Logo
আজঃ মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

মধুপুরে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাল্যবিবাহ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৪০৮জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাধীন কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার আঃ আজিজের ছেলের সাথে ১৩ বছরের মেয়ের বিয়ে সংঘটিত হয়েছে।দীর্ঘদিন পর মধুপুরে এতো অল্প বয়সের একটি কিশোরী মেয়ের বিয়ে সংঘটিত হলো।জানা যায়, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া কেশরগন্জ এলাকায় একটি বাল্যবিবাহ  সংঘটিত হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ফুলবাড়িয়া পুলিশ প্রশাসন এবং সাংবাদিক মিলে ঘটনা স্থলে গিয়ে সত্যতা পেয়ে বিয়ে বন্ধ করেন।

এসময়  প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্ষন্ত ছেলে মেয়ের বিয়ে দিবেন না বলে একটি অঙ্গিকার নামায় স্বাক্ষর  প্রদান করেন উভয় পক্ষের অভিভাবক।  কিন্তু পরবর্তীতে সুকৌশলে ছেলের বাবা কুড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আঃ আজিজ সেখান থেকে মেয়েকে এনে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে নিজ বাড়িতে  বিয়ে সম্পুর্ন করেন বলে জানা যায়।  বিষয়টি মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেনকে অবহিত করা হলে তিনি ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্হানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আঃ মান্নানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান।

উক্ত বিয়ে বেশ কয়েকদিন আগে সংঘটিত হয়েছে বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান।ঘটনাটি ঘটেছে ১৪ ফেব্রুয়ারী বুধবার বিকেলে উপজেলার কুড়ালিয়া গ্রামে। বাল্য বিবাহ রোধে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপদেশ দিয়া আসছেন মধুপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত মোল্লা আজিজুর রহমান।

তিনি মাদক, বাল্য বিবাহ, ইভটিজিং সহ মোবাইলের অপব্যবহার রোধে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়ে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন। এ বাল্যবিবাহের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সরেজমিনে দেখে বাল্যবিবাহ সংঘটিত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে না পারলে ভবিষ্যতে অনেক ফুটফুটে কিশোরী অকালে ঝরে পড়বে এমনটাই বলছেন এলাকার সুধী মহল।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



ব্যবস্হাপকের পারিবারিক কাজে ব্যবহার হচ্ছে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের রেষ্টহাইজ

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image

জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:সৈয়দপুর বিমানবন্দরের রেষ্ট হাউজটি ব্যবস্হাপকের পারিবারিক কাজে ব্যবহার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে দিয়ে ও প্রতিকার না পাওয়ার ও অভিযোগ পাওয়া যায়।সরে জমিন গিয়ে দেখা যায়, দেশ বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ যাত্রীদের দিন বা রাত্রি যাপন করার জন্য সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ সৈয়দপুর বিমানবন্দর সংলগ্ন প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দ্বিতল ভিআইপি ভবন নির্মাণ করে। যেখানে রয়েছে, ডাবল বেড এর ৪ টি রুম।খাবারের জন্য বিশাল মাপের ডাইনিং। প্রতিটি শয়নকক্ষে একটি করে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র। ড্রয়িং ও ডাইনিং রুমে রয়েছে একই মানের যন্ত্র। খাবার তৈরির জন্য ইলেকট্রিক হিটারও চুলা। কিন্তু এরপরও সেখান থেকে একটি পয়সা ও ইনকাম হয়না সিভিল অ্যাভিয়েশনের।কারন এটি ব্যবস্হাপক নিজ দখলে রেখে পারিবারিক কাজে ব্যবহার করছেন। 

চাকরি হারানোর ভয়ে নাম প্রকাশ করতে না চাওয়া অনেকেই বলেন,ভিআইপি কোন যাত্রী রেষ্ট হাউজটি ভাড়া চাইতে গেলে বলা হয় রেষ্ট হাউজটি খালি নাই।একারনে সেটি ভাড়াও হয়না মাসের পর মাস।ব্যবস্হাপক ওই রেষ্ট হাউজে রাজ হাসও কবুতরের খামার গড়ে তুলেছেন। আর এসব দেখাশোনা করছেন,৩ জন সরকারি কর্মচারী। আর তাদের বেতন দেয়া হয় সরকারের কোষাগার থেকে। রেষ্ট হাউজের এসি ও ইলেকট্রিক খরচ বছরে হয় ১ লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল। সংস্কার বাবদ প্রতি বছর ব্যয় ধরা হয়,দেড় থেকে ২ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে প্রতিবছর প্রায় ১৫ লাখ টাকার ও বেশি ব্যয় হচ্ছে সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের। কর্তৃপক্ষ সরেজমিন গিয়ে তদন্ত করলেই সব কিছুই দেখতে পাবেন।

এছাড়া বিমানবন্দর ব্যবস্হাপকের বসবাসের যে বাসাটি বরাদ্দ রয়েছে, সেটিতে তিনি বসবাস না করে ১১ ও ১৪ গ্রেডের কর্মচারীদের নামে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যার কারনে সেখান থেকে এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ তেমন একটা ভাড়াও পান না।এমনকি সরকারি টাকায় ক্রয় করা গাড়ি নিজের পরিবারের কাজে ব্যবহার করছেন ব্যবস্হাপক। অথচ তেল খরচ করছেন,সরকারের। এসব বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত অভিযোগ দিয়ে ও প্রতিকার মেলেনি,বরং হেনস্তা হয়েছেন,অভিযোগ কারিরা। 

তবে বিমানবন্দর ব্যবস্হাপক সুপ্লব কুমার বলেন, রেষ্ট হাউজটি ভাড়া হয়না বলেই সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য রাজ হাস ও কবুতরের খামার করা হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য অভিযোগ ভিত্তি হীন বলে মনে করেন তিনি। 

আরও খবর



মেহেরপুরে ঈদের কেনা কাটা ক্রেতারা সকলেই জরি ও চুমকী জরে আক্রান্ত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃদিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই মেহেরপুরের বিপনী বিতানগুলোতে বাড়ছে ভীড়। ধাক্কা ধাক্কি আর ভীড় উপচিয়ে নিজেদের পছন্দের অনুসঙ্গটি কিনছেন বেশ পরখ করে। তবে নারী পুরুষ সকলের পোশাকেই যেন জরি বা চুমকীর ছোঁয়া। এবারের ঈদে সকলেরই এটা ফ্যাশনে পরিনত হয়েছে।

মেহেরপুরের বিভিন্ন বিপনী বিতান ও শপিং মলে গিয়ে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। দেখা গেছে শাড়ীর দোকান গুলোতে শোভা পাচ্ছে বৈচিত্রময় নান্দনিক কারুকাজ, নকশা ও বুননের শাড়ী । বাজার ঘুরে ঘুরে যাচাই-বাছাই করে অনেকে কিনছেন মানানসই আর সবচেয়ে ভিন্ন শাড়ীটি। ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে বিপণি বিতান প্রস্তুত নকশার শাড়ী নিয়ে। এবার নারী ও তরুণীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে সূতী ও জামদানী। তাছাড়া সালোয়ার কামিজের ক্ষেত্রেও সূতি বেশ নজর কেড়েছে। এক হাজার টাকা থেকে ২৭ হাজার টাকা দামের শাড়ীও বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে ভারতীয় শিফন, কাতান, বেনারশি জর্জেট ও মহিশুরী শাড়ির প্রতি টান সব বয়সী তরুণী ও নারীদের।

থ্রী পিচের ক্ষেত্রে সকলের পছন্দ আলাদা আলাদা। পাকিস্তানী কামিজ, আফগান আলিয়াট গাউন, ভারতীয় বিপুল, ভিয়েনা শালিকা ও দেশী ব্রান্ড পদ্মজা বেশি বিক্রি হচ্ছে। তবে সকলের পছন্দে ভিন্নতা থাকলেও এক জায়গাতে সকলেই সমান। সেটি হচ্ছে- সকল পোশাকেই যেন জরি ও চুমকী ছোঁয়া চাই চাই ই। বিশেষ করে ভারতীয় টিভি চ্যানেলের অভিনেত্রীদের পোশাকের সাথে অনেকটা মানানসই। তবে নির্দিষ্ট পোশাক জ¦রে কেউ আক্রান্ত নয়।

গাংনী এসএম প্লাজার কাজল বস্ত্রালয়ের স্বত্ত্বাধিকারী কাজল জানান, এবারে বেচা বিক্রি শুরু হয়েছে রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে। চাষিরা ফসল ঘরে তুলেছেন আর প্রবাসীরা তাদের পরিবারের জন্য আগেই কেনা কাটার জন্য টাকা পাঠিয়েছেন। তবে এবার ফুটপাত থেকে অভিজাত বিপনী বিতান সবখানেই ভীড় লক্ষণীয়। আভিজাত বিপনী বিতানে যে পোশাক পাওয়া যাচ্ছে একই ধরনের পোশাক রয়েছে ফুটপাতে। তবে গুণগত মানে পার্থক্য রয়েছে।

জামান ক্লথ স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী এমএস জামান জানান, বিভিন্ন বাজারে অবস্থিত দোকানগুলোতে চোখ রাখলেই বোঝা যায়, নারীদের সাথে পুরুষেরাও সমান তালেই টক্কর দিচ্ছেন। বেশ গুছিয়ে, ফ্যাশনে্আর জখবর করেই ঈদ মার্কেটিংয়ে

নামছেন তারা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে নানা দোকানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন মন কাড়া পোশাকটির খোঁজে। তারা সময় ও পরিবেশ বুঝেই পোশাক নির্বাচন করছেন। বিভিন্ন দোকানগুলোও কিশোর আর তরুণদের উপযোগী নানা নকশার ঈদ পোশাক এনেছে। পাঞ্জাবীর গলা বুক আর হাতে রয়েছে নানা কারুকাজ। তরুণদের কাছে এবার চেক শার্ট ও নানা নকশার টি- শার্টের আগ্রহ বেশি। বিশেষ করে জরি ও চুমকীর ছোঁয়া।

শালদহ গ্রামের কলেজ ছাত্রী কেয়া জানান, তিনি একটি আফগান আলিয়াট গাউন কিনেছেন। এতেও চুমকীর ছোঁয়া রয়েছে। গেল বার এ ধরনের পোশাকের দাম কিছুটা কম হলেও এবার দাম একটু বেশি। তবে পছন্দের পোশাকটি কিনতে পেরে বেজায় খুশি।কুষ্টিয়া নার্সিং ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী ফারজানা জানান, তিনি পাকিস্তানী কামিজ কিনেছেন। তবে জর্জেটের উপর চুমকীর কাজ করা। হাতের কাজ করা তাই দামও একটু বেশি বলে জানিয়েছেন এই ক্রেতা।

গাংনী থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মনোজিৎ কুমার নন্দী জানান, বাজারে যাতে কেউ প্রতারিত না হয় বা চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনা না ঘটে সেদিকে পুলিশের কড়া নজরদারী রয়েছে।


আরও খবর



ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় চলবে ১৫ ফেরি ও ২০ লঞ্চ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :ঈদযাত্রায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৫টি ফেরি ও ২০টি লঞ্চ যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে চলাচল করবে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচলসহ ঘাটের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াতের লক্ষ্যে আয়োজিত সভায় এ তথ্য জানানো হয়।সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান।

বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা জানান, আসন্ন ঈদে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার নির্বিঘ্ন করতে ২টি ফেরি বাড়িয়ে ১৫টি এবং ৩টি লঞ্চ বাড়িয়ে ২০টি করা হয়েছে। যার প্রায় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। দৌলতদিয়া প্রান্তের ঘাট সচল থাকবে ৩টি।

দৌলতদিয়া ঘাট এলাকা যানজটমুক্ত রাখতে ঘাট দিয়ে ঈদের আগের ৩ দিন ও ঈদের পরে ৩ দিনসহ মোট ৭ দিন বন্ধ থাকবে পচনশীল ও জরুরি পণ্যবাহী ট্রাকব্যাতীত সকল পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার বন্ধ থাকবে।


আরও খবর



চালের বস্তায় লিখতে হবে মিলগেটের মূল্য ও ধানের জাত

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৭০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:চালের বস্তায় ধানের জাত ও মিলগেটের মূল্য লিখতে হবে। সেই সঙ্গে লিখতে হবে উৎপাদনের তারিখ ও প্রস্ততকারক প্রতিষ্ঠানের নাম। এমনকি প্রস্ততকারক প্রতিষ্ঠানের অবস্থান (জেলা ও উপজেলা) উল্লেখ করতে হবে। থাকতে হবে ওজনের তথ্যও।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। নির্দেশনা আগামীকাল রোববার (১৪ এপ্রিল বা পহেলা বৈশাখ) থেকে কার্যকর হবে।

এতে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের চাল উৎপাদনকারী কয়েকটি জেলায় পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি হচ্ছে। চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা হঠাৎ বৃদ্ধি পেলে মিলার, পাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। এতে ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পছন্দমত জাতের ধানের চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ অবস্থার উত্তরণের লক্ষ্যে চালের বাজার মূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাতকরণ করা হয় তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং এ সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে নির্দেশনায় কয়েকটি বিষয় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- চালের উৎপাদনকারী মিলমালিকদের গুদাম থেকে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের প্রাক্কালে চালের বস্তার ওপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান বা চালের জাত উল্লেখ করতে হবে। বস্তার ওপর এসব তথ্য কালি দিয়ে লিখতে হবে। যা আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে কার্যকর হবে। চাল উৎপাদনকারী মিল মালিকের সরবরাহ করা সকল প্রকার চালের বস্তা ও প্যাকেটে ওজন উল্লেখ থাকতে হবে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে মিলগেট দামের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ, বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩-এর ধারা ৬ ও ধারা ৭ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনটির ধারা-৬-এর অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার সুযোগ রয়েছে। আর ধারা-৭-এর শাস্তি হিসেবে রয়েছে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান।


আরও খবর



যশোরের ঝিকরগাছায় দৃর্বৃত্তরা বিষ প্রয়োগ করেছে টিউবওয়েল,চায়ের দোকান ও হোটেলের পানিতে

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১৬১জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:বিশ্ব পানি দিবসের গভীর রাতে যশোরের ঝিকরগাছার পল্লীতে স্কুলের টিউবওয়েল সহ চায়ের দোকান ও হোটেলের ড্রামের পানিতে বিষ প্রয়োগ করেছে দৃর্বৃত্তরা। পানিতে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে টের পাওয়ায় বিষাক্ত পানি পান থেকে বিরত থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে পুরো গ্রাম পানি নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে। শুক্রবার (২২ মার্চ) মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান।

গ্রামবাসীরা জানান, অজ্ঞাত চোরেরা শনিবার মধ্যরাতে ঝিকরগাছার বোধখানা গ্রামের চা-দোকানদার সাইদ হোসেনের দোকানে চুরি সংঘটিত করে। এরপর ওই দোকানে বোতলে রাখা কিটনাশক বিষ নিয়ে বোধখানা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের টিউবওয়েল, বোধখানা বাজারের টিউবওয়েলসহ এলাকার কয়েকটি চায়ের দোকানের চা-কেটলি, হাড়ি, হোটেলের পানির ড্রাম ও বাসাবাড়ির টিউবওয়েলের মধ্যে বিষ প্রয়োগ করে। এরপর কিটনাশক বিষে বিষাক্ত হয়ে যায় ওইসকল টিউবওয়েল, চায়ের দোকান ও হোটেলে সংরক্ষিত পানি।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওইসব টিউবওয়েলে লাল কাপড় বেঁধে বিপদ সংকেত দেওয়া হয়েছে। টিউবওয়েল থেকে সাদা রঙের পানি বের হচ্ছে। যা থেকে তীব্রতর হচ্ছে বিষের গন্ধ।

চা-দোকানদার সাইদ হোসেন বলেন, আমার দোকানে একটা বিষের বোতলে বিষ রাখা ছিল। চোরেরা আমার দোকানে চুরি করে, আমার দোকান থেকে বিষের বোতল নিয়ে গ্রামের টিউবওয়েল, বাসাবাড়ির হাড়ি, চায়ের দোকানসহ অনেক স্থানে বিষ প্রয়োগ করেছে।

ওই গ্রামের বাসিন্দা চা-দোকানি সাবানা বেগম জানান, তিনি ভোর রাতে সেহরি খেয়ে পানি খাওয়ার জন্য টিউবওয়েল থেকে পানি সংগ্রহ করছিলেন। এমন সময় টিউবওয়েলের পানিতে বিষাক্ত গন্ধ তার নাকে আসে। পরে তার পরিবারের সদস্যসহ আশপাশের মানুষেরা তার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে দেখেন তার টিউবওয়েল থেকে বিষাক্ত পানি উঠছে। শুধু তাই নয়, এ সময় তিনি দেখেন তার চায়ের দোকানের কেটলি এবং হাড়িতেও বিষ মিশিয়েছে কে বা কারা। এ ঘটনার পরপরই পুরো গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। একে একে গ্রামবাসীর নজরে আসে অন্যান্য টিউবওয়েল, বাসা-বাড়ি, চায়ের দোকান ও হোটেলে বিষাক্ত কিটনাশক মিশ্রিত সাদা রঙের পানি। ফলে পিপাসা পেলেও পানি পান করার সাহস পাচ্ছেন না ওই গ্রামের বাসিন্দারা।

উক্ত গ্রামের বাসিন্দা সাইফুর রহমান সাইফ বলেন, পুরো গ্রাম এখন আতঙ্কে আছে। আমাদের কাছে এ পর্যন্ত ৫-৬টি বাসা-বাড়ি, হোটেল, চায়ের দোকান ও টিউবওয়েলে বিষ প্রয়োগের খবর এসেছে। ওইসব টিউবওয়েল থেকে সাদা বিষ মিশ্রিত পানি বের হচ্ছে। আজ যদি চা-দোকানী সাবানা বেগম বুঝতে না পারতো তাহলে বোধখানা গ্রাম আজ লাশের গ্রামে পরিনত হতো।

গদখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রিন্স আহমেদ বলেন, এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তারা অমানুষ। তাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তিনি আরো বলেন, আমি পুলিশ প্রশাসনকে অবগত করেছি। তারা ঘটনাস্থলগুলো পরিদর্শন করল গেছে। পুরো গ্রামে মসজিদে মসজিদে মাইকিং করে পানি পানে সতর্ক করা হয়েছে। এই গ্রামে ১০ হাজার লোকের বসবাস। আল্লাহ অনেক বড় দুর্ঘটনা থেকে এ গ্রামকে রক্ষা করেছে।

ঝিকরগাছা থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) ইব্রাহীম আলী আমাদের প্রতিবেদককে বলেন, বিষ প্রয়োগের ঘটনা শোনামাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। খোঁজ খবর নিয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।


আরও খবর