Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

নবীনগর বাড়িখলা গ্রামে পুকুরে পানিতে ডুবে ভেসে উঠল দুই বোন

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৪৩৩জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মাদ হেদায়েতুল্লাহ্ নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রতিনিধি:ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরে জান্নাতুল রাইসা (৫) ও রাইকা আক্তার রাইসা (৪) নামে আপন দুই বোনের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। ৯ সেপ্টম্বর শনিবার দুপুরে উপজেলার লাউরফতেহপুর ইউনিয়নের বাড়িখলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।নিহত ওই দুই বোন বাড়িখলা দক্ষিণ পাড়ার সিঙ্গাপুর প্রবাসী মাহাবুবুর রহমান সাইফুল এর সন্তান।সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, প্রতিদিনের মতো বাড়ির আঙিনায় খেলাধুলা করছিলেন দুই বোন জান্নাতুল রাইসা(৫) ও রাইকা আক্তার মাইশা (৪) সেখানে থেকে হঠাৎ করে ফুটবল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছিলেন বাড়ির উঠানে।

কিছুক্ষণ পর তাদের কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজ শুরু করেন। দীর্ঘাক্ষণ খুজে তাদের না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা টেনশনে পাড়ে প্রতিবেশীদের ডাক দেন।সবাই মিলে অনেক খোঁজাখুঁজি ও মার্কিং শুরু করেও কোন ফল পাচ্ছিলেন না। পরে তারা নিকটস্থ রাধানগর গ্রামের কয়েকজন জেলেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন,এমন সময় তারা বাড়ির পাশে জলাশয়ে ফুটবল ভাসছে দেখে সন্দেহ করে পানিতে নেমে দুই শিশুকে পানির নিচ থেকে উদ্ধার করেন।মুহুর্তের মধ্যে মৃত্যু দুই বোনের লাশ দেখে ওই বাড়িতে কান্নার রোল নেমে আসে।

স্থানীয়দের ধারণা, ফুটবল খেলার সময় বলটি পানিতে পড়ে যাওয়ার কারণে নিশ্চয়ই তারা দুই বোন একে একে বলটি আনতে গিয়ে জলাশয়ে নামেন। এরপর পিছলিয়ে সেখানে পড়ে গিয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।তিন মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে মাহাবুবুর রহমান সাইফুল এর স্ত্রী রূপালি আক্তার গ্রামে বসবাস করতেন। হঠাৎ করে আদরের দুই মেয়েকে হারিয়ে তিনি সহ পুরো পরিবার বাকরুদ্ধ।হঠাৎ করেই গ্রামে এ ঘটনায় বাড়িখলা গ্রামে শোকে মাতম হয়ে আছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




মূল্যস্ফীতি ৬.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব নয়: সিপিডি

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:মূল্যস্ফীতি অর্থনীতিতে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যার নাম । সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালাগ (সিপিডি) বৈদেশিক মুদ্রার অবনমন উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখছে । সিপিডি জানায়, প্রায় ১০ শতাংশ থেকে একবছরে মূল্যস্ফীতির হার সাড়ে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনা অবাস্তব। মুদ্রানীতি সংকোচনমূলক করা হলেও আর্থিকনীতিতে সরকার পরিবর্তন আনেনি।

বুধবার (১২ জুন) গুলশানে একটি হোটেলে আয়োজিত ‘বাজেট সংলাপ ২০২৪’-এ বক্তারা এসব কথা বলেন।এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. ফাহমিদা খাতুন।

তিনি বলেন, উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতি দরিদ্র্য মানুষের ওপর চাপ তৈরি করছে। বাজেটে খাদ্য সহায়তার পরিমাণ কমানো হয়েছে। বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজন বিনিয়োগ। জিডিপির ২৭ ভাগের বেশি বিনিয়োগ লক্ষ্য পূরণ করা কঠিন। মে মাস পর্যন্ত রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ২ শতাংশ। কিন্তু বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ৮ ভাগ।

এছাড়া অর্জন নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছে সিপিডি। সংস্থাটি বলছে, কালো টাকা সাদা করার উদ্যোগ সৎ করদাতাদের ওপর অন্যায়। বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে ব্যাংক নির্ভরতায় ব্যাক্তিখাতের সুযোগ কমে যাবে। এতে বাড়বে সুদের হার। অন্যদিকে বাড়ছে সুদ বাবদ ব্যয়। রিজার্ভ ক্রমাগত নিচে নামছে। এ বিষয়ে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হলেও সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।


আরও খবর



তানজিল চৌধুরী প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র চেয়ারম্যান পুনঃনির্বাচিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৩০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র পরিচালনা পর্ষদ টানা তৃতীয়বারের (২০২৪২০২৬) মতো তানজিল চৌধুরীকে চেয়ারম্যান হিসেবে পুনঃনির্বাচিত করেছেন।

২০২০ সালে তিনি প্রথমবারের মতো ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে গত দুই মেয়াদে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাইম ব্যাংক বেস্ট ডিজিটাল ব্যাংক, উদ্ভাবনী পণ্য ও সেবা, পরিবেশ ও সামাজিক খাতে সুশাসন, লিঙ্গ বৈচিত্র্য, টেকসই উন্নয়ন, এবং সুযোগ্য নেতৃত্বসহ নানা বিষয়ে মাইলফলক বা প্রশংসা অর্জন করেছে।

তানজিল চৌধুরী ইস্ট কোস্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ইস্ট কোস্ট গ্রুপ এনার্জি এবং ডাউনস্ট্রিম হাইড্রোকার্বন্স খাতের সাথে সংযুক্ত একটি বৃহৎ কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, যা বাংলাদেশে গত ৪৫ বছর ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও তিনি যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ডেভলপমেন্ট ফিন্যান্সিয়াল ইন্সস্টিটিউশন (প্রতিষ্ঠিত ১৯৪৮) ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট (BII)-এর একজন উপদেষ্টা।

তিনি দুই মেয়াদে (২০১৪-২০২১) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একজন নির্বাচিত পরিচালক এবং বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ) ও সোলার মডিউল ম্যানুফ্যাকচারার্সের (এসএমএমএবি) প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্বও পালন করেছেন।

তানজিল চৌধুরী কিংস কলেজ লন্ডন (KLC) থেকে ইন্টারন্যাশনাল ম্যানেজমেন্টে (ফাইন্যান্স) এমএসসি ডিগ্রী অর্জন করেছেন। তিনি একজন এসিসিএ (ACCA) অ্যাপ্লাইড স্কিল (FHEQ) লেভেল-৬ কায়োলিফাইড প্রোফেশনাল।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে সেই স্বর্ণের মাটির স্তুপ পরিক্ষা ও স্ক্যান করার নির্দেশে দুই সদস্যের কমিটি গঠন

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৯৪জন দেখেছেন

Image
মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের কাতিহার রাজোর এলাকার আরবিবি ইট ভাটার স্তুপ করা মাটি পরীক্ষা,অনুসন্ধান ও স্ক্যান করার নির্দেশসহ দুই সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। গত ২ জুন বাংলাদেশ ভুতাত্বিক জরিপ অধিদপ্তর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন শাখা ঢাকার ভুতত্ব পরিচালক কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। 

স্বর্ণ পাওয়ার বিষয়টি গুরত্বসহকারে নিয়ে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি মেহেদী হাসান বাংলাদেশ ভুতাত্বিক জরিপ অধিদপ্তরে আরবিবি ইটভাটার মাটির পূর্বের স্থানসহ বর্তমান স্থান পরীক্ষা,অনুসন্ধান ও মাটি স্ক্যানের আবেদন করে। সেই পেক্ষিতে এ অফিস আদেশ দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। চিঠিতে উল্লেখ্য করা হয়েছে, সহকারী পরিচালক ভুতত্ব আনোয়ার সাদাৎ মুহাম্মদ সায়েম ও মোহাম্মদ আল রাজীকে আগামী ৩জুন থেকে ৫জুন অথবা প্রকৃত যাত্রার তারিখ হতে তিনদিনের মধ্যে প্রকৃত ঘটনার তথ্যসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। 

এর আগে আজকের পত্রিকাসহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ইটভাটায় স্বর্ণের খোজে কোদাল নিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এর পরে দিনে রাতে ইটভাটার মাটির স্তুপে অতিরিক্ত মানুষের সমাগম হওয়ায়। আইনশৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কায় গত ২৫ মে ইটভাটায় ১৪৪ ধারা জারী করে রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসন। এরপর থেকে সেখানে পুলিশি পাহারায় চৌকি বসানো হয়। এতে সাধারণ মানুষ ইটভাটায় ভিড়তে পারে না। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি মেহেদী হাসান বলেন, যেহেতু ওই ইটভাটার মাটি ঐতিহাসিক এলাকা থেকে কাটা হয়েছে। এবং মানুষের মুখে মুখে স্বর্ণ পাওয়ার বিষয়টি চাউর হয়েছে। তাই রাষ্ট্রীয় ভাবে এটি পরীক্ষা নিরীক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদি কোন ধরনের স্বর্ণ পাওয়া যায়। তাহলে সেটি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে।

রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) রকিবুল হাসান বলেন, বাংলাদেশ ভুতাত্বিক জরিপ অধিদফতর এর নির্দেশে মাটির পরীক্ষা করা হবে বলে জানতে পেরেছি। তারা আসলে উপজেলা প্রশাসন থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

আরও খবর



মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক এর জীবন যুদ্ধ চলে ভ্যানের প্যাডেলে স্বীকৃতি সনদ আজ ও মেলেনি

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:লুঙ্গি পেঁচিয়ে পরে শক্ত হাতে অস্ত্র ধরে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম সেদিন তো ফুলপ্যান্ট  পরনে ছিল না এখন কেন জাতীয় মুক্তি যোদ্ধা কাউন্সিলে প্রবেশ করতে এসে ফুলপ্যান্ট ছাড়া ঢুকতে দেওয়া হবে না?  মুক্তিযোদ্ধা সাময়িক সনদ পত্র প্রাপ্তীর জন্য জামুকায় গিয়ে এমন বিড়ম্বনার শিকার মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেক । দিনাজপুর জেলার  পার্বতীপুর উপজেলার খাগড়াবন্দ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক এর জীবিকা নির্বাহ হয় ভ্যানের চাকায়। ২০১৩ সালের ২২ নভেম্বর অনলাইনে মুক্তি যোদ্ধা হিসাবে গেজেট ভুক্তির জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি যার ডিজিআই নং১০২৮৭৩( উএষ১০২৮৭৩) এবং পার্বতীপুর উপজেলার ক্রমিক নম্বর ০৩।  মুক্তি যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সাময়িক মুক্তি যোদ্ধা সনদ প্রাপ্তীর আবেদন করেছেন যার আবেদন ডকেট নং ৪৮৯২ তারিখ ০৮/১১/১৪ইং।  মুক্তি যোদ্ধা অন্তর্ভুক্ত তালিকা পার্বতীপুর ক্রমিক নম্বর ৫৫ । এতো দালিলিক প্রমাণাদী আগলে রেখে ও মুক্তি যোদ্ধার তালিকায় তার নাম গেজেট ভুক্ত হয় নাই । তথাপি অপ্রতিরোধ্য প্রত্যাশায় ভ্যানের চাকায় জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেকের। জানা গেছে পার্বতীপুর উপজেলার ১০ নং হরিরামপুর ইউনিয়নের খাগড়াবন্দ গ্রামের মৃত্যু নাজিম উদ্দীনের পুত্র আব্দুল মালেক ১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মাতৃভূমি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান কে পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার দের কবল থেকে দেশকে স্বাধীন করার জন্য ভারতের ৭ নং সেক্টরের উত্তর অঞ্চল হামজাপুর ( পথিরাম)ইয়থ ক্যাম্পে ১ লা জুন ১৯৭১ যোগদান করেন এবং উক্ত ক্যাম্পে  একমাস প্রশিক্ষন গ্রহন শেষে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আমবাড়ী ফুলবাড়ি ভবানীপুর আনন্দ বাজার বদরগনজ যুদ্ধে অংশ নেন। তার এফ এফ নং ১১৭১। তার প্রকৃত সহযোদ্ধা মোঃ কায়ছার আলী গেজেট নং ৬৩৯ লালমুক্তি বার্তা নং ০৩১৩০৩০০৭২ (০১৭২১২১৫৮৪০) মোঃ আজিজুল হক গেজেট নং ৫৮৭ লাল মুক্তি বার্তা নং ০৩১৩০৩০০৪৪ (০১৭৮৫৩৭৬১৪৭) মোঃ আঃ লতিফ গেজেট নং ৬২৮ লাল মুক্তি বার্তা নং ০৩১৩০৩০০৩৯ (০১৭৮৩৩৭৬৪৪৬) মুক্তি যোদ্ধা হিসাবে গেজেট ভুক্ত হয়ে রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন।  মুক্তি যুদ্ধ কালীন সময়ে তিনি ৭ নং সেক্টরে থ্রি নাট. থ্রিজি ৩০৩ রাইফেল পরিচালনা করেন। যুদ্ধ কালীন সময়ে তার অধিনায়ক ছিলেন এম এ জি ওসমানী এবং কমান্ডার কাজী নুরুজ্জামান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পে অস্ত্র সমর্পন করেছিলেন তিনি। এলাকার মুক্তি যোদ্ধা মরহুম মোতালেব মন্ডল এবং সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দীন ও তার সহযোগী ছিলেন বলে তিনি দাবি করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পে অস্ত্র জমা দেওয়ার পরের দিন দিনাজপুর মিলিশিয়া ক্যাম্পে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি হয় এবং ২৫ শে জানুয়ারী ১৯৭২ তিনি ন্যাশনাল মিলিটারি ট্রেনিং একাডেমি রাজশাহী সদর রাজশাহী এর কমান্ডেন্ট ডিএস ডিললোন (ক্যাপ্টঃ)তাকে ছাড়পত্র প্রদান করেন। মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেক মাসিক ৫০ টাক সহায়তা অনুদানে তথ্য দাতা হিসাবে বামনহাট ইয়ুথ রিসিভসন ক্যাম্প কুচবিহারে ০৩ /০৫/৭১ ইং হতে ২৬/৫/১৯৭১ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন মর্মে কাস্টমস অফিসার ইনচার্জ ইয়ুথ রিসিপশন ক্যাম্প বামনহাট কোচবিহার দিনহাটা কর্তৃক স্বাক্ষরিত অর্ডার শিটে উল্লেখ আছে। মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেক জানান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পে অস্ত্র জমা দেওয়ার পর তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজশাহী সদর মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন থাকায় হাসপাতাল থেকে ফিরে দেখেন তার নাম বাদ গেছে। পরবর্তী সময়ে অনলাইনে আবেদন করেছেন তিনি দৃঢ় আশাবাদী মুক্তি যোদ্ধা তালিকায় তার নাম অবশ্যই গেজেট ভুক্ত হবে। স্ত্রী সন্তান নিয়ে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন।


আরও খবর



ঈদে বন্দিদের জন্য থাকছে উন্নত খাবার, সঙ্গে বিনোদনের ব্যবস্থা

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৬৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পবিত্র ঈদুল আজহা সারাদেশে পালিত হচ্ছে । কারাগারে বন্দিরাও ঈদের এ আনন্দ থেকে বাদ পড়েননি। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) তাদের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। ঈদের সারাদিন বন্দিদের জন্য থাকছে উন্নত খাবার ও বিনোদনের ব্যবস্থা।

জানা গেছে, কারাবন্দিদের ঈদের দিনের সকাল শুরু হয়েছে মুড়ি-পায়েস খাওয়ার মধ্যে দিয়ে। তাদের জন্য দুপুরে থাকছে পোলাও মাংস ও রাতে ভাত-মাছ।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) ডেপুটি জেলার জান্নাতুল ফেরদৌস সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) আট হাজারের বেশি বন্দিদের জন্য উন্নত খাবার রান্নার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কারাবন্দিদের ঈদের দিন সকাল শুরু হয়েছে পায়েস ও মুড়ি খাওয়ার মধ্যে দিয়ে। দুপুরে বন্দিরা খাবেন পোলাও, গরুর মাংস, মুরগির ঝাল ফ্রাই ও খাসির মাংস। পাশাপাশি দুপুরে কারাবন্দিদের জন্য রয়েছে কোমল পানীয়, মিষ্টি, লেবু, শসা ও পান-সুপারি। এ ছাড়া রাতে বন্দিরা খাবে সাদা ভাত, রুই মাছ ও ছোলার ডাল।

ঈদের দিন কারাগারে রান্না হওয়া খাবারের পাশাপাশি নিজের বাসাবাড়িতে রান্না করা খাবারও খেতে পারবেন বন্দিরা। ঈদের দিন নিয়ম মেনে স্বজনরা দেখা করতে পারবেন কারাবন্দিদের সঙ্গে। এসময় স্বজনরা বাসাবাড়ি থেকে রান্না করে আনা খাবার কারাবন্দিদের দিতে পারবেন।

এ বিষয়ে জেলার নাশির আহমেদ বলেন, আজ ঈদের দিন বন্দিদের সঙ্গে তাদের স্বজনরা নিয়ম অনুযায়ী দেখা করতে পারবেন। এ ছাড়া স্বজনরা বাসা থেকে রান্না করে বন্দিদের খাবার দিতে পারবেন। এবার ঈদের দিন বন্দিদের বিনোদনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদের নামাজের পরপরই সকালের দিকে বন্দিদের নিয়ে গানের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বিকেলের দিকে বন্দিদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ হবে।


আরও খবর