Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

মেট্রোরেলে ৪ দিনে আয় সাড়ে ৩৬ লাখ টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ০২ জানুয়ারী 2০২3 | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২৪৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: মেট্রোরেল বাণিজ্যিকভাবে চালু হওয়ার প্রথম চারদিনে সাড়ে ৩৬ লাখ টাকার বেশি আয় হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে গতকাল রোববার পর্যন্ত এ আয় হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত চারদিনে মেট্রোরেলের ২৫ হাজার ১৭৪টি সিঙ্গেল জার্নি টিকিট (এসজেটি) ও তিন হাজার ৭৪১টি ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) পাস বিক্রি হয়েছে। এসব থেকে আয় হয়েছে ৩৬ লাখ ৬৫ হাজার ৮৯০ টাকা।  

চতুর্থ দিন গতকাল রোববার ৯ লাখ ১৬ হাজার ৩৪০ টাকার টিকিট বিক্রি করেছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া ৩১ ডিসেম্বর টিকিট বিক্রি হয়েছে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭১০ টাকার।

গত শুক্রবার ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮০ টাকার এবং প্রথম দিন অর্থাৎ গত বৃহস্পতিবার ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫২০ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে।

এদিকে আজ (সোমবার) মেট্রোরেল চালুর পঞ্চম দিন। আজ রাত ৯টা পর্যন্ত মেট্রোরেলের টিকিট বিক্রি হচ্ছে বলে এখনো পঞ্চম দিনের সঠিক তথ্য হাতে পাওয়া যায়নি। আগামীকাল মঙ্গলবার মেট্রোরেলের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন।

এর আগে গত বুধবার মেট্রোরেলের এমআরটি লাইন-৬-এর প্রথম অংশ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরের দিন বৃহস্পতিবার থেকে যাত্রী নিয়ে উত্তরা উত্তর (দিয়াবাড়ি) স্টেশন থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত নিয়মিত চলাচল করছে মেট্রোরেল। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোট ৪ ঘণ্টা চালানো হচ্ছে এ যানবাহন।


আরও খবর



দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা বেড়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে ১৮ বিলিয়নের ঘরে নেমে গেলেও জুনের শুরুতে তা ১৯ বিলিয়নের ঘরে উঠেছে। সর্বশেষ রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার বা ১ হাজার ৯২০ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার। একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার ৪৫২ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার।আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) মার্চ ও এপ্রিল মাসের দায় মেটানোর পর মে মাসের মাঝামাঝি বাংলাদেশ ব্যাংকে মোট রিজার্ভ কমে ২ হাজার ৩৭৭ কোটি ডলারে নেমে আসে। আইএমএফের হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ নামে ১ হাজার ৮৩২ কোটি ডলার। তবে ওই সময় প্রকৃত বা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ছিল ১৩ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি।

আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত আইএমএফের দেওয়া নিট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ১১ কোটি মার্কিন ডলার। এ লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে আইএমএফ ১ হাজার ৪৭৫ কোটি ডলারে নামিয়েছে।

বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রিজার্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কমপক্ষে তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধারণ করতে হয়।


আরও খবর



দুর্নীতির মামলায় ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিচার শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৩৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মাধ্যমে এ মামলায় আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

রোববার (২ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেনের আদালত এ মামলায় আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।

এর আগে, গত ২ এপ্রিল ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আস সামছ জগলুল হোসেন। তিনি পরবর্তী বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এ মামলাটি বদলির আদেশ দেন।

চার্জশিটভুক্ত ১৪ আসামি হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুল ইসলাম, পরিচালক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, মো. শাহজাহান, নূরজাহান বেগম ও পরিচালক এস. এম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী, অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট জাফরুল হাসান শরীফ, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান, শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক কামরুল হাসান ও প্রতিনিধি মো. মাইনুল ইসলাম।

গত ১ ফেব্রুয়ারি আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।

দুদকের অনুমোদিত চার্জশিটে আসামি ছিল ১৩ জন। নতুন করে একজন আসামি যুক্ত হয়েছে। তিনি হলেন গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের দপ্তর সম্পাদক কামরুল হাসান।

গত বছরের (২০২৩) ৩০ মে গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। সংস্থার উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

এ মামলার অভিযোগগুলো ছিল- অনিয়মের মাধ্যমে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টনের জন্য সংরক্ষিত লভ্যাংশের ৫ শতাংশ অর্থ লোপাট, শ্রমিক-কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধকালে অবৈধভাবে অ্যাডভোকেট ফি ও অন্যান্য ফির নামে ৬ শতাংশ অর্থ কর্তন, শ্রমিক কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলে বরাদ্দ করা সুদসহ ৪৫ কোটি ৫২ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৩ টাকা বিতরণ না করে আত্মসাৎ। এছাড়া কোম্পানি থেকে ২ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর।


আরও খবর



সৈয়দপুর নকল ও ভেজাল পণ্যের শহরে পরিনত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৪০জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:সৈয়দপুর শহর নকল ও ভেজাল পণ্য উৎপাদনের শহরে পরিনত হতে চলেছে। মশার কয়েল, খাদ্য সামগ্রী,শিশু খাদ্য, সাবান, কসমেটিক্স, পলিথিন, জৈব সার সহ অনেক কিছুই নকল হচ্ছে এ শহরে। নামাদামি কোম্পানির মোড়কে নকল বা নিম্নমানের ভেজাল পণ্য বাজারজাত করে গ্রাহকদের  সাথে প্রতারনা করা হলেও আইন প্রয়োগকারি সংস্থা নিরব থাকার অভিযোগ অনেকের।

জানা যায়, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার শাসন আমলে সৈয়দপুরের নকল সার কারখানা, সাবান তৈরির কারখানা, নকল চিপস ও চানাচুর তৈরির কারখানা, বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ, পলিথিন ও সাইকেল তৈরির কারখানায় অভিযান চালানো হয়েছিল।ওই অভিযানে নকল পণ্য তৈরির অপরাধে উৎপাদককে গ্রেফতার করে জড়িমানা সহ জেল হাজতে পাঠানোও হয়েছিল। ওই সময় অনেকেই জানতেন না সৈয়দপুর ভেজাল ও নকল পণ্য তৈরি ও বিক্রি করা হয় ।

২০০৯ সালে নীলফামারি ও সৈয়দপুর পুলিশের বিশেষ একটি গোয়েন্দা শাখা শহরের টিআর সড়কের একটি গোডাউনে নকল সার কারখানা, বিসিক শিল্প নগরী সংলগ্ন এলাকায় নকল রোলার তৈরির কারখানাসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেন হুবহু চায়না ফনিক্স ও ভারতীয় হিরো সাইকেলের যন্ত্রাংশ। ওই সময় অবৈধ ব্যবসায়ীদের সাথে রাজনৈতিক নেতাদের সুসম্পর্ক না থাকায় ফকরুদ্দিন সরকার অবৈধ ব্যবসায়ীদের গোডাউনে লাগিয়েছিল তালা। ওই সময় প্রায় বন্ধই হয়ে গিয়েছিল নকল পণ্য ও যন্ত্র উৎপাদন। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিদায় হওয়ার পর থেকে শুরু হয়ে যায় পূর্বের অবস্থা। পাল্লা দিয়ে তৈরি হতে থাকে নকল পণ্য, খাদ্য সামগ্রী ও জৈব সার । এতে করে গ্রাহকরা প্রতারণার শিকার হয়ে অবৈধ উৎপাদকরা কোটি কোটি টাকার মালিক হলেও দেখার যেন কেউ নেই।

একটি সূত্র জানায়, সৈয়দপুরের এক আমদানিকারক ওই সময় ভারত ও চায়না থেকে সাইকেলের যন্ত্রাংশ আমদানি করে উত্তরাঞ্চলসহ সারাদেশেই সরবরাহ করছিলেন। দেশে সাইকেলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় অসাধু অপর কয়েকজন ব্যবসায়ী সৈয়দপুর শহরের অলিগলিতে প্রায় ৩০/৩৫টির মত নকল সাইকেল তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছিলেন। তারা ওইসব কারখানায় উৎপাদিত সাইকেল যন্ত্রাংশ বাংলাদেশী বলে তৈরির পর সাইকেলে মোড়ক লাগিয়েছিলেন মেড ইন ইন্ডিয়া অথবা মেড ইন চায়না। অনেক দক্ষরাও ওই সময় দেখলে বুঝতেই পারতেন না কোনটা আসল বা কোনটা নকল।

প্রায় এক যুগের ও বেশি সময় হয় সৈয়দপু শহরে কঠোর কোনো অভিযান পরিচালনা না হওয়ায় এ শহরের অনেক ব্যবসায়ি হুবহু নকল,ভেজাল পন্য শিশু খাদ্য, ভেজাল সার উৎপাদন ও বাজারজাত করে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি নেই বলেই সৈয়দপুর শহর নকলের শহরে পরিণত করে চলেছেন তারা। ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি কৃষক সহ পুলিশও ছাড় পাচ্ছেন না তাদের প্রতারনা থেকে । আর অল্প দিনেই নকল পণ্য তৈরি কারকরা বনে যাচ্ছেন কোটি কোটি টাকার মালিক আর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সরকার। এসব বন্ধে উপর মহলের নির্দেশনার পর অভিযান চালালে এ শহর থেকে শত কোটি টাকারও বেশি নকল ও ভেজাল পণ্যের কারখানার সন্ধান পাওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেন অনেকেই।

বৈধ ব্যবসায়িরা বলেন, বিগত তত্বাবধায়ক শাসনামলের মত অভিযান চালানো হলে সৈয়দপুর শহরের ৮/১০ জন ছাড়া অনেকেরই অবৈধ ব্যবসার সন্ধান পাবেন। এতে করে যেমন নকল ও ভেজাল পন্য উৎপাদন বন্ধ হবে, তেমনি সরকারের কোষাগারে জমা হবে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব।

শহরের পড়া মহল্লার অলিগলিতে কাগজ বিহিন শিশু খাদ্য তৈরির পর সেগুলি শহরের কারি হাটি সড়কের প্রায় প্রতিটি দোকানে প্রকাশ্যে বিক্রি করছেন ব্যবসায়িরা। নকল ও ভেজাল এসব শিশু খাদ্য খেয়ে শিশুরা নানা রোগে আক্রান্ত হলেও প্রস্তুতকারকরা রাতারাতি বনে যাচ্ছেন কোটি টাকার মালিক। এসব ব্যাপারে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা সব জানেন কিন্তু মাসিক চুক্তি থাকায় তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপই নেয়া হচ্ছে না বলে মন্তব্য অনেকের।

ব্যবসায়িরা আরো বলেন, সারা শহর অভিযানের দরকার নেই, শুধু শহরের কাড়ি হাটির বেশ কয়েকটি শিশু খাদ্য ব্যবসায়ির দোকান পাটে অভিযান চালালেই জানতে পারবেন নকল ও ভেজাল পন্যের প্রস্তুতকারক কে ? ওই সব ব্যবসায়িরা অল্প দিনেই কি ভাবে কোটি টাকার মালিক ও গাড়ি বাড়ির মালিক হয়েছেন তাও জানতে পাবেন। 

সৈয়দপুর বণিক সমিতির সভাপতি ইদ্রিস আলী বলেন,  সৈয়দপুর শহরকে যারা নকল ও ভেজালের শহরে পরিনত করতে চাইছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্হা নেয়া উচিত।কারন তারা দেশের মানুষের শত্রু। 


আরও খবর



মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আজ বৃহস্পতিবার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ নাসিমের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম এই সদস্য ২০২০ সালের ১৩ জুন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে প্রয়াতের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা, গরিবদের মাঝে খাবার বিতরণ।

মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে সিরাজগঞ্জ-২ আসনের এমপি তানভীর শাকিল জয় বলেন, আজ সকালে পরিবার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ঢাকার বনানীতে মোহাম্মদ নাসিমের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। তার জন্মস্থান সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে থানা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ নাসিম ১৯৪৮ সালের ২ এপ্রিল সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা শহীদ এম মনসুর আলী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন।

মোহাম্মদ নাসিম ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে এমপি নির্বাচিত হন। তিনি বিভিন্ন সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, স্বরাষ্ট্র, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। তিনি ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র ছিলেন।


আরও খবর



বাংলাদেশিদের জন্য ভুটান ভ্রমণে সুখবর

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৪৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ভুটান ভ্রমণ নীতি সংশোধন করেছে বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য । দেশটির পর্যটন বিভাগ জানিয়েছে, নতুন ভ্রমণ নীতি অনুযায়ী, বাংলাদেশি পর্যটকদের টেকসই উন্নয়ন ফি (এসডিএফ) হিসেবে শুধুমাত্র ১৫ মার্কিন ডলার দিতে হবে, যা আগে ২০০ ডলার ছিল।

সোমবার (৩ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ভুটান এখন যে ফি নির্ধারণ করেছে, সেটা ভারতীয় পর্যটকদের ওপর আরোপিত ফির সমতুল্য। নতুন নীতিমালার আওতায় ১৫ হাজার বাংলাদেশি পর্যটক বার্ষিক ১৫ মার্কিন ডলার কম খরচে ভুটান ভ্রমণ করতে পারবেন। ভিসা নীতি গত ২ জুন থেকে কার্যকর হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ সম্পর্ক আরও সুসংহত হয়েছে।


আরও খবর