Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

নাসিরনগরে আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর থেকে ১৮০ পিস ইয়াবা সহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ২৩৪জন দেখেছেন

Image

মোঃ আব্দুল হান্নানঃ-

গতকাল সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের লক্ষীপুর আশ্রয়ন প্রকল্পের ১২৩ নং ঘরের মেঝেতে বিছানো কাতার নীচ থেকে ১৮০ পিস মরণনেশা ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ওই ঘরের বাসিন্দা লালু মিয়ার ছেলে পারভেজ মিয়া (৩১) কে  গ্রেপ্তার করেছে নাসিরনগর থানার পুলিশ।


নাসিরনগর থানা পুলিশের এস আই মোঃ আমিনুল ইসলাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সংঙ্গীয় এ এস আই মোমেন ভূইয়াকে সঙ্গে নিয়ে পারভেজকে আটক করে তার ঘরের ভেতরে মেঝেতে বিছানো কাতার নীচ থেকে ১৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট  উদ্বার করে।পুলিশ জানা ঘটনার আগের দিন পারভেজ ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রির উদ্দেশ্যে এনে ২০ পিস বিক্রি করে ফেলে।


পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায় পারভেজ দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।স্থানীয়দের দাবী পারভেজের নামে বরাদ্বকৃত আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরটি বাতিল করে তাকে এখান থেকে বিতাড়িত করতে হবে।নইলে পারভেজের কারনে আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসকারী শান্তিপ্রিয় মানুষের শান্তির পরিবেশ বিনষ্ট হবে।পরে এ এস আই  মোমেন ভুইয়া বাদী হয়ে পারভেজকে আসামী করে মাদক দ্রব্যনিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




রাজশাহীতে আমের ফলন কম, দাম চড়া

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ৭০জন দেখেছেন

Image

আব্দুস সবুর তানোর থেকে প্রতিনিধি:রাজশাহী বিভাগের আম উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে পরিচিত রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ। তিনটি জেলাতেই আমের বড় হাট রয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীতে আমের সবচেয়ে বড় হাট বসে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরে।

সোমবার দুপুরে হাটে বিক্রির জন্য হিমসাগর আম নিয়ে এসেছেন চারঘাট উপজেলার মো. মজনু। প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬০০ টাকায়। তিনটি হিমসাগর আমেই এক কেজি হয়ে যাচ্ছে। মো. মজনু জানান, আজ তিনি চারটি গাছ থেকে আম পেড়েছেন। ১৮ ক্যারেটও হয়নি। অথচ গত বছর একটি গাছ থেকেই ৩৭-৩৮ ক্যারেট আম পেয়েছিলেন। গত বছর তিনি ১ হাজার ৪০০ টাকা দরেও হিমসাগর বিক্রি করেছেন। এবার ভালো আম সাড়ে তিন হাজারের নিচে নেই। সামনে পাঁচ হাজার টাকা মণে গিয়ে ঠেকতে পারে।

রাজশাহীতে এবার আমের ফলন কম। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, বিরূপ আবহাওয়ার কারণে আমের মুকুল আসতে দেরি হয়েছে। মুকুলও কম হয়েছে। আবার মার্চে বৃষ্টির কারণে মুকুল নষ্ট হয়েছে। পরে দীর্ঘ খরা গেছে। খরায় আম ঝরে পড়েছে। তবে এবার শিলাবৃষ্টি ও ঝড় না হওয়ায় যতটুকু আম ছিল, তা আছে। সব মিলিয়ে আমের ফলন গত মৌসুমের চেয়ে এবার কম।রাজশাহী জেলা প্রশাসনের ‘ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার’ অনুযায়ী, ১৫ মে থেকে সব ধরনের গুটি আম, ২৫ মে থেকে গোপালভোগ বা রানিপছন্দ; ৩০ মে থেকে লক্ষ্মণভোগ বা লখনা এবং হিমসাগর বা ক্ষীরশাপাতি; ১০ জুন থেকে ল্যাংড়া ও ব্যানানা আম; ১৫ জুন থেকে আম্রপালি ও ফজলি, ৫ জুলাই থেকে বারি-৪ আম, ১০ জুলাই থেকে আশ্বিনা, ১৫ জুলাই থেকে গৌড়মতি ও ২০ আগস্ট থেকে ইলামতি আম নামানো যাবে। এ ছাড়া কাটিমন ও বারি-১১ আম সারা বছর সংগ্রহ করা যাবে।

কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির ছাঐড় বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুলতান আহম্মেদের আমের বাগান রয়েছে স্কুলের সামনেই। তিনি জানান বিগত মৌসুমে যে পরিমান আম পেয়েছি এবার তার অর্ধেকও নেই। টানা তাপপ্রবাহ ও কাংখিত বৃষ্টির পানি না পাওয়ার কারনে গাছে আম বলতে নেই। দুএকটি গাছে আম রয়েছে তাও সামান্য। 

ফলন কম হওয়ায় এবার আমের বাজার চড়া। 

সোমবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বানেশ্বর হাটে অবস্থান করে দেখা গেছে, গোপালভোগ মান ভেদে ২ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। হিমসাগর বা ক্ষীরশাপাতি বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৬০০ টাকা মণে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছর গোপালভোগ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা মণ। এবার গোপালভোগের বাজার শুরু হয়েছিল ২ হাজার ৪০০ টাকা থেকে। এই আম কমে আসায় ধীরে ধীরে দাম বাড়ছে। অন্যদিকে হিমসাগর গত বছর সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬০০ টাকা মণে উঠেছিল। গত বছর হাজারের নিচে থাকা লখনা আম বিক্রি হচ্ছে দেড় হাজার টাকা মণে। ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, মৌসুম শুরু না হলেও বাজারে ল্যাংড়া আমও দেখা গেছে। সেগুলোর দু-একটি পাকাও ছিল।বানেশ্বর হাটে চারঘাটের বায়া লক্ষ্মীপুর গ্রামের আমচাষি মো. আজাদ ভ্যানে করে আম নিয়ে এসেছেন। লক্ষ্মণভোগ বা লখনা তিনি গত শনিবার বিক্রি করেছেন ১ হাজার ৫৮০ টাকা দরে। আজ তিনি লখনার সঙ্গে হিমসাগরও নিয়ে এসেছেন। তিনি  বলেন, তিনি ছয় বিঘা জমিতে আমের চাষ করেছেন। এবার চার ভাগের তিন ভাগ আম নেই। তাই লখনা আমও দেড় হাজারে বিক্রি হচ্ছে। অন্য আমের দাম আরও বাড়বে।

বাগান থেকে আম নামিয়ে সড়কের ধারেই বিক্রি করছেন কেউ কেউ।

বানেশ্বর বাজার থেকে দুই ক্যারেটে ৫০ কেজি হিমসাগর আম কিনে ঢাকায় পাঠাতে দেখা গেল স্থানীয় ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামকে। তিনি বলেন, চার আত্মীয়ের বাড়িতে আম পাঠাচ্ছেন। গতবার অনেক বেশি আম পাঠাতে পেরেছেন। এবার দাম বেশি, তাই কম পাঠাচ্ছেন।

এবার সব আম হাটেও আসছে না। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের ধারেও চড়া দামে আম বিক্রি হচ্ছে। পুঠিয়ার ভাংড়া এলাকায় মো. মনিরুল ইসলাম রাস্তার ধারেই বিক্রি করছিলেন আম। তিনি ৩ হাজার ৬০০-৩ হাজার ৮০০ টাকা মণ দরে হিমসাগর বিক্রি করছিলেন। তিনি  বলেন, রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় ঢাকাগামী অনেক যাত্রী আম কিনে নিয়ে যান। এগুলো রাস্তার নিচে বাগান থেকেই পাড়া হয়েছে। তিনি বলেন, এবার আমের দাম চড়া, তাই ক্রেতাও কিছুটা কম।বানেশ্বর হাটের ইজারাদার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হাটে এবার অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। আমের বাজার জমেই উঠছে না। আর গাছে আমই নেই, বাজার কীভাবে জমবে।

রাজশাহীতে এবার ১৯ হাজার ৬০২ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। গত বছর ১৯ হাজার ৫৭৮ হেক্টর জমিতে আমবাগান ছিল। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে জেলায় এবার মোট ২ লাখ ৬০ হাজার ৩১৫ মেট্রিক টন আমের উৎপাদন হবে।

এ ব্যাপারে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মোছা. উম্মে ছালমা  বলেন, এবার আমের মুকুল কম ছিল। মুকুলও দেরিতে এসেছে। এ কারণে আমের ফলন কিছুটা কম। তবে কৃষক ভালো দাম পাচ্ছে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে কি না বলা যাচ্ছে না। মৌসুম কেবল শুরু হল। দেখা যাক।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




যশোরে স্ত্রী কামড়ে স্বামীর জিহ্বা গেল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৩২জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোরের পল্লীতে স্বামী সোহাগের জিহ্বা কামড়ে ছিঁড়ে ফেলেছেন স্ত্রী সীমা খাতুন। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (১০ জুন) দুপুরে চৌগাছার পাতিবিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত সোহাগ ওই গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে।

স্থানীয় সুত্র জানায়, এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সোহাগে (২৪)র সঙ্গে তার স্ত্রী সীমা খাতুনের পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সীমা খাতুন কামড় দিয়ে তার স্বামীর জিহ্বা কেটে আলাদা করে ফেলে। পরে বাড়ির লোকজন সোহাগকে উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান। এ সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন।

সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সোহাগ আর কখনোই জিহ্বা ফিরে পাবে না। তবে তিনি শঙ্কামুক্ত।


আরও খবর



নতুন বউয়ের সাজে ধরা দিয়েছেন মাহিয়া মাহি

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিনিধি:বর্তমান সময়ের আলোচিত ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা ও মডেল মাহিয়া মাহি। যদিও কাজের চেয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই বেশি আলোচনা-সমালোচনায় থাকেন এই অভিনেত্রী। পর্দায় সচরাচর নায়িকা চরিত্রেই দেখা মেলে তার। পাশাপাশি ব্যস্ত থাকেন মডেলিংয়েও। কয়েকদিন পর পরই ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে ভিন্ন সাজে ধরা দেন মাহি।

কয়েকদিন আগে ব্রাউন চুলে, লাল রঙের স্লিভলেস টপস, রঙের সঙ্গে ম্যাচিং করে ঠোঁটে লিপিস্টিক; এমন লুকে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেন মাহিয়া মাহি। সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মন্তব্য ছিল এমন, এ যেন সাক্ষাৎ কোনো বিলেতি নায়িকা।

এবার ব্রাইডাল লুকে, নতুন বউয়ের সাজে ধরা দিয়েছেন মাহিয়া মাহি। পরেছেন সাদা চুমকি বসানো প্লাটিনাম-গোল্ড রঙের লেহেঙ্গা। পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে পরেছেন নেকপিস, দুল, টিকলি, রতনচুর আর চুড়ি। লেহেঙ্গার ওড়না ডান হাতে পেঁচিয়ে নিজেকে অনন্য রূপে এনে ক্যামেরায় দিয়েছেন পোজ।

সামাজিক মাধ্যমে এই অনন্য লুকে ধরা দেওয়ার পর মাহিকে মুগ্ধতা-ভালবাসায় ভরিয়ে দেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা।

গত ঈদে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘রাজকুমার’ এ ভিন্ন চরিত্রে কাজ করেছেন মাহি। সিনেমার নায়ক শাকিব খানের মায়ের চরিত্রে দেখা যায় এই অভিনেত্রীকে।

কিন্তু এবার কোরবানির ঈদে আসন্ন কোনো চলচ্চিত্রে কাজ করেননি মাহিয়া মাহি। এতে নায়িকার অভিনয় নিয়ে ব্যস্ততা না থাকলেও মডেলিংয়ে সময় দিচ্ছেন তিনি। কয়েকদিন পর পর ভিন্ন সাজে দেখা মেলে এই চিত্রনায়িকাকে।


আরও খবর



চারঘাট সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ৫০ লক্ষাধিক টাকার ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার হয়

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১০৮জন দেখেছেন

Image
সাজেদুর রহমান পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি:রাজশাহীর চারঘাট সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ৫০ লক্ষাধিক টাকার ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার হয়ে আসছে। চারঘাটের নন্দনগাছি হয়ে পুঠিয়ায় শাহবাজপুর, কান্দ্রা, দুদুরমোড় কলনী(গুচ্ছ গ্রাম) এখন ফেনসিডিল পাচারেরর নিরাপদ রুট। ভারতীয় মাদক দ্রব্য ফেনসিডিল, ইয়াবায় ছেড়েগেছে সমগ্র রাজশাহীর শহর- বন্দর,এমন কোন গ্রাম নেই যে  এই সর্বনাশি নেশা নেই। যুব ও তরুন সমাজই নয় মধ্যবয়সী ছেলে ও মেয়েরাও প্রতি নিয়ত ঝুকে পড়েছে এই নেশায়। সকল বাধা নিষেধ অপেক্ষা করে চারঘাটের সীমা›ত ঘাটগুলো দিয়ে ছুটে আসছে এদেশের আনাচে কানাচে। সীমাšত দিয়ে রাতা রাতি ছুটে আসছে পুঠিয়া থানার জামিরিয়া,শিবপুর, মাহেন্দ্রা,বেলপুকুর, ঝলমলিয়া, পুঠিয়া বাজার, বিড়ালদহ,বানেশ^ও এলাকায়। এসব গ্রাম গুলিতে রয়েছে শতশত মহাজন। এসব মহাজনরা এখান থেকে ঢাকাসহ এদেশের বিভিন্ন্ স্থানে পাচার করে থাকে । সীমাšত দিয়ে অভিনব সব উপায় অবলম্বন করে গড়ে তুলছে ফেনসিডিলের পাহাড় এবং এখান থেকে সমগ্র রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করছে। পদ্মা নদীর চর দিয়ে আশা প্রতিদিন হাজার-হাজার বোতল ফেনসিডিল ও ইয়াবা রাজশাহীতে আসছে। এসব ফেনসিডিল কখনো নৌকায় আবার কখনো বিশেষ প্রক্রিয়ায় বালিশ বানিয়ে ভেসে ভেসে ওপাশ থেকে এ পাশে আসছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ফেন্সিডিল ব্যবসাীয় জানান, ভারত থেকে ফেন্সিডিল আনতে খরচ হয় প্রতি বোতল ফেনসিডিল ৬৫-৭০ টাকা। পদ্মার পাড় ঘেষে যাদের বাড়ি, তারা ঘাটের লেবার থেকে এখন হয়েছে বড় বড় মহাজন। এরা কুড়ে ঘর থেকে তৈরী করছে ইট, পাথরের বাড়ি। রাজশাহীসহ এদেশের বিভিন্ন স্থানে শাহর, বন্দর,গ্রামে ফেনসিডিল বিক্রি করে প্রতি পিস ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। এসব মহাজনরা সবাই বর্তমান সরকার দলকে সমর্থন করেন কিন্তু এরা কেউ নেতা নন।পুলিশ প্রশাসন প্রতি মাসেই মোটা অংকের মাসোহারা নিয়ে কিছু কিছু ফেনসিডিল আটক করে থানায় নিয়ে আসে কিন্তু কোন ফেনসিডিল পাচার কারীদের আটক করেন না। এরা এখান থেকে ঢাকা যোগাযোগ করে সুযোগ মতো ঢাকায় প্রেরন করেন এবং তাদের সঙ্গে চুক্তি করেন।  প্রথমত তাদের নিরাপদ রুট গুলি বেছেনেন। তারপর বাস, মাইক্রো বাস, ট্রাক, পিকআপ ভ্যানে যাত্রী বেশে রাত দিন ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার করে থাকেন। তবে রাতের বেলাই মাদক বেশি পাচার হয়ে থাকে বলে জানান। এখন ফেনসিডিল পাচার হচেছ এক অভিনব কায়দায় পাষ্টিক জারের তলা কেটে ৩০০-৪৩০ বোতল দিয়ে চিটাগুড় দিয়ে ভরে তারপর তলা লাগিয়ে তলা লাগিয়ে মুুখ দিয়ে আবার চিটাগুড় ঢেলে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে নিজেস্ব ড্রাইভার দিয়ে চালান হয় সে সব গাড়ি। যদি পথে পুলিশ  আটকায় তখন টোকেন ও নাম্বার দিয়ে কিছু সেলামি দিলেই ঢাকায় পৌছে যায়। এক্ষেত্রে কোন মহাজন চালানের সাথে থাকে না।  এরা সবায় অšতরালে থেকেই সব কিছু নিয়ন্ত্রন করেন। এভাবেই দিনের পর দিন চলছে এদের রমরমা মাদক ব্যবসা।

আরও খবর



মিরসরাইয়ে ১ হাজার কেজির কালা পাহাড়ের দাম ৭ লাখ টাকা

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৭৩জন দেখেছেন

Image

এম আনোয়ার হোসেন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:৪ বছরে ষাড় বাচ্চা কালা পাহাড় এখন এক হাজার কেজি ওজনের একটি সুবিশাল গরু। হলেস্টিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটির দাম হাঁকানো হয়েছে ৭ লাখ টাকা। এরই মধ্যে আসন্ন কোরবানি মৌসুমে মিরসরাইয়ে চমক হয়ে উঠেছে কালা পাহাড়। গরুটির মালিক মিরসরাই উপজেলার ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়নের মজুমদারহাট এলাকার হাশিমনগরের বাসিন্দা সোহেল। ক্ষুদ্র খামারী সোহেল শখের বশেই গরু লালনপালন করেন। দেখতে কালো এবং সুবিশাল হওয়ার কারণেই গরুটির নামকরণ করা হয় কালা পাহাড়। কালা পাহাড় লম্বায় প্রায় আট থেকে নয় ফিট। দৈনিক দানাদার, খড় ও কাঁচা ঘাস মিলে অন্তত ২৫-৩০ কেজি খাবার খায় গরুটি। প্রতিদিন ৪-৫ বার গোসল করাতে হয় তাকে।

খামারি সোহেল জানান, কালা পাহাড়কে কখনও ইনজেকশন বা ফিড খাওয়ানো হয়নি। কিন্তু বর্তমান বাজারে পশু খাদ্যের দাম খুব বেশি। কালা পাহাড়কে গড়ে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার খাবার খাওয়াতে হয়। সে হিসাবে ৪ বছরে অনেক টাকা তার পিছনে ব্যয় হয়। এসব হিসাব করে কালা পাহাড়ের সুলভ মূল্য ধরা হয়েছে ৭ লাখ টাকা। লাইভ ওয়েটে গরুটি সাড়ে ৫ শত টাকা করে বিক্রি করা হবে। 

সোহেল বলেন, ‘কোনো হাটে কালা পাহাড়কে ওঠানোর ইচ্ছা নেই। বাড়ি থেকে বিক্রি করার ইচ্ছে। তবে মিরসরাইয়ের মধ্যে গরুটি বিক্রি হলে প্রয়োজনে ঈদ পর্যন্ত গরুকে আমার বাড়িতে রাখার সুযোগ দিবো।’

প্রতিবেশী জিল্লুর রহমান বলেন, ‘সোহেলের গরু পালনের কথা এলাকার সবাই জানে। কিন্তু তার লালনপালন করা কালা পাহাড় এর মতো এত বড় গরু এ এলাকায় আগে কখনও দেখা যায়নি।’


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪