Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

মির্জাপুরে নৌকা-স্বতন্ত্র সমানে সমান

প্রকাশিত:Wednesday ১৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৩০জন দেখেছেন
Image

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তিন ইউনিয়নে নৌকা ও তিনটিতে স্বতন্ত্রপ্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার (১৫ জুন) সন্ধ্যা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শরিফা বেগম বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।

নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানরা হলেন- উপজেলার আজগানা ইউনিয়নে কাদের শিকদার
(নৌকা), ফতেপুর ইউনিয়নে আব্দুর রউফ (নৌকা), বহুরিয়া ইউনিয়নে আবু সাইদ (নৌকা), লতিফপুর ইউনিয়নে আলী হোসেন রনি (মোটরসাইকেল), তরফপুর ইউনিয়নে আজিজ রেজা (মোটরসাইকেল) ও ভাওড়া ইউনিয়নে মাসুদুর রহমান (ঘোড়া)।

এর আগে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।


আরও খবর



আব্দুল্লাহ জুবায়েরের দুটি কবিতা

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

কাব্যকথা

প্রথম দেখায় হৃদয় ক্যানভাসে অঙ্কিত তোমার ছবি,
নিস্তব্ধ পলকহীন দৃষ্টি দেখে পদ্মর মতো ঠোঁটের হাসি।
প্রকৃতির বুকে বসন্তের হাওয়া, আগের চেয়ে বেশিই ছুঁয়েছে;
উষ্ণতায় ভরে গেল আমার শরীর,
সামুদ্রিক চিলের মতোই ভয়ানক হয়ে উঠলাম প্রেম-নেশায়।
কোকিলেরা আমার প্রেমের আগমনী গানই গাইছে ফাল্গুনী প্রভাতে,
কৃষ্ণচূড়ার উজ্জ্বল রং রাঙিয়ে দিচ্ছে ভাবনার আবাস।
আমার আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশা আর ইচ্ছের শহরে ধ্বনিত হলো ‘কথা’
এ কথা সে কথা নয়, এ যে কাব্যের কথা,
আমি কাব্যপ্রেমিক আর তুমি প্রেমিকা কথা।

****

নীল নয়না

পড়ন্ত বিকেলে যখন তুমি আমায় নতুন দিগন্ত দেখাচ্ছিলে;
আমি তখন বিস্মিত চিত্তে তোমার নব সমাদর বোঝার চেষ্টা করি।
স্বমহিমায় আপন সত্তাকে বিশ্বাস করাতে বড্ড কষ্ট হচ্ছিল।

ভাবের জগতে প্রমোদ তরীতে তোমায় নিয়ে আবার
কী করে ভাসবো আটলান্টিকের মতো মহাসমুদ্রে?
অতি ক্ষুদ্র জীবনের এত রং এত ডং,
নাট্যমঞ্চে তোমার ছদ্মবেশী হয়ে ওঠা, সত্যি ভাবিয়ে তোলে।

আমাকে ভাবিয়ে তোলে সুবিশাল নক্ষত্রের দল
আমাকে ভাবিয়ে তোলে, পরিবারের সুখ কিনে আনতে
সীমাহীন সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার লুকোচুরি খেলা।

তুমি মস্ত বড় অভিনয়শিল্পী, তুমি নীল নয়না ছলনাময়ী
তোমার হরিণী চোখ, টিকোলো নাক, কালো কেশ বড্ড সর্বনাশী।

হৃদয় গহ্বরে ফের কম্পনের সূচনা, তবে তা অতীতের মতো নয়
ভাঙা কাচের দেওয়ালের মতো স্মৃতিগুলো আছড়ে পড়ছে বুকের বা’পাশে,
সেই ধ্বনি দিচ্ছে অসহ্য যন্ত্রণা, দূরেই ঠেলে দিচ্ছে তোমার কাছ থেকে।

তুমি আবেদনময়ী, হাজারো যুবকের মাঝে সঞ্চার হয় অজস্র স্বপ্ন
তুমি ক্লিওপেট্রা, নিজের রূপে রাজাকেও করতে পারো দিশেহারা।

রূপের অহমিকায় কিনেছ ক্ষণস্থায়ী সুখ, হারিয়েছো প্রণয়ের নিলয়।


আরও খবর



৯ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ হার

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থার ক্রমউন্নতি আর জিম্বাবুয়ের ক্রমানবতি- একটা সময় মনে হচ্ছিল জিম্বাবুয়ে বুঝি আর কখনোই হারাতে পারবে না বাংলাদেশকে। এ বিশ্বাসটা দৃঢ় হয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কর্মকর্তাদের মনেই।

সে কারণেই জাতীয় দলের পরীক্ষা-নীরিক্ষার জন্য বেছে নেয়া হলো জিম্বাবুয়ে সফরকে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য এমন পরীক্ষা-নীরিক্ষা খুবই প্রয়োজন। কিন্তু একেবারে প্রস্তুতিহীন একটি দল কিংবা যে দেশে খেলতে গেলো, তাদেরকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার প্রবণতাটা কোনোভাবেই মাথা থেকে যায়নি।

কিন্তু খেলাটা ক্রিকেট। যে কোনো সময় চরিত্র বদলে যেতে পারে। যে কারণে ক্রিকেটকে বলা হয় গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা। বাংলাদেশ ক্রিকেট কর্মকর্তাদের মাথায় হয়তো এটা ছিল না।

যে কারণে দেখা গেছে টি-টোয়েন্টি থেকেই একাদশ তৈরি করা নিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্ট। সে কারণেই শুরুতে পরাজয়। সেই আত্মবিশ্বাসে ছিড় ধরলো, সেটা আর ফিরলো না। অন্যদিকে অন্যরকম আত্মবিশ্বাসে উজ্জীবিত হয়ে উঠলো জিম্বাবুয়ে।

সে ধারাবাহিকতায় টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবার জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ হারের রেশ কাটতে না কাটতেই ৯ বছর প্রথম ওয়ানডে সিরিজ পরাজয়ের স্বাদ নিলো বাংলাদেশ দল। প্রথম ওয়ানডেতে ৩০৩ রান করেও ৫ উইকেটে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। অপরাজিত ১৩৫ রান করে বাংলাদেশকে হারিয়ে দেন সিকান্দার রাজা।

দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণ অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখালেন রাজা। ৩ উইকেট নেয়ার পর ১১৭ রানে অপরাজিত থাকলেন। তার কাছেই সিরিজ হারতে হলো বাংলাদেশকে। সে সঙ্গে ৭৫ বলে ১০২ রান করে বাংলাদেশকে হারানোর পথে অনেক বড় অবদান রাখেন অধিনায়ক রেগিস চাকাভা।

২০১৩ সালে সর্বশেষ জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে সিরিজি হেরেছিল টাইগাররা। সেবারও ঘরের মাঠে সিরিজ জেতে জিম্বাবুয়ে। এরপর ২০১৪ সালে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়েকে ৫-০ ব্যবধানে পরাজিত করে বাংলাদেশ। মাশরাফির শেষের নেতৃত্বও শুরু হয়েছিল এই সিরিজের মধ্য দিয়ে।

পরের বছর আবারও বাংলাদেশ সফরে আসে জিম্বাবুয়ে। এবার ৩ ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ জেতে ৩-০ ব্যবধানে। তিন বছর বিরতি দিয়ে আবারও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ। স্বাগতিক বাংলাদেশ। এবারও তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ সফরকারীরা।

২০২০ সালে জিম্বাবুয়ে এসেছিল বাংলাদেশে। সেবার খেলে ৩ ম্যাচের সিরিজ। এই সিরিজেও বাংলাদেশের জয় ৩-০ ব্যবধানে। এই সিরিজটা ছিল মাশরাফির নেতৃত্বের শেষ। ২০২১ সালে বাংলাদেশ সফর করে জিম্বাবুয়েতে। তামিম ইকবালের নেতৃত্বে। বাংলাদেশ জিতলো ৩-০ ব্যবধানে। টানা ৫ সিরিজ জয় এবং ৯ বছর পর আবারও সিরিজ হারলো বাংলাদেশ।


আরও খবর



জবি তরুণ কলাম লেখক ফোরামের সভাপতি রনি, সম্পাদক নুর

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার ২০২২-২৩ বর্ষের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি পদে এম রনি ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল্লাহ আলম নুর নির্বাচিত হয়েছেন।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নেজাম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইসরাফিল আলম রাফিলের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে নব-নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলে জমা দিতে বলা হয়েছে।

রনি ইসলাম এর আগে সংগঠনটির জবি শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং আব্দুল্লাহ আলম নুর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

একই দিনে সংগঠনটির জবি শাখার সেরা লেখক ও সংগঠকদের নাম ঘোষণা করেন সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। এতে শাখার সেরা লেখক নির্বাচিত হয়েছেন সৈয়দ রিফাত, এম রনি ইসলাম ও ফারিয়া ইয়াসমিন। এছাড়াও শাখার সেরা সংগঠক নির্বাচিত হয়েছেন কবিতা রাণী মৃধা, আতিক মেজবাহ লগ্ন ও আতিয়া ফাইরুজ ঐশী।

এর আগে, গত ২৩ জুলাই সংগঠনটির ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ষসেরা শাখা নির্বাচিত হয় জবি। আর কেন্দ্রীয়ভাবে সেরা সংগঠক নির্বাচিত হন একই শাখার সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমরান হুসাইন।

‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম। তরুণ লেখকদের পরামর্শ দেওয়া, পত্রিকায় লেখা প্রকাশে সহযোগিতা করাসহ সংগঠনটি লেখালেখি বিষয়ক সভা, সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করে থাকে।


আরও খবর



ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার জয়ের জন্মদিন

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নাতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র তনয় সজীব ওয়াজেদ জয় তথ্যপ্রযুক্তির বরপুত্র। যিনি ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা ও রূপকার। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশকে বিশ্ব মানচিত্রে প্রতিষ্ঠা করেছেন, শেখ হাসিনা পরিচিতি পেয়েছেন আধুনিক বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপকার হিসেবে । আর তারই সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় হলেন ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ রূপকল্পের কাণ্ডারি।

আজ ২৭ জুলাই, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার নেপথ্য কারিগর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫২ তম জন্মদিন। উত্তাল একাত্তরের সেই দিনগুলো। যুদ্ধের দামামা সারাদেশে। সেই উত্তাল পৃথিবীতে নতুন মানুষের আগমনেও কেউ মিষ্টি খাওয়ার কথা ভাবতেই পারেনি। উপরন্তু হাসপাতাল ও বন্দিশালা উভয় স্থানেই পাক বাহিনীর দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদের ওপর নতুন করে হুমকি-ধামকি। এরই মধ্যে গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর পৈত্রিক বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর বৃদ্ধ-অসহায় পিতা-মাতা ঢাকায় এসে আরামবাগের একটি বাসায় নাতনী জামাইয়ের বাসায় আশ্রয় নেন। শেখ হাসিনা সন্তানসহ হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়ে অতিগোপনে দাদা-দাদীকে নতুন অতিথিকে দেখিয়ে দোয়া নিয়ে বন্দিশালায় প্রবেশ করেন। বন্দিশালায় আসার পর দেখা দেয় বাচ্চা ও মা উভয়ের জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন। কিন্তু এবারও পাকিদের প্রচণ্ড উগ্রতায় চিকিৎসককে বাড়িতে আসতে দেওয়া হয়নি। উপরন্তু ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে দু’জন সশস্ত্র প্রহরীকে দেওয়া হয়। এটিই ছিলো জন্মসময়ের পরিস্থিতি।

একদিন নবজাতককে গোসল করিয়ে শরীরে তেল মাখতে মাখতে বেগম মুজিব ছেলে সন্তানের নাম কী হবে সেটা নিয়ে জল্পনা কল্পনা করছিলেন। শেখ হাসিনা ইতিপূর্বে পিতা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কথোপকথনের কথা উল্লেখ করে জানান, “আব্বা আমাকে বলেছিলেন, ছেলে হলে জয় বাংলার ‘জয়’ আর মেয়ে হলে ‘জয়া’ নাম রাখতে”। বেগম মুজিব সঙ্গে সঙ্গেই নবজাতককে কোলে তুলে নিয়ে বলেন, ‘সত্যিই এ আমার জয়। আমার কোন ভাই নেই, জয় আমার সত্যিই ভাই। তাই মুজিব নামের সঙ্গে মিলিয়ে আসল নাম রাখলাম সজীব’। সেই থেকে ‘সজীব ওয়াজেদ জয়’ বাংলার বিজয় এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়ে দলমত নির্বিশেষে সকলের স্লোগান 'জয় বাংলা' একই সূত্রে গাঁথা এক অচ্ছেদ্য সম্পর্ক।

এই নাম রাখার পর থেকেই বন্দিশালায় পাহারারত সৈন্যরাসহ অন্যান্য অফিসারেরাও ড. ওয়াজেদকে প্রায়শই জিজ্ঞাসা করতো ‘জয় নাম কিসলিয়ে রাখা’? ড. ওয়াজেদ কৌশলে আসল কথা এড়িয়ে গিয়ে বলতো, নাতিকে পেয়ে আমার শাশুড়ি খুব খুশি হয়েছেন। যেহেতু ‘জয়’ মানে ‘আনন্দ’ তাই আমার শাশুড়ি ‘জয়’ নাম রেখেছেন। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধ ধীরে ধীরে তীব্র আকার ধারণ করলে পাহারারত সৈন্যসহ অফিসারেরাও ড.ওয়াজেদকে কটাক্ষ করে বলতো, “পশ্চিম পাকিস্তানমে এক নমরুদকো(বঙ্গবন্ধু) পাকড়াও করকে রাখা হুয়া, লেকিন এধার এক কাফের (সজীব ওয়াজেদ জয়) পয়দা হুয়া।”

বাঙালির জীবনে স্বাধীন বাংলাদেশ পাওয়া হলো পরম পাওয়া। আর সেই পরম পাওয়াটি নিশ্চিত করতে লক্ষ কোটি নিবেদিত প্রাণ নিজেদের বিলিয়ে দিয়েছেন অকাতরে। কেউ সম্মুখ সমরে আবার কেউ আড়ালে অন্তরালে ভোগ করেছেন অপরিসীম যাতনা। তবু সকলেই যেন মেনে নিয়েছেন সেই কষ্টের কথা, বেদনার কথা।

এটাই তো স্বাভাবিক যে, বর্বর পাকবাহিনী যাকে নমরুদ বলে গালি দিয়েছে সে-ই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর যাকে কাফের বলে তিরস্কার করেছে তিনি হলেন আধুনিক বাংলাদেশের অতি আপন মানুষ সজীব ওয়াজেদ জয়।

শেখ হাসিনার স্মৃতিকথা থেকে জানা যায়, ২৩ মার্চ ১৯৭১ বঙ্গবন্ধু তার ধানমন্ডির বাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনকালে তার সন্তানসম্ভবা কন্যা হাসিনাকে বলেছিলেন ছেলে হলে যেন তার নাম ‘জয়’ রাখা হয়।

১৯৭১ এর ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গ্রেফতার করে এবং পাকিস্তানে কারাবন্দি করে রাখে। মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে উত্তাল সময়ে যখন বঙ্গবন্ধু পাঞ্জাবের মিয়াঁওয়ালি কারাগারে অবরুদ্ধ, সেই সময় ২৭ জুলাই শেখ হাসিনা একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। নবজাতকের নাম রাখা হয় ‘জয়’। খুব বেশি ফুটফুটে হওয়ায় তাকে তার মাতামহী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ‘সজীব’ নামেও ডাকতেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কম্পিউটার শিক্ষার হাতেখড়ির পাশাপাশি ডিজিটাল শব্দটিও তিনি ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকেই জেনেছেন। পেশাদার তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সজীব ওয়াজেদ জয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জয় যখন স্কুলে পড়ত, কম্পিউটার নিয়ে আসত; তখন নাড়াচাড়া করে দেখতাম। সে আমাকে কীভাবে টাইপ করতে হয় একটা প্রোগ্রাম দিয়ে দিত। আমি বসে বসে টাইপ করা প্রথমে শিখলাম। এরপর আমরা অ্যাপল কিনলাম। সেখানে আমাদের অফিসের পার্টির কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে নিজেরাও বসে বসে কম্পিউটার শিক্ষা নিতাম।

১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর জয়ের পরামর্শে তখনকার অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াকে কম্পিউটারের ওপর থেকে কর তুলে নিতে বলেছিলাম। পরামর্শটা জয়ই আমাকে দিয়েছিল।’

সজীব ওয়াজেদ জয়ের মেধা ও দক্ষতায় আজ ইন্টারনেট সেবা দেশের গ্রামের মানুষের হাতের মুঠোয় এসে পৌঁছেছে। গ্রামের একজন কৃষক মোবাইল ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন কৃষিকাজের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করতে পারছেন। স্কুলের শিক্ষক আজ কম্পিউটারের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করে তুলছেন।

ছাত্রছাত্রীরা কম্পিউটারের মাধ্যমে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করছেন, পরীক্ষার রেজাল্ট দেখছেন, ইন্টারনেট ও মোবাইল ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিল পরিশোধ, টেন্ডার জমা, স্বাস্থ্যসেবা থেকে এমন কিছু নেই যা করতে পারছেন না। এমনকি আজ মোবাইল ব্যাংকিং, এটিএম ব্যাংকিং, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ট্রেনের টিকেট সংগ্রহের মতো কাজও জনপ্রিয় হয়েছে। কল সেন্টারের মাধ্যমে হাজার হাজার তরুণের চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। গড়ে উঠছে আইটি সিটি, আইটি পার্ক। কানেকটিভিটির মাধ্যমে দেশের পিছিয়ে পড়া প্রত্যন্ত অঞ্চলকে আলোকিত করে তোলা হচ্ছে। এর সবই সম্ভব হচ্ছে একজন আধুনিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত সৎ নিষ্ঠাবান সজীব ওয়াজেদ জয়ের কল্যাণে।

বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের সব কাজই ছিল নীরবে-নিভৃতে। তিনি ছিলেন রাজনীতি থেকে দূরে। ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে ডিজিটাল বাংলাদেশ তথা দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নেই তিনি সদা ব্যস্ত থেকেছেন। পীরগঞ্জের এক রাজনৈতিক জনসভার মাধ্যমে নিজের নীরবতা ভাঙেন তিনি। জানান, বাংলাদেশকে ডিজিটাল দেশে পরিণত করার পরিকল্পনা দ্রুত গতিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে। যে গতিতে উন্নয়ন ঘটছে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের চতুর্থ স্তম্ভটি হলো দ্রুত বর্ধমান আইসিটি শিল্প, যা মানুষকে আর্থিক, টেলিযোগাযোগ এবং স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবা প্রদান করছে। সজীব ওয়াজেদ জয়ের আদর্শিক প্রতিশ্রুতি আর অদম্য তৎপরতায় ডিজিটাল বাংলাদেশের চারটি স্তম্ভই শক্তিশালী হচ্ছে। আর তাই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০১৬’ অর্জন করেন। তার লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশে রূপান্তরিত করা।

গত এক দশকে বাংলাদেশ প্রযুক্তিগত উন্নতিতে একটি বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে যার মধ্যে মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা, জনসেবাতে ডিজিটাল প্রবেশাধিকার, মোবাইল ব্যাংকিং এবং তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক রফতানি উল্লেখযোগ্য।

জয় একজন বড় স্বপ্নদ্রষ্টা এবং কীভাবে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তরিত করতে হয় তা ভালো করেই জানেন। তিনি একজন দূরদর্শী নেতা এবং প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদ। তৃণমূল পর্যায় থেকে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন।

আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ পাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই তিনি ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর ধারণা দেন। এর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন এই সেবা আদান-প্রদানে যুক্ত রয়েছে দেশের বিপুল সংখ্যক তরুণ উদ্যোক্তা। এতে আর্থিকভাবে মানুষ যেমনি সবদিক থেকে উপকৃত হচ্ছেন তেমনি সময় কমছে বহুগুণে। পাশাপাশি উন্নতর প্রযুক্তির প্রয়োগ করে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, চাঁদাবাজি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বহুগুণে দক্ষতা ও সফলতার পরিচয় দিতে সক্ষম হচ্ছেন। সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই উদ্ভাবনী ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রবর্তনের ফলে দেশের তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগাতে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। তিনি নিজেও এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী।

তাই তরুণদের বোঝাতে শুরু করলেন যে রাজনীতি কোনো একক ব্যক্তি কিংবা দলের জন্য নয়, রাজনীতি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্যই। তরুণদের সঙ্গে তার প্রথম কোনো আলোচনা সভা হয় যখন তিনি ‘সুচিন্তা’ নামে একটি সংগঠন তৈরি করেন। পলিসি থিংক ট্যাংক সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন-এর চেয়ারম্যান হিসেবে তরুণদের দেশ পরিচালনায় সম্পৃক্ত করতে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করেন যার মধ্যে আছে ‘লেটস টক’ এবং ‘পলিসি ক্যাফে’। ২০১৫ সালে ‘ইয়ং বাংলা’ নামে একটি প্লাটফর্ম তৈরির উদ্যোগ নেন।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পেরেছেন। সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিভিন্ন দূরদর্শী এবং সময়োপযোগী উদ্যোগের কারণে বাংলাদেশ গত ১০ বছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যাপক উন্নতি সাধন করতে সক্ষম হয়েছে। দেশের ৫ হাজারের বেশি ইউনিয়ন পরিষদে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। ডিজিটালাইজেশনের সুফল দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মোবাইল এবং ইন্টারনেট ব্যবহারে বিপ্লব ঘটানোর কারণে বাংলাদেশকে এখন মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে ধরা হচ্ছে। দেশে তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্রে মূলত ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেন ‘রূপকল্প ২০২১’ যার মূল উপজীব্য ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এসবই সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বগুণে। নোবেল বিজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশাসনের গৃহীত আইসিটি নীতিমালা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শ ও নির্দেশে সারা বাংলাদেশে বাস্তবায়িত হচ্ছে। সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শ ও নির্দেশে বাস্তবায়নকৃত ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ সারা রোল মডেল হিসেবে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি সম্মানজনক ‘আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট’ পুরস্কার অর্জন করেন। ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন অব গভর্নেন্স অ্যান্ড কম্পিটিটিভনেস, প্ল্যান ট্রিফিও, গ্লোবাল ফ্যাশন ফর ডেভেলপমেন্ট এবং কানেক্টিকাটের ইউনিভার্সিটি অব নিউ হেভেনের স্কুল অব বিজনেস যৌথভাবে তাকে এ পুরস্কার প্রদান করে। বাংলাদেশ থেকে প্রথম কোনো ব্যক্তি হিসেবে ২০০৭ সালে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম কর্তৃক ‘গ্লোবাল ইয়ং লিডার’ হিসেবে নির্বাচিত হন।

জয় বাংলাদেশে নিয়ে এসেছেন সিলিকন ভ্যালির বীজমন্ত্র− উচ্চ প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, উদ্যোগ পুঁজি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। আমাদের আইসিটি শিল্প তাঁর নেতৃত্বে সমৃদ্ধতর হচ্ছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ তারই মানস শিশু যার লক্ষ্য হল ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশে রূপান্তরিত করা। এবং গত এক দশকে বাংলাদেশ প্রযুক্তিগত উন্নতিতে একটি বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে যার মধ্যে মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা, জনসেবাতে ডিজিটাল প্রবেশাধিকার, মোবাইল ব্যাংকিং এবং তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক রপ্তানি উল্লেখযোগ্য।

বর্তমানে, বাংলাদেশের ১২০ টিরও বেশি কোম্পানি ৩৫ টি দেশে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের আইসিটি পণ্য রপ্তানি করছে এবং ২০২১ সালের মধ্যে তা বেড়ে দাঁড়াবে ৫ বিলিয়ন ডলারে। আইসিটি শিল্পের এই টেকসই অগ্রগতি ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ডিজিটাল অর্থনীতিতে রূপান্তর এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি জ্ঞান অর্থনীতিতে রূপান্তরে যথেষ্ট অবদান রাখবে।

সজীব ওয়াজেদ জয় প্রযুক্তির বরপুত্র। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, রূপকার। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশকে বিশ্ব মানচিত্রে প্রতিষ্ঠা করেছেন, শেখ হাসিনা প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন উন্নয়নের সম্রাজ্ঞী হিসেবে, জয় হয়েছেন ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ রূপকল্পের কাণ্ডারী, যা গত দশক থেকেই গুরুত্বের দিক বিবেচনায় সবার উপরে অবস্থান করছে।

লেখক: যুগ্ম সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ( ডিইউজে )।


আরও খবর



কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার পরিষদের সভাপতি খসরু মহাসচিব হাবিবা

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির ২০২২-২৪ দ্বিবার্ষিক মেয়াদকালের নির্বাচনে সভাপতি হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন পাঠাগার আন্দোলন বাংলাদেশের ট্রাস্টি ও বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক এআইজি মালিক খসরু। মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সংসদ সদস্য হাবিবা রহমান খান শেফালী।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সংগঠনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার আমানুল্লাহ আমান। তবে এই কমিটির তালিকা সোমবার (১৮ জুলাই) প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদ সংশ্লিষ্টরা জানান, এই নির্বাচনে সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা ও সারাদেশের ৬০টি জেলার বাংলাদেশ বেসরকারি গণগ্রন্থাগার পরিষদের জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকেরা অংশ নিয়েছেন। সারাদেশে বইপড়া আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে ২০০৮ সাল থেকে গ্রাম ভিত্তিক গণপাঠাগারের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি।

বিশেষ করে ছাত্র ও যুব সমাজকে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ হতে ফিরিয়ে আনতে/বিরত রাখতে একযোগে কাজ করে চলেছে। বর্তমানে দেশে দুই হাজার ৫০০টি গণগ্রন্থাগারে প্রায় ২০ লাখ পাঠক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিয়মিত বইপাঠ সেবা নিচ্ছে এই পাঠাগারগুলোর মাধ্যমে। সারাদেশে তৃণমূল পর্যায়ে এই গ্রামীণ পাঠাগারগুলো দীর্ঘদিন যাবত পাঠক সেবা পরিচালনায় বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। দীর্ঘদিনের এই সমস্যা নিরসনে সরকারি ভাতায় একজন লাইব্রেরিয়ান নিয়োগের ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন তারা।


আরও খবর