Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিউজ ডিজাইন অ্যাওয়ার্ডে প্লাটিনাম জিতলো টেকনো ক্যামন ৩০ সিরিজ

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৩জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে মিউজ ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড। এই সমাদৃত ইভেন্টে পুরস্কৃত হয়েছে শীর্ষস্থানীয় উদ্ভাবনী স্মার্টফোন ব্র্যান্ড টেকনো। এই ব্র্যান্ডের ক্যামন ৩০ সিরিজ বিচারকদের দ্বারা প্রশংসিত হওয়ার পাশাপাশি অর্জন করেছে প্লাটিনাম অ্যাওয়ার্ড। টেক আর্ট লেদার এডিশনের জন্য টেকনো ক্যামন ৩০ সিরিজকে টেলিকমিউনিকেশন ক্যাটাগরিতে এই সম্মানজনক পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

স্মার্টফোন ডিজাইনে নতুনত্ব ও নান্দনিকতার সম্মিলন ঘটাতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে টেকনো। বিশেষ করে, ডিজাইনে প্রকৃতি এবং নৈসর্গিক সৌন্দর্যের উপাদান একীভূত করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে এই ব্র্যান্ড। নিরন্তর প্রচেষ্টার প্রতিফলন এই পুরস্কার। টেক আর্ট লেদার এডিশনে আছে ইন্ডাস্ট্রি-ফার্স্ট টেক-আর্ট সোয়েড ব্যাক ডিজাইন, যা এই ফোনকে করে তুলেছে আরও মোহনীয় ও স্টাইলিশ। ফ্যাশন সচেতন ব্যবহারকারীদের জন্য দুর্দান্ত একটি ফোন টেক আর্ট লেদার এডিশন। প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে ৮,৫০০টিরও বেশি এন্ট্রি জমা দেওয়া হয়। অসংখ্য এন্ট্রি থেকে বিচারকরা এই বিশেষ এডিশনটি পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করেন।

টেকনো ক্যামন ৩০ সিরিজের টেক আর্ট লেদার এডিশন আলপাইন উইন্ড (পাহাড়ি বায়ু বা হাওয়া) থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে। পেছনের প্যানেলটি অনন্য টেক্সচার সহ উদ্ভাবনী টেক আর্ট লেদার দিয়ে তৈরি, যা নৈসর্গের সৌন্দর্যকে প্রতিফলিত করে। এই ডিভাইস ব্যবহার করার সময় পাওয়া যাবে মনোমুগ্ধকর অনুভূতি। এই ফোনে রয়েছে ক্লাসিক ক্যামেরা ডিজাইন, যা স্মার্টফোন প্রেমীদের মাঝে ফটোগ্রাফির প্রতি আপনার পুরোনো ভালোবাসা জাগিয়ে তুলবে। ক্লাসিক ফ্লেয়ারের মিশ্রন সহ আধুনিকতার ছোঁয়া আছে এই স্মার্টফোনে। নিজের স্বকীয় স্টাইলে নতুন মাত্রা যোগ করতে চান এমন ফ্যাশন সচেতন মানুষদের জন্য উপযুক্ত ডিভাইস টেকনো ক্যামন ৩০ সিরিজ।

সম্প্রতি দেশের বাজারে এসেছে টেকনো ক্যামন ৩০ সিরিজ। লঞ্চ হওয়ার পর থেকেই তরুণ ব্যবহারকারীদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই সিরিজ। নাইট পোর্ট্রেট মাস্টার হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত এই সিরিজে রয়েছে ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ সহ একটি ৫০ মেগাপিক্সেল ওআইএস ক্যামেরা। অসাধারন ফটোগ্রাফি অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে এই ফোনে আছে বিভিন্ন এআই ফিচার এবং অত্যাধুনিক এআইজিসি পোর্ট্রেট।এছাড়া, এআই ইমেজ প্রসেসর পোলারএইস এর সাহায্যে ব্যবহারকারীরা তুলতে পারবেন দুর্দান্ত এআই পোর্ট্রেট ইমেজ।

উল্লেখ্য, মিউজ ক্রিয়েটিভ এবং ডিজাইন অ্যাওয়ার্ডস সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত একটি প্রতিযোগিতা। এই ইভেন্টের মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন অনন্য ডিজাইন ও নান্দনিক কাজকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই পুরস্কার ডিজাইন নান্দনিকতা এবং উদ্ভাবনের প্রতি টেকনোর অব্যাহত প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।


আরও খবর



নবীনগরে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাকুট উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ১০৭জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মাদ হেদায়েতুল্লাহ্ নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রতিনিধিঃব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ‍্যাপিট, বিদ‍্যাকুট অমর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূর্তি উৎসব উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার দিনব্যাপী অত্র বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি , শিক্ষকমন্ডলী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এক যৌথ উদ্দ্যোগে,বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে, জেলা ও উপজেলার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গগণের উপস্থিথিতে মনোমুগ্ধকর।

`মনোরম পরিবেশে, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভাও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নবীন- প্রবীণ ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পদচারণে মুখরিত ছিল অত্র বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ।অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শতবর্ষ স্মৃতি স্তম্ভের উদ্বোধন করেন।অনুষ্ঠানের পূর্বে, আমন্ত্রিত অতিথিদেরকে প্রথমে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করে নেয়ার পড়ে সাদা কবুতর উড়িয়ে শান্তির কামনায় অনুষ্ঠান টি সূচনা করেন।

অনুষ্ঠান চলাকালে অত্র বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীরা, প্রাক্তন সকল শিক্ষার্থীদের হাতে  রজনীগন্ধা স্টিক দিয়ে বরণ করে নেয়।উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অত্র বিদ‍্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আবদুল আউয়ালের সভাপতিত্বে ও আব্দুল মতিন শিপনের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর)আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফয়জুর রহমান বাদল।

এছাড়াও বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নবীনগরের কৃতি সন্তান ট্যুরিস্ট পুলিশের সিলেট জোনের পুলিশ সুপার বিল্লাহ হোসেন,ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোনাহর আলী, নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরউদ্দিন চৌধুরী শাহন, উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল হক সরকার, বিদ্যাকুট ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান জাকারুল হক,শিবপুর সুর সম্রাট আলাউদ্দিনের ডিগ্রী  কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ  সিরাজুল ইসলাম।

অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান,  অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান সরকার, ডা. মাহবুবুর রহমান - সহ শতবর্ষ উদযাপন কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার অসংখ্য অগণিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় শতবর্ষ উৎসবে চিরকুট, কনসার্ট চলে মধ্যরাত পর্যন্ত।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কে ম্যানেজ করে চলছে নিয়োগ-বাণিজ্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৩৬৪জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ 

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলাধীন ১৩ নং পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বড় রঘুনাথপুর গ্রামে অবস্থিত রঘুনাথপুর দেশান্তর কাঠি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য এবং সৃষ্ট পদে ১জন, পরিছনতা কর্মী ১জন আয়া ১জন সহ মোট চারজনকে নিয়োগ দেয়া হবে মর্মে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ স্কুলে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কাউকে কোন কিছু না বলে ঈদুল আযহার বন্ধের মধ্যে গোপনে পত্রিকায় বিজ্ঞাপনটি দেয়া হয়। যাতে করে প্রধান শিক্ষক তার নিজ পছন্দের ব্যক্তিদের ওই পদ গুলোতে নিয়োগ দিতে পারে। গত ২ জুলাই ছিল আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করাটা ছিল একটি কৌশল মাত্র। কৌশল অবলম্বনে নিয়োগ বাণিজ্যের পিছনে হাত রয়েছে বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রধান হিসাবরক্ষক নাছির উদ্দিনের। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে আবেদন বাছাই কমিটি হওয়ার আগেই যাদের নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন তাদেরকে বলা হয়েছে,যে টাকা নেওয়া হয়েছে ও টাকা আমরা খাব না এই টাকা বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার স্যারকে এবং জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর স্যারকে দিতে হবে। এই দুই শিক্ষা কর্মকর্তার নামে তারা টাকাগুলো হাতিয়ে নেয়। বিদ্যালয়টির বর্তমান প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে যে সমস্ত ব্যক্তির নিকট থেকে টাকা নিয়েছেন তারা হলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে আবেদনকারী মোঃ সোহাগ মৃধা, পিতা মোঃ ইউসুফ আলী মৃধা, তার কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়। সৃষ্ট পদে আবেদনকারী মোঃ কুদ্দুস হাওলাদার, পিতা মোহাম্মদ মানিক হাওলাদার (মুসল্লী) এর কাছ থেকে নেয়া হয়েছে পাঁচ লক্ষ টাকা, পরিছন্নতা কর্মী পদে আবেদনকারী আব্দুর রহিম,পিতাঃ মোঃ লাল মিয়া হাওলাদার এর কাছ থেকে নেয়া হয়েছে চার লক্ষ টাকা। আয়া পদে আবেদনকারী সুজনা আক্তার, স্বামী মোঃ সোহাগ এর কাছ থেকে নেয়া হয়েছে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা। এসব টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমানের নাম পাওয়া গেছে। সূত্র মতে জানা গেছে বর্তমান প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান আগামী ১৪ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে চাকরি থেকে অবসরে যাবেন। তাই তড়িঘড়ি করে স্থানীয়দের না জানিয়ে গোপনে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছেন সেই পত্রিকাটি বাকেরগঞ্জে পাওয়া যায় না। তার প্রধান উদ্দেশ্য অবসরে যাওয়ার আগে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া। 

এই বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর ফোন কেটে দেন।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রধান হিসাব রক্ষক নাসির উদ্দিনের সাথে ফোনে কথা বললে তিনি জানান, নিয়োগ দেওয়ার জন্য অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টি আমরা অবগত নই, তবে অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।



আরও খবর



দেশ ছেড়েছেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৯৩জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার,স্টাফ রিপোর্টার: ডিএমপির সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারের বিপুল সম্পদের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর দেশজুড়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ঈদুল আজহার ছুটি শেষে তার সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করতে পারে দুদক।

এদিকে এরইমধ্যে আছাদুজ্জামান সস্ত্রীক দেশ ছেড়েছেন। গেল সপ্তাহে তারা আমেরিকায় গেছেন। আছাদুজ্জামান দেশটিতে বিভিন্ন সম্পত্তি গড়েছেন। বিনিয়োগ করেছেন বিভিন্ন খাতে। এছাড়া সেখানে তাদের ছোট ছেলে আসিফ মাহাদীন পড়াশুনা করেন।

জানা যায়, আছাদুজ্জামান নিজ নামে, স্ত্রী আফরোজা জামান, দুই ছেলে আসিফ শাহাদাত, আসিফ মাহদীন ও মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকার নামে দেশে প্লট, ফ্ল্যাট, বাড়িসহ বিভিন্ন সম্পত্তি গড়ার পাশাপাশি আমেরিকাসহ কয়েকটি দেশেও বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিয়োগ করেছেন।

সম্প্রতি, সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা আছাদুজ্জামানের দুর্নীতিলব্ধ আয়ে গড়া নানা সম্পত্তির খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। আছাদুজ্জামান তা বুঝতে পেরেই আগেভাগে গা ঢাকা দেন। একপর্যায়ে গেল সপ্তাহে সস্ত্রীক আমেরিকায় চলে যান।

এদিকে গণমাধ্যমে আছাদুজ্জামানের দুর্নীতির খবর আসার পর নড়েচড়ে বসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। ঈদুল আজহার ছুটির পর তার বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত নিতে পারে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।

দুদক কমিশনার জহুরুল হক গণমাধ্যমকে বলেছেন, আছাদুজ্জামান মিয়ার সম্পদের তথ্য প্রকাশের খবর তাঁর নজরে আসেনি।... যদি সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের খোঁজ পাওয়া যায়, তাহলে দুদক ব্যবস্থা নেবে।

জানা যায়, আছাদুজ্জামান মিয়ার সম্পদের বাড়াবাড়ির বিষয়টি বেশ কয়েক বছর আগে নজরে এসেছিল দুদকের। শুরু হয় অনুসন্ধানও। তবে তা খুব একটা এগোয়নি। অনুসন্ধান না আগানোর পেছনে কারণও খুব একটা স্পষ্ট নয়।

তবে সংস্থাটির আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলছেন, ছুটির পর অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। আস্থা নিয়ে পুলিশের উচ্চ পদে আসীনদের এমন কর্মকাণ্ডে, বাহিনীটিতে শুদ্ধি অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন এ জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।

‘মিয়া সাহেবের যত সম্পদ’ নামে দৈনিক মানবজমিন একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর নতুন করে শিরোনামে এলেন আসাদুজ্জামান মিয়া। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারের সম্পদের পাহাড়। অনেক সম্পদের নথি ধরে সরজমিনে সেসবের সত্যতা মিলেছে।

এ বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘রাজনৈতিক আশীর্বাদ ছাড়া এ ধরনের দুর্বৃত্তায়ন সম্ভব নয়। একদিকে প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ অবস্থান অপরদিকে রাজনৈতিক আশীর্বাদ একত্রিত হয়ে তাদের দুর্নীতি এবং অসামঞ্জস্য আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা আইনের সুরক্ষার পরিবর্তে ভক্ষক হয়ে গেছেন। তারা অপরাধ নিয়ন্ত্রক। তার মানে তারা জানেন কোন অপরাধ কীভাবে করতে হয়। এটা জেনে বুঝেই করেছেন ‘

‘তারা যে অসামঞ্জস্য অপরাধগুলো করেছেন প্রতিটি ক্ষেত্রেই কিন্তু এক ধরনের সহযোগী আছে। তাদের অনেকেই হয়তো জেনে বা না জেনে অংশীদার হয়েছেন। এ অবস্থায় সব অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা ছাড়া অন্য কোনো ম্যাজিক বুলেট নেই।’

আরও খবর



তাহিরপুরে চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বৃদ্ধি : নৌকাসহ ৫জন গ্রেফতার

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৫২জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া-সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুরে দিনদিন বেড়েই চলেছে চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বাণিজ্য। সরকারের কোটিকোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চোরাকারবারীরা প্রতিদিন ভারত থেকে অবৈধ ভাবে কয়লা ও চুনাপাথরসহ বল্ডার পাথর, গরু, ঘোড়া, মদ, গাঁজা, ইয়াবা, নাসির উদ্দিন বিড়ি, পেয়াজ ও চিনিসহ আরো বিভিন্ন প্রকার মালামাল ওপেন পাচাঁর করছে। পরে পাঁচারকৃত অবৈধ মালামাল থেকে পুলিশ, বিজিবি ও সাংবাদিকদের নাম ভাংগিয়ে সোর্স পরিচয়ধারী একাধিক মামলার আসামীরা উত্তোলন করছে লাখলাখ টাকা চাঁদা। সোর্সদের নেতৃত্বে চোরাচালান করতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে, নদীতে ডুবে ও গর্তে পড়ে এপর্যন্ত কয়েক হাজার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত সোর্সদের বিরুদ্ধে নেয়া হয়নি আইনগত কোন পদক্ষেপ। তবে নৌ-পুলিশ সীমান্তের পাটলাই নদীতে অভিযান চালিয়ে ইঞ্জিনের নৌকাসহ ৫জনকে গ্রেফতার করেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- প্রতিদিনের মতো আজ রবিবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার চারাগাঁও সীমান্তের এলসি পয়েন্টের পাহাড়ি ছড়া দিয়ে চোরাকারবারী কাঞ্চন মিয়া, সোহেল মিয়া, দীপক মিয়া, আনোয়ার হোসেন বাবলুগং প্রায় ১২০মেঃটন কয়লা পাচাঁর করে একাধিক ডিপু ও তাদের বসতবাড়িতে মজুত করে। তার আগে ভোর ৫টায় উপজেলার বীরেন্দ্রনগর ও চারাগাঁও সীমান্তের লামাকাটা, সুন্দরবন, জঙ্গলবাড়ি, কলাগাঁও, বাঁশতলা ও লালঘাট এলাকা দিয়ে গডফাদার তোতলা আজাদের সোর্স রফ মিয়া, আইনাল মিয়া, লেংড়া জামাল, সাইফুল মিয়া, রিপন মিয়া, বাবুল মিয়া, রুবেল মিয়া ও হারুন মিয়াগং প্রায় ৩৫০মেঃটন পাচাঁরকৃত অবৈধ কয়লা ১২টি স্টিলবডি ইঞ্জিনের নৌকা দিয়ে নিয়ে যায়। এছাড়াও কলাগাঁও নদী থেকে প্রতিদিন অবৈধ ভাবে বালি ও পাথর বিক্রি করছে একাধিক মামলার আসামী সোর্স রফ মিয়া ও আইনাল মিয়া। এদিকে গত শুক্রবার (২৮জুন) বিকেলে সীমান্তের পাটলাই নদীর সোলেমানপুর নামকস্থানে পাচাঁরকৃত অবৈধ মালামাল বোঝাই নৌকা থেকে চাঁদা উত্তোলনের সময় নৌ-পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোর্স পরিচয়ধারী ফজলুল হক (৫২), হাবিবুর রহমান (৪৮), কহিনুর মিয়া (৩৮), কামরুল মিয়া (৩৫) ও এমরান মিয়া (৩২) কে হাতেনাতে গ্রেফতার করে। কিন্তু গত এক সপ্তাহে বালিয়াঘাট সীমান্তের লাকমা ও লালঘাট এলাকা দিয়ে গডফাদার তোতলা আজাদ ও তার সোর্স জিয়াউর রহমান জিয়া, মনির মিয়া, ইয়াবা কালাম, হোসেন আলী, রতন মহলদার, কামরুল মিয়াগং প্রায় ২শ মেঃটন কয়লা পাচাঁর করে সীমান্তের বসতবাড়ি, নিলাদ্রী লেকপাড় ও দুধেরআউটা গ্রামে নিয়ে মজুত করাসহ টেকেরঘাট সীমান্তের বুরুঙ্গাছড়া ও রজনীলাইন এলাকা দিয়ে সোর্স আক্কল আলী, রুবেল মিয়া ও কামাল মিয়াগং প্রায় ৩হাজার মেঃটন চুনাপাথর ও ১হাজার মেঃটন কয়লা পাচাঁর করে বিজিবি ক্যাম্পের আশেপাশে অবস্থিত বিভিন্ন ডিপুতে মজুত করলেও এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এছাড়াও পাশের চাঁনপুর সীমান্তের নয়াছড়া, রাজাই, কড়ইগড়া ও বারেকটিলা এলাকা দিয়ে সোর্স জামাল মিয়া, নজরুল মিয়া, রুসমত আলী, জম্মত আলী, সাহিবুর মিয়া, বুটকুন মিয়া ও লাউড়গড় সীমান্তের জাদুকাটা নদী, সাহিদাবাদ, দশঘর ও পুরান লাউড়গড় এলাকা দিয়ে সোর্স বায়েজিদ মিয়া, জসিম মিয়া, নুরু মিয়া, নবীকুল, জজ মিয়াগং প্রতিদিন ভারত থেকে ওপেন পাচাঁর করছে গরু, ঘোড়া, কয়লা, পাথর, নাসির উদ্দিন বিড়ি, মদ, গাঁজা, ইয়াবা, চিনি ও পেয়াজসহ বিভিন্ন মালামাল। কিন্তু তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য নেওয়া হয়না কোন পদক্ষেপ।

এব্যাপারে টেকেরঘাট কোম্পানীর বিজিবির কমান্ডার দীলিপ বলেন- আমার এলাকা দিয়ে চোরাচালানের কোন খবর আমি পাইনা, পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চারাগাঁও বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার শফিকুল বলেন- আমাদের পক্ষ থেকে সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ ভাবে কোন মালামাল পাচাঁরের অনুমতি নাই। তাহিরপুর থানার ওসি কাজী নাজিম উদিন বলেন- থানা পুলিশের কোন সোর্স নাই। সীমান্ত চোরাচালান বন্ধের দায়িত্ব বিজিবির। তবে নৌ-পুলিশ সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ৫জনকে আটক করেছে জানতে পেরেছি। সুনামগঞ্জের টুকেরবাজার নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ আতাউর রহমান বলেন- সীমান্তের জাদুকাটা ও পাটলাই নদীসহ বিভিন্ন স্থানে মালামাল পরিবহনকারী নৌকায় চাঁদাবাজি হয় জানতে পেরেছি। আমরা অভিযান চালিয়ে ইতিমধ্যে নৌকাসহ ৫জনকে গ্রেফতার করেছি। মামলা পক্রিয়াধীন রয়েছে। আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



ফুলবাড়ীর পল্লীতে বিষ প্রয়োগে আমন ধানের চারা নষ্ট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার বেতদিঘী ইউপির দলদলিয়া গ্রামের মোঃ আবু ফাজেল গংরা মোঃ সারেজুল ইসলাম এর ১২ বিঘা জমির আমন ধানের বীজতলা বিষ প্রয়োগ করে নষ্ট করে দেন। 

ফুলবাড়ী উপজেলার বেতদিঘী ইউপির দলদলিয়া গ্রামের মৃত্যু মকছেদ আলীর পুত্র মোঃ সারেজুল ইসলাম এর ফুলবাড়ী থানায় গত ২৬/০৬/২০২৪ইং তারিখে দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১২ বিঘা জমিতে আমন ধানের চারা রোপনের জন্য তৈরি করা হয়। এ সময় প্রতিপক্ষ মোঃ আবু ফাজেল (৫১), পিতা: মৃত তোফাজ্জাল হোসেন; মোঃ জাকিরুল ইসলাম (৩৫), পিতা: আব্দুস সালাম; মোঃ শরিফুল ইসলাম (৩৮), পিতা: মৃত নাজিমুদ্দিন উভয়ের সাং-দলদলিয়া ও গঙ্গাপুর, মোঃ নজরুল ইসলাম (৪৫), পিতা: মৃত আফাজ উদ্দিন; মোঃ আনোয়ার হোসেন (৪০), পিতা: আবুল হোসেন সর্ব সাং-দলদলিয়া, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর। তারা দলবদ্ধ হয়ে গত ০২দিন আগে তার নিজস্ব সম্পত্তির উপর আমন ধানের চারা জমিতে লাগানো অবস্থায় বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করে নষ্ট করে দেয়। গত ২৬/০৬/২০২৪ইং তারিখে দুপুর ২টায় জমিতে গিয়ে দেখেন আমন ধানের চারাগুলি হলুদ ও লাল হয়ে গেছে। ১২ বিঘা জমিতে ঐ আমন ধানের চারা রোপন করার প্রস্তুতি নিলে উল্লেখ্য ব্যক্তিরা এই ঘটনা ঘটায়। এতে তার অফুরন্ত ক্ষতিসাধন হয। 

এই ঘটনায় সারেজুল ইসলাম বাদী হয়ে গতকাল সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কৃষি অফিসার কে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেন। 

এ ব্যাপারে সারেজুল ইসলাম উল্লেখ্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশসনের অশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 

এই ঘটনায় ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 


আরও খবর