Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম

নাসিরনগরের প্রতারক লিটনের বিরোদ্ধে সেলিম চৌধুরীর ১০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের মামলা

প্রকাশিত:Sunday ২৩ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২৩৯জন দেখেছেন
Image


পর্ব-৪

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ 

ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদরের আব্দুল গাফ্ফারের ছেলে জধন এর হাতে গ্রেপ্তার হওয়া প্রতারক মোঃ লিটন মিয়া(৩৫) এর বিরোদ্ধে ১০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের বিষয়ে আশুরাইল বেণীপাড়া গ্রামের আজব আলী চৌধুরীর ছেলে মোঃ সেলিম চৌধুরী বাদি হয়ে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বিজ্ঞ আদালতে এন,আই  এ্যাক্টের ১৩৮ বিধান মতে আরো একটি চেক জালিয়াতির মামলা করার খবর পাওয়া গেছে।


জানা গেছে বাদী সেলিম চৌধুরী একজন ইট,বালু,পাথর সালপ্লাইয়ার ও আসামী লিটন মিয়া একজন ঠিকাদার।ঠিকাদারী কাজের কথা বলে আসামী লিটন মিয়া বাদী সেলিম চৌধুরীর নিকট থেকে গত ২০১৯ সালের ৯ অক্টোবর নাসিরনগর সোনালী ব্যাংকের ১২১৩০ নম্ভর সঞ্চয়ী হিসাবের ৪২০৪৭৯৭ নম্ভরের একটি চেক প্রদান করে ১০ লক্ষ টাকা গ্রহন করে।ওই তারিখে বাদী সেলিম চৌধুরী নাসিরসগর সোনালী ব্যাংকে গিয়ে চেকটি নগদায়নের চেষ্টা করে।


কিন্তু লিটনের হিসাব নাম্ভারে কোন টাকা না থাকায় চেকটি ডিজনার হয়ে আসে।পরবর্তীতে বাদী সেলিম চৌধুরী আসামী প্রতারক লিটনের কাছ থেকে তার পাওনা টাকা আদায় করতে না পেরে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করে।বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে বাদী সেলিম চৌধুরী জানিয়েছে।


-খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী আনার কলি বেপরোয়া

আশুগঞ্জে মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী আনার কলির বিরুদ্ধে থানায় জিডি

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১০৭জন দেখেছেন
Image
আশুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দিন দিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন মহিলা আওয়ামীলীগের নেত্রী আনার কলি। 

সম্প্রতি  তার দখল বাণিজ্যের তথ্য অনুসন্ধ্যান করতে গিয়ে ওই নেত্রীর হুমকি-ধামকিসহ তোপের মুখে পড়েছেন উপজেলা সহকারি (ভূমি) ও গনমাধ্যম কর্মীরা। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন ও গণমাধ্যম কর্মীরা ওই নেত্রীর বিরুদ্ধে আশুগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন।


মহিলা আওয়ামীলীগের নেত্রীর বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন এবং সাংবাদিকের জিডি করার বিষয়টি টক অব দ্যা আশুগঞ্জে পরিণত হয়েছে।
অনুসন্ধ্যানে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের অর্থ সম্পাদক  ও আশুগঞ্জের প্রভাবশালী নেত্রী আনার কলি স্থানীয় রওশন আরা জলিল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন রেলওয়ের ১১৮৮ বর্গফুট জায়গা লীজ নেন মৎস্য, কৃষি ও নার্সারী করার শর্তে ।


ওই জায়গা লীজ নিয়ে আনার কলি লীজের শর্ত ভঙ্গ করে সেখানে মার্কেট করার জন্য জলাশয় ভরাট করতে থাকেন। খবর পেয়ে  গত ৩০ এপ্রিল আশুগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ মাটি ভরাটে বাঁধা দেন। এ সময় সেখানে থাকা আনার কলি ও তার সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জন সহকারি কমিশনার (ভূমি) কে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান করেন।
 এ ঘটনায় সহকারি কমিশনারে পক্ষে নাজির মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে গত ৩০ এপ্রিলই  আশুগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেন। জিডি নং-২৭৩৬।


এদিকে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী আনার কলির জলাশয় ভরাট করে অবৈধভাবে সেখানে মার্কেট নির্মান করার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক লেখালেখি শুরু হলে সময় টেলিভিশনের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যুরো প্রধান উজ্জ্বল চক্রবর্তী তার ক্যামেরাপারসন মোঃ জুয়েলুর রহমানকে সাথে নিয়ে গত বুধবার দুপুর  সোয়া ১২ টার দিকে আশুগঞ্জে ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকলে খবর পেয়ে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী আনার কলি ঘটনাস্থলে এসে চিৎকার করে বলতে থাকেন ‘আপনারা ভুয়া সাংবাদিক, আমার কাছ থেকে টাকা নিতে এসেছেন।’ 

এ সময় আনার কলি তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি এবং নারী নির্যাতনের মামলা করার হুমকি দেন। এ সময় আনার কলি মোবাইলে সাংবাদিক উজ্জল  ও তার ক্যামেরাপারসন জুয়েলুর রহমানের ভিডিও ধারণ করেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়ারও হুমকি দেন। এ সময় আনার কলি সাংবাদিক উজ্জ্বল চক্রবর্তী দেখে নেয়ার হুমকি দেন।
এ ঘটনায় সাংবাদিক উজ্জ্বল চক্রবর্তী বুধবার দুপুরে আশুগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডি নং-১০৪৬।


স্থানীয়রা জানান, আনার কলি রেলওয়ে থেকে এগারশ আটাশি বর্গফুট জায়গা লীজ নিয়ে জলাশয় ভরাট করে কয়েকগুণ বেশি জায়গা জুড়ে মার্কেটের কাঠামো নির্মাণ করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা, নূর উল্লাহ সরকার সাংবাদিকদের বলেন, ওই নেত্রী লীজ নেয়া জায়গায় অবৈধভাবে দোকান নির্মান করেছেন। অথচ এলাকায় কোন সিএনজিচালিত অটোরিকসা স্ট্যান্ড করার মতো কোন জায়গা নেই। প্রতিদিন এখানে যানজট লেগে থাকে। ওই নেত্রীকে কেউ কিছু বলতে পারে না। যে তার বিরুদ্ধে কথা বলেন, তাকে চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতন মামলা দেয়ার ভয় দেখায়। 

মোঃ সালমান নামে আরেক বাসিন্দা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী আনারকলি  রেলওয়ের কাছ থেকে এই জায়গা মাছ চাষ করার কথা বলে লীজ নিয়েছেন বলে শুনেছি। মাছ চাষ করার কথা বলে ওই জায়গা লীজ এনে তিনি জলাশয় ভরাট করে দোকানপাট  নির্মান করেছেন। তার ভয়ে কেউ তাকে কিছু বলতে সাহস পায়না।

মার্কেটে দোকান ভাড়া নেয়া মোঃ আল-আমিন বলেন, আমি আনার কলির কাছ থেকে মাসিক ৪ হাজার টাকা ভাড়ায় একটি দোকান ভাড়া নিয়েছি। সিকিউরিটি বাবদ দিয়েছি ৬০ হাজার টাকা।
এ ব্যাপারে সাংবাদিক উজ্জ্বল চক্রবর্তীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী আনার কলি আমাদের সাথে আপত্তিজনক আচরণসহ চাঁদাবাজি নারী নির্যাতন করার হুমকি দেন এবং মোবাইলে আমাদের ভিডিও ধারণ করেন অসৎ উদ্দেশ্যে ।

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরবিন্দু বিশ্বাসের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লীজের শর্ত ভঙ্গ করে আনার কলি অবৈধভাবে জলাশয় ভরাট করছে খবর পেয়ে এসিল্যান্ড বাঁধা প্রদান করলে আনার কলি তার সাথে অশোভন ও আপত্তিকর আচরণ করেন। আমরা বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। এ ঘটনায় এসিল্যান্ড আশুগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। আমরা বিষয়টি রেলের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাবো। 

এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সী সাংবাদিকদেরকে বলেন, উপজেলা পরিষদের আসার পথে আমি এই জায়গাটি দেখেছি। বালু দিয়ে ভরাটের সময় সময় আমি স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারি জায়গাটি আনারকলি ভরাট করছেন। পরে আনার কলির সাথে কথা বললে তিনি জানান, এই জায়গা তিনি রেলওয়ের কাছ থেকে লীজ এনেছেন। তবে এখানকার অটোরিক্সা চালকদের দাবি ছিল এখানে একটি সিএনজি স্ট্যান্ড করার জন্য । 

কিন্তু রেলওয়ের জায়গা হওয়ার কারণে আমরা সেখানে হস্তক্ষেপ করতে পারিনি। জলাশয় ভরাটের বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি এবং এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ব্যাপারে রেলওয়ের ভূ-সম্পদ কর্মকর্তা শহীদুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, লীজের শর্ত ভঙ্গ করলে এবং অবৈধভাবে জলাশয় ভরাট করলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও খবর



চট্টগ্রামে দোকান মালিকদের বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে চাঁদাবাজির প্রতিবাদের দোকান মালিকদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৮৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

চাঁদাবাজির প্রতিবাদে দোকান বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করেছেন চট্টগ্রামের চাক্তাই ও আশেপাশের প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ীরা।

বুধবার (১৮ মে) বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত দোকান বন্ধ রেখে সড়কে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা।

বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ইন্ধনে রাজাখালী, চাক্তাই এলাকায় চাঁদাবাজি হচ্ছে। প্রতিদিন চাক্তাই এলাকার প্রবেশ করা প্রত্যেক ট্রাক থেকে পাঁচশ টাকা করে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে।

এসময় চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীসহ সিএমপি কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ব্যবসায়ী নেতারা।

সমাবেশে চট্টগ্রাম চাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওমর আজম বলেন, চাক্তাই রাজাখালী এলাকায় পণ্য পরিবহনের জন্য এখন ট্রাক আসতে চায় না। এলেও বেশি ভাড়া দাবি করে। কারণ বেশ কয়েকদিন ধরে রাজাখালী এলাকায় ট্রাক শ্রমিক সংগঠনের নামে চাক্তাইয়ে ঢুকতে প্রত্যেক ট্রাক থেকে পাঁচশ টাকা করে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। এতে পণ্য পরিবহনের ভাড়া বেড়ে যাচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে পণ্যের মূল্যে।

এমনিতেই ব্যবসায়ে দুরবস্থা চলছে। তার ওপর সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজির কারণে চাক্তাই ও খাতুনগঞ্জ এলাকার ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই প্রশাসনের উচিত এসব চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। যদি ট্রাকে এসব চাঁদাবাজি বন্ধ না হয়, তাহলে আমরা ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো মিলে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবো

চাক্তাই শিল্প ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এস.এম হারুনুর রশিসের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- চট্টগ্রাম চাউল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এনামুল হক এনাম, চাক্তাই শিল্প ও ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ, মো. ফয়েজ উল্লাহ চৌধুরী বাহাদুর,আহসান খালেদ পারভেজ, আলি আব্বাস তালুকদার, শান্ত দাস গুপ্ত প্রমুখ।


আরও খবর



কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন

শ্রমিক সংকটে কৃষকের ভরসা কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন

প্রকাশিত:Thursday ১২ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১১৯জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার কৃষকদের মধ্যে আশার আলো হয়ে এসেছে অত্যাধুনিক ধান কাটা ও মাড়াইয়ের মেশিন কম্বাইন্ড হারভেস্টার।


চলতি বোরো মৌসুমে পুরোদমে ধান কাটা শুরু হলেও অতিবৃষ্টি আর শ্রমিক সংকটে বিপাকে পড়েন এ অঞ্চলের কৃষকরা।


অতিরিক্ত মূল্য দিয়েও মিলছে না শ্রমিক। তার ওপর পাকা ধানের জমিতে জমে আছে পানি।


অবশেষে হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে এ অঞ্চলের কৃষকরা রাত-দিনে ধান কেটে ঘরে তুলছেন। এতে শ্রমিক সংকট মেটানোর পাশাপাশি ধান উৎপাদন খরচও কমে এসেছে।


জানা গেছে, প্রতিবছর ইরি ও বোরো ধান কাটার মৌসুমে রায়গঞ্জের তাড়াশ অঞ্চলে শ্রমিকের চাহিদা বেড়ে যায়। চাহিদার পাশাপাশি বেড়ে যায় পারিশ্রমিকও।


এতে বোরো ধান উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। এজন্য কৃষকের দুশ্চিন্তা লাঘবে রায়গঞ্জে আনা হয়েছে কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন।


মেশিনটি অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে ধান কাটা ও মাড়াই করতে পারে। শুধু রোদে শুকিয়ে ধান ঘরে তুলতে হয়।


এ মেশিন দিয়ে খুব সহজেই এখন ধান ঘরে তুলতে পারছেন কৃষকরা। প্রতি ঘণ্টায় দুই থেকে তিন বিঘা জমির ধান কাটা যাচ্ছে। এতে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ লিটার তেল খরচ হচ্ছে।


দুই বিঘা জমির ধান কাটতে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা খরচ হয়। অথচ শ্রমিক দিয়ে ধান কাটালে পাঁচ থেকে সাতজন শ্রমিক সারা দিনে এক বিঘা জমির ধান কাটতে পারেন। তাতে বিঘা প্রতি খরচ হয় তিন থেকে চার হাজার টাকা।


রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় ১২টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মেশিনের দাম ৩০-৩২ লাখ টাকা। সরকার প্রতিটি মেশিনের ওপর ১৪ লাখ টাকা ভর্তুকি দিয়েছে।


মেশিনের সাহায্যে ধান কেটে ও মাড়াই করে শুধুমাত্র রোদে শুকিয়ে ঘরে তুলতে হয়। চালক অভিজ্ঞ হলে ঘণ্টায় এক একর জমির ধানও কাটা সম্ভব। কিন্তু রায়গঞ্জে এখনও অভিজ্ঞ চালক না থাকায় ঘণ্টায় দেড় থেকে দুই বিঘা জমির ধান কাটতে পারছেন কৃষকরা। এছাড়া জমিগুলো সমতল হলে আরও বেশি ধান কাটা যেত।


প্রতিবছরই বোরো ধান কাটার সময় শ্রমিক সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। এ কারণে সময় মতো ধান ঘরে তুলতে না পেরে বৃষ্টি ও অকাল বন্যাতে কৃষকের ধান নষ্ট হয়ে যায়। এখন কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন দিয়ে স্বল্প খরচে ধান ঘরে তোলা যাচ্ছে। এছাড়া আরও পাঁচটি রিপার মেশিন আনার চেষ্টা চলছে। তবে ওই মেশিন দিয়ে ধান কাটা যাবে কিন্তু মাড়াই করতে শ্রমিক লাগবে।


আরও খবর



সিদ্ধিরগঞ্জে ১০বছরের শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকা থেকে ১০বছরের শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Sunday ১৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
Image

শরীফ আহমেদঃ   

নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মিজমিজি এলাকার আলাউদ্দিনের বাসা থেকে ১০ বছরের শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ।


নিহতের নাম মেহেদী হাসান সে মিজমিজি এলাকার আলাউদ্দিনের বাড়ির ভাড়াটিয়া জাহাঙ্গীরের পুত্র তার মায়ের নাম পারভিন বেগম।


নিহত মেহেদী হাসানের পিতা জাহাঙ্গীর পেশায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিক এবং মা পারভীন বেগম গার্মেন্টস শ্রমিক বলে জানা গেছে।


রবিবার ১৪ মে বিকেলে মেহেদী হাসানের গলায় গামছা প্যাঁচানো মৃত দেহটি ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।


প্রাথমিকভাবে মেহেদী হাসানের রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক কারণ জানাতে পারেনি পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।


আরও খবর



পিবিআই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

খুলনায় পিবিআই কর্মকর্তা মাসুদের বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত:Sunday ১৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৯০জন দেখেছেন
Image

শরীফ আহমেদঃ

খুলনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মঞ্জুরুল আহসান মাসুদের বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।


রোববার (১৫ মে) দুপুরে ওই ভিকটিমকে নিয়ে খুলনা মহানগরীর ছোট মির্জাপুরস্থ এক‌টি বেসরকা‌রি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।



পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,  ওই কলেজছাত্রীর বাড়ি খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায়। তিনি ২০২১ সালে এইচএসসি পাস করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ছবি সংক্রান্ত একটি সমস্যা নিয়ে পাঁচদিন আগে পিবিআই ইন্সপেক্টর মাসুদের কাছে আসেন ওই নারী। 


এ সুবাদে তাকে সহযোগিতা করার কথা বলে পুলিশ কর্মকর্তা মাসুদ ছোট মির্জাপুর রোডের কাগজী হাউজের একটি অফিসের কক্ষে নিয়ে যায়।


 সেখানে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করে সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।



এ ঘটনার পর মেয়েটি খুলনা সদর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন।


এরপর ওই মেয়েটিকে নিয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সাউথ) সোনালী সেন, সহকারী কমিশনার (খুলনা জোন) বায়েজিদ ইবনে আকবর ও খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। 


এ সময় অফিসটি তালাবদ্ধ থাকায় পুলিশ কর্মকর্তারা তালা ভেঙে অফিস কক্ষে প্রবেশ করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধর্ষণের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে।


খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন বলেন, পূর্ব-পরিচয়ের সূত্র ধরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পিবিআইর ওই কর্মকর্তা ছোট মির্জাপুরের এক অফিসে ভিকটিমকে নিয়ে ধর্ষণ করেছেন বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। 


দুপুরে মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিকটিমকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। 


ওই ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন। মামলা হওয়ার পর অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর