Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

মধুপুরে মাহে রমজান উপলক্ষে কাঁচাবাজারে লাগামহীন মুল্য বৃদ্ধি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২০৪জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের মধুপুরে পবিত্র মাহে রমজানকে পুঁজি করে বিভিন্ন হাটবাজারে মাছ থেকে শুরু করে শাকসবজি সহ প্রায় সব ধরনের খাদ্যদ্রব্যের দাম লাগামহীন ভাবে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে।বিভিন্ন মুসলিম দেশে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সব ধরনের খাদ্যদ্রব্যের দাম কমিয়ে দেওয়া হয়।

যাতে খুব সহজেই সব শ্রেণীর মানুষ নামমাত্র মুল্যে ক্রয় করে রোজা রাখতে পারে। অন্যদিকে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও  বাংলাদেশের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পবিত্র রমজানকে পুঁজি করে প্রায় সব ধরনের খাদ্যদ্রব্যের দাম দ্বিগুণ  বাড়িয়ে দিয়েছে। পবিত্র মাহে রমজানের আগে ১কেজি দেশী পুটিমাছের দাম ছিলো ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, বর্তমানে সেই পুটিমাছ বিক্রি হচ্ছে ৪শো থেকে ৫শো টাকা পর্ষন্ত।

সব ধরনের সবজির দাম ২০ থেকে ৫০ টাকা করে বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে। মাহে রমজানের আগে প্রতি কেজি পিঁয়াজের মুল্য ছিলো-২৫ টাকা, বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ৪৫ টাকা।এ ভাবে প্রতিনিয়ত সব ধরনের পণ্যের দাম লাগামহীন ভাবে বেড়েই চলছে। 

রমজানের আগে ১সের গরুর দুধের দাম ছিলো ৮০টাকা বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১৫০টাকা।বাজার থেকে গরুর দুধ কিনে নেওয়ার পর অনেকেই অভিযোগ করেছেন, গরুর দুধের সাথে পানি মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে।

কুড়ালিয়া গ্রামের ৮০বছরের বৃদ্ধা মজিবর রহমান বলেন, ৯০ দশকের দিকে মাসে ২/৩ বার গরুর দুধে পানি মেশানো হয়েছে কিনা তা পরিক্ষার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একজন ইন্সপেক্টর এসে দুধে পানি আছে কিনা তা পরিক্ষা করতেন এবং দুধে পানি মিশানো পাওয়া গেলে তা মাটিতে ফেলে দিতেন।

বর্তমান সময়ে সেই দৃশ্য এখন আর চোখে পড়েনা, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু দুধ বিক্রেতা ২ কেজি দুধে আধা কেজি পানি মিশিয়ে প্রতিনিয়ত ক্রেতাদের ঠকিয়ে যাচ্ছেন। 

আবার কিছু কিছু বাজারে গিয়ে দেখা যায়, একই খাদ্যদ্রব্য বিভিন্ন দামে বিক্রি করা হচ্ছে, যে যাঁর মতো মুল্য হাঁকিয়ে নিচ্ছেন। মধুপুর দৈনিক ও সাপ্তাহিক বাজার ঘুরে কোন দোকানে মুল্য তালিকা চোখে পড়েনি।

মুল্য বৃদ্ধির কারণে দিনমজুর ও সাধারণ মানুষের শত ইচ্ছে থাকা সত্বেও ইফতার ও সেহরির সময় ভালো কোনো খাবার সপরিবারে খেতে পাচ্ছেনা।বিশিষ্টজনেরা বলছেন, অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিটি বাজারে অভিযান চালিয়ে বাজার মুল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে তা-না হলে পুরো রমজান মাস জুড়ে সাধারণ মানুষের হাহাকারে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে যাবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর



ঈদের খুশি বাড়াতে টেকনোর আকর্ষণীয় অফার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৫০জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:আর মাত্র কয়েকদিন পর ঈদ। ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলতে উদ্ভাবনী স্মার্টফোন ব্র্যান্ড টেকনো এর ব্যবহারকারী ও ভক্তদের জন্য নিয়ে এসেছে ধামাকা অফার। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য থাকছে দুর্দান্ত কিছু অফার। টেকনো ক্যামন ৩০, স্পার্ক ২০ প্রো+, ক্যামন ২০ এবং ক্যামন ২০ প্রো ডিভাইসগুলো কেনার সময় এই অফারগুলো উপভোগ করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।স্পার্ক ২০ প্রো+ কিনলে ক্রেতারা পাবেন একটি প্রিমিয়াম ব্যাকপ্যাক। এই ফোনে অবিরাম ও নিরবচ্ছিন্ন স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে রয়েছে জি৯৯ আলটিমেট প্রসেসর এবং ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট সহ ৬.৭৮ ইঞ্চি কার্ভড অ্যামোলেড ডিসপ্লে। ১০৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা সেন্সিং মেইন ক্যামেরা দিয়ে ব্যবহারকারী যেকোনো পরিস্থিতিতে (কম আলো) মনোমুগ্ধকর ছবি তুলতে পারবেন। ৩৩ওয়াট চার্জিং সহ ৫০০০ মিলিএম্পিয়ার ব্যাটারির সাহায্যে দিনভর স্মার্টফোন ব্যবহার করা যাবে কোনো দুশ্চিন্তা ছাড়াই। মাল্টিটাস্কিং হোক কিংবা গেমিং অথবা ফটোগ্রাফি, যেকোনো কাজ করার জন্য সঠিক পছন্দ স্পার্ক ২০ প্রো+।

সম্প্রতি টেকনো বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এসেছে ক্যামন ৩০ সিরিজের ফোন। লঞ্চ হওয়ার পর থেকেই ব্যাপক সাড়া পেয়েছে এই সিরিজের ডিভাইস। এই অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দদায়ক করে তুলতে টেকনো এর ক্যামন ৩০ ফোনের ক্রেতাদের জন্য নিয়ে এসেছে নিশ্চিত উপহার অফার। টেকনো ক্যামন ৩০ কিনলেই গ্রাহকরা একটি আকর্ষণীয় গিফট প্যাকেজ পাবেন। ক্যামন ৩০ ফোন কেনার পর বিক্রেতার কাছ থেকে কোড সংগ্রহ করুন এবং ২৬৯৬৯ নাম্বারে (TECNO<space>IMEI1<space>RetailCode) পাঠিয়ে দিন। সকল ক্রেতা নিশ্চিতভাবে একটি প্রিমিয়াম টি-শার্ট অথবা একটি স্মার্ট মগ পাবেন। এছাড়া, কিছু সৌভাগ্যবান বিজয়ীদের জন্য থাকছে আরও অনেক চমক, সুযোগ থাকছে বিনামূল্যে আরও একটি ক্যামন ৩০ ফোন, স্মার্ট ওয়াচ অথবা ট্রু ওয়্যারলেস এয়ারবাডস (টিডব্লিউএস) জিতে নেওয়ার।

নাইট পোর্ট্রেট মাস্টার হিসেবে সমাদৃত টেকনো ক্যামন ৩০ ফোনে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল ট্রিপল এআই ক্যামেরা ও ৫০ মেগাপিক্সেল এএফ ডুয়াল কালার টেম্পারেচার ফ্ল্যাশ ফ্রন্ট ক্যামেরা সহ ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ। এর এআই ফিচার এবং এআইজিসি পোর্ট্রেট সুবিধা ক্যামেরা অভিজ্ঞতায় যোগ করবে নতুন মাত্রা। এছাড়া, ক্যামন ৩০ গ্রাহকদের জন্য থাকছে ৩ বছরের সিকিউরিটি প্যাচ আপডেট সহ ৩ বছরের অ্যান্ড্রয়েড আপডেট (অ্যান্ড্রয়েড ১৬ পর্যন্ত) সুবিধা। বাজারে এই ডিভাইসটি তিনটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে - আইসল্যান্ড বেসাল্টিক ডার্ক, ইউনি সল্ট হোয়াইট এবং সাহারা স্যান্ড ব্রাউন। এই অফার দু’টি আলাদা ভ্যারিয়েন্টের – (২৫৬জিবি+৮জিবি) এবং (২৫৬জিবি+১২জিবি) -- জন্যই প্রযোজ্য।

এছাড়া, টেকনো ফ্যানরা ঈদ উপলক্ষে নতুন দামে ক্যামন ২০ সিরিজের ফোন কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। আগ্রহীরা এখন ক্যামন ২০ প্রো (৮জিবি+২৫৬জিবি ভ্যারিয়েন্ট) কিনতে পারবেন মাত্র ২১,৯৯৯ টাকায় (বাজারমূল্য ২৪,৯৯০ টাকা) এবং ক্যামন ২০ (৮জিবি+২৫৬জিবি ভ্যারিয়েন্ট) পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৮,৯৯৯ টাকায় (বাজারমূল্য ১৯,৯৯০ টাকা)। ক্যামন ২০ সিরিজের পাজল ডিকনস্ট্রাকশনিস্ট ডিজাইন আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত। অনন্য স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা চাইলে এই ফোনের কোনো বিকল্প নেই। নতুন দামে এই দুর্দান্ত ফোন কেনার এটাই সুযোগ! তাহলে আর দেরি কিসের? টেকনো’র এই ধামাকা অফার মিস করতে না চাইলে এক্ষুনি চলে আসুন আপনার নিকটস্থ আউটলেটে।


আরও খবর



নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলে আমের ভাল দাম পেয়ে খুশি কৃষক

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮৪জন দেখেছেন

Image

ডিএম রাশেদ পোরশা (নওগাঁ):গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর আমের ভাল দাম পেয়ে খুশি নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলের আম চাষীরা। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর বাজারে সকল প্রকার আম তিন গুন বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এবছর আমের ফলন কম। তবে ভাল দাম পেয়ে ক্ষতিপুষিয়ে যাচ্ছে চাষীদের।  

নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলের বাতাসে বইছে এখন পাকা আমের মিষ্টি ঘ্রান। গাছে গাছে দেখা দিয়েছে বছরের শ্রেষ্ট ফল পাকা আম। এরই মধ্যে বাজারে উঠতে শুরু করেছে ফরমালিনমুক্ত গাছ পাকা তরতাজা আম। 

পাখিরা এখন গাছের ডালে বসে রসালো পাকা আম খাচ্ছে আর মোনের সুখে গাইছে প্রাণের গান। আম চাষী, ব্যবসায়ী, কৃষক, দিনমজুররা আম পাড়ায় ব্যস্ত। অনেকেই পরিবারের সকলে মিলে একসাথে বসে পাকা আম খাওয়ায় ব্যস্ত, আবার কেউ আত্মীয় স্বজনের বাসায় পাকা আম পাঠানোই ব্যস্ত।

পোরশা উপজেলার প্রাণকেন্দ্র সারাইগাছী বাজার, পোরশা সদর বাজার, তেঁতুলিয়া বাজার, নোচনাহার বাজার, শিশা বাজার ও বড়গ্রাম বাজার এবং সাপাহার উপজেলা সদরের আমের আড়ৎ গুলোতে গাছ পাকা আম কেনা বেচা শুরু হয়েছে। আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা গাছ থেকে আম ভেঙ্গে বাজারে বিক্রি করা শুরু করেছেন। অনেক বাগান মালিকরা গাছেই আম ঠিকায় (কনটাকে) বিক্রি করছেন।

গাছে সকল জাতের আম পাকা দেখা না গেলেও গত কয়েকদিনে গুটি জাতীয়, গোপালভোগ ও খিরসাপাত(হিমসাগর) আম পাকা দেখা দিয়েছে। এ জাতীয় আমগুলো গাছ থেকে নামাতে নামাতেই পাকা দেখা দিবে আমের রাজা বলে খ্যাত ল্যাংড়া, এর পর পর্যায়ক্রমে ফজলী, রূপালী ও আশ্বীনা।

গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর আমের ভাল দাম পেয়ে খুশি আম চাষীরা। এবছর গুটি জাতীয় আম ১মন (৫২কেজি) বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১৫০০টাকা পর্যন্ত। গোপালভোগ একই ওজনে প্রতি মন আম বিক্রি হচ্ছে ২৪০০ থেকে ২৮০০টাকা পর্যন্ত। আর খিরসাপাত(হিমসাগর) প্রতি মন বিক্রি হচ্ছে ২৮০০ থেকে ৩৫০০ টাকা পর্যন্ত।

পোরশা উপজেলার বেশ কয়েকটি বাজারের আমের আড়ৎগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, ব্যাপকভাবে আম বেচা-কেনা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন এ উপজেলার বিভিন্ন আড়ৎ থেকে প্রায় অর্ধ শতাধীক ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন শহর এবং এলাকায় আম রপ্তানী করা হচ্ছে।

পোরশা উপজেলার সহড়ন্দ গ্রামের আমচাষী হাবিবুর রহমান জানান, এবছর আম মৌসুমের শুরু থেকে আবহাওয়া ভাল থাকলেও গাছে মুকুল আসার পরই কয়েকবার আকাশের বৃষ্টি হওয়ায় অনেক মুকুল ঝরে গিয়েছিল। এ কারনে এবছর আমের ফলন তুলনামূলক কম। তবে গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর বাজারে আমের দাম অনেক ভাল। যে কারনে ফলন কম হলেও, দাম ভাল পেয়ে ক্ষতি পুষিয়ে যাবে বলে জানান তিনি। উপজেলার পাইকারী আম ব্যাবসায়ী সজল মিয়া জানান, তাদের আড়তে প্রতিদিন গুটি, গোপালভোগ ও খিরসাপাত আম বেচা কেনা হচ্ছে। একদিকে এলাকায় আমের ফলন কম, অন্যদিকে মোকামে চাহিদা বেশি থাকায় অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর আমের দাম অনেক বেশি।

পোরশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মামুনূর রশিদ জানান, নওগাঁ জেলার অন্যান্য উপজেলার মধ্যে সর্বোচ্চ আম চাষ হয় পোরশা উপজেলায়। এবছর এ উপজেলায় ১০হাজার ৬শ হেক্টর জমিতে আম চাষ করা হয়েছে। পোরশা উপজেলার মাটি আম চাষ করার উপযোগী। মাটি ভাল হওয়ার কারনে এখানকার আম অনেক সুস্বাদু বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



পুলিশের সাড়াশি অভিযানে সেই বলাৎকার কারি যুবলীগ নেতা আটক

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | ১২৬জন দেখেছেন

Image

আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে  ১৩ বছরের শিশু বলাৎকার কারি সেই  যুবলীগ নেতা রুস্তম আলীকে আটক করেছে থানা পুলিশ বলে নিশ্চিত করেন ওসি আব্দুর রহিম । শুক্রবার দিবাগত রাত ১২ টার দিকে  রাজশাহী রেল স্টেশনের পাশ থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এঘটনায় শিশুটির পিতা বাদি হয়ে গত শুক্রবার রাতে  থানায়  মামলা দায়ের  করেছেন । মামলার প্রেক্ষিতে তানোর থানা পুলিশের সাড়াশি অভিযানে গ্রেফতার হয় রুস্তম আলী। তার বাড়ি উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির হরিপুর গ্রামে। সে মৃত ইয়ার আলীর পুত্র। রুস্তম ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।  শনিবার  আদালতের মাধ্যমে যুবলীগ নেতাকে  কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানান ওসি । তার গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে তার শাস্তির দাবি করেছেন মামলার বাদিসহ গ্রামের লোকজন।

জানা গেছে, চলতি মাসের  ২০ তারিখে ৭ম শ্রেণী পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে মোবাইল কিনে দেওয়ার নাম করে কাদিরপুর গ্রামস্থ  পুকুর পাড়ে নিয়ে গিয়ে রুস্তম আলী বলাৎকার করে। বলাৎকার করার সময় মোবাইলে ভিডিও ধারন করে। সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।  

স্থানীয়রা জানান, রুস্তম এর আগেও কয়েকজন শিশুকে বলাৎকার করে ভিডিও ধারন করে নিয়োমিত বলাৎকার  করে থাকে। এর আগে গ্রামের ৪ থেকে ৫ জন শিশু কে বলাৎকার করেছে।

গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি জানান, রুস্তম আগে থেকেই এধরণের কাজ করে থাকে। দলের পদ দেওয়ার সময় আমরা নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু এক শিক্ষকের কথায় টাকার বিনিময়ে ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয় তাকে। কোন কিছু না বুঝে যাকে তাকে টাকার বিনিময়ে পদ দিলে তো দলের ভাবমূর্তি এভাবেই  নষ্ট হয়। তার মত লম্পটের কঠোর শাস্তি হওয়া দরকার। যাতে কেউ এধরণের কাজ করতে না পারে।

বলাৎকার কারির ভাই মোস্তাফা গত শুক্রবার এই প্রতিবেদককে বলেছিলেন, আমার ভাই এধরণের কাজ করতেই পারে না। এখন মোবাইলে অনেক রকম ভাবে ভিডিও করা যায়। 

মোস্তফাকে পুনরায় শনিবার দুপুরের দিকে মোবাইল করে জানতে চাওয়া হয় আপনার ভাই নির্দোষ তাহলে গ্রেফতার হল কেন উত্তরে তিনি কোন কথা না বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। পুনরায় মোবাইল করা হলে আর রিসিভ করেন নি। 

শিশু বলাৎকারের ভিডিও টি গত বৃহস্পতিবার থেকে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। তারপর থেকে নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। 

কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির উত্তর শাখা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলীর কাছে বলাৎকার কারি ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রুস্তমের এঘটনায় কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান বিকেলের দিকে সভাপতির সাথে আলোচনা করে তাকে বহিষ্কার করা হবে। তার কোন দায় দায়িত্ব সংগঠন বহন করবে না, আর এমন ব্যক্তির সংগঠন করারও দরকার নেই।

তবে সভাপতি শাফিউল ইসলাম বলেন, উপজেলা সভাপতি দেশের বাহিরে আছেন, তিনি আসা মাত্রই আলোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম  বলেন, প্রাথমিক ভাবে জিজ্ঞাসবাদ করে শনিবার  বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

প্রসঙ্গত,, বলাৎকারের ঘটনাটি গত শুক্রবার ও শনিবারে দৈনিক  জাতীয় স্থানীয় পত্রিকাসহ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রতিবেদন প্রকাশ হয় এবং গত বৃহস্পতিবার থেকে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।


আরও খবর



ডিএমপির দুই কর্মকর্তাকে পদায়ন

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:শনিবার (১ জুন) ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক আদেশে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়েছে।

এতে জানানো হয়, ডিএমপির মিরপুর দারুসসালাম জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জামিনুর রহমান খানকে ভিআইপি অ্যান্ড ভিভিআইপি প্রটেকশন বিভাগে, একই বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এম এম মঈনুল ইসলামকে ডিএমপির মিরপুর দারুসসালাম জোনে পদায়ন করা হয়েছে।


আরও খবর



চারঘাট সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ৫০ লক্ষাধিক টাকার ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার হয়

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১২৯জন দেখেছেন

Image
সাজেদুর রহমান পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি:রাজশাহীর চারঘাট সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ৫০ লক্ষাধিক টাকার ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার হয়ে আসছে। চারঘাটের নন্দনগাছি হয়ে পুঠিয়ায় শাহবাজপুর, কান্দ্রা, দুদুরমোড় কলনী(গুচ্ছ গ্রাম) এখন ফেনসিডিল পাচারেরর নিরাপদ রুট। ভারতীয় মাদক দ্রব্য ফেনসিডিল, ইয়াবায় ছেড়েগেছে সমগ্র রাজশাহীর শহর- বন্দর,এমন কোন গ্রাম নেই যে  এই সর্বনাশি নেশা নেই। যুব ও তরুন সমাজই নয় মধ্যবয়সী ছেলে ও মেয়েরাও প্রতি নিয়ত ঝুকে পড়েছে এই নেশায়। সকল বাধা নিষেধ অপেক্ষা করে চারঘাটের সীমা›ত ঘাটগুলো দিয়ে ছুটে আসছে এদেশের আনাচে কানাচে। সীমাšত দিয়ে রাতা রাতি ছুটে আসছে পুঠিয়া থানার জামিরিয়া,শিবপুর, মাহেন্দ্রা,বেলপুকুর, ঝলমলিয়া, পুঠিয়া বাজার, বিড়ালদহ,বানেশ^ও এলাকায়। এসব গ্রাম গুলিতে রয়েছে শতশত মহাজন। এসব মহাজনরা এখান থেকে ঢাকাসহ এদেশের বিভিন্ন্ স্থানে পাচার করে থাকে । সীমাšত দিয়ে অভিনব সব উপায় অবলম্বন করে গড়ে তুলছে ফেনসিডিলের পাহাড় এবং এখান থেকে সমগ্র রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করছে। পদ্মা নদীর চর দিয়ে আশা প্রতিদিন হাজার-হাজার বোতল ফেনসিডিল ও ইয়াবা রাজশাহীতে আসছে। এসব ফেনসিডিল কখনো নৌকায় আবার কখনো বিশেষ প্রক্রিয়ায় বালিশ বানিয়ে ভেসে ভেসে ওপাশ থেকে এ পাশে আসছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ফেন্সিডিল ব্যবসাীয় জানান, ভারত থেকে ফেন্সিডিল আনতে খরচ হয় প্রতি বোতল ফেনসিডিল ৬৫-৭০ টাকা। পদ্মার পাড় ঘেষে যাদের বাড়ি, তারা ঘাটের লেবার থেকে এখন হয়েছে বড় বড় মহাজন। এরা কুড়ে ঘর থেকে তৈরী করছে ইট, পাথরের বাড়ি। রাজশাহীসহ এদেশের বিভিন্ন স্থানে শাহর, বন্দর,গ্রামে ফেনসিডিল বিক্রি করে প্রতি পিস ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। এসব মহাজনরা সবাই বর্তমান সরকার দলকে সমর্থন করেন কিন্তু এরা কেউ নেতা নন।পুলিশ প্রশাসন প্রতি মাসেই মোটা অংকের মাসোহারা নিয়ে কিছু কিছু ফেনসিডিল আটক করে থানায় নিয়ে আসে কিন্তু কোন ফেনসিডিল পাচার কারীদের আটক করেন না। এরা এখান থেকে ঢাকা যোগাযোগ করে সুযোগ মতো ঢাকায় প্রেরন করেন এবং তাদের সঙ্গে চুক্তি করেন।  প্রথমত তাদের নিরাপদ রুট গুলি বেছেনেন। তারপর বাস, মাইক্রো বাস, ট্রাক, পিকআপ ভ্যানে যাত্রী বেশে রাত দিন ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার করে থাকেন। তবে রাতের বেলাই মাদক বেশি পাচার হয়ে থাকে বলে জানান। এখন ফেনসিডিল পাচার হচেছ এক অভিনব কায়দায় পাষ্টিক জারের তলা কেটে ৩০০-৪৩০ বোতল দিয়ে চিটাগুড় দিয়ে ভরে তারপর তলা লাগিয়ে তলা লাগিয়ে মুুখ দিয়ে আবার চিটাগুড় ঢেলে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে নিজেস্ব ড্রাইভার দিয়ে চালান হয় সে সব গাড়ি। যদি পথে পুলিশ  আটকায় তখন টোকেন ও নাম্বার দিয়ে কিছু সেলামি দিলেই ঢাকায় পৌছে যায়। এক্ষেত্রে কোন মহাজন চালানের সাথে থাকে না।  এরা সবায় অšতরালে থেকেই সব কিছু নিয়ন্ত্রন করেন। এভাবেই দিনের পর দিন চলছে এদের রমরমা মাদক ব্যবসা।

আরও খবর