Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

নাসিরনগরে মুক্তিযোদ্বাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৫৪জন দেখেছেন
Image

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা একজন বীর মুক্তিযোদ্বা ও সাবেক সেনা সদস্য শ্রী শংকর নাগ গত রাত ১১ ঘটিকায় ঢাকা গ্রীনলাইফ মেডিকেল কলেজ হাসপাতে মৃত্যু বরণ করেন,মৃত্যুকালে তার বয়স  হয়েছিলো ৮০ বছর।


তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ শারীরিক  বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন।বীর মুক্তিযোদ্বা শংকর নাগের জন্মস্থান  কিশোরগঞ্জ জেলার  ইটনা উপজেলা।আজ নাসির নগর উপজেলা প্রসাশনের পক্ষে গার্ড অব অনার শেষে রাষ্ট্রিয় মর্যাদায় তার শেষে  কৃত্ব করা হয়েছে। মৃত্য কালে তিনি ৩ মেয়ে ১ ছেলে, স্ত্রী, নাতি নাতনী ও শুভাকাঙ্খী রেখে গেছেন।


আজ নাসিরনগর উপজেলা চত্বরে বীর মুক্তিযোদ্ধা কে শেষ বিদায় জানানোর জন্য উপজেলা প্রশাসন ও বীর মুক্তি যোদ্বা সহ বিভিন্ন রাজ নৈতিক দলের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী ও শুভানুন্ধায়ীরা ফুল দিয়ে শেষ বিদায় জানান।


আরও খবর



তাজিনের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম হওয়ার গল্প

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

নূর ইসরাত জাহান তাজিন ৪০তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে (সুপারিশপ্রাপ্ত) প্রথম হয়েছেন। তাজিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পাস করেছেন। সম্প্রতি তার ক্যাডার হওয়ার গল্প, পরীক্ষার প্রস্তুতি ও নতুনদের পরামর্শ নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন জাগো নিউজকে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আনিসুল ইসলাম নাঈম—

জাগো নিউজ: আপনার পড়াশোনা সম্পর্কে বলুন—
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: আমি ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস সেভেন পর্যন্ত পড়েছি আদমজী গার্লস হাই স্কুলে। এরপর এসএসসি পাস করি সিদ্ধিরগঞ্জ রেবতী মোহন পাইলট হাই স্কুল থেকে। আমি ইন্টারমিডিয়েট, অনার্স ও মাস্টার্স সব দিয়েছি বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে। আমার আম্মুও এ কলেজেই পড়তেন।

জাগো নিউজ: আপনার শৈশব কেমন কেটেছে?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: আমার শৈশব কেটেছে নারায়ণগঞ্জের আদমজীতে। আমার নানা ভাই আদমজী হাই স্কুলের গণিতের শিক্ষক ছিলেন। আমার জীবনের ভিত গড়েছেন আমার নানা ভাই ও নানু।

জাগো নিউজ: পড়াশোনায় কোনো প্রতিবন্ধকতা ছিল কি?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: না। পড়াশোনায় কোনো প্রতিবন্ধকতা ছিল না। তবে মেডিকেল চান্স না পেয়ে প্রচণ্ড হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ি। এমনও ভেবেছি যে, আর পড়াশোনাই করব না। এমনকি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য চেষ্টাও করিনি। ওই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসাটা আমার জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল।

জাগো নিউজ: বিসিএসের স্বপ্ন দেখেছিলেন কখন থেকে?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: আমি যখন কলেজে অনার্সে ভর্তি হই; তখন আমার ডিপার্টমেন্টের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরা আমাকে অনেক অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। নতুন করে শুরু করার জন্য এবং মূলত তখন থেকেই বিসিএসের স্বপ্ন দেখা শুরু। আর পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রত্যাশা তো ছিলই।

জাগো নিউজ: বিসিএস যাত্রার গল্প শুনতে চাই, পাশাপাশি প্রস্তুতি কীভাবে নিয়েছেন?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: অনার্স তৃতীয় বর্ষ থেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ে জড়িয়ে পড়ার কারণে বিসিএসের জন্য সিরিয়াসলি প্রিপারেশন নিতে আমার অনেক দেরি হয়। ৩৮তম প্রিলিমিনারি ফেল করার পর আমি বুঝতে পারি, আমাকে পড়াশোনায় আরও বেশি সময় দিতে হবে। সে সময়ই টিউশনি, ফ্রিল্যান্সিং বাদ দিয়ে বাসায় বসে প্রিপারেশন নেওয়া শুরু করি। ৪০তমের প্রিলিমিনারির আগের ছয় মাস থেকে লিখিত পরীক্ষা পর্যন্ত আমি কেবল তিনটি কাজই করেছি—খাওয়া, ঘুম আর পড়াশোনা।

জাগো নিউজ: পর্দার আড়াল থেকে কেউ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: বিসিএস একটি দীর্ঘ যাত্রা। এ সময় পরিবারের সাপোর্ট খুবই জরুরি। আমার পরিবারের আম্মু-আব্বু, মনি-তাতা, ভাই-বোনরা, বন্ধু-বান্ধব, কলিগ, বিশেষ করে আমার বান্ধবী ডিনু ও আমার স্বামী সব সময় আমার পাশে ছিল।

জাগো নিউজ: নতুনরা বিসিএস প্রিলির জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: নতুনদের বলবো, সবার আগে মাইন্ড সেট করতে হবে। আমি কি সত্যিই সিভিল সার্ভিসে যেতে চাই কি না। কেননা একটা দীর্ঘ সময় ধৈর্য সহকারে নিয়মিত পড়াশোনা করতে হয়। প্রিলিমিনারির জন্য সিলেবাস ধরে প্রতিটি টপিকের ওপর স্বচ্ছ ধারণা নিতে হবে। নিজের স্ট্রং জোনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এ ছাড়া যেসব টপিক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন হয়, সেগুলো বারবার পড়তে হবে। যাতে কোনো কনফিউশন না থাকে। কমন প্রশ্নের উত্তর ভুল করা যাবে না। যেহেতু নেগেটিভ মার্ক আছে। বেশি বেশি এমসিকিউ সলভ করতে হবে ও মডেল টেস্ট দিতে হবে।

জাগো নিউজ: প্রিলি শেষ করার পর বিসিএস লিখিত প্রস্তুতি নিয়ে আপনার পরামর্শ কী?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: লিখিত পরীক্ষার সিলেবাসের ব্যাপকতা অনেক। লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তাই যেমন অনেক পড়তে হবে, তেমনই সেগুলো খাতায় যথাযথভাবে উপস্থাপন করার কৌশলও রপ্ত করতে হবে। এ জন্য পয়েন্ট ধরে লেখা, প্রয়োজনীয় সংজ্ঞা, উক্তি, ম্যাপ, চিত্র, তথ্য-উপাত্ত সংযোজন, দ্রুত ও স্পষ্ট লেখা জরুরি। লিখিত পরীক্ষার নম্বর যেহেতু যোগ হয়, তাই সব প্রশ্নের উত্তর করে আসার মানসিকতা থাকতে হবে। আর অবশ্যই নিয়মিত পত্রিকা পড়তে হবে এবং খবর শুনতে হবে।

জাগো নিউজ: বিসিএস ভাইবার প্রস্তুতি কেমন হতে হয়?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: ভাইভার জন্য সামগ্রিক প্রস্তুতি প্রয়োজন। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেকে অন্যের সামনে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে জানতে হবে। মার্জিত পোশাক, স্পষ্ট উচ্চারণে সাবলীলভাবে কথা বলা, নম্র আচরণ, সৎ চিন্তা ও যে বিষয় নিয়ে কথা বলবো সে বিষয় নিয়ে স্বচ্ছ ধারণা—এসব কিছুর সম্মিলনেই একজন প্রার্থী নিজেকে ভাইভার জন্য প্রস্তুত করতে পারে। এ ছাড়া নিজের সম্পর্কে, নিজের পঠিত বিষয়, মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, চলমান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনা সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।

জাগো নিউজ: প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কঠিন বিষয়ে করণীয় কী?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: আমি বলবো, কঠিন বিষয়গুলো ভয় পেয়ে এড়িয়ে না গিয়ে সেগুলো সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা রাখা উচিত। এ জন্য কারো সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। তবে কোনো কিছু একেবারেই আয়ত্তে আনতে না পারলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। সে ক্ষেত্রে প্রার্থী তার স্ট্রং জোনের ওপর ফোকাস করবে, যাতে তিনি ওই বিষয়গুলোয় সর্বোচ্চ নম্বর পান।

জাগো নিউজ: পুরো প্রস্তুতিতে যেসব বিষয় এড়িয়ে চলা উচিত?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: পুরো প্রস্তুতির সময়টাতে একাগ্রতা জরুরি। ধৈর্যহারা হলে চলবে না। দুদিন খুব পড়লাম তারপর আবার দুদিন পড়লাম না, এমন যেন না হয়। ভালো না লাগলেও পত্রিকা পড়তে হবে, খবর শুনতে হবে। অপ্রয়োজনীয় আড্ডা পরিহার করতে হবে। মোবাইলে আসক্তি কোনোভাবেই কাম্য নয়। দরকার হলে স্মার্ট ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। সর্বোপরি শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে। অতি আত্মবিশ্বাসী হওয়া যাবে না। এটা কখনোই ভাবা যাবে না যে, বিসিএস না হলে আমার জীবন শেষ হয়ে যাবে।

জাগো নিউজ: বিসিএস যাত্রায় সোশ্যাল মিডিয়া কি কোনো ভাবে কাজে এসেছে?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: আমরা এখন ডিজিটাল যুগে বাস করছি। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কাছে আমাদের যেতেই হয়। আমিও চাকরির প্রস্তুতির বিভিন্ন গ্রুপ থেকে অনেক সাহায্য পেয়েছি। তবে সময়ের দিকটাও খেয়াল রাখতে হবে, যাতে তা প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত না ঘটায়। সবশেষে এটাই বলবো, আল্লাহর ওপর এবং রিজিকের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। একজন প্রার্থীর কাজ হলো লক্ষ্য ঠিক রেখে, ধৈর্য সহকারে নিয়মিত পড়াশোনা করা ও সুস্থ থাকা। তাহলে সফলতা আসবেই।


আরও খবর



ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদির মৃত্যু

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৪২২জন দেখেছেন
Image

কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মারা যাওয়া হাজতির নাম মো. আনোয়ার হোসেন খান (৫৫)। তার বাবার নাম আসিফুল হক।

হাসপাতালে নিয়ে আসা কারারক্ষী দীপু জানান, আনোয়ার হোসেন কয়েদি হিসেবে কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন। কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার পূর্ণ ঠিকানা জানা নেই। কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিস্তারিত জানাবে।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছ।


আরও খবর



বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ‘কে২’ যেন এক মৃত্যুফাঁদ

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

মাউন্ট এভারেস্টের পর বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হলো কে২। এই পর্বতশৃঙ্গ জয় করা সহজ কোনো বিষয় নয়। যুগ যুগ ধরে অনেক পর্বতারোহীই কে২তে আরোহণ করতে গিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন, আবার অনেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যুবরণও করেছেন।

অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় এটি জংলী পর্বত নামেও পরিচিত। অন্নপূর্ণা পর্বতশৃঙ্গের পর উচ্চতায় ৮ হাজার পর্বতশৃঙ্গগুলোতে আরোহণ প্রচেষ্টায় মৃত্যুর হারের দিক থেকে কে২ এর অবস্থান দ্বিতীয়। এর চূড়ায় আরোহণকারী প্রতি ৪ জনের মধ্যে একজন মৃত্যুবরণ করেছে।

সম্প্রতি এই পর্বতশৃঙ্গের চূড়ায় প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে পা রাখেন এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন। গত ১৭ জুলাই রাতে কে২’র চূড়ায় ওঠার জন্য যাত্রা শুরু করেন ৩৯ বছর বয়সী এই পর্বতারোহী।

jagonews24

২২ জুলাই ওয়াসফিয়া নাজরীনের সঙ্গে কে২ জয় করেছেন ইরানি আফসানেহ হেসামিফার্ড, লেবানিজ-সৌদি নাগরিক নেলি আত্তার ও পাকিস্তানের নাগরিক সামিনা বেগ। প্রত্যেকেই নিজ নিজ দেশের প্রথম নারী পর্বতারোহী হিসেবে কে২ জয় করেছেন।

কে২’র অবস্থান ও উচ্চতা

কে২ কারাকোরাম পর্বতশ্রেণীর অংশ, যা পাকিস্তান-চীন সীমান্তে বিস্তৃত। পর্বতটি উত্তর পাকিস্তানের গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলের বালতিস্তান ও চীনের জিনজিয়াং রাজ্যের ট্যাক্সকোরগান তাজিকের দফদার টাউনশিপের মধ্যে অবস্থিত।

কে২ হলো কারাকোরাম পর্বতশ্রেণীর সর্বোচ্চ বিন্দু। পাকিস্তান ও জিনজিয়াং উভয়েরই সর্বোচ্চ বিন্দু পর্বতটি। কারাকোরাম রেঞ্জটি চীন, ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা জুড়ে ৩০০ মাইল বিস্তৃত, যার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তটি আফগানিস্তান ও তাজিকিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত।

jagonews24

বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের চেয়ে উচ্চতায় ২০০ মিটার ছোট হলো কে২। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতচূড়া। একে ‘স্যাভেজ পর্বত’ও বলা হয়।

বিশ্বের মাত্র ১৪টি পর্বতমালার মধ্যে কে২ একটি, যেটির উচ্চতা ৮ হাজার মিটারেরও বেশি। কে২ এর উচ্চতা হলো ৮ হাজার ৬১১ মিটার। অন্যদিকে এভারেস্টের উচ্চতা ৮ হাজার ৮৪৯ মিটার।

যেন এক মৃত্যুফাঁদ!

মার্কিন পর্বতারোহী জর্জ বেল ১৯৫৩ সালে পর্বত চূড়ায় ওঠার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। তিনি জানান, মনে হবে পর্বতশৃঙ্গ আপনাকে হত্যার চেষ্টা করছে। কারণ সেখানকার পরিবেশ ও আবহাওয়া মৃত্যুঝুঁক বাড়িয়ে দেয়।

কে২ পর্বতশৃঙ্গের সবচেয়ে কুখ্যাত স্থান হলো ‘বাটলনেক’ বা বরফপ্রপাত। ২০০৮ সালে এক তুষারধসে ‘বাটলনেকে’ ১১ জন পর্বতারোহী নিহত হন।

২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি এক স্প্যানিশ পর্বতারোহী পর্বত থেকে নামার সময় পড়ে গিয়ে মারা যান। বুঝতেই পারছেন কে২ পর্বতশৃঙ্গ যেন এক মৃত্যুফাঁদ। পর্বতারোহীদের মতে, কে২ শীতকালে আরোহণের জন্য সবচেয়ে চাহিদাপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

jagonews24

আবহাওয়ার নিষ্ঠুরতারন কারণেই বেশিরভাগ মানুষ কে২ পর্বতশৃঙ্গে ওঠার সাহস করেন না। সেখানে তুষারপাত ও ঝড় ঘন ঘন হয়। যা পর্বতে ওঠার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। কে২ তে মৃত্যুর হার প্রায় ৩০ শতাংশ।

শুরুর দিকের অভিযানসমূহ

কে২ পর্বতশৃঙ্গে আরোহণের প্রথম প্রচেষ্টা করেন একটি অ্যাংলো-সুইস অভিযাত্রী দল ১৯০২ সালে। তারা শৃঙ্গের উত্তর-পূর্ব দিক বরাবর ১৮ হাজার ৬০০ ফুট (৫ হাজার ৬৭০ মিটার) উচ্চতা পর্যন্ত আরোহণে সমর্থ হন।

১৯০৯ সালে লুইগি আমেদিও, ডিউক অব আবুরাজ্জির নেতৃত্বে শৃঙ্গের দক্ষিণ-পূর্ব ধার বরাবর (যেটি পরে আবুরাজ্জি রিজ নামে পরিচিত হয়) একটি ইতালিয় অভিযান ও তারা প্রায় ২০ হাজার ফুট (৬ হাজার ১০০ মিটার) উচ্চতা পর্যন্ত আরোহণে সমর্থ হন। এছাড়া আরও অনেকেই জয় করেছেন বিশ্বের দ্বিতীয় এই সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।


আরও খবর



দেশ এখন সিঙ্গাপুর না আজিমপুরের কাছাকাছি: গয়েশ্বর

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানোর কথা বলা হলেও দেশ এখন আজিমপুরের কাছাকাছি। দেশের সর্বস্তরের জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। আগামীতে বাংলাদেশে যা ঘটবে তারপর পৃথিবীর মানুষ শ্রীলঙ্কার কথা ভুলে যাবে।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সভায় এমন মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতার কটূক্তির প্রতিবাদে এ সভার আয়োজন করা হয়।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে দলের এ নেতা বলেন, সরকার বিদ্যুৎ গ্যাস ও পানির দাম বাড়াচ্ছে। এর প্রতিবাদ যাতে না করে এজন্য বিএনপি নেতাদের আওয়ামী লীগ গালি দেয়। এজন্য খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ বিএনপির সব নেতাকে তারা গালি দেবে। কিন্তু আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, গালি যাই দেওয়া হোক তা গায়ে লাগানো যাবে না।

আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, লাখো জনতা নয়, কোটি জনতা অপেক্ষা করছে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য।

আওয়ামী লীগ নেতাদের ক্ষমতার বাঘ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওরা ক্ষমতার বাঘ। আর ক্ষমতা না থাকলে বিড়ালের চেয়েও অধম।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, যে শক্তির জোরে আওয়ামী লীগ নেতারা কথা বলেন, সেটা হলো অবৈধ ক্ষমতা।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘শ্রীলঙ্কায় রাজাপাকসে একাই দেশ ত্যাগ করেছে। আমাদের এখানে কেউ একা দেশ ত্যাগ করবে না । তাদের (সরকার) ওপর থেকে নিচে সবাই দেশ ত্যাগ করবে।’

তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কার ঘটনা বাংলাদেশে ঘটবে এটা বলছি না। বাংলাদেশে যা ঘটবে তখন পৃথিবীর মানুষ বলবে যে, বাংলাদেশের মতো ঘটনা ঘটবে (উদাহরণ হিসেবে)। শ্রীলঙ্কার ঘটনা সবাই ভুলে যাবে। কারণ অনেক মিথ্যা প্রতিশ্রুতি এ সরকার দিয়েছে। সর্বপ্রথম তিনি বললেন-এ দেশকে সিঙ্গাপুর বানাবে। এখন বাংলাদেশ আজিমপুরের কাছাকাছি।

নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপি নেতা বলেন, নির্বাচন কমিশন নিয়ে আমরা কেন কথা বলি। আমরা তো নির্বাচনে যাবো না। নির্বাচন কমিশন যা কিছু বলে বলুক।

তিনি বলেন, আমরা যদি তলোয়ার আর রাইফেল হাতে নি, তাহলে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবো কেন। তার আগে বিদায় করবো।

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে বিএনপির এ নেতা বলেন, সাংবিধানিক পদে থেকে সন্ত্রাসকে উস্কানি দিচ্ছেন তারা। জনগণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন।

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা।


আরও খবর



সামনের দিনের রাজনীতি নিয়ে রীতিমতো শঙ্কিত: ড. কামাল

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

ড. কামাল হোসেন। বর্ষীয়ান রাজনীতিক। সভাপতি, গণফোরাম। গত জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করার লক্ষ্যে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের।

আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে ফের সংলাপের আয়োজন করছে নির্বাচন কমিশন। ঐক্য, নির্বাচন, সংলাপ ও রাজনীতির প্রসঙ্গ নিয়ে ড. কামাল মুখোমুখি হন জাগো নিউজের। বলেন, সামনের নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে দেশ বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সায়েম সাবু

জাগো নিউজ: রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশন ফের সংলাপ করছে। আপনার দল গণফোরামও অংশ নিয়েছে। এই সংলাপ আয়োজন নিয়ে বলবেন?

ড. কামাল হোসেন: সংলাপের আয়োজন করা নির্বাচন কমিশনের রুটিনকাজ বলে মনে করি। কমিশন রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে আলোচনা করবে, সংকট নিরসনে পরামর্শ নেবে বা দেবে এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু দুর্ভাগ্য হচ্ছে, নির্বাচন কমিশনের কোনো কর্মকাণ্ডই আর মানুষ বিশ্বাস করে না। এগুলো লোক দেখানো কাজ বলে মানুষের মধ্যে ধারণা পোক্ত হয়েছে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে সংলাপে অংশ নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দিয়ে এসেছে। নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া এদেশে নির্বাচন নিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট করেছি। এজন্য নির্বাচন কমিশনের যা করণীয় তাই করা দরকার।

জাগো নিউজ: স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পরেও সংকট। সম্প্রতি ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী সহিংসতায় ছয় মাসের শিশু পুলিশের গুলিতে নিহত হলো। জীবনের এই বেলায় এসব ঘটনা কতটুকু পীড়া দেয়?

ড. কামাল হোসেন: দম বন্ধ হয়ে আসে। বঙ্গবন্ধু এমন বাংলাদেশের জন্য লড়াই করেননি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছি। সাধারণ মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতেই আমাদের সংগ্রাম ছিল। অথচ আজ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া আওয়ামী লীগের কারণে সাধারণ মানুষের অধিকারণ হরণ হচ্ছে।

স্বাধীনতার এত বছর পরেও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা গেলো না, এর চেয়ে লজ্জা বা দুঃখের বিষয় কী আছে। মানুষ তার গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে কথা বলতে পারে না। ভোট দিতে পারে না। ভোটের কথা, অধিকারের কথা বললে পুলিশ গুলি করে হত্যা করে। এমন সভ্য সময়ে এই নির্মমতা চলতে পারে না।

মানুষ খুব বেশি কিছু সরকারের কাছে দাবি করে না। ভোট ও ভাতের অধিকারের জন্য লড়াই করে। সেটা প্রতিষ্ঠা করার জন্য লড়াই করছি। কিন্তু পারছি না।

জাগো নিউজ: না পারায় দুঃখবোধ…

ড. কামাল হোসেন: দুঃখবোধ তো বটেই। আমি সামনের দিনের রাজনীতি নিয়ে রীতিমতো শঙ্কিত। কী ঘটবে বলা মুশকিল। কিন্তু এভাবে একটি সমাজ, রাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে চলতে পারে না। এর অবসান অবশ্যই হবে। কিন্তু কোন পথে এর সমাধান হবে তাই নিয়ে আমি আতঙ্কিত।

আমি এই শঙ্কা থেকে বারবার ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করার কথা বলছি। এর মধ্য দিয়ে নীতি-আদর্শ প্রতিষ্ঠা পায়। শঙ্কা কেটে যায়। বিচ্ছিন্নভাবে কোনো সমাধানের পথে সত্যিকার মুক্তি আসবে না। এতে আরও ক্ষতি সাধিত হয়। আমরা আর সে ক্ষতি দেখতে চাই না। মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের প্রকাশ কোনো ধ্বংস ডেকে না আনুক।

জাগো নিউজ: আপনি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কথা বলছেন। গত নির্বাচনে ঐক্য গড়লেন। সফলতা নেই বলা হচ্ছে। ব্যর্থতা নিয়ে কী বলবেন?

ড. কামাল হোসেন: আমাদের ব্যর্থতায় ঐক্যের ঘাটতি ছিল। অবশ্যই আমি এই ব্যর্থতার কথা স্বীকার করছি। লক্ষ্য-আদর্শ নিয়ে সঠিকভাবে ঐক্য করলে ব্যর্থ হওয়ার কথা নয়।

জাগো নিউজ: কী ধরনের ঘাটতির কথা বলবেন?

ড. কামাল হোসেন: কোনো আন্দোলন বা পরিবর্তনের জন্য সবার আগে লক্ষ্য নির্ধারণ জরুরি। আমার মনে হয়েছে আমরা এই প্রশ্নে ঠিকঠাক এগোতে পারিনি। নীতি-আদর্শের ভিত্তিতেই লক্ষ্য নির্ধারণ হয়। আমাদের উচিত আগে নীতি-আদর্শ ঠিক করা।

জাগো নিউজ: এই মুহূর্তে সরকারবিরোধী জোটের গুরুত্ব কতটুকু অনুভব করছেন?

ড. কামাল হোসেন: আমরা একটি পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করছি। পরিকল্পনা এটিই আমাদের। একটি জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

সরকারের মিশন হচ্ছে কোনো ঐক্য যেন গড়ে না ওঠে। সরকার চায় মাঠের রাজনীতিতে একাই অবস্থান করতে। এ কারণে নানা প্রতিবন্ধকতা আর ষড়যন্ত্রের ফাঁদ পেতে রাখছে। এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে পারলেই আমরা লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।
আমরা চলমান পরিস্থিতির পরিবর্তন করতে না পারলে সরকার যে অন্যায় করে পার পেয়ে যাচ্ছে, তাতে আরও বেসামাল হয়ে পড়বে।

জাগো নিউজ: ঐক্যের প্রশ্নে বিএনপির সঙ্গে নতুন করে কোনো আলোচনা হচ্ছে কি না?

ড. কামাল হোসেন: এখনো এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়নি।

জাগো নিউজ: সামনের নির্বাচন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত?

ড. কামাল হোসেন: এখনই বলার সময় আসেনি। আমরা সব পর্যবেক্ষণ করছি। অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে নির্বাচন পরিস্থিতি কেমন হবে তা পর্যবেক্ষণ করেই সিদ্ধান্ত নেবো।
আমরা বারবার ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। লেগে থাকার ব্যাপার। সময়ই সব নির্ধারণ করে দেবে বলে বিশ্বাস করি।

জাগো নিউজ: গত নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দিলেন। অভিযোগ রয়েছে আপনি এক প্রকার সরকারের সঙ্গে আঁতাতের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, যার ফসল আওয়ামী লীগ ঘরে তুলেছে।

ড. কামাল হোসেন: এ অভিযোগ আমার কানেও এসেছে। কাজ করতে গেলে সমালোচনা হবে। এ কারণে থেমে যাওয়ার সুযোগ নেই। সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান। সেখানে সরকারের সঙ্গে আঁতাতের প্রশ্ন তোলা অবান্তর।

জাগো নিউজ: আসন্ন নির্বাচনে কী ঘটতে পারে?

ড. কামাল হোসেন: সরকার গত দুটি নির্বাচন একতরফাভাবে করেছে। ব্যাপক সহিংসতা হয়েছে। মানুষ এই অপশাসন থেকে নিস্তার চায়। আমরা চাই দেশের স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে সুষ্ঠু নির্বাচন দেবে সরকার। এখানে সরকারের দায় সবার আগে। রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ করানোর জন্য সরকারের ভূমিকা মুখ্য। নির্বাচন কমিশন তার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে।


আরও খবর