Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

নামাজ শেষে খাট থেকে নামার সময় সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

প্রকাশিত:Friday ১৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১১৬জন দেখেছেন
Image

মাদারীপুরের শিবচরে নামাজ শেষে খাট থেকে নামার সময় সাপের কামড়ে সাবিকুন নাহার (৪০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) রাত ১০টার দিকে উপজেলার ভদ্রাসন ইউনিয়নের তাহের মাদবরের কান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত সাবিকুন নাহার ভদ্রাসন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন মাদবরের স্ত্রী।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাতে এশার নামাজ শেষে বিছানা থেকে নামছিলেন তিনি। এ সময় খাটের নিচে থাকা সাপ তাকে পর পর দুটি কামড় দেয়। তাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রিপনের ফুপাতো ভাই ফিরোজুর রহমান বলেন, রাতে নামাজ পড়ে খাট থেকে নামার সময় ভাবিকে সাপে কামড় দেয়। তখনই তাকে নিয়ে মাদারীপুর রওনা হয় পরিবারের লোকজন। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি জ্ঞান হারান।

ভদ্রাসন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রহিম ব্যাপারী জাগো নিউজকে বলেন, ‘নাহার নামাজ পড়ে খাট থেকে নামার সময় হয়তো সাপের ওপর পা পড়েছিল। তখনই তাকে একটি কামড় দেয়। তিনি সাপ দেখে পা নাড়লে দ্বিতীয়বার আবারও কামড় দেয় বলে শুনেছি।’

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিরাজ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘সাপের কামড়ে এক নারী মারা গেছেন বলে জানাতে পেরেছি। আহত অবস্থায় তাকে মাদারীপুর হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। তবে পথেই তার মৃত্যু হয়।’


আরও খবর



লাইট-এসি বন্ধ রেখে বৈঠক করলো সংসদীয় কমিটি

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
Image

বৈদ্যুতিক বাতি ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বন্ধ রেখে বৈঠক করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে জাতীয় সংসদের কেবিনেট কক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বিকেল তিনটায় এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খান জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বৈঠকে কমিটির সদস্য মো. নূরুল ইসলাম তালুকদার, খালেদা খানম এবং নার্গিস রহমান অংশগ্রহণ করেন। এদিন বিগত ২৬তম বৈঠকের কার্যবিবরণী নিশ্চিত করা হয় এবং ওই বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তসমূহের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

একই সঙ্গে প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শন (সিইআই) দপ্তরের কার্যক্রম ও দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় এর ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পসমূহের বিপরীতে নেওয়া বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের পরিকল্পনা সম্পর্কে বৈঠকে আলোচনা হয়। এছাড়াও ক্যাপাসিটি চার্জ প্রদান সম্পর্কিত তথ্য তালিকা আকারে কমিটিতে উপস্থাপন করা হয়। এ সময় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর ঋণের বিপরীতে ঋণ ও ঋণের সুদ পরিশোধকল্পে প্রবিধান রাখার পরামর্শ দেয় স্থায়ী কমিটি। সরকারি স্থাপনাসমূহে জরুরি ভিত্তিতে এনার্জি অডিট করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও সুপারিশ করে স্থায়ী কমিটি।

এছাড়াও এরইমধ্যে মেষ হয়েছে এমন প্রকল্পে ব্যবহৃত যানবাহনসমূহ থেকে কয়েকটি যানবাহন প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শন (সিইআই) দপ্তরকে বরাদ্দ দেওয়ার সুপারিশ করে স্থায়ী কমিটি।

বৈঠকে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, স্রেডা’র চেয়ারম্যান (রুটিন দায়িত্ব), বিইপিআরসি’র চেয়ারম্যান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বিচারকদের সততা-নিষ্ঠা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

দেশের মানুষের দ্রুত বিচার নিশ্চিতে বিচারকদের আরও সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) চেয়ারম্যান এবং প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির কাছে বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২১ জমা দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

এ সময় রাষ্ট্রপতি বিচারকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রপতি হামিদ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং কমিশনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সহায়তারও আশ্বাস দেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বৈঠকে প্রতিনিধিদল কমিশনের সার্বিক কার্যক্রমের পাশাপাশি দাখিলকৃত প্রতিবেদনের সারমর্ম রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন- বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার এবং জেলা ও দায়রা জজ এএইচএম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া।

এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বিএনপি আবারও নাশকতার পরিকল্পনা করছে: হানিফ

প্রকাশিত:Tuesday ২৬ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

তারেক রহমানের জন্য বিএনপি দেশের রাজনীতির পরিবেশ নষ্ট করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা সংস্থার কাছে খবর এসেছে বিএনপি দেশে আবারও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছে। লন্ডন থেকে তারেক রহমান নাশকতার নির্দেশ দিয়েছেন। বিএনপি দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করার পায়তারা করছে। আমাদের দলের (আওয়ামী লীগের) সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) ঢাকা মহানগর উত্তরের বনানী থানার ১৯ ও ২০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আন্দোলনের নামে দেশের রাজপথ অস্থির করার সুযোগ সরকার দেবে না উল্লেখ করে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, দেশে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো নাশকতার চেষ্টা আওয়ামী লীগের নেতা-কমীর্রাও বরদাশত করবে না।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেদিন পরিস্কারভাবে বলেছেন আওয়ামী লীগের দ্বার সবসময় খোলা। আন্দোলন করে নয়, আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আসলে চা খাওয়ানো হবে। নেত্রী চা খাওয়াবেন। এর মাধ্যমে যে বার্তা দেওয়া হয়েছে বিএনপি নেতারা তা বুঝতে পারেননি। এ বার্তা পরিস্কার। দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য যদি দেশের কোনো রাজনৈতিক দল আলাপ করতে চায়, প্রধানমন্ত্রীর দ্বার খোলা আছে। বিএনপি সেটাকে ভুল ব্যাখ্যা করছে।

দেশের সব রাজনৈতিক দলকে উদ্দেশ্য করে হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু হবে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর অথবা ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা চাই সেই নির্বাচনে সব দল অংশ নেবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আপনাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করার মানসিক প্রস্তুতি নিন।

তিনি বলেন, বিএনপি নিবাচনে অংশ না নেওয়ার কথা বলছে তার কারণ একটাই। তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া এতিমের টাকা আত্মসাৎ মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে আছেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই। তারেক রহমান হাওয়া ভবন বানিয়ে লুটপাট করেছেন। দণ্ডিত, পলাতক আসামি তারেক রহমানেরও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। তাই তাদের ফন্দিফিকির একটাই, অন্য কোনো সরকার এসে সুযোগ দিলে নির্বাচনে অংশ নেবে।

বিএনপির সিনিয়র নেতারা কথায় কথায় মিথ্যাচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের এ সিনিয়র নেতা বলেন, মহামারি করোনার পর রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারা পৃথিবীতে খাদ্যের সংকট চলছে। সবকিছুর দাম বাড়ছে। ঠিক এসময়েও বিএনপি সিনিয়র নেতারা মিথ্যাচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা বলেছেন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নাকি দেশের রিজার্ভের পরিমাণ সবচেয়ে কম। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় দেশে রিজার্ভ ছিল ৫ বিলিয়ন ডলার। আর এখন এতো সংকটের মধ্যেও দেশের রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলার। বিএনপি নেতাদের এই নির্লজ্জ মিথ্যাচারের আগে আয়নায় তাদের নিজের চেহারা দেখা প্রয়োজন।

এরশাদ, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে ভোগ বিলাসে মত্ত ছিলেন উল্লেখ করে হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন, আর আজ তার সুযোগ্যকন্যা শেখ হাসিনা আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিয়েছেন। একসময় যে বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির ব্যর্থ রাষ্ট্র বলা হতো, আজ সেই বাংলা উপচেপড়া ঝুড়ির দেশ। চরম দারিদ্র্যের দেশ থেকে বিশ্বে উন্নয়শীল দেশের স্বীকৃতি লাভ করেছে। ২০৩১ সালের মধ্যে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হবে।

উন্নত ও মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ মসৃণ পথে আসেনি স্মরণ করে তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর একাত্তরের পরাজিত শক্তি বিএনপি-জামায়াত ইস্যু সৃষ্টি করে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। গাড়িতে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করেছে। রাজপথে নাশকতা করে দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করেছে। সব ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করে শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি। সম্মেলন উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান।

সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কাদের খান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেহেরুননেসা মেরী ও কার্যনির্বাহী সদস্য মো. আবদুল কাশেম। সভাপতিত্ব করেন বনানী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জসিম উদ্দিন।

বনানী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মশাররফ হোসেনের সঞ্চালনায় এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ১৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন সিদ্দিকী, ২০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান দুলাল প্রমুখ।


আরও খবর



কক্সবাজার সৈকতে ভেসে আসছে মৃত জেলিফিশ, কারণ জানতে নমুনা সংগ্রহ

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
Image

কক্সবাজারে ভেসে আসছে বক্স প্রজাতির মৃত জেলিফিশ। গত কয়েকদিন ধরে ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে আসা মৃত জেলিফিশ পড়ে আছে সাগর পাড়ে। এসব জলজ প্রাণীর মৃত্যুর কারণ জানতে উঠে পড়ে লেগেছেন গবেষকরা। নমুনা সংগ্রহ করে তারা গবেষণা করছেন। বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) সকালেও কক্সবাজার সমুদ্র পাড়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় অসংখ্য মরা জেলিফিশ।

দরিয়ানগর এলাকার বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন জানান, কয়েকদিন ধরে সমুদ্র পাড়ে দেখা মিলছে মৃত জেলিফিশের। দরিয়ানগর থেকে হিমছডি পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে এসব জলজ প্রাণী। এগুলোর একেকটির ওজন ১২-১৫ কেজি।

তিনি বলেন, ‘সাগর পাড়ে একসঙ্গে এত মৃত জেলিফিশের আগে কখনো দেখিনি। এবারই প্রথম এমনটা হয়েছে।’

সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী আবু সাইদ মোহাম্মদ শরীফ বলেন, ‘গভীর সাগরে লবণাক্ততার পরিমাণ বেড়ে গেলে কম লবণাক্ততার জায়গায় জেলেফিশ উপকূলে চলে আসতেই বালুতে আটকা পড়ে। তখন মরে যায়।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন সাগরে মাছ ধরা বন্ধ ছিল। হঠাৎ করেই অনেক ট্রলার মাছ ধরতে গেছে। তাদের জালে আটকেও অনেক জেলিফিশ মারা গিয়ে থাকতে পারে। তবে মঙ্গলবার (২ আগস্ট) রাতে ভেসে আসা মরা জেলিফিশের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। গবেষণার পরই মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তখন সমুদ্রদূষণ বা অন্য কোনো কারণ আছে কি না তাও গবেষণায় উঠে আসবে।’

প্রাণঘাতী না হলেও সমুদ্রসৈকতে পড়ে থাকা এসব জেলিফিশের সংস্পর্শে গেলে চুলকানিসহ নানা সমস্যা হতে পারে বলেও সতর্ক করে দেন এ বিজ্ঞানী।

কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বদরুজ্জামান বলেন, ‘এটা জেলিফিশ মরার কোনো সিজন নয়। হয়তো জেলিফিশ উপকূলের কাছাকাছি এসে জেলেদের জালে আটকা পড়ছে। পরে জেলেরা মাছগুলো ফেলে দেওয়ায় মরা মাছ সৈকতের বেলাভূমিতে আসতে শুরু করেছে। সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে অসংখ্য মরা জেলিফিশ বালুতে আটকে থাকতে দেখা গেছে। এসব জেলিফিশের মধ্যে কোনোটা আকারে ছোট, কোনোটা বড়। দেখতে অনেকটা অক্টোপাসের মতো। তবে এগুলো কী কারণে মারা যাচ্ছে এর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত নই।’

বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা কেন্দ্রের (বোরি) মহাপরিচালক সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার বলেন, ‘সাগরে জেলিফিশ প্রজাতির প্রাণীগুলো ‘সামুদ্রিক ভিমরুল’ হিসেবে পরিচিত। অত্যন্ত বিষাক্ত এসব জেলিফিশ সামুদ্রিক মাছের যম। ব্যাপক হারে মৎস্য সম্পদ ধ্বংস করে এরা।’

তিনি আরও বলেন, সাগরে অর্ধশত প্রকারের জেলিফিশ রয়েছে। তারমধ্যে এসব ‘বক্স জেলিফিশ’ মাছের জন্য সবচেয়ে বেশি ভয়ংকর। প্রচুর মাছ খেয়ে ফেলে এসব বক্স জেলিফিশ। বিষাক্ত হওয়ার কারণে জেলিফিশের সংস্পর্শে যাওয়া মাত্র যে কোনো মাছ মারা যায়।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবনী, সুগন্ধা, সায়মন বিচ ও দরিয়ানগর পয়েন্টসহ হিমছড়ি পর্যন্ত দীর্ঘ আট কিলোমিটারের অর্ধশত পয়েন্টে জোয়ারের পানির সঙ্গে অসংখ্য মরা জেলিফিশ ভেসে এসে আটকা পড়েছে। দুর্গন্ধের কারণে মরা এ জেলিফিশগুলো উৎসুক পর্যটকরা দেখতে পারছেন না। বাতাসের বিপরীত দিকে দাঁড়িয়ে কেউ কেউ দেখছেন। এভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকলে গোটা সৈকতে দুর্গন্ধ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম বলেন, সৈকতের বালিয়াড়িতে মরা জেলিফিশ ছড়িয়ে রয়েছে। অনেক পর্যটক জেলিফিশ না চেনায় এগুলোর ওপর হেঁটে গোসলে নামছেন। আবার অনেকে ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে জেলিফিশের সংস্পর্শে যাচ্ছেন। এতে অনেকের গা চুলকিয়ে ক্ষত হচ্ছে বলে জেনেছি। এজন্য মৃত জেলিফিশ সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



চট্টগ্রামে আরও একজনের মৃত্যু, শনাক্তের হার ১৩.১৯

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো এক লাখ ২৮ হাজার ১৯৪ জনে। বুধবার (২০ জুলাই) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

চট্টগ্রামে একদিনে করোনা শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৩৬৭ জন।

মঙ্গলবার ৭৭ জনের করোনা শনাক্তের তথ্য দিয়েছিল সিভিল সার্জন কার্যালয়। ওইদিন পরীক্ষার তুলনায় সংক্রমণের হার ছিল ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ।

বুধবার সকালে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী জানান, চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাদের মধ্যে ৩৮ জনের শরীরে করোনার জীবাণু শনাক্ত হয়। শনাক্তদের মধ্যে ৩১ জন নগরের এবং সাতজন চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ল্যাবে ৪ জন, অ্যান্টিজেন টেস্টে ২ জন, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৪ জন, শেভরণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাবে ৫ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ল্যাবে ২ জন, আরটিআরএলের ল্যাব ৩ জন, ইপিক হেলথ কেয়ারের ল্যাবে ৫ জন, মেট্রোপলিটন হাসপাতালের ল্যাবে ৮ জন এবং এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতালের ল্যাবে ৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়।


আরও খবর