Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

নাসিরনগরে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক শিক্ষক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৪৮৬জন দেখেছেন

Image

আব্দুল হান্নানঃমাদ্রাসাছাত্রীকে ‘জান্নাতে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ’টানা দুই দিন ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।ওই ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক মাওলানা মো. শিহাব উদ্দিন (৩০)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ রোজ শনিবার দুপুরে পাশের হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থেকে ওই শিক্ষকে গ্রেপ্তার করা হয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরের একটি মাদ্রাসায়।শুক্রবার রাতে ওই মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর মা নাসিরনগর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষক মো. শিহাব উদ্দিন হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার সালেহ আহম্মদের ছেলে। তিনি নাসিরনগর উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের শ্যামপুর জামিয়া ইসলামিয়া তালিমুন্নেছা মদিনাতুল উলুম মহিলা মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন।এদিকে ধর্ষিতা ছাত্রী ওই মাদরাসারই শিক্ষার্থী। পুলিশের কাছে ধর্ষণের সত্যতা স্বীকার করে ওই শিক্ষক জানিয়েছেন, শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে তিনি কাজটা করেছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ওই শিক্ষার্থীর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

ভুক্তভোগীর মায়ের দাবী মাদরাসায় ভর্তি হওয়ার পর থেকেই শিক্ষক শিহাব ওই ছাত্রীকে প্রেম নিবেদনসহ বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তার মেয়ে এতে রাজি ছিল না। প্রায় এক সপ্তাহে আগে তার মেয়েকে মাদরাসার একটি কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন শিহাব। এর পর গত শুক্রবারও ওই শিক্ষক দ্বীতিয় বারের মত এ ঘটনা ঘটান। এ সময় তার মেয়েকে জান্নাতে যাওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়।তিনি জানান।

ধর্ষণের কারণে মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয় এবং তার মেয়েকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. সোহাগ রানা বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ওই মাদরাসা শিক্ষককে তার নিজ এলাকা থেকে শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা তিনি স্বীকার করেছেন। শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে এ কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষক মাওলানা শিহাব উদ্দিন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




ছাত্রলীগ নেতা হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৩৫৮জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ¦ এ্যাড. আ. ক. ম মোজাম্মেল হক (এমপি) বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাবা, মা, ভাইসহ তাঁর পরিবারের ১৮জনকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা হলে পরিবারের কি কষ্ট লাগে তাঁর চেয়ে বেশি কেউ বুঝে না।কাজেই তিনি ছাত্রলীগ নেতা হত্যার ঘটনা জানেন। ভারতে যাওয়ার সময় এ বিষয় নিয়ে আমারও উনার সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনিও পুলিশ প্রধানকে এ হত্যাকান্ডের হত্যাকারীদের খুজে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করতে বলেছেন।

তিনি সোমবার সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরইআরএমপি-৩ প্রকল্পের আওতায় নারীকর্মীদের সঞ্চয়ের চেক হস্তান্তর করেন। ওই অনুষ্ঠান শেষে ছাত্রলীগ নেতা আল আমিন হত্যাকারীদের শাস্তির দাবীতে পরিবার ও এলাকাবাসী ছুটে এলে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কামরুজ্জামান, কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহাম্মেদ, উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সেলিম আজাদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি রজত বিশ্বাস, উপজেলা প্রকৌশলী বিপ্লব পাল, কালিয়াকৈর থানার তদন্ত ওসি তরিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন শাহীন, সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শরিফা আক্তারসহ আরো অনেকে।

মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের দলের ছাত্রনেতা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সরকারী কলেজের দ্বাদশ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আল আমিনকে অত্যান্ত নির্মম নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে ছাত্রলীগ নামধারী কিছু নেতাকর্মী। সেটা আমরা সরেজমিনে না দেখলেও ভিডিও মাধ্যমে দেশবাসী দেখেছেন। কাজেই কে তাকে মেরেছে? সমস্ত তথ্য প্রমাণ প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তরেই আছে। হত্যাকারী যে দলেরই হোক তাদের ঘৃণা করি, নিন্দা জানাই। আর প্রশাসনকে আগেও বলেছি, এখনো বলছি। যেহেতু খুনিরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই আছে, যেভাবেই হোক তাদের খোঁজে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন আমাদের সরকার পুলিশ বাহিনীর প্রধান ছিলেন তার অপকর্মের বিরুদ্ধে কিভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছে।সেনাবাহিনীর প্রধান যারা অন্যায় অপকর্ম বেআইনি কাজ করেছে, তারাই ছাড় পায়নি। সেখানে ছাত্রলীগ নেতা আল আমিন হত্যাকারীরা তো ছাড় পাওয়ার প্রশ্নই উঠে না। এই খুনের বিচার না হলে খুনিদের সাহস বেড়ে যাবে, আরো খুন-খারাপি হবে।মানুষ তো ফেরত দেওয়া যাবে না জানিয়ে এই খুনের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমুলক বিচারের নিশ্চয়তা দিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।

এর আগে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ওই অনুষ্ঠানে আরইআরএম পি-৩ প্রকল্পের আওতায় এ উপজেলার ৯১ জন নারী কর্মীর প্রত্যেককে ১ লক্ষ ২০ হাজার ৫০৫ টাকার করে চেক প্রদান করেন। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।


আরও খবর



জাহ্নবী কাপুর ফাঁস করলেন নিজের কীর্তি

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৭৪জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিনিধি:‘স্লো অ্যান্ড স্টিডি’ হয়েই বলিউডে নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করছেন জাহ্নবী কাপুর। এর মধ্যে ফাঁস হলো এক গোপন তথ্য। সেই তথ্য ফাঁস করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।

দোকান থেকে জিনিস চুরি করেছিলেন শ্রীদেবী কন্যা। এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি। এই কাজ জাহ্নবী করেছিলেন ছোটবেলায়। আসলে সে সময় তার ধারণাই ছিল না যে, কোনো জিনিস কিনতে গেলে তার জন্য দাম দিতে হয়।

অভিনেত্রী জানান, শ্রীদেবী ও বনি কাপুরের সঙ্গে একটি দোকানে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকেই একটি জিনিস নিয়ে দৌড়ে বেরিয়ে যান। পরে নিজের এই চুরির কথা শ্রীদেবী ও বনিকে জানান জাহ্নবী। মজা করেই বলতে গিয়েছিলেন, ‘দ্যাখো! দ্যাখো, এর জন্য আমাদের টাকা দিতে হয়নি।

বনি-শ্রীদেবী আঁতকে উঠেছিলেন। তাকে চোরও বলেছিলেন। নিজের আরেকটি স্বভাবের কথাও জানান জাহ্নবী। কী সেই স্বভাব? অভিনেত্রী যে হোটেলেই যান, চুপচাপ সেখানকার বালিশ তুলে নিয়ে চলে যান। কিন্তু এই বালিশ নিয়ে কী করেন জাহ্নবী?

অভিনেত্রী জানান, তিনি আসলে বালিশ ছাড়া ঘুমোতে পারেন না। প্রতিবার নিজের বাড়ি থেকে তা নিতে ভুলে যান। তাই হোটেলের বালিশ জাহ্নবী লং ফ্লাইটে কাজে লাগান। তাতে মাথা দিলে নাকি দারুণ ঘুম হয়।

বর্তমানে অভিনয় নিয়েই ব্যস্ত জাহুবী। তার হাতে রয়েছে স্পাই থ্রিলার ‘উলঝ’, অ্যাকশন ড্রামা ‘দেবারা: পার্ট ১’ আর রোমান্টিক সিনেমা ‘সানি সংস্কারি কি তুলসী কুমারী’।


আরও খবর



বাবার বাড়ি যাওয়া পথিমধ্যে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে সমস্ত শরিল ছিন্নবিচ্ছিন্ন বৃদ্ধার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৭০জন দেখেছেন

Image
রাণীশংকৈল,(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল মহা সড়কে দুর্ঘটনায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ফাতেমা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধার দেহ ছিন্নবিচ্ছন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটছে।ফাতেমা উপজেলার গোগর মাঝাটলা গ্রামের আজিজুর রহমানের স্ত্রী। 

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুরে উপজেলার পীরগঞ্জ- রাণীশংকৈল পাকা সড়কের পুরাতন সেন্টার নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ,ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রিমিয়ার সিমেন্ট কোম্পানির একটি দশ চাকা বিশিষ্ট ট্রাক যার নং ঢাকা মেট্রো -উ ১১-৩৪১৭। ট্রাকের চালক পাবনা জেলার আমিনপুর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের সন্তেষ শেখের ছেলে ওসমান আলী(৪২)। 

সে সিমেন্ট ভর্তি ট্রাক নিয়ে পাবনা থেকে রাণীশংকৈল আসার পথে পুরাতন সেন্টার নামক স্থানে পথচারী ফাতেমা বেগমকে পিছন থেকে সজোরে ধাক্কা দিলে সামনের চাকায় পিষ্ট হয়ে ফাতেমার মুখ মন্ডলসহ দেহ খন্ড বিখন্ড হয়ে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। 

নিহতের ছেলে কালাম বলেন, আমার মা আজ দুপুরে পায়ে হেটে পাশের গ্রাম সহোদর নানী বাড়ি যাচ্ছিল। পথিমধ্যে এ দূর্ঘটনা ঘটে। আমার মায়ের শরিলের বিভিন্ন অংশ এবং পড়নে থাকা জিনিসপত্র দেখে আমরা চিন্তিত করেছি।  

এ ব্যাপারে রাণীশংকৈল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়ন্ত কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। চালকসহ ঘাতক ট্রাকটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে । 

আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




কালিয়াকৈরে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকের মূল্য-কর বৃদ্ধির দাবী

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ৯৪জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:“তামাক কোম্পানী হস্তক্ষেপ প্রতিহত করি, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে রোববার দুপুরে অবস্থান কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের সহযোগীতায় ও দিশারীর আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সামনে লতিফপুর এলাকায় এ কর্মসূচী পালন করা হয়। কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন-দিশারীর নির্বাহী পরিচালক মতিউর রহমান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এস এম ওয়ারেচ, মিনহাজ আহম্মেদসহ আরো অনেকে।এসময় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন বাজেটে তামাকের মূল্য ও কর বৃদ্ধির দাবী জানান অবস্থান কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ কারীরা।


আরও খবর



মাগুরায় মাইক্রোবাস চুরির ঘটনায় পুলিশের এস আই রিমান্ডে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরায় মাইক্রোবাস  চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উৎপল কুমার দাস নামে পুলিশের এক এস আইকে রিমাণ্ডে নেয়া হয়েছে।

তিনি মাদারীপুর হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত আছেন।

বুধবার দুপুরে মাগুরার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করে পুলিশের পক্ষ থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে বিজ্ঞ আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী মাগুরার শালিখা থানার আড়পাড়া এলাকার আমির হোসেনের ছেলে রিয়াজ হোসেন তার প্রাইভেট মাইক্রোটি গত বছরের ৭ অক্টোবর মাগুরা-যশোর সড়কের কেচুয়াডুবি সালেহা এলপিজি পাম্পে রেখে বাড়িতে যান। কিন্তু পরদিন সকালে তিনি সেখানে মাইকোটি না পেয়ে সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি  করেন।

এদিকে গত ১ জুন বাদী ঢাকায় অবস্থানকালে জানতে পারেন তার গাড়িটি যশোরের কোতোয়ালি থানাধীন লেবুতলার একটি গ্যারেজে আছে। তখন বাদী ঢাকা থেকে সেখানে তার লোকজনকে পাঠালে আসামি উৎপল কুমার দাস টেরপেয়ে গাড়িটি নিয়ে মাগুরার উদ্দেশে রওনা দেন। কিন্তু উৎপল কুমার দাস তাদের দেখে দ্রুত গাড়ি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন।

এরই এক পর্যায়ে বাদীর লোকজন সন্ধ্যা ৬টার দিকে শালিখার সীমাখালী বাজারে এসে গাড়িটি আটক করতে সক্ষম হয়। পাশাপাশি গাড়িসহ উৎপল কুমার দাসকে শালিখা থানায় হস্তান্তর করেন। এ ঘটনার পর উৎপল কুমার দাস ও অজ্ঞাতদের নামে মামলা দায়ের করা হয়।


আরও খবর