Logo
আজঃ শনিবার ২৫ মে ২০২৪
শিরোনাম

নাসিরনগরে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ২৩১জন দেখেছেন

Image

মোঃ আব্দুল হান্নান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডলে ছোট ভাই দুলাই মিয়া (২৫) কে হত্যার দায়ে বড়ভাই  ফুল মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।১৮ মার্চ ২০২৩ রোজ শনিবার সকালে উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ধরমন্ডল গ্রামের ৭নং ওয়ার্ড থেকে ফুল মিয়াকে আটক করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে,ফুল মিয়া কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি গ্রামের বিভিন্নজনকে মারধর করতেন।


প্রায়ই নেশাও করতেন। অনেকেই ছোট ভাই দুলাই মিয়ার কাছে বিচার দিত এসব বিষয়ে। শুক্রবার বিকালেও একজনের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন ফুল মিয়া। এ নিয়ে ফুল মিয়ার সাথে কথা বলতে গেলে দুলাই মিয়াকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন ফুল মিয়া। আহত অবস্থায় রাতে দুলাইকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য  ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয় হয়। ঢাকা যাওয়ার পথে সকালে মারা যান দুলাই মিয়া। এ দিকে শুক্রবার রাতেই অভিযুক্ত ফুল মিয়াকে আটক করে স্থানীয়রা।


এর পর পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণনাড়িয়া মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ হাবিবুল্লাহ সরকার বলেন বড় ভাইয়ের  ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ছোট ভাই মারাত্মক জখম হয়। অতিরিক্ত রক্ষক্ষরণের কারণে ঢাকা নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় । বড় ভাই ফুল মিয়াকে আটক করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া মর্গে পাঠানো হয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর



গ্যাসের অবৈধ গ্রাহকদের বিষয়ে যে নির্দেশ দিলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | ১৫১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:গ্যাসের অবৈধ গ্রাহকদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

তিনি বলেন, সারাদেশে গ্যাসের অবৈধ গ্রাহকদের খুঁজে বের করতে হবে। যারা অনুমোদন নিয়ে গ্যাস লাইন ব্যবহার করছেন তারা ঠিক মতো বিল দিচ্ছেন কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে তিতাস ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ নির্দেশনার কথা জানান তিনি। এর আগে প্রতিমন্ত্রী তিতাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

নসরুল হামিদ বলেন, এখন থেকে গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোকে দুটি কাজ খুব গুরুত্বের সঙ্গে করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথমটি হচ্ছে, নিয়মিত সিএনজি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর অডিট করতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠান কী পরিমাণ গ্যাস ব্যবহারের জন্য অনুমোদন নিয়েছে, তাদের মিটারগুলো ঠিকমতো কাজ করছে কিনা, তারা ঠিকমতো বিল দিচ্ছে কিনা, তাদের পরিবেশ ছাড়পত্র রয়েছে কিনা, এগুলো নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে।

দ্বিতীয় নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে বাণিজ্যিক, শিল্প ও আবাসিকের যত গ্রাহক রয়েছেন তাদের প্রত্যেকের ঠিকানায় গিয়ে তল্লাশি (চেক) করতে হবে। তারা ঠিকমতো গ্যাস বিল দিচ্ছে কিনা, মিটারগুলো ঠিকমতো কাজ করছে কিনা, তা দেখতে হবে।

যত ভুতুড়ে ও অবৈধ গ্রাহক আছে তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


আরও খবর



আগরবাতি তৈরি করে ১০ হাজার নারীর ভাগ্য বদল

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৭৪জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:আগরবাতি কারখানায় কাজ করে ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেছে সৈয়দপুরের প্রায় ১০ হাজার নারীর। প্রায় দুই যুগের ও বেশি সময় ধরে তৈরি হচ্ছে এই আগরবাতি।বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব মসজিদ, মন্দির, গির্জায় জ্বালানো হয় এই আগরবাতি। এ ছাড়া সুগন্ধি হিসেবেও এখন অনেকে প্রতিদিন ঘরে বা দোকানেও ব্যবহার করেন অনেকেই। 

ব্যবসায়িক শহর হিসেবে খ্যাত এলাকা সৈয়দপুর। এ শহরে বেশ কয়েকটি শিল্প-কল কারখানা থাকলেও ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প রয়েছে এই শহরে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে রয়েছে ছোট ছোট অর্ধশত কারখানা। এর মধ্যে অন্যতম হলো আগরবাতি তৈরির কারখানা। একসময় শহর সহ উপজেলার বাড়ি বাড়ি আগরবাতি তৈরি করা হলেও এখন কারখানাতেই তৈরি হচ্ছে বেশি। 

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, আগরবাতির কারখানার মালিকরা নিজ কারখানা ছাড়া ও পাড়া মহল্লার নারীদের আগরবাতির উপকরণ দিয়ে যান। আর এসব উপকরণ দিয়ে নারীরা পিড়িতে বসে আগরবাতি বানাচ্ছেন। একেকটি নারী শ্রমিক প্রতিদিন তৈরি করছেন ৩/৪ হাজার আগরবাতি। এতে প্রতিদিন একেকজনের আয় হচ্ছে ১০০/১৫০ টাকা। শহরের ২২টি বিহারি ক্যাম্পের অধিকাংশ নারী সহ উপজেলার প্রায় নারী অবসর সময়ে আগরবাতি তৈরি করে সংসার চালাচ্ছেন। 

বাঁশবাড়ি এলাকার সাদরা লেন এর আগরবাতি কারখানার মালিক মাসুম বলেন, মেশিন ক্রয়ের আগে নারীরা হাত দিয়েই আগরবাতি তৈরি করতেন। কিন্তু যখন থেকে কারখানায় মেশিন বসিয়েছি তখন থেকে তাদের খাটনি কমে গেছে।  তিনি আরও বলেন বর্তমানে শহর সহ উপজেলার পাড়া মহল্লায় এমন একটা বাড়ি খুঁজে পাওয়া যাবে না, যে বাড়ির নারীরা আগরবাতি বানাচ্ছেন না। এখন তাদের খাটনি কমে গেছে এবং মজুরি ও পাচ্ছেন ভালো।

শহরের গোলাহাট বিহারি ক্যাম্পের ফরিদা পারভীন বলেন, ‘আমরা বাড়ির কাজ শেষ করে অবসর সময়ে আগরবাতি তৈরি করি। এক দিনে ২ থেকে ৩ হাজার পিস আগরবাতি তৈরি করতে পারি।। মজুরি যা পাই তা দিয়ে আমরা আমাদের শখ-আহ্লাদ পূরন করতে পারি।

ওই ক্যাম্পের বিলকিস নামের অপর একজন জানান, আগরবাতি তৈরির সঙ্গে আমি ২০ বছর ধরে জড়িত। শরুর দিকে আগরবাতির কাঁচামাল বিভিন্ন মহল্লার নারীদের দিয়ে আসতাম। ওইসময় হাত দিয়ে তৈরি করা আগরবাতির ফিনিশিং ভালো হতো না, তবে এখন মেশিন দিয়ে তৈরি করা আগরবাতির ফিনিশিং অনেক ভালো। এতে ব্যবহার কারির চাহিদা বেড়েছে।

সাহেবপাড়ায় আগরবাতি কারখানার স্বত্বাধিকারী শাহাজাদা বলেন, ‘সৈয়দপুরের ২২টি বিহারি ক্যাম্পের অনেক নারী আগরবাতি তৈরির সঙ্গে যুক্ত। অনেক নারী এ কাজ করে সাবলম্বি হয়ে ভালো ভাবে সংসার চালাচ্ছেন। নিজেদের উদ্যোগে অনেকের বাসায় ছোট ছোট কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ শিল্পে স্বল্প ঋণ সুবিধা ও সরকারি অনুদান পাওয়া পেলে ব্যবসার পরিধি বাড়ানো সম্ভব।’ 

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের উপব্যবস্থাপক হুসনে আরা বলেন, ‘উদ্যোক্তাদের আমরা সব সময় প্রাধান্য দিয়ে আসছি। আগরবাতির ক্ষেত্রেও কারিগরি প্রশিক্ষণসহ সব ধরনের সহযোগিতার পাশাপাশি অর্থও দেয়া হবে বলে জানান তিনি। 


আরও খবর



পুঠিয়া উপজেলা নির্বাচনে ৭৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৩টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৩৮জন দেখেছেন

Image
সাজেদুর রহমান পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে আগামী মঙ্গলবার (২১ মে) পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ ২টি থানা, ১টি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এসব এলাকায় ৭৮টি ভোট কেন্দ্রে রয়েছে। ৭৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩৩টি ভোট কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ঘোষনা করেছে পুলিশ প্রশাসন। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো হলো, পুঠিয়া থানার মধ্যে, পীরগাছা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বারইপাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কান্দ্রা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বানেশ^র উচ্চ বিদ্যালয়, দিঘলকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাতিনাদা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিড়ালদহ সৈয়দ করম আলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিড়ালদহ সৈদয় করম আলী উচ্চ বিদ্যালয়, শাহবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়, ফুলবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নন্দনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাধনপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজ, পচামাড়িয়া দ্বি-মখী উচ্চ বিদ্যালয়, পচামাড়িয়া ডিগ্রী কলেজ, ভরতমাড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝলমলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় (পশ্চিম ভবন), ঝলমলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় (উত্তর ও পূর্ব ভবন), ধোপাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয়। বেলপুকুর থানার সবগুলো ভোট কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে, মাহেন্দ্রা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভড়–য়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাজিরপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামিরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আগলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামিরা উচ্চ বিদ্যালয়, ক্ষুদ্রজামিরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেলপুকুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেলপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়, চকধাদাশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধাদাশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধাদাশ উচ্চ বিদ্যালয় ও দোমাদি উচ্চ বিদ্যালয়। পুঠিয়া থানা সূত্রে জানাগেছে এসব গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত আইন শংঙ্খলা বাহিনীর সদসগণেরা কাজ করবেন। আগামী মঙ্গলবার (২১ মে) পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৭৮টি কেন্দ্রে ১ লক্ষ ৬০ হাজার ৭’শ ২৪ জন ভোটার তাদের ভোট প্রদান করবে। এর মধ্যে পুরুষ ৯১৮৮১,মহিলা ৯০১৩৪,হিজরা ৩ জন।

আরও খবর



গোপন বৈঠক করার অভিযোগে ৫ প্রিজাইডিং অফিসার সহ গ্রেপ্তার ৬, থানায় মামলা দায়ের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image
রাকিবুল ইসলাম রাকিব সিরাজগঞ্জ থেকে:সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে একজন প্রার্থীর পক্ষে গোপন বৈঠক করার অভিযোগে ৫ প্রিজাইডিং অফিসার ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এ কারনে ১০ প্রিজাইডিং অফিসারকে পরিবর্তন করেছে রিটানিং কর্মকর্তা। সোমবার  রাতে  জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সন্মেলনে জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতারা হলো, সিরাজগঞ্জ সদর  উপজেলার যমুনা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম,  শহরের এস,বি রেলওয়ে কলোনী হাই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আশরাফুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক আবু সামা, বাহুকা কলেজের প্রভাষক বাচ্চু কুমার ঘোষ, জনতা ব্যাংক সিরাজগঞ্জ জোনাল অফিসের প্রিন্সিপাল অফিসার ইয়াসিন আরাফাত এবং এদের সমন্বয়ক শিয়ালকোল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক   আমিনুর ইসলাম।

জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান জানান, রবিবার রাতে  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়  সদর উপজেলার কাদাই এলাকার একটি রিসোর্টের ভিতর সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার তালিকাভুক্ত কতিপয় প্রিজাইডিং অফিসার  একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনেকে প্রভাবিত করতে  গোপন বৈঠক করছেন। সংবাদ পাওয়ার পরই সেখানে পুলিশ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাচন অফিসের সমন্বয়ে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে তাদের পাওয়া যায়নি। অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে সিসি টিভির ফুটেজ ও ওই প্রতিষ্ঠানের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের থানায় নিয়ে আসা হয়।

সংবাদ সন্মেলনে পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল জানান, এ সংক্রান্ত বিষয়ে সোমবার দিনভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫ জন প্রিজাইডিং অফিসার  ও এদের মাষ্টার মাইড  শিয়ালকোল সরকারি    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমিনুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। তবে কোন প্রার্থীর পক্ষে গোপন বৈঠক করা হচ্ছিল সে বিষয়টি আরো তদন্তের পর জানানো হবে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সন্মেলনে রিটারিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ২০ জনের বিরুদ্ধে  সোমবার মামলা দায়ের  করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৭১টি কেন্দ্র রয়েছে।

আরও খবর



গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল ॥৩ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের অধিকার ও নিরাপত্তার দাবিতে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। এই দিবসটি সামনে রেখে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক শতাধিক সংগঠন। ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ৩ মে দিবসটিকে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস হিসেবে পালনের স্বীকৃতি দেয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্বব্যাপি গণমাধ্যমকর্মীরা ও তাদের বিভিন্ন সংগঠন এই দিবসটি পালন করে আসছে। সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার মৌলিক নীতিমালা অনুসরণ, বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের স্বাধীনতার মূল্যায়ন, স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার শপথ গ্রহণ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে ক্ষতিগ্রস্ত ও জীবনদানকারী সাংবাদিকদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো প্রভৃতি কর্মসূচি এই দিবসে পালন করা হয়।

গণমাধ্যম গণতন্ত্রের সদা জাগ্রত প্রহরী। কোথাও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলে, গণতন্ত্রের মর্যাদা লুন্ঠিত হলে, কিংবা গণতন্ত্রের পবিত্রতা কোন কারণে কলুষিত হলে, গণমাধ্যমের নির্ভিক কন্ঠ সেখানে সোচ্চার হয়ে উঠে। গণমাধ্যম তাই জনগনের পবিত্র গণতান্ত্রিক অধিকার সংরক্ষণে সর্বদা দায়িত্বশীল অভিভাবক। গণমাধ্যম জনগণকে সচেতন করতে সদা সচেষ্ট এবং জনগণ ও সরকারের মধ্যে গণমাধ্যম সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। জনসাধারণের মতামত/চিঠিপত্র প্রভৃতি প্রকাশের মাধ্যমে জাগ্রত জনমতকে প্রতিফলিত করে সংবাদপত্র পালন করে তার পবিত্র নৈতিক দায়িত্ব। তাই বলা হয় “ওঃ রং ঃযব চবড়ঢ়ষবং চধৎষরধসবহঃ ধষধিুং ংবংংরড়হং” মন্তব্যটি সর্বোতভাবে স্বার্থক। সংবাদপত্র আক্ষরিক অর্থেই সদা জাগ্রত জাতীয় সংসদ।

গণমাধ্যম একটি সমাজ বা জাতির সামগ্রিক জীবনের প্রাত্যহিক দলিল। তাই গণমাধ্যমকে অবশ্যই স্বাধীন ও নিরপেক্ষ হতে হবে। গণমাধ্যম হতে হবে জনসাধারণের স্বার্থ রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী। জনগণের স্বার্থে গণমাধ্যম যেমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবে, তেমনি ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার জন্যে করবে সংগ্রাম। গণমাধ্যমকে নির্ভীক ও অকপট হতে হবে। আমাদের দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আশানুরুপ নয়। ক্ষমতাসীন প্রতিটি সরকারই স্বীয় দলের স্বার্থে গণমাধ্যমের উপর আধিপত্য বিস্তারের অপচেষ্টায় লিপ্ত থেকে বারবার গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে ক্ষুন্ন করেছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার দীর্ঘ ৫৩ বছরেও গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম কোনটাই শক্তিশালী হতে পারেনি। কারণ দেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র ৪৪ মাসের মাথায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করার পর বারবার সামরিক অভ্যুত্থান, হত্যা, রক্তপাতের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা দখল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী দেশী ও বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের তৎপরতা, অর্থনৈতিক বৈষম্য, যুব সমাজের মধ্যে সৃষ্ট হতাশা, বেকারত্ব, জনস্ফীতি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, ঘুষ-দুর্নীতি, দলীয়করণ ইত্যাদি অবক্ষয় স্বাধীনতার মুল লক্ষ্য গণতন্ত্র, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মানবাধিকারকে বিপন্ন করে চলেছে। দেশের সবক্ষেত্রেই ব্যবসায়িক মানসিকতা বিদ্যমান। তোষামোদ, সুবিধাবাদিতা আর মিথ্যাচার সুবিধাভোগী সমাজকে স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতার শিখরে নিয়ে যাচ্ছে। বেশীর ভাগ গণমাধ্যম গণমানুষের মুখপত্র না হয়ে সুবিধাবাদী তল্পিবাহক, দুর্বৃত্ত রাজনৈতিক গোষ্ঠির ক্ষমতারোহন কিংবা ক্ষমতাকে পাকাপোক্তকরণের হাতিয়ারে পরিণত হচ্ছে।
দেশের গণতন্ত্র দুর্বল থাকলে চেষ্টা করলেও গণমাধ্যম শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে পারে না। কোন সংবাদপত্র বা গণমাধ্যম অথবা গণমাধ্যমকর্মী সমাজে ন্যায় বিচার, আইনের শাসন ও মানবাধিকার রক্ষার আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলেই নানা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। তবে শত ঝুঁকির পরেও গণমাধ্যম তাদের দায়িত্ব, সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সাথে পালন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আর দেশের গণমাধ্যম ও তার কর্মীরা যত দলনিরপেক্ষ, নির্ভীক, শিক্ষিত ও সৎ হবেন, ততই দেশের জন্য মঙ্গলজনক।

গণতন্ত্র বলতে জনসাধারণের শাসন ব্যবস্থাকে বুঝায়। যে শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতা জনগণের হাতে ন্যস্ত থাকে তাকে গণতন্ত্র বলে। গণতন্ত্র অর্থ জনসাধারণের শাসন। জনগণ যখন সকল ক্ষমতার অধিকারী হয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ভার জনগণের ওপর ন্যস্ত থাকে তখন তাকে গণতন্ত্র বলা হয়। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা গণতন্ত্রকে রাষ্ট্রের সকলে অংশ গ্রহণ করতে পারে এমন এক ব্যবস্থা বলেছেন। কাজেই বলা যায়, যে সরকার বা শাসন ব্যবস্থায় জনমতের প্রধান্য স্বীকৃত হয় এবং জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালিত হয় তাই গণতন্ত্র। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের একটি জনপ্রিয় সংজ্ঞা দিয়েছেন “উবসড়পৎধপু রং ধ এড়াবৎহসবহঃ ড়ভ ঃযব ঢ়বড়ঢ়ষব, নু ঃযব ঢ়বড়ঢ়ষব ধহফ ভড়ৎ ঃযব ঢ়বড়ঢ়ষব) তাঁর মতে “জনসাধারণের জন্য, জনসাধারণের দ্বারা পরিচালিত এবং জনসাধারণেই সরকারই হল গণতন্ত্র।

গণতন্ত্র নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করে, ফলে গণতন্ত্রে নাগরিকদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের যথেষ্ট সুযোগ ও স্বাধীনতা থাকে। গণতন্ত্র আর গণমাধ্যম একটি আরেকটি পরিপূরক। যেখানে গণমাধ্যম যতবেশী শক্তিশালী যেসখানে গণতন্ত্র বেশী শক্তিশালী। পরমত সহিষ্ণুতাই গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় কথা। আলোচনা, মতপ্রকাশ, ঐক্য, সংহতি হলো গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ সিঁড়ি। অন্যের মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা গণতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। মৌলিক অধিকার হলো মত প্রকাশের স্বাধীনতা। বাংলাদেশের সংবিধানের ধারার ৩৯(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা নিশ্চয়তা দান করা হয়েছে এবং ৩৯ (২) সংবাদপত্র তথা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।

গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ, জাতির বিবেক, জনতার কন্ঠস্বর, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ইত্যাদি নানা নামে গণমাধ্যমকে অভিহিত করা হয়। কিন্তু সেই জাতির বিবেকের উপর চলে নানা জুলুম, অন্যায়-অত্যাচার, গণমাধ্যমকর্মীদের উপর করা হয় নির্যাতন, এমনকি তাদের হত্যা করা হচ্ছে। কিন্তু খুনি ও নির্যাতনকারীরা আইনের আওতায় আসছে না, তাদের শাস্তি হচ্ছে না। এই বিষয়ে সাংবাদিক ইউনিয়ন বা সংগঠনগুলোর ঐক্য প্রয়োজন। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদার জন্যে রাজনৈতিক বিশ্বাসের উর্ধ্বে উঠে সকল সাংবাদিক সংগঠনগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। আইনের শাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের পেশাগত ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।
পরিশেষে বলা যায় যে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা অপরিহার্য। তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সম্প্রতি জানানো হয় যে, তথ্য মন্ত্রণালয় সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণ, গণমাধ্যমের সহায়তায় জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, গণমাধ্যম শিল্পের মানোন্নয়ন, সম্প্রচার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির লালন, বিকাশ ও সংরক্ষণ এবং গণমাধ্যমকর্মীর পেশাগত দক্ষতা ও সেবার মানোন্নয়নের কৌশলগত উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সম্মেলনে আরো জানানো হয় যে, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সচেষ্ট রয়েছেন। কিন্তু সাংবাদিকগণ পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রায় হামলা ও নানা রকম হুমকীতে শিকার হতে হয়। গত ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসায় নৃশংসভাবে খুন হন এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনি ও মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার। নিহতদ্বয় স্বামী-স্ত্রী। ছয় বছর বয়সী একমাত্র শিশু পুত্র মাহির সরোয়ার মেঘের সম্মুখে এই সাংবাদিক দম্পত্তি খুন হয়েছেন। কিন্তু আজো খুনীদেরকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধরতে পারেনি, কিংবা চিহ্নিত করতে পারেনি। ২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি পল্টনের নিজ বাসায় খুন হন দৈনিক জনতার সহ-সম্পাদক ফরহাদ খাঁ ও তাঁর স্ত্রী রহিমা খাতুন। বিগত খালেদা-নিজামীর আমলে খুন হন সাংবাদিক মানিক সাহা, হুমায়ুন কবির বালুসহ আরো অনেকে। বর্তমান সরকার গণমাধ্যম কর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও ‘সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্ট’ গঠনসহ সাংবাদিকদের কল্যাণে কতিপয় প্রসংশনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গণমাধ্যম কর্মী আইনটি সংসদে উপস্থাপিত হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয়  স্থায়ী কমিটিতে আইনটি যাচাই-বাচাইয়ের জন্যে প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি জারি করেন নিউজপেপার এমপ্লয়ীজ (কন্ডিশন অব সার্ভিস) অডিন্যান্স জারি করেন। এই আইনের অধীনে সাংবাদিক ও সংবাদপত্র বোর্ড কর্মচারীদের  ওয়েজ বোর্ড  হয়ে আসছিল। কিন্তু ৬ষ্ঠ ওয়েজ বোর্ড গঠনের সময় ধরা পড়লো বিএনপি সরকার কোনো অংশীজনের সাথে আলোচনা না করে এই আইনটি বাতিল করে দিয়েছে। উল্লেখ্য যে, ১৯৭৪ সনের আইনটি সাংবাদিকতা পেশাকে কয়েকটি বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। এই আইনে সাংবাদিক বা সংবাদমাধ্যমের কর্মচারীদের অধিকার ও বিরোধ নিস্পত্তির বিষয়গুলো শ্রম আইনের মধ্যে রেখেও কিছু বিশেষ মর্যাদা নিশ্চিত করেছিল। এই গুলো হচ্ছেঃ সাংবাদিক বা সংবাদমাধ্যমে কর্মচারীদের জন্য পৃথক ওয়েজ বোর্ড গঠন, পেশার সংজ্ঞায়ন,  বিশেষায়িত বলে কতপিয় বিশেষ সুবিধা  নিশ্চিতকরণ। প্রক্রিয়াধীন  নতুন আইন ১৯৭৪ সালের আইনের মূল চেতনা ধারণ করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি। নতুন আইনে বিশেষ অধিকারগুলো সুনির্দিষ্ট করবে, প্রচলিত শ্রম ও সংশ্লিষ্ট আইনের সাথে বিশেষায়িত বিষয়গুলো সমন্বয় করবে, যেগুলো বিধিতে আনা সম্ভব সেগুলো বিধির জন্য পাঠাবে, যেগুলো ওয়েজ  বোর্ড নির্ধারিত হবে সেগুলো পৃথক করবে, ‘যা বাহুল্য তা’ বাতিল করবে। এভাবেই নতুন আইনটি সংবাদপত্র, টেলিভিশন, অনলাইন,  বেসরকারি বেতার মাধ্যমে সাংবাদিক, আলোকচিত্র সাংবাদিকসহ গণমাধ্যমের সকল কর্মচারীদের অধিকার, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি। এই নতুন আইনটি দ্রুত প্রণয়ন ও গেজেট আকারে প্রকাশ এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বর্তমানে বিদ্যমান আইনসমূহের কার্যকর প্রয়োগ অপরিহার্য। দেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

আরও খবর