Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

মোরেলগঞ্জে পাঁচ দিনের প্রবল বর্ষণে আমন বীজ ক্ষতির আশংকায় কৃষক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৩৭২জন দেখেছেন

Image

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট):বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে টানা পাঁচ দিনের প্রবল বর্ষণ ও পূর্নিমার জোয়ারের পানিতে ফসলী জমিতে ৩/৪ ফুট পানি বৃদ্ধি হওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতির আশঙ্কায় কৃষক। বিভিন্ন ইউনিয়নে ৫ শতাধিক পরিবার পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে। ১৫ শ্#৩৯; মৎস্য ঘের পানির নিচে নিমজ্জিত হওয়ার আশংকায় ঘের মালিকেরা। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার ১৬ ইউনিয়ন সহ পৌরসভায় টানা ৫ দিনেরপ্রবল বর্ষণে বারইখালী, হোগলাবুনিয়া, নিশানবাডয়া, পঞ্চকরন ইউনিয়ন সহ নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলো কালিকাবাড়ি গুয়াবাড়িয়া, সানকিভাঙ্গা, পাঠামারা, বদনি ভাঙ্গা, পঞ্চকরনের খারইখালী কুমারিয়া জোলা, সদর ইউনিয়নে গাবতলা, কাঠালতলা, ভাইজোড়া, বহরবুনিয়ার ইউনিয়নের উত্তরফুলতা, বারইখালীর উত্তর সুতালড়ী, কাশ্মীর, মধ্য বারইখালী, বলইবুনিয়ার শ্রেণীখালি গ্রাম সহ ৩০ টি গ্রামে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ৫ শতাধিক পরিবার পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে। সদর ইউনিয়নের পূর্ব ভাইজোড়া গ্রামের সরকারি পুকুর সংলগ্ন দেড় কিলোমিটার কাচা রাস্তা ভেঙে গিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করছে। ফসলি মাঠে ৩/৪ ফুট পানি জমে থাকায় পানির নিচে দেশী আমন ১৯শ্#৩৯; হেক্টর ও উফসী আমন ৩৭০ হেক্টর মোট ২৩শ্#৩৯; ৩০ হেক্টর পানির নিচে নিমজ্জিত।পঞ্চকরন ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার জানান, দেবরাজের ১২০০ মিটার বেড়িবাঁধটি দুর্বল হয়ে পড়েছে। শুভরাজ খালি খালে স্লুইসগেট ও বেড়িবাঁধে ফ্লাস গেট না থাকায় প্রবহমান খালটির পানি চলাচল বন্ধ হয় পড়েছে। ওই এলাকার দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে। জরুরীভাবে খালটিতে একটি স্লুইসগেট নির্মাণন হলে ওই এলাকার শত শত পরিবার পানিবন্ধী থাকবে না। হোগলাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আকরামুজ্জামান বলেন, বন্দিনীভাঙ্গা, ছোটবাদুরা, পাঠামারা, দুই শতাধিক পরিবার বৃষ্টির পানি জমে বাড়িঘরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ভাইজোড়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম, চরহোগলা বুনিয়া গ্রামের মোস্তফা তালুকদার, মাওলানা শহিদুল ইসলাম, মোশারেফ চৌকিদার, ফেরদাউস মাতুব্বর সহ একাধিক কৃষক জানান, ৩/৫ দিনের ভারী বর্ষনে আমন ফসলের মাঠে ৩/৪ ফুট পানির নিচে শত শত বিঘা জমবতে আমনের বীজতলা রয়েছে। এ রকম আবহাওয়া ২/৩ দিন থাকলে বীজতলা পচে গিয়ে অপূরনীয় ক্ষতি হবে। এদিকে চরহোগলা গ্রামের বাসিন্দারা কালীবাড়ি হয়ে বটতলা ৪ কিলোমিটার বটার খালটি পুন:খননের দাবি জানান। এ সম্পর্কে উপজেলা কৃষি অফিসার আকাশ বৈরাগী জানান, কয়েকদিনের প্রবল বর্ষনে বিভিন্ন ইউনিয়নে নিম্নঞ্চলের প্লাবিত হয়ে আমন বীজতলার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তবে, কৃষকদেরকে মাঠ থেকে পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ এখনও পরিমাপ করা যায়নি। আরও ২/৩ দিন এরকম বৃষ্টি থাকলে কৃষকেরব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসার বিনয় কুমার রায় বলেন, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে বহরবুনিয়া, জিউধরা ও পঞ্চকরনের অধিকাংশ মৎস্য ঘের গুলোতে পানি বৃদ্ধি হয়ে পড়েছে। এ রকম আবহাওয়া থাকলে প্রায় ১৫ শ্#৩৯; ঘের পানিতে নিমজ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 


আরও খবর



ঐতিহাসিক মুজিবনগর আম্রকানন রক্ষায় মেহেরপুরে আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ,মেহেরপুর প্রতিনিধিঃরপ্তানিযোগ্য ফলের চাষ ছড়িয়ে দেওয়া ও ঐতিহাসিক মুজিবনগর আম্রকাননের আম গাছের পরিচর্যার বিষয়ে মেহেরপুরের মুজিবনগর অডিটরিয়ামে আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  আজ সকাল সাড়ে দশটার সময় অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকার খামারবাড়ি হর্টিকালচার উইংয়ের পরিচালক কে.জে. এম. আব্দুল আউয়াল।। 

মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ঢাকা খামারবাড়ির বছর ব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক ডঃ মোঃ মেহেদী মাসুদ, যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক দীপক কুমার রায়। কর্মশালায় প্রকল্পের লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর বারাদি হর্টিকালচার উপপরিচালক কৃষিবিদ হাবিবুল ইসলাম খান।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, মুজিবনগর আম্রকাননে ১১৭০ টি আমগাছ রয়েছে। শতবর্ষে এই গাছগুলো তিনটি পরগাছা দ্বারা আক্রান্ত। যে পরগাছাগুলো আম গাছগুলোকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় গাছগুলোকে কিভাবে পুনঃ যৌবন দান করা যায় সে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে গাছগুলো আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে। বক্তারা আরো বলেন, বিদেশি ও দেশি যে ফলগুলো রয়েছে সেগুলো কিভাবে রপ্তানি যোগ্য করা যায় সেই চেষ্টায় করছেন বিজ্ঞানীরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের পরামর্শক (অব: অতিরিক্ত সচিব) রেজাউল করীম, পরামশর্ক হিল হর্টিকালচার্স ও সাবেক প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ এসএম কামরুজ্জামান। এছাড়াও বিভিন্ন জেলার কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর ও হর্টিকালচারের উপপরিচালক, কৃষি কর্মকর্তা, ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের চাল পেলো ৩ হাজার ৮১ টি পরিবার

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:আসছে ১৭ জুন মুসলিম সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি হাকিমপুরে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ৩ হাজার ৮১ পরিবারের দরিদ্র,অসহায় ও দুস্থদের মাঝে (ভিজিএফ) এর ১০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১২ জুন )সকাল ৯ টায় উৎসব মুখর পরিবেশে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় পৌরসভা চত্বরে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত। এসময় সেখানে প্যানেল মেয়র মিনহাজুল ইসলাম লিটনসহ ৯ টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরা উপস্থিত ছিলেন।

উপহারের চাল নিতে আসা পৌরসভার মাঠপাড়া এলাকার জোৎসানা বেগম বলেন,আর মাত্র কয়েক দিন পরেই পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের ১০ কেজি চাল পেয়ে খুব খুশি। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এমপি শিবলী সাদিক এর জন্য দোয়া করি। আল্লাহ যেন তাদের দীর্ঘয়ু দান করেন। 

হাকিমপুর পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত বলেন,বর্তমান সরকার গরীব অসহায় দুস্থদের সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে যতো দিন থাকবে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ। ঈদুল আজহা উপলক্ষে সবাই যেন এক সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারে সে কারণে ঈদের আগেই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রাণালয়ের মাধ্যমে মানবিক সহায়তা কর্মসূচীর আওতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে বিনামূল্যে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ করা হয়েছে।  পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডে ৩০৮১ জনকে ১০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের চাল পেয়ে খুশি এলাকার নিন্ম আয়ের মানুষ। তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক এর দোয়া ও দীর্ঘয়ু কামনা করেছেন।


আরও খবর



ডাক বিভাগকে বাঁচাতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: পলক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ১৫১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ঘোষণা দিয়েছেন,ডাক বিভাগকে বছরে ৭০০ কোটি টাকা লোকসান দিতে হচ্ছে উল্লেখ করে এ অধিদপ্তরের গাড়ি ও জমি বেসরকারি খাতে দেওয়ার।

মঙ্গলবার (৪ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান তিনি। ডাক বিভাগের মোট ৪৬২টি গাড়ি আছে। এর মধ্যে ১৩৫টি অচল পড়ে আছে বলে জানান জুনাইদ আহমেদ পলক। প্রায় ৬৯ কোটি টাকার গাড়ি পড়ে আছে কেন ডাক বিভাগের এক কর্মকর্তার কাছে এর সদুত্তর চান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, গাড়ি সার্ভিস পয়েন্ট এমনকি সারা দেশে থাকা ডাক বিভাগের জমির সঠিক ব্যবহার করতে না পারায় বছরে ৭০০ কোটি টাকা লোকসান গুনছে ডাক বিভাগ।

এসব গাড়ি সাত দিনের মধ্যে ঠিক করে কাজে লাগাতে না পারলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে ছেড়ে দেওয়া হবে। ডাক বিভাগের জমিগুলোও আমরা প্রয়োজনে বেসরকারি খাতে দেব। তারা লভ্যাংশের অংশ আমাদের পরিশোধ করবে।

শুধু সেবা বেসরকারিকরণ নয় এই পরিস্থিতিতে ডাক বিভাগকে বাঁচাতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বসে বসে বেতন নেবেন তা হবে না। ৩০ জুনের মধ্যে ঠিক হয়ে যান। নয়তো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসময় ডাক বিভাগেরর জন্য নতুন আইন আসছে সরকার বলে জানান পলক।

সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পাসপোর্ট মানুষের বাড়ি বাড়ি ডেলিভারির ব্যবস্থা করা হবে। এ বিষয়ে আমি পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলব। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীকেও এ বিষয়ে বলব।

মতবিনিময় সভায় ডাক বিভাগ, ডাক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, কুরিয়ার সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিসহ লজিস্টিকস খাতসংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মাগুরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় হলদে পাখি কার্যক্রম বিষয়ক মতবিনিময়

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৩৯জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলদে পাখি কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটায় মাগুরা জেলা প্রশাসক এর সম্মেলন কক্ষ চাঁদের হাটে এ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল কাদের এর সভাপতিতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মাগুরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবু নাসের বেগ।য অন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাগুরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আমিরুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন গার্লস গাইডের মাগুরা জেলা কমিশনার লিপিকা সরকার, শ্রীপুর উপজেলা গার্লস  গাইডের কমিশনার মোছাম্মদ মর্জিনা খাতুন, জেলা গার্লস গাইডের কোষাধ্যক্ষ সাহানা সুলতানা, মাগুরা সদরের স্থানীয় কমিশনার ফিরোজা পারভিন, শালিখা উপজেলার স্থানীয় কমিশনার মোছাম্মশনাসরিন, মহাম্মদপুর উপজেলার স্থানীয় কমিশনার তাহমিনা সোহেলসহ অন্যরা।  আায়োজকরা জানান ,সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের চরিত্রবান, সুশৃঙ্খল, পরপকারী, আত্মমর্যদা সম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মাধ্যমিক স্তরের মতো  গার্লস গাইডস এর আদলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হলদে পাখির দল সম্প্রসারিত করে আরো ফলপ্রসু করতে এ উদ্দোগ। এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করেছে।


আরও খবর



চারঘাট সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ৫০ লক্ষাধিক টাকার ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার হয়

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১২৮জন দেখেছেন

Image
সাজেদুর রহমান পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি:রাজশাহীর চারঘাট সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ৫০ লক্ষাধিক টাকার ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার হয়ে আসছে। চারঘাটের নন্দনগাছি হয়ে পুঠিয়ায় শাহবাজপুর, কান্দ্রা, দুদুরমোড় কলনী(গুচ্ছ গ্রাম) এখন ফেনসিডিল পাচারেরর নিরাপদ রুট। ভারতীয় মাদক দ্রব্য ফেনসিডিল, ইয়াবায় ছেড়েগেছে সমগ্র রাজশাহীর শহর- বন্দর,এমন কোন গ্রাম নেই যে  এই সর্বনাশি নেশা নেই। যুব ও তরুন সমাজই নয় মধ্যবয়সী ছেলে ও মেয়েরাও প্রতি নিয়ত ঝুকে পড়েছে এই নেশায়। সকল বাধা নিষেধ অপেক্ষা করে চারঘাটের সীমা›ত ঘাটগুলো দিয়ে ছুটে আসছে এদেশের আনাচে কানাচে। সীমাšত দিয়ে রাতা রাতি ছুটে আসছে পুঠিয়া থানার জামিরিয়া,শিবপুর, মাহেন্দ্রা,বেলপুকুর, ঝলমলিয়া, পুঠিয়া বাজার, বিড়ালদহ,বানেশ^ও এলাকায়। এসব গ্রাম গুলিতে রয়েছে শতশত মহাজন। এসব মহাজনরা এখান থেকে ঢাকাসহ এদেশের বিভিন্ন্ স্থানে পাচার করে থাকে । সীমাšত দিয়ে অভিনব সব উপায় অবলম্বন করে গড়ে তুলছে ফেনসিডিলের পাহাড় এবং এখান থেকে সমগ্র রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করছে। পদ্মা নদীর চর দিয়ে আশা প্রতিদিন হাজার-হাজার বোতল ফেনসিডিল ও ইয়াবা রাজশাহীতে আসছে। এসব ফেনসিডিল কখনো নৌকায় আবার কখনো বিশেষ প্রক্রিয়ায় বালিশ বানিয়ে ভেসে ভেসে ওপাশ থেকে এ পাশে আসছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ফেন্সিডিল ব্যবসাীয় জানান, ভারত থেকে ফেন্সিডিল আনতে খরচ হয় প্রতি বোতল ফেনসিডিল ৬৫-৭০ টাকা। পদ্মার পাড় ঘেষে যাদের বাড়ি, তারা ঘাটের লেবার থেকে এখন হয়েছে বড় বড় মহাজন। এরা কুড়ে ঘর থেকে তৈরী করছে ইট, পাথরের বাড়ি। রাজশাহীসহ এদেশের বিভিন্ন স্থানে শাহর, বন্দর,গ্রামে ফেনসিডিল বিক্রি করে প্রতি পিস ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। এসব মহাজনরা সবাই বর্তমান সরকার দলকে সমর্থন করেন কিন্তু এরা কেউ নেতা নন।পুলিশ প্রশাসন প্রতি মাসেই মোটা অংকের মাসোহারা নিয়ে কিছু কিছু ফেনসিডিল আটক করে থানায় নিয়ে আসে কিন্তু কোন ফেনসিডিল পাচার কারীদের আটক করেন না। এরা এখান থেকে ঢাকা যোগাযোগ করে সুযোগ মতো ঢাকায় প্রেরন করেন এবং তাদের সঙ্গে চুক্তি করেন।  প্রথমত তাদের নিরাপদ রুট গুলি বেছেনেন। তারপর বাস, মাইক্রো বাস, ট্রাক, পিকআপ ভ্যানে যাত্রী বেশে রাত দিন ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার করে থাকেন। তবে রাতের বেলাই মাদক বেশি পাচার হয়ে থাকে বলে জানান। এখন ফেনসিডিল পাচার হচেছ এক অভিনব কায়দায় পাষ্টিক জারের তলা কেটে ৩০০-৪৩০ বোতল দিয়ে চিটাগুড় দিয়ে ভরে তারপর তলা লাগিয়ে তলা লাগিয়ে মুুখ দিয়ে আবার চিটাগুড় ঢেলে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে নিজেস্ব ড্রাইভার দিয়ে চালান হয় সে সব গাড়ি। যদি পথে পুলিশ  আটকায় তখন টোকেন ও নাম্বার দিয়ে কিছু সেলামি দিলেই ঢাকায় পৌছে যায়। এক্ষেত্রে কোন মহাজন চালানের সাথে থাকে না।  এরা সবায় অšতরালে থেকেই সব কিছু নিয়ন্ত্রন করেন। এভাবেই দিনের পর দিন চলছে এদের রমরমা মাদক ব্যবসা।

আরও খবর