Logo
আজঃ Tuesday ২৬ October ২০২১
শিরোনাম
স্থানীয় সাংসদের ডিওলেটার নকল অর্ধকোটি আয়, সিন্ডিকেটে জড়িত সরকারী কর্মকর্তারা

মিঠাপুকুরে ভুয়া কাজীর হাতে ২ হাজার বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রি

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
Image

 

রুবেল ইসলাম,মিঠাপুকুর :

 

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় ভূয়া নিকাহ্ রেজিস্ট্রার সেজে ৭ বছরে বিয়ে ও তালাক রেজিস্ট্রি করে কোটি টাকা আয় করেছেন এনামুল হক নামে কাজী। এই সময়ে তিনি ২ হাজারেরও বেশি নিকাহ্ ও তালাক রেজিস্ট্রি করেছেন। সম্প্রতি জানা গেছে তিনি একজন ভুয়া কাজী। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন আমিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি।

 

গত ২৬ শে আগস্ট আলোচিত অভিযোগটি উঠেছে-উপজেলার ময়েনপুর ইউনিয়নে দক্ষিণপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের পুত্র কাজী এনামুল হকের বিরুদ্ধে।ভুয়া রেজিস্ট্রারি নিয়োগ দেখিয়ে কাজির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।এতে সহযোগিতা করছেন জেলা রেজিস্ট্রার অফিস, মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর রংপুর আঞ্চলিক অফিসের কিছু কর্মচারী।তবে এই বিষয়ে উভয় উভয়কে দোষারোপ করছেন।

 

অভিযোগকারী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মুন্ডপাশা গ্রামের আলাউদ্দিন মিয়ার ছেলে আমিরুল ইসলাম মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন)আইনে ১৯৭৪(১৯৭৪ সনের ৫২ নং আইন)এর ৪ ধারানুযায়ী নং-বিচার-৭/২এন/২০০৪-৪৪২ নং স্মারেেক কাজীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সেই স্মারক জালিয়াতি করে দীর্ঘ ৭বছর ধরে কাজীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন এনামুল হক।তিনি আরও বলেন-তৎকালীন সময়ে আইন ও বিচার বিভাগ থেকে নিকাহ্ রেজিস্ট্রার নিয়োগপ্রাপ্ত সঠিকতা প্রসঙ্গে ও তার বিরুদ্ধে বিচার-৭/২এন-৬৯/২০০৪-২৬৫ স্মারকে ৮ই মার্চ ২০১৭ সালে জেলা রেজিস্ট্রারকে ফৌজদারি মামলার নির্দেশ দেন সিনিয়র সহকারী সচিব জি.এম.নাজমুল শাহাদাৎ।কিন্তু তৎকালীন জেলা রেজিস্ট্রার অর্থের বিনিময়ে কোন ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।জানা যায়-গত ১৬ই ফেব্রয়ারী ২০১৪ সালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান কাজী আব্দুল ওয়াদুদ(৪৫)।তার মৃত্যুর পর থেকে ভুয়া নিয়োগপত্র দেখিয়ে কাজীর দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

 

নামপ্রকাশে অনিশ্চুক স্থানীয় বাসিন্দা জানান-এনামুল কাজী এলাকায় ৮-১০ হাজার টাকার বিনিময়ে বাল্যবিবাহ পড়িয়ে থাকেন।এছাড়া বিভিন্ন ধরণের ঝামেলার বিয়ে অনেক অর্থের বিনিময়ে রেজিস্ট্রোর করেন বলে দাবী তাদের।

এই বিষয়ে এনামুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি। আবু তালেব মিয়া ও ইদ্রিস আলী নামে দুজনকে সাব কাজীর দায়িত্ব দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন তিনি।

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর রংপুর আঞ্চলিক অফিসের ম্যানেজার আব্দুস ছালাম বলেন-ময়েনপুর ইউনিয়নের কাজী এলামুল হকের কোন ফাইল তার অফিসে নেই ।জেলা রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত অনুমতি ও সরকারী মূল্য পরিশোধ না হওয়া পযর্ন্ত আমাদের কাছ থেকে বই পাওয়ার কোন সুযোগ নেই।তাহলে বই পেল কিভাবে এমন প্রশ্নে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসকে দায়ী করেন তিনি।

 

জেলা রেজিস্ট্রার আব্দুল সালাম প্রামাণিক জানান-তিনি এই বিষয়ে অবগত নন।ইতিপূর্বে যিনি দায়িত্বে ছিলেন তিনি এই কাজ করেছেন। তার অফিসের সুপারিশ ছাড়া মুদ্রণ শাখা কখনই কোন বই হস্তান্তর করেন না। কাজী বই কিভাবে পেল এমন প্রশ্নে  তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



বাবা হুট করেই নাকি আমার বিয়ে ঠিক করেছে

রম্যগল্প- বিয়ে বিড়ম্বনা

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ২২৭জন দেখেছেন
Image

 

 

️লেখক: তাসনিয়া তাবাসসুম


বাবা হুট করেই নাকি আমার বিয়ে ঠিক করেছে।আমি কেবলই ইউনিভার্সিটিতে পা রেখেছি ছ'মাসও হয় নি আর তিনি অলরেডি আমার জন্য পাত্রী দেখা শুরু করেছেন।আরে বাবা,এই সদ্য উৎপন্ন চাল কি আর সেই সরিষার মতো ফুটফুটে ফুলের তেলের ঘানি টানতে পারবে!

 

বাবাকে কিছু বললেই বলে আমি বেকার হয়েছি তো কি হয়েছে?সেও নাকি এই বয়সেই বিয়ে করেছিল,তার পূর্বপুরুষের পন্থা নাকি এটা!মনে মনে সাধে তো আর বলি না যে এই জন্যেই তো মাথায় আস্ত একটা টাক জন্ম দিয়েছো!!

রাফিনকে ফোন করে আসতে বললাম সেদিন যে দোস্ত,একটা ইমারজেন্সি কথা আছে জলদি টিএসসির সামনে আয়।

ওই ব্যাটা মুখের উপরই বলে দিল,"কি রে আঙ্কেল আবার নিশ্চয়ই তোমার পিছনে বাছুরের মতো ছুটছে?তো বিয়ে করছিস কবে?"

কথাটা শুনে হাসবো না কাঁদবো না ইমোশনাল হবো কিছুই বুঝতে পারলাম না।শেষমেশ রাফিনকে অভিশাপ....থুক্কু বকা দিয়েছি আর কি!তাকে সোজাসাপটা বলে দিয়েছি বিয়ে করলে আমি একটা হিজড়ারেই বিয়ে করবো।

এই শালা রাফিন ডিরেক্ট গিয়ে বাবাকে বলে দিয়েছে কিন্তু আমি জানি না।

প্রতিদিনের মতো এবারও বেশ ফুরফুরে মেজাজে বাড়িতে ঢুকেছি।ঢুকেই দেখছি বাসা ভর্তি মানুষ।তাজ্জব ব্যাপার তো!এ সময়ে বাসায় এত মানুষ,কারো বিয়ে হবে নাকি?

বাবাকে খুঁজছি কিন্তু কেউ নেই।রুমের মধ্যে ঢুকতেই দেখি একজন মাথায় ঘোমটা দিয়ে কি সুন্দর করে শাড়ি পরে বসে আছে।মনে মনে ভাবলাম যাক বাবা মনে হয় আমার জন্য ভালো পাত্রীই ঠিক করেছেন।আস্তে আস্তে এগুলাম তার দিকে।ঘোমটাটা খুলবো এমন সময় রাফিন এসে গেছে।

কি রে মুহিব্বি!কি খবর?আঙ্কেল তোরে বিয়ে তাইলে দিয়েই দিলো।তো দোস্ত তোমার মনের সকল আশা-আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হোক।আর ভাবী,ছেলেকে তো আগেই দেখেছেন।এখন আরও ভালো করে দেখে নেন।

আসি দোস্ত,ভালো থাক...

এতক্ষণ জোর করে রাগটা চেপে রেখেছিলাম কিন্তু যাক,গাধাটা গেছে এখন।এখন তো আমার বউকে দেখাই যায়!

আস্তে আস্তে আবার এগুলাম তার দিকে।ঘোমটাটা খুলছি ধীরেধীরে।

মেয়ের চেহারা যেই না দেখতে যাবো অমনি কি এক বিচ্ছিরি মেয়েছেলে গলা দিয়ে কে যেন বলে উঠলো,"ও গো আমার না লজ্জা লাগছে!প্লিজ ওভাবে তাকিও না!"

আমি কিছুক্ষণ কথাগুলো হজম করলাম।ভাবছি আমার রুমে তো অন্য কেউ নেই তাহলে এই পুরুষ-মহিলা কণ্ঠস্বর আসছে কোথা থেকে!

ধুর,ওসব পাত্তা না দিয়ে এবার ঘোমটাটা খুললাম।ইশশ কি সুন্দর মিষ্টি গায়ের রঙ,ঠোঁটগুলোও কি গোলাপি-- একেবারে গোলাপের পাপড়ির মতো পাতলা,আর চোখ উফফ কি যে অথৈ সাগরে ডুবে গেলাম!একেবারে সাক্ষাৎ পরি!

"এই অমন করে কি দেখছো?আমাকে পছন্দ হয়েছে তো তোমার,বলো না?"

জীবনে বোধহয় এতটা হতভম্ব কখনোই হই নি।মানে কি?শেষ পর্যন্ত মেয়ের গলা পুরুষের মতো হলো!!!এত সুন্দর মেয়ে আর গলা এই বিচ্ছিরি!

মানতে কষ্ট হচ্ছে কিন্তু তারপরেও তো সে আমার বউ।

আমার জড়িয়ে ধরে সে বলতে লাগলো,"এই দেখো না আমার দিকে!কেমন লাগছে আমার হু?"

আচ্ছা এক সেকেন্ড এটা তো কোনো মেয়ের গলা না।মেয়েদের গলার স্বর তো সুকণ্ঠ,সুমিষ্ট কিন্তু...

তার মানে এ কি তাইলে হিজড়া!!!আল্লাহ গো, আমাকে বাঁচাও,আব্বা শেষমেশ আমাকে সত্যিসত্যিই হিজড়ার সাথে বিয়ে দিয়েছে!

নাআআআআআআআআ!!!

আব্বাআআআআআআআআআ....

কয়েকদিন পর...

আমি এখন কোথায়?আব্বা,রাফিন দোস্ত আছিস?

-হ্যাঁ দোস্ত বল।তুই হসপিটালে। এখন কেমন লাগছে?

-কিছুটা ভালো লাগছে।কিন্তু আমি না বাসায় ছিলাম,হসপিটালে আসলাম কিভাবে?

-আরে ব্যাটা,তোর মনে নাই তোর বিয়ে হয়েছিল।ওই যে সুন্দর একটা হিজড়ার সাথে।তোদের কথা হচ্ছিলো আর তুই তো আব্বা বলে এমন চিৎকার দিলি। আর আমরা এসে দেখি তুই অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছিস!

ভাইয়া,মুহিব্বি এখন কেমন আছে?

-দোস্ত,এবার বোধহয় আমি আর বাঁঁচবো না!

অতঃপর আমি আবারও সেন্সলেস!!!

 

️লেখক: তাসনিয়া তাবাসসুম

 


আরও খবর



দুর্গাপূজা কেন্দ্র করে জঙ্গিরা অনলাইনে সক্রিয়

আসছে দুর্গাপূজা কেন্দ্র করে জঙ্গিরা অনলাইনে সক্রিয়: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


 

ডেস্ক এডিটর :

আসছে দুর্গাপূজা উৎসব কেন্দ্র করে জঙ্গিরা অনলাইনে সক্রিয়। তারা রাতে মণ্ডপে হামলা করার পরিকল্পনার প্রচারণা চালাচ্ছে। যখন পুলিশ ও লোকজন কম থাকে, তখনই তারা হামলার পরিকল্পনা করছে। তবে কেউ তাদের পোস্ট দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছে, এমন কাউকে পাওয়া যায়নি। আমরা অ্যালার্ট আছি।

 

রোববার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

 

ডিএমপি কমিশনার বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা কেন্দ্র করে তেমন ঝুঁকি দেখছি না। তবে আশংকার কথাও উড়িয়ে দিচ্ছি না। জঙ্গিরা এখন অনলাইনে সক্রিয়। তারা নানা ধরনের পোস্ট দিচ্ছে। তারা সেলফ রেডিকালাইজড হয়ে (লোন উলফ) হামলায় উদ্বুদ্ধ হয়েছে, অন্যকে উদ্বুদ্ধ করছে।

 

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা মন্দিরগুলোকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এনেছি। এছাড়াও ঢাকা শহরের বড় মন্দিরগুলোতে অতিরিক্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হবে। সিসিটিভি কন্ট্রোল রুম করা হবে। ছোট মন্দিরগুলোতে পুলিশের মোবাইল টিম কাজ করবে।

এর আগে সকালে ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিট প্রধানদের নিয়ে কমিশনার মণ্ডপে আসেন ও মণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন। পূজা উদযাপন কমিটির লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন।

খবর প্রতিদিন / সি.বা 


আরও খবর



মাগুরা সদরে ‘আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত

মাগুরায় দু’গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রকাশিত:Friday ১৫ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ৩২৭জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


ডেস্ক এডিটর : 

মাগুরা সদরে ‘আধিপত্য বিস্তার নিয়ে  দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে অন্তত ৫০ জন।  জগদল ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়ায় শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

তিনি জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ মাগুরা সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। হাসপাতালের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোনো রোগীর স্বজনকে এখন হাসপাতালে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।

 

নিহতরা হলেন রহমান মোল্লা, মো. কবির, মো. অসিয়াত ও মো. ইমরান। তাদের সবার বাড়ি জগদলের দক্ষিণ পাড়ায়।

 

স্থানীয় লোকজন জানান, ১১ নভেম্বর জগদল ইউনিয়ন পরিষদকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। এই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সবুর ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. নজরুলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



পাকিস্তানের এত বড় জয়ের রহস্য কি

বাবর আজম কোন ম্যাজিকে ইতিহাস গড়লেন

প্রকাশিত:Monday ২৫ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
স্পোর্টস ডেস্ক

Image


 

স্রেফ ইতিহাসটা বদলে দিলেন বাবর আজম অ্যান্ড কোং। যে ভারতকে বিশ্বকাপের মঞ্চে হারাতেই পারে না পাকিস্তান, সেই ভারত এবার হেরেই গেলো! ১৫১ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয়ার পর এই রানকে আর ডিফেন্ড করতে পারেনি তারা। ১০ উইকেটের বিশাল জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন বাবর আজম এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান।

 

তো পাকিস্তানের বিপক্ষে একে তো ঐতিহাসিক জয়, তারওপর ব্যবধানটা ১০ উইকেটের। এত বড় জয় কিভাবে এলো সে রহস্যের কথাই জানালেন বাবর আজম।

 

ম্যাচ পরবর্তী মিডিয়ার সামনে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা আমরা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পেরেছি। দ্রুত উইকেটগুলো খুব কাজে দিয়েছে। শানিনের উইকেটগুলো আমাদের অনেক আত্মবিশ্বাস যুগিয়েছে। একই সঙ্গে স্পিনাররাও দুর্দান্ত বোলিং করেছে।

 

ব্যাটিংয়ে কী পরিকল্পনা ছিল পাকিস্তানের? জবাব দেন বাবর। তিনি বলে, ‘রিজওয়ানের সঙ্গে আমার পরিকল্পনা খুবই সাধারণ ছিল। আমরা উইকেটের ডিপে গিয়ে ব্যাটিংয়ের চেষ্টা করেছি। ৮ ওভারের পর থেকে শিশির পড়া শুরু করল এবং বল ব্যাটে আসা শুরু করল। এই সুযোগটা কাজে লাগিয়েই আমাদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেল।

পরবর্তী লক্ষ্য কী জানালেন বাবর। তিনি বলেন, ‘ম্যাচের পর ম্যাচ আমরা এটা ধরে রাখতে চেষ্টা করব। আমাদের ওপর খুব বেশি চাপ ছিল না। ভারতের বিপক্ষে অতীত রেকর্ড নিয়ে আমরা খুব একটা চিন্তিত ছিলাম না। যখন আপনি বড় বিশ্বকাপের আগে টুর্নামেন্ট খেলবেন,এটা খুবই কাজে দেবে। সতীর্থরা সেখান থেকেই প্রচুর আত্মবিশ্বাস পেয়েছে।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা  


আরও খবর



শাপলা তুলে বিক্রি এখন বিকল্প আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে শত শত কর্মহীন কৃষকের

মুন্সিগঞ্জে শাপলা বিক্রি এখন বিকল্প আয়ের উৎস

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ১৬৩জন দেখেছেন
Image


ডেস্ক এডিটর :

নদী বেষ্টিত মুন্সিগঞ্জের বিল, ঝিল আর জলাভূমিতে এখন প্রাকৃতিকভাবে ফোটা শাপলার সমারোহ। ফুল প্রজাতির হলেও সবজি হিসাবে সুস্বাদু শাপলা। বাজারে চাহিদা থাকায় নয়নজুড়ানো শাপলা তুলে বিক্রি এখন বিকল্প আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে শত শত কর্মহীন কৃষকের। প্রাকৃতিকভাবে হওয়ায় উৎপাদনে প্রয়োজন নেই পুঁজির। বিনা পুঁজিতেই শাপলা আহরণ ও বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান তারা। বিভিন্ন বয়সী মানুষ ঝুঁকছেন এ কাজে। শাপলা তুলে বিক্রি করে চলছে সংসার।

 

জানা যায়, জেলার টঙ্গীবাড়ী, সিরাজদিখানের জলাভূমি ও শ্রীনগরের আড়িয়াল বিল থেকে প্রতিদিন শত শত নৌকায় শাপলা আহরণ চলছে। ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে শাপলা তোলার কাজ। একেক জন প্রতিদিন ১০০-২০০ আটি পর্যন্ত শাপলা তুলে থাকেন। পাইকারি প্রতি আটি শাপলা বিক্রি করছেন ৩-৫ টাকা।

স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি অধিকাংশ শাপলা বিক্রি হয় রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন বাজারে। দিনভর জলাভূমিতে থেকে আহরণের পর শাপলা রাখা হয় রাস্তার পাশে। বিকেলে ট্রাক-পিকআপ যোগে পাইকাররা এসব শাপলা নিয়ে যান ঢাকার বাজারগুলোয়। পাশের জেলা ও টাটকা থাকায় ঢাকার বাজারগুলোয় মুন্সিগঞ্জের শাপলার বেশ চাহিদা।

 

আড়িয়াল বিলের আলমপুর এলাকায় দেখা যায়, বিলের দিগন্তজুড়ে ফুটে আছে অসংখ্য শাপলা। সারি সারি নৌকায় ভোর থেকে বিলের জলে ফোটা শাপলা তুলছেন কৃষকরা। শাপলা ধুয়ে নির্দিষ্ট আকৃতিতে কেটে রাখছেন। ১৩-১৪টি শাপলা করে আটি বেঁধে রাখছেন নৌকায়। প্রতিটি নৌকায় ফুলে ফুলে ভর্তি।

 

শাপলা তোলায় ব্যস্ত ফরিদ শেখ বলেন, ‘উন্নাকালে জমিতে কাজ করি। এখন বর্ষার পানিতে জমিজমা সব তলাই গেছে। জমির কোনো কাজ নাই। তাই উপার্জন করতে শাপলা তুলি। ১০০-১৫০ আটি শাপলা তুলতে পারি প্রতিদিন। বিক্রি কইরা ৫০০-৭০০ টাকা আয় হয়। এই দিয়ে সংসার চলে যাচ্ছে।

 

সনাতন মন্ডল বলেন, ‘শ্রাবণ থেকে চলতি আশ্বিন মাস পর্যন্ত বিলে শাপলা ফোটে। কোনো পুঁজির দরকার হয় না। শাপলা তুলতে একটু পরিশ্রম হয় আর কি। সারাদিন শাপলা তুলে বিলের পাশে রাস্তায় রাখি। পরে বিকালে পাইকাররা ট্রাক দিয়ে নিয়া যায়। এখন ৩ টাকা দেয়। অবার চাহিদা বেশি থাকলে ৫ টাকাও দেয়। ট্রাকে উঠানোর পর আমাদের টাকা দিলে বাসায় চলে যাই। আর পরদিন সকালে আসি।

 

সিরাজদিখানের আকরাম আলী বলেন, ‘ঢাকার মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, আব্দুল্লাহপুরসহ বিভিন্ন বাজারে যেসব শাপলা বিক্রি হয়, তার বেশিরভাগই মুন্সিগঞ্জ থেকে যায়। শুধু সিরাজদিখান থেকে প্রতিদিন ১-২ ট্রাক শাপলা ঢাকায় যায়।

খবর প্রতিদিন / সি.বা  


আরও খবর