Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

মধুপুরে জমি সংক্রান্ত জেরে হামলা আহত ৫

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৩২৬জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল:টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি সংক্রান্ত জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ২ মহিলা সহ ৫জন গুরুতর ভাবে আহত হয়েছে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাবুল হোসেন ও সপ্না বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। অন্যদেরকে সু চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বৃহস্প্রতিবার(২৪ আগষ্ট)বেলা ১১টার দিকে মধুপুর উপজেলাধীন কুড়ালিয়া ইউনিয়নের কেওটাই থলঘাট নামক এলাকায় এই লোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়।

বাদী মহির উদ্দিন জানান, বিবাদীদের সাথে দীর্ঘদিন যাবত জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। আমার বাড়ি যাওয়ার রাস্তা ভেঙে পড়ার কারনে আজ কিছু বালি ফেলে রাস্তা মেরামতের কাজ করার সময় পরিকল্পিত ভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে ১নং বিবাদী মৃত মফিজ উদ্দিন ছেলে সানোয়ার হোসেন (৫৫) এর নির্দেশে ১৪/১৫ জনের সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী বাহিনী দা, কোদাল, রড সহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের পরিবারের ছেলে মেয়ে সহ সবাইকে এলোপাতাড়ি ভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে আহত করে।

আমাদের বাচাতে বাড়ির মহিলাগন এগিয়ে এলে তাদেরকেও এলোপাতাড়ি ভাবে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে এবং পরনের শাড়ি কাপড় ছিড়ে ফেলে।এলাকাবাসী আমাদের উদ্ধার করে মধুপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। এদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশংকা জনক। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং গুরুতর অন্যান্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে মহির উদ্দিন বাদী হয়ে মধুপুর থানায় একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। 

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



ভোট গণনায় অনিয়ম ও সুকৌশলে হারিয়ে দেওয়ার অভিযোগ; যৌক্তিক দাবির সমাধান চান তিনি

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৫০জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:ভোট গণনায় অনিয়ম ও সুকৌশলে হারিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁর আত্রাইয়ে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদের ৩য় ধাপের অনুষ্ঠিত নির্বাচনে। অভিযোগ তুলেছেন আফছার আলী প্রামানিক নামে এক ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী। তিনি ওই নির্বাচনে তালা প্রতিকে নির্বাচন করে হেরে গিয়েছেন। তার অভিযোগ সুকৌশলে তাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে একাধিক অনিয়ম তুলে তিনি গত বৃহস্পতিবার (৩০ মে) আত্রাই উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন। এছাড়া পরের দিন শুক্রবার (৩১ মে) সকালে ভূক্তভোগী আফছার আলী প্রামানিক তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিসে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ ও সংবাদ সন্মেলন করেও তিনি কোনো সমাধান বা আশ^াস পাননি। তাই হতাশ হয়ে গণমাধ্যমকর্মীর কাছে আবারও অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।

প্রার্থী আত্রাই উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আফছার আলী দাবি করে বলেন, গত ২৯মে আত্রাই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই নির্বাচনে উপজেলার জনগণ স্বত:স্ফূর্ত ভাবে আমাকে ভোট প্রদান করেছেন। কিন্তু ৬৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ছয়টি কেন্দ্রে ভোট গণনায় তার প্রতি চরম অন্যায় এবং অবিচার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রদেয় তিন হাজার ৮১০ভোট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রদেয় ভোটের সংখ্যায় এবং শতকরা হারে গড়মিল রয়েছে। তিনি বলেন, একজন ভোটার যখন ভোট দিতে যায় তখন তাকে তিনটি পদে তিনটি ব্যালট পেপার দেয়া হয়। এতে তিনটি পদেই প্রদেয় ভোটের সংখ্যা একই রকম হওয়ার কথা। অথচ উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত প্রাথমিক বেসরকারী ফলাফল সিটে চেয়ারম্যান পদে প্রদেয় ভোটের সংখ্যা ৭৩হাজার ২৪৮, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৩হাজার ২৩১এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৩হাজার ২৬৮প্রদেয় ভোট দেখানো হয়েছে। এতে কোনো পদের সাথে কোনো পদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যার মিল নেই। যা অনিয়মের নজির। তিনি বলেন, ঘোষিত বেসরকারী ফলাফলে নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজুল শেখ এর ভোট দেখানো হয়েছে ৩৩হাজার ৫১৮এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আমাকে তালা প্রতিকে দেখানো হয়েছে ৩২হাজার ২৭৪ভোট। এতে ভোটের ব্যবধান দেখানো হয়েছে এক হাজার ২৪৪ভোট। অথচ বাতিল ভোটের সংখ্যা দেখানো  হয়েছে তিন হাজার ৮১০ভোট। তিনি দাবি করে বলেন, আমাকে সুকৌশলে অনিয়ম করে হারানো হয়েছে। মোট বাতিলকৃত ভোট বাছাইপূর্বক এবং ৬টি কেন্দ্রের ভোট পুনরায় গণনা করলে আমিই জয়লাভ করব। এঘটনায় মোট বাতিলকৃত ভোট বাছাইপূর্বক এবং ছয়টি কেন্দ্রের ভোট পুনরায় গণনার দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে আত্রাই উপজেলা সহকারী রিটার্নিং ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

ভূক্তভোগী আফছার আলীর দাবি তার প্রতীকে সিল মারা একাধিক ব্যালট বাহিরে পাওয়া গিয়েছে। যেটা কোনো ভাবেই কাম্য নয়। তাই তিনি পুনরায় বাতিলকৃত ভোট ও ছয়টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোট গণনা চান। তিনি বলেন, প্রধানমনত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক সারাদেশে নির্বাচন সুষ্ঠ হয়েছে। আমার এখানেও নির্বাচন সুষ্ঠ হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা আমাকে সুকৌশলে হারিয়ে দিয়েছে। আমার প্রতি অন্যায় করা হয়েছে। আমাকে যারা ভালোবাসেন এবং ভোট দিয়েছেন তারা আমার এই পরাজয়কে মেনে নিতে পারছেনা। সেই জন্য আমি উচ্চ আদালতে যাবো। এর শেষ দেখে ছাড়বো। 

এদিকে তিনি সংবাদ সন্মেলনেও একই দাবি তোলেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য স্বপন কুমার সাহা, আত্রাই উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রাফিউল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম, সাবেক ছাত্র নেতা আমানুল্লাহ ফারুক বাচ্চু, পাঁচুপুর ইউনিয়ন সেচ্ছা সেবকলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শাকিল হোসেন, সমাজ সেবক রতন প্রামানিকসহ দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা।

সুকৌশলে হারিয়ে দেওয়া ও অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে আত্রাই নির্বাচন কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম অস্বীকার করে বলেন, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোট সম্পন্ন হয়েছে। আর প্রদেয় ভোটের শতকরা হার এক না হওয়ার কারণ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা যেকোনো কারণে হতে পারে। দুই এক ভোটের গড়মিল হতেই পারে বলে জানান তিনি। এছাড়া দুই তিন ভোট কোনো প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করেনা। তবে তার সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ থাকলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করতে পারে। এতে বিজয়ী ভাইস চেয়ারম্যানের গেজেট স্থগিত হয়ে যাবে।

একইভাবে প্রদেয় ভোটের শতকরা হারের যে ব্যবধান রয়েছে তা অনেক কারণে হতে পারে জানিয়ে আত্রাই উপজেলা সহকারী রিটার্নিং ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্চিতা বিশ্বাস বলেন, তার অভিযোগ সত্য নয়। ভোটে বা ভোট গণনায় কোন অনিয়ম হয়নি। আমরা শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হয়েছি। আফছার আলী প্রামানিক যে লিখিত আবেদন করেছিলেন তা আমাদের এখতিয়ার ভুক্ত না হওয়ায় তাকে নির্বাচন কমিশন বরাবর আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার যদি কোনো অভিযোগ থাকে, সেটা এখন নির্বাচন কমিশন দেখবেন। 


আরও খবর



এনআইডি নিয়ে হয়রানি বন্ধের নির্দেশ সিইসির

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা নিতে গিয়ে নাগরিকরা যেন কোনো হয়রানির শিকার না হন এবং তাদের সঙ্গে যেন দুর্ব্যবহার করা না হয় কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।সোমবার (১০ জুন) নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) আয়োজিত এনআইডি সংশোধনসংক্রান্ত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ নির্দেশনা দেন তিনি।

ইসি সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটিতে ইটিআই মহাপরিচালকসহ অন্য কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি বলেন, জাতীয় পর্যায়ে এনআইডির গুরুত্ব এখন অপরিসীম। আমাদের ভোটার তালিকাও এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডিজিটালাইজড হয়ে গেছে। এনআইডি এখনও শতভাগ সেটেলড ডাউন হয়েছে, এটা আমার কাছে মনে হয় না। অনেকে অভিযোগ করেন যে, পরিবর্তন বা সংশোধন করতে হবে। সংশোধনের কিছু কিছু ক্ষেত্রে যারা আবেদনকারী তাদের কারণে ভুল হয়ে থাকে। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে তথ্যগুলো আমি যখন লিখছি, তখন সঠিকভাবে লিখছি না। কিছু সংকট আমাদের রয়েছে।

তিনি বলেন, এনআইডি ব্যবস্থাপনা অনেক জটিল। আমি সেটা বুঝি না। তবে জনগণ এলে তাকে সেবা দিতে যেন দেরি না হয়। আমি সরকারি কর্মচারী। যেন হয়রানি না করি, দুর্ব্যবহার না করি, সেটা নিশ্চিত রাখতে হবে। বিয়ের পরে অনেকের স্বামীর নাম পরিবর্তন করতে হয়। কোনো কোনো দেশে এটা অপরিহার্য হিসেবে প্রয়োজন হয়। তাই স্বামীর নামটা অরিজিনালি থাকা উচিত। তাহলে বিড়ম্বনা হবে না।

সিইসি আরও বলেন, আমি জানি স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন হয় না। তবে অস্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন হয়। আমার হয়তো অস্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন হয় না, কিন্তু ঘন ঘন অস্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে কী এনআইডি সংশোধন করতে পারব, সে দিকটাও দেখতে হবে। প্রায়ই শুনি এ ওর নাম নিয়ে ভিন্ন পরিচয় ধারণ করে এনআইডি নিয়েছে৷ বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ত হচ্ছে। অনেকে বাবার নাম পরিবর্তন করে চাচার নাম নিয়ে সহায় সম্পত্তি দখল করে ফেলছে। গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে কোনো একটি উপায় বের করতে হবে, যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে। কেউ যদি ১০টা দেশের নাগরিক হন এবং বাংলাদেশেরও নাগরিক হন তাহলে তিনি এনআইডি পাবেন৷ দ্বৈত নাগরিকত্বের অজুহাতে কাউকে এনআইডি দেওয়া থেকে বাদ রাখা যাবে না। যদি কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হন, সনদের প্রয়োজন নেই; তাকে এনআইডি দিতে হবে।



আরও খবর



১৯ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী কোরবানির বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীতে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৯ হাজার ৪৯৭ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী প্রস্তুত রয়েছে। এরমধ্যে ঢাকা উত্তরের ১০ হাজার এবং দক্ষিণ সিটির ৯ হাজার ৪৯৭ জন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম পশু কোরবানির ৬ ঘণ্টা এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন।

কোরবানি হওয়া পশুর রক্ত, বর্জ্য ও আবর্জনা অপসারণে ঈদের দিন ১০ হাজারের বেশি পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত থাকবে উত্তর সিটি কর্পোরেশনে। ডিএনসিসির মেয়র, কাউন্সিলর ও কর্মকর্তারা পুরো বিষয়টি তদারকি করবেন।

ঈদের দিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোরবানির পশুর মালিকদের বর্জ্য প্যাকেট করতে ৯ লাখ ৪০ হাজার পলিব্যাগ, ১ লাখ বায়োডিগ্রেডেবল পলিব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে। একই সময় ২ হাজার ৬৮০ বস্তা ব্লিচিং পাউডার (২৫ কেজির বস্তা), ৯০০ ক্যান স্যাভলন (প্রতি ক্যান ৫ লিটার), ৭ হাজার টুকরি ও ১ হাজার ২৫০ লিটার ফিনাইল ব্যবহার হবে।

ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ড থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে আমিনবাজার ল্যান্ডফিল্ডে নেওয়ার জন্য ৮৫টি ডাম্প ট্রাক, ২১টি পে-লোডার, ১৮টি পানির গাড়ি, ২টি টায়ার ডোজার, ৫টি স্কিড লোডার, ১৪০টি পিকআপ ও ৪৫টি কনটেইনার ক্যারিয়ার ব্যবহার করা হবে।

এদিকে ঈদের দিন দুপুর ২টা থেকে বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু করবে ডিএসসিসি। এই সিটির ৭৫টি ওয়ার্ডে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে তাদের ৯ হাজার ৪৯৭ জন কর্মী কাজ করবেন। এর মধ্যে নিজস্ব জনবল ৪ হাজার ৯৯৭ জন, প্রাইমারি ওয়েস্ট কালেকশন সার্ভিস প্রোভাইডারের (পিসিএসপি) ৪ হাজার ৫০০ জন। সব মিলিয়ে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে ৫৬০টি যান-যন্ত্রপাতি নিয়োজিত থাকবে।

`বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি যেসব জায়গায় পশু কোরবানি করা হবে, সেখানে ৪০ টন ব্লিচিং পাউডার, ২২২ গ্যালন স্যাভলন ছিটানো হবে। এছাড়া বর্জ্যগুলো প্যাকেট করে রাখতে ১ লাখ ৪০ হাজার বায়োডিগ্রেডেবল ব্যাগ বিতরণ করা হবে বলে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।


আরও খবর



গাংনীতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রি উত্যক্তর অভিযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১২জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃমেহেরপুরের গাংনীর বাওট সোলাইমানি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক মিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধেসপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রিকে উত্যক্ত করার অভিযোগ উঠেছে । লজ্জ্বা ভয়ে ওই ছাত্রি বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দিয়েছে। এ ঘটনায় ফুঁসে উঠেছেন এলাকাবাসি। তোপের মুখে আত্মগোপন করেছেন ওই শিক্ষক । এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষককে বাঁচাতে গোপনে সমঝোতার চেষ্টা ও ঘটনা আড়াল করতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রধান শিক্ষক। 

জানা গেছে, বেশ কিছুদিন যাবত ওই ছাত্রিকে শিক্ষক মিরাজুল ইসলাম বিভিন্ন সময় নানা ধরনের কুরচিপূর্ণ কথা বলেন। দিন পাঁচেক আগে শিক্ষক মিরাজুল ওই ছাত্রিকে বিদ্যালয়ে একটি কক্ষে নিয়ে কু প্রস্তাব দেয়। লোক লজ্জ্বার ভয়ে ছাত্রিটি বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দেয় ও পরিবারের লোকজনকে জানায়। বিষয়টি জানানো হয় প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষককে। সেই সাথে জেনে যান বিদ্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদসহ এলাকার লোকজন।

এলাকার কয়েকজন জানান, একজন ছাত্রি একজন শিক্ষকের মেয়ে তুল্য। কীভাবে তাকে কুপ্রস্তাব দেয় ? তার বিচার হওয়া প্রয়োজন। এজন্য ছাতিয়ান ও বাওট গ্রামের লোকজন ফুঁসে উঠেছে। গত রোববার ও আজ সোমবার এলাকার লোকজন বিদ্যালয়ে আশে পাশে অবস্থান নেয়। অবস্থা বেগতিক দেখে ওই শিক্ষক আত্মগোপন করেন। শিক্ষক মিরাজুল দুশ্চরিত্রের মানুষ। তাকে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না বলেও জানান তারা।

এলাকাবাসি আরো জানান, ওই শিক্ষককে বাঁচাতে ও ঘটনা আড়াল করতে প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসেন মিথ্যাচার করেন। ঘটনাটি আদৌ সত্য নয় বলে প্রচার করতে চাইলে ওই শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের লোকজন পুরো ঘটনাটি এলাকার জনপ্রতিনিধিদেরকে অবহিত করেন। এর পরই প্রধান শিক্ষক দমে যান। তাছাড়া ঘটনার ৫দিন অতিবাহিত হলেও প্রধান শিক্ষক ওই ক্রিড়া শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেন নি এবং উর্ধ¦তন কর্মকর্তাকে অবহিত করেন নি।

কয়েকজন শিক্ষক জানান, ২০১৮ সালে এনটিআরসি থেকে নিয়োগ পান শিক্ষক মিরাজুল। তখন থেকেই তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ রয়েছে। এমতাবস্থায় প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ কারো কথায় কান না দিয়ে তাকে যোগদান করান। বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই ছাত্রিদের সাথে অসদাচরণ এবং বাজে উক্তি করতেন। হাসির ছলে কথা বলায় তখন কেউ কিছু মনে করতেন না। কিন্তু উত্যক্ত করা ছাড়াও ছাত্রিদের সাথে খারাপ আচরণ করায় সকলেই বিরক্ত।

প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসেন জানান, ক্রিড়া শিক্ষক মিরাজুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় ওই শিক্ষক আর বিদ্যালয়ে আসেন নি। আবার তার ব্যবহৃত মুঠো ফোনটিও বন্ধ রেখেছেন। তাকে মৌখিকভাবে বিদ্যালয়ে না আসার জন্য বলা হয়েছে। সেই সাথে ওই শিক্ষার্থীকে ঘটনার বিবরন দিয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। শিক্ষককে বাঁচাতে গোপন আঁতাতের বিষয়টি অস্বীকার করেন এই প্রধান শিক্ষক।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সাহাবুল ইসলাম জানান, তিনি দুদিন আগে ঘটনাটি শুনেছেন। প্রধান শিক্ষক তাকে ঘটনাটি জানান নি। লোকমুখে ঘটনাটি শুনে বিদ্যালয়ে আসেন এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রধান শিক্ষককে বলেন।


আরও খবর



ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image

শরীফ হোসাইন, ভোলা বিশেষ প্রতিনিধি:ভোলায় গত ৪ দিনে ৩টি রাসেল ভাইপার সাপ ধরা পড়ায় ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতের পর প্রকাশ্যে দেখা মিলছে এই রাসেল ভাইপারের। বিষধর এই সাপ সম্পর্কে গ্রামগঞ্জের মানুষের মধ্যে ধরনা বা পরিচিতি একেবারেই নেই বললেই চলে। ইতোপূর্বে ভোলায় দু-একটি ধরা পড়লেও তা অবমুক্ত করা হয়েছিল। সম্প্রতি ভোলা জেলার বিভিন্ন এলাকায় ধরা পড়ছে রাসেল ভাইপার।

গত রোববার (১৬ জুন) ভোলার লালমোহন উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সৈয়দাবাদ এলাকার হেমায়েত মাওলানা বাড়ির সাখাওয়াত হোসেন নামে এক ব্যক্তির বাথরুমে সাপটির দেখা মেলে। এ নিয়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যদিও আতঙ্কিত হয়ে সাপটিকে তাৎক্ষণিক পিটিয়ে মেরে ফেলেন লোকজন। 

এর দুইদিন পর মঙ্গলবার (১৮ জুন) ভোলা সদরের পূর্ব ইলিশায় এক বসত বাড়ির পাশের রাস্তায় দেখা মেলে বিষধর এ সাপটিকে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয় সাপটি।

এদিকে একই দিনে দৌলতখান উপজেলায় বিষধর সাপ রাসেল ভাইপারের কামড়ে ৩টি বিড়ালের মৃত্যু হয়েছে। পরে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছেন। বিড়াল তিনটিকেও নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জালু মাঝির বসত ঘরে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে জালু মাঝির বসতঘরে খাটের নিচে তিনটি বিড়াল মৃত অবস্থায় দেখেন ঘরের লোকজন। পরে ঘরের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজির পর হঠাৎ করে বিষধর সাপ রাসেল ভাইপারকে বের হতে দেখেন। এই দৃশ্য দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে বাড়ির লোকজন এসে সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন। পরে জানতে পারেন সাপটি বিষধর রাসেল ভাইপার।

অন্যদিকে ২০২১ সালের ১৮ ডিসেম্বর দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়ন থেকে বিষধর রাসেল ভাইপার সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে বন বিভাগকে খবর দিলে তারা সাপটি উদ্ধার করে তজুমদ্দি উপজেলার শশিগঞ্জ বিটের গহীন অরণ্যে অবমুক্ত করেন। এ নিয়ে দৌলতখান উপজেলায় দুটি রাসেল ভাইপার সাপের সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এ বিষয়ে ভোলার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেন, রাসেল ভাইপার সাপ লোকালয়ে সাধারণত খুব কমই আসে। বাচ্চা দেয়ার কারণে হয়তো ওই সাপটি লোকালয়ে চলে আসতে পারে। তবে সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া কেউ এসব সাপ দেখলে মেরে না ফেলে স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তাদের জানানোর অনুরোধ করেন।

তথ্য অনুযায়ী উত্তর এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতেই এ সাপের উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছিল। এ প্রজাতির সাপের সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি ছিল রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। তবে বর্তমানে দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় এ প্রজাতির সাপের উপস্থিতি বেড়ে গেছে। উত্তরবঙ্গে রাসেল ভাইপার সাপ চন্দ্রবোড়া বা উলুবোড়া নামে পরিচিত।

সাপটির গাঁয়ের রং এবং চিত্রাকৃতির হওয়ায় ভোলার বেশিরভাগ মানুষ এটিকে নদীতে বাস করা অথবা অজগরের ছদ্মনাম বলেই জানে। বাংলাদেশে যে সব সাপ দেখা যায় সেগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বিষাক্ত সাপ।

আফ্রিকা উপমহাদেশ থেকে আসা এ বিষধর সাপের উপদ্রব এখনই কমানো না গেলে পরে আরও মারাত্মক আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতনমহল।


আরও খবর