Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৬৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশজুড়ে আলোচিত ছাগলকাণ্ডে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য মতিউর রহমান, তার স্ত্রী লায়লা কানিজ ও ছেলে আহম্মেদ তৌফিকুর রহমান অর্নবের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৪ জুন) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আসসামস জগলুল হোসেন এই আদেশ দেন।

যদিও ইতোমধ্যে মতিউরের দেশ ছেড়ার খবর ছড়িয়ে পড়েছে। তার বিভিন্ন বাসভবনে খোঁজ নিয়েও সন্ধান মেলেনি। এমনকি কোরবানির ঈদের ছুটির পর অফিস খুললেও তিনি আর অফিসে আসেননি।

জানা যায়, রোববার (২২ জুন) বিকেলের দিকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে মতিউর ভারতে পালিয়ে গেছেন। সেখান থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারেন। প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট তাকে দেশত্যাগে সহযোগিতা করেছে।

শুধু মতিউর রহমান নয়, তার দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী শাম্মী আখতার শিভলী, ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাত ও ইরফানও দেশত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।

এর আগে, মতিউরকে এনবিআরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। হারিয়েছেন সোনালী ব্যাংকের পরিচালক পদও।

মতিউরের দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে ইফাতের ‘ছাগলকাণ্ড’ সব হারানোর পেছনে রয়েছে। একজন সরকারি কর্মকর্তার ছেলের বিপুল পরিমাণ টাকায় গরু-ছাগল কেনা নিয়ে তুমুল আলোচনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে মতিউর রহমান দাবি করেন, ইফাত তার ছেলে নন। এমনকি এই তরুণ তার পরিচিতও নয়। এই ঘটনার সূত্র ধরে অনুসন্ধানে মতিউর রহমানের বিপুল সম্পদের তথ্য বেরিয়ে আসে। ইতোমধ্যে তার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অনুসন্ধানে ঢাকা, গাজীপুর, সাভার, নরসিংদী, বরিশালসহ বিভিন্ন জায়গায় মতিউরের নামে বাড়ি, জমি, ফ্ল্যাট, প্লটসহ অন্যান্য স্থাবর সম্পদের খোঁজ মিলেছে।


আরও খবর



ফুলবাড়ী কলেজে মার্স্টাস কোর্স চালুর দাবীতে মাননীয় শিক্ষমন্ত্রী বরাবর আবেদন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৯জন দেখেছেন

Image

আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:ফুলবাড়ী সরকারি কলেজে ৬টি বিষয়ে মার্স্টাস কোর্স চালুর দাবীতে মাননীয় শিক্ষমন্ত্রী বরাবর আবেদন। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সরকারি কলেজে চলমান ৬টি বিষয়ে অনার্স কোর্স এর অনুকূলে জরুরী ভিত্তিতে মার্স্টাস কোর্স চালুর দাবীতে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও মাননীয় উপাচার্য, জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় বরাবর আবেদন করেন ফুলবাড়ী উপজেলার বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোহাম্মাদ আলী চৌধুরী। 

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সরকারি কলেজটি দিনাজপুরের সর্বপ্রথম কলেজ। ফুলবাড়ী সরকারি কলেজটি  ১৯৬৩ সালে স্থাপিত হয়। দিনাজপুর জেলার প্রাণ কেন্দ্র অবস্থিত ফুলবাড়ী সরকারী কলেজ। ১৯৬০ এর দশকে এসে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে এখানে ছাত্রছাত্রী চাপ বৃদ্ধি হতে থাকে। অপর দিকে নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট, ফুলবাড়ী, পাবর্তীপুর ও চিরিরবন্দর থেকে এসে পড়াশোনা করার মত পরিবেশ ও আর্থিক সংগতি অধিকাংশ অভিভাবকের ছিল না। যে কারণে এসএসসি পাশ করার পরেই কলেজের প্রচুর শিক্ষা লাভে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। লেখাপড়ার মান ও সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষে তদানিন্তন জাতীয় পরিষদ সদস্য নুরুল হুদা চৌধুরী শিক্ষার্কে সার্বজনীন করার লক্ষে থানা পর্যায়ে ১৯৬৩ সালে ফুলবাড়ী কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। কলে গভর্নিং বডির প্রথম সভাপতি ছিলেন তদানিন্তন এসডিও মরহুম কাজী আজিজুল ইসলাম। প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন এম আব্দুল গফুর, তারপর আব্দুল আজিজ। কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য ৮০ভাগ জমি দান করেছিলেন শফিউদ্দীন মন্ডল, লুৎফর রহমন চৌধুরী ও তছির উদ্দীন মন্ডল স্বেচ্ছায় তারা কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেন। ১৯৬৬ সালে ড. মোঃ আব্দুল বারী রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর থাকাকালীন নুরুল হুদা চৌধুরীর বিশেষ অনুরোধে ফুলবাড়ী কলেজকে ডিগ্রি পর্যায়ে উন্নিত করেন। যা বর্তমান চালু রয়েছে। 

মাননীয় উপাচার্য, ১৯৮৯ সালে রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মাদ এরশাদ ফুলবাড়ীতে সফরে এসে ফুলবাড়ী কলেজটিকে সরকারি কলেজ হিসাবে ঘোষনা দেন। 

২০১৩খ্রি: সাল হতে ফুলবাড়ী সরকারি কলেজটিতে ৬টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু আছে। (১) বাংলা, (২) ইংরেজি, (৩) গণিত, (৪) রসায়ন, (৫) রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও (৬) দর্শন। যাহার ফলশ্রতিতে ২০২৪খ্রি: সাল পর্যুন্ত অসংখ্য শিক্ষার্থী গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি লাভ করে। 

দিনাজপুর জেলা একমাত্র দিনাজপুর সরকারি কলেজে মার্স্টাস কোর্স চালু ব্যতিত আর কোন কলেজে মার্স্টাস কোর্স চালু না থাকার কারণে এই অঞ্চলে বহু সংখ্যক গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন শিক্ষার্থী মার্স্টাস কোর্সে ভর্তি নিয়ে বিপাকে পড়েছে। সকল দিক বিবেচনা করে ফুলবাড়ী সরকারি কলেজে জরুরী ভিত্তিতে মার্স্টাস কোর্স চালু করলে এই অঞ্চলের বিপুল সংখ্যাক শিক্ষার্থী উপকৃত হবে। দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চিলের ৭টি উপজেলার এলাকাবাসির দাবী ২০২৪ইং সাল থেকে অতিসত্তর বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি কল্পে গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের কল্যান সাধনে মার্স্টাস কোর্স চালু করার জোর দাবী জানান। 

এ বিষয়ে এ্যাডভোকেট কাজী এজেডএম লুৎফর রহমান চৌধুরী সাবেক সংসদ সদস্য ১১- দিনাজপুর ৬ আসনের তিনিও এই দাবীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে অতিসত্তর মার্স্টাস কোর্স চালুকরার দাবী জানিয়েছেন। 

এ বিষয়ে ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আলতাফ হোসেন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, তদানিন্তন জাতীয় পরিষদ সদস্য রাজারামপুর, হাউস, মুন্সিপাড়ার মরহুম নুরুল হুদা চৌধুরীর পুত্র বিশিষ্ট্য সমাজসেবক মোহাম্মাদ আলী চৌধুরীর গত ১০/০৭/২০২৪ইং তারিখে মার্স্টাস কোর্স চালু করণের জন্য অধ্যক্ষ, ফুলবাড়ী সরকারি কলেজ মধ্যমে একটি আবেদন মাননীয় উপাচার্য বরাবর দিয়েছেন। আমি বিষয়টি অতি জরুরী হওয়ায় মাননীয় উপাচার্য বরাবর পাঠিয়ে দেই। 

এ বিষয়ে ফুলবাড়ী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ জিল্লুর রহমান এর সাথে কথা বলতে তিনি জানান, মার্স্টাস কোর্স খোলা হলে এই এলাকার শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। 

এ ব্যাপারে তদানিন্তন জাতীয় পরিষদ সদস্য রাজারামপুর, হাউস, মুন্সিপাড়ার মরহুম নুরুল হুদা চৌধুরীর পুত্র বিশিষ্ট্য সমাজসেবক মোহাম্মাদ আলী চৌধুরী গত ০৭/০৭/২০২৪ইং তারিখে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বরাবর সকল দপ্তরে বিষয়টি সদয় অবগত করে পত্র দিয়েছেন। 

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



কমতে শুরু করেছে কুড়িগ্রামের রৌমারী-রাজিবপুরের নদ নদীর পানি

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১২৯জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃকুড়িগ্রাম জেলাধীন রৌমারী-রাজিবপুরসহ দুটি উপজেলায় হঠাৎ পাহাড়ী ঢলের পানিতে তলিয়ে যায়। এতে দুই উপজেলার নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়ে ডুবে যায় ফসলী জমির মাঠ। অপরদিকে কমছে নদ নদীর পানি বারছে দূভোগ। বন্যা কবলিতএলাকা ঘুরে দেখা গেছে হাজার হাজার বিঘা জমির উঠতি ফসল ডুবে গিয়ে বিনষ্ট হয়েছে যাওয়ার ভেসে উঠছে। এই পাহাড়ী ঢলের পানি ভারতের আসাম রাজ্য থেকে বয়ে এসে বাংলাদেশের উপর প্রভাব বিস্তার করছে। যার ফলে কৃষির উৎপাদন কমে যাচ্ছে সীমান্ত ঘেষা অঞ্চল গুলোতে। এমন ক্ষতি প্রায় বছরই হয়ে থাকে। এক্ষতি পুষি উঠতে গেলে অবশ্যই সরকারের সহযোগিতার প্রয়োজন পরবে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে ঢলের পানি যতোই কমছে ততই কিন্ত কৃষকেরা চোখেমুখে অন্দকার দেখছেন। এদিকে নদী বেষ্টিত গ্রামের মানুষ গুলো সবসময়ই আতংকে দিন পার করছে। পানি কমলেও এখনও বিপদ সিমার উপর দিয়ে প্রভাবিত হচ্ছে বন্যার পানি। যখনই নদের কাচার জেগে উঠতে শুরু করবে তখনই শুরু হবে ভাঙ্গনের টান্ডব। পানি আসার শুরুতেই বেমকিছু বসতবাড়ী নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে, তারা আজ খোলা আকাশের নিচে অন্যের বাড়িতে ঠাই নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতেও দেখা গেছে। নদী ভাঙ্গন এলাকা গুলো হচ্ছে যাদুর চর ইউনিয়নের জিঞ্জিরাম নদীঘেষা বকবান্দা ব্যাপারী পাড়া, খেওয়ার চরসহ দুটি গ্রামে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। রৌমারী সদর ইউনিয়েনের চুলিয়ার চর ধর্নী নদীতে বিলিন হচ্ছে চুলিয়ারচর গ্রাম,বড়াইবাড়ী গ্রামসহ দুটি গ্রাম। চর শৌলমারী ইউনিয়নের কয়েকটি স্পোর্টে ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। এঅঞ্চলের মানুষ গুলো রিলিভ চায়না তারা বাপদাদার রেখে যাওয়া ভিটামাটিতে শান্তিতে বসবাসের দাবী তাদের। তারা ভাঙ্গন রোধে নদী শাসনের জোর দাবী জানিয়েছেন।

এবিষয় রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাইয়ুম চৌধরী বলেন বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে আশা করি কয়েকদিনের মধ্যেই পানি থাকবেনা। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করা হচ্ছে তালিকা শেষে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শালু জানান রৌমারীতে হঠাৎ বন্যায় কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এক্ষতি পুষিয়ে উঠতে কৃষকদের সহযোগিতা করতে হবে এবিষয় নিয়ে জেলা মিটিংয়ে কথা বলবো। 


আরও খবর



অবরোধ প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:চতুর্থদিনের মতো কোটা বাতিলের দাবিতে শাহবাগ অবরোধ করে কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা। অবরোধ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবরোধ কর্মসূচিরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় শাহবাগ মোড়ে,রোববার (৭ জুলাই) বিকেল ৩টায় সারাদেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি শুরু হবে বলে অবরোধ শেষে এই ঘোষণা দেন কোটা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।

শনিবার (৬ জুলাই) বিকেল ৩টায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল থেকে আলাদা ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে বিশাল মিছিল নিয়ে হলপাড়া-ভিসি চত্বর-টিএসসি-বকশিবাজার-বুয়েট-ইডেন কলেজ-হোম ইকোনমিকস-নীলক্ষেত-টিএসসি হয়ে বিকেল ৫টায় শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা।


আরও খবর



মেঢারাবি-৫ ধানমন্ডি অফিসকে স্মার্ট সেবার আওতায় নিয়ে এসেছেন এমদাদুল হক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ২০৭জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃতিতাস গ্যাসের মেঢারাবি-৫ধানমন্ডি অফিসের উপ-মহাব্যাবস্থাপক এমদাদুল হক যোগদানের পর থেকে পাল্টে যাচ্ছে অনেক দৃশ্যপট। তিতাস গ্যাসের এমডির নির্দেশনাগুলোকে আমলে নিয়ে রাজস্ব আদায়,বকেয়া আদায় এবং অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে প্রশংসাও পেয়েছেন এই কর্মকর্তা।কোম্পানীকে লোকসানমুক্ত করার আহবানে সাড়া দিয়ে যে কতজন কর্মকর্তা নিবেদিত প্রান হিসেবে কাজ করছেন তার মধ্যে অন্যতম মেঢারাবি-৫ধানমন্ডি অফিসের উপ-মহাব্যাবস্থাপক এমদাদুল হক।তিতাসের ১৮ টি জোন/আরএসও অফিসের মধ্যে মেঢারাবি-৫ধানমন্ডি অন্যতম।বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ধারাকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে নিরলসভাবে নিয়োজিত আছেন তিনি। যোগদানের পর থেকে বকেয়া আদায়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বকেয়া আদায় করে প্রশংসায় ভাসছেন এমদাদুল হক।মেঢারাবি৫-ধানমন্ডি অফিসে যোগদানের আগে তিতাস গ্যাসের প্রধান কার্যালয়,ময়মনসিংহ, গাজীপুরে সফলতার সাথে  দায়িত্ব পালন করেন এই কর্মকর্তা।তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি'র মেট্রো ঢাকা রাজস্ব বিভাগের (জোন-১০,১১) উপমহাব্যবস্থাপক মোঃ এমদাদুল হক সার্বক্ষণিক সেবামূলক কাজ করে মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে সকলের নিকট পরিচিতি লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন। তার কার্যালয়ে প্রবেশ করতে লাগে না কোন অনুমতি। ইচ্ছা করলে যে কেউ তার অফিসে বিনা-অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারেন।তিনি অত্যন্ত সততা, নিয়মানুবর্তিতা ও আন্তরিকতার  সাথে এই অফিসে সেবা চালু করায় মেঢারাবি-ধানমন্ডিতে তিতাস গ্যাসের গ্রাহকদের ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হয়েছে।তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হারুনুর রশিদ মোল্লাহ মেঢাবিবি-৫ ধানমন্ডি অফিসে আচমকা ঝটিকা সফর এসে  বকেয়া আদায়, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, গ্রাহক সেবার মান, এবং জোনাল অফিসের কাজকর্ম তদারকি করে সন্তোষ প্রকাশ করেন। দপ্তরের প্রতিটি টেবিল তিনি ঘুরে ঘুরে দেখেন। কর্মকর্তা, কর্মচারী, ঠিকাদার এবং সেবা গ্রহণের জন্য আসা উপস্থিত গ্রাহকের সাথে তিনি কথা বলেন। কর্মকর্তা, কর্মচারীদের গ্রাহকের সাথে ভাল আচরণ করার পরামর্শ দেন। এমন ঝটিকা সফরে গ্রাহক সেবার মান  বৃদ্ধিতে সহায়ক ভুমিকা পালন করে।

মেঢারাবি-৫ ধানমন্ডি অফিসের উপ-মহাব্যাবস্থাপক এমদাদুল হক বলেন,"তিতাস গ্যাস ট্রন্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি এর মেট্রো ঢাকা রাজস্ব বিভাগ-৫, ধানমন্ডি অফিসের উপমহাব্যাবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনটি বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। তা হলো-১) দ্রুত সেবা প্রদানসহ গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধি;২) বকেয়া রাজস্ব আদায়;৩) গ্রাহকের সাথে মানবিক ব্যবহার।"

তিনি আরো জানান,"ধানমন্ডি অফিসে কর্মরত সকল কর্মকর্তা এবং কর্মচারী বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করে নানা প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। যারা পরিস্থিতির উন্নয়নে বিরামহীনভাবে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে সেই সকল দক্ষ এবং নিবেদিত প্রাণ কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আর যারা পরিস্থিতির উন্নয়নে এখনও যোগ না দিয়ে উল্টো পথে নিয়োজিত আছে তাদেরকে সতর্ক হওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি। মনে রাখবেন তিতাস গ্যাসের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ তাদেরকে খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার জন্য সকল প্রকার শক্তি নিয়োগ করেছে।"

মেঢারাবি-৫ ধানমন্ডি অফিসে সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে অফিসে গিয়ে দেখা গেছে আগত গ্রাহকরা সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট হয়ে অফিস ত্যাগ করছে। এই অফিসে বেশ কিছু বৃক্ষ রোপন করেছেন এমদাদুল হক। তাছাড়া ও কর্মসূত্রে তিনি যেখানেই গিয়েছেন গিয়েছেন সেখানেই লাগিয়েছেন গাছ। ময়মনসিংহ তিতাস গ্যাস অফিসে এবং গাজীপুরেও শত শত বৃক্ষরোপণ করেছেন এই বৃক্ষপ্রেমী। তার বর্তমান কর্মস্থলেও অফিসের ভেতরে বাহিরে লাগিয়েছেন অসংখ্য গাছ।

মেঢারাবি-৫ ধানমন্ডি ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাসিক গড় বিক্রয় ২৫ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা এবং এই সময়ে মাসিক গড় আদায়ের পরিমাণ ২৪ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা।গত ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এই জোনাল অফিসের অধীনে বকেয়ার জন্য ৭৯৮ টি গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এছাড়াও অভিযান পরিচালনা করে ১০৮ টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে মেঢারাবি-৫ ধানমন্ডি অফিস।এ সময় বৈধ সংযোগ নিয়ে অবৈধ চুলা ব্যাবহার করায় ৩৮ টি গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ফলে গত দুই বছরে কোম্পানিটির সিস্টেম লস নিম্নমুখী সূচকে অবস্থান করছে।এই ধরনের কর্মকাণ্ড ধারাবাহিক ভাবে চলবে বলেও জানিয়েছেন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি'র মেট্রো ঢাকা রাজস্ব বিভাগের উপ মহাব্যবস্থাপক এমদাদুল হক।


আরও খবর



তিতাস গ্যাসের ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৯৮জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ 

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি,র পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, ভিজিল্যান্স ই.এস.ডি, আইসিটি ডিভিশন এর আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ৬৩ ইস্কাটন রোডের বিয়াম ফাউন্ডেশন এ এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হারুনুর রশিদ মোল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসন ডিভিশন  মহাব্যবস্থাপক হাসান আহম্মদ ভিজিলেন্স  ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী প্রকৌশলী তওহিদুল ইসলাম পরিকল্পনা ও উন্নয়ন  ডিভিশন মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী সত্যজিৎ ঘোষ ,আইসিটি ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক মো: তারিক আনিস খান মেট্রো ঢাকা রাজস্ব ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক মো: রশিদুল আলম। এ সময় তিতাস গ্যাসের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের ইভেন্টের আয়োজন করা হয়। 


এছাড়াও র‍্যাফেল ড্র এর মাধ্যমে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।এ সময় জিএম হাসান আহম্মদ ও জিএম রশিদুল আলম এর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন সিবিএ নেতা মোঃ ফারুক হোসেন শেখ ।অনুষ্ঠান শেষে বিশিষ্ট শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা আয়োজন করা হয়।


আরও খবর