Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

নাসিরনগরে বন্যা ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা

প্রকাশিত:Wednesday ২২ June 20২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৪৬জন দেখেছেন
Image

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ নাসিরনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতাঃ-


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরে বন্যা ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।বন্যার পানির প্রবল স্রোতে উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের চাঁনপাড়া ও গোর্কণ ইউনিয়নের কুকুরিয়া খালের উপর নির্মিত দুটি ব্রীজ ভেঙ্গে পড়ে গেছে।সোমবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক গোর্কণ ইউনিয়নের কুকুরিয়া ব্রীজটি পরিদর্শন করেছেন।



বন্যার কারণে উপজেলার ৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। পানি পেরিয়ে স্কুলে যাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইকবাল মিয়া জানান,উপজেলায় প্রাথমিকের ১২৬টি বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৭০টির চারপাশে পানি ও কিছু বিদ্যালয়ের ভিতরে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।'


বন্যার কারনে নাসিরনগর সদর,ভলাকুট ও ফন্দাউক ইউনিয়নের তিনটি কমিউনিটি ক্লিনিক পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।৫০ শয্যা বিশিষ্ট নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ অভিজিৎ রায় জানান,বন্যা জরুরী চিকিৎসা সেবা দিতে ১৩ ইউনিয়নের জন্য ১৩ টি মেডিকেল টিম গঠন করেছে।রবিবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ সংসদীয় ২৪৩ নাসিরনগর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বি,এম,ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এ মেডিকেল টিমের শূভ উদ্ভোধন করেন।


এদিকে, নাসিরনগরে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে।প্রায় ৩০ কিলোমিটার পাকা-আধপাকা সড়ক তলিয়ে গেছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে জনপদ। এরই মধ্যে প্লাবিত হতে শুরু করেছে উপজেলা সদরসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন। সব মিলিয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন লক্ষাধিক মানুষ।


অতি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে নাসিরনগরে মেঘনা,ধলেশ্বরী ও লঙ্গনের পানি বাড়ছে। এক সপ্তাহে মেঘনাসহ বিভিন্ন নদ-নদীতে পাঁচ ফুট পর্যন্ত পানি বেড়েছে। এতে উপজেলার প্রায় ১০ হাজার হেক্টর আমনের ফসলি জমি, ১ হাজার পাট খেত ও মৌসুমি শাক-সবজি পানির নীচে তলিয়ে গেছে। বন্যাদুর্গত এলাকাগুলোতে গোখাদ্য, বিশুদ্ধ পানি আর শুকনো খাবারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।


উপজেলায় প্রতি মুহূর্তেই পানি বাড়ার সাথে সাথে বাড়িঘর-রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা বাড়ছে। তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত বন্যা দুর্গতের জন্য কোন ধরণের সহায়তাসহ শুকনো খাবার কিংবা ত্রাণ দেওয়ার বিষয়ে কোন আশ্বাস দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বন্যা দুর্গতরা উপজেলার বুড়িশ্বর, গোয়ালনগর, ধরমন্ডল, গোকর্ণ, ভলাকুট, সদর ও চাপড়তলা ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, ওই সব ইউনিয়নের নিচু এলাকার প্রায় ৮০ ভাগ বসতভিটায় পানি ঢুকে পড়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয়রা।


কিছু কিছু এলাকায় বাজারে পানি আসায় বন্ধ রয়েছে দোকানঘর। এরই মধ্যে উপজেলার বেশ কয়েকটি বন্যা আশ্রয়ণ কেন্দ্র আশ্রয় নিয়েছে শতাধিক মানুষ। বুড়িশ্বর ইউনিয়নের শ্রীঘর এসএসডিপি উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবার। তাদের অভিযোগ, এই পর্যন্ত সরকারিভাবে তেমন কোন সহায়তা আসেনি। 


নাসিরনগর উপজেলার  কুন্ডা ইউনিয়নের বেরুইন গ্রামের সড়কে পানি উঠে যাওয়ার কারনে জনগনের চলাচল সহ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে দশ গ্রামের জনগণের।


গোয়ালনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজহারুল হক বলেন, আমার ইউনিয়নটি হাওরের মধ্যে। চারদিকে পানি আর পানি। হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানি না কমলে মানুষের দুর্ভোগ আরো বাড়বে। আমার এলাকার সকল স্কুলকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার জন্য ইতি মধ্যে বলা হয়েছে।


নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোনাব্বর হোসেন বলেন, আমরা বন্যাকবলিত এলাকায় পরিদর্শনে যাচ্ছি। মানুষের পাশে আছি। উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতার কোন কমতি নেই।


আরও খবর



প্রস্তুত হচ্ছে গাবতলীর পশুর হাট

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
Image

সিলেট-সুনামগঞ্জ আর উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এমন অবস্থায় দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিমদের বড় এ ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে তাই কোরবানির পশুর হাট সাজাতে ব্যস্ত সময় কাটছে ইজারাদারদের।

গত রোজার ঈদের পর গরুর মাংসের দাম, পশু খাদ্যের দামও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। সবমিলিয়ে এবারও শেষপর্যায়ে পশুর হাট জমার আশঙ্কা করছেন বিক্রেতা ও ইজারাদাররা। ঈদ উপলক্ষে রাজধানীতে এবার ১৯টি পশুর হাট বসছে। ঈদের বাকি এখনো দুই সপ্তাহের বেশি। হাটে কোরবানির পশু না এলেও সাজগোজের প্রস্তুতি চলছে।

সোমবার (২৭ জুন) গাবতলীর স্থায়ী পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, হাটের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্টরা। চলছে হাটের বর্ধিতাংশে প্যান্ডেলের বাঁশ লাগানোর কাজ। কোথাও কোথাও লাইট লাগানোর কাজ চলছে।

নির্মাণশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। বাঁশ তৈরি হচ্ছে গরু রাখার সেড। তবে সেডের ওপরে এখনো ত্রিপল বসানোর কাজ শুরু হয়নি। অনেক জায়গা থেকে অপ্রয়োজনীয় কাদামাটি অপসারণ করা হচ্ছে। চলছে ওয়াচটাওয়ার, মোবাইল ব্যাংকিং বুথ নির্মাণের কাজও।

jagonews24

বেপারীদের কাছে এখনো জায়গা ভাড়া দিতে পারেননি ইট, বালুর দোকানের মালিকরা। বন্যা ও নির্মাণসামগ্রীর বাড়তি দামের কারণে এখনো অবিক্রিত রয়েছে তাদের অনেক পণ্য। এ কারণে সেখানে পশু রাখার সেড তৈরি করা যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাটের নির্মাণকাজ শেষ হতে আরও তিন-চারদিন সময় লাগবে।

সেখানে রসুল নামে এক শ্রমিকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, কাজ মাঝামাঝি পর্যায়ে আছে বলা যায়। এখনো অনেকে জায়গা হাটের জন্য ছাড়েননি। তাই প্যান্ডেল-সেড নির্মাণ করা যাচ্ছে না।

তবে হাটের ভেতরে বাইরে ভাঙাচোরা রাস্তা সংস্কারের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। ফলে বৃষ্টি হলে এবারও হাটু কাদাঁয় নেমে কেনাকাটা করতে হবে ক্রেতাদের। করোনার সংক্রমণ বাড়লেও জ্বর মাপা, সাবান কিংবা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়ার কোনো ব্যবস্থা দেখা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্টরা দায়সারা উত্তর দিয়েছেন।

ঈদের ১০ থেকে ১৫ দিন আগে থেকে অস্থায়ী পশুর হাট সাজানোর প্রস্তুতি নেন ইজারাদাররা। গাবতলী স্থায়ী পশুর হাটের আশপাশে রয়েছে ৫০০ টিরও বেশি ইট ও বালুর দোকান। স্থানীয়ভাবে সেগুলোকে বলা হয় গদি। কোরবানির হাট বসলে এসব গদি পশু বেপারীদের কাছে ভাড়া দেন মালিকরা। জানা গেছে, স্থায়ী হাট সংলগ্ন জায়গা বেশিরভাগ গদির মালিক ভাড়া দিয়ে ফেলেছেন। বেশিরভাগ গদি বন্ধ থাকলেও তাদের নির্মাণ সামগ্রী এখনো পড়ে আছে। তবে স্থায়ী হাট থেকে ৫০০ গজ দূরে গদির মালিকরা এখনো বেপারীর দেখা পাননি বলে জানিয়েছেন।

নাহিয়ান ট্রেডার্সের কর্মচারী আক্কাস জাগো নিউজকে বলেন, এখনো বেপারীরা আসেননি। আমাদের অনেক নির্মাণসামগ্রী পড়েও আছে। বেপারীরা এলেও জায়গা ছাড়তে পারবো না। ইট আছে এগুলো বিক্রি করে তারপর জায়গা ভাড়া দিতে হবে।

jagonews24

তিনি বলেন, ঈদের আগে চারদিন, আর ঈদের দিনের জন্য জায়গা ভাড়া দিই। তবে জায়গা পরিষ্কার করতে ঈদের পরে আরও তিন চারদিন লাগে। সব মিলিয়ে ৭ থেকে ৮ দিন কিছু রাখা যায় না। এ গদির সামনে হাসিল ঘর বসে। সামান্য একটু জায়গা থাকে সেটা ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা ভাড়া দেওয়া হয় তিন/চারদিনের জন্য। তবে নির্মাণসামগ্রী স্থানান্তর ও ঈদের পর পরিষ্কার-পরিচ্ছনে অনেক টাকা চলে যায়। সামনের দিকে যাদের গদি তারা আরও বেশি টাকায় ভাড়া দেন।

একাধিক গদির মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থায়ী হাট থেকে দূরে থাকা দোকানগুলোর জায়গা এখনো ভাড়া হয়নি। বেপারীরা কথা বললেও ভাড়া নিচ্ছেন না। এখনো অনেক নির্মাণসামগ্রী অবিক্রিত পড়ে আছে।

স্থায়ী হাট সংলগ্ন আনোয়ার ট্রেডার্সের ম্যানেজার নাসির জানান, তাদের জায়গা তিনদিন আগে ভাড়া হয়ে গেছে। আগামী সপ্তাহের পর থেকে পশু আশা শুরু করবে। হাটের কাছাকাছি গদির জায়গাগুলো স্থান ভেদে ৮০ হাজার থেকে লাখ টাকার ওপরে ভাড়া হয় বলেও জানান তিনি।

গাবতলী স্থায়ী পশুর হাট পরিচালনা কমিটির সদস্য সানোয়ার হোসেন বলেন, সেড নির্মাণের কাজ চলছে। ভেতরে রাস্তা, হাসিল কাউন্টার তৈরির কাজ করছি। এবার ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের জন্য ৫০টি হাসিল ঘর তৈরি করা হবে, হাটে দেড় হাজার স্বেচ্ছাসেবী কাজ করবেন।

তিনি বলেন, জাল টাকা শনাক্তের যন্ত্র বসানো হবে। পশু চিকিৎসক ও ব্যবসায়ীদের দেখতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকও রাখা হবে। হাটের সার্বিক পরিস্থিতি বিষয়ে গাফিলতির সুযোগ নেই। এবারও ঈদের আগে পরের পাঁচদিন পাঁচ শতাংশ হারে হাসিল আদায় করা হবে।

শেষ সময়ে জমবে হাট, চাহিদা থাকবে মাঝারি গরুর:
বন্যা ও পশু খাদ্যের চড়া দামের কারণে এবার পশুর দাম একটু বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এর ফলে গতবারের মতো এবারও বড় গরু কম বিক্রি হবার আশঙ্কা করছেন তারা। তবে কোরবানির বাজারকে খুব জটিল উল্লেখ করে ব্যবসায়ীরা বলছেন, হাটের গতি-প্রকৃতি খুব দ্রুত পরিবর্তন হয়।

jagonews24

ফরিদপুরের বেপারী শাহিন আহমেদ। দীর্ঘদিন ধরেই গাবতলী হাটে কোরবানির পশু আনেন। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, কোরবানির বেচাকেনা নিয়ে কোনো কিছুই আগে বলা যায় না। কেমন পশু উঠবে তা আগে থেকে বলা যাচ্ছে না। কোন পশু কাস্টমাররা ধরলে তার দাম বেড়ে যায় কয়েক হাজার টাকা আর কেউ দাম না বললে, পশুর দাম কমে যায়।

তিনি বলেন, গরুর খাবার দাম কয়েকগুণ বেড়েছে। ভূষির দাম গত বছর ছিল ৪০ টাকা এবছর সেটা ৬০ টাকা। এরকম খড়, ঘাস সবকিছুর দাম বেড়েছে। সে হিসাবে পশুর দাম বাড়বে, ক্রেতারা অনেক দেখে শুনে পশু কিনবে। সেক্ষেত্রে এবারও শেষ সময়ে পশুর হাট জমবে।

ভোলার থেকে আসা বেপারী বাদশা বলেন, এবার পশু খাদ্যের দাম চড়া। জ্বালানি তেলের দামও বাড়তি অন্যবারের তুলনায় এবার পশুর দাম বেশি হবে। তিনি বলেন, হাটের জায়গা ভাড়া-যাতায়াত কর্মচারীদের বেতন আছে। এখন তিন মণের গরুর কিনতে হচ্ছে ১ লাখ টাকায়। কসাইদের কাছে বিক্রি করছি ১ লাখ ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায়। ঈদের সময় এমন বা এর চেয়ে সামান্য বেশি হবে দাম।

এবারও বড় গরুর দাম বেশি থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, বড় গরু পালনে বেশি খরচ লাগে। ঢাকায় আনতে খরচ বেশি। এজন্য এবারও বড় গরু কম বিক্রি হতে পারে। ঢাকায় তিন/চারজন মিলে একটা গরু দেয়। তাদের বাজেট থাকে ৮০ হাজার থেকে দেড় লাখের আশপাশে। এ টাকায় মাঝারি গরু পাওয়া যায়, এবারও এমন গরুর চাহিদা বেশি থাকবে।


আরও খবর



প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: শেষ ধাপের ফল প্রকাশ

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার শেষ ধাপের (তৃতীয়) ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ৩২টি জেলায় মোট ৫৭ হাজার ৩৬৮ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ ফল প্রকাশ করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল জানা যাবে। 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ও শেষ ধাপের লিখিত পরীক্ষা গত ৩ জুন অনুষ্ঠিত হয়। এ ধাপে জয়পুরহাট, বগুড়া, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা, নড়াইল, মেহেরপুর, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, কক্সবাজার, ঝালকাঠি, সিলেট, ভোলা, বরগুনা, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড় ও সিলেটের সব উপজেলায় পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।

এছাড়া আংশিক পরীক্ষা হয়, নওগাঁর আত্রাই, বদলগাছী, ধামুইরহাট, মহাদেবপুর ও মান্দা উপজেলা, নাটোরের নলডাঙ্গা, সদর ও সিংড়া উপজেলা, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা, দৌলতপুর ও কুমারখালী উপজেলা, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর, মহেশপুর ও শৈলকূপা উপজেলা, সাতক্ষীরার আশাশুনি, শ্যামনগর ও তালা উপজেলা, বাগেরহাটের সদর, চিতলমারী, ফকিরহাট ও রামপাল উপজেলা, জামালপুরের বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর ও সরিষাবাড়ি উপজেলা, রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি ও সদর উপজেলা, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া, ইন্দুরকানী ও মঠবাড়িয়া উপজেলা, পটুয়াখালীর বাউফল, দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলা, সুনামগঞ্জের ছাতক, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, দিরাই ও ধর্মপাশা উপজেলা, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং, বাহুবল ও চুনারুঘাট উপজেলা, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী, চিলমারী, সদর ও নাগেশ্বরী উপজেলা এবং গাইবান্ধার সদর, গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ী উপজেলায়।


আরও খবর



জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চলবে

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চলবে। জোবায়দা পলাতক থাকায় রিট গ্রহণযোগ্য না বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (২৬ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠি বেঞ্চ এ রায় দেন।

এর আগে, গত ১৯ জুন অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানের রিট আবেদনের ওপর জারি করা রুলের বিষয়ে শুনানি শেষ হয়। এ বিষয়ে আদেশের জন্য আজ (রোববার) দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।

ওই দিন আদালতে আজ রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। আর রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

২০০৭ সালের ওই মামলায় দীর্ঘ ১৫ বছর পর গত এপ্রিলে দুদকের আইনজীবী হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে রুল শুনানির জন্য উপস্থাপন করলে রুল শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। এরই ধারাবাহিকতায় এর শুনানি শুরু হয়।

সম্প্রতি জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা নিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের পর এ মামলার রুল শুনানির উদ্যোগ নেয় দুদক। এদিকে জিয়া পরিবারকে হেনস্তা করতেই মামলার শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তারেক ও জোবায়দা পক্ষের আইনজীবীর।

২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ঘোষিত আয়ের বাইরে চার কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজধানীর কাফরুল থানায় করা মামলায় তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান ও শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়।

একই বছরে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী পৃথক রিট আবেদন করেন। রিটে জরুরি আইন ও এই মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন। হাইকোর্ট রুল জারি করে স্থগিতাদেশ দেন। এরপর রিট মামলাগুলো ১৯ এপ্রিল কার্যতালিকায় আসে। পরে রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট।

অন্যদিকে একই মামলার বৈধতা নিয়ে আরেকটি ফৌজদারি আবেদন করেছিলেন তারেকের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান। ওই সময় করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

ওই রুলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে মামলা বাতিলে জারি করা রুল খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে জোবায়দা রহমানকে আট সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন জোবায়দা রহমান। গত ১৩ এপ্রিল আপিল বিভাগ জোবায়দার এ আবেদন খারিজ করে আদেশ দেন। এর পরে ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়।


আরও খবর



নামাজ শেষে খাট থেকে নামার সময় সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

প্রকাশিত:Friday ১৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

মাদারীপুরের শিবচরে নামাজ শেষে খাট থেকে নামার সময় সাপের কামড়ে সাবিকুন নাহার (৪০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) রাত ১০টার দিকে উপজেলার ভদ্রাসন ইউনিয়নের তাহের মাদবরের কান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত সাবিকুন নাহার ভদ্রাসন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন মাদবরের স্ত্রী।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাতে এশার নামাজ শেষে বিছানা থেকে নামছিলেন তিনি। এ সময় খাটের নিচে থাকা সাপ তাকে পর পর দুটি কামড় দেয়। তাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রিপনের ফুপাতো ভাই ফিরোজুর রহমান বলেন, রাতে নামাজ পড়ে খাট থেকে নামার সময় ভাবিকে সাপে কামড় দেয়। তখনই তাকে নিয়ে মাদারীপুর রওনা হয় পরিবারের লোকজন। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি জ্ঞান হারান।

ভদ্রাসন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রহিম ব্যাপারী জাগো নিউজকে বলেন, ‘নাহার নামাজ পড়ে খাট থেকে নামার সময় হয়তো সাপের ওপর পা পড়েছিল। তখনই তাকে একটি কামড় দেয়। তিনি সাপ দেখে পা নাড়লে দ্বিতীয়বার আবারও কামড় দেয় বলে শুনেছি।’

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিরাজ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘সাপের কামড়ে এক নারী মারা গেছেন বলে জানাতে পেরেছি। আহত অবস্থায় তাকে মাদারীপুর হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। তবে পথেই তার মৃত্যু হয়।’


আরও খবর



দুস্থদের সেলাই মেশিন দিলো বিজিবি

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার সীমান্তবর্তী তবলছড়িতে দুস্থ, অসহায় ও স্বামী পরিত্যক্ত নারীদের সেলাই মেশিন ও নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছে ২৩ বিজিবি যামিনীপাড়া জোন।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) বিকেলের দিকে তবলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে দুস্থদের হাতে এ সহায়তা তুলে দেন যামিনীপাড়া জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জাহিদুল করিম।

এ সময় তবলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মো. আবুল হাশেম উপস্থিত ছিলেন।

bgb

সেলাই মেশিন পেয়ে বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শিখা রানী দে। তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধিরা যখন আমাদের খবর রাখে না বিজিবি তখন পাশে দাঁড়িয়েছে।

সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান রোধের পাশাপাশি বিজিবির পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানান যামিনীপাড়া জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জাহিদুল করিম।


আরও খবর