Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

প্রকাশিত:Sunday ১৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৩৬৯জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ রোববার সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ২০১১ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন গঠিত হওয়ার পর এটি তৃতীয় নির্বাচন।

এবার নির্বাচনে মেয়র পদে সাত এবং সাধারণ ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৮২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার রয়েছেন পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ৩৫৭ জন। প্রচার-প্রচারণায় একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও এ নির্বাচনকে ঘিরে এখন পর্যন্ত কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি।

এই নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাত প্রার্থী। তারা হলেন-আওয়ামী লীগের সেলিনা হায়াৎ আইভী (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার (হাতি), খেলাফত মজলিশের এ বি এম সিরাজুল মামুন (দেয়াল ঘড়ি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাও. মো. মাসুম বিল্লাহ (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম (ঘোড়া), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. জসীম উদ্দিন (বটগাছ) ও বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মো. রাশেদ ফেরদৌস (হাত ঘড়ি)। এ ছাড়া সিটির ২৭ ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪৮ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটাররা মনে করছেন, মেয়র পদে মূল লড়াইটা হবে আইভী ও তৈমুরের মধ্যে।

জানা গেছে, মোট ভোটারের দুই লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৬ জন পুরুষ ও দুই লাখ ৫৭ হাজার ৫১১ জন নারী। এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের চার জন ভোটার রয়েছেন। নগরীর ২৭ ওয়ার্ডের ১৯২ কেন্দ্রের এক হাজার ৩৩৩ কক্ষে ভোটগ্রহণ চলবে। এ জন্য নারায়ণগঞ্জে দুই হাজার ৯১২টি ইভিএম মেশিন আনা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রয়োজনের তুলনায় দেড়গুণ ইভিএম রাখা হবে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার। শনিবার দুপুর থেকে কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনি সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ১৯২ কেন্দ্রের মধ্যে ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, ‘সবগুলো কেন্দ্রকেই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনায় রেখে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম বলেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন পরিচালনা করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন পরিচালনায় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে রয়েছেন ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ ৯ জন।

তারা হলেন, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মতিয়ুর রহমান, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, বন্দর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল কাদির, সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আফরোজা খাতুন, সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইউসুফ উর রহমান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের নির্বাচন কর্মকর্তা প্রতিভা বিশ্বাস, আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সুলতানা এলিন, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ ও ডেমরা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা আল-আমিন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে ১৯২ কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৫ হাজারেরও বেশি সদস্য নিয়োজিত আছেন। প্রতি কেন্দ্রে আছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২৬ জন সদস্য। পুলিশের ২৭ ইউনিট স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে আছেন। এ ছাড়া পুলিশের ৬৪টি মোবাইল টিম; প্রতি টিমে একজন এসআইয়ের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্য আছেন। নির্বাচনি মাঠে র‌্যাবের স্ট্রাইকিং ফোর্স ৩, চেকপোস্টে ছয়, টহলে সাত ও দুটি স্ট্যাটিক টিম আছে। এ ছাড়া এই নির্বাচনে আছে বিজিবির ২০ প্লাটুন সদস্য।

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য ১৪ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়। পেনাল কোডের অধীনে তারা মামলা নিয়ে সংক্ষিপ্ত বিচারকাজ পরিচালনা করবেন। গত ১৪ জানুয়ারি থেকে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট পাঁচদিন নির্বাচনি এলাকায় কাজ করবেন তারা। এ ছাড়া ২৭টি ওয়ার্ডে থাকবেন ২৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) রাত থেকে নির্বাচনি এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ভোটের দিন নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন ছাড়া কোনও যান্ত্রিক বাহন চলাচলও নিষিদ্ধ। এ ছাড়া নির্বাচনি এলাকায় সব ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ৯ সংস্থার ৪২ পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সংস্থাগুলো হলো-জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদ (জানিপপ), সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন, সমাজ উন্নয়ন প্রয়াস, তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থা, তালতলা যুব উন্নয়ন সংগঠন, রিহাব ফাউন্ডেশন, বিবি আছিয়া ফাউন্ডেশন এবং মানবাধিকার ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (মওসুস)।


আরও খবর



নাসিরনগরে মিথ্যা খুনের মামলা দিয়ে সাংবাদিক ও তার পরিবারের লোকজনকে হয়রানী

প্রকাশিত:Friday ২৯ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২০৩জন দেখেছেন
Image

নাসিরনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)সংবাদদাতাঃ-

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরে এশিয়ান টেলিভিশন ও দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার নাসিরনগর উপজেলা প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের নাসিরনগর উপজেলার সভাপতি মোঃ আব্দুল হান্নান ও তার পরিবারকে মিথ্যা খুনের মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে।


জানা গেছে গত ২৬ এপ্রিল ২০২২ রোজ মঙ্গলবার বেলা অনুমান আড়াই ঘটিকার সময় লঙ্গন নদীর পাড় আশুরাইল পশ্চিম পাড়ের মৃত রাজু মিয়ার ছেলে মোঃ সারাজ মিয়ার কাটা ধান বাড়িতে নিয়ে দেয়ার জন্য শ্রীঘর গ্রামের চাচুয়ার পাড়ের তাজুল ইসলামের ছেলে জুনাইদ মিয়ার সাথে ভাড়া করে।


জুনাইদ প্রতি ট্রাকের ভাড়া বাবদ ৬ শত টাকা আর সারাজ মিয়া ৫ শত টাকা করে দিবে নদীর পাড় থেকে সারাজ মিয়ার বাড়িতে নিয়ে দেয়ার কথা বলে দরকষাকষির এক পর্যায়ে দু জনেন মাঝে কথা কাটাকাটি শুরু হলে পাশে তাকা আশুরাইল গ্রামের মৃত ইউনুছ মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া দৌড়ে এসে সারাজ মিয়ার পক্ষ নেয়।এই নিয়ে ৩ জনের মাঝের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এই নিয়ে নদীর পাড়ে থাকা আশুরাইল  উভয় গ্রামের  লোকজনের মাঝে সংর্ঘষ বাধে। প্রায় আধা ঘন্টা ব্যপী সংর্ঘষে দুই গ্রামের প্রায় ২০ জন আহত হয়।


নদীর পাড়ে দুই গ্রামের সংর্ঘষ  চলাকালে সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হান্নান নাসিরনগর সদরে থানার সামনে রাজিব কম্পিউারে বসে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ঈদ উপলক্ষে গরীবদের মাঝে ঘর বিতরণের সংবাদ লিখায় ব্যস্ত থাকা অবস্থায় মোবাইলে দুইগ্রামের লোকজনের মাঝে ঝগড়ার খবর আসে।


সাংবাদিক আব্দুল হান্নান সাথে সাথে মোবাইল ফোনে ঝগরার বিষয়টি নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুল্লাহ সরকারকে জানালে তিনি পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।এ সময় সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হান্নান ঘটনাস্থলে গিয়ে তার নিজের মোবাইল থেকে ঝগড়ার লাইভ দেন।


সংঘর্ষে চলাকালীন সময়ে শ্রীঘর গ্রামের জুনাইদের চাচা মৃত সানু মিয়ার ছেলে নায়েব উল্লাহ (৪৫)তার গ্রামের বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২ কিঃমিঃ দুর থেকে প্রচন্ড গরমের মধ্যে দিয়ে দৌড়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারামারি করার জন্য ঘটনাস্থলে আসা মাত্রই হার্টএ্যাটাক করে মৃত্যু বরণ করে।পরে নায়েব উল্লাকে নাসিরনগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত  চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।


খবর পেয়ে সরাইল নাসিরনগর,আশুগঞ্জ সার্কেল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আনিছুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসেন।এ সময় এ সময় ওসি,সার্কেল,ডাক্তার মিলে সাংবাদিক আব্দুল হান্নানকে সাথে নিয়ে নিহতের শরীরর বিভিন্নভাবে পরীকা নিরিক্ষা করেন এবং অডিও ভিডিও ধারন করেন।নিহত নায়েবুল্লার শরীরের কোথাও কোনরূপ আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।


নায়েবুল্লার নিহতের বিষয়ে জানতে চাইলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোঃ আশিক মর্তুজা সীমান্ত বলেন প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে নায়েব উল্লাহ হার্ট‌ এ্যাটাক করে মারা গেছে। প্রয়োজনীয় পরিক্ষা নিরিক্ষা ও ময়না তদন্তের  জন্য লাশ ব্রাক্ষণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।


পরে ওই ঘটনায় ৪৯ জন অজ্ঞাত নামা আরো বেশ কয়েক জনকে আসামী করে নিহত নায়েববুল্লার ভাই বাদী হয়ে নাসিরনগর থানায় একটি  হত্যা মামলা দায়ের করে।ওই মামলায় সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হান্নানকে ৫ নান্বার আসামী করা হয়েছে।সাংবাদিক ছাড়াও তার পরিবারের বড় ভাই মোঃ ফরিদ মিয়াকে ৬ নাম্বার আসামী সহ তার ছোটভাই সাফু মিয়াকেও আসামী করা হয়েছে।


বিষয়টি নিয়ে নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুল্লাহ সরকার বলেন,"প্রথমিক ভাবে নিহতের পরিবারের দেয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি রুজ্জু হয়েছে,তবে এতে কেহ হয়রানীর শিকার হবে না,পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার সঠিক রিপোর্ট আদালতে পাঠাবে"।


আরও খবর



মোটরসাইকেল যোগে দুর্ধর্ষ ছিনতাই

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের মোবাইল ফোন ও ব্যাগ ছিনতাই

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাতিল সিরাজের স্ত্রী ইফফাত জাহান রিতার (৪১) মোবাইল ফোন ও টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।


শুক্রবার (২০ মে) বেলা ৩টার দিকে মহানগরীর বিগবাজারের কাছে এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।


এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রিতা মহানগরীর বোয়ালিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।


অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে ভুক্তভোগী ইফফাত জাহান রিতা রিকশাযোগে মহানগরীর রেলগেট এলাকা থেকে আমানা বিগবাজারের দিকে যাচ্ছিলেন।


আমানা বিগবাজারে পৌঁছার আগেই লাল পাঞ্জাবি পরা এক ছিনতাইকারী মোটরসাইকেলযোগে এসে তার ডানহাতে থাকা ভেনেটি ব্যাগটি ছিনতাই করে চলে যায়। ব্যাগের মধ্যে মোবাইল ফোন, আড়াই হাজার টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিল।


জানতে চাইলে রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, দিনে-দুপুরে এভাবে মোবাইল ফোন ও টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নিজেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।


ছিনতাইকারীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ইতোমধ্যেই অভিযান শুরু করেছে


আরও খবর



কর্তৃপক্ষের দাবি লাফিয়ে আত্মহত্যা

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদ থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

রাজধানীর গ্রিনরোডে এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির সাততলা থেকে পড়ে ইমাম হোসেন (২৩) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। 


সে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।


বৃহস্পতিবার (১৯ মে) সকাল আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।  


মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমাম হোসেনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সকাল দশটায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


নিহত শিক্ষার্থীর বাড়ি ভোলা লালমোহন উপজেলায়। নিহতের বাবার নাম আক্তার হোসেন।


কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে ৯৮নং পূর্ব রাজাবাজারে একটি মেসে থাকতেন। ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন তিনি।


 বৃহস্পতিবার সকালে তার তৃতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা ছিল।


বিশ্ববিদ্যালয়টির এ্যাসিস্টেন্ট অ্যাডমিন অফিসার ফয়সেলুজ্জামান জানান, সকালে তিনি যখন ভার্সিটিতে ঢুকছিলেন তখন শুনতে পান ভবন থেকে এক শিক্ষার্থী নিচে পড়ে গেছেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল, পরে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল নিয়ে যান। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।


তিনি দাবি করেন, ভার্সিটির সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে ওই শিক্ষার্থী নয়তলা ভবনটির সাত তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন।


 ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. বাচ্চু মিয়ার মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



আরও খবর



ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে প্রবাসী আহত

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ April ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ১৩০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

রাজধানীর সায়েদাবাদে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে শহীদুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছে। এ সময় তার থেকে ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টা দিকে সায়দাবাদ বাসস্ট্যান্ড মসজিদের সামনের একটি গলিতে এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।


শহিদুলের ভাগিনা মামুন জমাদ্দার অভিযোগ করে জানান, শহিদুল ইসলামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলায়।তিনি সৌদি প্রবাসী । ৭-৮ মাস আগে দেশে এসেছেন। কিছুদিন পর আবার বিদেশ যাওয়ার কথা ছিল। 


এজন্য কাগজপত্র ঠিক করতে গত রাতে বরগুনা থেকে বাসে করে ঢাকায় রাজারবাগ কালিবাড়ি এলাকায় মামুনের বাসায় আসছিলেন। ভোরে সায়দাবাদে বাস থেকে নেমে মসজিদে বসে সেহরি খান তিনি। এরপর নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হয় একটি গলি দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় দুই ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে।


 তার সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। বাধা দিলে তাদের মধ্যে একজন তার বাম হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। তার সঙ্গে থাকা ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।


তিনি আরও জানান, এসময় শহিদুলের চিৎকারে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে গেলে এক রিকশাচালক তাকে মুগদা হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে সেখান থেকে মামুন তাকে উদ্ধার করে সকালে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যান। তার হাতে বেশ কয়েকটি সেলাই দেওয়ার পর তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।


আরও খবর



স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সব থেকে পরিবেশবান্ধব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  


গ্যাস ফুরিয়ে গেলে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আমাদের বিদ্যুৎ দেবে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।


বুধবার (১৮ মে) আওয়ামী লীগ আয়োজিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।  


বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সভায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে তিনি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন।


সরকারের উন্নয়ন ও অর্জন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ বাংলাদেশ পৃথিবীতে উন্নয়নের রোল মডেল।


এর ভেতরে আমাদের কিছু নতুন আঁতেল আবার জুটেছে। একজন অর্থনীতিবিদ বলেই দিলেন আমরা যে, রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করেছি এটা না কি অর্থনৈতিকভাবে ভীষণ ক্ষতিকর।


আমরা প্রশ্ন হচ্ছে, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র এটা হচ্ছে সব থেকে পরিবেশবান্ধব। গ্যাস তো চিরদিন থাকে না। এক একটা কূপের তার তো সময় নির্দিষ্ট থাকে। তেলভিত্তিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ আমরা করি, অনেক খরচেরও ব্যাপার। যদি কোন দিন এমন হয় যে, আমাদের গ্যাস ফুরিয়ে যাচ্ছে তখন আমাদের এই নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টই বিদ্যুৎ দেবে। 


আর এটা পরিবেশবান্ধবও একটা বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখানে বিনিয়োগটা বড় করে দেখা যায়। কিন্তু এর বিদ্যুৎ যখন উৎপাদন হবে আর এর বিদ্যুৎ যখন মানুষ ব্যবহার করবে আমাদের অর্থনীতিতে অনেক বেশি অবদান রাখবে। 


আজ আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছি বলেই সারা বাংলাদেশে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমরা যখন রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করলাম তখন কত সমালোচনা। আমরা যখন ডিজিটার বাংলাদেশ ঘোষণা দিলাম তখন কত সমালোচনা। এখন ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করেই আমাদের সমালোচনা করছে। তারা যে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন এটা কিন্তু আমরা দিচ্ছি। 


খালেদা জিয়ার আমলে, জিয়ার আমাল বা এরশাদের আমলে তাদের কি কথা বলার কোনো সুযোগ ছিল। অধিকার ছিল, কতটুকু অধিকার ভোগ করতেন তারা। টক শো তারা করেই যাচ্ছেন, টক টক কথা বলেই যাচ্ছেন। তাদের তো গলাটিপে ধরি না, মুখ চিপেও ধরি না। বলেই যাচ্ছেন, সব কথা বলার শেষে বলে কথা বলতে দেওয়া হয় না। 


বিএনপির এক নেতা তো সারা দিন মাইক মুখে লাগিয়ে আছেন। সারাক্ষণ বলেই যাচ্ছেন। একবার কথা বলতে বলতে গলায় অসুখও হলো। চিকিৎসা করে তিনি আবার কথা বলছেন। কথা তো কেউ বন্ধ করছে না। তাদের আন্দোলনে যদি জনগণ সাড়া না দেয় সে দোষটা কাদের?


প্রধানমন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে যে, অর্থনীতিবিদ তিনি হিসাব দেখালেন তাকে আমি বলবো, তিনি কী এটা প্রকৃতপক্ষে জেনেই বলছেন, না কি না জেনেই বলছেন। আমি তার জ্ঞান নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলবো না কারণ তারা অনেক ভালো লেখাপড়া জানেন। 


কিন্তু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পেয়ে একটি মানুষের বা একটা জাতি যে কতটুকু উন্নতি হতে পারে সে তো আজকের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের উন্নয়নটা বাইরের লোকে দেখে কিন্তু তারা দেখে না চোখে।


পদ্মাসেতুর প্রসঙ্গ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আরেকটি হচ্ছে পদ্মাসেতু, এই পদ্মাসেতুর অর্থ বন্ধ করালো ড. ইউনুস। কেন, গ্রামীণ ব্যাংকের একটা এমডির পদে তাকে থাকতে হবে। তাকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম গ্রামীণ ব্যাংকে উপদেষ্টা হতে। এমিরেটাস উপদ্ষ্টো হিসেবে থাকার জন্যে, আরও উচ্চ মানের। সেটায় সে থাকবে না, তার এমডিই থাকতে হবে। কিন্তু তার বয়সে কুলায় না। 


ড. ইউনুস কিন্তু আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। কিন্তু কোর্ট আর যাই পারুক তার বয়স তো কমিয়ে দিতে পারবেন না ১০ বছর। গ্রামীণ ব্যাংকের আইনে আছে ৬০ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। তখন তার বয়স ৭১ বছর। এই বয়সটা কমাবে কীভাবে, তিনি মামলায় যে হেরে যায়। কিন্তু প্রতিহিংসা নেয় ড. ইউনুস এবং যেটা আমরা শুনেছি মাফুজ আনাম তারা আমেরিকায় চলে যায়, স্টেট ডিপার্টেটমেন্টে, হেলারির কাছে ই-মেইল পাঠায়। হিলারি লাস্ট একেবারে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তার শেষ কর্মদিবসে পদ্মাসেতুর টাকা বন্ধ করে দেয়। 


যাক একদিকে সাপে বর হয়েছে। বাংলাদেশের নিজের অর্থায়নে পদ্মাসেতু করতে পারে সেটা আজকে আমরা প্রমাণ দিয়েছি। কিন্তু আমাদের এখানে একজন জ্ঞানী লোক বলে ফেললেন পদ্মাসেতু দিয়ে যে রেললাইন হচ্ছে ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে, এ টাকা তো ঋণ নিয়ে করা হচ্ছে এই ঋণ শোধ হবে কী করে কারণ দক্ষিণবঙ্গের কোনো মানুষ তো রেলে চড়বে না। তারা তো লঞ্চে যাতায়াত করে। তারা রেলে চড়তে যাবে কেন, এই রেল ভায়াবল হবে না। সেতুর কাজ হয়ে গেছে এখন সেতু নিয়ে আর কথা বলে পারছে না। রেলে কাজ চলছে, রেলের কাজ নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছে। আমার মনে হয় আমাদের সবার উনাকে চিনে রাখা উচিত। রেলগাড়ি যখন চালু হবে উনাকে রেলে নিয়ে চড়ানো উচিত।


পদ্মাসেতু নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আর খালেদা জিয়া বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু করা হচ্ছে। কারণ স্প্যান‌গুলো যে বসাচ্ছে ওটা ছিল তার কাছে জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু বানাচ্ছে ওখানে চড়া যাবে না, চড়লে ভেঙে পড়বে। তার সঙ্গে তার কিছু দোসসরাও। তাদেরকে কী করা উচিত, পদ্মাসেতুতে নিয়ে যেয়ে ওখান থেকে টুস করে ফেলে দেওয়া উচিত। আর যিনি একটা এমডি পদের জন্য পদ্মাসেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করে দেয় তাকেও পদ্মানদীতে নিয়ে দুটা চুবনি দিয়ে উঠিয়ে নেওয়া উচিত। মরে যাতে না যায়, একটু চুবনি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত, তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়। 



বড় অর্থনীতিবিদ জ্ঞানীগুণী তারা এই ধরনের অর্বাচীনের মতো কথা বলে কিভাবে, সেটাই আমার প্রশ্ন। মেগা প্রজেক্টগুলো করে না কী খুব ভুল করছি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাই উৎক্ষেপণ করেছি, এতো টাকা দিয়ে স্যাটেলাইট করে কি হবে এ প্রশ্নও কিন্তু তুলেছে তারা। অর্থাৎ বাংলাাদেশের জন্য ভালো কিছু করলেই তাদের গায়ে লাগে। কেন তারা কী এখনও সেই পাকিস্তানি জান্তাদের পদলেহনকারি খোসামোদি-তোসামোদি দল। 


গালিটালি দেই না, দেওয়ার রুচিও নাই তবু একটু না বলে পারি না পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী যেভাবে মেয়েদের ওপর নির্যাতন করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে, পেড়ামাটি নীতি নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল সেই পাকিস্তানিদের পদলেহনকারি সারমেয়র দল এখনও বাংলাদেশে জীবিত। এখনও এরা বাংণাদেশে ভালো কিছু হলে এরা ভালো দেখে না। বাংলাদেশ এগিয়ে গেলে তাদের ভালো লাগে না। 


তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবো ভ্যাকসিনটা বিনা পয়সা দিয়েছি আমি, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেছি। সে ভ্যাকসিন তো এরা নিয়েছেন, এটা তো বাদ দেয়নি। আমরা বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি। বুস্টার ডোজও আমরা শুরু করেছি। তারা তো নিশ্চয় দুটো ডোজ নিয়েছে, বুস্টার ডোজও নিয়েছেন।


 বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন নিতে পারলো আর আমাদের উন্নয়নটা চোখে পড়ে না। এখন কি ভ্যাকসিন চোখেও দিতে হবে না কি সেটাই মনে হচ্ছে, তাহলে যদি দেখে, তাছাড়া দেখবে না। ম্যাগা প্রজেক্ট জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে।


 আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশের এই উন্নতি হচ্ছে। এর আগে, যারা ক্ষমতায় ছিল তারা কি একটা দৃষ্টান্ত দেখাতে পারবে যে তারা বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করে বা দেশের কোনো উন্নয়ন করেছে বা বিদেশে ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করেছে, করতে পারে নাই। বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের জাতি বানিয়েছিলেন, আজকে আমরা মর্যাদাশীল জাতি। আমরা আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে আমাদের প্রায় ৯০ শতাংশ নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা অর্জন করেছি।


বিএনপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেশি কথা বলে যাচ্ছে বিএনপি, এদের নেতৃত্ব কোথায়, নেতৃত্ব নাই। সব তো সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি দিয়ে নির্বাচনে জেতা যায় না। আর নির্বাচনে পরাজয় হবে জেনে তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, কলুষিত করতে চায়। যারা একটু আমাদের জ্ঞানী-গুণী আঁতেলরাও উল্টোপাল্টা কথা বলেন তাদেরকেও বলবো দেশ চালাবার যদি ইচ্ছা থাকে তো মাঠে আসেন, ভোটে নামেন, কেউ ভোট কেড়ে নেবে না। আমরা বলতে পারি, আমরা ভোট কেড়ে নিতে যাই না। আমরা জনগণের ভোট পাই এবং আমরা পাবো কারণ আমরা জনগণের জন্য কাজ করেছি। সেজন্যই জনগণ আমাদের ভোট দেবে।


সবশেষে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক দিন পর মন খুলে কথা বললাম। এ সময় তিনি বলেন, আসলে এই করোনা ভাইরাস বন্দি করে রেখে দিয়েছে আমাকে। ২০০৭ সালে ছিলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে বন্দি। এখন আমি নিজের হাতে নিজেই বন্দি।


আরও খবর