Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তাকে পেটালেন বিক্ষুব্ধ মুসল্লিরা

প্রকাশিত:Friday ১০ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
Image

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আদমজী বিহারী ক্যাম্প এলাকায় অবস্থিত আদমজী শাহী জামে মসজিদ। শুক্রবার (১০ জুন) জুমার নামাজ শেষে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন ইমাম। তার বক্তব্য চলাকালে এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ভারতের ঘটনা ভারতে থাকুক; আমরা এ নিয়ে বিশৃঙ্খলা না করি।

তার এ বক্তব্যের জের ধরে হামলা চালিয়েছেন বিক্ষুব্ধ মুসল্লিরা। প্রথমে কথা-কাটাকাটি, পরে ওই পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় আরও দুজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে মসজিদ কমিটির সভাপতি জয়নাল আবেদীন মাস্টারের বাড়িতে নেওয়া হয়। পরে সেখানেও হামলা করে উত্তেজিত জনতা।

খবর পেয়ে স্থানীয় ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে প্রথম নগরীর সদর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। বর্তমানে তাকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

jagonews24

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, ভারতে মহানবী (সা.)-কে কটূক্তির প্রতিবাদে জুমার নামাজ শেষে বিক্ষোভ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মুসল্লিরা। এ নিয়ে মসজিদে ইমাম বক্তব্য রাখছিলেন। বক্তব্যের এক পর্যায়ে ভারতের প্রসঙ্গ এলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ আজিজুল হক বলেন, ‘ভারতের বিষয় ভারতে থাকুক, এ নিয়ে বিশৃঙ্খলা আমরা না করি’।

তার এ কথায় ক্ষুব্ধ হন মুসল্লিরা। এ নিয়ে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলা করেন মুসল্লিরা। এ সময় মসজিদ কমিটির সভাপতি জয়নাল আবেদীন ও সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন রবিনও আহত হন। তারা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আদমজী জামে মসজিদের সভাপতি জয়নাল আবেদীন জানান, জুমার নামাজের পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই সৈয়দ আজিজুল হক মাইকে বলেন, ভারতের ইস্যু ভারতেই থাকুক; আমাদের এখানে না আনি। এর জের ধরে আমরা নিজের দেশে কোনো বিশৃঙ্খলা না করি। একথা শুনে মুসল্লিরা তার ওপর হামলা করেন। তাকে রক্ষা করতে গিয়ে মসজিদের সেক্রেটারি বিল্লাল হোসেন রবিন আহত হন। পরে তারা দুজন এসআই আজিজকে উদ্ধার করেন।

jagonews24

কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি বলেন, আমাকে এলাকার লোকজন বিষয়টি জানালে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। ওসির সহযোগিতায় আহত পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা। আমরা মর্মাহত। এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। আহত এসআইকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর



মেহেরপুরে হয়রানিমূলক মামলা করায় বাদীর কারাদণ্ড

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করায় বাদীকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসএম শরিয়ত উল্লাহ্ এ আদেশ দেন।

রায়ে বাদী হিফজ উদ্দিনকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে এক হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও পাঁচ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোছা. শেফালি খাতুন জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে মারধর, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়াসহ কয়েকটি অভিযোগ এনে বাদী মো. হিফজ উদ্দিন একটি মামলা করেন। বিচার শেষে আদালতের কাছে স্পষ্ট হয় বাদীর অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক। ফলে আদালত আসামিদের খালাস দিয়ে বাদীকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আদালতে বাদী নিজেই বলেন, আসামি ঘটনাস্থলে ছিল না। জমি জমা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে এ মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। পরে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করায় বাদীকে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।


আরও খবর



নির্বাচনী ব্যয় নিয়ে বাস্তবতার সঙ্গে সত্যের বিরাট ফারাক: সিইসি

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

নির্বাচনের প্রকৃত ব্যয় নিয়ে বাস্তবতার সঙ্গে সত্যের বিরাট একটা ফারাক আছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

তিনি বলেছেন, নির্বাচনে প্রকৃত ব্যয় অনেক বেশি। অনেকে ১০-২০ লাখ ব্যয় করতে পারেন, কিন্তু প্রকৃত ব্যয় ১৫-২০ কোটি টাকা হয়ে যাচ্ছে। অর্থশক্তি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রচার-প্রচারণা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তাহলেই প্রকৃত ব্যয় কমানো সম্ভব। একই মঞ্চ থেকে যদি সব দলের নির্বাচনী প্রচার চালানো হয়, এটাকে প্রজেক্টশন মিটিং বলে, বিদেশেও হয়। এ প্রস্তাবটা আমার ভালো লেগেছে। তবে আমাদের আইনে সেটা নেই।

রোববার (২৪ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সঙ্গে সংলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিন জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর নেতৃত্বে ১৬ জনের একটি প্রতিনিধিদল ইসির সঙ্গে বৈঠকে বসে। অন্যদিকে বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশার কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বে অন্য নির্বাচন কমিশনার ও ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিইসি বলেন, আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) ছাড়াও কয়েকটি আইন আছে। ক্ষমতার কোনো ঘাটতি দেখছি না। মানে প্রথমে সংবিধানে বলা হয়েছে, নির্বাহী বিভাগ নির্বাচনকালীন সময়ে ইসির অধীনে থাকবে। এরপর আরপিও, নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, আচরণ বিধিমালা আছে। আরেকটা আছে নির্বাচন কর্মচারি বিশেষ বিধান আইন। অতএব যারা নির্বাচনী কাজে ন্যস্ত থাকবে, তারা নির্বাচনকালীন আমাদের অধীনে থাকবে। কেউ ডিফাইন করলে তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমি মনে করছি না যে, ক্ষমতার খুব একটা অভাব আছে। কিন্তু এটুকু সহাযোগিতা চাই, আইনানুগভাবে কিছু প্রয়োগ করলে আপনারা যেন তাতে সমর্থন দেন। সমর্থন না দিয়ে যদি বিরুদ্ধাচারণ করেন, তবে খুব কঠিন হবে।

তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করবো আরোপিত ক্ষমতাগুলো সুন্দরভাবে ব্যবহার করতে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি একটু কঠোর হতে পারে। সেটা আমাদের জন্য নয়। আপনাদের সবার জন্য, শান্তিপূর্ণ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য। কূটনৈতিকদের কথা বলেছেন, হ্যাঁ, কয়েকদিন আগে একটি গ্রুপ এসেছিল। তারা নির্বাচনের ব্যাপারে কোনো পরামর্শ দেয়নি। বাইরে থেকে মনে হতে পারে, তবে তারা শুধু অবহিত হয়েছেন আমাদের নির্বাচন সম্পর্কে। উনারা কোনো পরামর্শ দেননি। আমি যেটা শুনেছি, যখন কোনো নির্বাচন আসে, এরা ধারাবাহিক এসে সাক্ষাৎ করে যান।

সিইসি বলেন, আপনারা সালিশীর কথা বলেছেন। সবাই বলছে নির্বাচনটা যেন অংশগ্রহণমূলক হয়। আমরা সুস্পষ্টভাবে বলেছি, কাউকে নির্বাচনে আসতে আমরা বাধ্য করতে পারবো না। ওটা আমাদের দায়িত্বও নয়। আমাদের দায়িত্ব সবাইকে আহ্বান করা। সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টির কথা বলেছেন। কোনো দিকে আমরা পক্ষপাত, কোনো দিক আমরা নিপীড়নমূলক হয়ে পড়ি। অথবা যে মাঠে যে জিনিসগুলো সহায়ক হওয়া উচিত, সে জিনিসগুলো ওভাবে আসছে না। এক্ষেত্রে সবাই যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন। সবাই বলছে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে কি না, কেন্দ্রে মারামারি হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা পাচ্ছে না। এজন্য আমাদের কাছে চলে আসে। কারণ, আইনে বলা আছে, নির্বাচনকালীন পুলিশ, প্রশাসন ইসির নিয়ন্ত্রণে থাকবে।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক পাচ্ছেন ২৮ কর্মকর্তা ও ৩ দপ্তর

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৮০জন দেখেছেন
Image

প্রথমবারের মতো ‘বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক’ পাচ্ছেন প্রশাসনের ২৮ জন কর্মকর্তা ও ৩টি সরকারি দপ্তর। আগে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা, মননশীলতা ও উদ্ভাবনী প্রয়াসকে উৎসাহিত করতে ‘জনপ্রশাসন পদক’ দেওয়া হতো। এবার ‘জনপ্রশাসন পদক’ এর নাম বদলে নতুন আঙ্গিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানে কর্মকর্তাদের এ পদক দেওয়া হচ্ছে।

এরই মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক প্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মনোনীতদের তা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৩ জুলাই জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবসে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মনোনীতদের হাতে ‘বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক’ তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকবেন।

এবার ‘সাধারণ প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা’য় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ‘উন্নয়ন প্রশাসনে’ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক পাচ্ছে।

‘মানব উন্নয়ন’ ক্ষেত্রে দলগতভাবে পদক পাচ্ছেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, বাগেরহাট মোল্লারহাটের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ওয়াহিদ হোসেন, মোল্লারহাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দ্য মন্ডল ও মোল্লারহাটের উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. কামাল হোসেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব কাজী মো. আব্দুর রহমান (নেত্রকোণার সাবেক জেলা প্রশাসক), নেত্রকোণার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক উপ-পরিচালক (বর্তমানে পিআরএল ভোগরত), নেত্রকোণা খালিয়াজুরির উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এ এইচ এম আরিফুল ইসলাম, খালিয়াজুরির সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) (বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে যোগ দেওয়া) নাহিদ হাসান খান ও নেত্রকোণার মদনের উপজেলা কৃষি অফিসার মো. হাবিবুর রহমান ‘অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ ক্ষেত্রে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

‘দুর্যোগ ও সংকট মোকাবিলা’য় নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাবেক জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) এ এইচ এম আব্দুর রকিব, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহিদ নজরুল চৌধুরী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জাকিউল ইসলাম পদক পাচ্ছেন।

‘অপরাধ প্রতিরোধ’ ক্ষেত্রে মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক রহিমা খাতুন, গোপালগঞ্জের স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক আজহারুল ইসলাম (মাদারীপুরের স্থানীয় সরকারের সাবেক উপ-পরিচালক), মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ঝোটন চন্দ, মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ-আবু-জাহের দলগত আবেদন ক্ষেত্রে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

‘জনসেবায় উদ্ভাবন’ ক্ষেত্রে দলগতভাবে মনোনীত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, ঢাকার জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম ও সুরক্ষা ডেভেলপার ইউনিট।

‘সংস্কার’ ক্ষেত্রে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোস্তাফিজুর রহমান। ‘গবেষণা’য় পদক পাচ্ছেন বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান ও ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) পারভেজুর রহমান।

কুমিল্লার ডিসি মোহাম্মদ কামরুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নাজমা আশরাফী, সহকারী কমিশনার ফাহিমা বিনতে আখতার ও নাসরিন সুলতানা নিপা ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ খাতে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

জনপ্রশাসনে কর্মরত কর্মচারীদের সৃজনশীল ও গঠনমূলক কার্যক্রম উৎসাহিত করার মাধ্যমে কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়নে উৎসাহিতকরণ ও সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অধিকতর গতিশীল করতে সরকার ২০১৬ সালের ২৩ জুলাই প্রথমবারের মতো জনপ্রশাসন পদক দেয়।

২৩ জুলাই জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবসের অনুষ্ঠান উদযাপনের অংশ হিসেবে এই পদক দেওয়া হয়। পদক দিতে ‘জনপ্রশাসন পদক নীতিমালা ২০১৫ (২০১৬ সালে সংশোধিত)’ করা হয়। এ বছর সেই নীতিমালা বাতিল করে ‘বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক নীতিমালা, ২০২২’ প্রণয়ন করা হয়।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী সাধারণ প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন প্রশাসন, সামাজিক উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা, মানব উন্নয়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, পরিবেশ উন্নয়ন, দুর্যোগ ও সংকট মোকাবিলা, অপরাধ প্রতিরোধ, জনসেবায় উদ্ভাবন, সংস্কার, গবেষণা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি-ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক দেওয়া হচ্ছে।

মনোনীতদের পুরস্কার হিসেবে একটি স্বর্ণপদক (২১ ক্যারেট মানের ১৫ গ্রাম ওজনের) এবং রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম সংবলিত সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

ব্যক্তিগত অবদানের জন্য ২ লাখ টাকা, দলগত অবদানের জন্য ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে। দলগত অবদানের ক্ষেত্রে দলের সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা ৫ জন। দলের প্রত্যেক সদস্যকে স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও ক্রেস্ট দেওয়া হবে এবং নগদ পুরস্কারের ৫ লাখ টাকা সদস্যদের মধ্যে সমভাবে বণ্টন করা হবে। প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে স্বর্ণপদক, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি/দলের অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীরা এবং এর আগে জাতীয় পর্যায়ে জনপ্রশাসন পদক প্রাপ্ত ব্যক্তি/দলের অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীরা নামের শেষে ‘পাবলিক অ্যাডমিস্ট্রেটিভ অ্যাওয়ার্ড’ এর সংক্ষিপ্তরূপ ‘পিএএ’ টাইটেল ব্যবহারের পরিবর্তে সরকারি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে পোশাকের সঙ্গে সরকার অনুমোদিত বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদকের মনোগ্রাম ব্যবহার করতে পারবেন বলে নতুন নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।


আরও খবর



মধ্যরাতে থানার সামনে কিশোর গ্যাংয়ের দু’গ্রুপের তাণ্ডব

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

আধিপত্য বিস্তার ও চুরি করা টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার সামনে তাণ্ডব চালিয়েছে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপ। এ সময় সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় এক সাংবাদিকের ওপর হামলা চালায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা।

মঙ্গলবার (০২ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় অংশ নেওয়া ওই দুই গ্রুপের নেতৃত্ব দেন কথিত ছাত্রলীগ নেতা রাসেদ খান মেনন ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী এনামুল হক অনিক। রাসেদ ৫৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মো. সেলিম মিয়া ও অনিক গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী নুর মোহাম্মদ মামুনের অনুসারী বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসী জানায়, মাস খানেক আগে কাঁঠালদিয়া বস্তির উচ্ছেদকৃত জায়গায় স্টিল কর্পোরেশনের নির্মাণাধীন ভবনের বিপুল পরিমাণ লোহার রড চুরি হয়। ওই লোহা বিক্রির টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরেই রাসেদ খান মেনন ও অনিক গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এছাড়াও মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল।

মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে মিত্তিবাড়ি এলাকায় দুই গ্রুপের কিশোরদের মধ্যে মারামারি হয়। পরে উভয় গ্রুপ থানায় অভিযোগ করতে গেলে থানা ফটকের সামনে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় স্থানীয় সংবাদকর্মী আরিফ চৌধুরীর ওপর হামলা চালায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা সাংবাদিক আরিফের মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও আইডি কার্ড কেড়ে নিয়ে চলে যায়। এ ঘটনায় বুধবার বিকেলে আরিফ চৌধুরী বাদী হয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

সাংবাদিক আরিফ চৌধুরী বলেন, রাত ১১টার দিকে মিত্তিবাড়ি এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়। ওই ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ শেষে টঙ্গী পশ্চিম থানার সামনে আসলে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে থানায় অভিযোগ দিতে আসা দুই গ্রুপের মধ্যে ফের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করার সময় আশরাফুল ইসলাম বাবু নামে একজন আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। পরে ২০-৩০ জন কিশোর আমাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে কিল-ঘুষি মেরে আমার সঙ্গে থাকা দুইটি মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও এশিয়ান টেলিভিশনের আইডি কার্ড ছিনিয়ে নেয়। ওই সময় থানা পুলিশের টহল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই গ্রুপকে লাঠিচার্জ করে নিবৃত করে।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক তিনটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এছাড়াও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় আরেকটি অভিযোগ হয়েছে। তদন্তের পর এ ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

এদিকে ৫৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মো. সেলিম মিয়া ও গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী নুর মোহাম্মদ মামুন জানান, হামলাকারীরা তাদের কোনো অনুসারী বা পরিচিত নয়। এসব ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো লোক জড়িত নেই। কেউ অপরাধ করলে আইন মোতাবেক তার শাস্তি হবে।


আরও খবর



ইমামবাড়িতে বৃহৎ শোকমিছিলের প্রস্তুতি

প্রকাশিত:Tuesday ০৯ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৪জন দেখেছেন
Image

মানিকগঞ্জের শতাব্দী প্রাচীন গড়পাড়া ইমামবাড়ি অন্যান্য বারের মতো এবারও যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যর সঙ্গে পবিত্র আশুরা পালনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে, যা গত ১ মহররম (৩১ জুলাই) শুরু হয়েছে।

আশুরা উপলক্ষে মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) বিকেলে গড়পাড়া ইমামবাড়ি থেকে বিরাট শোকমিছিল বের হবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হিজরি ৬১ সালের ১০ মহরম মহানবী হযরত মুহম্মদ (সঃ) এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেন (রা.) ও তার পরিবারবর্গ ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে শাহাদতবরণ করেন। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় তাদের এ আত্মত্যাগ মুসলিম উম্মার জন্য এক উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে। কারবালার শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক ঘটনার স্মরণে দিনটি বিশ্বের মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ত্যাগ ও শোকের প্রতীকরূপে দিনটি পালন করা হয় মুসলিম বিশ্বে। বাংলাদেশেও যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে এবং সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

গড়পাড়া ইমামবাড়ি ইমাম হোসেনের শহীদ হওয়ার সেই ঘটনাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে আসছে। ১ থেকে ৯ মহরম প্রতিদিন ইমামবাড়িতে ফাতেহা, মিলাদ, নেয়াজ, মার্সিয়া ও মাতম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্বমানবতা ও শান্তির অগ্রদূত হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেনের আত্মত্যাগের কথা প্রচারের জন্য ইমামবাড়ি থেকে ৩০টি কাসেদের দল দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বের হয়েছে। ঢাকা জেলার একাংশ, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, পাবনা, রাজশাহী, ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও নাটোর জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ঘুরে কাসেদের দলগুলো আশুরার দিন দুপুরে ইমামবাড়িতে এসে সমবেত হবে।

এছাড়া ইমামবাড়ি থেকে দেশের অন্যতম বৃহৎ শোকমিছিল বের হবে। প্রায় অর্ধলক্ষ ইমাম ভক্তের ‘হায় হোসেন’ ‘হায় হোসেন’ ধ্বনিতে মানিকগঞ্জের আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হবে।

হযরত ইমাম হোসেনের শেষ মঞ্জিলের নকশা ‘তজিয়া’, তার নিজের ব্যবহার করা ঘোড়া ‘দুলদুল’ ও কারবালা যুদ্ধের স্মৃতি বহনকারী নিশান নিয়ে মিছিল শুরু হবে বিকেল ৩টায়।

মিছিলটি ইমামবাড়ি থেকে শুরু হয়ে মানিকগঞ্জ শহরের সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ মাঠে গিয়ে অবস্থান নেবে। সেখানে ইফতার ও মাগরিবের নামাজের পর আশুরার গুরুত্ব, তাৎপর্য ও মর্যাদা সম্পর্কে শোকসভাও অনুষ্ঠিত হবে।

গড়পাড়া ইমামবাড়ি দরবার শরীফের খাদেম শাহ আরিফুর রহমান বাবুর সভাপতিত্বে সভায় হযরত ইমাম হোসেনের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। মানিকগঞ্জের বিশিষ্ট সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং প্রশাসনিক কর্তারা শোকসভায় কারবালার মহান শহীদদের আত্মত্যাগ সম্পর্কে আলোচনা করবেন। সভা শেষে ইসলাম ও বিশ্বশান্তির উদ্দেশ্যে বিশেষ দোয়া করা হবে। গড়পাড়া ইমামবাড়ির অন্যতম খাদেম শাহ্ শাহজাদা রহমান বাধন রহমান দোয়া পরিচালনা করবেন।


আরও খবর