটা, সেন্ট মার্টিন, কক্সবাজার, সিলেট, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে পরিবহন চলাচল করে। দীর্ঘদিন ধরে বাস টার্মিনালের এ করুণদশা হলেও পৌর কৃতপক্ষ কোন নজর দিচ্ছেনা। মাগুরা বাস টার্মিনালের বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার থেকে বারবার আবেদন নিবেদন করলেও পৌর কতৃপক্ষ সংস্কার বা উন্নয়নের কোন পদক্ষেপ গ্রহন করছেনা। এ ব্যাপারে মাগুরা পৌর সভার সচিব রেজাউল করিম   জানান, ২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প দাখিল করা হয়েছে, যা একনেকে অনুমোদন হলেও অর্থ ছাড় না করায় প্রকল্পের কাজ করা যাচ্ছেনা। অর্থ প্রাপ্তির পর টার্মনালের সমস্যা থাকবেনা।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর